Jonmodanberodh Quotes

Quotes tagged as "jonmodanberodh" Showing 1-5 of 5
“মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে চায় অন্যরা বেঁচে থাকুক।
এই উদ্দেশ্য হলো, নতুন জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের ব্যক্তিগত বা কাজের দাস করা।
আর এটা করা তখনই সম্ভব হবে যদি মানুষকে তাদের মৌলিকতম অধিকার (অস্তিত্বহীন থাকার) না দেওয়া হয়।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“মানুষ যদিও জন্ম দেয় তাদের দাস তৈরির উদ্দেশ্যে কিন্তু মানুষ এই উদ্দেশ্যের নাম দেয়: 'ভালোবাসা', 'যত্ন', 'নৈতিকতা', 'নিঃস্বার্থতা' ইত্যাদি।
প্রায় সকল মানুষই মনে করে, জন্ম দেওয়া গ্রহণযোগ্য বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। (এমনকি যাদের নিজেদের সন্তান নেই তাদের অনেকেই)”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“মানুষ যদিও বলে, তাদের কাছে অন্যের জীবন গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আসলে তাদের কাছে মূলত যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো -
১. তাদের দাসদের বাঁচিয়ে রাখা।
২. তাদেরকে ব্যবহারযোগ্য রাখা।

এজন্য লোকেরা তাদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে তাদের দাসদের বাঁচিয়ে রাখতে যেন তাদের ব্যবহার করা যায়।
কেননা একজন মৃত দাসের কোনো গুরুত্বই নেই আর একজন অসুস্থ বা দুর্বল দাসের থেকে আশানুরূপ সেবা পাওয়া যায় না।
আর এগুলো একত্রিত করলে যা দাঁড়ায়-
সবাই জানে, একজন সঙ্গী বা বন্ধু খুঁজে বের করে নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপযুক্ত করে তুলতে কিংবা একটি শিশুকে জন্ম দিয়ে নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপযুক্ত দাস করে তুলতে অনেক অর্থ, শক্তি, সময় এবং চেষ্টার প্রয়োজন হয়।
এজন্য মানুষ চায় এটা নিশ্চিত করতে যে, তাদের ব্যক্তিগত দাসেরা যেন কোনোভাবেই জীবন ত্যাগের অধিকার না পায়।”
শামস অর্ক, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“অস্তিত্বও আপনাকে বন্দী, দাস, নির্যাতন করার একটি হাতিয়ার বা কৌশল। তাই অস্তিত্ব আপনাকে সবসময় দুর্ভোগ দিবে।
অর্থাৎ দুর্ভোগ কমাতে বা প্রতিরোধ করতে অস্তিত্ব বিলীন করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি

“অনুভূতি, সংবেদনশীলতা, চেতনা ইত্যাদি অমঙ্গলকর। কেননা যদি কোনো কিছু মঙ্গলকর উদ্দেশ্যে করা হতো তাহলে তা হতো মানুষ বা সত্তা যেন কোনো যন্ত্রণা বা দুর্ভোগ না ভোগ করে সে উদ্দেশ্যে।
আর দুর্ভোগ বা যন্ত্রণা থাকে না একমাত্র অস্তিত্বহীনতায়। তাই আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে যা একমাত্র সৃষ্টি করতে পারেন তা হলো অস্তিত্বহীনতা। কিন্তু কোনো কিছু সৃষ্টি বা অস্তিত্বশীল না করাই তো অস্তিত্বহীনতা।

এজন্য আপনি যদি মঙ্গলকর হন তবে আপনি সহজাতভাবেই -
১. কোনো অস্তিত্বকে সৃষ্টি করবেন না।
২. কোনো অস্তিত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করবেন না।
৩. সমস্ত অস্তিত্বকে তাৎক্ষণিক, বেদনাহীন উপায়ে বিলীন করে দিবেন।

আর যা কিছু এই তিনটি কাজের বাইরে তা-ই অমঙ্গলকর।”
মোহনা সেতু, অস্তিত্বহীনতার শান্তি