গানের মানুষ না হলেও খুব সাহস নিয়েই পড়ে ফেললাম বইটি। সুমন আমার প্রিয় গানওয়ালা নন,কিন্তু তিনি আমার বেশ ভালোলাগার একজন 'কথক'। 'কোন পথে গেল গান' বইটিও লেখা হয়েছে খানিকটা কথা বলার ভঙ্গিতেই যেটি খুউব ভালো লেগেছে। যদিও এটি সামগ্রিক ভাবে বাংলা গানের ইতিহাস নিয়ে না তবুও অনেক প্রসঙ্গই কথাচ্ছলে ওঠে এসেছে। যা পড়ে সমৃদ্ধ হয়েছে জানার পরিধি। তবে কিছু প্রসঙ্গে আরো খানিকটা না শুনতে পারার খেদটুকু রয়েই গেল যেন! যেমন বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধের প্রসঙ্গটি যখন আসে, তখন স্বাভাবিক কারণেই নড়েচড়ে বসেছি। তাঁর মুখ থেকে সেই সময়ের চেতনা বাংলাদেশের গানে কিভাবে, কতটা ওঠে এলো সেসব জানতে। যদিও কবীর সুমন আগেই বলে নিয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবন সম্পর্কে তিনি সেভাবে ওয়াকিবহাল নন। কিন্তু যাঁর সঙ্গিনীটি আমাদের গানের কোকিল সাবিনা ইয়াসমিন, তাঁর কাছ থেকে এব্যাপারে একেবারে কিচ্ছুটি শুনতে না পাওয়ায় হতাশই হয়েছি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে পশ্চিমবাংলার গান রচয়িতাদের মধ্যে থেকে কেউ নতুন কোন গান রচনায় হাত দেননি বলে সুমন যে আক্ষেপ করেছেন, আমার বিশ্বাস একটু জানার চেষ্টা করলে বাংলাদেশে সেই সময়ে রচিত গানের তালিকাটি দেখে তিনি অভিভূতই হতেন। কারণ সেই অবাক সময়কে বাংলাদেশের গীতিকার/সুরকার/শিল্পীরা কতটা সমৃদ্ধভাবে শব্দ সুর আর ছন্দে বন্দী করেছেন সেটি জানতে পারতেন! আরেকটি কথা না বললেই না, বইটি পড়তে গিয়ে বেশ কিছু গান শোনা হয়েছে। যার মধ্যে অনেক গান আগে শোনা হয়নি, কিংবা শিল্পীদের সেভাবে চেনাও ছিল না। যা একটা বড় পাওনা এবং বেশ উপভোগ্যও। শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের যে লাইনটি সুমন বইয়ে ব্যবহার করেছেন, ' তোমায় আমি অল্প একটু ভাবাতে চাই' এর মত করেই অল্প কিছু গান শুনতে প্রলুব্ধ করবার ব্যাপারে সুমন যথেষ্ট সফল স্বীকার করতেই হয়! যন্ত্রসঙ্গীত এবং তার শিল্পীদের সম্পর্কে তিনি বিশেষ আন্তরিকতায় বহু তথ্য দিয়েছেন যা সচারচর চোখে পড়েনা। বইটি পড়ে সময় নষ্ট, এমন অপবাদ কেউ দিতে পারবেন না।
সুমন আমার প্রিয় গানওয়ালা নন,কিন্তু তিনি আমার বেশ ভালোলাগার একজন 'কথক'। 'কোন পথে গেল গান' বইটিও লেখা হয়েছে খানিকটা কথা বলার ভঙ্গিতেই যেটি খুউব ভালো লেগেছে। যদিও এটি সামগ্রিক ভাবে বাংলা গানের ইতিহাস নিয়ে না তবুও অনেক প্রসঙ্গই কথাচ্ছলে ওঠে এসেছে। যা পড়ে সমৃদ্ধ হয়েছে জানার পরিধি। তবে কিছু প্রসঙ্গে আরো খানিকটা না শুনতে পারার খেদটুকু রয়েই গেল যেন! যেমন বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধের প্রসঙ্গটি যখন আসে, তখন স্বাভাবিক কারণেই নড়েচড়ে বসেছি। তাঁর মুখ থেকে সেই সময়ের চেতনা বাংলাদেশের গানে কিভাবে, কতটা ওঠে এলো সেসব জানতে। যদিও কবীর সুমন আগেই বলে নিয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবন সম্পর্কে তিনি সেভাবে ওয়াকিবহাল নন। কিন্তু যাঁর সঙ্গিনীটি আমাদের গানের কোকিল সাবিনা ইয়াসমিন, তাঁর কাছ থেকে এব্যাপারে একেবারে কিচ্ছুটি শুনতে না পাওয়ায় হতাশই হয়েছি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে পশ্চিমবাংলার গান রচয়িতাদের মধ্যে থেকে কেউ নতুন কোন গান রচনায় হাত দেননি বলে সুমন যে আক্ষেপ করেছেন, আমার বিশ্বাস একটু জানার চেষ্টা করলে বাংলাদেশে সেই সময়ে রচিত গানের তালিকাটি দেখে তিনি অভিভূতই হতেন। কারণ সেই অবাক সময়কে বাংলাদেশের গীতিকার/সুরকার/শিল্পীরা কতটা সমৃদ্ধভাবে শব্দ সুর আর ছন্দে বন্দী করেছেন সেটি জানতে পারতেন!
আরেকটি কথা না বললেই না, বইটি পড়তে গিয়ে বেশ কিছু গান শোনা হয়েছে। যার মধ্যে অনেক গান আগে শোনা হয়নি, কিংবা শিল্পীদের সেভাবে চেনাও ছিল না। যা একটা বড় পাওনা এবং বেশ উপভোগ্যও। শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের যে লাইনটি সুমন বইয়ে ব্যবহার করেছেন, ' তোমায় আমি অল্প একটু ভাবাতে চাই' এর মত করেই অল্প কিছু গান শুনতে প্রলুব্ধ করবার ব্যাপারে সুমন যথেষ্ট সফল স্বীকার করতেই হয়!
যন্ত্রসঙ্গীত এবং তার শিল্পীদের সম্পর্কে তিনি বিশেষ আন্তরিকতায় বহু তথ্য দিয়েছেন যা সচারচর চোখে পড়েনা। বইটি পড়ে সময় নষ্ট, এমন অপবাদ কেউ দিতে পারবেন না।