Jump to ratings and reviews
Rate this book

কাদ্যুসেয়াস

Rate this book
এই কাহিনীর শুরু কয়েক হাজার বছর আগে...

প্রখ্যাত শিল্পপতি আজমত উল্ল্যাহ’র একমাত্র ছেলে ওয়াসিফ উল্ল্যাহকে নৃশংসভাবে খুন করা হলো। লাশ ঘিরে বিচিত্র সব আঁকিবুকি, একপাশে রাখা সুদৃশ্য চেয়ার। চেয়ারের সামনে গামলা ভর্তি রক্ত, মানবরক্ত!
কেসটার দায়িত্ব পড়ে সিআইডি’র সদ্য গঠিত এক ডিপার্টমেন্টের ঘাড়ে-ডিপার্টমেন্ট অভ এক্সট্রাঅর্ডিনারী কেসেজ। আড়ালে আবডালে সবাই যাকে আবজাব ডিপার্টমেন্ট বলে নাক সিঁটকায়। এই আবজাব ডিপার্টমেন্টেরই ঘাড়ত্যাঁড়া গোয়েন্দা রহমান জুলফিকার, খুনীর খোঁজে গলিঘুঁপচি খোঁজে বেড়ায় সে। আর তার সঙ্গী তারছেঁড়া কনসালটেন্ট শাহজাহান ভূঁইয়া।

এ আখ্যানের আরেক চরিত্র বিলুপ্তপ্রায় ধর্মীয় সংঘটন এ্যানশিয়েন্ট অর্ডার অভ দ্য সেক্রেড মাউন্টেনের প্রধান ধর্মগুরু হাইঞ্জ বেকার। কালো আলখাল্লাধারীরা হামলা চালায় তার ওপর, রক্তবন্যা বয় আশুগঞ্জের এক হোটেলে। হোটেলের দেয়ালে আঁকা দুর্বোধ্য সিম্বল ও তারচেয়েও দুর্বোধ্য কিছু কথা।

সুপ্রাচীন এক বইয়ের খোঁজে হন্য হয়ে ঘুরছে এক গোলাপি টাইধারী। পরনে স্যুটকোট, কাঁধে ঝুলানো গলফ ব্যাগ। যেখানেই যাচ্ছে সে, বইয়ে দিচ্ছে রক্তের নহর। এদিকে একের পর এক খুন করে যাচ্ছে ম্যাড ডগ নামের এক ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার।

হাজার বছর আগে যে কাহিনীর শুরু তার সফল সমাপ্তি কী ঘটবে? নাকি আঁধারে ছেয়ে যাবে ধরণী?
কাদ্যুসেয়াস এক বিচিত্র ধর্মবিশ্বাসের গল্প, কাদ্যুসেয়াস আলো ও আঁধারের গল্প, কাদ্যুসেয়াস উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ক্ষমতার গল্প, কাদ্যুসেয়াস ভালোবাসা ও ঘৃণার গল্প।

290 pages, Hardcover

First published February 17, 2017

10 people are currently reading
185 people want to read

About the author

জাহিদ হোসেন

20 books477 followers
জাহিদ হোসেনের জন্ম সিলেটে, বেড়ে উঠা ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় ব্যাংকার হলেও বইপড়ার প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থেকেই লেখালেখিতে আগ্রহ। শুরু অনুবাদ দিয়ে। পরপর দু’টি অনুবাদ প্রকাশিত হয় তার - অ্যাম্বার রুম ও ম্যাক্সিমাম রাইডঃ দ্য অ্যাঞ্জেল এক্সপেরিমেন্ট। তারপর তিনি প্রবেশ করেন মৌলিক লেখালেখির জগতে। মৌলিক থ্রিলার হিসেবে তার প্রথম প্রয়াস ঈশ্বরের মুখোশ যা ২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর একে একে বের হয় ফিনিক্স, কাদ্যুসেয়াস, একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে, দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব, গিলগামেশ, নৈর্ঋত, পরশুরামের কঠোর কুঠার, ইথাকা ও স্বর্গরাজ্য। লেখালেখিতে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য তিনি আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন।

তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
45 (19%)
4 stars
106 (45%)
3 stars
61 (26%)
2 stars
15 (6%)
1 star
6 (2%)
Displaying 1 - 30 of 50 reviews
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books1,983 followers
March 16, 2017
"ভালোবাসা বিমার, আবার ভালোবাসাই হল দাওয়াই"
গত রাতে কাদ্যুসেয়াস পড়ে শেষ করার পর কিছুক্ষণ চুপচাপ বসেছিলাম। আর মনে মনে তারিফ করছিলাম লেখকের কল্পনাশক্তির। বাংলায় কাদ্যুসেয়াসের মত কিছু লেখা হয়নি আগে, এটুকু বলতে পারি।

কিসের গল্প কাদ্যুসেয়াস? কাদ্যুসেয়াসেরই গল্প, এক বিচিত্র ধর্ম বিশ্বাসের গল্প, টেম্পল অফ স্যক্রেড মাউন্টেইন এর গল্প, Yin and Yang এর গল্প।

জাহিদ ভাইয়ার গল্প বলার ঢং অন্যরকম মাত্রা পেয়েছে কাদ্যুসেয়াসে এসে। নাহলে এরকম সিরিয়াস একটা বই এতটা সাবলীলভাবে সামনে এগোতে পারে? শেষ দিকে এসে যেভাবে ফ্যান্টাসির মিশ্রণ ঘটিয়েছেন- অনবদ্য!!
আগাগোড়া উপভোগ্য একটি বই। :)
Profile Image for Camelia kongkon.
29 reviews11 followers
June 10, 2023
" যদি রাতের আঁধার না থাকতো তবে আমরা কি দিনের আলোর মর্ম বুঝতাম? যদি পাপ না থাকতো তবে কি আমরা পূন্যের গুরুত্ব বুঝতাম?
যদি দুঃখ না থাকতো তবে কি আমরা সুখের মাহাত্ম্য উপলব্ধি করতে পারতাম? "

জাহিদ হোসেনের পড়া ধরেছি এই বছরই প্রথম। বলা বাহুল্য এই মানুষকে নিয়ে যথেষ্ট হাইপ নেই কেনো আমি জানিনা।
উনি দেদারসে এক নতুন এনশিয়েন্ট ধর্ম বানিয়ে ফেললো, এবং এমন সব উপমা ব্যবহার করলেন ক্ষানিকক্ষনের জন্য এই কাল্পনিক ধর্মের প্রতি বুদ হয়ে ছিলাম।
অকাল্ট থ্রিলার গল্প আমাকে বরাবরই টানে। সাথে দেশী মশলার মিশ্রন বইটাকে অন্যরকম করেছে। যেনো অন্ধকার জগতে ডাক,___
"রাত। নাইট
রাত বড্ড বেশি দরকার পৃথিবীর। রাত মোহনীয়, রাত আবেদনময়ী, রাত রহস্যময়।
দিন বড্ড বেশি বোরিং।"___

পুরো বইটাতে কখনো বোরিং লাগেনি।
প্রতি পাতায় তিনি নতুন নতুন টুয়িস্ট দিয়ে গেছেন। যানো ক্ষানিকক্ষনের জন্য মনেহয় বিদেশি কোনো লেখকের বই। চরিত্রগুলোও জটিল না,সহজে বোঝা যাওয়ার মতোন।

লেখার জন্য যতটুকু তন্ত্রবিদ্যা দরকার পাঠককে বশে আনতে সবটুকুই ওয়োর্থ ইট ছিলো।
যদিও আমার আলসেমির জন্য একবসায় শেষ হয়নি এই বই।
তবে অতিব সুপাঠ্য লেখার ধারণ।
.
ইথাকা আর নৈর্ঋত পড়ার জন্য এখন মন উশখুশ করতে থাকবে
.
হ্যাপি রিডিং🌸
.
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 24 books1,870 followers
May 2, 2020
দুনিয়া জুড়ে ড্যান ব্রাউনের বিপুল জনপ্রিয়তা দুটো জিনিস স্পষ্ট করে দিয়েছিল।
প্রথমত, লোকের মনে কনস্পিরেসি থিওরি-র ব্যাপারে দারুণ আগ্রহ আছে। হয়তো আগেও ছিল, কিন্তু একুশ শতকে বিজ্ঞান আর ধর্মের অদ্ভুত মিথোজীবিতা আর শত্রুতা এই আগ্রহটাকে অন্যরকম চেহারা দিয়েছে। সেটাই বোঝা গেছিল 'দ্য ভিঞ্চি কোড' আর 'এঞ্জেলস অ্যান্ড ডেমনস্‌' থেকে।
দ্বিতীয়ত, সিম্বলিস্ট লজিকের আকর্ষণ সাংঘাতিক। এমনিতেই আমরা সবকিছুর মধ্যে প্যাটার্ন খুঁজতে অভ্যস্ত। ওই বইদুটো বুঝিয়ে দিয়েছিল, বহুযুগ ধরে আমাদের সঙ্গে থাকা নানা চিহ্ন আসলে সংকেত— যাদের মধ্যে লুকিয়ে রাখা আছে অনেক রহস্য।
বাংলা ভাষায় এই দুটো উপাদান নিয়ে মৌলিক থ্রিলার লেখার চেষ্টা নতুন নয়। আমার নিজের ধারণা, এপার বাংলায় তন্ত্র-আধারিত রহস্যকাহিনির জনপ্রিয়তার অন্যতম অনুক্ত কারণ এই সিম্বলিস্ট লজিকের প্রতি আকর্ষণ— যেহেতু তার মধ্যে নিহিত আছে নানা চিহ্ন, যাদের অর্থ আমাদের কাছে দুর্জ্ঞেয়। আবার তন্ত্রের মধ্যেই আছে ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে নানা কথা, নানা সম্ভাবনা! ওপার বাংলায়, এই ধারাতেই জাহিদ হোসেন লিখেছেন এই বইটি।
যে বিশেষ চিহ্ন নিয়ে আর্বান অকাল্ট ফ্যান্টাসির আকারে বইটি লেখা হয়েছে, সেটি নিয়ে ইংরেজিতে একাধিক বই পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। কিন্তু এই বইটি বিশিষ্ট হয়ে উঠেছে এতে স্থানিক উপাদানের যথাযথ সংযোজন ও ব্যবহারের জন্য। প্লাস, ন্যারেটিভের গতি আর রোমাঞ্চকর উপাদানের প্রাচুর্যের কারণে বইটা শুরু করে ধেয়ে যেতে হয়েছে একেবারে শেষ অবধি। এতে আছে সংগঠিত অপরাধ, বাস্তুসাপের মতো লুকিয়ে থাকা নানা পারিবারিক কথার হঠাৎ জাগরণে ওলোটপালট হয়ে যাওয়া ঘটনাক্রম, আর আছে কিছু অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক চরিত্র।
হাতে পেলে অবশ্যই পড়ুন।
Profile Image for Farhan.
727 reviews12 followers
May 21, 2020
বইয়ের সাথে কখনো বাঁদরের মিল পেয়েছেন? এই বইটায় আমি সেটা পেয়েছি। ২৮৬ পৃষ্ঠার একটা বইয়ে ৬৯ প্লাস ২= ৭১টা অধ্যায়, গড়ে ১টা অধ্যায়ে ৪ পৃষ্ঠা। এভাবে বাঁদরের মত বিরতিহীনভাবে এক ডাল থেকে আরেক ডালে লাফালাফি করলে কাহিনী কোথায় খুঁজে পাবো, চরিত্রগুলো একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে গোছাবে কিভাবে, আর গাছে ফলমূলই বা বড় হবে কি করে? আর তা-ও যদি একটার সাথে আরেকটার সামঞ্জস্য থাকতো! নন-লিনিয়ার স্টোরিলাইন বা মাকড়সার মত জাল বানিয়ে কেন্দ্রের দিকে টেনে আনা গল্প কম নেই, কিন্তু যা বললাম, ক্রমাগত অস্থিরভাবে সুতো ছাড়লে সেটা আর জাল হয় না, বানরের লাফঝাঁপই সার হয়। আর শেষে কোন সুতো কই গেছে সেটা বুঝতে না পেরে কিছু অলৌকিক ঘটনা এনে যা-তা গোঁজামিল দিয়ে পাঠককে ছাগল ঠাউরে বই ছাপিয়ে ফেলো।

মোটামুটি এই হলো কাদ্যুসিয়াসের সারমর্ম। কাহিনী সংক্ষেপ বলার কোন দরকার দেখছি না, কারণ সব মিলিয়ে কিছুই দাঁড়ায় না। সিরিয়াল কিলার, ধর্ম, আবছা আবছা ভালবাসা, ভায়োলেন্স সবকিছুকে অলৌকিকের আঠা দিয়ে জোড়া লাগানোর একটা চেষ্টা হয়েছে মাত্র। চরিত্রগুলো একটাও ডেভেলপড না, কারো ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে কাজকর্মের কোন যোগাযোগ নেই, এমনকি অলৌকিকত্ব দিয়ে জোড়াতালি দিতে চাইলে সেখানেও সামন্ঞ্জস্য আনা যায়, এখানে সেটাও নেই। কে কখন কোথায় যাচ্ছে, কেন যাচ্ছে, কি করছে, কোন কিছুরই কোন বিশ্বাসযোগ্য, বা নিদেন পঠনযোগ্য ব্যাখ্যা নেই। ডায়ালগ বা কনভারসেশনেরও কোন মাথামুণ্ডু নেই, সেগুলো এমনকি অলস ভাবনাও হয়নি, যেন কোন বস্তাপচা নাটকের স্ক্রিপ্ট থেকে তুলে বসানো হয়েছে। আর সবশেষে লুঙ্গি তুলে বই শেষ করার মত হাবিজাবি কয়েক পৃষ্ঠা লিখে কোনমতে বই শেষ। এই বইয়ের রিভিউ আর বাড়ানো মানে সময় নষ্ট। শুধু বলি, মশাই, আপনারা লিখতে পারেন বেশ কথা, পড়াশোনাও নিশ্চয়ই অনেক, কিন্তু যেসব অধম পাঠক পয়সা দিয়ে বই কেনে তারাও টুকটাক দেশি-বিদেশি দু'চারটা ফ্যান্টাসি-অদ্ভুতুড়ে-সাইফাই-হরর-আরবান ফ্যান্টাসি-ইতিহাস ইত্যাদি বইপত্র পড়ে, আর লেখাটা যেমন একটা দক্ষতা, পড়াটাও একটা বহু অভ্যাসে আয়ত্ত্ব করা কষ্টসাধ্য একটা দক্ষতা। লিখতে না পারলেও পাঠক বুঝতে পারে, ভাবতে পারে, অনুভব করতে পারে। এসব পাঠককে যমুনাপাড়ি ছাগল ঠাউরে গাঁজা খাওয়া লেখাকে বই হিসেবে চালানো কি কোন উচিত কাজ হচ্ছে?
Profile Image for সান্তা রিকি.
Author 13 books70 followers
March 17, 2017
কাদ্যুসেয়াস...নামটা আকৃষ্ট করেছিলো খুব। কাদ্যুসেয়াসের মানে একেক সভ্যতাতে একেকভাবে থাকলেও এখানে বিশেষ একটি দিকে ফোকাস করা হয়েছে। দিকটা কী...পড়লেই বুঝবেন। বইটা দুইদিন আগে পড়ে শেষ করেছি...এত ইনফরমেটিভ, আর এত চরিত্র...মাথায় গিট্টু লেগে গেছিল। কন্সপিরেসি, ফ্যান্টাসি, মিথ সবকিছুই আছে...কমপ্লিট প্যাকেজ। শেষের টুইস্টগুলো ভাল লেগেছে।
Profile Image for Zahidul.
450 reviews95 followers
April 1, 2017
"You were born with wings ,why prefer crawl through life ? " - Jalaluddin Rumi
-
গ্রিক গড হার্মিস ছিল মানুষ আর দেবতাদের ভিতরে এক বার্তাবাহক। জিউসের বজ্র বা পসেইডন এর ট্রাইডেন্ট এর মতো ধূর্ততা আর বাণিজ্যের এ দেবতার কাছে ছিল এক আইকনিক বস্তু যা বর্তমানে কাদ্যুসেয়াস নামে পরিচিত। কালের বিবর্তনে এ ধরণের সিম্বল বর্তমানে বিভিন্ন মেডিকেলে দেখা মিললেও অনেকের মতেই এটি আসলে একই সাথে আলো আর আঁধারের প্রতীক। আর এই সিম্বলের মতই আলো আর আঁধারের গল্প নিয়ে সাজানো লেখক জাহিদ হোসেনের এক দুর্দান্ত উপন্যাস " কাদ্যুসেয়াস " .
-
" ডিপার্টমেন্ট অভ এক্সট্রাঅর্ডিনারী কেসেজ " - সিআইডি এর সদ্য গঠিত এক ব্রাঞ্চ , সবার কাছে যা আবজাব ডিপার্টমেন্ট নামে পরিচিত। কারণ তাদের তদন্ত গলাকাটা মুরগি ,গলাকাটা ছাগল এসবের ভিতরেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু হঠাৎই তাদের কাছে এসে পরে এক হাই প্রোফাইল কেস। দেশের এক বিখ্যাত শিল্পপতির ছেলে ওয়াসিফ উল্লাহ অদ্ভুত ভাবে খুন হয়। মৃতদেহের সাথে রাখা হয় এক গামলা রক্ত ,চারপাশে অদ্ভুত আঁকাআঁকি দিয়ে ভরা। আবজাব ডিপার্টমেন্টের দুই সদস্য রহমান জুলফিকার আর শাহজাহান ভূঁইয়া আদাজল খেয়ে তদন্তে নামে।
-
এদিকে সিলেটে একই সময়ে শুরু হয় এক গোলাপি টাইধারির এক প্রাচীন বই খোঁজা। সে যেখানেই যায় সেখানেই শুরু হয় দুর্ঘটনা। এই সকল দুর্ঘটনা ওয়াসিফ উল্লাহ এর ঘটনাকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই মিডিয়ায় আগের ঘটনাকে পিছনে ফেলে এই ঘটনাকে লুফে নেয়।
-
কানাডায় এক বিলুপ্ত প্রায় ধর্মীয় সংঘটন এ্যানশিয়েন্ট অর্ডার অভ দ্য সেক্রেড মাউন্টেনের প্রধান ধর্মগুরু হাইঞ্জ বেকারের চোখে এ ঘটনা চোখে পড়ে। সে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এসেই সে পরে হামলার মুখে। তার আক্রমণের পরে ওই জায়গায় ও আঁকা হয় দুর্বোধ্য কিছু সিম্বল।
-
এদিকে কয়েক মাস আগেই শুরু হয়েছিল এক ভয়াবহ সিরিয়াল কিলার " ম্যাড ডগ " এর তান্ডব। তাকে খুঁজে পাবার আগেই ওয়াসিফ উল্লাহ , সিলেট আর হাইঞ্জ বেকারের ঘটনায় সিআইডি এর মাথা খারাপের জোগাড় হয়।
-
এখন ম্যাড ডগ কেন এভাবে খুন করছে ? ওয়াসিফ উল্লাহ এর নৃশংস খুনের মানে কি ?গোলাপি টাই কি বই খুঁজছে ? হাইঞ্জ বেকারের উপর হামলার কারণ কি ? আর এতো কিছুর সাথে কাদ্যুসেয়াস এর কি সম্পর্ক ? তা জানতে হলে পড়তে হবে এ বইটি।
-
লেখক জাহিদ হোসেনের আগের দুই লেখা " ঈশ্বরের মুখোশ " আর " ফিনিক্স " পড়ার পরে এ বই এর উপর আমার প্রত্যাশা ছিল অনেক। নাম দেখে প্রথমে মেডিক্যাল থ্রিলার মনে হলেও কিছু দূর পড়ার পরে এ ভুল ভাঙে।বুঝতে পারি আসলে এ বই আপাদমস্তক ড্যান ব্রাউনিয় ধারার এক থ্রিলার। এখন এ ধরণের লেখা তো অনেক রয়েছে ,এ বইয়ের বিশেষত্ব কি ? তার উত্তর পাওয়া যাবে বইতেই।
-
" কাদ্যুসেয়াস " এর সবচেয়ে জোরালো দিক এর বর্ণনাভঙ্গি। প্রথম থেকেই গল্পটি এক দারুন রহস্যের আবরণে শুরু হয় যার রেশ শেষ পর্যন্ত থাকে। এ ধরণের প্লটের গল্প অনেক পড়লেও লেখক তার লেখনীর শক্ত গাঁথুনির দ্বারা একে আলাদা করেছেন। গল্পের প্লট নন লিনিয়ার ,একসাথে তিন চারটি ঘটনা একসাথে এগিয়েছে। তাই ভয় পাচ্ছিলাম শেষে গিয়ে এতগুলো প্লট একসাথে ঠিকঠাক মিলবে নাকি , শেষ পর্যন্ত আমার এ ভয় লেখক পুরোপুরি দূর করেছেন তার লেখনীর দ্বারা।
-
কাদ্যুসেয়াস এ যেহেতু অনেকগুলি স্টোরিলাইন তাই চরিত্র ও অনেকগুলি । তার ভিতরে সবচেয়ে ভালো লেগেছে শাহজাহান ভূঁইয়াকে। বিভিন্ন সময়ে তার ক্যারেকটার এর বিভিন্ন রূপ লেখনীতে দুর্দান্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সে দিক থেকে আরেক ডিটেকটিভ জুলফিকারকে একটু দুর্বল লাগলো ,আবজাব ডিপার্টমেন্টের হবার পরেও তার কাল্ট বিষয়ে কোন কিছু না জানা একটু অবাকই করেছে। বাকি চরিত্রগুলিও বেশ ভালোই বলা যায় , বিভিন্ন জায়গার বর্ণনাগুলো ও মানানসই।
-
কাদ্যুসেয়াস এর আরেক দারুন দিক হলো বিভিন্ন ধরণের কোটেশনের দারুন ইউসেজ। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন চরিত্রের রসবোধ ও ভালো ছিল। এছাড়া প্রিয় লেখক স্টিফেন কিং এর লেখা ,প্রিয় ছবি এগুলোর ব্যবহার পার্সোনালি ভালো লেগেছে। তবে এতো পজিটিভ জিনিসের ভিতরে কিছু জায়গায় continuation এর সমস্যা আর কিছু খুঁটিনাটি অসঙ্গতি দেখলাম ,তবে খুব খুঁতখুঁতে না হলে এগুলো ধরা কঠিন হবে। তবে এই ছোট খাট আক্ষেপ গুলো শেষ করার পরে একদমই থাকেনি।
-
বাতিঘরের এ বছরে পড়া বাকি বই গুলোর মতো এতেও কিছু বানান ভুল থাকলেও বাকি বই গুলির তুলনায় কম চোখে পড়েছে। তবে যে জিনিসটি আমাকে মুগ্ধ করেছে তা হলো এর অসাধারণ প্রচ্ছদ। প্রথমে একটু অদ্ভুদ অথবা বেখাপ্পা মনে হলেও পুরো বই পড়ার পর বোঝা যায় এ প্রচ্ছদের আসল মাহাত্ম কি আর কত দারুন ভাবে একে তুলে ধরা হয়েছে।এ জন্য প্রচ্ছদকারীকে বিশেষ ধন্যবাদ।
-
এক কথায় , " কাদ্যুসেয়াস " আমার পড়া লেখক জাহিদ হোসেনের সেরা লেখা আর বাতিঘর থেকে প্রকাশিত অন্যতম সেরা মৌলিক থ্রিলার।এ মাস্ট রিড ফর অল থ্রিলার রিডার্স।
-
My Overall Rating -9.25/10
Profile Image for Didarul Islam.
137 reviews1 follower
October 9, 2021
জাহিদ ভাইয়ের কল্পনাশক্তি পুরো অন্য লেভেলের। তিনি পশ্চিমা বিশ্বের লেখক হলে অবশ্যই তার ভিন্নধর্মী কাজগুলোর জন্যে সমাদৃত হতেন। খুব করে চাই তার মৌলিক বইগুলোর অনুবাদ হোক, পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে যাক। অকাল্ট, মিথলজি, ডার্ক কমেডি, অদ্ভুত চরিত্রায়নের পার্ফেক্ট মিশেলে গল্প বুনতে দক্ষ তিনি। ইতিহাস, মিথ এবং সিম্বল নিয়ে বেশ বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন, ফলে সব বাস্তব ঠেকেছে। অবাক হতে হয়, একজন এতো দুর্দান্ত প্লট কীভাবে ফাঁদতে পারেন।
কাদ্যুসেয়াস সিম্বল, দ্য স্যাক্রিড মাউন্টেন নামক ধর্মের বিশদ আলোচনা, গুপ্ত সংঘের কার্যকালাপ, জীবনঘনিষ্ঠ কথাবার্তা, সাথে এক প্রশান্তিময় এণ্ডিং– মন্দ নয় বৈকি।
Profile Image for Shahed Zaman.
Author 28 books255 followers
June 25, 2017
কাহিনীটা বেশ জটিল। শুরু হয় প্রখ্যাত এক ব্যবসায়ীর ছেলে নৃশংস ভাবে খুন হওয়ার মধ্য দিয়ে। তার তদন্ত শুরু করে ডিপার্টমেন্ট অফ এক্সট্রা অর্ডিনারি কেসেস - এর দুই কর্মকর্তা। ধীরে ধীরে আরও কয়েকটা পক্ষ বেরিয়ে আসে, যারা নিজ নিজ এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। একের পর রহস্যময় ঘটনার জন্ম হয়, শেষ পর্যন্ত এসব ঘটনার ব্যাখ্যাটা কিভাবে পাওয়া যাবে?

জাহিদ হোসাইনের লেখার সাথে আগেই পরিচিত। তার লেখার একটা আলাদা ধাঁচ আছে। তার নিজস্ব হিউমারের ব্যবহারে সেটা আরও মন কাড়ে। তবে কিছু কিছু জায়গায় খেই হারিয়ে ফেলছিলাম, বারবার পটভূমি এবং কাহিনী বর্ণনাকারী পরিবর্তন হচ্ছিল। যদিও ফিনিশিংটা পড়ে সব কিছু ভুলে গেছি। সব মিলিয়ে চার তারকার বিনোদন।
Profile Image for Rumana Nasrin.
159 reviews7 followers
March 26, 2017
"তবে সবচেয়ে বড় উৎসর্গ কি জানেন?"
"ভালোবাসার মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা। এর চেয়ে বড় উৎসর্গ, এর চেয়ে মহৎ উৎসর্গ আর হতে পারে না।"
"ভালোবাসা বিমার, আবার ভালোবাসাই হলো দাওয়াই।"

কথাগুলো খুব ভালো পেয়েছি। :) লেখকের কল্পনাশক্তির জন্যই এক ★ বেশী। পড়তে ভালো লেগেছে। যথেষ্ট গোছানো লেগেছে কাহিনী। আমার পড়া লেখকের প্রথম বই। বাঁকিগুলোও পড়তে হব��� দেখছি।
Profile Image for অনিরুদ্ধ.
143 reviews21 followers
April 9, 2020
ফ্যানটাস্টিক। এটাই মাথায় আাসল।

জাহিদ হোসেনের লেখা এই প্রথম পড়লাম। আর সত্যি বলতে স্রেফ আটকে গেছি। থ্রিল, ফ্যান্টাসি, মিথ, সিরিয়াল কিলিং সব কিছুই আটকে রেখেছিল।

তবে প্রথমে কিছুটা বিরক্ত লাগছিল, চরিত্র সংখ্যার বাড়াবাড়ি দেখে। কিন্তু শেষ করার পর একটা কথাই মনে হয়েছে, দরকার ছিল!

জাহিদ হেসেনের লেখনী ভঙ্গিমাও খুবি সুন্দর।

একটা কথা না উল্লেখ করলেই নয়, 'ভালোবাসা বিমার আর ভালোবাসাই হলো দাওয়াই।' লাইক সিরিয়াসলি!!
Profile Image for Elin Ranjan Das.
88 reviews6 followers
May 6, 2022
কথায় আছে, গল্পের গরু গাছে চড়ে। আর কাদ্যুসেয়াসে গল্পের বাঘ-সিংহ মিশর কানাডা সিরিয়া ঘুরে বাংলাদেশে আসে। লেখক তার কল্পনাশক্তির সর্বোচ্চটা ঢেলে দিয়েছেন গল্পে। মোটামুটি ২০০ পৃষ্ঠা আসার আগে অব্দিও প্রতিটা পাতায় নতুন নতুন প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। এরপর গল্পের গিয়ার একদম ঘুরে গেল অন্যদিকে। এই গল্পে এন্ডিংএ দুইটা টুইস্ট। দুইটাই বইটার জন্রাকে রিডিফাইন করে দিয়ে গেছে।
গল্পের চরিত্রায়ন বেশ ভালো। জুলফিকার যে উত্তম পুরুষে জবান দিয়েছে, বেশ হিউমরসম্পন্ন চরিত্র। তার সাথে শাহজাহানের কম্বিনেশন ভালো লেগেছে। গোলাপের চরিত্র অতিরিক্ত রহস্যময়, যে রহস্য শেষ অব্দিও ভেদ হয় নি। এটা একটা খেদ রয়ে গেলো। এছাড়া বাকি চরিত্রগুলোও মোটামুটি ইম্প্যাক্ট রেখে গেছে, আন্ডারডেভেলপড না।
গল্পের এত এত ডিমেনশন, এত এত বর্ণনা, তবুও লেখনশৈলির জোরে উৎরে গেছে তা, নয়ত ভীষণ বোরিং লাগতো। এত জন্রার খিচুড়ির এক্সপেরিমেন্টকে আমি সফল বলব এই কারণেই। কারণ শেষমেস এই বই আমার ভালোই লেগেছে। এই বই এতটাই এক্সপেরিমেন্টাল যে শেষ করে আমার মনে হয়েছে, মানুষ হয় এই বইকে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করবে, নয় গালাগালি করবে। মাঝামাঝি কিছু নাই। আমার জন্য হয়েছে প্রথমটা। আরেকটা ব্যাপার হল এর থিমের সাথে "অরিত্রিকা ওখানে যেওনাকো তুমি"র এক কাকতালীয় মিল আছে, প্রগ্রেশন জনরা আর এন্ডিং মিলিয়ে। সব মিলিয়ে, সুখপাঠ্য অভিজ্ঞতা।
Profile Image for Rihan Hossain.
109 reviews3 followers
April 5, 2021
আহা! জাহিদ হোসেনের আরেক দুর্দান্ত উপন্যাস।
"ভালোবাসাই বিমার, ভালোবাসাই দাওয়াই!" অন্য লেভেলের একটা গল্প। এরপরেও, এন্ডিং এ তাড়াহুড়ার ছাপ! 💔
Profile Image for DEHAN.
278 reviews80 followers
January 27, 2020
ভালোবাসা বিমার , আবার ভালোবাসাই হলো দাওয়াই ।
বিশাল একটা ডেকচিতে লেখুক খিচুড়ি পাকাইয়া লাস্টে আচার দিয়ে পরিবেশন করেছেন।নিঃসন্দেহে ঐ আচার টাই খিচুড়ির স্বাদ বাড়াইয়া দিয়েছে ।
একটা কথা খুবই পছন্দ হলো ।
'' যদি রাতের আঁধার না থাকতো তবে কি আমরা দিনের আলোর মর্ম বুঝতাম ?
যদি পাপ না থাকতো তবে কি আমরা পূণ্যের গুরত্ব অনুধাবন করতে পারতাম ?
যদি দুঃখ না থাকতো তবে কি আমরা সুখের মহাত্ম্য উপলব্ধি করতে পারতাম ?
যদি মৃত্য না থাকতো তবে কি জীবন পরম প্রার্থিত হতো ? ''
আসলেই তো। জগতে ভালোর যেমন দরকার আছে মন্দের ও সমান দরকার আছে ।
Profile Image for Moumita Hride.
108 reviews64 followers
July 10, 2017
এতগুলা সাবপ্লট একসাথে একই গতিতে চলছে, সাথে প্রতি সাবপ্লটে নতুন নতুন চরিত্র! মাথার মধ্যে তালগোল পাকিয়ে গিয়েছিল। এডিং টা ভালো। কিন্তু আমার মনে হয় অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনো পাই নি। তবে গল্পটা ইউনিক। কিছু কিছু জায়গায় লেখক অজাচিত বর্ণনা করেছে বলে মনে হয়েছে! এছাড়া সবই ভালো ছিল গল্পের, লেখকের কল্পনা শক্তির প্রশংসা করতেই হয় বইটা পড়ে কারন ফ্যান্টাসি আর মিথের সংমিশ্রণ সবাই করতে পারে না।

রেটিং: ৩.৫ ★
Profile Image for Ishraque Aornob.
Author 28 books404 followers
January 6, 2020
"ভালোবাসা বিমার, ভালোবাসাই হলো দাওয়াই..."
ক্রাইম, সিরিয়াল কিলিং, কাল্ট, মিথ, ধর্ম আর ফ্যান্টাসির শেষাংশ মিলিয়ে দারুণ এক উপন্যাস কাদ্যুসেয়াস।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
December 10, 2020
"ভালোবাসা বিমার, আবার ভালোবাসাই হলো দাওয়াই!"
Profile Image for Shahjahan Shourov.
162 reviews24 followers
April 11, 2017
কাদ্যুসেয়াস।
এক প্রাচীন প্রতীক। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে এই প্রতীকের অর্থ নির্ণয় করে গেছে মানবসভ্যতা। গ্রীক মিথলজি, মিশরীয়, মেসোপটেমিয়া আর প্রাচীন ভারতের মিথ, বৌদ্ধধর্ম, ওল্ড টেস্টামেন্ট কোথায় নেই কাদ্যুসেয়াস! কাদ্যুসেয়াসের নতুন বিস্তার এবার জাহিদ হোসেনের এই ৩য় মৌলিক উপন্যাসে।

সিলেটের লাম্বা টিলায় দুটো বাঘ এর উপস্থিতি এই উপন্যাসের প্রস্তাবনা। সেই সাথে কিছু রহস্য, রহস্যজনক মানুষের (নাকি অশরীরী’র?) আনাগোণা। গল্পের মাঝখানে একবার, ২ সিংহের আগমন। কেন, কিসের তাড়নায় গল্পে এমন অভাবিত আবির্ভাব বাঘ-সিংহের; সেসব প্রশ্নের উত্তর একটু সময় দাবী করে। আমি দেবনা, লেখক দেবেন বইয়ের শেষে।

শিল্পপতি আজমত উল্ল্যাহর ছেলে ওয়াসিফ উল্ল্যাহ নৃশংসভাবে খুন হল। ক্রাইম সিনে মিললো, অস্বাভাবিক কিছু আঁকিবুঁকি। যেগুলো নিশ্চিতভাবেই ইঙ্গিত করে কোন কাল্ট কিংবা গোপন ধর্ম-চর্চার। তাই, সিআইডি’র ডিপার্টমেন্ট অব এক্সট্রাঅর্ডিনারি কেসেজ এর কন্ট্রাকচুয়াল উপদেষ্টা শাহ্জাহান ভূঁইঞা আর কর্মকর্তা জুলফিকে দেখা যায় এখানে।

গোলাপী টাই ধারী ঠান্ডা মাথার এক খুনী, এক বইয়ের খোঁজে ঘুরছে এখান থেকে ওখানে। যার সাথেই কথা বলছে, তাকেই পুড়িয়ে কিংবা মেরে রেখে যাচ্ছে সে।

পৃথিবীর অন্য প্রান্তে তখন গোপন এক ধর্মের ২ ধারার বিবাদ দানা বেঁধে উঠছে। প্রাচীন এক ভবিষ্যদ্বাণীর মঞ্চায়নের ইঙ্গিত পেয়ে ভিনদেশী লোকগুলো এখন বাংলাদেশে। তাদের বিবাদের ফলশ্রুতিতে, আরও কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার সামনে দাঁড়ায় স্থানীয় প্রশাসন।

“ম্যাড ডগ” শিরোনামের সিরিয়াল কিলার তখন মূর্তিমান আতঙ্কের নাম।

আর এইসব কিছুর সফল পরিণতির নাম জাহিদ হোসেনের “ক্যাদুসেয়াস”; নৃশংসতা, রহস্য, ফ্যান্টাসী, গোপন ধর্ম, মিথ এবং লেখকের আশ্চর্য কল্পনাশক্তি ও সুলেখনীর প্রতিশব্দ।

জাহিদ হোসেনের বর্ণনা খুব ভাল, পড���তে আরাম খুব। তার গুড টেইস্ট অব মিউজিক, হিউমারের সূক্ষ্ন ছোঁয়া এবং জানা-শোনার ব্যাপ্তি, পাঠককে মুগ্ধ করে। ২য় মৌলিক “ফিনিক্স” এর পাঠ-প্রতিক্রিয়াতেও এসব কথা লিখেছিলাম। বলতে পারেন তাই, জাহিদ হোসেনের স্টাইলই এমন। সিগনেচার।

লেখক তার জানা-শোনাটা, পাঠককে জানানোর দায়িত্ব এই বইয়ের শাহজাহান ভূঁইঞার ঘাড়ে চাপিয়েছেন। তাই মুগ্ধতার চূড়ায় এখানে শা.ভূ (প্রাণ এর অমর সৃষ্টি, চাচা-চৌধুরী আর সাবুর কথা মনে পড়ে গেল)। এর বাইরে গোলাপ (গোলাপী টাইধারী), শা.ভূ’র বাবা, আলাল-দুলাল এবং “নূর” মনে রাখার মতো চরিত্র। কি বুদ্ধিদীপ্ত ভাবেই না “নূর” নামটা দিলেন লেখক! আপনারও দারুণ লাগবে বলছি, বই শেষ করার পর।

নন-লিনিয়ারে বলা গল্পটা অনেক, অনেক চরিত্রের আধার। বিড়বিড় করে মুখস্তই করে গেছি অনেকসময়, চরিত্র আর তার বর্ণনা। তাতে বিরক্তি যে আসেনি খানিক, সে কথা বলছিনা। ঘটনা একের পর এক ঘটে গেছে ক্রমাগত, সেই অনুপাতে মূল গল্পের সরণ ঘটেনি; তাই পাঠকের অগ্রগতিও প্রথমদিকে স্লথ খানিকটা। পুলিশী তদন্তও খুব জোরালো নয় এখানে। তবে এসব দেখে যদি বইটা ফেলে রাখেন; ভীষণ ভুল করবেন।

চরিত্রের অবস্থান পাল্টে যাওয়া আপনাকে চমকে দিতে যাচ্ছে। সারাক্ষণ চোখের সামনে থাকা চরিত্রের ভিন্ন অবতার দেখে আপনি মুখ হাঁ করতে যাচ্ছেন। গোপন ধর্মের প্রাচীন ভবিষ্যদ্বাণীর ভিন্ন তরজমায় আপনি চমৎকৃত হতে যাচ্ছেন এবং সর্বোপরি সাক্ষ্যী হতে যাচ্ছেন কল্পনাপ্রসূত এক আশ্চর্য উপন্যাসের, যাকে সত্য বলে ভেবে নেয়ার লোভ হয়।

অনেকগুলো প্লট, বেশুমার চরিত্র আর তাদের মোটিভ দক্ষভাবেই মেলানো হয়েছে বইয়ের শেষদিকের পাতায়। উপন্যাসের তাগিদেই নতুন এক ধর্ম আবিষ্কার করে তাকে প্রাচীন গন্ধ দেয়ার যে প্রয়াস লেখকের; তার জন্যে সাধুবাদ পাবেন ভীষণ। ‘কাদ্যুসেয়াস’ প্রতীকটাকে উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে, ইমাজিনারি সব প্লট, চরিত্র আর ঘটনার সৃষ্টি এবং শেষ পর্যন্ত
সবকিছুর পরিণতি আনা বইটিকে “সফল” স্বীকৃতি দেয়। লেখনী, সহজবোধ্যতা, তথ্য আর হিউমারের গুণে পাঠকের যাত্রা এ উপন্যাসে বন্ধুর নয়। তাই গুডরীডসে “কাদ্যুসেয়াস”কে ৪ তারা দিয়েছি।

বদি, সরাষ্ট্রমন্ত্রী, কানা কবির, সৌগত মুখোপাধ্যায় আর তার পরিবার, জুলফির বাবা, চায়নীজ বুড়ো এসব চরিত্র গল্পকে কিন্তু খুব সাহায্য করলোনা বরং তাদেরকে না রেখে গল্প বলা গেলে “চরিত্র”র ভারী ব্যাগটা টানতে পাঠকের কষ্ট হতো কম, জার্নিটা আরামদায়ক হতো আরেকটু। আমার একটা তারা বোধহয় কমেছে সেজন্যেই।

“আমার এই ১টা রাতজাগা তারা, একা রাতেরই আকাশে” থাকুক বরং, “কাদ্যুসেয়াস” এর পাশে না বসুক। আপনি বইটি নিয়ে বসতে চাইলে, ১ বৈঠকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বসুন। ছাড়ার মতোন না। আর “স্কিপ” করে পড়ার ধান্ধা থাকলে ভুলে যান সেসব। চরিত্র আর ঘটনা অবশ্যই মনে রেখে এগিয়ে যান; তখন গে মজা পাবেন পুরো। ছোট-বড় সবগুলো ঘটনাই কিন্তু মনে রাখতে হবে। ইউ শ্যূডন্ট লিভ আনটার্নড এনি সিঙ্গেল স্টোন।
Profile Image for Sarowar Sadeque.
58 reviews6 followers
March 5, 2017
শেষ এর চমকগুলো অসাধারণ ছিল.....
Profile Image for Imam Abu Hanifa.
115 reviews26 followers
November 9, 2017
বইয়ের নাম দিয়েই শুরু করি। কাদ্যুসেয়াস কি? কাদ্যুসেয়াস হলো একটা সিম্বল। একটা দন্ডকে দুপাশ থেকে পেচিয়ে ধরে আছে দুটো সাপ। সিম্বলটা অনেকেই দেখে থাকবেন। মেডিকেলে এই সিম্বল দেখা যায়। তবে এটা শুধু মেডিকেলের সিম্বল না। এর পিছনে আরও অনেক ইতিহাস আছে।

এবার ইতিহাস থেকে একটু বর্তমানে আসি। বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়েই বইটা শুরু। তবে ধারাবাহিক ভাবেই বলি। মহাখালির এক নির্জন গলিতে একটা লাশ পাওয়া গেলো। খুনটা একটু অস্বাভাবিক। অস্বাভাবিক না বলে অদ্ভুত বলা উচিত। লাশকে ঘিরে বিচিত্র সব আঁকিবুঁকি। একপাশে একটা চেয়ার, তার উপরে এক গামলা রক্ত। মৃত্যুর কারন রক্তক্ষরণ। কোনো বিশেষ পদ্ধতিতে লাশের শরীরের সমস্ত রক্ত বের করে ফেলা হয়েছে।
ভাবতেই কেমন লাগে!!
লাশটা কোনো সাধারন মানুষের না। দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি আজমত উল্ল্যাহর ছেলে ওয়াসিফ উল্ল্যাহ। সে আবার একটা ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট। কেসের দায়িত্ব পরে সিআইডির ডিপার্টমেন্ট অব এক্সট্রা অর্ডিনারি কেসেজ নামে এক ডিপার্টমেন্টের উপর। আড়ালে যাকে সবাই আবজাব ডিপার্টমেন্ট বলেই চেনে।
তদন্তে আছেন আবজাব ডিপার্টমেন্টের গোয়েন্দা রহমান জুলফিকার ও সহযোগী হিসেবে আছেন কনসালটেন্ট শাহজাহান ভূঁইয়া।
এদিকে ঢাকা ও নারায়নগঞ্জে কিছু স্থানে অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। পরিত্যক্ত দালানে পাওয়া যায় শত শত মুন্ডুহীন মুরগি, বিড়াল আর ছাগল। তাও ঝুলন্ত অবস্থায়।
হোটেল উজানভাটি চিনেন? যারা ঢাকা-সিলেট রূটে যাতায়াত করেছেন তারা আশুগঞ্জের এই হোটেল চিনবেন। এই হোটেলেই একদিন রক্তগঙ্গা বয়ে যায়।
কারন! একজন নির্দিষ্ট ব্যাক্তিকে খুজছে হামলাকারীরা। নাম হাইঞ্জ বেকার। কোনো সাধারন ব্যাক্তি নয় এই বেকার। হাজার বছরের পুরোনো বিলুপ্তপ্রায় একটি ধর্মের প্রধান পুরোহিত এই বেকার। তিনি আশুগঞ্জে কি করছেন??
শহরে নতুন এক সিরিয়াল কিলারের আবির্ভাব ঘটেছে। নাম "ম্যাড ডগ"। কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মানুষ খুন করে।
আরেকটি রহস্যময় চরিত্রের কথা তো এখনো বল নাই। ভদ্রলোক স্যুট-বুট আর গোলাপি টাই পরে ঘুরে বেড়ান। খুজে বেড়াচ্ছেন হাজার বছরের পুরাতন একটা বই। ভদ্রলোক যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই রক্তের নদী বয়ে যাচ্ছে।

উপরের প্রত্যেকটা ঘটনা আলাদা করে বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে হতে পারে। কিন্তু আদৌ কি বিচ্ছিন্ন!! আলামত সুবিধার মনে হয় না।

লেখক জাহিদ হোসেনের বই প্রথম পড়লাম। এটাকে থ্রিলার বলবো নাকি ফ্যান্টাসি সেটা নিয়ে confused. তবে প্লটটা অসাধারন। সেই সাথে লেখকের বর্ণনা। সিরিয়াস একটা গল্পকে লেখক খুব সহজভাবে লিখেছেন। ছোটছোট হিউমার। কিন্তু তাতে গল্পের ভাবগাম্ভির্য মোটেও কমেনি। প্রথমদিকে খুব সাধারন মনে হলেও যত আগাবেন ততই উত্তেজনা বাড়বে। পুরো গল্পটা একটা সিক্রেট ধর্মকে ঘিরে। "এনশিয়েন্ট অর্ডার অভ সেক্রেট মাউন্টেন"। লেখক প্রথমেই বলে দিয়েছেন ধর্মটা পুরোপুরি লেখকের কল্পনাপ্রসূত।
সময় থাকলে বইটা পড়ে ফেলুন। সময়টা ভালো কাটবে।

"ভালোবাসাই বিমার, আবার ভালোবাসাই দাওয়াই"
Profile Image for Sumaiyah.
119 reviews31 followers
April 26, 2018
সাড়ে তিন থেকে একটু বেশি, চার থেকে একটু কম।
Profile Image for Taznina Zaman.
251 reviews63 followers
March 23, 2019
বাংলাদেশের পটভূমিতে এমন অসাধারণ একটা অকাল্ট থ্রিলার লেখা যায়, কাদ্যুসেয়াস না পড়লে কখনো জানা হতো না। রিভেঞ্জ ট্রিলজির আগের বইগুলো পড়া ছিল, এটা ট্রিলজির শেষ এবং নিঃসন্দেহে সেরা বই।
Profile Image for Abhishek Saha Joy.
191 reviews56 followers
July 19, 2022
থ্রিলারের নামে আরেকটি বিলো এভারেজ বই।Disappointing!
Profile Image for Ifsad Shadhin.
116 reviews24 followers
did-not-finish
February 20, 2020
কোনো এক অদ্ভুত কারণে কাদ্যুসেয়াস শুরু করে শেষ করতে পারিনি কখনো। ২০১৬ তে পারিনি, ২০২০ এ এসেও পারলাম না। ভবিষ্যতে এক সময় পড়বো, এবং চেষ্টা করবো‌ বিশ্লেষণ করতে কেন আমার এই অপারগতা।
Profile Image for Mohammad Kamrul Hasan.
363 reviews15 followers
August 7, 2022
বইটা পড়া শেষে মনে হইলো অনেক দৌড়াদৌড়ি করছি। ভালো লাগছে।
Profile Image for Hosneara Ami.
97 reviews12 followers
Read
February 22, 2019
এই গল্পের সূচনা কিন্তু আজকের যুগে না, এর সূচনা হয়েছিল কয়েক হাজার বছর আগে। প্রাচীন যুগ থেকে চলে আসা ধর্মবিশ্বাস আর ধ্যানধারণার প্রকাশ এই গল্প।

প্রখ্যাত ব্যবসায়ী উল্ল্যাহ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আজমত উল্ল্যাহের একমাত্র ছেলে ওয়াসিফ উল্ল্যাহ। মহাখালীর ব্যস্ত এলাকার প্রায় নির্জন এক গলিতে বিচিত্র অবস্থায় পাওয়া গেছে তার লাশ। রাস্তায় আকা বিচিত্র কিছু প্রতীক, গোল বৃত্ত। তার মাঝখানে ওয়াসিফের নিশ্প্রাণ দেহ। সামনে একট�� নরম গদিওয়ালা কাঠের চেয়ার। চেয়ারের সামনে একটা গামলা ভর্তি রক্ত।

সিআইডির অদ্ভুত কেসগুলা হ্যান্ডল করার জন্য আলাদা একটা ডিপার্টমেন্ট আছে। পোশাকি নামটা খুব সুন্দর - ডিপার্টমেন্ট অব একস্ট্রাঅর্ডিনারি কেসেস। নাম সুন্দর হলেও সবসময় লো প্রফাইল কেসগুলো জোটে তাদের। যেমন তাদের হাতে আছে এখন মুন্ডুহীন শ'খানেক মুরগি, ঘাড়ভাঙ্গা কয়েক'শ বিড়াল আর বাড়িভর্তি জবাই করা ছাগলের কেস। এই জন্য তাচ্ছিল্য করে সবাই আবজাব ডিপার্টমেন্ট বলে ভেঙ্গায়। ওয়াসিফ উল্ল্যাহের কেস হ্যান্ডল করার দায়িত্ব তাই পড়ল এই ডিপার্টমেন্টের ঘাড়ত্যাড়া গোয়েন্দা রহমান জুলফিকার আর ক্ষ্যাপাটে কনসালটেন্ট শাহজাহান ভূঁইয়ার কাধে।

ধোপদুরস্ত স্যুটকোট, ব্যাকব্রাশ করা চুল, চোখে রঙিন চশমা, গলায় সরু গোলাপি টাই পড়া এক লোক খুঁজে বেড়াচ্ছে একটা বহু পুরনো মূল্যবান বই। সে যেখানেই যাচ্ছে লাশের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে। কি সেই বই? কি আছে তাতে? কেনইবা সেটা এত মূল্যবান?

বিলুপ্তপ্রায় প্রাচীন ধর্মীয় সংগঠন "অ্যানসিয়েন্ট অর্ডার অব দ্য সেক্রেড মাউন্টেন"। তার প্রধান ধর্মগুরু হাইঞ্জ বেকার বাংলাদেশে আসে গোপন খবর পেয়ে। আশুগঞ্জের এক হোটেলে কালো আলখেল্লাধারীরা হামলা চালায় তার উপর। হত্যা করে তার সঙ্গীদের। অপহরণ করে তাকে। এমনকি দেশে তার স্ত্রী সন্তানকেও অপহরণ করে।

নৃশংস এক সিরিয়াল কিলার "ম্যাড ডগ"। অভিনব পন্থায় কুকুর লেলিয়ে হত্যা করে তার শিকারকে। নারী পুরুষ কেউ তার হাত থেকে সুরক্ষিত নয়। প্রাচীন রাজবংশ বা জমিদারবংশের বর্তমান সদস্যের প্রতি তার যেন ক্ষোভ বেশি। তদন্তে বেড়িয়ে এলো শুধু বাংলাদেশ না পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও তার অবাধ বিচরণ।

আপাতদৃষ্টিতে ছাড়া ছাড়া ঘটনা মনে হলেও কি জানি একটা সম্পর্ক আছে ঘটনাগুলোর। ঠিক ধরা যাচ্ছে না। নাকি আসলেই এতগুলো ঘটনার কোন সম্পর্ক নেই?

এই নিয়ে জাহিদ হোসেনের তৃতীয় মৌলিক উপন্যাস "কাদ্যুসেয়াস"।

কাদ্যুসেয়াস একটি ধর্মবিশ্বাস। কাদ্যুসেয়াস একটি সিম্বল। একটি দন্ডের চারপাশে পেচিঁয়ে থাকা দুটি সাপ। যার উল্লেখ প্রাচীন অনেক ধর্মবিশ্বাসে পাওয়া যায়। এমনকি বর্তমানে ডাক্তারীশাস্ত্রেও এই প্রতীক দেখা যায়। এই প্রতীক আলো-আধারের প্রতীক, ভালো-মন্দের প্রতীক, জীবন-মৃত্যুর প্রতীক।

জাহিদ হোসেনের লেখা এটা তৃতীয় উপন্যাস হলেও আমার পড়া এটাই প্রথম। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মত একটা লেখা। যদিও সংসারের চাপে পরে একটানা পড়তে পারিনি। চমৎকার সাবলিল বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। মাঝে মাঝেই জটিল সব তাত্ত্বিক বর্ণনা ছিলো যা ঘটনার প্রয়োজন দিয়েছেন। তাও ভালো লেগেছে।

যারা ড্যান ব্রাউনের লেখা পছন্দ করেন, তাদের ভালো লাগবে এতটুকু বলতে পারি।।।
Profile Image for বিমুক্তি(Vimukti).
156 reviews88 followers
May 28, 2020
'দুধ চা খেয়ে গুলি করে দেব' পড়ে ঠিক করেছিলাম, অবসর আমায় বিরক্ত করে না মারলে আর স্বগোত্রীয় সিলেটি জাহিদ হোসেনের লেখা খুব একটা পড়ব না। এই লকডাউনের সময় যখন রেজাল্ট এর অপেক্ষায় তারা গুনছি, তখন এক বন্ধুর কাছ থেকে বইটা চেয়ে নিয়ে পড়ে ফেললাম।

বইটা পড়ার সময় এতো এতো ক্যারেক্টার আসবে আর যাবে যে একসময় নাম মনে রাখার জন্য রীতিমত জিকির শুরু করে দিতে হবে। সামাজিক উপন্যাসে অত্যাধিক চরিত্র কোনো সমস্যা না। কিন্তু আজকালকার থ্রিলারে, যেখানে গল্প গতিতে এগোয় সেখানে এটা মারাত্মক রকমের সমস্যা( একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে আমার অন্তত তাই মত)। প্রতি দুই পাতার অধ্যায়ে যদি চারটা করে নতুন ক্যারেক্টার নিয়ে আসেন, তবে তা থেকে টেক্সটবুক পড়ে হেফাজতিদের অত্যাচার সওয়াও অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়।

এই নিতান্ত বেরসিকের মতো অভিযোগ ( পাঠ্যবইয়ের সংগে তুলনা😅)তোলার পরও চার তারার কম দিতে পারলাম না। গল্পটা কিন্তু অসাধারণ। আর শেষের দিকে জাহিদ হোসেন যেসব সাংঘাতিক টুইস্ট দিয়েছেন, তাতে এর থেকে কম রেটিং দিলে লেখকের প্রতিভা এবং কল্পনা শক্তি দুটোর প্রতিই অবিচার করা হবে।
Profile Image for Shashoto Sharif.
116 reviews8 followers
January 9, 2019
বহুদিন আগে একবার শুরু করেছিলাম,মাঝখানে ডিসট্রাক্টেড হয়ে বাদ গেল,এখন আবার ২ দিনেই শেষ করেছি।
শীর্ষেন্দুর বড় বড় উপন্যাসগুলোর মত ক্রমাগত একের পর এক চরিত্র এসেছে,নানা রকম কাজকর্ম করেছে,কিন্তু সবাইকে একসূত্রে গাঁথতে গিয়েই বোধহয় লেখক ভজকট পাকিয়ে ফেলেছেন।
অভিনব প্লট,লেখকের বর্ণ্নাভঙ্গী চমৎকার,কিন্তু শেষটা মন ভরাতে পাড়ল না।অনেক কিছুর এক্সপ্ল্যানেশন দেওয়া হয়না,কাকতালের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।ফলাফল,প্রথমবার লেখকের কোন বই এ ৫ এর কম রেটিং দিলাম।
Displaying 1 - 30 of 50 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.