আলেক্স হঠাৎ করে গম্ভীর গলায় বলল,"দেখ শামীম।মানুষের প্রতি মুহূর্তে বিবর্তন হচ্ছে,মিউটেশান হচ্ছে।তাই ঘটনাক্রমে খুব বিচিত্র কিছু হওয়া অসম্ভব কিছু না।এই মিউটেশানগুলো টিকে থাকে না বলে আমরা এই বিচিত্র উদাহরণগুলো দেখি না।মানুসষের চামড়ার প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে চার মিটার রক্তনালী,সেগুলো যদি কোনোভাবে চামড়ার কোষের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন এক্সচেঞ্জ করতে পারে সে হয়ত চামড়া দিয়ে নিঃশ্বাস নিতেও পারে।মাছ তার ফুলকা দিয়ে পানি থেকে অক্সিজেন নেয়-"
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background: Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education: Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life: Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career: After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career: Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards: Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
বইয়ের শেষ প্যারাটা অসাধারন! স্তব্ধ হয়ে ভাবার মতন।মেয়ে বাবার আকুলতা যে কাউকে ছুঁয়ে যাবে।রাগ হবে মানুষের নির্মমতার ওপর।এক কথায় সাবলীল সুখপাঠ্য একটি বই । বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বললেই হয়ত অনেকের চোখের সামনে ভেসে উঠবে এলিয়েন আর পৃথিবীর মানুষের মারামারি,হাজার বছর পরের জগত এবং ভারী ভারী সায়েন্টিফিক টার্মসের ব্যবহার।কিন্তু এর বাইরে একেবারে সহজবোধ্য কিন্তু চিন্তার খোরাক জোগানো একটা বই হল সেরিনা।পড়ার শেষে যা আপনাকে আবেগতাড়িত করবে,মনে হবে ইশ! কেন এটা হল? এমন হলে কতই না ভাল হত!! একটা ভাল লেখার এটাই বিশেষত্ব।
আমরা সবাই জানি যে আমাদের ফুসফুস পানির নিচে শ্বাস নেবার উপযোগী নয়।আর আমাদের চামড়া শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যম হতে পারে না।কিন্তু এমন ক্ষমতা যদি কারো হত?কেমন হত তার জীবন?সমাজে কি সে স্বাভাবিকভাবে চলতে পারতো?বইয়ের মূল চরিত্র সেরিনা নামক একটি মেয়ে যার রয়েছে এই অসাধারণ ক্ষমতা।তার জীবনের কাহিনী নিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি।
১। বছর বছর সাই-ফাই লিখার দরকার নেই। ২। ফেব্রুয়ারির জন্য জানুয়ারিতে বই লেখা শুরু করার সংস্কৃতি দূর করা দরকার। ৩। তিমি মাছের ঘটনাটা এক বছরের মধ্যেই হয়েছে কিন্তু। ৪। ফাস্ট একটা বই। জাফর ইকবালের কোন বইই অবশ্য স্লো না। ৫। ভালোবাসা যেমন প্রকট, খারাপ লাগাটাও প্রকট হওয়া উচিৎ। ৬। ধ্রুব এষ লোকটার বিশ্রাম নেয়া উচিৎ।
চারিদিকে বইটার নেগেটিভ রিভিউর ছড়াছড়ি। তাই বই হাতে নেবার আগেই মন বইটাকে অপছন্দ করবার জন্য প্রস্তুত ছিল।কিন্তু একবার পড়া শুরু করবার পর কেন জানি আমার অতোটা খারাপ লাগেনি। শুধু প্রুফরিডিং এর প্রতি যত্নশীলতা না হওয়াটা চোখে লেগেছে।সাহানা যখন কিছু পেজ যাবার পর শান্তা হয়ে যায়, নার্গিস হয়ে যায় বিলকিস তখন তো বাজে লাগবেই।
অনেকেই বইটাকে ইকারাসের সাথে তুলনা করছেন,কেন করছেন জানিনা।দুটোই গ্রীক মাইথোলজির দুটি চরিত্রকে উপজীব্য করে লেখা এটা বাদে আর কোন মিল খুঁজে পাইনা। এখন যদি সামনের বইমেলায় জাফর ইকবাল স্যার গ্রীক মাইথোলজির মিনোসকে নিয়ে লিখেন সেটাকেও কি আমরা ইকারাসের নকল বলবো। তবে বর্ণনা, গল্পের ক্রমশ উন্নতি , প্লট এর দিক দিয়ে ইকারাসের ধারে কাছেও যেতে পারেনি সেরিনা। একটা মানুষ পানির নিচে বেঁচে থাকতে পারে, কেন পারে? মানুষটা কোত্থেকে এলো এমন কোন প্রশ্নের উত্তর নেই দেখেই খটকা লাগে। কেঞ্জানি গল্পটাকে সায়েন্স ফিকশন এর ক্যাটাগরিতে ফেলতে তাই মন মানে না।
শেষের দিকে মনে হয়েছে অহেতুক টেনে টেনে লম্বা করা হয়েছে। কোন দরকারই ছিল না দ্বিতীয় এডভেঞ্চারটা আনবার। আর যুক্তি তর্ক দিয়ে দেখলে অনেক ভুল আছে, সেগুলোতে গেলাম না কারণ আমার মনে হয় একটা পর্যায় পর্যন্ত যুক্তি তর্ক দিয়ে গল্প বিচার করা ঠিক আছে তারপর সেটা গল্পের মজাটাকে নস্ট করে ফেলে। তাছাড়া আমার মনে হয় বইটার টার্গেট পাঠক এমন একটা শ্রেণী যারা লজিক দিয়ে গল্পটাকে পোস্টমর্টেম করতে চাইবে না।
“সমুদ্রের লোনা পানি। পৃথিবীর সব দুঃখী মানুষের চোখের পানিতে তৈরী হওয়া লোনা পানি।”
রেটিং: ৩/৫
মুহাম্মদ জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশন- সেরিনা। একটি দুঃখী মেয়ের গল্প। একজন অসহায় পিতারও গল্প, যিনি তার একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে অস্থির।
**রিভিউটি স্পয়লারে ভরপুর। কেউ বইটি না পড়ে থাকলে আর সামনে না আগানোর জন্য অনুরোধ করছি।
পটভূমি
ছবির মত ছোট্ট সুন্দর একটা স্টেশনে ট্রেনটি থেমে আছে। কিন্তু আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার মত মানসিকতা আপাতত কোন যাত্রীরই নেই। সবাই চরম বিরক্ত, আতংকিত ও হতাশাগ্রস্থ। কারন সামনেই একটি দুর্ঘটনার জন্য ট্রেনটি সেই ছোট্ট স্টেশনে আটকে গেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম শামীম। সে ট্রেন থেকে নেমে গেল আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য।
যদি জানত এই নেমে যাওয়ার কারনেই তার ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনটা সম্পুর্ন ভিন্ন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে...
সেই গ্রামটিতে ঘটনাক্রমে একটা বাচ্চাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পায় সে। চিকিৎসা করতে যেয়ে একটা অদ্ভুত ব্যাপার আবিষ্কার করে। বাচ্চাটা উভচর, হাল আমলের মৎসকন্যা!!!!
এখান থেকেই মূলত গল্পের শুরু। পরবর্তীতে শামীম সেই বাচ্চাটির নাম রাখে সেরিনা এবং তাকে নিজের মেয়ে হিসেবে বড় করতে থাকে। এর সাথে সাথে আমরা ১৩ বছর বয়সী সেরিনার কৈশোরের নানা দিক দেখতে পাই। তার স্কুলজীবন, বন্ধুবান্ধব- সবকিছুর মধ্যে জাফর ইকবালের চিরায়ত লেখা খুঁজে পাওয়া যাবে।
এককথায় পুরো গল্পটি উপভোগ্য হলেও কিছু কিছু জায়গা বেশ গতানুগতিক লেগেছে। কিছু কিছু জিনিস অপ্রয়োজনীয় ছিল, বিশেষ করে মাঝখানের সাঁতার প্রতিযোগিতার সময়টুকু। এমনকি ক্লাইমেক্সের সময় তথাকথিত ‘ভয়ংকর সিক্রেট এজেন্সী’ র উপস্থাপনায় ঘাটতির অভাবে তা নিরস মনে হয়েছে।
চরিত্রসমূহ
“আমার বাসায় বড় একটা একুরিয়ামে ছোট্ট একটি মেয়ে, বয়স সম্ভবত ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। সে পানির নিচে শান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে...”
শামীম একজন পাশ করা ডাক্তার যিনি বিদেশে গবেষনা করে দেশে ফিরে এসেছেন। শামীমের কৌতুহল, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ- খুবই ভালো ছিল। পুরো গল্পটিতে একমাত্র তার মধ্যেই বাস্তবতা খুঁজে পাওয়া যায়।
“...আমাকে ক্ষমা করো আব্বু। এই পৃথিবীটাতে আমার জায়গা নেই। আমার জায়গা বিশাল সমুদ্র।”
সেরিনাকে কেন্দ্র করেই পুরো গল্পটি আবর্তিত। প্রথম দিকে খুব একটা ভালো না লাগলেও শেষের দিকে সে অসাধারন ছিল। আমি মনে হয় তার জন্যই শুধুমাত্র ২ স্টার দিয়েছি :3
সিক্রেট এজেন্সি, আ্যালেক্স এবং অন্যান্য গল্পের তথাকথিত ভিলেন নিয়ে আগেই বলেছি, ভালো লাগেনি। এবং এখানে অন্যান্য চরিত্র গুলো তেমন ভূমিকা পালন করেনি, সারা গল্পেই অনুপস্থিত ছিল তারা। শুধুমাত্র ভালো লেগেছিল আ্যালেক্স চাচাকে। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো তিনি কয়েক পৃষ্ঠা পরেই মারা যান :)
সর্বশেষ ভাবনা
আমি এটাকে পুরোপুরি সায়েন্স ফিকশন বলতে চাই না। আর গল্পটি আরেকটু যুক্তিসম্মত হলে ভালো লাগতো। আর প্রধানত শেষ ৫০ পৃষ্ঠা থেকে আসল গল্পটি শুরু হওয়াতে বিস্তৃত মনে হলেও শেষটি ছিল খুবই আর্কষনীয়।
কিন্তু তাও মনে দাগ কেটে যাওয়ার মতো গল্প এটি। কারোর কারোর ভালো লাগতে পারে।
আমার মনে হয় কি প্রতি বছর আর একটা করে সাইন্স ফিকশন লেখার কোন দরকার নেই, কারণ স্যার এই পর্যন্ত যতগুলো লিখেছেন সেগুলোই যথেষ্ঠ । নিজের ইমেজ এভাবে খারাপ করার কোন মানে হয় না। দরকার হলে পাঁচ বছর পরে পরে একটা করে সাইন্স ফিকশন বের হবে উনার আর সেটা পড়ার পর ���কটা আত্মতৃপ্তি বোধ হবে। একই রকম প্লটে একই ধরণের ক্যারেক্টারাইজেশনের বইগুলো কেমন জানি ক্লিশে হয়ে গেছে। এই বইটা একদম বাতিলের খাতায় ফেলা যাবে না কিন্তু ওরকম আহামরি কিছুই নেই। উনার পাড় ভক্তরা পড়তে পারেন, না পড়লেও সমস্যা নেই। বেলায়েভের উভচর মানব বই এর সাথে সামান্য মিল আছে।
কাহিনী সিম্পল। সেরিনা নামক একটি মেয়েকে খুজে পায় বিদেশ ফেরত দেশের জন্য নিবেদিত প্রান, দেশের জন্য কিছু করার আশায় এক বাংলাদেশী ডাক্তার শামীম এক ডোবাতে। যে কিনা পানিতে ডুবে ছিল। কোথায় থেকে এসেছে তার অরিজিনই বাঁ কি সে এক রহস্য। মেয়েটি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে তার অদ্ভুদ ক্ষমতা মিয়ে। পানির নিচে সে ত্বক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারে। যা তাকে করেছে অনন্য অন্যদের কাছে থেকে। শামীম প্রতিনিয়ত চায় তার আইডেন্টিটি অন্য দের কাছে থেকে লুকাতে কারন তার পরিচয় প্রকাশ পেলে সারা দুনিয়ার বিজ্ঞানীরা তার পিছে উঠে পড়ে লাগবে তার এই রহস্য ভেদ করার জন্য। কিন্তু তারপরেও কি সে সফল হয় সেরিনার পরিচয় গোপন রাখতে? সেরিনা কি পারে স্বাভাবিক একটাআ জীবন জাপন করতে?
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ ইকারাস is that you!!! পড়ার পর এক কথাই মনে হইছে আর কি। ইকারাস যেমন আরেকটা অরিজিনালকে রিপ অফ করে বানানো হয়েছে। সেরিনাও তেমন দ্য এমফিবিয়ান ম্যানের রিপ অফ।
প্রতিবছর মেলার জন্য বই লিখতে গেলে যা হয় আর কি। আউট অফ আইডিয়া। সো মারিং কাটিং সাম আইডিয়া ফ্রম হেয়ার এন্ড দেয়ার।
বইটা পড়তে গিয়ে অনেকবার কেঁদে ফেলার মত হইছে। প্রায় পুরা বই জুড়ে আজিব সব ব্যাপারস্যাপারের দরুণ, যেমন ইশকুলের বাচ্চারা সিক্রেট এজেন্সিরে ভ্যাবদা বানায় দিলো, হাহ্, উইশফুল থিঙ্কিং কারে কয়, ইউটিউবে সন্ধান পায়া গেলো সেরিনার, এইটাই বোধহয় তাদের এইচয়ারেমের কাজ ছিলো... শেষে গিয়ে মনে হইছে, আমি আরেকটু কম পাষাণ হইলে বোধহয় কেঁদে ফেলতাম সেরেনার বয়ান পড়ে। শেষ চার পেইজ ভাল্লাগছে। জাফর স্যারের কাছে দুম করে শেষে এসে এত ইমো ইমো ফার্স্ট পারসন ন্যারেটিভ আশাও করি নাই।
তবে নয় নয় শূণ্য তিন, নিঃসঙ্গ গ্রহচারী, মহাকাশে মহাত্রাস মিস করি। হয়ত আসলেই জিম করবেট বনে সুন্দর, জাফর স্যার স্পেস স্টেশনে।
জাফর ইকবাল স্যারের লেখা সবচেয়ে বাজে বইগুলোর তালিকা করলে সেরিনা প্রথম তিনটির মাঝেই থাকবে। যদিও স্যার বইয়ের শুরুতে নিজেই বলে দিয়েছেন, রুশ লেখক আলেকজান্ডার বেলায়েভের অমর গ্রন্থ 'দ্য অ্যাম্পবিয়ান ম্যান' থেকে এই বই লেখার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, তারপরও পড়তে গিয়ে দুটো বইয়ের মাঝে এতটা মিল পাবো তা আশা করিনি। যেন রুশ বইটার বাংলাদেশী সংস্করণ, সেই সাথে জাফর স্যারের স্বভাব সুলভ বাচ্চাকাচ্চাদের একটা অ্যাডভেঞ্চার... ব্যাস, এই হল এক কথায় সেরিনা।
বইটির প্রচ্ছদটা আকর্ষণীয়, এবং জাফর ইকবাল স্যার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর iconic লেখক হওয়াতে বইটি পড়া আবশ্যক মনে হয়েছিল। গল্পের plot টা দুই-তিন অধ্যায় যেতেই আন্দাজ করা সহজ হয়ে যায়, তার মানে এই নয় যে গল্পটি উপভোগ্য নয়।
গল্পটি একটি অসাধারন শিশুকে নিয়ে, যে ফুসফুস ব্যাবহার করা ছাড়াই পানি থেকে রক্তে অক্সিজেন গ্রহন করতে পারে। অর্থাৎ সে পানিরর নিচে নিশ্বাস না নিয়েই বেচে থাকতে পারে। তার পালক পিতা, শামীম - যে তাকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে - খুব ভালো করে জানে যে পৃথিবীটা কত নিষ্ঠুর, এবং তাকে রক্ষা করার জন্য তার অসাধারন ক্ষমতাকে গোপন করে রাখে। কিন্তু যখন পরিস্থিতির শীকার হয়ে সে তার ক্ষমতা প্রদর্শন করতে বাধ্য হয়, তার পিছু লেগে যায় একটি ভয়াবহ শক্তিশালী সংস্থা, যাদের থামানোর ক্ষমতা কারোই নেই।
পৃ ১০৩ থেকে ১২৩ অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছিল। সেরিনার ক্ষমতার কোথা থেকে এসেছে তার ব্যাক্ষা দেওয়া হয় না। শুধু মাত্র mutation এর উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয়। হয়তো Marvel Comics (X-Men) এর গল্পের পাতায় এই কাহিনীটা আরো মানানসই হত।
আমার মতে গল্পটি ভালোই, কিন্তু পড়ার সময় মনে হয়েছে কোথায় যেন হুবুহু গল্পটি একবার পড়ে ফেলেছি। একজন অসাধারন ক্ষমতাধারী শিশু, একজন পালক পিতা যে সন্তানের জন্য সবকিছু বলিয়ান করতে রাজি, একটি শক্তিশালী সংস্থা। ইকারাস। অবশেষে দুটি চরিত্রের গল্প প্রায় একই ভাবে শেষ হয়। (বুলবুল, সুন্দরবন, পাখি। সেরিনা, সনুদ্র, ডলফিন ও তিমি)
ছবির মত ছোট্ট সুন্দর একটা স্টেশনে ট্রেনটি থেমে আছে। কিন্তু আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার মত মানসিকতা আপাতত কোন যাত্রীরই নেই। সবাই চরম বিরক্ত, আতংকিত ও হতাশাগ্রস্থ। কারন সামনেই একটি দুর্ঘটনার জন্য ট্রেনটি সেই ছোট্ট স্টেশনে আটকে গেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম শামীম। সে ট্রেন থেকে নেমে গেল আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। যদি জানত..... এই নেমে যাওয়ার কারনেই তার ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনটা সম্পুর্ন ভিন্ন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে...
সেই ছবির মত ছোট্ট গ্রামটিতে ঘটনাক্রমে একটা বাচ্চাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পায় সে। চিকিৎসা করতে যেয়ে একটা অদ্ভুত ব্যাপার আবিষ্কার করে। বাচ্চাটা উভচর।।।। হাল আমলের মৎসকন্যা!!!!
ধীরে ধীরে শামীমের আদরে বড় হতে থাকে মেয়েটি নাম রাখা হয় সেরিনা। সে উভচর-ব্যপারটা গোপন রাখতে চাইলেও গোপন থাকে না বিষয়টি। এক কান দু কান হতে হতে খবর চলে যায় এক দুষ্টু বিজ্ঞানীর কাছে। যেই দুষ্টু বিজ্ঞানীর কাছে মূল্য নেই আবেগ কিংবা ভালবাসার মত অনুভুতির। পিছু নেয় সেরিনার। সেরিনাকে বাঁচাতে মরিয়া হয়েউঠে অসহায় পালক পিতা শামীম। কন্যাকে বাঁচানোর জন্য সমুদ্রে বিসর্জন দেয় মেয়েকে। কথা থাকে যেদিন সুর্য ডোবার পর কালপুরুষ ঠিক মাথার উপর থাকবে সেদিনের পূর্নিমা রাতে দেখা হবে পিতা কন্যার।।।
বিশাল আকাশ.... যেন মিশে গেছে সমুদ্রে। আকাশ ভরা নক্ষত্রের মেলা। কিন্তু আজ একটা বিশেষত্ত্ব আছে। আজ সূর্যাস্তের সময় কালপুরুষ থাকবে ঠিক মাথার উপর। আর আজ জোৎস্না। অপেক্ষায় দুজন মানুষ.... পিতা কন্যার দেখা কি হবে?
মুহাম্মদ জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশন- সেরিনা। একটি দুখী মেয়ের গল্প। সেই সাথে গল্প একজন অসহায় পিতারও। বইটি পড়তে পড়তে মনের অজান্তেই চোখ ভিজে যাবে। যদিও বইটি নিয়ে কিছু বিতর্ক আছে। থাক না সেসব। খামোখাই এই সুন্দর বইটা মিস করার কি কোন মানে হয়?
প্রথমেই বলে নিই, আমি "সমস্যাডা শুধুই জাফর ইকবালে" জাতের লোক নই! ছোটবেলার পাতলা পাতলা গোপাল ভাঁড়ের গল্পের বই বা নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্পের বইয়ের সাধারণ পাঠক থেকে নেশাতুর বইপোকা আমাকে বানিয়েছে জাফর ইকবালের বই-ই।
তো, স্যারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক একটা বুদ্ধি দিতে চাই স্যারকে। আমি জানি, স্যার বাচ্চাদের মতামতকে অনেক গুরুত্ব দেন। কারণ তিনি জানেন, "বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর!" বাচ্চাদের তিনি অনেক ভালোবাসেন, তাই-তো জিতিয়ে দেন নিজের লেখা গল্পগুলিতে! স্যার তাঁর বইয়ের রিভিউগুলি দ্যাখেন তো, তাই না? আশা করি দেখেন। আমি বুদ্ধিটা দিয়ে যাই! উনি যদি একেকটা বই লেখার সময় প্রত্যেকটা নতুন চরিত্র আমদানি করার সাথে সাথে তাদের নাম, চরিত্র-বৃত্তান্ত কাগজে বড় বড় করে রঙিন মার্কার পেন দিয়ে লিখে ঘরের দেয়ালে টানিয়ে রাখেন, আমার ধারণা তাতে বেশ ভালো একটা ব্যাপার হবে৷ গল্পের মাঝখানে "নার্গিস"-এর হঠাৎ "বিলকিস" হয়ে যাওয়াটা এড়াতে পারবেন তাহলে! সেরিনা -তে যেটা হয়েছে। এছাড়া,রূপ-রূপালী-তেও দেখেছি "সঞ্জয়"-কে হুট করে "সঞ্জীব" আর "জয়ন্ত" হয়ে যেতে! আরও আছে এরকম উদাহরণ। হতেই পারে এরকম ভুলে যাওয়া রোগ। নানা-দাদার বয়সী মানুষ মুজাই, এই বয়েসে তো একটু বেশি ভুলোমনা হবেনই! পাঠকের এই আদুরে বুদ্ধিটা গ্রহণ করতে পারেন।
জাফর ইকবালের সাইফাই উপন্যাসগুলি মূলত দুই প্রকার। কিছু অল্টারনেট য়ুনিভার্স বা ফিউচারিস্টিক য়ুনিভার্সে সেট করা, তার ক্যানভাসও অনেকটা বড়। অবনীল, রুহান রুহান বা একজন অতিমানবী এই গোত্রের লেখা। দ্বিতীয় ধাঁচের লেখাগুলি হল প্রডিজি, এনিম্যান ইত্যাদি। বর্তমান রিয়েলিস্টিক সময়কালে, পটভূমি সাধারণভাবে বাংলাদেশ।
সেরিনা দ্বিতীয় ধারায় পড়ে। এই ধারার লেখাগুলোর একটা কমন প্যাটার্ন থাকে। একজন বাংলাদেশি বিশেষ কিশোর কিংবা কিশোরী, তার একটা কোনো বিশেষ ক্ষমতা থাকে। সেই ক্ষমতা জানাজানি হয়ে যায়, তারপর তাকে ধরে নিতে পশ্চিমের কোন একটা দেশের কর্পোরেশন আসে। তার সঙ্গে দেশীয় অপশক্তিরা থাকে (বেশ কিছু ক্ষেত্রে তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির লোক), নায়ক বা নায়িকার সাথে তাদের সংঘাত হয়। শেষে শুভশক্তির জয়। এই গোত্রের লেখাগুলো একটু একঘেয়ে লাগে আজকাল। যদিও সমকালীন বাংলাদেশের সমাজচিত্রের যে একটা ছবি পাওয়া যায় সেটা মন্দ লাগে না। অনেকটা এই রকম একটি অ-সাইফাই এবং ভারি মিষ্টি উপন্যাস ছিল টি রেক্সের সন্ধানে।
সেরিনা এই প্রচলিত ছকেই শুরু হয়েছিল। একটি শিশু, যে জলের নিচে বাঁচতে পারে (আলেক্সান্দার বেলায়েভের লেখা অলৌকিক সুন্দর উপন্যাসটির কথা মনে পড়বে আমাদের)। তাকে ধরে নিয়ে যেতে আসবে কোনো একটি বিরাট বহুজাতিক কর্পোরেশনের লোকজন। যদিও শেষটা অন্যরকম, খানিক মন খারাপ করে দেওয়া। মূলত সেই কারণেই এটাকে থ্রি স্টার দেওয়া হল।
গল্পটা খুবই প্যাথেটিক। একটা ছোট্ট মেয়ে, যে পারে না মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে, যে পানিতে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তার মা বাবা নাই। ভাগ্যক্রমে এক নিঃসঙ্গ বাবা কে পেয়ে তাদের দুজনেরই জীবনটা পালটে গেল। কিন্তু দুনিয়ার কুনজর গুলো তাদের একসাথে থাকতে দিল না...
অনেক জ্ঞানবোদ্ধারা বলেন যে জাফর স্যারের বইগুলো নাকি শিশুতোষ। একটা সারির পাঠকদের জন্যে লিখা। মানলাম। তাহলে আমার মত পাঠকরা মনে হয় কখনো বড় পাঠকের কাতারে পড়তে পারব না। সেই ছোটবেলায় যখন উপন্যাস-গল্প-কবিতা পড়তে শিখি তখন থেকেই জাফর স্যারের বইগুলো আমাকে মোহের মত টানে। আজও জাফর স্যারের প্রত্যেকটা বই আমার মনকে পূর্বের মত সমান টানে টেনে যাচ্ছে, কেন? কোন ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। হয়তোবা উনার বইয়ের প্রতি আমার অকৃত্রিম ভালোবাসা। "সেরিনা" নামের অদ্ভূত মেয়েটা বইয়ের শেষে যখন সমুদ্রের দিকে ভগ্নহৃদয়ে গুটিগুটি পায়ে হেটে যাচ্ছিল তখন তার প্রত্যেক ক্লান্ত পদক্ষেপের সাথে সাথে আমার মানবিক হৃদয়টা অসহ্য বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে যাচ্ছিল। আমার বিয়োগান্তক মন বার বার চিৎকার করছিল, "শামীম সাহেব উঠেন। আপনার মেয়ে চলে যাচ্ছে।"
না, গল্পটা মৌলিক না। সে কথা নিজেও স্বীকার করেছেন। কেবল স্বীকারই করেন নি, বইয়ের গোটা ভূমিকাটাই এই স্বীকারোক্তি। আলেক্সান্দর বেলায়েভের দি অ্যাম্ফিবিয়ান ম্যান পড়েন নি, পাঠক সমাজে হেন মানুষ কমই আছেন। ৬২ সালে বের হওয়া সোভিয়েত আমলের সিনেমাটাও দেখে থাকবেন অনেকেই। এই বইটার ১৫ আনা আইডিয়া দি অ্যাম্ফিবিয়ান ম্যান থেকে আসা। তা হোক, তবু বাঙালি কিশোরী সেরিনাকে কোনোভাবেই ইকথিয়ান্ডারের ছায়া আমার মনে হয় নি। তারা পালক বাবাও ড. সালভাতরের মতন বিরাট প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব নন। এক সাধাসিধে স্নেহপ্রবণ বাংলাদেশী বাপ। উভচর মানুষ (ননী ভৌমিকের বাংলা অনুবাদ) বইতে গল্পের ক্যানভাসটা আরো বিশদ। সেরিনাতে মানবিক সংঘাতগুলো বরং বেশি প্রকট, কল্পবৈজ্ঞানিক তত্ত্বর চেয়ে। বরাবরের মত জাফর ইকবালের এ বইটাতেও, শেষ পৃষ্ঠায় চোখটা একটু ভিজবেই।
এবারের ২০১৫ এর একুশে বইমেলায় এই বইটা এত্তো বিক���য়েছে যে ইবুক টা পড়েই ফেল্লাম। গল্প টা ভাল, মানে ভালই কিন্তু বিজ্ঞান টা কম। সায়েন্স ফিকশন এ সায়েন্স কম, ফিকশন বেশী। মানুষের মিউটেশন যদিও অমন দুম্ করে হয় না কারণ মানুষ বহুকোষী প্রানী, মানুষ ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া নয়। তাই কোন পরিস্থিতি তে মিউটেশন হল সেটা সম্মন্ধে আলোকপাত করা দরকার ছিল। যাই হোক এটা বাচ্চাদের বই, তাই কারন দর্শাবার চেষ্টা করেন নি লেখক। স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চাদের মন রেখে শেষটা 'সব ভাল যার সেষ ভাল' করে লেখক শেষ করে দিয়েছেন।
প্রায় প্রতি পৃষ্ঠায় বানান ভুল! কয়েক জায়গায় তো বাক্য গঠনই হয়নি। দায়সরাভাবে কাজ সারা হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় কথা- বইয়ের কনসেপ্ট মৌলিক নয়। বিটিভিতে আগে একটা টিভি সিরিজ দেখাতো। একটা মেয়ে সমুদ্রের নীচে অনেকক্ষণ থাকতে পারে, তিমি মাছের সাথে তার গাঢ় বন্ধুত্ব। ‘সেরিনা’ নামের বইটাতেও সেইম কাহি��ি। জাফর সাহেব খুব যত্ন সহকারে কনসেপ্টটা মেরে দিয়ে একটু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে উপস্থাপন করেছে এই আরকী!
আমার জীবনের পড়া সব থেকে বাজে বই গুলোর ভিতর এই বই টা একটা ! পড়ে শেষ করে কেবল মনে হয়েছে সময়টাই অপচয় করলাম ! এই বইটা নিয়ে অনেক বেশি আশা ছিল যার কিছুই পূরন হয় নাই !
সেরিনা মৎস মানব যে কিনা জলে ডাঙা উভয় জায়গায় বাস করতে পারে। ফুসফুস ব্যবহার না করে নি:শ্বাস নিতে পারতো। ফুসফুস ব্যবহার করা তাকে শিখানো হয়েছিল অবশ্য।
শামীম তাকে খুঁজে পেয়েছিল একটি গ্রামের পুকুরে। ১৩ বছর নিজের কাছে রাখতে পেরেছিল। কিন্তু হঠাৎ কি থেকে কি হয়ে গেলো। সেরিনাকে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি থেকে ধরে নিতে চেয়েছিল। প্রথমবার ব্যার্থ হলেও তারা সেরিনার শরীরে ট্যাকিউশন ঢুকিয়ে দিয়েছিল। যেটি এক মিনিট পর পর সিগন্যাল পাঠাচ্ছিল সেরিনা কোথায় আছে। সেরিনা জেনেছিল পানিতে থাকলে এই সিগন্যাল পাওয়া যায় না।
সেরিনা চলে গেল সমুদ্রে, তাদের এক বছর পর দেখা করার কথা, পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় তার বাবা শামীম অপেক্ষা করছে সেরিনার সাথে দেখা হবে!! সেরিনাও আসছে কখনো ডলপিনের পিঠে, কখনো তিমির ঝাকের সাথে তারপর..........? দেখা হয়েছিল কি তাদের?
ফুসফুস পানিতে নি:শ্বাস নেওয়ার উপযোগী না। কিন্তু যদি চামড়া দিয়ে নি:শ্বাস নেওয়ার অস্বাভাবিক ক্ষমতা থাকে? তবে কেমন হতো? সেরিনা মেয়েটির এই অসাধারণ ক্ষমতা ছিল। তাকে নিয়েই পুরো উপন্যাস।
সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ১ এবং ২ এর পরের অধিকাংশ লিখাতে অনেক সময়ই একই গল্প ভিন্ন মোড়কে আসতে দেখেছি। মহাকাশে অনেক বেশি,ভূমিতে কম। আলেক্সান্ডার বেলায়েভের "এমফিবিয়ান ম্যান " এর ধারনা থেকে জাফর ইকবাল এর বেশ কয়েকটা বই দেখেছি। পুরো জিনিষটা মাসুদ রানা এর অনুবাদ এর মতো হয়ে গেছে অনেক জায়গায়..দেশীয় মোড়কে বিদেশী আইডিয়া।তারপরও ২ ষ্টার ,কারণ লিখার ধরণ এবং তেমন কোনো লুপহোল চোখে পরেনাই।
Re-hash of the same idea.This has been pretty common after Science fictions volume 1&2.No story loophole and the writing style earns it a 2 star in my personal opinion.I hope there are at least a few original ideas from the writer in future.
"সমুদ্রের লোনা পানি, পৃথিবীর সব দুখী মানুষের চোখের পানিতে তৈরি হওয়া লোনা পানি " এই অংশটুকুর জন্যই চারটে স্টার দিয়েছি। বাবা আর মেয়ের মানবিক এবং সহজাত ভালোবাসার দিকগুলোই আমার কাছে মুখ্য ছিলো এই সায়েন্স ফিকশনে৷ তবে কষ্ট পেয়েছি ডাক্তার সাহেবের সেরিনার প্রতীক্ষায় আবার চির একাকীত্বে বিলীন হয়ে যাবার জন্য। এছাড়া ঠিক অতি উপভোগ্য কিছুই ছিলো না আমার কাছে৷ বরং কম নাটকীয়তায় অবাকই হয়েছিলাম।
তবে কিছু তথ্য জেনেছি ঃ ★,স্যালামান্ডারের মত কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মার্সুপিয়াল জুলিয়া ক্রিক ডুনার্ট ত্বকের সাহায্যে শ্বাস নেয়। ★ গ্রীক উপাখ্যানে মৎসকন্যার নাম ছিলো সাইরেন। ★ টাইটেনিয়ামের চাকু, সমুদ্রের পানিতে জং ধরে না।
বইটির প্রধান চরিত্র সেরিনা মৎস কন্যার মতো বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী।তার পানিতে নিঃশ্বাস নিতে কোনো সমস্যা হয়না।ডাঙা থেকে পানিতেই সে বেশি স্বাচ্ছন্দে থাকে।এক সময় তার এই বিশেষ প্রতিভা ভীনদেশী কিছু মানুষের চোখে পরলে তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়।এক পর্যায়ে তার দেহে শক্তিশালী ট্রাকিওশন ডিভাইস ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যা আর অবস্থান সম্পর্কে প্রতিনিয়ত সিগনাল দিতে থাকে।কেবল পানির নিচেই ট্রাকিওসনটা সিগনাল পাঠাতে ব্যর্থ হয় তাই সেরিনাকে পানিতেই আশ্রয় নিতে হয়।দীর্ঘ এক বছর পানিতে থাকায় তার দেহের অনেক পরিবর্তন আসে তাই আর নিজের বাবার কাছে তার ফেরা হয় না।