Jonmodanberodhi Quotes

Quotes tagged as "jonmodanberodhi" Showing 1-9 of 9
“যদি নতুন শিশু (সত্তা) সৃষ্টি করা না হয় তাহলে যথেষ্ট দাস বা কর্মী থাকবে না এবং এটা দ্বিতীয় ধরনের (স্বার্থপর) মানুষদের জন্য জীবনকে আরো কঠিন ও উপভোগ অযোগ্য করে তুলবে।
এর ফলে সমাজ,সম্প্রদায়, দেশ এবং বাকি সকল সিস্টেম ভেঙে পড়বে ( টিকে থাকবে না)।
আর দ্বিতীয় ধরনের লোকেরা এমনটা হওয়ার ভয়েই থাকে।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“জীবনের যে ক্ষেত্রে বা যে পর্যায়েই শুরু করেন না কেনো আপনি যদি গভীরতর সততার সাথে পর্যবেক্ষণ করেন তবে আপনি অনেকগুলো উপসংহার বা উপলব্ধি পাবেন যেগুলো প্রকৃতপক্ষে একটি মৌলিক বিষয় বা উপসংহারকেই নির্দেশ করে।
এমন দুটি উপলব্ধি বা উপসংহারের উদাহরণ হলো -

(ক) সবধরনের সমাজ, জীবন, সত্তা শুধুমাত্র (অন্যের) স্বার্থপর উদ্দেশ্যে অস্তিত্বশীল।
(খ) আপনি মানুষ বা অন্যান্য অস্তিত্বশীল কিছুর সাথে যত কম আঁকড়ে থাকবেন তত বেশি স্বাধীনতা, শান্তি ও আনন্দ লাভ করবেন।”
শামস অর্ক, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“একমাত্র সত্যিকার স্বাধীনতা বা শান্তি হচ্ছে অস্তিত্বহীনতায়।”
শামস অর্ক, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“অস্তিত্বহীনতা হলো সকল মানুষ, বিষয়, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও সংবেদনশীলতার ঊর্ধ্বে। এমনকি অস্তিত্বেরও ঊর্ধ্বে।”
শামস অর্ক, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“মানুষ জীবন বা অস্তিত্বে থাকে শুধুমাত্র স্বার্থপরতার কারণে।
এবং শিশুকে অস্তিত্বেও আনে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে।
এই স্বার্থপরতার কারণেই নতুন শিশু জন্ম দিচ্ছে নিজেদের দাস এবং পুঁজিবাদের দাস করতে।”
শামস অর্ক, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“মানুষ চায় ক্রমাগত মানুষের জন্ম হতে থাকুক, যাতে তাদের পরোক্ষ কাজের দাস হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
মানুষ আরো চায়,
(ক) এমন একটি অব্যর্থ সিস্টেম যাতে কেউ চাকরি ছাড়তে না পারে তা নিশ্চিত করা যায়।
(খ) তাদেরকে মগজধোলাই করা হোক যাতে তারা বিশ্বাস করে, আত্মহত্যা করা উচিৎ নয়। আর এই মগজধোলাই এতোটা গভীর হবে যে, তারা বুঝতেই পারবে না তাদের মগজধোলাই করা হয়েছে। এমনটা করা জরুরি নয়তো লোকেরা আত্মহত্যা করতে চাইবে। কেননা যদি একজন মানুষ দুর্ভোগ থেকে দীর্ঘস্থায়ী মুক্তি চায় তাহলে সে জীবন থেকেই মুক্তি চাইবে।
(গ) একটি অব্যর্থ সিস্টেম যা নিশ্চিত করবে, কেউ যেন সহজে আত্মহত্যা করতে না পারে। যদি মগজধোলাই ব্যর্থ হতে শুরু করে তবে তারা হয়তো আত্নহত্যা করতে চাইবে। কিন্তু অনেকেই এমনটা করতে পারবে না যদি তারা বেদনাহীনভাবে আত্মহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বা ঔষধ না পায়। এসব উপকরণ বা ঔষধ পাওয়া যায় না কেননা এসব অবৈধ করে রাখা হয়েছে।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে চায় অন্যরা বেঁচে থাকুক।
এই উদ্দেশ্য হলো, নতুন জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের ব্যক্তিগত বা কাজের দাস করা।
আর এটা করা তখনই সম্ভব হবে যদি মানুষকে তাদের মৌলিকতম অধিকার (অস্তিত্বহীন থাকার) না দেওয়া হয়।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“অস্তিত্বও আপনাকে বন্দী, দাস, নির্যাতন করার একটি হাতিয়ার বা কৌশল। তাই অস্তিত্ব আপনাকে সবসময় দুর্ভোগ দিবে।
অর্থাৎ দুর্ভোগ কমাতে বা প্রতিরোধ করতে অস্তিত্ব বিলীন করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“অনুভূতি, সংবেদনশীলতা, চেতনা ইত্যাদি অমঙ্গলকর। কেননা যদি কোনো কিছু মঙ্গলকর উদ্দেশ্যে করা হতো তাহলে তা হতো মানুষ বা সত্তা যেন কোনো যন্ত্রণা বা দুর্ভোগ না ভোগ করে সে উদ্দেশ্যে।
আর দুর্ভোগ বা যন্ত্রণা থাকে না একমাত্র অস্তিত্বহীনতায়। তাই আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে যা একমাত্র সৃষ্টি করতে পারেন তা হলো অস্তিত্বহীনতা। কিন্তু কোনো কিছু সৃষ্টি বা অস্তিত্বশীল না করাই তো অস্তিত্বহীনতা।

এজন্য আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে আপনি সহজাতভাবেই -
১. কোনো অস্তিত্বকে সৃষ্টি করবেন না।
২. কোনো অস্তিত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করবেন না।
৩. সমস্ত অস্তিত্বকে তাৎক্ষণিক, বেদনাহীন উপায়ে বিলীন করে দিবেন।

আর যা কিছু এই তিনটি কাজের বাইরে তা-ই অমঙ্গলকর।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি