Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #298

নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ

Rate this book
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
বাংলা কথাসাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদ একজন প্রবাদপুরুষ। জীবন্ত কিংবদন্তি। চার দশক ধরে লিখছেন অবিরাম। উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণ উপাখ্যান, আত্মজৈবনিক, রম্যরচনা কিংবা শিশুতোষ রচনা-সৃষ্টিশীলতার যে মাধ্যমটিতেই হাত দিয়েছেন, অন্য এক আলোর দ্যুতিতে তা উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। পাঠকরা তাকে গ্রহণ করেছেন গভীর ভালোবাসায়। পাঠকপ্রিয়তায় সমকালীন বাংলা সাহিত্যে তার মতো তুংগস্পর্শী কাউকে আমরা লক্ষ করি না।
কৈশোরে 'জোছনার ফুল'- সৌন্দ্রর্যে মুগ্ধ এই শব্দশিল্পীর দেহে বাসা বেঁধেছে কর্কট রোগ। প্রকৃতি জীবনের সৌন্দর্য সন্ধানে যিনি নিবেদিত, কর্কট রোগের কী সাধ্য তাকে হার মানায়!

ভূমিকাঃ
এই গ্রন্থের সব লেখাই নিউইয়র্কে বসে লেখা। লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত থেকে কেমোথেরাপি নামক চিকিৎসার যন্ত্রণা ভোলার চেষ্টা। এই চেষ্টা খুব যে কাজ করেছে তা না, প্রায়ই কলম ছুড়ে ফেলে বিছানায় চাদর মুড়ে শুয়ে ভেবেছি-‘আর কত?’
যাই হোক, বেশ কিছু লেখা লিখেছি, প্রথম আলো গুরুত্বের সঙ্গে ছেপেছে। মতি তাতে বিস্মিত এবং অভিভূত। মনে হয়েছে আমার লেখক-জন্ম সার্থক।
এই গ্রন্থে তিনটি গল্পও আছে। গল্পগুলো লিখে আনন্দ পেয়েছে। কঠিন ব্যাধি শরীরে নিয়ে আনন্দ পাওয়া বিস্ময়কর ব্যাপার।
বিস্ময়কর এই ব্যাপারগুলো আমার জীবনে ঘটছে। কেন ঘটছে, কে ঘটাচ্ছেন, তা জানি না। জানতে ইচ্ছে করে।

হুমায়ূন আহমেদ
জ্যামাইকা, নিউইয়র্ক

94 pages, Hardcover

First published February 17, 2012

7 people are currently reading
225 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,934 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
137 (20%)
4 stars
255 (38%)
3 stars
208 (31%)
2 stars
53 (7%)
1 star
12 (1%)
Displaying 1 - 30 of 34 reviews
Profile Image for Ësrât .
516 reviews85 followers
March 7, 2023
হুমায়ূন আহমেদ নিউইয়র্কের ঝকঝকে আকাশে তারা হয়ে রয়ে গিয়েছিলেন।

মাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসিমুখে ফিরে আসার ছাড়পত্র পাওয়ার এক মূহুর্ত আগ অব্দি বুকচেরা তীব্র বর্ণনাতীত ব্যাথা-শঙ্কার দোলাচলে বিষাদের কালো মেঘ গাঢ় থেকে গাঢ়তর হবে; না শুভ্রশান্ত নীলাকাশের রংধনুতে রাঙিয়ে উঠবে জীবন আবার আগের ছন্দে সেই দ্বিধাতেই আছি।
Profile Image for Rubell.
192 reviews23 followers
August 9, 2021
হূমায়ুন আহমেদের ক্যান্সার ধরা পড়ে চতুর্থ স্টেজে। মেটাস্টেসিস হয়ে গেছে। হাতে আর বেশিদিন সময় নেই একথা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। নিউইয়র্কে তাঁর ক্যান্সারের চিকিৎসা শুরু হয়, তখন প্রথম আলোতে এই কলামগুলি নিয়মিত লিখছিলেন তিনি। তখন পড়েছিলাম। প্রায় দশ বছর পর আবার পড়লাম।
হূমায়ুন আহমেদের লেখা পড়লে মনে হয় রসিক আড্ডাবাজের মুখে গল্প শুনছি। পাঠকের সাথে এটা ছিল তাঁর শেষ আড্ডা। তিনি হালকা রসিকতায় সময় নষ্ট কম করেছেন। হূমায়ুনসুলভ রসিকতা যেমন আছে রচনাগুলিতে, বিদায়ের আভাসও আছে। ভালোবাসা, আক্ষেপ, অপূর্ণ স্বপ্ন, সৃষ্টিকর্তার কাছে আত্মসমর্পণ - বিদায়বেলায় মানুষের মনে এসবই আনাগোনা করে।
Profile Image for Masudur Tipu.
130 reviews2 followers
August 20, 2025
সেকেন্ড টাইম পড়লাম!
ভালোই লাগলো আবারো! মৃত্যুর আগের লিখার একটা আবেগঘন ব্যাপার আছে বইয়ে
Profile Image for Nahiyan Asadullah.
110 reviews26 followers
September 9, 2015
হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর আগে অনেকেই তাঁর ধর্ম বিশ্বাস নেই বলে নানা কথা বলত। আমার মনে হয় হুমায়ুন পাঠক না হলে এমন ধারনা করার যুক্তি নাই। কম বেশি প্রায় প্রতি গল্পেই তিনি ধর্ম দর্শন এবং জীবন নিয়ে কথা বলেন। তিনি যে আল্লাহ্‌র উপর বিশ্বাসী সেটা এই বইটা পড়ার পর সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল। এই প্রথম তিনি তাঁর কোন বইয়ে কুরআনের কিছু আয়াত কোট করলেন একটা ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে।

এই বইয়ের কাঠামোটা একি সাথে অদ্ভুত এবং আনকম্ন। এটাকে একটি সাথে ননফিকশন এবং ফিকশন বলা চলে। কারণ বইয়ের প্রায় পুরোটাই লেখকের চিকিতসাসুত্রে আমেরিকায় অবস্থানের স্মৃতিচারণ। শেষ বিশ পাতায় তিনি তিনটা ছোট গল্প রচনা করেছেন।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
475 reviews16 followers
May 1, 2023
২০১১ সালের কথা! প্রথম আলোতে হুমায়ূন আহমেদের সাপ্তাহিক কলাম পড়তাম। কলামের শিরোনাম - নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ। খুব আগ্রহ নিয়ে প্রিয় লেখকের সেই কলাম গোগ্রাসে গিলতাম কৈশোরে। ঠিক তার পরের বছরেই লেখাগুলো মলাটবন্দি হয়ে আসে বইমেলায়। এর ঠিক কয়েক মাস পরেই লেখকের মৃত্যু হয় মরনব্যাধী ক্যান্সারে। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ের লেখার এই সংকলন সংগ্রহে রাখতে ইচ্ছে হল। সেদিন বাতিঘরে গিয়ে বইটি হাতে নিয়ে সংগ্রহে রাখতে ইচ্ছে হল। অনেক আগে পড়েছিলাম বলে লেখার কন্টেন্টগুলোও ঠিক মনে নেই। আবার পড়তে বসে নতুন করে যেন আবিস্কার করলাম হুমায়ূন আহমেদকে।
Profile Image for Fahad Ahammed.
387 reviews44 followers
March 24, 2018
শেষ গল্পটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে
Profile Image for Ahmed Zisan.
62 reviews25 followers
February 23, 2022
যে কারো জীবন সম্পর্কে জানতে ভালো লাগে, তবে সেই লেখায় রস থাকা চাই। দুঃখ হলেও লেখায় রস থাকা প্রয়োজন। আর হুমায়ূন আহমেদ এমন একজন ব্যক্তি, যার সব কিছুতেই রস আছে।
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
114 reviews14 followers
July 23, 2023
সংসার নামক স্মৃতিকথাটা একটু বেশি ভালো লেগেছে।
রেকমেন্ডেড।
Profile Image for Klinton Saha.
358 reviews5 followers
April 12, 2023
এই বইয়ের সব লেখা নিউইয়র্কে কেমোথেরাপি নেওয়ার সময়কালে লেখা। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটা লেখায় ক্যানসারের প্রসঙ্গ চলে এসেছে।বইয়ে বিভিন্ন স্মৃতিকথার পাশাপাশি তিনটি গল্পও রয়েছে।বাঁচার এক অদম্য ইচ্ছা প্রতিটি লেখার মূল সুর। এছাড়া ভবিষ্যতে স্বদেশে বিশ্বমানের ক্যানসার নিরাময় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও তাকে দেখতে দেখা যায় যা বর্তমানে হতাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।
Profile Image for Nirjhar Ruth.
24 reviews14 followers
January 9, 2018
২০১১ সালে নিউইয়র্কের স্লোন ক্যাটেরিং হাসপাতালে ক্যান্সারের চিকিৎসা নিতে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা গ্রহণের সময়ের বিভিন্ন কাহিনী নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ এই বইটি লিখেছেন। এমনিতেই আমি হুমায়ূন আহমেদের লেখা আত্মজীবনীর ভক্ত, তার উপর ভীষণ এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর লেখকের মন মানসিকতা জানার একটা ইচ্ছে ছিলো। তাই বইটা পড়া।

ক্যান্সারে আক্রান্ত শুনলেই আমাদের মনে তীব্র ভয়ের যে হেলদোল শুরু হয়ে যায়, লেখকের রসিক লেখায় সেটা প্রকাশ পায়নি। যদিও তিনি বিভিন্ন জায়গায় ক্যান্সার সম্পর্কে তার ভীতি প্রকাশ করেছেন, কিন্তু সেই ভীতি স্বভাবসুলভ রসিকতায় উড়িয়েও দিতে চেয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, কর্কট রোগে আক্রান্ত হয়েও হুমায়ূন আহমেদের সহজভাবে জীবনকে দেখার মানসিকতা প্রমাণ করে, তিনি প্রচণ্ড দৃঢ় মনোবলের অধিকারী ছিলেন (যদিও বিভিন্ন লেখায় তিনি নিজেকে দুর্বল চিত্তের প্রমাণ করতে সচেষ্ট ছিলেন!)।

যা হোক, আমি এখানে লেখকের রিভিউ দিতে আসিনি, কিন্তু লেখার রিভিউ দিতে গেলে আমার হাতে লেখকের কথা চলে আসেই। তাই বেশি বকবক না করে একটা কুইজ দিচ্ছি সম্ভাব্য পাঠকদের। বইটিতে হুমায়ূনের লেখা তিনটি ছোট গল্প আছে। গল্পগুলোর থিম একই। বলতে হবে, থিমটি কী?
Profile Image for Saffat.
93 reviews67 followers
July 22, 2015
মৃত্যুপথযাত্রী একজন মানুষ হড়বড় করে কথা বলছেন।স্বাভাবিকভাবে কথাগুলো প্রলাপ হবার কথা অথচ না।অধিকাংশ কথা তাৎপর্য বহন করে,আপনাকে একটু হলেও ভাবাবে।সেই কথা শুনে কে বলবে এই মানুষটা ক্যান্সারের সাথে লড়ছিলেন।
ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে বইটি লিখেছেন তিনি।উঠে এসেছে অতীতের কিছু অভিজ্ঞতা,তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কিছু ঘটনাবলী সেই সাথে ভবিষ্যতের স্বপ্নের আল্পনা আঁকা।
অজানা অনেক কিছুই জেনেছি।তিনি যে এডগার এলান পো এবং জাপানী লেখক হারুকি মুকারামি এর লেখা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন সে কথা তিনি নিজ থেকেই বলেছেন।এও জেনেছি অচিনপুর না���ি তিনি এক রাতে লিখে শেষ করেছিলেন।
সবাই গেছে বনে বইটা তিনি বিদেশ বিভুইয়ে বসে লিখেছিলেন পিএইচডি করার সময়ে আর এটি লিখলেন হাসপাতালে শুয়�� বসে।
ভাললাগার মত অনেক কথাই ছিল বইটাতে।তবে এই তিনটি লাইন বেশি ভাল লেগেছে।"you dont 've to love too much of any creation of god.cuz he only knows when he will erase his creation.we don't" ।
পড়তে পড়তে হুট করে কিভাবে যেন শেষ হয়ে যায় বইটা তখন বাস্তব ও পরাবাস্তবতার মাঝামাঝি কোন অবস্থাতে আনমনে চমকে উঠবেন আপনি।
Profile Image for Tushi.
59 reviews42 followers
March 17, 2015
আসলেই হয়তো মৃত্যুর আগে অনেকেই আলামত পায় । বইটা পড়ে মাঝে মাঝে চমকে উঠেছি - কিভাবে উনি বুঝতে পারল কিভাবেই বা এত নির্দিধায় লিখতে পারল ! এই বইয়ে তেমন কিছুই নেই আবার অনেক কিছুই আছে । ওই কিছু একটা আছে জন্যই ৫ রেটিং দিতে বাধ্য হলাম ।

একটা শুধু আফসোস থেকে গেল । তার শেষ স্বপ্ন বাংলাদেশে ক্যানসা্র হাসপাতাল গড়ে তোলা-টা স্বপ্নই থেকে গেল । হয়তো কোনো এক সময় বাংলাদেশিরা ভিক্ষার থালি নিয়ে এ স্বপ্ন পুরণের জন্য মাঠে নামবে । যদি কখনো হয় তাহলে আমি অবশ্যই সেই ভিক্ষুকের দলে যোগ দিব ।
Profile Image for Salwa.
Author 2 books10 followers
February 19, 2015
হুমায়ূন আহমেদের লেখার প্রতিভার উপর ভরসা করে কিছু মানুষের জীবিকা চলতো। তিনি ছাইপাঁশ লিখলেও সেটা বেচে কিছু লোক দুপয়সা আয় রোজগার করত, এটা লেখক জানতেন, তাই খসড়া, আধাসিদ্ধ লেখা সবই ছাপাখানায় দিতে বাছবিচার করেন নাই, প্রকাশকের আব্দার মিটিয়েছেন। এটা তেমনি একটা হাবিজাবি লেখা বই।
Profile Image for Sitap Paul.
33 reviews2 followers
February 28, 2024
হুমায়ূন আহমেদ আমার পছন্দের লেখক। আমি প্রায়ই আমার কাছের মানুষদের বলি, "আমি হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। মানুষটা বেঁচে থাকলে নিশ্চিত প্রায়ই তাকে জ্বালাতাম। (যদিও বাস্তবে এই সাহস কখনোই করতে পারতাম বলে মনে হয় না।)" যাই হোক, প্রসঙ্গে ফিরি। হুমায়ূন আহমেদের কর্কট ব্যাধি ছিল। এই ব্যাধির চিকিৎসার জন্য তিনি নিউইয়র্ক গিয়েছিলেন। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ের গল্পগুলোই 'নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ' এর মলাটে বন্দি হয়েছে। আমি বরাবরই ভালোবাসার এই মানুষটার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব আগ্রহী। এই বইটাও আগ্রহের সাথে পড়েছি, অজানা অনেক কিছু জানতে পেরে নীলাকাশে উড়ে বেড়িয়েছি।
হারুকি মুরাকামির বই নিয়ে লিস্টের অনেককেই পোস্ট, রিভিউ দিতে দেখি, লেখালেখি করতে দেখি। কখনো এই লেখকের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বোধ করিনি। কিন্তু এই বইয়ে হুমায়ূন আহমেদ মুরাকামির এত প্রশংসা করলেন, এতবার তার কথা উল্লেখ করলেন যে জাপানি এই লেখকের বই পড়া আবশ্যক হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে 'কনফেশনস অব আ শিনাগাওয়া মাংকি' অর্ডার করেছি। আমার যখন যা মাথাচাড়া দেয়, তা তাৎক্ষণিক না করতে পারলে শান্তি লাগে না। 😁
Profile Image for Ahnaf Karib.
15 reviews
June 20, 2021
বইটা বেশ ছোট হলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে এটি একটি, এবং এখানে তিনি নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থার সময়কার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। মৃত্যুর আগে ওনার চিন্তা ভাবনা কেমন ছিল, এ নিয়ে হুমায়ূন গবেষকরা বইটি থেকে বেশ ভালো কিছু পাবেন। হুমায়ূন আহমেদ জানতেন সময় বেশি নেই, সেটা মেনে নিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর প্রস্ততি, সেটা সম্পর্কে ভাবনা এবং আশেপাশের মানুষ যেন তাকে নিয়ে চিন্তিত না হয় তাই সেই অবস্থাতেই ওনার রসিকতা - বিষয়গুলো আগ্রহ জাগিয়েছে। বইটি আরো কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হুমায়ূন আহমেদের যে বিষয়গুলো নিয়ে মানুষ আজীবন সন্দেহের মাঝে ছিল, তার দর্শন এবং ধর্ম বিশ্বাসের বিষয়গুলো এখানে তিনি প্রকাশ করেছেন। বইটা পড়তে পড়তে হৃদয়ে এক ধরনের হাহাকার চলে আসে, যে হুমায়ূন আহমেদ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে দোর্দন্ড প্রতাপে রাজত্ব করেছেন, তার স্বর্ণযুগের অবসান হতে যাচ্ছে। আর খুব বেশি বই আমরা পাচ্ছি না। অনুভূতিটা অবর্ণনীয়।
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
204 reviews10 followers
February 4, 2025
লেখক ক্যান্সার-আক্রান্ত হওয়ার পর নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর কাটানো দিনগুলি সম্পর্কে লিখেছেন অণুগল্প আকারে। লেখকের আর বাকি কাজ গুলোর থেকে এটা আলাদা। কেমন গঠনহীন লেখা, জিস্টবিহীন গল্প অনেকটাই বোর করে। অথচ তিনি এর চেয়ে ভালো লেখেন।

আর হুমায়ূন আহমেদ আত্মজৈবনিক ধাঁচের লিখলেও সেটা পুরোপুরি সহী বলে ধরে নেয়া যায়না। এই যেমন সাব্বির এর সাথে দেখা হওয়ার গল্পটা। সাব্বির মাটিতে পড়েছিলো, লেখক তাকে তুলতে গেলে সে বলতেছিলো, "আমাকে বাঁচান! আমি চশমা ছাড়া দেখতে পারিনা। আমার চশমার পাওয়ার সিক্স ডায়অপ্টার।" এগুলি ওনার গল্পে হয়। আত্মজৈবনিক লেখায় এসব শুধু 'হিউমর' খাটানোর জন্য এসব জোর করে আনলে বিরক্ত লাগে।
Profile Image for Syed.
18 reviews
January 2, 2026
ছোট আত্মজীবনী বই, সাথে তিনটা ছোট গল্প। নিউইয়র্কে ক্যন্সারের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে লিখা।বইটি নিউইয়র্কে তাঁর চিকিৎসার দিনগুলোর এক অনন্য দলিল। এক বসাতেই পড়ে ফেলার মতো ছোট এই বইটিতে জীবনের শেষ সময়ের বিভিন্ন অজানা টুকরো ঘটনা আর ব্যক্তিগত লড়াইয়ের গল্প উঠে এসেছে। মৃত্যুর আগে তাঁর চিন্তা-চেতনা কেমন ছিল, তা বুঝতে গবেষকদের জন্য এটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই সাধারণ পাঠকের জন্য এটি এক আবেগঘন ভ্রমণ। চরম অসুস্থতার মাঝেও তাঁর স্বভাবসুলভ রসিকতা 🎭 আর মৃত্যুচিন্তার পাশাপাশি এখানে ফুটে উঠেছে তাঁর গভীর জীবনদর্শন ও ধর্মবিশ্বাস। বইটি পড়ার সময় হৃদয়ে এক হাহাকার 💔 সৃষ্টি হয়, কারণ এটি কেবল একজন মানুষের বিদায়ের গল্প নয়, বরং বাংলা সাহিত্যের এক অপরাজেয় স্বর্ণযুগের অবসানের সুর।"
Profile Image for HRidoy AHmed.
31 reviews
May 2, 2020
নিজের মা' ই যখন ক্যানসার নামক ব্যধিতে আক্রান্ত তখন এই বই পড়ে আমার কেমন লাগছে তা কীভাবে প্রকাশ করি? আমি হুমায়ূন স্যারকে বুঝতে পেরেছি। আচ্ছা আমার মা'য়ের মনেও কি হুমায়ুনের মতো মৃত্যু চিন্তা ঘুরঘুর করছে? আসছে নানারকম ভাবনা। মায়ের সুন্দর চুল আর চেহারা আমার চোখে ভাসে। আর কোনদিন কি দেখতে পারবো সেই হাসিহাসি মুখ আর ঘনকালো চুলগুলো ?
Profile Image for Taif Tofa.
14 reviews1 follower
September 23, 2021
ক্যান্সার রোগ শরীরে বয়ে নিয়েও এত সাবলিল লেখা আমাকে মুগ্ধই করে। কি লিখেছেন তার চাইতেও কি পরিস্থিতিতে লিখেছেন তা ভেবেই আমি ৫ স্টার দিতে পারি। আমার বাবাকে নিয়ে একই রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। ক্যান্সার নিয়ে বাংলাদেশের সত্যি কিছু করার দরকার। গবেষণা, হাসপাতাল, চিকিৎসা ব্যায়, সব বিষয়েই আমরা পিছিয়ে আছি।
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews11 followers
August 9, 2024

নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ
-হুমায়ূন আহমেদ

সচরাচর উনার বই পড়ে আমার হয়ত বিরক্ত লাগে নাহয় কেমন যেন একটা গুমোট আবহে বন্দী হয়ে থাকি।
এই বই টা পড়ে তেমন কিছুই অনুভব হচ্ছেনা।

শুধু মনে হচ্ছে মৃত্যুর সন্নিকটে গেলে মানুষের চিন্তা ভাবনা কি একটু কেমন হয়ে যায়? সে কি মৃত্যুর স্বাদ পেতে শুরু করে?
কেন যেন মনে হচ্ছে উনি বোধয় জানতেন উনি আর বেশিদিন নেই, তাই মনের কথা উগড়ে দিয়েছেন।

এই বই ভাল লাগা বা খারাপ লাগার না, এ বই উনাকে অল্প বিস্তর চেনার একটা রাস্তা।

রেটিং : ৮/১০
Profile Image for Najmul Huda  Tanjeem.
27 reviews
September 2, 2023
লেখক তার জীবনের সায়াহ্নে এসে দাড়িয়েছেন।দীর্ঘ ষাটটু বছর লিখে গেছেন অবিরত।আজ লেখক ক্লান্ত।ক্যান্সার এসে বাসা বেঁধেছে তার শরীরে....
নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে বসে লেখক লিখে গেছেন ঝকঝকে আকাশের অপরুপ সৌন্দর্যে মৃত্যুপথযাত্রীর ভাবনাগুলো।
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
October 6, 2020
হুমায়ন আহমেদ এর নিজস্ব কিছু বক্তব্য যা তিনি নিউইয়র্ক এ বসে লিখেছিলেন।
Profile Image for Jannatul Firdous.
89 reviews180 followers
December 1, 2021
চমৎকার লেখনী। ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধরত অবস্থায় প্রবল মানসিক চাপ,মৃত্যুচিন্তা নিয়েও লেখার স্টাইল বা মানে এতটুকু কমতি আসেনি। ওনার আত্নজীবনীগুলো পড়তে বরাবরই গল্পের মতো লাগে। ❤️
Profile Image for Rejwana Haque Pial.
90 reviews13 followers
June 11, 2023
A heart aching memoir, right before he started his second journey in the universe
Profile Image for Afrin Sultana  Moutusi .
83 reviews10 followers
October 23, 2023
নিউইয়র্কে চিকিৎসারত অবস্থায় লেখা হুমায়ূন আহমেদের কিছু আত্নজীবনিমূলক লেখা
Profile Image for Md. Rahat Khan.
50 reviews1 follower
May 29, 2025
ছোট্ট একটা বই। এক বসাতে পড়ে ফেললাম। নিউইয়র্কে জীবনের অন্তিম সময়ে লেখা জীবনের বিভিন্ন টুকরো ঘটনা । বেশ কিছু অজানা বিষয়ও জানলাম।
Profile Image for Mustakim Mahde.
5 reviews
October 6, 2025
সংসারের ব্যখ্যা, বিদায়ের আভাস, মৃত্যুর খুব কাছে ক্যান্সারের চতুর্থ স্টেজ, তবু বেঁচে থাকার আশা, তবু কিছু করতে চাওয়ার স্বপ্ন।
93 reviews18 followers
January 30, 2017
নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদঃ প্রসংগ ক্যান্সার।

আমরা যারা হুমায়ুন আহমেদ এবং ক্যান্সার নিয়ে কাজ করি, তাদের বিভিন্ন কথায় সহায়ক হতে পারে এটি। জানি হুমায়ুন আহমেদের কথা অমিয় বানী নয়, বা তার সব তথ্য সঠিক নাও হতে পারে। কিন্তু একদিন এই ম্যাগাজিন হয়তো বিশ্বের প্রতিটি হুমায়ুন প্রেমীর লাইব্রেরিতে স্থান পাবে। তখন হয়তো এই লেখাটি কাজে দিতে পারে।
ক্যান্সার নিয়ে বিভিন্ন কথা বলেছেন তিনি এই বইতে। বলেছেন মৃত্যু নিয়ে তিনি ভীত নন। “আমার স্বভাব হচ্ছে, যেকোনো অবস্থায় যেকোনো বিষয় নিয়ে রসিকতা করা। মৃত্যু নিয়ে ক্রমাগত রসিকতা করে যাচ্ছি। এই রসিকতা কেউ সহজভাবে নিতে পারছে না”।
এরপরে তিনি আস্তে আস্তে ক্যান্সারে প্রবেশ করলেন। একদম চতুর্থ স্তরে। “ডাক্তার ভেচ হঠাতই আমার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বললেন, তুমি একা মারা যাচ্ছ না। আমরা সবাই মারা যাচ্ছি। এই কারনে বললাম তুমি মারা যাচ্ছ। তবে খুব দ্রুত যে মারা যাবে, সে রকম মনে হচ্ছে না”।
স্টিভ জবস থেকে অনুপ্রেরনার অংশটুকুঃ “তিনি বলছেন, এক অর্থে ক্যান্সার আমার জন্য শুভ হয়ে এসেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, আমার সময় শেষ। আমি আমার সর্ব মেধা ব্যয় করেছি হাতের কাজ গুটিয়ে আনতে”।
স্তন ক্যান্সার নিয়ে হিমু পরিবহন কাজ করে যাচ্ছে। “মহিলাদের প্রায় সবাই মারা যায় ব্রেস্ট ক্যান্সারে। আমাদের দেশের মেয়েদের এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। অনেককে দেখা যায় স্তন শব্দটি যুক্ত থাকার কারনে লজ্জাবোধ করেন। রোগের কাছে লজ্জার কিছু নেই। রোগ লুকানোতেই লজ্জা”
হুমায়ুন আহমেদের শেষ কচ্ছপ প্রকল্প ছিল ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার করা। এই বিষয়ে একটু সমালোচনা করি। আমাদের সবার ক্যান্সার সেন্টার করার ইচ্ছা জাগে যখন আমরা আক্রান্ত হই তখন। এমনকি তার সময়ে যারা অর্থের সহযোগিতা করতে আশ্বাস দিয়েছিলেন-তারা যদি এখন এগিয়ে আসতো। “বৃদ্ধ কচ্ছপ এইবার ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার কামড়ে ধরেছে। কচ্ছপের কামড় বলে কথা। বেচে থাকলে কচ্ছপ যে ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার করে যাবে, তা নিশ্চিত ধরে নেওয়া যায়”। তিনি কিভাবে টাকা তুলবেন তার পরিকল্পনা পড়ে নিবেন।
সিগারেট নিয়ে তার চিন্তা ভাবনা আপাতত থাক। বলা মানা।
বরঞ্চ তার নায়কের গল্প বলি, যাকে ঘিরে হুমায়ুন আহমেদ স্বপ্ন দেখেছিলেন, গুরু মেনেছিলেন। “পশ্চিমা একজন হিরোর গল্প দিয়ে আজকের লেখা শুরু করছি। তার নাম টেরি ফক্স। কানাডার এক যুবক। মাত্র বাইশ বছর বয়সে ভয়াবহ ক্যান্সার তাকে আক্রমন করল। তার একটি পা কেটে ফেলে দিতে হল। টেরি ফক্স বিছানায় শুয়ে ভাবলেন ক্যান্সার গবেষনার জন্য আরো অর্থ প্রয়োজন। তিনি ঘোষনা করলেন, এক পা নিয়েই তিনি কানাডার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়ে অর্থ সংগ্রহ করবেন। আটলান্টিক সমুদ্রে পা ডুবিয়ে তিনি দৌড় শুরু করলেন”। হয়তো হুমায়ুন আহমেদ দৌড় শুরু করলে হত সেটা।
অনেকে সেই সময়ে অনেক সাড়া দিয়েছেন। “ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের জন্য আমি যে সাড়া পেয়েছি তাতে আমার মনে হয়েছে মানবজীবন ধন্য”। তারা এখন কই?
তার স্বপ্ন কিভাবে হবে, কিভাবে দলমত নির্বিশেষে হাসপাতাল গড়ে উঠবে তাও লিখেছেন তিনি এই বইতে।
হিমুদের যেখানে ঢোল হাতে নিয়ে স্যারের পিছন পিছন নেমে পড়ার কথা, আজ হিমুরা সুর্য উঠার আগেই জেগে বলছে, “আমরা যদি না জাগি মা , কেমনে সকাল হবে?”
আর বইয়ের শেষে হুমায়ুন আহমেদ এর সেই আহবান, যা হিমু পরিবহন তার প্রতিটি লিফলেটে যোগ করেছে-
সর্বাধুনিকে, বিশ্বমানের একটি ক্যান্সার হাসপাতাল ও গবেষনাকেন্দ্র কি বাংলাদেশে হোয়া সম্ভব না? অতি বিত্তবান মানুষের অভাব তো বাংলাদেশে নেই। তাদের মধ্যে কেউ কেন স্লোয়ান বা কেটারিং হবেন না? বিত্তবানদের মনে রাখা উচিত, কাড়ি কাড়ি টাকা ব্যাংকে জমা রেখ��� তাদের একদিন শুন্য হাতে চলে যেতে হবে। বাংলাদেশের কেউ তাদের নামও উচ্চারন করবে না। অন্যদিকে আমেরিকার দুই ইঞ্জিনিয়ার স্লোয়ান ও কেটারিং এর নাম তাদের মৃত্যুর অনেক পরেও আদর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সমস্ত পৃথিবীটে স্মরন করা হয়।
আমি কেন জানি আমেরিকায় আসার পর থেকেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি, বাংলাদেশেই হবে এশিয়ার ক্যান্সার চিকিতসার পীঠস্থান”।
যারা ভুল করে এখনো বইটি পড়েন নি, পড়ে নিবার প্রেরনা দিয়ে দিলাম । আর গুগলে সার্চ করে-স্লোয়ান কেটারিং মেমোরিয়াল(sloan kettering memorial hospital) দেখে নিবেন।
Profile Image for Sagar Mallick.
46 reviews7 followers
September 22, 2018
" নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ - হুমায়ূন আহমেদ "

আমি মাঝে সাঝে রিভিউ লেখার ব্যর্থ চেষ্টা করি।কখনো সখনো অপাঠ্য সেই রিভিউ পড়ে দু এক জন বই পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।ইহাতে আমি বড়ই তৃপ্তি পাই।দু দিন ধরে বসেছি আমার সর্বাধিক পাঠ্য বইয়ের রিভিউ লিখবো বলে।কোথা হতে শুরু করে কোথাই শেষ করবো এই ভাবনায় এক জ্যোসনা রাত ছাদের কার্নিশে অনিদ্রা পার করেছি।

নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ বইটি হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন নিউইয়র্কে বসে।বইটিতে মোট আঠারোটি শিরোনামে লেখা আছে।তিনটি ছোটগল্প এবং পনেরোটি বিষয়বস্তু স্থান পেয়েছে বইটিতে।স্যারের লেখালেখি জীবনে যে সকল বিস্ময়কর ঘটনা তার বর্ণনা আছে বইটিতে।

কি আছে বইটিতে?
হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন আছে বইটিতে।যে স্বপ্ন তিনি শেষ জীবনে দেখেছিলেন,যা বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ যাচ্ছে হাজার হুমায়ূন ভক্ত।

অসহায়,সংগ্রাম করে টিকে থাকা মানুষের পাশে দাড়ানোর কথা লেখা আছে বইটিতে।কাজকে তিনি কচ্ছপের মতো কামড় দিয়ে মানুষের জন্য করে যেতে চেয়েছিলেন।তিনি কিভাবে কাজ করবেন,কিভাবে করতে চান তার বর্ণনা এই বইতে আছে।

নিউইয়র্কে চিকিৎসা নেওয়ার সময় যাপিত জীবনের বর্ণনা আছে বইটিতে।তার শেষ জীবনের সমস্ত ইচ্ছা, আর সত্যিকার বন্ধুদের কথাও বইটিতে আছে।

বইটির প্রতিটা লাইন মানুষকে ভাবাবে।দেশের জন্য,সমাজের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করার মূলমন্ত্র খুব সুন্দর আর সাবলীল ভাবে লেখা আছে এখানে।যারা হুমায়ূন আহমেদকে জানতে চান,যারা তার ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, পাওয়া - চাওয়া সম্পর্কে জানতে চান তাদের অবস্যই পাঠ্য এই বই।

দুর্বল শব্দ চয়ন এবং অগোছালো বর্ণনা থাকতে পারে আমার এই লেখাতে।হইতো পাঠক আকৃষ্ট করার মতো কোন বর্ণনা নেই এখানে।কিন্তু বইটিতে আছে সত্যিকারের সাহিত্যরস।পাঠকের মনে ভাবাবেগ আর বোধ তৈরির জন্য যথেষ্ট উপকরণ দিয়ে তৈরি এই বই।

বই: নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ।
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ।
প্রকাশনী: অন্যপ্রকাশ।
মূল্য: দুইশত টাকা।
Displaying 1 - 30 of 34 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.