Jump to ratings and reviews
Rate this book

Muhammad: A Prophet for Our Time

Rate this book
Muhammad was born in 570 CE, and over the following sixty years built a thriving spiritual community, laying the foundations of a religion that changed the course of world history. There is more historical data on his life than on that of the founder of any other major faith, and yet his story is little known. Karen Armstrong's immaculately researched new biography of Muhammad will enable readers to understand the true origins and spirituality of a faith that is all too often misrepresented as cruel, intolerant, and inherently violent. An acclaimed authority on religious and spiritual issues, Armstrong offers a balanced, in-depth portrait, revealing the man at the heart of Islam by dismantling centuries of misconceptions. Armstrong demonstrates that Muhammad's life--a pivot point in history--has genuine relevance to the global crises we face today.

256 pages, Hardcover

First published January 1, 2006

Loading...
Loading...

About the author

Karen Armstrong

79 books3,481 followers
Karen Armstrong is a British author and commentator of Irish Catholic descent known for her books on comparative religion. A former Roman Catholic religious sister, she went from a conservative to a more liberal and mystical Christian faith. She attended St Anne's College, Oxford, while in the convent and graduated in English. She left the convent in 1969. Her work focuses on commonalities of the major religions, such as the importance of compassion and the Golden Rule.
Armstrong received the US$100,000 TED Prize in February 2008. She used that occasion to call for the creation of a Charter for Compassion, which was unveiled the following year.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1,398 (39%)
4 stars
1,325 (37%)
3 stars
630 (17%)
2 stars
149 (4%)
1 star
61 (1%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Mijanur Rahman.
54 reviews33 followers
October 6, 2016
সমস্য হচ্ছে আমাদের শুধু ভূল জিনিসটাই শিখানো হয় না ভূল ভাবেও শিখানো হয়। ইতিহাসে ব্যপারটা স্পর্শকাতর, আর সহশ্র বছরের কোন কোন পুরাতন ইতিহাসে তো ডালপালা মেলে, অনেকটা মিথের মতোই হয়ে যায়। ইসলাম নিয়ে যেটা পশ্চিমা সমাজে বেশী লক্ষ্যনীয়, আমদের সমাজেও কম কিসের!

অথেনটিক সোর্স থেকে মোহাম্মদ (স:) এর ধর্মিয়, রাজনৈতিক, ইকোনোমিক, সামাজিক মূল্যবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি বর্ননা করেছেন লেখিকা, যেগুলা বলা যায় ওয়েস্টার্ন লেখিকা হিসেবে মোহাম্মদের প্রতি ওয়েস্টার্নদের, সাথে অন্যদের ও বিরুপ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি কড়া জবাব, ইসলামের প্রতি কোন ধরনের এনডোর্সমেন্ট ছাড়াই। উনার ted.com talk এটাই বলে।

নতুন করে অনেক কিছু জানলাম। অথেন্টিসিটির দিক দিয়ে Karen Armstrong নির্ভর যোগ্য, উনার প্রোফাইল তাই বলে।
Profile Image for Mazduda.
7 reviews
January 9, 2026
নবীজীর (স) সময়ে সামাজিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বোঝার জন্যে দারুণ একটি বই। কারণ নবীজীকে বুঝতে হলে সেই সময়ের সমাজকে বুঝতে হবে, যেটা খুব ভালোভাবে স্টাডি করে তুলে ধরেছেন ক্যারেন আর্মস্ট্রং। বিশেষ করে কিছু বিষয় আগে আমার কাছে যে স্পষ্ট ছিল না তা আমি নিজেও বুঝতে পারি নি। উনার বিশ্লেষণ পড়ে অনুধাবন করলাম।
যেমন “কাফের” শব্দটার মূল অর্থ কী। আমি ভাবতাম, এর মানে হচ্ছে যারাই ইসলামের বিরোধিতা করে। কিন্তু ইসলাম আসলে কী? আর বিরোধিতা? - এটাকে আরও গভীরভাবে বোঝার আছে।

ক্যারেন লিখেছেন,
"Kafir derives from the root KFR ("ingratitude"), which implies a discourteous refusal of something that is offered with great kindness and generosity."
"অর্থাৎ কাফের মানে এমন অকৃতজ্ঞ মানুষ যাকে অনেক মমতা নিয়ে অনেককিছু দেয়া হলে সে অবজ্ঞার সাথে তা প্রত্যাখ্যান করে।"

এখানে বোঝানো হয়েছে স্রষ্টার কথা, যিনি আমাদের কোনোকিছু না দিলেও আমাদের কিছু করার ছিল না। যদি তিনি আমাদের চোখ না দিতেন, বা মুখ না দিতেন, ভাষা না দিতেন, চিন্তা করার মন না দিতেন, আমাদের কারও কিন্তু কিছু করার ছিল না। এখন স্রষ্টা যখন আমাদের দিচ্ছেন আর আমরা একে তাঁর দয়া বলে অস্বীকার করছি, এমন ভান করছি যেন এটাই আমার প্রাপ্য, আমি তো এটা পাবই! উল্টো স্রষ্টাকে এখানে স্মরণ কেন করতে হবে কীসের আবার ধন্যবাদ দিতে হবে - এমন মনোভাব হওয়াটাই কাফেরের লক্ষণ, সেটা যে ধর্মের মানুষই হোক না কেন।

“The Qur'an does not berate the kafirun for their lack of religious conviction, but for their arrogance. They are haughty and supercilious; they imagine that they are superior to the poorer
humbler people of Mecca, whom they consider second-class citizens and therefore worthy of contempt. Instead of realizing their utter dependence upon God, they still regard themselves as istighna'- self-reliant--and refuse to bow to Allah or anybody else”
“কোরআন কাফেরদের ভর্ৎসনা দেয় তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অভাবের জন্য নয়; বরং তাদের অহংকারের জন্য। তারা ছিল উদ্ধত ও আত্মগর্বে অন্ধ। তারা মনে করত, মক্কার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষদের চেয়ে তারা শ্রেষ্ঠ—যাদের তারা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক বলে গণ্য করত এবং অবজ্ঞার চোখে দেখতো।
আল্লাহর ওপর তাদের সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতার সত্য উপলব্ধি করার বদলে, তারা নিজেদের ‘ইস্তিগনা’—অর্থাৎ আত্মনির্ভরশীল—ভাবত এবং আল্লাহর কাছে কিংবা অন্য কারও সামনে মাথা নত করতে অস্বীকার করত।”

অর্থাৎ একটা সমাজে যখনই কেউ বৈষম্য করছে, নিজেকে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করছে, অহংকার ও দম্ভ প্রকাশ করছে, তখন সে কাফেরের মতন আচরণ করছে।
কারণ স্রষ্টাকে কেউ যদি সত্যি বিশ্বাস করে, তবে তার ভেতরে এই সচেতনতা থাকে যে সে নিজে আসলে কিছুই করতে পারে না। অর্থ বিত্ত ক্ষমতা কিছুই তার হাতের তৈরি হয়। হ্যাঁ, সে পরিশ্রম করতে পারে কিন্তু দেয়ার মালিক তো স্রষ্টা। তার নাক দিয়ে যে দমটা বেরিয়ে গেল, এর পরের দমটাও সে পাবে কিনা এর নিশ্চয়তাও কিন্তু তার নেই। যদি দম আর না আসে, কিছুই করার নেই।
তো এই সচেতনতা যখন আসে, যে স্রষ্টা আমাকে দিয়েছেন, আরেকজনকে হয়তো দেন নি, এবং স্রষ্টা চাইলে আমাকে যা কিছু দিয়েছেন তা যেকোনো সময় নিয়ে নিতে পারেন - তাহলে অহংকার আসে না। একজন বিশ্বাসী তাই নিজেকে অন্যের ওপরে ভাবতে পারে না।
কিন্তু “কাফির” মানুষেরা পারে। তারা যেকোনো ধর্মের হতে পারে। তাদের অহংকারের উৎস এই চিন্তা থেকেই আসে যে তারা ‘আত্মনির্ভরশীল” এবং তারা কখনো স্রষ্টার কাছে সত্যিকার অর্থে মাথা নত করতে পারে না।

আরেকটা কনসেপ্ট লেখিকা খুব স্পষ্টভাবে বর্ণনা করলেন যে জাহেলিয়াত শব্দের আসল অর্থ কী।
“Jahiliyyah - traditionally used this term to refer to the pre-Islamic period in Arabia and so it is usually translated "the Time of Ignorance."
But although the root JIL has some connotations of "ignorance," its primary meaning is "irascibility": an acute sensitivity to honor and prestige; arrogance, excess, and above all, a chronic tendency to violence and retaliation.”
জাহিলিয়াহ—ঐতিহ্যগতভাবে এই শব্দটি আরবের প্রাক-ইসলামিক যুগকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়; সে কারণে একে সাধারণত “অজ্ঞতার যুগ” বলে অনুবাদ করা হয়।
কিন্তু শব্দমূল J-H-L (জিল)-এ “অজ্ঞতা”-র অর্থ থাকলেও, এর মূল ও গভীরতর তাৎপর্য হলো ক্রোধ। এর সঙ্গে জড়িত ছিল সম্মান ও প্রতিপত্তি নিয়ে অতিমাত্রায় সংবেদনশীলতা, অহংকার ও বাড়াবাড়ি, এবং সর্বোপরি সহিংসতা ও প্রতিশোধপরায়ণতার এক দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা।

আসলে জাহেলিয়াহ কোনো সময়ের মধ্যে আবদ্ধ নয়। জাহেলিয়াহ একটা মানসিক অবস্থা যেটা সমাজে এখনো বিরাজ করছে। এবং এই জাহেলিয়াহ থেকে উত্তরণনের পথটাই দেখিয়েছেন নবীজী (স)।
ক্যারেন আর্মস্ট্রং-এর জাহেলিয়াত এর এই ব্যাখ্যা নিয়ে গুরুজী মহাজাতক খুব সুন্দর একটা আলোচনা করেছেন। সে আলোচনার লিঙ্কটা দিচ্ছি - https://speech.quantummethod.org.bd/b...

নবীজীর(স)- সময়টাকে বোঝার জন্যে এ আসলে চমৎকার একটা বই। তবে নবীজীকে অনুভব করার জন্যে হয়তো নয়, কারণ এখানে বেশ তথ্য আছে বিশ্লেষণ আছে, কিন্তু অনুভবের স্তর থেকে হয়তো লেখা হয় নি। নবীজীর মহানুভবতা অনুভবের জন্যে এই বইটি ঠিক নয়। তবে উনার প্রাজ্ঞতা গভীরভাবে বুঝতে উনার সময়ে সমাজকে বোঝা প্রয়োজন এবং এর জন্যে এই বইটি চমৎকার।
আবার এও ঠিক, কিছু ব্যাপারে আমি একমত নই, যেমন জয়নাবের ঘটনাটি যেভাবে লেখিকা তুলে ধরেছেন। আসলে এত এত সাধক আবেগকে জয় করতে পারেন, আর তিনি তো নবী। তাও, যারা বিশ্বাস করি তাদের জন্যে সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মানুষ। তার জন্যে কিছু আবেগকে জয় করা কোনো বিষয় হওয়ার কথা নয়। অবশ্য এখানে কিন্তু বোঝার ব্যাপার, সবকিছু তো রেফারেন্স ধরে বোঝানো যাবে না। নবীজী (স) কী ভেবেছেন সেটা তো আর বাহির থেকে বোঝা সম্ভব নয়, কিন্তু তাঁর কাজ তাঁর মহানুভবতার নিদর্শন দেখে আমরা সাধারণ মানুষেরা আঁচ করতে পারি।

তো কেউ যদি নবীজীকে অনুভব করতে চান, অন্তর থেকে বুঝতে চান, তবে এই বইটা সহায়ক হিসেবে খুব ভালো কাজ করবে। আবার এও ঠিক, যে অনেক লেখকের বইয়ে এত আবেগের উচ্ছ্বাস থাকে যে নবীজীকে বোঝা আরও কষ্ট হয়ে যায়। উনার সময়ের বাস্তবতাকে বোঝা কষ্ট হয়ে যায়। কারণ তিনি তো অনেক কষ্ট করেছিলেন। কোনোকিছুই রাতারাতি হয়ে যায় নি। জীবনের প্রতিটা মুহুর্তকে তিনি অন্যের কল্যাণে নিবেদিত করেছেন। এই কল্যাণ করাটা অনেক বড় দায়িত্ব অনেক বড় কাজ। তো কাজটা কেন এত কঠিন ছিল, সেই সময়ের পরিস্থিতি কী ছিল এটা বোঝার জন্যে ক্যারেন আর্মস্ট্রং এর বই প্রয়োজন আছে।
Profile Image for Tuton Mallick.
101 reviews5 followers
March 17, 2021
বই: Muhammad-Prophet for Our Time
লেখক: Karen Armstrong
প্রকাশনা: Harper Perennial (2007)
রেটিং: 4.5/5.0
পৃষ্ঠা: 249 (মূল বই 214)

বইটি মূলত ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদকে নিয়ে লেখা আমার পড়া প্রথম পূর্ণাঙ্গ বই। বইটি মূলত নবীজী এর রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখা। এই বইটির ভূমিকায় লেখক এই বই লেখার কারণ বলতে গিয়ে বলেছেন বইটি মূলত মহানবী সম্পর্কে পশ্চিমা সমাজে যে ভুল ধারনা প্রচলিত আছে তা ভেঙে দেবার প্রয়াসে লেখা।

বইটি কিন্তু মুহম্মদ এর বায়োগ্রাফি না। লেখকের আর একটি বই আছে নবীজীর জীবন নিয়ে। এই বইটি মূলত মুহম্মদ এবং কোরানের এর রাজনৈতিক চিন্তা গুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বইটি পাঁচ ভাগে বিভক্ত: Mecca(মক্কা), Jahiliyyah(জাহলিয়া), Hijrah(হিজরা), Jihad(জিহাদ) and Salam(সালাম)। প্রতিটি অংশে ঐ সময়ে মুহম্মদ এর জীবনে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক বিষয়গুলো উপর আলোকপাত করা হয়েছে। বইটিতে দেখানো হয়েছে মুহম্মদ কোরানের বাণী কে অনুসরণ করে কিভাবে যুদ্ধ ও সহিংসতা কে যথাসম্ভব এড়িয়ে আলোচনা ও নিজের জীবনাদর্শ দিয়ে রাজনৈতিক সমস্যা গুলোর সমাধান করেছেন। এমনকি উনার যুদ্ধবিহীন শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধান এর সিদ্ধান্তকে তখনকার অনেক বড় বড় ইসলাম গ্ৰহণকারী মুসলিম মেনে নিতে পারে নাই। কারণ তারা কোরানকে বোঝে নাই।

এই বইয়ের বিভিন্ন স্থানে কোরানের আয়াত ও মুহম্মদের কথা রেফারেন্স দিয়ে বোঝানো ইসলাম হানাহানির ধর্ম নয়। যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ মুহম্মদের জীবনধারা। পশ্চিমা সমাজে মুহম্মদ কে (সাথে ইসলামকেও) সন্ত্রাসের প্রতিরূপ মনে করা হয়। অথচ এই বইটি যেই পড়বে সেই বুঝবে পশ্চিমা বিশ্বের এই ধারণাটি ভুল।

এই বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে বইটিতে প্রতিটি বিষয়ে রেফারেন্স দেয়া হয়েছে। যেটি এই ধরনের বইয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি অমুসলিম ভাই বোনেরা এই বইটি পড়তে পারেন।। মুসলিম সমাজে যারা ধর্মপ্রচার বা ধর্ম নিয়ে কথা বলেন অথবা অন্য ধর্মকে হেয় করে কথা বলেন অথবা যুদ্ধ দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর তাঁরা এই বইটি অবশ্যই পড়া উচিত। কারণ এই বইয়ে একটি বিষয় প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে ইসলাম শান্তি ও পূনর্মিলন এর ধর্ম; নবীজী মুহম্মদ সেটি উনার জীবনধারাতে প্রকাশের চেষ্টা করেছেন।
#ধূসরকল্পনা
Profile Image for Zahidul Choyan.
82 reviews20 followers
June 20, 2019
মাত্র ১৬০ পৃষ্ঠার একটা বই। হযরত মুহাম্মদ (স:) এর জীবনী কারো পড়া না থাকলে একদম বিগিনিং হিসেবে শুরু করা যেতেই পারে। সর্বশ্রেষঠ মানুষের জীবনের পুরো অংশ এতো ক্ষুদ্র বইয়ে উঠে আসা সম্ভব নোয় একদম। Karon Armstrong সেই চেষ্টা করেছেন যতটুকু সম্ভব। ওনার মাধুর্য মন্ডিত লেখনী আর আবেগঘন ঘটনার বর্ণনা প্রশংসা অবশ্যই করতে হবে।
যেহেতু একদমই ছোট একটি বই, খুব ডিটেইলস কিছু আশা না করাই ভালো। ডিটেইলস এ যেতে হলে অবশ্যই আরো বড় বইয়ে যেতে হবে। আমি সাজেস্ট করবো Dr Yasir Qadhi এর ১১৪ পর্বের লেকচার সিরিজ শুনতে। প্রায় ১৩০ ঘণ্টার লেকচার সিরিজে উনি সব মেইন ইভেন্ট তো তুলে এনেছেন ই, খুঁটিনাটি অনেক ঘটনার বিভিন্ন বর্ণনাকারী থেকে পাওয়া মতপার্থক্য সমূহ ও সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করেছেন।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews