রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা Quotes
রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
by
আনোয়ার উল আলম54 ratings, 3.30 average rating, 13 reviews
রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা Quotes
Showing 1-1 of 1
“কিছুদিন আগে খ্যাতনামা লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটি লেখা পড়ে আমি খুব লজ্জিত ও বিব্রত বোধ করি। তিনি আমার ও আমার স্ত্রীর খুব প্রিয় একজন লেখক এবং তাঁর প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি লেখেন, রক্ষীবাহিনী তাঁর বিধবা মাকে সরকারিভাবে বরাদ্দ করা বাড়ি থেকে উৎখাত করে সত্যিকার অর্থে পথে নামিয়ে দেয়। তাঁর বাবা ফয়জুর রহমানকে ১৯৭২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি চিন্তাই করতে পারি না, একটি শহীদ পরিবারকে বাড়িছাড়া করা হবে। তা-ও আবার সেই বাহিনী কর্তৃক, যে বাহিনীতে আমি চাকরি করেছি এবং যেটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের বাহিনী। বিষয়টি আমার একেবারে অগোচরে ছিল। তখন হয়তো আমি অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত বা দেশের বাইরে ছিলাম। এত দিন পরে বিষয়টি জানার পর একটা অপরাধবোধ আমাকে কুরে কুরে খেতে থাকে।
এই অপরাধবোধ থেকেই একদিন আমি রক্ষীবাহিনীর পরিচালক প্রয়াত এ এন এম নূরুজ্জামানের স্ত্রী দিল আফরোজ জামানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলি। তিনি আমাকে জানান যে ঘটনাটি পুরোপুরি সত্যি নয়। কারণটা তাঁর মা আয়েশা ফয়েজের লেখা বই জীবন যে রকম পড়লে স্পষ্টভাবে জানা যাবে। কয়েকদিন পর মিসেস জামান আমাকে বইটা সংগ্রহ করে দেন। সেই বই পড়ে জানতে পারলাম, রক্ষীবাহিনী সত্যিই তাঁকে বরাদ্দ করা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। কিন্তু খবরটা পেয়েই আমাদের পরিচালক নিজে মুহম্মদ জাফর ইকবালের মা আয়েশা ফয়েজকে ফোন করেন এবং বরাদ্দ করা ঐ বাড়িতেই তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেন। জীবন যে রকম বইটা পড়ে আমি সত্যিই আমাদের পরিচালক এ এন এম নূরুজ্জামানের সংবেদনশীল মনোভাবের জন্য গর্ব অনুভব করি। কিন্তু আমার প্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বিষয়টি তাঁর লেখায় উল্লেখ করেননি। ফলে আমিও তাঁর লেখা পড়ে বিভ্রান্ত হই। আমার নিজের যখন এ অবস্থা, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।”
― রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
এই অপরাধবোধ থেকেই একদিন আমি রক্ষীবাহিনীর পরিচালক প্রয়াত এ এন এম নূরুজ্জামানের স্ত্রী দিল আফরোজ জামানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলি। তিনি আমাকে জানান যে ঘটনাটি পুরোপুরি সত্যি নয়। কারণটা তাঁর মা আয়েশা ফয়েজের লেখা বই জীবন যে রকম পড়লে স্পষ্টভাবে জানা যাবে। কয়েকদিন পর মিসেস জামান আমাকে বইটা সংগ্রহ করে দেন। সেই বই পড়ে জানতে পারলাম, রক্ষীবাহিনী সত্যিই তাঁকে বরাদ্দ করা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। কিন্তু খবরটা পেয়েই আমাদের পরিচালক নিজে মুহম্মদ জাফর ইকবালের মা আয়েশা ফয়েজকে ফোন করেন এবং বরাদ্দ করা ঐ বাড়িতেই তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেন। জীবন যে রকম বইটা পড়ে আমি সত্যিই আমাদের পরিচালক এ এন এম নূরুজ্জামানের সংবেদনশীল মনোভাবের জন্য গর্ব অনুভব করি। কিন্তু আমার প্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বিষয়টি তাঁর লেখায় উল্লেখ করেননি। ফলে আমিও তাঁর লেখা পড়ে বিভ্রান্ত হই। আমার নিজের যখন এ অবস্থা, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।”
― রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
