From #1 New York Times bestselling author Patricia Cornwell comes Postmortem, the groundbreaking thriller that introduced Dr. Kay Scarpetta and redefined the crime genre.
A killer is stalking the streets of Richmond, Virginia. When the bodies begin to mount, Chief Medical Examiner Kay Scarpetta is pulled into a chilling investigation that blends high-stakes forensics with psychological warfare. Armed with cutting-edge science and unflinching resolve, Scarpetta must navigate hostile forces both inside and outside the investigation—because someone isn’t just trying to hide the truth. They’re trying to kill her.
Cornwell’s gift for combining cutting-edge criminology with nerve-shattering suspense makes this book a true modern classic. Relentlessly paced and shockingly prescient, Postmortem is the electrifying first chapter in the Scarpetta series—still as razor-sharp and relevant as ever.
বইটা পড়ার পর অনেকেই ভ্রু কুচকাবেন জানি, কিন্তু একটা জিনিস মাথায় রাখলে সমস্যা হবে না। বইটা যখন লেখা হয়েছে তখন এরকম জিনিসই সবচেয়ে আপডেটেড ছিল, মানে প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ব্যাপারের কথা বলছি। এখনকার লেখকদের সুবিধে হচ্ছে দরকারে বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার লেখায় করতে পারেন, তখন এরকম ছিল না, সীমিত উপকরণ দিয়েই সাজাতে হতো। এখানেই লেখিকার স্বার্থকতা বলে মনে করি। পাতার পর পাতা উলটে গিয়েছি। স্কারপেট্টাকেও মনে ধরেছে খুবই। ব্লাড/গোর যদি ভালো লাগে.. তাহলে বইটা একটা ট্রিট হতে পারে আপনার জন্যে। এত আগে এরকম কিছু লেখার জন্যে প্যাট্রিসিয়া কর্নওয়েলকে স্যালুট :)
দুর্দান্ত একটা থ্রিলার পড়ার প্রতিক্রিয়া বরাবরই মধুর। এইবারও বইশেষে একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে পারতাম, কিন্তু পারিনি।
৯০ দশকের রিচমন্ড শহর। জুনের ছয় তারিখ রাত আড়াইটার দিকে খবর এলো একজন নারীর লাশ পাওয়া গেছে। গত দুই মাসজুড়ে রিচমন্ডে নারীদের ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যাকারীর চতুর্থ শিকার সে। ঘটনাস্থলে পৌঁছালো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, চীফ মেডিক্যাল এক্সামিনার ডঃ কে স্কারপেট্টা। এমনিতেই এই সিরিয়াল কিলারের কেস নিয়ে সে যথেষ্ট চাপে আছে, সঙ্গে যোগ হলো তার অফিস থেকে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, গভর্নরের হুমকিধামকি আর পুলিশের ধারাবাহিক নাক গলানো তো আছেই। সবমিলিয়ে ডঃ স্কারপেট্টা যখন নাকানিচুবানি খাচ্ছেন তখন আবার আঘাত হানলো খুনি। কে হতে পারে সে?
উপন্যাসটার কাহিনী চমৎকার, সিরিয়াল কিলিং উপন্যাস যেমন হওয়া উচিৎ ঠিক তেমনই। কে স্কারপেট্টা আমার ভালোলাগার একজন চরিত্র, বডি অফ এভিডেন্সেই তার সাথে পরিচয় আমার। এছাড়া ভালো লেগেছে একেকটা ক্লুয়ের সূক্ষ্ম ব্যবচ্ছেদ, লেখিকা মেডিক্যাল এক্সামিনারের অফিসের কর্মপদ্ধতি তুলে ধরেছেন নিপুণভাবে।
এবার আসি আমার অভিযোগ অনুবাদে। শুনতে অবাক লাগলেও সান্তা রিকির অনুবাদ আমার একেক বইয়ে একেক রকম লাগে। দ্য সার্জন, দ্য সিনার দুইটা বইয়ে তার অনুবাদ অনেক ভালো লেগেছিলো। হোয়াই ডিডন'ট দে আস্ক টু ইভান বইয়ের কয়েক পাতা পড়ে রেখে দিয়েছিলাম এত খারাপ ছিল অনুবাদ। এই বইয়ে তার অনুবাদ কিছু জায়গায় খুব ভালো আবার কিছু জায়গায় অদ্ভুত। যেমন প্রতি আট দশটা প্রাঞ্জল বাক্যের মাঝখানে দুম করে কঠিন ভাষায় একটা বাক্য যা পড়ার ফ্লো তে বাধা দেয়। কিছু সিলি ভুল, যেমন 'করিনি' এর পরিবর্তে লেখা হয়েছে 'করেছিলাম না' কিংবা 'পারেনি' এর পরিবর্তে 'পেরেছিল না' লেখা হয়েছে পুরো বইজুড়ে। আরেকটা শব্দ পেলাম 'আদৌতে', আমার জানামতে এমন কোন শন্দ বাংলাতে নেই। এছাড়া জটিল, লম্বা বাক্যগুলো চাইলে দুটো সরল বাক্যে রূপান্তর করা যেতো। তা না করে মূল বাক্যকেই অবিকল রেখে শুধু ভাষান্তর করেছেন। ফলে ঐ বাক্যের সহজবোধ্যতা নষ্ট হয়েছে।
আমি বলবো সান্তা রিকি আপু যেন ভবিষ্যতে অনুবাদের পর কোন স্বীকৃত অনুবাদককে দিয়ে বইটা পড়িয়ে যথেষ্ট পরিমার্জন করে তবেই ছাপতে দেন। কারন একজন অনুবাদকের যাবতীয় পরিশ্রমই ব্যর্থ যদি বই পড়ে পাঠক মূল বইয়ের অনুরূপ স্বাদ না পায়। অনুবাদে আমি দিবো ৩.৫/৫
থ্রিলারপ্রেমীদের কাছে পোস্টমর্টেম ভালো লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
চমৎকার। ডক্টর কে'র জবানিতে মেডিক্যাল এক্সামিন এর অজস্র খটমটে টার্ম শুনতে শুনতে আমিও কে'র মতোই সন্দিহান ছিলাম আসল খুনি কে। কখনো পিটারসেন, কখনো মিঃ বোল্টজ, কখনো বা খোদ পুলিশ অফিসার ম্যারিনোর দিকেও সন্দেহ হচ্ছিলো। সাসপেন্স বেশ ভালোই টান টান করে রেখেছিলেন কাহিনি জুড়ে
কিছু সিনেমার যেমন প্লট ভালো হলেও স্ক্রিনপ্লে ঠিকঠাক না হলে দেখে ভালো লাগে না , এই বই টা সেরকম । সিরিয়াল কিলিং-ডিটেকটিভ-মেডিকেল থ্রিলার বই , প্লট ভালোভাবেই সাজানো কিন্তু অনুবাদ টা কেমন জানি । অনেক মেডিকেল /টেকনিক্যাল টার্ম আছে তাই সব শব্দ অনুবাদ ঠিকঠাক হবে না জানি , কিন্তু কিছু বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ বাংলা অনুবাদ না করলেও চলত । আবার কিছু অনুবাদ যেমন , " পাইনি ,হয়নি " এর জায়গায় লিখা ছিল ,"পেয়েছিলাম না, হয়েছিল না " যা স্বাভাবিকভাবে "পেয়েছিলাম, হয়েছিল " এর বিপরীত হলেও বাক্যে ঠিক এভাবে ব্যবহার করা যায় না । এই ভাষাগত কারণেই পড়া শুরু করার অনেকদিন পর আবার নতুন করে শুরু করা লাগছে । মানে এত ভাষাগত ভুল চোখে পড়লে কনটেক্সট এ মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন তাই কিছুটা এক বসাতেই শেষ করা লাগল । তার সাথে আছে প্রিন্টিং মিস্টেক , অনেক ইংরেজি শব্দের বিজয় বাংলা কি বোর্ড লেআউট এর টেক্সট ছাপা । অনেক ইংরেজি শব্দের বানান ও ভুল । "ই ,য় " এর দৃষ্টিকটু ভুল - যেমন "যাই" এর স্থলে "যায়" লিখা । প্রথমে ভাবছিলাম অনেকদিন বাংলা অনুবাদ পড়িনা তাই এমন লাগতেছে + শেষ করার কমিটমেন্ট থেকে বইটা আবার ধরা হইছে। সরাসরি ইংরেজি বইটা পড়লে যেমন স্বাভাবিকভাবেই পড়ার মাঝে এত বিরক্তি আসত না তেমনি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে পড়লেও মনোযোগ থাকত। এতসব কাহিনী লিখলাম কারণ আমার হিসাবে ফাইভ স্টার পাওয়ার মত বই কিন্তু অনুবাদ/ছাপার মান অনুযায়ী ফোর স্টার দিলাম ।