ঝিকরগাছার হাট পুরো তল্লাটে বিখ্যাত। সুস্বাদু খাবারের দোকান, দুষ্প্রাপ্য পুরনো জিনিস কিংবা চোরছ্যাঁচড় কিছুরই অভাব নেই সেখানে। এই হাটে একজন দোকানদার বসে, প্রায় নব্বই বছর বয়সের এক বুড়ো। তার নাম দানু। সে বিচিত্র ও অদ্ভুত সব জিনিস বিক্রি করে। তার বাঁধা খদ্দের সনাতন রায়, বিটকেলে জিনিস কেনা তার স্বভাব। একদিন দানুর কাছ থেকে বেশ চড়া দামে একটা কাঠের বাক্স কিনলো সনাতন, ভেতরে কী আছে না জেনেই। কিন্তু সনাতনের জানা ছিলো না, এই বাক্সের ওপরে আরও অনেক লোকের নজর ছিলো।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
এরকম রোমহর্ষক ব্যপার এভাবে শেষ হবে ভাবতে পারিনি। আরেকটু প্রাপ্তি আশা করেছিলাম। ঝিকরগাছার হাট হল এ-তল্লাটের সেরা। একধারে গ্যাঁড়াপোতার খাল আর অন্য ধারে মহীনরাজার ঢিবি, মাঝখানে বিশাল চত্বর জুড়ে রমরম করছে হাটখানা। এখানে না পাওয়া যায় এমন জিনিস কমই আছে। পরগনার সব ব্যাপারিই এসে জোটে। তেমনই খরিদ্দারের ভিড়। যেমন বিকি, তেমনি কিনি। সকাল থেকে রাত অবধি কত টাকাপয়সা যে হাতবদল হয় তার লেখাজোখা নেই।
তা বলে সবাই যে এসে ঝিকরগাছার হাটে পয়সা কামিয়ে নিয়ে যায় বা জিনিসপত্র কিনতে পারে তা নয়। ওই যে নবগ্রামের রসো পান্তি মুখখানা হাসি হাসি করে গন্ধবণিকদের দোকানের সামনে ঘোরাঘুরি করছে আর চতুর চোখে চারদিকে চাইছে, কিন্তু বিশেষ সুবিধে করতে পারছে না।এভাবেই চলমান......
অদ্ভুতুড়ে সিরিজ নিয়ে নতুন করে আসলে কিছু বলার নেই। এই সিরিজের বইগুলো একদম ছোট ছোট আর আকর্ষণীয় হওয়া সত্বেও আমি একটানা সিরিজটা শেষ করি নি একটাই কারণে - যখন খুব রিল্যাক্সিং কিছু পড়তে মন চায় বা মেজাজ হালকা করতে ইচ্ছে করে তখন এই সিরিজের কোনো বই পড়া শুরু করি।
এই মাসে পড়ায় একদম ঢিলেমি দেয়ার পর আগামী মাসে আবার নিয়মিত পড়ার ইচ্ছে আছে। সে কারণে মুড রিফ্রেশ করার জন্য পড়তে বসেছিলাম এটা। সাথে রোমাঞ্চটা পড়েও এত ভালো লাগা বোনাস বলা চলে।
পুরনো রাজবাড়ি। হারানো রাজপুত্তুর। অদ্ভুতুরে লোক। সব মিলিয়ে ভালোই গল্প ফেঁদেছিলেন লেখক। তবে এই অদ্ভুতুরে সিরিজে ভালো ভালো গল্প পড়তে অভস্ত্য হয়েছি কিনা,তাই এই গল্প টা খুব একটা মনে ধরল না।
উফ্ কি চোরের উৎপাত এখানে। চারিদিকে চোর, একে দ্যাখ তো ওকে দ্যাখ। ঝিকরগাছার হাটে এসে মিলেছে যত সব চোর, সুযোগ খুঁজতে থাকে হাত সাফাই এর। এরই মাঝে এক পুরানোদিনের জমিদারি কাঠের বাক্স নিয়ে এক ঝামেলা শুরু হয়। নানা জনে সেই বাক্স কব্জা করতে চায়।
এই সিরিজের একটা দোষ দেখেছি, পড়া শুরু করলেই শেষ হয়ে যায়, কোথা দিয়ে যে সময় চলে যায় বোঝাই যায় না। যাই হোক গল্পের কথায় আসি, প্রথম থেকে ভালোই চলছিল চোর ছ্যাঁচোর দের নিয়ে, কিন্তু তারপর একগাদা চরিত্রদের ভিড়, বাক্স প্যাটরা,নকল নবেন এসে মাথা সব গুলিয়ে দিল। শুরুটা ভালো লাগলেও শেষ টা মনঃপুত হলো না।
কিছুটা গম্ভীর। হাস্যরসের কমতি নাই যদিও। নির্মল আনন্দের জন্যেই তো পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে এই বেবিফুড গিলতে আসা। তবে হাসতে হাসতেও মনে হবে কোথাও মারাত্নক কিছু একটা জট পাকিয়ে উঠছে। শেষটা ভালো। কারণ শেষটাই সবচেয়ে 'অদ্ভুতুড়ে'। পোয়েটিক জাস্টিসের মধ্য দিয়ে যবনিকাপাত। এই না হলে অদ্ভুতুড়ে সিরিজ!
P.R: 4.25/5 It has mystery, a dark past, ghosts, and of course a plenty of humor. অন্যান্য গল্পগুলোর তুলনায় এটায় গভীরতা অনেক ছিল। তবে গল্পের শেষটা আবারও অনেক তাড়াহুড়ায় হয়ে গেলো কিনা। কিছু প্রশ্ন, কিছু উপসংহার যে থেকেই যায় উত্তরহীন।
ইন্টারনেট চলে এসেছে! বই পড়ার গতি কমে যাবে বোধ হয়। ভূতুড়ে সিঁড়ির ব্যাপারটা আরেকটু দারুন হতে পারত মনে হয়। শেষ টা মন মত হয়নাই কিন্তু বাকি পুরো গল্পটাই দশে দশ
অদ্ভুতুড়ে'র অন্যান্যগুলির তুলনায় এ হল নস্যি! সমাপ্তি টা ঠিক যেন যুতসই হল না। একরকম হৈ হৈ রৈ রৈ ব্যাপার আশা করছিলাম। তেমন কিছুই হল না। তবে সহজ সরল চরিত্রগুলি আছে একেবারে বরাবরের মতই। এরাই সাক্ষ্য দেয় এ হল খাঁটি অদ্ভুতুড়ে সিরিজ!