Soham > Soham's Quotes

Showing 1-2 of 2
sort by

  • #1
    Narayan Sanyal
    “তাই আমি ‘প্লী’টা বদল করতে চাই, য়োর অনার! ভোট দিয়ে যাঁদের দেশশাসক বানিয়েছি – তারা হয়ে উঠেছে দেশশোষক! পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসিতে এর একমাত্র প্রতিষেধক: স্ট্রং অপোজিশান: দুর্নীতিমুক্ত শক্তিশালী বিরোধীপক্ষ! এ-দেশে সেটা আকাশকুসুম! কী প্রাদেশিক সরকারে, কী কেন্দ্রে! সর্বত্রই শুধু পার্টিবাজি, গ্রুপবাজি, নির্লজ্জ খাওয়া-খাওয়ি। পার্টি নেতৃত্বে উপরে ওঠার জন্য সহযোদ্ধাকে লেঙ্গি মারা।
    এই যখন দেশের অবস্থা তখন কার দিকে ভরসা করে তাকাবে নিপীড়িত দেশের সাধারণ মানুষ? শেষ ভরসাস্থল ছিল: সংবাদপত্র; শেষ আশ্রয়স্থল ছিল সাহিত্যিকেরা। রামমোহন-বিদ্যাসাগর-বঙ্কিম-হরিশচন্দ্র-দীনবন্ধু-রবীন্দ্রনাথের উত্তরসূরীরা। কিন্তু ঐ মুষ্টিমেয় ক্ষমতাদর্পীর বিকৃতচিন্তায় আমরা সেখানেও আশাহত। ঐ হারিত-জারিত-লারিত গবেষণা করে জানাচ্ছেন: “রামমোহন রায় কিংবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ডিনার টেবিলে সুরাপান”-এর আয়োজন হত এবং সেটাই তাঁদের বিষয়ে মুখ্য আলোচ্য-বিষয়! বঙ্কিম বাঙলা লিখতে ঠিক জানতেন না। আর হরিশচন্দ্র মুখার্জী ─ সেই আদর্শ সাংবাদিক, যিনি নীলবিদ্রোহের বার্তা তাঁর পত্রিকায় প্রকাশ করার প্রচেষ্টায় বস্তুত প্রাণ দিলেন ─ তাঁর সম্বন্ধে এঁদের বক্তব্য “দেশপ্রেমিক হরিশ মুখার্জীর পরদারগমনের উল্লেখই অনেকের কাছে ভয়াবহ বোধ হয়।”
    Narayan Sanyal, মান মানে কচু

  • #2
    Narayan Sanyal
    “হয়তো সে হতভাগ্য একলা, জোট-নিরপেক্ষ, অন্তেবাসী! বাকি নিরানব্বইজন এককাট্টা! ঘাড় ধরে ওরা লোকটাকে বার করে দেবে রাজসভা থেকে।
    দিক। কালীপ্রসন্ন সিংহের মহাভারত সেও পড়েছে। জানে, বিকর্ণকে বরদাস্ত করেনি স্বাধিকারপ্রমত্তের দল। লোকটা সভাত্যাগ করে চলে যাবে, হয়তো লোকালয় থেকেও উচ্ছেদ করা হবে তাকে। চলে যাবে অরণ্যে। তবে মাথা খাড়া রেখেই।
    অন্তেবাসী, অরণ্যচারী, “বুনো” হয়ে যাওয়া অসামাজিক, অশোভন, হতে পারে - সেটা অমর্যাদার, অগৌরবের নয়।”
    Narayan Sanyal, আবার সে এসেছে ফিরিয়া



Rss