Bengali Quotes
Quotes tagged as "bengali"
Showing 1-30 of 224
“যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চায় যে সব ঠিক হয়ে যাক । কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়। আর অনেকদিন পরে সে আগের চেয়েও অনেকবেশী খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারো অবহেলায় সত্যিই কিছু আসে যায় না।”
―
―
“আমি কখনো অতিরিক্ত কিছুদিন বাঁচার জন্য সিগারেটের আনন্দ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ভেবে রেখেছিলাম ডাক্তারকে বলব, আমি একজন লেখক। নিকোটিনের বিষে আমার শরীরের প্রতিটি কোষ অভ্যস্ত। তোমরা আমার চিকিৎসা করো, কিন্তু আমি সিগারেট ছাড়ব না। তাহলে কেন ছাড়লাম? পুত্র নিনিত হামাগুড়ি থেকে হাঁটা শিখেছে। বিষয়টা পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেনি। দু-এক পা হেঁটেই ধুম করে পড়ে যায়। ব্যথা পেয়ে কাঁদে। একদিন বসে আছি। টিভিতে খবর দেখছি। হঠাৎ চোখ গেল নিনিতের দিকে। সে হামাগুড়ি পজিশন থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে। হেঁটে হেঁটে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। তার ছোট্ট শরীর টলমল করছে। যেকোনো সময় পড়ে যাবে এমন অবস্থা। আমি ডান হাত তার দিকে বাড়িয়ে দিতেই সে হাঁটা বাদ দিয়ে দৌড়ে হাতের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বিশ্বজয়ের ভঙ্গিতে হাসল। তখনই মনে হলো, এই ছেলেটির সঙ্গে আরও কিছুদিন আমার থাকা উচিত। সিগারেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত সেই মুহূর্তেই নিয়ে নিলাম।”
―
―
“মেয়েদের অনেক গুণের মধ্যে বড় গুণ হলো এরা খুব সুন্দর করে চিঠি লিখতে পারে। কথাবার্তায় নিতান্ত এলোমেলো মেয়েও চিঠি লেখায় গোছানো। মেয়েদের চিঠিতে আরেকটা ব্যাপার থাকে - বিষাদময়তা। নিতান্ত আনন্দের সংবাদ দিয়ে লেখা চিঠির মধ্যেও তারা জানি কী করে সামান্য হলেও দুঃখ মিশিয়ে দেয়। কাজটা যে তারা ইচ্ছা করে করে তা না। প্রকৃতি তাদের চরিত্রে যে বিষাদময়তা দিয়ে রেখেছে তাই হয়তো চিঠিতে উঠে আসে।”
― সে আসে ধীরে
― সে আসে ধীরে
“ভীতি কখনোই প্রীতির মতো স্থায়ী ফলদায়ক ঔষধ নয়, তবে তাতে সাময়িক উপশম অবশ্যই হয়।”
― বাইতুল্লাহর মুসাফির
― বাইতুল্লাহর মুসাফির
“দিনকাল পাল্টে গেছে, এখন আর মানুষ আগের মতো নাই।মওলানা ধরনের মানুষের দিকে এখন আর আগের মতো ভয়-মিশ্রিত শ্রদ্ধার চোখে কেউ তাকায় না। মওলানাও যে বিবেচনায় রাখার মতো একজন, কেউ তাও বোধহয় মনে করে না। ছল্টুফল্টু ভাবে।”
― এই মেঘ, রৌদ্রছায়া
― এই মেঘ, রৌদ্রছায়া
“আমরা আমাদের ব্যবসায় ইনভেস্ট করি টাকাপয়সা। কিন্তু আমরা খেয়াল করে দেখি না যে আমাদের জীবনও একটি ব্যবসার মতো। এতে লাভ বা ক্ষতি রয়েছে। কিন্তু এই ব্যবসার মূলধন কিন্তু টাকাপয়সা নয়। জীবনের যে ব্যবসা তাতে মূলধন হলো সময়। আমাদের প্রত্যেককে কিছু সময় পৃথিবীতে মূলধন হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এই মূলধনকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এ ব্যবসায় লাভবান হতে হবে।”
― সহজ কুরআন
― সহজ কুরআন
“পৃথিবীতে কেউ কারো নয়
শুধু সুখে থাকার আশায়
কাছে টানার ব্যার্থ প্রত্যয়
আর দূরে চলে যাওয়ার
এক বাস্তব অভিনয়”।”
― অপেক্ষা-২
শুধু সুখে থাকার আশায়
কাছে টানার ব্যার্থ প্রত্যয়
আর দূরে চলে যাওয়ার
এক বাস্তব অভিনয়”।”
― অপেক্ষা-২
“এক একদিন ঘুম ভাঙার পর
মাথায় বেঠোফেনের অগ্নিজটাময় চুল,
আর মুখের দুপাশে মায়াকভস্কির হাঁড়িকাঠের মতো চোয়াল,
চোখের ভিতরে বোদলেয়ারের প্রতিহিংসাপরায়ণ চোখ,
মনের ভিতরে জীবনানন্দের প্রেমিক চিলপুরুষের মন,
আর হাসির ভিতরে রেমব্রান্টের হিসেব-না-মেলানো হাসির চুরমার!”
― পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা
মাথায় বেঠোফেনের অগ্নিজটাময় চুল,
আর মুখের দুপাশে মায়াকভস্কির হাঁড়িকাঠের মতো চোয়াল,
চোখের ভিতরে বোদলেয়ারের প্রতিহিংসাপরায়ণ চোখ,
মনের ভিতরে জীবনানন্দের প্রেমিক চিলপুরুষের মন,
আর হাসির ভিতরে রেমব্রান্টের হিসেব-না-মেলানো হাসির চুরমার!”
― পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা
“নারী-শিক্ষা যখন ভালো মতন চালু হয়নি, মেয়েরা ঘর ছেড়ে তখনও বাইরে আসে না— সেই যুগেও বাংলা সাহিত্যে যতজন উল্লেখযোগ্য লেখিকা ছিলেন, তার তুলনায় এখন বহু রকম সুযোগ-সুবিধা সত্ত্বেও লেখিকার সংখ্যা এত কম কেন? ...অন্য গল্প-কবিতার কথা বাদ দিলেও, শিশু-সাহিত্যে তো মেয়েরা অনেক কিছু দিতে পারতেন। বস্তুত, শিশুদের সম্পর্কে মেয়েদের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত হাজারগুণ বেশি। বাচ্চা ছেলেমেয়েদের গল্প বলেও ভোলাতে হয় তাঁদের। সেই হিসেবে, শিশু-সাহিত্যটাই মেয়েদের একচেটিয়া হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘটনা তা নয়। পৃথিবীর নাম-করা লেখিকাদের মধ্যে অনেকেই বাচ্চাদের জন্য এক লাইনও লেখেননি! এও এক অদ্ভুত ব্যাপার।”
―
―
“সবাই মানুষ থাকবে না।
কেউ কেউ ধুলো হবে, কেউ কেউ কাঁকর ও বালি
খোলামকুচির জোড়াতালি।
কেউ ঘাস, অযত্নের অপ্রীতির অমনোযোগের
বংশানুক্রমিক দূর্বাদল।
আঁধারে প্রদীপ কেউ নিরিবিলি একাকী উজ্জ্বল।
সন্ধ্যায় কুসুমগন্ধ,
কেউ বা সন্ধ্যার শঙ্খনাদ।
অনেকেই বর্ণমালা
অল্প কেউ প্রবল সংবাদ।”
― পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা
কেউ কেউ ধুলো হবে, কেউ কেউ কাঁকর ও বালি
খোলামকুচির জোড়াতালি।
কেউ ঘাস, অযত্নের অপ্রীতির অমনোযোগের
বংশানুক্রমিক দূর্বাদল।
আঁধারে প্রদীপ কেউ নিরিবিলি একাকী উজ্জ্বল।
সন্ধ্যায় কুসুমগন্ধ,
কেউ বা সন্ধ্যার শঙ্খনাদ।
অনেকেই বর্ণমালা
অল্প কেউ প্রবল সংবাদ।”
― পূর্ণেন্দু পত্রীর শ্রেষ্ঠ কবিতা
“হাওড়া ব্রিজের চুড়োয় উঠুন,
নীচে তাকান, ঊর্ধ্বে চান—
দুটোই মাত্র সম্প্রদায়
নির্বোধ আর বুদ্ধিমান।”
― নিহিত পাতালছায়া
নীচে তাকান, ঊর্ধ্বে চান—
দুটোই মাত্র সম্প্রদায়
নির্বোধ আর বুদ্ধিমান।”
― নিহিত পাতালছায়া
“মিডিয়া যে একটা বিপদ তৈরি করেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এক দিকে অডিয়ো-ভিজুয়ালের দাপটে লেখক আর ফিল্মস্টারের দূরত্বটা অনেকখানি কমে আসছে, সাধারণের সামনে নিজেকে দৃশ্যমান করে তুলবার ঝোঁক, নগদ-বিদায়ের লোভ। চোখের সামনে থাকো, নইলে তুমি মৃত— এই রকম একটা আতঙ্কময় উত্তেজনা এখন ছড়িয়ে গেছে সংস্কৃতির জগতে।”
―
―
“এত যদি ব্যূহ চক্র তীর তীরন্দাজ, তবে কেন
শরীর দিয়েছ শুধু বর্মখানি ভুলে গেছ দিতে!”
― মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয়
শরীর দিয়েছ শুধু বর্মখানি ভুলে গেছ দিতে!”
― মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয়
“তোমার কোনো মিথ্যা নেই তোমার কোনো সত্য নেই
কেবল দংশন
তোমার কোনো ভিত্তি নেই তোমার কোনো শীর্ষ নেই
কেবল তক্ষক
তোমার কোনো বন্ধু নেই তোমার কোনো বৃত্তি নেই
কেবল বন্ধন
তোমার কোনো দৃষ্টি নেই তোমার কোনো শ্রুতি নেই
কেবল সত্তা।”
― বাবরের প্রার্থনা
কেবল দংশন
তোমার কোনো ভিত্তি নেই তোমার কোনো শীর্ষ নেই
কেবল তক্ষক
তোমার কোনো বন্ধু নেই তোমার কোনো বৃত্তি নেই
কেবল বন্ধন
তোমার কোনো দৃষ্টি নেই তোমার কোনো শ্রুতি নেই
কেবল সত্তা।”
― বাবরের প্রার্থনা
“চিন্ময় গুহ: বাংলা ভাষার একটা মারাত্মক সংকট আসছে। একদিকে এক তরলীকৃত ভাষা, অন্যদিকে ইংরেজির আগ্রাসন শুধু এখানে নয়, বাংলাদেশেও প্রভাব ফেলছে। এর কী প্রতিকার? অনেকেই বুঝতে পারছেন না...
পবিত্র সরকার: বাংলা ভাষা শুধু নয়, ইংরেজির মতো আধিপত্যকারী ভাষার কাছে সব ভাষার সংকট। আমরা তা যত তাড়াতাড়ি বুঝি ততই ভালো। মুশকিল হচ্ছে, বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবী এটা বোঝেন না। না এখানে, না বাংলাদেশে। আমি অবশ্যই ইংরেজি শিখব, কিন্তু ইংরেজি-বাংলা দুটি ভাষায় খিচুড়ি বা ঘ্যাঁট তৈরি করব না, যা আমরা আর অন্য ভারতীয়রা করি। একটু সচেতন থাকলেই, কাছাটা ঠিক জায়গায় থাকলেই দুটো ভাষা আলাদা রাখা যায়।”
― আয়না ভাঙতে ভাঙতে : চিন্ময় গুহ-র সাথে কথোপকথন
পবিত্র সরকার: বাংলা ভাষা শুধু নয়, ইংরেজির মতো আধিপত্যকারী ভাষার কাছে সব ভাষার সংকট। আমরা তা যত তাড়াতাড়ি বুঝি ততই ভালো। মুশকিল হচ্ছে, বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবী এটা বোঝেন না। না এখানে, না বাংলাদেশে। আমি অবশ্যই ইংরেজি শিখব, কিন্তু ইংরেজি-বাংলা দুটি ভাষায় খিচুড়ি বা ঘ্যাঁট তৈরি করব না, যা আমরা আর অন্য ভারতীয়রা করি। একটু সচেতন থাকলেই, কাছাটা ঠিক জায়গায় থাকলেই দুটো ভাষা আলাদা রাখা যায়।”
― আয়না ভাঙতে ভাঙতে : চিন্ময় গুহ-র সাথে কথোপকথন
“যক্ষ-প্রিয়ার চিঠি দিতে নিতে মেঘ;
কখন হয়েছে ঘন তার প্রেমাবেগ।
অথচ প্রকাশে যত কুণ্ঠা ছিল তার
ধারণে কৃষ্ণ হ'ল, বিষ-উদ্গার।
যতবার আর ভার পারে না সে নিতে
বৃষ্টি হয়ে ততবার ঝরে পৃথিবীতে।”
―
কখন হয়েছে ঘন তার প্রেমাবেগ।
অথচ প্রকাশে যত কুণ্ঠা ছিল তার
ধারণে কৃষ্ণ হ'ল, বিষ-উদ্গার।
যতবার আর ভার পারে না সে নিতে
বৃষ্টি হয়ে ততবার ঝরে পৃথিবীতে।”
―
“ভারতের সর্বত্রই মেয়েদেরকে প্ররোচিত করা হয়েছে মাতৃকাশক্তির সঙ্গে নিজেদেরকে আইডেন্টিফাই করতে। কিন্তু দেবী হবার লোভ একটা বিরাট লোভ, একটা দুর্দান্ত নাগপাশ। এই লোভ যখন ভিতর থেকে মেয়েদেরকে একবার পেয়ে বসে, তখন তাদের বাইরের ইডিওলজি আর ভিতরের ইল্যুশন একেবারে একাকার হয়ে যায়। তখন তারা যাবতীয় অবিচার ও অত্যাচার সহ্য করতে পারে, সবরকমের আশাভঙ্গ ও ক্ষতিবোধকে সাবলিমেট করতে পারে, মেগালোমেনিয়াক দুঃসাহসে আগুনে পর্যন্ত ঝাঁপ দিতে পারে। এই দেবীবিলাস বাঙালী হিন্দু মেয়েদের সর্বনাশ করেছে : সিঁথির সিঁদুর আর কবজির শাঁখা থেকে পায়ের আলতা পর্যন্ত মাঙ্গলিক চিহ্ন ধারণ করে, গৃহের অধিষ্ঠাত্রী দেবী তথা পুরুষের গৃহলক্ষ্মী হয়ে, নিজেরা সাক্ষাৎ মা লক্ষ্মী সেজে, লক্ষ্মীপ্রতিমার সামনে গড় হয়ে পেন্নাম করে নিজেদের মনুষ্যত্বকে তারা জলাঞ্জলি দিয়েছে।”
― রবীন্দ্রনাথ ও ভিক্তোরিয়া ওকাম্পোর সন্ধানে
― রবীন্দ্রনাথ ও ভিক্তোরিয়া ওকাম্পোর সন্ধানে
“আমরা যারা ভালোবেসেছি তাদের সবার গায়েই পোড়া গন্ধ লেগে"
"All of us who have loved carry the scent of burning.”
―
"All of us who have loved carry the scent of burning.”
―
“এতটা পুড়িনি আগে;
সেইবারও জ্বেলেছিলে,
মোমবাতি মনে ক'রে।
আমিও চাদর ভেবে তোমাকে জড়িয়ে গায়,
সারারাত কাটিয়েছি গঙ্গার ধারে।
I haven't burned this much before;
Even that time you lit (me) ,
Thinking of (me) as a candle.
I too, thinking of you as a shawl, wrapped you around my body,
(and) spent the whole night by the Ganges.”
―
সেইবারও জ্বেলেছিলে,
মোমবাতি মনে ক'রে।
আমিও চাদর ভেবে তোমাকে জড়িয়ে গায়,
সারারাত কাটিয়েছি গঙ্গার ধারে।
I haven't burned this much before;
Even that time you lit (me) ,
Thinking of (me) as a candle.
I too, thinking of you as a shawl, wrapped you around my body,
(and) spent the whole night by the Ganges.”
―
“এ চিঠি কোথায় লেখা ?
কারো কোনো ঠিকানা ছিল না।
তবু যতবার পড়ি,
দেখি চামড়া খসে পড়ে,
যেন বা পলেস্তারা,
বহুদিন এ শরীর,
মেরামত করতে আসো নি।
Here's the English translation of this part of the poem:
Where was this letter written?
No one had any address.
Yet, every time I read (it),
I see the skin peeling off,
As if it were plaster,
For many days this body,
You haven't come to repair.”
―
কারো কোনো ঠিকানা ছিল না।
তবু যতবার পড়ি,
দেখি চামড়া খসে পড়ে,
যেন বা পলেস্তারা,
বহুদিন এ শরীর,
মেরামত করতে আসো নি।
Here's the English translation of this part of the poem:
Where was this letter written?
No one had any address.
Yet, every time I read (it),
I see the skin peeling off,
As if it were plaster,
For many days this body,
You haven't come to repair.”
―
All Quotes
|
My Quotes
|
Add A Quote
Browse By Tag
- Love Quotes 102k
- Life Quotes 80k
- Inspirational Quotes 76.5k
- Humor Quotes 44.5k
- Philosophy Quotes 31k
- Inspirational Quotes Quotes 29k
- God Quotes 27k
- Truth Quotes 25k
- Wisdom Quotes 25k
- Romance Quotes 24.5k
- Poetry Quotes 23.5k
- Life Lessons Quotes 23k
- Quotes Quotes 21k
- Death Quotes 20.5k
- Happiness Quotes 19k
- Hope Quotes 18.5k
- Faith Quotes 18.5k
- Inspiration Quotes 17.5k
- Spirituality Quotes 16k
- Relationships Quotes 15.5k
- Life Quotes Quotes 15.5k
- Motivational Quotes 15.5k
- Religion Quotes 15.5k
- Love Quotes Quotes 15.5k
- Writing Quotes 15k
- Success Quotes 14k
- Travel Quotes 14k
- Motivation Quotes 13.5k
- Time Quotes 13k
- Motivational Quotes Quotes 12.5k
