Find & Share Quotes with Friends
গুরুদেব Quotes
গুরুদেব
by
Rani Chanda17 ratings, 4.18 average rating, 5 reviews
গুরুদেব Quotes
Showing 1-4 of 4
“তিনি বলতেন, দেখ, শারীরিক কষ্ট আমি পাই নে মোটেই। একবার আমায় বিছে কামড়েছিল— সে কি যন্ত্রণা! হঠাৎ আমার মনে হল— এ তো আমি কষ্ট পাচ্ছি নে, রবীন্দ্রনাথ বলে একজন কবি আছে তাকে বিছে কামড়েছে। এই বলে আমিই আমাকে আলাদা করে দেখতে লাগলুম। চট্ করে আমার যন্ত্রণা কোথায় গেল— সব ভুলে গেলুম। মনে এমন একটা আনন্দ হল যে, এমনি একটা উপায় থাকতে লোকে কেন কষ্ট পায়। উপায়টি আমার আগে জানা ছিল না। সেই অবধি আমার শারীরিক কষ্ট হলে যে-আমি কষ্ট পাচ্ছি তাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে দেখি, কাছে আসতে দিই না।”
― গুরুদেব
― গুরুদেব
“গুরুদেবের গানের বা কবিতার প্রশংসার চেয়ে হাজার গুণ বেশি খুশি হতেন তিনি যদি কেউ এসে ৰলত যে গুরুদেবের ওষুধে তার অমুক অসুখটা সেরে গেছে। গুরুদেবের সেই খুশি-ভরা মুখ দেখবার মতো ছিল। অনেক সময়ে এমনও হত, গুরুদেবকে খুশি করবার জন্য হঠাৎ পেটব্যথা মাথা-ধরা নিয়ে গুরুদেবের কাছে কেউ কেউ উপস্থিত হতেন, আর গুরুদেবের ওষুধ খেয়ে তখুনি তখুনি ভালো হয়ে যেতেন। গুরুদেব বুঝেও না-বোঝার ভান করতেন, বরং প্রসন্নই হতেন। ওঁকেও কতবার দেখেছি এমনি, কোনো-একটা কাজে গাফিলতি করেছেন, জানেন কপালে বকুনি আছে আজ, তাড়াতাড়ি গিয়ে সর্দি কাশি এটা ওটা বলে গুরুদেবের কাছে দাঁড়িয়েছেন, গুরুদেব ওষুধ দিয়েছেন, মুঠোভরা সে ওষুধ মুখে ফেলে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন।”
― গুরুদেব
― গুরুদেব
“এই ভিজেনাগ্রামে আসতেই পথে এক জায়গায় স্টেশনে ট্রেন খেমে আবার চলতে শুরু করল; দেখি, গুরুদেব বিড়বিড় করে কি যেন বলছেন, বলছেন আর হাসছেন। শুনবার জন্য এগিয়ে এলাম । শুনি, বলছেন, সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত; সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত।
বলি, সে আবার কি?
বললেন, শুনতে পাচ্ছিস নে? গাড়ির চাকার শব্দ উঠছে— সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত — সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত— সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত—।”
― গুরুদেব
বলি, সে আবার কি?
বললেন, শুনতে পাচ্ছিস নে? গাড়ির চাকার শব্দ উঠছে— সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত — সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত— সেনগুপ্ত দাশগুপ্ত—।”
― গুরুদেব
“বাড়ি ফিরে এসে গুরুদেব ওঁকে দিলেন এক প্রচণ্ড ধমক। বললেন, চুড়িদার আচকান আর টুপি এ হল ভারতীয় পোশাক। দেশী পোশাকে মাথায় টুপি না রাখা অভদ্রতা । বিলিতি পোশাকের বেলা তো তোমরা এমন কর না।
মস্ত হলের এ প্রাপ্ত হতে ও প্রাপ্ত অবধি লম্বা খাবার টেবিল, শতাধিক লোক বসেছিল খেতে। কোনার দিকে বসেছিলেন উনি; খেতে খেতে কোনো এক অসতর্ক মুহূর্তে একবার মাথার টুপি খুলে হাতে রেখেছিলেন মিনিটখানেক। গুরুদেব বসেছিলেন টেবিলের মাঝামাঝি রেসিডেন্ট ওঁদের নিয়ে, সেখান থেকেই ঐটুকু শিথিলতা তাঁর নজর এড়াতে পারে নি সেদিন।”
― গুরুদেব
মস্ত হলের এ প্রাপ্ত হতে ও প্রাপ্ত অবধি লম্বা খাবার টেবিল, শতাধিক লোক বসেছিল খেতে। কোনার দিকে বসেছিলেন উনি; খেতে খেতে কোনো এক অসতর্ক মুহূর্তে একবার মাথার টুপি খুলে হাতে রেখেছিলেন মিনিটখানেক। গুরুদেব বসেছিলেন টেবিলের মাঝামাঝি রেসিডেন্ট ওঁদের নিয়ে, সেখান থেকেই ঐটুকু শিথিলতা তাঁর নজর এড়াতে পারে নি সেদিন।”
― গুরুদেব
