Jump to ratings and reviews

Deception Point

A shocking scientific discovery.
A conspiracy of staggering brilliance.
A thriller unlike any you've ever read....

When a new NASA satellite spots evidence of an astonishingly rare object buried deep in the Arctic ice, the floundering space agency proclaims a much-needed victory… a victory that has profound implications for U.S. space policy and the impending presidential election.

With the Oval Office in the balance, the President dispatches White House Intelligence analyst Rachel Sexton to the Milne Ice Shelf to verify the authenticity of the find. Accompanied by a team of experts, including the charismatic academic Michael Tolland, Rachel uncovers the unthinkable—evidence of scientific trickery—a bold deception that threatens to plunge the world into controversy.

But before Rachel can contact the President, she and Michael are attacked by a deadly task force…a private team of assassins controlled by a mysterious powerbroker who will stop at nothing to hide the truth. Fleeing for their lives in an environment as desolate as it is lethal, they possess only one hope, to find out who is behind this masterful ploy. The truth, they will learn, is the most shocking deception of all…

556 pages, Paperback

First published November 1, 2001

Loading...
Loading...

About the author

Dan Brown

79 books114k followers
Dan Brown is the author of numerous #1 bestselling novels, including The Da Vinci Code, which has become one of the best selling novels of all time as well as the subject of intellectual debate among readers and scholars. Brown’s novels are published in 56 languages around the world with over 200 million copies in print.

In 2005, Brown was named one of the 100 Most Influential People in the World by TIME Magazine, whose editors credited him with “keeping the publishing industry afloat; renewed interest in Leonardo da Vinci and early Christian history; spiking tourism to Paris and Rome; a growing membership in secret societies; the ire of Cardinals in Rome; eight books denying the claims of the novel and seven guides to read along with it; a flood of historical thrillers; and a major motion picture franchise.”

The son of a mathematics teacher and a church organist, Brown was raised on a prep school campus where he developed a fascination with the paradoxical interplay between science and religion. These themes eventually formed the backdrop for his books. He is a graduate of Amherst College and Phillips Exeter Academy, where he later returned to teach English before focusing his attention full time to writing. He lives in New England with his yellow lab, Winston.

Brown’s latest novel, Origin, explores two of the fundamental questions of humankind: Where do we come from? Where are we going?

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
198,656 (27%)
4 stars
243,332 (34%)
3 stars
194,362 (27%)
2 stars
56,137 (7%)
1 star
18,646 (2%)
Displaying 1 - 20 of 20 reviews
Profile Image for Safwan  Mahmood.
139 reviews18 followers
July 17, 2026
আমেরিকার জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রাক্কালে দেশের, তথা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে ঘিরে শুরু হয় এক নোংরা রাজনৈতিক খেলা। নির্বাচনে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী সিনেটর সেজউইক সেক্সটন তার প্রচারণায় জনগণের পছন্দের নানা প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি যে বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন, তা হলো নাসার অতিরিক্ত ব্যয় কমিয়ে সেই অর্থ দেশের অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাতে বরাদ্দ দেওয়া।

মূলত স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে মহাকাশ গবেষণায় পাল্লা দেওয়ার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকেই নাসার উত্থান। তাই স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর থেকে এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে জনগণের করের অর্থ থেকে আগের মতো বিপুল পরিমাণ ব্যয় করার আর প্রয়োজন নেই, এটাই মূলত সিনেটর সেক্সটনের প্রচারণার মূল বক্তব্য। জনগণও ধীরে ধীরে তার সঙ্গে একমত হতে শুরু করে। ফলে সে আসন্ন নির্বাচনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাখ হার্নি, যিনি আবার নাসার একজন বড় সমর্থক, এই বিষয়ে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাই সেক্সটনের রাষ্ট্রপতি হওয়া যেন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

র‍্যাচেল সেক্সটন, সেজউইক সেক্সটনের একমাত্র মেয়ে। বাবার নানা চারিত্রিক অস্বচ্ছতা ও কর্মকাণ্ডের কারণে সে সবসময়ই তাকে অপছন্দ করে এসেছে। একই সঙ্গে র‍্যাচেল এটাও জানে, ক্ষমতার জন্য সেজউইক সেক্সটন যেকোনো অনৈতিক কাজ করতেও দ্বিধা করবে না। তাই অন্তত মায়ের মৃত্যুর পর থেকে সে তার বাবাকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলেছে। বর্তমানে র‍্যাচেল পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ক গোপন সংস্থা এন.আর.ও.-তে ডেটা অ্যানালিস্ট ও ব্রিফার হিসেবে কাজ করে। এমতাবস্থায় একদিন হঠাৎ করেই তাকে বিশেষ তলবে ডেকে পাঠান প্রেসিডেন্ট জাখ হার্নি।

সম্প্রতি নাসার পিওডিএস স্যাটেলাইটে ধারণ করা তথ্যের ভিত্তিতে আর্কটিক অঞ্চলের একটি হিমবাহে একটা উল্কাপিণ্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সেটি পরীক্ষা করে সেখানে কিছু অদ্ভুত প্রাণীর জীবাশ্মের নমুনা আবিষ্কৃত হয়। এখন পর্যন্ত নাসার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, এগুলো পৃথিবীর বাইরের অপার্থিব প্রাণেরই নমুনা, যা নিঃসন্দেহে পৃথিবী কাঁপিয়ে দেওয়া এক আবিষ্কার। এই আবিষ্কার শুধু বিজ্ঞান মহলেই আলোড়ন তুলবে না, আমেরিকার বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণও বদলে দিতে পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি প্রকাশের আগে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আর্কটিক অঞ্চলে নাসার বাইরের একাধিক সিভিলিয়ান ও খ্যাতনামা বিজ্ঞানীকে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও ব্রিফ করার জন্য সেখানে পাঠানো হয় র‍্যাচেলকেও।

সবকিছু ঠিকঠাকভাবেই চলছিল। কিন্তু হঠাৎই ঘটতে শুরু করে একের পর এক অঘটন। এই আবিষ্কারের পেছনে লুকিয়ে আছে এক অজানা রহস্য। আর যে-ই সেই রহস্যের আভাস পাচ্ছে, পর্দার আড়াল থেকে তাকে হত্যা করে ফেলছে আমেরিকার ডেল্টা ফোর্সের তিন দুর্ধর্ষ কমান্ডো। এমতাবস্থায় র‍্যাচেল ও চারজন বেসামরিক বিজ্ঞানী সেই দুর্গম অঞ্চলে এক ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি হয়। অন্যদিকে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সিনেটর সেক্সটনকে গোপনে সহায়তা করে যাচ্ছে এক রহস্যময় সংঘ, যারা নিজেদের বিপজ্জনক স্বার্থ চরিতার্থ করতে বদ্ধপরিকর। শেষ পর্যন্ত কী ঘটতে যাচ্ছে? এই নিয়েই জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউনের টেকনো-কনস্পিরেসি থ্রিলার ‘ডিসেপশন পয়েন্ট’।

বিশ্ববিখ্যাত থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন মূলত তার রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের বইগুলোর জন্যই জনপ্রিয়। একই সঙ্গে তার স্ট্যান্ডঅ্যালোন উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘ডিসেপশন পয়েন্ট’। এটি মূলত তার তৃতীয় উপন্যাস, যা তার প্রথম বই ‘ডিজিটাল ফোর্ট্রেস’ এবং রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের প্রথম বই ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’-এর পর প্রকাশিত হয়। বইটির গল্প ও উপস্থাপনায় ড্যান ব্রাউনের পরিচিত ধাঁচটা ঠিকই রয়েছে। তবে এটি ল্যাংডন সিরিজের অংশ না হওয়ায় সেই সিরিজের ধর্মীয় বিতর্ক, গুপ্ত সিম্বলিজম, ইতিহাস আর সিক্রেট সোসাইটিকে ঘিরে চর্বিতচর্বণ না থাকায় প্লটটা বেশ খানিকটা ফ্রেশ লেগেছে।

ডিসেপশন পয়েন্ট-এর গল্পটা সব মিলিয়ে বেশ ভালো। যেভাবে একটি কাল্পনিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে সেটার আলোকে বিজ্ঞান, নাসা, যুগান্তকারী আবিষ্কার, ষড়যন্ত্র আর সিক্রেট সার্ভিসকে কেন্দ্র করে এরকম একটা টেকনো-কনস্পিরেসি থ্রিলারের আখ্যান গড়ে তোলা হয়েছে, তা সত্যিই দুর্দান্ত। আর ড্যান ব্রাউনের চিরচেনা স্টাইল—সহজ ভাষায় লেখা ছোট ছোট অধ্যায়, একাধিক জায়গায় থাকা বিভিন্ন চরিত্রের পার্সপেক্টিভ থেকে অল্প সময়ের ঘটনাগুলোকে বিরাট এক রেসের মতো দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া, প্রয়োজনমতো তথ্য আড়াল করে রহস্য তৈরি করা, আর প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে দারুণ হুক রেখে যাওয়ার কৌশল, সবকিছুই গল্পটাকে বেশ উপভোগ্য করে তুলেছে।

একই সঙ্গে টেকনিক্যাল ডিটেইল উপস্থাপনেও ড্যান ব্রাউন বরাবরের মতোই দক্ষ। অনেক তথ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি সেগুলোকে বেশ ইন্টারেস্টিংভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। গল্পের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হওয়ায় এবং উপস্থাপনাটা ভালো হওয়ায় এগুলো কখনোই জোর করে ঢোকানো বা বাড়াবাড়ি বলে মনে হয় না। কিছুটা অনুমানযোগ্য হলেও প্লট টুইস্টটা বেশ ভালো ছিল। আর বইজুড়ে ছিল অনেক সিনেমাটিক ও থ্রিলিং অ্যাকশন দৃশ্য, যেগুলো অল্প বর্ণনাতেই অসাধারণভাবে এক্সিকিউট করা হয়েছে। বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্সটা ছিল রীতিমতো শ্বাসরুদ্ধকর। সব মিলিয়ে ‘ডিসেপশন পয়েন্ট’ দ্রুতগতির ও দারুণ উপভোগ্য একটি থ্রিলার।

গল্পে অনেকগুলো চরিত্র থাকলেও বেশিরভাগই ওয়ান-ডাইমেনশনাল ও স্টিরিওটিপিক্যাল। তবে গল্পের ধরন অনুযায়ী এই চরিত্রায়ন বেশ মানিয়ে গেছে। লেখক প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকেই নিজের জায়গা থেকে স্বতন্ত্রভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। সব মিলিয়ে বইটা আমার বেশ ভালোই লেগেছে। ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’ পড়ার পর রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের আরও দুটি বই পড়লেও প্রথমবারের সেই তীব্র অনুভূতিটা আর পাইনি। তবে ডিসেপশন পয়েন্ট পড়ে অনেকটা সেই লেভেলের থ্রিল আবারও অনুভব করেছি।

তবে বইটির কিছু কিছু দিক আমার কাছে একটু দুর্বলই লেগেছে। প্রথমত, রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের বইগুলোতে ধর্ম ও বিজ্ঞানের দ্বন্দ্ব, আধ্যাত্মিকতা, ইতিহাস, ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মতো বিষয়গুলোর গভীর উপস্থিতি থাকে, যা গল্পগুলোকে আলাদা এক ডেপথ দেয়। কিন্তু ডিসেপশন পয়েন্ট-এ সেই দিকটা নেই। এখানে যেসব বিষয় নিয়ে গল্পটা গড়ে উঠেছে, সেগুলো প্রকাশের সময়কার বাস্তবতা বিবেচনায় হয়তো কনস্পিরেসি থিওরি হিসেবে কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে (যে কারণে পাবলিশার্স উইকলি এর কাহিনীকে বিশ্বাসযোগ্য বলে উল্লেখ করেছিল)। কিন্তু প্রকাশের এত বছর পর আজকের দৃষ্টিকোণ থেকে গল্পটাকে অনেকটাই আউটডেটেড আর সস্তা কনস্পিরেসি থ্রিলারের মতো মনে হয়। এ কারণেই ডিসেপশন পয়েন্ট-এর গল্পটা ড্যান ব্রাউনের অন্যান্য বইয়ের তুলনায় অনেক বেশি কৃত্রিম ও ফেক লেগেছে।

তবে একদিক থেকে এতে খুব বেশি সমস্যা নেই। অন্তত বাস্তব প্রেক্ষাপটকে ব্যবহার করে, সত্যের সঙ্গে ফিকশন মিশিয়ে শয়তানের পূজারি সিক্রেট সোসাইটিদের প্রোপাগান্ডা তো আর গেলানো হয়নি, যেটা রবার্ট ল্যাংডন সিরিজে বেশিই দেখা যায়। প্রথমবারের মতো ড্যান ব্রাউনের গল্পে রবার্ট ল্যাংডন ছাড়া অন্য কাউকে প্রোটাগনিস্ট হিসেবে দেখলাম। র‍্যাচেল সেক্সটন চরিত্রটা খারাপ নয়, তবে প্রধান চরিত্র হিসেবে তার ব্যক্তিত্ব বা কর্মকাণ্ড তেমন বিশেষ ছাপ ফেলতে পারেনি। এমনিতেই গল্পটা রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের বইগুলোর তুলনায় কম প্রোটাগনিস্ট-ড্রিভেন; অর্থাৎ এখানে পার্শ্বচরিত্রগুলোকেই তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তারপরও র‍্যাচেল মূল চরিত্র হিসেবে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। বরং তার দৃশ্যগুলোতে মাইকেল টোল্যান্ডই অনেক বেশি স্পটলাইটে ছিল। এমনকি নারী চরিত্র হিসেবে গ্যাব্রিয়েল অ্যাশকে আমার র‍্যাচেলের চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।

যদিও সর্বোপরি ‘ডিসেপশন পয়েন্ট’ বেশ ফাস্ট-পেসড ও এন্টারটেইনিং একটি থ্রিলার। কনস্পিরেসি বা টেকনো-থ্রিলার জনরার পাঠকেরা বইটি বেশ উপভোগ করবে। বইটি অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। তার অনুবাদকর্ম নিয়ে আমার প্রতিক্রিয়া বরাবরই মিশ্র। তার অনুবাদে কিছু বই আমার বেশ ভালো লেগেছে, আবার কিছু বইয়ের অনুবাদ অত্যন্ত জঘন্যও মনে হয়েছে। তবে ড্যান ব্রাউনের ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ এবং ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ তার অনুবাদে পড়তে আমার ভালোই লেগেছিল। ডিসেপশন পয়েন্ট-এর অনুবাদ সম্পর্কে এক কথায় বলতে গেলে বলব, অনুবাদক প্রায় পুরো বইটাই আক্ষরিকভাবে অনুবাদ করেছেন। তবে ড্যান ব্রাউনের সহজ-সরল ধরনের লেখার সাথে সেটা মোটামুটি মানিয়ে গেছে। যদিও নানা স্ল্যাং, আইরনি আর হিউমারসমৃদ্ধ সংলাপগুলোতে অনুবাদের দুর্বলতা বেশ চোখে পড়ে। অনেক জায়গায় বিদেশি অভিব্যক্তিগুলো হুবহু বাংলায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেগুলো পড়তে মারাত্মক অড লাগে। তবে এমন অংশের পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের অনুবাদে বইটা কোনোরকমে উপভোগ করেই পড়া গেছে।

📚 বইয়ের নাম : ডিসেপশন পয়েন্ট

📚 লেখক : ড্যান ব্রাউন

📚 অনুবাদ : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

📚 বইয়ের ধরন : কন্সপিরেসি থ্রিলার, টেকনো থ্রিলার, এডভেঞ্চার থ্রিলার

📚 ব্যক্তিগত রেটিং : ৪/৫
Profile Image for Kawsar Mollah.
141 reviews7 followers
January 20, 2017
ড্যান ব্রাউন এর আরেকটা মাষ্টারপিস কাজ। আমার পড়া অন্যতম দ্রুত গতির বই এইটা।
Profile Image for Zabir Rafy.
328 reviews18 followers
June 30, 2024
ড্যান এগেইন ইম্প্রেসড মি....

বই: ডিসেপশন পয়েন্ট
লেখক: ড্যান ব্রাউন
অনুবাদক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

ডিসেপশন পয়েন্ট আমার পড়া ১১১ তম থ্রিলার। ম্যাজিক্যাল ফিগার বটে। তা ম্যাজিকই হোক আর ড্যানের লিখনশৈলীর জন্যই হোক; বইটা খুব ভালো লেগেছে আমার।

বইটা নিয়ে আলাদা আলাদা সেগমেন্টে প্লট, ক্যারেক্টারাইজেশন, স্টোরি ডেভেলপমেন্ট, ডিটেইলিং, টুইস্ট, ফিনিশিং ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যায়। তবে সেটার প্রয়োজন দেখছি না। বাতিঘর থেকে প্রকাশিত বইটির পনেরো তম সংস্করণ চলছে। বইটি ইতিমধ্যেই ওয়ান অফ দ্য বেস্ট সেলার বুকস! সংক্ষেপে অনুভূতি জানানোই উদ্দেশ্য।

টিপিক্যাল ড্যান ব্রাউনীয় প্লট💥 বেশ অনেকটা এরিয়া, অনেক কয়েকটা প্রতিষ্ঠান, ক্ষমতাশালী ব্যক্তিবর্গ, ক্ষমতাহীন চুনোপুঁটিসহ অন্যান্য কিছু চরিত্র, বড়সড় একটা প্লট/ক্যারেক্টার টুইস্ট। ক্ষমতার দ্বন্দ, রক্তা রক্তি।

গাদা গাদা চমকপ্রদ তথ্য, উন্নত প্রযুক্তি। দক্ষ হিট ম্যান। সব মিলিয়ে ড্যানের সিগনেচার প্লট যেমন হয় আরকি।

রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ পড়ে শেষ করেছি সেই দু হাজার উনিশে। এরপর ড্যানের আর দুটো বই বাকি থাকে৷ ডিসেপশন পয়েন্ট আর ডিজিটাল ফর্ট্রেস। রবার্ট ল্যাংডনের হ্যাংওভার থেকে বেরোতে পারব কি না সেটা ভেবেই এতদিন ডিসেপশন পয়েন্ট হাতে নেইনি। কিন্তু হাতে নেয়ার পরে বুঝলাম, আমার হ্যাংওভার আসলে রবার্ট ল্যাংডনে নয়, ড্যান ব্রাউনে।

রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের থেকে এখানে পার্থক্য হলো আর্ট আর সিম্বলের বিস্তারিত ইতিহাস নেই, পাজল মেলানোর ঝক্কি নেই। ফলে রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ নিয়ে পাঠকের যেই অনুযোগ, স্লো বার্ন- সেটার ঝক্কি এই বইয়ে নেই। খুব তরতর করে পড়ে যাওয়া যায়। যেই কারণে রিডার্স ব্লকেও বইটা পড়তে পেরেছি।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে৷ বর্তমান প্রেসিডেন্ট আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী একে অপরকে হারানোর জন্য নির্বাচনী প্রচারণার ট্রাম্পকার্ড খুজে চলেছেন। প্রতিপক্ষ একরকম কোণঠাসা করে ফেলেছে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে। এই মুহুর্তে প্রেসিডেন্ট খুজে চলেছেন এমন কোনো হাতিয়ার যেটা দিয়ে ধরাশায়ী করা যাবে প্রতিপক্ষকে।

প্রতিপক্ষ প্রেসিডেন্টকে চেপে ধরেছে নাসার ব্যয়বহুল আবিষ্কারগুলোতে অঢেল টাকা ঢালা নিয়ে, যেইগুলোতে নাসা স্রেফ ব্যর্থই হয়েছে।

কাজেই প্রেসিডেন্টের দরকার নাসার একটা গ্রাউন্ড ব্রেকিং আবিষ্কার। একসময় তারা পেয়েও যায় সেটা। আর সেটা দিয়েই কাবু করে প্রতিপক্ষকে।

বইয়ের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র সিনেটর সেজউইক সেক্সটন৷ চরিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে না চাইলেও এই লোককে নিয়ে করতেই হবে। কারণ এসএসএস আমার হৃদয় জিতে নিয়েছেন।

আমেরিকার সিনেটররা নাকি অত্যন্ত বুদ্ধিমান হন! তাদের মধ্যে থেকেই ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বেশিরভাগ সময়ে। সেজউইক সেক্সটনকে পড়লে এটা বাস্তবই মনে হয়।

অত্যন্ত ধুরন্ধর একজন রাজনীতিক। কূটকৌশলী। কিভাবে চোখ মুখের এক্সপ্রেশন দিয়ে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করা যায়, সেটা তিনি ভালোই জানেন।

চালচলন, সংলাপ ডেলিভারি, এপিয়ারেন্স সব মিলিয়ে সিনেটর সেজউইক সেক্সটন ডিসেপশন পয়েন্টের পারফেক্ট এন্টাগনিস্ট।

নাসার গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার, এর সাথে পক্ষে বিপক্ষ প্রতিষ্ঠানের দ্বৈরথ ড্যান বেশ গুছিয়ে লিখেছেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী সিক্রেট সার্ভিসগুলোর ব্যবহৃত টেকনোলজি, বিশেষত অস্ত্রশস্ত্র গুলোর সুনিপুণ বর্ণনা দিয়েছেন ড্যান। যেন তিনি নিজে একটা এটাক হেলিকপ্টার চালিয়েছেন, যেন নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গবেষণা করেছেন! প্রতিটা প্রতিষ্ঠান নিজে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন! অনবদ্য!

বইটায় দুটো টুইস্ট দেয়া হয়েছে। নাসার আবিষ্কার নিয়ে। যেটা আমেরিকার নির্বাচনী গতিপথ বদলে দিতে পারে। আর শেষের দিকের ক্যারেক্টার টুইস্ট। দুটোই ভালো লেগেছে।

ফিনিশিং ভালো লাগেনি। সিনেটর সেজউইক সেক্সটনের পতন খুব হাস্যকর ভাবে ঘটানো হয়েছে। এ যেন কেবল এন্টাগনিস্টকে হারতে হবে, তাই তাকে হারানো হলো। এইজন্য পাঁচ তারা রেটিং থেকে এক পয়েন্ট কেটে নিলাম।

নাজিম ভাইয়ের অনুবাদ ভালো লেগেছে। আর প্রচ্ছদটাও বইয়ের প্লটের সাথে মানানসই।

ছোটখাটো ভুল-ত্রুটিগুলো এড়িয়ে এটাই আমার রেটিং।
৪/৫

জাবির রাফি।
Profile Image for Pranjal Kumar Nandi.
57 reviews41 followers
February 24, 2021
বইটা অনেক পুরোনো আর অনেকেরই পঠিত। তাই নতুন করে বিশ্লেষণ করার কিছু নাই। অনেকের কাছেই ভালোমন্দ অনেক রকম মতামত আছে। আমার নিজস্ব মত অনুযায়ী ৩.৫ তারার বেশি হয় না। যেহেতু এর আগে লেখকের আরও ২ টা বই বের হয়েছিলো, "Digital Fortress" আর "Angels & Demons". সেই তুলনায় এর বইটা একটু গতানুগতিক। অনেক যায়গায় অপ্রয়োজনীয় বর্ণনা। কলেবরে এত বড় করার দরকার ছিল না। কিছু কিছু যায়গায় ২-৩ পৃষ্ঠা পর্যন্ত অনায়াসে স্কিপ করে যাওয়া যাবে এবং এতে মূল কাহিনীধারায় কোন ছেদ হবার কথা না। এজন্য বড় হলেও দ্রুত পড়ে ফেলা যাবে।
লেখকের এই বইয়ের epilogue এ একখানা secret code ছিল এরকম 1-V-116-44-11-89-44-46-L-51-130-19-118-L-32-118-116-130-28-116-32-44-113-U-130. যেগুলো অক্ষর দেওয়া আছে সেগুলা বাদে বাকি নাম্বারগুলার বদলে যদি সেইতম চ্যাপ্টারে যেয়ে প্রথম অক্ষরটা নিয়ে এখানে প্রতিস্থাপন করি তাহলে পাই, TVCIRHIOLFENDLADCESCAIWUE. এখন ৫ টা করে অক্ষর নিয়ে যদি এক একটা সারি বানাই তাহলে এরকম কিছু পাওয়া যাবে,
T V C I R
H I O L F
E N D L A
D C E S C
A I W U E

এখন সর্ববামের কলাম থেকে যদি নিচ বরাবর অর্থবোধক শব্দ বানাইতে থাকা যায় তাহলে পাওয়া যায়, THE DA VINCI CODE WILL SURFACE. তো মজার ব্যাপার হল, ২ বছর আগে ২০০১ সালে বের হওয়া "Deception Point" বইয়ে ২০০৩ সালে বের হওয়া বইয়ের তথ্য লুকানো।
Profile Image for তান জীম.
Author 5 books298 followers
March 17, 2019
প্লটটা ভালো ছিলো। তবে কয়েকটা ব্যাপার খুব নাটুকে লেগেছে৷ তবে আমার যেটা পছন্দ - তথ্য, সেটা প্রচুর পরিমাণে আছে। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসগুলো মূলত এ কারণেই আমার ভালো লাগে। সুতরাং, অন্য উপন্যাসগুলোর চাইতে খানিকটা দূর্বল হলেও, সবমিলিয়ে একদম খারাপ না।
Profile Image for Saima  Zaman Tisha.
55 reviews3 followers
April 15, 2017
মার্কিন রাজনীতি, নাসা, সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স এবং হাই প্রোফাইলদের নিয়ে এগিয়ে চলা কাহিনী। আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্টের জাখ হার্নির বিরুদ্ধে সিনেটর সেজউইক সেক্সটন চাল হিসেবে ব্যবহার করেন নাসার বিশাল বাজেট, সমসাময়িক কিছু ব্যর্থতাকে। টান টান উত্তেজনাময় মুহূর্তে নাসা ঘোষণা দেয় ভিনগ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের। সারাবিশ্বে উল্লাস, উত্তেজনা। সেক্সটনের প্রেসিডেন্ট হবার স্বপ্ন ধূলিসাৎ। অচেনা আততায়ীর হাতে খুন হন তিনজন বিজ্ঞানী। তারপর ঘটে চলে নানা ঘটনা দুর্ঘটনা। সেক্সটন সংবাদ সম্মেলন ডাকেন নাসার ভুয়া আবিষ্কারের গল্প জানাতে।

.

টানা পড়ে শেষ করলাম। অসাধারণ গতির থ্রিলার। এটার অনুবাদ নিয়ে অনেক কথা শুনেছিলাম। আমার ততটা খারাপ লাগে নি(এর থেকে কয়েকগুণ বাজে অনুবাদ পড়ে অভ্যস্ত)। চরিত্রগুলোকে মনে রাখতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে।
Profile Image for Musharrat Zahin.
464 reviews567 followers
May 2, 2020
"𝐀𝐧𝐲𝐨𝐧𝐞 𝐰𝐡𝐨 𝐬𝐚𝐢𝐝 𝐩𝐨𝐰𝐞𝐫 𝐰𝐚𝐬 𝐧𝐨𝐭 𝐚𝐝𝐝𝐢𝐜𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐡𝐚𝐝 𝐧𝐞𝐯𝐞𝐫 𝐫𝐞𝐚𝐥𝐥𝐲 𝐞𝐱𝐩𝐞𝐫𝐢𝐞𝐧𝐜𝐞𝐝 𝐢𝐭."

Book: Deception Point
Author: Dan Brown
Pages: 490
Genres: Thriller, Science Fiction, Suspense, Political Fiction, Tecno-thriller


ড্যান ব্রাউনের অরিজিন, ভিঞ্চি কোড, এঞ্জেল এন্ড ডেমন্স, লস্ট সিম্বল বইয়ের চিপায় পড়ে থাকলেও কী মনে করে ডিসেপশন পয়েন্টের ইপাব নামিয়ে পড়া শুরু করলাম। বইটা পড়ে একটু হতাশই হয়েছি। মাঝে তো বেশ বোরই হয়ে যাচ্ছিলাম। আর কী এক এন্ডিং 🥵

সারসংক্ষেপ:

কাহিনী আমেরিকার আসন্ন নির্বাচন নিয়ে। প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জাখারি হার্নি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেটর সেক্সটন। সেক্সটন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে বেশ তুখোড়। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান প্রেসিডেন্ট নাসা'র মতন অকর্মণ্য এক সংস্থার পেছনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কেন খরচ করছেন- এই প্রশ্নের উপর ভিত্তি করেই তিনি তার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মতে নাসা পৃথিবীকে নতুন কিছু উপহার দিতে পারে নি। এর চেয়ে নাসা'র বাজেট তরুণদের শিক্ষার পেছনে খরচ করলে চমৎকার ফল পাওয়া যাবে।

সেক্সটনের এই আক্রমণ হার্নিকে একদম কোণঠাসা করে ফেলে। এরইমধ্যে নাসা এক অভাবনীয় জিনিস আবিষ্কার করে ফেলে, যা জানতে পারলে পুরো বিশ্ব হেলে উঠবে এবং প্রেসিডেন্ট হার্নিও নতুন উদ্যোমে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।

এত বড় আবিষ্কারের সন্ধান পেয়েও নাসার পরিচালক বেশ অখুশি। কিন্তু কেন?

🌻🌻🌻

আবিষ্কারের অংশটুকুর চেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কীর্তিকলাপ আমার কাছে বেশ উপভোগ্য মনে হয়েছে :3 টুইস্টে ভরপুর! বেশ বড় বই, ধৈর্য নিয়ে পড়ে ফেলতে হবে!

𝙎𝙤𝙢𝙚 𝙛𝙖𝙫𝙤𝙪𝙧𝙞𝙩𝙚 𝙦𝙪𝙤𝙩𝙚𝙨:

"Life is filled with difficult decisions, and winners are those who make them."

"When in doubt, just spit it out. That all challenges can be overcome by speaking the truth, no matter how itcomes out."

"Never disperse your focus unless absolutely necessary. Face one adversary at a time."

"Politics is a desperate business."

"Sooner or later we've all got to let go of our past."

"There's just no substitute for the truth."
Profile Image for Marzia Tabassum.
34 reviews3 followers
October 22, 2024
ড্যান ব্রাউনের আর সব থ্রিলারের মতোই কৌতূহলোদ্দীপক দ্রুতগতির একটা থ্রিলার! একের পর এক বিপর্যয়, রহস্য, চমক আসতেই থাকে আর মনে হতে থাকে- এর শেষ কোথায়!

রাজনীতি আর বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার-দুটো যখন একে অপরের পরিপূরক হয়ে দাঁড়ায় তখনই সংশয় দেখা যায় সত্যতার,সততার,জীবনের।
একদিকে নাসার এক দুনিয়া কাঁপানো আবিষ্কার, অন্যদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যার উপরে নাসার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভরশীল। বিজয় যখন সন্নিকটে তখন প্রতিপক্ষের শক্ত অবস্থান কে নাড়িয়ে দিতে সক্ষম এই আবিষ্কারে হঠাৎ চিড় ধরে, সূচনা ঘটে নতুন রহস্যের। আড়ালে থাকা কোনো সুসংগঠিত শক্তি কলকাঠি নাড়ছে,পৃথিবীবাসীর থেকে লুকানো হচ্ছে 'মহা-সত্য'। এই সিক্রেট কে বাঁচাতে প্রাণপণ লড়াই করছে তিন সিভিলিয়ান বিজ্ঞানী।ওদিকে এই মহা-ষড়যন্ত্রের "কন্ট্রোলার"-এর নির্দেশে খুন হতে থাকে বিজ্ঞানী আর রাজনীতিকেরা।
আর্কটিক মহাসাগরের সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থান থেকে বেঁচে ফিরতে হবে তিন বিজ্ঞানীকে,পৃথিবীবাসীকে জানাতে হবে সেই সত্য যা শুধু তারা তিনজনই জানে।

সবমিলিয়ে এই রোমাঞ্চকর, রহস্য-এডভেঞ্চারের জগৎ পাঠককে আটকে রাখবে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত।
Profile Image for Munna Bhaiya.
48 reviews1 follower
December 17, 2020
বই : ডিসেপশন পয়েন্ট
লেখক : ড্যান ব্রাউন
অনুবাদক : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশক : বাতিঘর প্রকাশনী
ধরণ : থ্রীলার ( প্রযুক্তি বিষয়ক )
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৩২০
প্রচ্ছদ : ডিলান
প্রথম সংস্করণ : ফেব্রুয়ারি ২০০৬
সংস্করণ : সেপ্টেম্বর ২০১৬ ( দ্বাদশ সংস্করণ )
মুদ্রিত মূল্য : ২৮০ টাকা
ISBN : 979-984-865-917-4
রেটিং : 4*/5

লেখক পরিচিতি :

মার্কিন থ্রীলার লেখক ড্যানিয়েল গেরহার্ড ব্রাউন এর জন্ম ১৯৬৪ সালের ২২ জুন ৷ ফিলিপস এক্সিটার একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন ও আমহার্স্ট কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করেন ৷ সিডনি শেলডনের লেখনী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন ৷ তাঁর প্রথম লেখা উপন্যাস 'ডিজিটাল ফরট্রেস' প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালে ৷ বইটি ভালো পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করায় তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি ৷

২০০৩ সালে পৃথিবীবিখ্যাত উপন্যাস 'দ্য দা ভিন্ঞ্চি কোড' তাঁকে সারা পৃথিবী জুড়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায় ৷ ক্রিপ্টোগ্রাফি, কোডিং, ষড়যন্ত্রতত্ত্বের সাথে ঐতিহাসিক রহস্যের এক বিশাল লেখনী ৷ সেই সাথে রবার্ট ল্যাংডন নামক চরিত্রের দুঃসাহসিক সব অভিযান ৷ 'এন্জেল এন্ড ডেমনস্', 'ইনফার্নো', 'দ্য লস্ট সিম্বল', 'অরিজিন' তার পাঠকনন্দিত উপন্যাস ৷ তার লেখা বই পৃথিবী জুড়ে ৫৫ টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিক্রি হয়েছে ২৫০ মিলিয়নেরও বেশি কপি ৷

যদিও তাঁর রচনা নিয়ে ধর্মতত্ত্ববিদেরা বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন , তবে ড্যান ব্রাউন তার লেখনীকে ধর্মের রহস্যময়তার নতুন একদিক হিসেবে বর্ণনা করেছেন ৷


ফ্ল্যাপের কথা :

দুনিয়া কাঁপানো একটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে সারা পৃথিবী যখন উদ্বেলিত, পর্দার অন্তরালে তখন ঘটতে থাকে একের পর এক ঘটনা- খুন হতে থাকে বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ আর উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা - পেছন থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে ৷ এরই মধ্যে চারজন সিভিলিয়ান বিজ্ঞানী আর সিক্রেট সার্ভিসের এক অফিসার পৃথিবীর সবচাইতে বিপদসঙ্কুল জায়গায় বিপদজ্জনক এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলো ৷ পর্দার অন্তরালে থাকা শক্তিটি সবাইকে নিশ্চিহ্ন করে পৃথিবীবাসির কাছে কি লুকাতে চাচ্ছে ?
আর হতভাগ্য সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীরা সেই রহস্য উন্মোচন করতে পেরেছিল কি না ডিসেপশন পয়েন্ট-এ নিহিত আছে তার উত্তর ৷


ব্যক্তিগত মন্তব্য :

ড্যান ব্রাউন আমার প্রিয় লেখক ৷ তাঁর প্রত্যেকটা লেখনিতে থ্রীল, জ্ঞান, বাস্তবতা ঠেঁসে দেয়া থাকে ৷ যারা ড্যান ব্রাউনকে চিনেন নাহ্ তাদের হাতে 'এন্জেল এন্ড ডেমনস্' অথবা 'দ্য দা ভিন্ঞ্চি কোড' ধরিয়ে দিলে কাজ শেষ ৷

এই উপন্যাসটিতে আবর্তন আমেরিকার নির্বাচন , নাসা, হোয়াইট হাউজকে ঘিরে ৷ আমেরিকায় নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে ৷ বর্তমান নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জার্খ হার্নির মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন সিনেটর সেজউইক সেক্সটন ৷ যদিও বর্তমান পরিস্থিতি সাপেক্ষে সিনেটর সেক্সটন বেশ এগিয়ে গেছে ৷ কারণ, প্রেসিডেন্টের কিছু ভুল সিদ্ধান্তকে পুঁজি করে প্রচরনা চালাচ্ছে সিনেটরের লোকজন ৷ তার মধ্যে নাসাকে বিরাট অঙ্কের অর্থ-অনুদান নিয়েই জেঁকে বসেছে মানুষ ৷ কারণ, এতো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করেও নাসার প্রাপ্তি বিগত কয়েক দশকে শূন্য ৷ এর চেয়ে বরং গ্রামীন শিক্ষার উন্নয়ন হোক ৷ আর সেটা সিনেটর বেশ্ ভালো ভাবেই জনগণকে বুঝিয়েছেন, যা তাকে নির্বাচনে বেশ্ এগিয়ে রেখেছে ৷

রাচেল সেক্সটন, সিনেটর সেক্সটনের মেয়ে এবং একজন এনআরও ( ন্যাশনাল রেসিনেনান্স অফিস) প্রধান ডাটাএনালিস্ট ও হোয়াইট হাউজের লিয়াজোঁ ৷ তার বাবার সাথে তার সম্পর্ক সুবিধের নয় ৷ হঠাৎই একদিন এনআরও প্রধান পিকারিং তাঁকে ডেকে পাঠায় ৷ প্রেসিডেন্টের তলব ৷ বিমানে করে রাচেল পৌঁছায় আর্কটিকে, যেটি বরফে ঢাকা এবং আমেরিকা থেকে ৩০০০ মাইল দূরে আর প্রেসিডেন্ট তাকে সেখানেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ৷ বিরাট এক আবিষ্কার যা বদলে দিবে নাসার ভাগ্য, এমনকি প্রেসিডেন্ট হার্নি তার পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী হবার পথে এক ধাপ এগিয়ে রাখবে আবিষ্কারটি ৷ সেই সাথে মহাকাশের এক অদম্য রহস্য যার ফলে উদ্বেলিত হবে পুরো পৃথিবী ৷


আবিষ্কার জনসম্মুখে আসার আগের খুন হতে থাকে, ঐ প্রজেক্টে নাসার সাথে কাজ করতে থাকা বেশ্ কয়েকজন সিভিলিয়ান বিজ্ঞানী ৷ কারণ, তারাই আবিষ্কারটি পৃথিবীর মানুষকে বুঝতে সাহায্য করবে আর বলবে , নাসা মোটেই লস্ প্রজেক্ট নয় ৷ বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মহাকাশ গবেষণাটাই প্রথম সারির ৷ আর, নাসা এবার মহাজাগতিক বিষয় নিয়ে অনেক কিছু এবার জনসম্মুখে উপস্থাপন করবে ৷ অন্যদিকে সিনেটর সেক্সটন একটা মোটা অঙ্কের ডোনেশন নিয়ে বসে আছে প্রাইভেট স্পেস কোম্পানিগুলো থেকে, যাতে নাসাকে ডুবানো যায় ৷ তো কে চায় নাসা এই আবিষ্কারটি সামনে না উপস্থাপন করুক, কেনই বা সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীদের খুন করা হলো ৷

যাদের প্রযুক্তি, মহাজাগতিক, সমুদ্রসমতল, বরফ এসব পরিবেশ নিয়ে জানার আগ্রহ রয়েছে, তারা চাইলেই উপন্যাসটি পড়ে দেখতে পারেন ৷ অনুবাদ নিয়ে কিছু বলা আবশ্যক ৷ বেশ্ কিছু জায়গায় আক্ষরিক অনুবাদের কারণে লেখনির গাঁথুনি তো নষ্ট হয়েছে, এমনকি পড়তে গিয়েও বেশ্ বেগ পোহাতে হয়েছে ৷ আর মার্জিত ও শালীন অনুবাদ আমার মতো পাঠকের জন্যে অবশ্যই ভালো হতো ৷ তবে, অনুবাদ মোটামোটি সহজ ও সাবলীল ৷
Profile Image for সৌমিত্র বিশ্বাস.
116 reviews7 followers
February 9, 2021
“দ্যা ভিঞ্চি কোড” ড্যান ব্রাউনের সবচেয়ে আলোচিত একটি বইয়ের নাম এবং অবশ্যই আমার পড়া একটি সেরা থ্রিলার। “দ্যা ভিঞ্চি কোড” পড়ার পর ড্যান ব্রাউনের বেশ ভক্ত হয়ে যাই। আমার পড়া ব্রাউনের লেখা দ্বিতীয় বইয়ের নাম “দ্যা লস্ট সিম্বল” আর মাত্র গতকালই শেষ করলাম ড্যান ব্রাউনের লেখা আরো একটি চমৎকার থ্রিলার “ডিসেপশন পয়েন্ট”। বইটা পড়ার সময় সত্যিই মনে হয়েছে এটা একটি থ্রিলার। থ্রিলার বলতে সাধারণত যা বোঝায় অর্থাৎ রহস্য, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, অনিশ্চয়তা, উত্তেজনা,নাটকীয়তা সবকিছুই চমৎকারভাবে উপস্থিত হয়েছে “ডিসেপশন পয়েন্ট” বইটিতে।
বইটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যার সাথে যুক্ত হয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA ফলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা একটা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। কাহিনীর শুরুতে দেখা যায় সিনেটর সেজউইক স্যাক্সটন তার একমাত্র মেয়ে র‍্যাচেল স্যক্সটনের সাথে একটি রেস্টুরেন্ট দেখা করছেন।


সিনেটর স্যাক্সটন চান র‍্যাচেল তার নির্বাবনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করুক কিন্তু র‍্যাচেল তাতে রাজি নন। স্যাক্সটন NASA কে তার প্রচারণার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছেন, তার বক্তব্য নাসা’তে আমেরিকা প্রতি বছর যে খরচ করছে তার অধিকাংশই নষ্ট হচ্ছে এবং তিনি এই খরচ কমিয়ে সেই টাকা স্কুল-কলেজে ব্যয় করতে চান। সাধারণ জনগণ তার এই বক্তব্যকে ভালবেসেছে ফলে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এগিয়ে আছেন। তার মেয়ে র‍্যাচেল কাজ করে NRO (National Reconnaissance Office) এ একজন ডাটা বিশ্লেষক হিসাবে। বাবাকে সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার রাজনীতি সম্পর্কে র‍্যাচেলের কোন আগ্রহ নেই এবং এটা নিয়ে সে কোন কথা বলতে চায় না। র‍্যাচেল তার অফিসে ফিরে গেলে NRO প্রধান উইলিয়াম পিকারিং তাকে জানায় প্রেসিডেন্ট জার্ক হার্নি তার সাথে একটা ব্যক্তিগত মিটিং এর আগ্রহ প্রকাশ করে র‍্যাচেলের জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। র‍্যাচেল অবাক হন, পিকারিং ধারণা করেন প্রেসিডেন্ট সম্ভাবত র‍্যাচেলকে রাজনৈতিক উদ্দেশে তার বাবার প্রতিপক্ষ ব্যবহার করতে চান যেহেতু প্রেসিডেন্ট জানেন র‍্যাচেলের সাথে তার বাবার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না। গভীর উদ্বেগ নিয়ে র‍্যাচেল প্রেসিডেন্টের পাঠানো হেলিকপ্টারে করে প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করতে রওনা হন। পথে র‍্যাচেল জানতে পারেন হেলিকপ্টারটি হোয়াইট হাউজে যাচ্ছে না, সেটি যাচ্ছে নাসার হেড কোয়ার্টারে। র‍্যাচেল অবাক হন। অবশেষে র‍্যাচেল প্রেসিডেন্টের সাথে তার ব্যক্তিগত বিমানে দেখা করেন। বিভিন্ন আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট জানান NASA অতি সম্প্রতি একটি বিশাল আবিষ্কার করেছে যেটা সম্পর্কে র‍্যাচেলকে জানানোই তাদের এই মিটিং এর মূল উদ্দেশ্য। আবিষ্কার সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট জানান স্বয়ং নাসা প্রধানই এ ব্যপারে তাকে জানাবেন। র‍্যাচেল আবারো অবাক হন। এরপর একটি ফাইটার বিমান র‍্যাচেলকে নিয়ে পাড়ি দেয় এন্টারটিকা মহাদেশে। সেখানে একটি গোপন গবেষণাগারে র‍্যাচেল জানতে পারে নাসার একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার সম্পর্কে। নাসা সেখানে ৪ শ ফুট বরফের গভীরে একটি উল্কাপিন্ড খুজে পেয়েছে, এই উল্কাপিন্ডের বিশেষত্ত্ব হচ্ছে এতে রয়েছে প্রাণীর জীবাশ্ম যার অর্থ এই যে, মহাবিশ্বে অন্য কোথায় (যেখান থেকে উল্কাপিন্ডটি এসেছে) রয়েছে প্রাণীর অস্তিত্ব। র‍্যাচেলকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় হোয়াইট হাইজে একটি ভিডীও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে একটি বক্তব্য দেওয়া। র‍্যাচেল সেটি করেন। প্রেসিডেন্ট ঘোষণা সরাসরি ঘোষণা দিয়ে নাসার এই আবিষ্কারের কথা জানিয়ে দেন বিশ্ববাসীকে। নাসার এই সাফল্যে আমেরিকা গর্বিত হয়ে ওঠে এবং প্রেসিডেন্ট জার্ক হার্নি নির্বাচনী প্রচারণায় আবার এগিয়ে যান। এমন সময় র‍্যাচেল এবং আরো ৪ জন জন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে, NASA’র উল্কাপিন্ডটি আসলে ভূয়া। নাসা প্রধান কৌশলে তাদেরকে বাইরে পাঠিয়ে দেন। কিছু অজ্ঞান্ত ব্যক্তি র‍্যাচেল এবং এই বিজ্ঞানীদের হত্যা করতে তৎপর হয়ে ওঠে। র‍্যাচেল এবং আরো দুইজন অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও মারা যান ২ জন বিজ্ঞানী। র‍্যাচেল অন্য ২ জন বিজ্ঞানী এন্টার্কটিকা মহাদেশের বরফশীতল জলে যখন মৃত্যুর খুব কাছাকাছি ঠিক তখনই তাদেরকে উদ্ধার করে একটি ডুবোজাহাজ। সেজউইক স্যাক্সটন যখন নির্বাচনী প্রচারণায় পিছিয়ে গিয়ে ভেঙ্গে পড়েছেন তখনই উল্কাপিন্ড সম্পর্কিত তথ্যটি তার হাতে চলে যায়। তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন। সংবাদ সম্মেলনা তিনি যদি জানিয়ে দেন যে নাসার আবিষ্কারটি ভূয়া তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় আবারো তিনি এগিয়ে যাবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি কি পারবেন হাটে হাড়ি ভাঙ্গতে? কিংবা নাসার এই জালিয়াতির পিছনে কে আছেন? স্বয়ং প্রেসিডেন্ট না অন্য কেউ?
একটা চরম নাটকীয়তায় ভরে ওঠে উপন্যাসের শেষ মুহূর্তগুলো যা পড়তে পড়তে যেকোন পাঠকই অভিভূত হয়ে পড়বেন। কি সেই নাটকীয়তা জানতে পড়ে নিন ড্যান ব্রাউনের এই বিশ্বখ্যাত বইটি। উপরে আলোচিত চরিত্রগুলো ছাড়াও আরো কিছু চরিত্র আছে যা আপনাকে আকর্ষণ করবে গ্যাব্রিয়েল (স্যাক্সটনের ব্যক্তিগত সহকারী), ট্রেঞ্চ (হোয়াইট হাইজের কর্মকর্তা), টোল্যান্ড (একজন বেসামরিক বিজ্ঞানী)।
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books93 followers
November 10, 2018
আবারও সিডনি শেলডনের লেখা বইগুলোর মত থ্রিল পেলাম। ড্যান ব্রাউন সম্পর্কে এতদিন অলীক একটা ধারণা মনে পুষে রেখেছিলাম।
Profile Image for Zim Quadery.
1 review
June 6, 2020
মূল চরিত্র ২৪ ঘণ্টা কিচ্ছু খায় নি।
Profile Image for Arif Hossain.
43 reviews2 followers
April 30, 2021
একই রকম বই পড়তে পড়তে এক-ঘেয়েমী এসে পড়েছিলো। তার মধ্যে থ্রীলারটা পড়ে অনেক উপকার হলো।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এর লড়াই, নাসার বিস্ময়কর আবিষ্কার, রাজনৈতিক কোন্দল! খারাপ ছিলো না মোটেই...
Profile Image for Ifath Rahman  Tushar.
39 reviews6 followers
July 25, 2024
কিছু বানান ভুল ছাড়া অনুবাদ ভালোই হয়েছে। শুরুর কয়েক পৃষ্ঠা ধৈর্য নিয়ে পড়া শুরু করলে সামনের দিকে সহজ হয়ে যাবে পড়তে। ড্যান ব্রাউন নিয়ে আলাদা করে বলার কিছুই নাই।
Profile Image for Abul Hossain Moon.
325 reviews
March 12, 2025
উত্তেজনা জাগানো, একটা ভালো টুইস্ট, সুন্দর সমাপ্তি। হোল প্যাকেজ, একটা চমৎকার পেজ টার্নার।
Profile Image for Pothik Taposh.
41 reviews
August 29, 2026
নাজিমুদ্দিনের সবচেয়ে বাজে অনুবাদ। আমি বুঝি না উনি কি খামখেয়ালী করে বইগুলোর অনুবাদ করছেন?
Profile Image for Sifat Rahman.
29 reviews
February 22, 2022
বইয়ের শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ের বর্ণনা দিয়ে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট জাখ হার্নির নির্বাচন প্রচারণা হুট করেই যেন একটু তাল হারিয়ে ফেলেছে। সেদিকে বিপক্ষে থাকা প্রার্থী সিনেটর সেজউইক প্রচারণা চালিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এখন প্রেসিডেন্ট এর দলের প্রয়োজন একটা ট্রাম্প কার্ড যা রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেবে। কি হবে সেই কৌশল?
আমেরিকার বিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সাথে আছে রাজনৈতিক যোগসাজশ। নাসার আবিষ্কার এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আসন্ন নির্বাচনে। কিন্তু সিনেটর সেজউইক নাসার ব্যর্থতা ও বিশাল বাজেটের অসামঞ্জস্যতা নিয়ে কথা তুলেছেন বারবার।জনগণের আস্থার পাশাপাশি একটা সংস্থার ও মন জয় করেছেন তিনি নাসাবিরোধী প্রচারণায়। তার সকল কর্মকান্ডের ব্রেইন হলো তার সহকারী ও নির্বাচন প্রচারণার মুখপাত্র গ্যাব্রিয়েল অ্যাশ। কিন্তু তার সাথে রাজনৈতিক সম্পর্কের বাইরে আরো কিছু কি আছে সিনেটরের?
সকল ঘটনার সাথে জড়িয়ে গেলেন সিনেটরের মেয়ে র‍্যাচেল যে কিনা আবার কাজ করে তার বাবার প্রতিদ্বন্দী প্রেসিডেন্টের হয়ে!
বিজ্ঞান আর রাজনীতির সংযোগে এক বিস্ময়কর ও শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনি!
পড়ে না থাকলে এখুনি পড়ে ফেলুন ডিসেপশন পয়েন্ট!
Profile Image for Samir(সমীর).
74 reviews9 followers
May 5, 2011
নাসা, গোয়েন্দা সংস্থা, হোয়াইট হাউস, বিরোধী দল, আমেরিকার জনগন...
Displaying 1 - 20 of 20 reviews