Jump to ratings and reviews
Rate this book

খেলার নাম খুন

Rate this book

171 pages, Hardcover

First published April 15, 2019

21 people are currently reading
245 people want to read

About the author

Saikat Mukhopadhyay

58 books120 followers
তাঁর জন্ম এবং বড় হওয়া হুগলি জেলার উত্তরপাড়ায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর উপাধি অর্জনের পরে তিনি রাজ্য সরকারের অধীনে আধিকারিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ দুই-দশকের লেখক-জীবনে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-সাহিত্য, উভয় ধারাতেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তিনি যখন গল্প-উপন্যাস লেখেন, তখন ঘটনার বিবরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন মানব-মনের আলোছায়াকে তুলে আনার বিষয়ে। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। তাঁর বহু কাহিনি রেডিও-স্টোরি হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে সমাদর পেয়েছে। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দীনেশচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার এবং নান্দনিক সাহিত্য সম্মান।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
46 (26%)
4 stars
79 (46%)
3 stars
38 (22%)
2 stars
7 (4%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 28 of 28 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews140 followers
May 30, 2023
উমাশঙ্কর চৌবে। খাতায় কলমে অবসরপ্রাপ্ত উচ্চবিভাগীয় পুলিশ কর্তা। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের বাসিন্দা এই অভিজ্ঞ মানুষটির কাছে মাঝে মধ্যেই ছুটে আসে তরুণ অফিসার বিনায়ক বসু। উদ্দেশ্য, জটিল কিছু কেসের দ্রুত সমাধান। কর্মঠ বিনায়কের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, এবং চৌবে সাহেবের অব্যর্থ ডিডাকসন দুইয়ে মিলে এগিয়ে চলে সৈকত মুখোপাধ্যায়-এর গোয়েন্দা কাহিনী সংকলন 'খেলার নাম খুন'।

থ্রিলার হিসেবে গল্পগুলো খুব আহামরি সেই দাবী করছি না। মশলা মেশানোর তাগিদে বাড়াবাড়ি ধরনের খুন, যৌনতা বা অবৈধ সম্পর্কের বর্ণনার ধারে কাছে ঘেষেননি লেখক। সে দিক থেকে দেখতে গেলে, উত্তরবঙ্গের পটভূমিতে আধারিত গল্পগুলো বেশ অনাড়ম্বর এবং সহজপাচ্য। 'নোনা বালি...' বা 'ঈশ্বরের নষ্ট...' - এর মতন বিভৎসতা আশা করে এলে অবশ্য হতাশ হবেন। তবে গল্পগুলোকে কিশোরপাঠ্য গোয়েন্দা কাহিনীর চোখ দিয়ে দেখুন। দেখবেন বেশ মন ভালো করা একটা গল্পগুচ্ছ হাতে পেয়েছেন।

বেশিরভাগ কাহিনীতেই অপরাধ ও অপরাধীর পরিচয় আগে ভাগেই জানিয়ে দিচ্ছেন লেখক। সে জায়গায় দাঁড়িয়ে উমাশঙ্কর চৌবে স্রেফ তার চিন্তা এবং অনুমান ক্ষমতার দ্বারা, কিভাবে অপরাধের মূলে পৌঁছচ্ছেন সেখানেই গল্পগুলোর সরল সার্থকতা। উপরন্তু সমস্ত রকমের পুলিশি লেগওয়ার্কের জন্যে সর্বদা পাশে পাচ্ছেন বিনায়কের মতন যোগ্য সহায়ককে। এখানে আর পাঁচটা গোয়েন্দা গল্পের হাবাগোবা সহকারীর থেকে বিনায়ক অনেকটাই স্বতন্ত্র।

দী ক্যাফে টেবল-এর পরিবেশনায় সামান্য ত্রুটি পাওয়া যায় বৈকি। বই জুড়ে অনেক জায়গায় ছোটখাটো বানানের অসঙ্গতি। এছাড়াও গল্পগুলোর প্রকাশকাল সমন্ধে কোনো তথ্য না থাকায়, চৌবে সাহেবের কালানুক্রমিক বিবর্তনটা পাঠক ঠিক ধরতে পারে না।

বই জুড়ে মোট ছয়টি মাঝারি মাপের গল্প এবং একটি উপন্যাস। উপন্যাস 'সেই হাত জ্যান্ত', নিঃসন্দেহে বইয়ের সেরা উপাখ্যান। এর থেকেই বোঝা যায়, একটু বড় পরিধিতে চৌবে সাহেবের দৃড়চেতা ডিটেকশন ঠিক মানিয়েই যায় না, অভিযানখানা হয়ে ওঠে রীতিমত উপাদেয়। লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়কে তাই বিনীত আবেদন, থেমে যাবেন না, চৌবে সাহেব ও বিনায়ক বসুকেও থামিয়ে দেবেন না।

আরো একটা সংকলন হয়ে যাক। যতই হোক, উমাশঙ্কর চৌবে এমন একজন মানুষ যিনি "অবসর নেন না।"

৩/৫ ✨
Profile Image for Sumaîya Afrôze Puspîta.
241 reviews309 followers
December 19, 2025
নতুন এক গোয়েন্দার কথা বলি...

ভদ্রলোক আমাদের চেনা শার্লক, কাকাবাবু, ফেলুদা, বক্সী কিংবা মিসির আলীর চেয়ে সামান্য ভিন্ন ধাঁচের। একজন রিটায়ার্ড পুলিশ অফিসার, নাম উমাশঙ্কর চৌবে। কিন্তু কাজে রিটায়ার্ড হলেও তিনি আসলে এমন 'একজন মানুষ যিনি অবসর নেন না।'
জটিল কেসের সমাধানে তিনি কখনোই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ফরেনসিক, জুতোর দাগ কিংবা রক্তের ছোপের ধার ধারেন না। পুলিশিতে চিরচেনা পদ্ধতি 'থানায় তুলে এনে থার্ড ডিগ্রি দিয়ে পেটের কথা বার করা'–তাতেও তার ঘোর আপত্তি।

তাহলে কীভাবে অপরাধীর নাগাল পান? উত্তরটা তারই ভাষায়—“অপরাধীর মনের ভেতর ঢুকে পড়ো। ইনভেস্টিগেশনের সময় নিজেই মনে মনে অপরাধী হয়ে যাও। ভাবো, ওই সময় তুমি হলে কী করতে!” এক্ষেত্রে তার গোয়েন্দাগিরির আদর্শ হলেন এক গেঁয়ো পাদ্রী, ফাদার ব্রাউন।

একজন ব্যতিক্রমী ও মনস্তত্ত্ববিদ এই গোয়েন্দার কাছে আপাতদৃষ্টিতে সহজ কিন্তু জটিল ধরনের কেসে সাহায্য নিতে আসেন বিনায়ক বসু। সেই কেসগুলো নিয়েই ছয়টি গল্প সাজানো হয়েছে। সাথে একটি উপন্যাস 'সেই হাত জ্যান্ত।'

▫️▪️▫️

গল্পগুলো চলনস‌ই। অনেকদিন আন্তর্জাতিক কূটকচালির চাপ মাথায় নিতে নিতে হঠাৎ এমন ঘরোয়া গল্প বেশ লাগে পড়তে। আর উপন্যাসটা তো ভীষণ ভালো লেখা হয়েছে। নতুনত্ব আছে, বলবার ভঙ্গিটাও চমৎকার। এর আগে লেখকের 'ঈশ্বরের নষ্ট ভ্রুণ' আমাকে মারাত্মক ধাক্কা দিয়েছিল। এখানেও তেমন কিছু থাকার প্রত্যাশা ছিল। তবে আশা না মিটলেও শান্তি মিলেছে।
Profile Image for Gourab Mukherjee.
167 reviews24 followers
March 20, 2021
সৈকত মুখোপাধ্যায় detective গল্পও লিখেছেন জানতাম না। এমনকি Sunday Suspense এও শুনিনি। বন্ধু মৃন্ময়ের কথায় বইটা কেনা। যাই হোক আসি পাঠ প্রতিক্রিয়ায়।

🌀 এক আলাদা ধরনের একটা দুনিয়া বানিয়েছেন লেখক। সাধারণ ডিটেক্টিভ গল্প বলতে আমরা যা বুঝি, একজন গোয়েন্দা, তার সাগরেদ একজন লেখক আর শহরের এক অকর্মণ্য পুলিশ, যার দ্বারা কোন কেস solve হয় না।
তারপর একদম background এ আগুন জ্বলতে জ্বলতে আমাদের গোয়েন্দা হিরোর এন্ট্রি। সে ছাই শুঁকে, পায়ের ছাপ চেটে, একাই খুনিকে তাড়া করে ধরে ফেলবে। এই গল্প ওই গতে বাঁধা টেমপ্লেটটার দফারফা করে ছেড়েছে।

🌀 এখানে গোয়েন্দা চরিত্রের OBSERVATION SKILL তেমন ভালো না, তিনি স্বীকারও করেন এবং তার সাগরেদ পুলিশ অফিসারটি এই কাজ ভালো করেন বলে তার প্রশংসাও করেন। 🥰 গোয়েন্দার মূল USP হলো deduction আর অপরাধীর মনে ঢুকে গোটা ঘটনাটা reconstruct করা। শুধু এই জন্যই ইনি অসাধারণ।

এই মৌলিক প্লটের জন্যই প্রতিটা গল্প গোগ্রাসে গিলেছি।🥰🥰🥰 মানুষের উন্নতির জন্য দরকার উৎসাহ আর constructive criticism, খিল্লি নয়, ওতে নিজের পাশবিক সন্তুষ্টি এলেও কারোর কোন উন্নতি হয়না। এখানে গোয়েন্দা চরিত্র এই জিনিসটি খুব সুন্দর ভাবে করে গেছেন। তার সাগরেদ typical হাঁদাকান্ত নয়, তিনিও বুদ্ধিমান। 🧐🧐এবং আমরা ওই situation এ থাকলে যা করব সেগুলো সব তিনি করে রাখেন। গোয়েন্দা আসেন এর পর; সব থেকে কষ্টকর জট গুলো খোলার জন্য। আর তাতেই তিনি সিদ্ধহস্ত। 😎


🌀 গল্পের genre কিশোর গোয়েন্দা গল্প বলা যেতে পারে।🤓 কারণ বিশাল বিশাল খুন, রক্তারক্তি নেই তবে বেশ টুইস্ট আছে এদিক ওদিক। তবে বিশাল বিশাল টুইস্টও নয়। তাই বাড়াবাড়ি deduction এর আশা নিয়ে পড়া শুরু করবেন না। ওই কিশোর শব্দটা মনে রাখবেন। তাহলেই দেখবেন বেশ মন ভালো হয়ে যাবে, ঠান্ডা মাথায় পড়ে ফেলতে পারবেন। 🥰

১৭১ পাতার বই। দুদিনের বেশি লাগার কথা না। ছোট গল্প গুলির মধ্যে আঁকা বাঁকা শেষ লেখা, খেলার নাম খুন আর সব থেকে ভালো লেগেছে রুপোর কাঠি গল্পটা।
সেই হাত জ্যান্ত উপন্যাসটিও বেশ ভালো। শেষটা একদম মাথা খুলে হাতে এনে দিয়েছে। উমাশংকর চৌবে আবার ফেরত আসুন আরও এক ঝুড়ি গল্প নিয়ে। অপেক্ষায় থাকলাম। 🕺🕺
Profile Image for Antu Paul.
128 reviews95 followers
December 19, 2025
সেই হাত জ্যান্ত নভেলাটা সানডে সাসপেন্সে শুনে প্রথম পরিচয় হয়েছিল অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার উমাশঙ্কর চৌবের সঙ্গে। কাহিনীটায় নতুনত্ব ছিল এবং অনেক ভালো লাগায় আরও কয়েকটা ছোটগল্পও শুনে ফেলি। অবশিষ্ট ছিল দুটো; সেদুটো হার্ডকপি পড়ে শেষ করলাম।

ছটা ক্ষুদ্র গল্প ও একটা নভেলা নিয়ে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত বিচক্ষণ গোয়েন্দা উমাশঙ্কর চৌবের যাত্রা শুরু। পরে এই চরিত্রকে নিয়ে আর কোনো বই হয়ত প্রকাশ পায়নি। যাহোক, চাকরিতে থাকাকালীন উমাশঙ্কর চৌবে হাতেকলমে তদন্ত না করে মস্তিষ্কের ধূসর কোষগুলোর ভিতরে রহস্যের সমাধান করতেন। অবসরকালীন সময়ে ইন্সপেক্টর বিনায়ককে সাহায্য করতে আবারও রহস্যের জট ছাড়াতে নেমে পড়েন। পূর্বের মতোই নিজে অকুস্থলে খানা-তল্লাশির কাজউপেক্ষা করে ব��নায়কের কাছ থেকে যা জানতে পারেন তাই জট ছাড়াতে থাকেন চৌবে মশাই । এজন্য পাঠকের হয়ত কিছু ক্ষেত্রে একটু বাড়াবাড়ি মনে হতেই পারে! তবে ছোটগল্পগুলো খুব ভালো না লাগলেও নভেলাটা দুর্দান্ত ছিল।
এবার একটু স্পয়লার এড়িয়ে কিছু খটকা তুলে ধরছি যেটা চোখে পড়ল
[পাঠকদেরর পড়ার মজা নষ্ট করব না বলে রূপকের আশ্রয় নিচ্ছি]
• আপনি কাউকে শেখাচ্ছেন সূর্যের অবস্থান দেখে কীভাবে সময় বা দিক বের করতে শেখাচ্ছেন এবং এ বিদ্যেই আপনি এক্সপার্ট। কিন্তু আজ সূর্যোদয় হলো পশ্চিম দিক থেকে এটা কি আপনি খেয়াল করেও অবাক হবেন না‽
• আপনার এমন একটা চশমা আছে যেটা দিয়ে আপনি দেয়ালের ওপারে কী আছে তা দেখতে পারেন। তাহলে কেন আপনি কষ্ট করে মাথা খাটাবেন দেয়ালের ওপাশে যাওয়ার জন্য?

গল্পগুলোর নাম কিন্তু বললাম না!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Aishu Rehman.
1,127 reviews1,121 followers
July 9, 2021
সৈকত মুখোপাধ্যায় আমার অতি পছন্দের লেখক। তার যেকোন লেখায় গোগ্রাসে গিলি। আর এই বইটি পড়ার বাসনা ছিল বহুদিন থেকেই। অবশ্য তার একমাত্র হেতু ছিল মিরচি বাংলার দুর্দান্ত উপস্থাপনায় প্রচার করা কয়েকটি গল্প । বইটি ৭টি গল্পের সংকলন। প্রতিটি গল্পেই উমাশঙ্কর চৌবে তাঁর অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ততার স্পষ্ট ছাপ রেখেছেন বলতেই হবে ।

রহস্যের বুনন থেকে সমাধান সূত্র সবটাই এত স্বতন্ত্র ও সাবলীল যে পাঠক কোনোভাবেই উৎসাহ হারাবার সময় পাবে না। কোথাও কোনো শব্দ বা বাক্য বাড়তি লেখা হয়নি, যা লেখা হয়েছে সবটুকুই যথাযথ ও প্রয়োজনীয়। একেই বোধহয় নির্মেদ লেখা বলা হয়, পাতা ভরানোর তাগিদ নেই, যা আছে গল্পের জন্য আছে, পাঠক মনকে মাতিয়ে রাখার জন্য ঐটুকই যথেষ্ট।

গল্প পড়ার পর বুঝতে পারা যায়, কত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলিমেন্ট দিয়ে রহস্যের নিবিড় জাল বুনেছেন। সহজ সরল কিন্তু জটিলতার সেই রেখা স্পর্শ করেছে।

যে সকল পাঠক ব্যোমকেশের পর সেভাবে গোয়েন্দা কাহিনী পড়ে তৃপ্ত হচ্ছিলেন না, তাদের জন্য আরও একটু পূরণের জন্য মোক্ষম উমাশঙ্কর চোবে । উমাশঙ্কর চৌবেকে আমাদের কাছে আনার জন্য মাননীয় লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা জানাই। ভবিষ্যতে চৌবেসাহেব ও বিনায়কের আরও কিছু অভিযান ফিরে পাব বলেই আশা রাখছি।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,880 followers
November 23, 2021
রহস্য গল্প, গোয়েন্দা গল্প, ক্রাইম স্টোরি, থ্রিলার, নোয়া— এগুলো প্রত্যেকটাই আলাদা ধরনের লেখা। বাংলায় আমরা সবই গুলিয়ে ফেলি। কিন্তু এদের লেখার নিয়ম-কানুন একেবারেই আলাদা।
তাহলে প্রশ্ন ওঠে, রহস্যভেদী উমাশঙ্কর চৌবে'র যে-সব কাহিনি এই সুমুদ্রিত, সু-অলংকৃত বইটিতে স্থান পেয়েছে, তারা কোন গোত্রের?
এদের আদতে রহস্য গল্প ছাড়া কিছু বলা চলে না। তাদের উৎস হয়ে এসেছে এক-একটি অপরাধ। প্রাক্তন পুলিশ অফিসার হিসেবে উমাশঙ্করের ভূমিকাও এখানে প্রায় গোয়েন্দারই। কিন্তু তবু এই গল্পগুলো লেখা হয়েছে মূলত যুক্তি ও বুদ্ধির খেলা হিসেবে। তাই এদের মিস্ট্রি তথা রহস্য গল্পই বলতে হচ্ছে।
কী-কী লেখা আছে এই বইয়ে?
আছে ছ'টি গল্প ও একটি বড়োগল্প, যাকে বইয়ে উপন্যাস হিসেবে দাবি করা হয়েছে। তারা হল~
১. খেলার নাম খুন
২. আঁকাবাঁকা শেষ লেখা
৩. ভবানী ভ্যানিশ
৪. ছক্কা পুট
৫. তেরো নম্বর ছোরা
৬. রুপোর কাঠি
৭. সেই হাত জ্যান্ত
পাকা হাতের সরস লেখা, উত্তরবঙ্গের পটভূমিতে কিছু ঘোরাঘুরি— এ-সবের চেয়েও এই বইয়ের আসল আবেদন অন্য জায়গায়। সেটা কী বলুন তো? এতে লেখক পাঠক হিসেবে আপনাকেও মগজাস্ত্র প্রয়োগ করে রহস্যভেদের সম্পূর্ণ সুযোগ দিয়েছেন। এই ফেয়ার-প্লে ভাবনাটির জন্যই এই বইয়ে লেখক আর পাঠকের খেলা জমে ওঠে। আর সেই খেলার নাম হল...?
হাতে পেলেই বইটা পড়ে ফেলুন।
Profile Image for Farhan.
741 reviews12 followers
December 14, 2025
বইয়ের মূল চরিত্র, রিটায়ার্ড পুলিশ অফিসার উমাশঙ্কর চৌবে'র নিজের ভাষায় তার পছন্দের চরিত্র জি কে চেস্টারটনের ফাদার ব্রাউন, যিনি কিনা দৌড়ঝাঁপের বদলে ঘরে বসে রহস্য সমাধান করতে পছন্দ করেন। চরিত্রটায় সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু গল্পগুলো তেমন যুতসই হয়নি।
Profile Image for Ayesha.
117 reviews37 followers
July 28, 2022
প্রথম গল্পগুলো অতটা ভালো না লাগলেও শেষ গল্পটায় একদম বাজিমাত করে দিয়েছে!
December 21, 2025
সৈকত মুখোপাধ্যায় বই এই প্রথম পড়া।

বিভিন্ন ধরনের ডিটেকটিভ উপন্যাস এর আমাদের চেনা শার্লক, কাকাবাবু, ফেলুদা, বক্সী কিংবা মিসির আলীর চেয়ে সামান্য ভিন্ন ধাঁচের। একজন রিটায়ার্ড পুলিশ অফিসার, নাম উমাশঙ্কর চৌবে। কিন্তু কাজে রিটায়ার্ড হলেও তিনি আসলে এমন 'একজন মানুষ যিনি অবসর নেন না।' জটিল কেসের সমাধানের জন্য তিনি পুলিশের চিরচেনা পদ্ধতি 'থানায় তুলে এনে থার্ড ডিগ্রি দিয়ে পেটের কথা বার করা', তাতেও তার আপত্তি। তাহলে কীভাবে অপরাধীর নাগাল পান? উত্তরটা তারই ভাষায়—“অপরাধীর মনের ভেতর ঢুকে পড়ো। ইনভেস্টিগেশনের সময় নিজেই মনে মনে অপরাধী হয়ে যাও। ভাবো, ওই সময় তুমি হলে কী করতে!” মুখোপাধ্যায় রচিত এই উপন্যাসে অফিসার বিনায়ক বসু প্রায়ই জটিল কেসের সমাধানের জন্য ছুটে আসেন চৌবেসাহেবের কাছে।উমাশঙ্কর চৌবে স্রেফ তার চিন্তা এবং অনুমান ক্ষমতার দ্বারা, কিভাবে অপরাধের মূলে পৌঁছচ্ছেন সেখানেই গল্পগুলোর সরল সার্থকতা।

পরিবেশনায় সামান্য ত্রুটি পাওয়া যায়। বই জুড়ে অনেক জায়গায় ছোটখাটো বানানের অসঙ্গতিও লক্ষ করা যায়। গল্পগুলো ভালো লেগেছে, লেখনি সরল স্বভাবের আহামরি কিছু একটা না হলেও পরিবেশন করেছেন সুন্দর করে।

আরো একটা সংকলন হয়ে যাক উমাশঙ্কর চৌবের আত্মাজীবনি নিয়ে । যতই হোক, উমাশঙ্কর চৌবে এমন একজন মানুষ যিনি "অবসর নেন না।"
Profile Image for Md. Mozaddedul Haque.
19 reviews8 followers
November 8, 2021
সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা বহমান স্রোতের মতো, শুরু করলে আপনা থেকেই টেনে নিয়ে যায়। খেলার নাম খুন, আঁকাবাঁকা শেষ লেখা, রুপোর কাঠি গল্পগুলো ভালো লেগেছ। তবে সবচেয়ে ভালো লেগেছে সেই হাত জ্যান্ত উপন্যাসটি। মাথা ঘোরানো টুইস্টের চাইতে বাঙালীয়ানা রহস্যের প্রতিই লেখক বেশি জোর দিয়েছেন। আর তাতেই বইটার প্রতি ভালো লাগাটা বেড়েছে।
Profile Image for Farzana Raisa.
534 reviews253 followers
January 1, 2026
সৈকত মুখোপাধ্যায়ের আগে একটা বই পড়েছিলাম, ছোট গল্প। সেই থেকে মনে হইসিল ভদ্রলোক অন্তত নিরাশ করবেন না। বছর শেষ উপলক্ষে শুরু করেছিলাম তাই ছোটখাটো একটা বই। কিন্তু শেষ হতে হতে নতুন বছর।

যাই হোক, উমাশঙ্কর চৌবে কে বেশ লাগলো। কুল টাইপ একটা ক্যারেক্টার। বইয়ের একমাত্র বড় গল্প সেই হাত জ্যান্ত ভাল্লাগসে, কিন্তু 'কেন' এইটা নিয়ে আরেকটু কাজ করলে বোধহয় বেশি ভাল্লাগতো। এমনিতে ছোট গল্পগুলাও সুন্দর। মনে হয় উমাশঙ্করের যেই অরা লেখক ক্রিয়েট করেছেন সেটার জন্যই সাধারণ গল্পগুলোকেও অসাধারণ মনে হয়েছে।
Profile Image for Habiba♡.
353 reviews22 followers
September 5, 2021
সৈকত মুখোপাধ্যায় এর লেখা আমার প্রায়শই পড়তে ভালো লাগে। দারুন সব কেচ্ছা কাহিনী নিয়ে হাজির হন তিনি।

এই প্রথম উনার ডিটেকটিভ গল্প পড়লাম। কিন্ত এটা খুবই সাধারন লাগলো। নতুবা সবসময় কিছু না কিছু ইন্টারেস্টিং এলিমেন্ট থাকেই।
Profile Image for Swati Ray.
40 reviews5 followers
September 28, 2020
ছোট্ট বই। পাতার সংখ্যা মাত্র ৮৭। তবু রূপোর কাঠি খুবই ভাল লেগেছে ক্রাইমের অভিনবত্বের জন্য এবং ডিটেকশনের মুন্সিয়ানায়। আর ভাল লেগেছে তের নম্বর ছোরা গল্প বলার ধরণের জন্য। আর গল্প হিসেবে জমাটি শেষ গল্পটি 'সেই হাত জ্যান্ত'।
Profile Image for Rafeed Kamal Dhruba.
4 reviews
October 27, 2021
'আঁকাবাঁকা শেষ লেখা' গল্পটি এবং 'সেই হাত জ্যান্ত' উপন্যাসটি ভালো লেগেছে। 'ভবানী ভ্যানিশ', 'রুপোর কাঠি' মোটামোটি লেগেছে। বাকি গল্পগুলো আমার কাছে জমেনি।
Profile Image for Rohit Sarkar.
24 reviews
February 11, 2026
📚বই~খেলার নাম খুন
🪄লেখক~সৈকত মুখোপাধ্যায়
🎨🖼️প্রচ্ছদ ও অলংকরণ~স্বপন কুমার চন্দ
💸মুদ্রিত মূল্য ~৩৭৫/-
🖨️প্রকাশক~দ্য ক্যাফে টেবল

📝পাঠ অনুভূতি

🧧প্রথমেই বলি এটি একটি সংকলনধর্মী বই।যার মধ্যে রয়েছে মোট ছয়টি গল্প ও একটি উপন্যাস।
🎐 এবার একে একে আসা যাক প্রত্যেকটা গল্প নিয়ে কিছু আলোচনায়।

১.•খেলার নাম খুন•অজিত বর্মন নামে এক ব্যক্তির ঘরে বোমা ফাটায় তার শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় অজিতের দাদা অসীম বর্মনের টেররিস্ট যুগল বসুমাতারির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এই টেরোরিস্ট দলের সঙ্গে অসীম বর্মনের কোন সংযোগসূত্র রয়েছে? এর পেছনে কোন চক্রান্ত নেই তো? গল্পের মধ্যে থ্রিলিংটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত জিইয়ে রাখতে পেরেছেন লেখক😌

২.•আঁকাবাঁকা শেষ লেখা•উমাশঙ্কর চৌবের কাছে ইন্সপেক্টর বিনায়কের কল আসে। তিনিও পৌঁছান জয়গাঁতে। একটি মার্ডার হয়েছে এবং মার্ডার স্পটে এক বৃদ্ধকে দেখা যাচ্ছে যার যার চোখ দুটো আধখোলা যেন কোনো খরিদ্দার এসে তাকে এক্ষুনি তার দোকানের মাল দেওয়ার জন্য হাঁক- ডাক করবে। বিনায়ক সূত্রে জানা যায় তার নাম শাহজাদ কালাম , সবাই তাকে কালামভাই নামে চেনে। সে ছিল বিনায়কের ইনফর্মার। কোন তথ্য দিতে গিয়ে কালাম ভাইকে প্রাণের বলি দিতে হলো? ' MA SANKARI. I AM HASIM ' লেখা কাগজের মাধ্যমে সে কি বুঝিয়ে দিতে চাইলো? পাওয়া যাবে কি কালাম ভাইয়ের খুনিকে? চেক মেট কি হল আসলে? এতোটুকু একটি গল্প কিন্তু চমকের পর চমক। বিশেষ করে এই অ্যালফাবেটিক এবং নিউমেরিকাল ব্যাপারটার মধ্যে যথেষ্ট একটা "Brain Game" এর ব্যাপার নিহিত রয়েছে।

৩.•ভবানী ভ্যানিশ•বিনায়কের মুখে তন্ত্রসিদ্ধ,ডাকিনীসিদ্ধা শব্দগুলো শুনে একটু নড়েচড়ে বসেন চৌবেসাহেব। এক ডাকিনী সিদ্ধার নাম উঠে আসে, যে পরিচিত মা ভবানী নামে। নানাভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে, শ্যামলাল বর্মন নামে এক ব্যক্তিকে টুপি পরিয়ে তার ঘরের যাবতীয় গয়না নিয়ে স্রেফ হাওয়া হয়ে যায় এই তন্ত্রসিদ্ধা। বিনায়ক কি পারবেন একে ধরতে? চৌবেসাহেবের মস্তিষ্কের মধ্যে ঘুরে চলা এই কেসের থিওরিগুলোর কীভাবে পরিসমাপ্তি ঘটলো?

৪.•ছক্কা পুট•ভুটানের রাজার এক ভাই ডুয়ার্সের এক ফরেস্ট বাংলোয় বেড়াতে এসে, তার আংটিতে থাকা পদ্মরাগ হেরেটা হারিয়েছেন। আংটি উদ্ধারকার্যে বিনায়ক-তবুও সাহেব কি সফল হবেন? প্রথমেই বলি এই গল্পটা গত তিনটি গল্পের থেকে কিন্তু মস্তিষ্কপ্রসূতভাবে অনেকটা আলাদা। এই গল্পের ধাঁধা সমাধানে একটা আলাদা Physiology কাজ করেছে। বিশেষত ভিকটিমগুলোকে আলাদা করে চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রত্যেকের জবানি মিলিয়ে ও খতিয়ে দেখা হয়েছে। এমন নয় যে যে বাড়ির চাকর কিংবা ছোটখাটো কাজ করে তাকেও স্রেফ মনে হল বলে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। অংকের কারসাজির ব্যাপারটাও কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। একটা ছক্কা -পুট কিভাবে এই গল্পের ক্লাইম্যাক্স হয়ে উঠলো আপনি গল্পটা পড়লেই বুঝতে পারবেন।

৫.•তেরো নম্বর ছোরা•বিনায়ক বসু শোনাতে থাকেন এক কাহিনী। বিনায়কের জবানিতে নীলাদ্রি একটা কেসের তদন্ত করে নিপুন হাতে।নাইফ থ্রোয়িং ঘটনায়, সার্কাসের এক মহিলা খুন হন। আপাতদৃষ্টিতে এটা একটা দুর্ঘটনা হলেও নীলাদ্রি প্রমাণ করেন যে এটা একটা পরিকল্পিত খুন। কিন্তু পুরো ঘটনা শুনে আলাদাই থিওরি বের করেন চৌবেসাহেব। এই গল্পটাও যথেষ্ট বুদ্ধিদীপ্ত লেখা। এবং এর পরতে পরতে রয়েছে "থ্রিল" ব্যাপারটা। সত্য অন্বেষণের ক্ষেত্রে প্রচুর খটকা এসেছে চৌবে সাহেবের মাথায়। তারপর ওখানে সাইন্সের ভাষায় "ম্যাগনেটিজম" এর একটা থিওরি খাড়া করেছেন লেখক, Which Was Top Notch. দারুন দারুন গল্পটা ✨🍂

৬.•রুপোর কাঠি•হাসিমারা তে অবস্থিত একটি এয়ার বেসের ল্যাবরেটরী থেকে চুরি গেছে একটি পোলোনিয়াম নিডল। পোলোনিয়াম এটি তেজস্ক্রিয় বস্তু, যার রেডিয়েশনে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!পোলোনিয়ামটি যে ঘরে রাখা ছিল সেটি খুবই সুরক্ষিত ঘর এবং গুটিকতক মানুষই(কয়েকদিন উচ্চপদস্থ অফিসার এবং বিজ্ঞানীরা) সেখানে যাতায়াত করতে পারে, বাকি সবার সেই ঘরে ঢোকা কার্যত নিষিদ্ধ। তাহলে কিভাবে খোয়া গেল সেই নিডল? আদপে 'রুপোর কাঠি' র রহস্যের কি সমাধান হলো? রুদ্ধশ্বাস একটা গল্প, যার শেষ থেকে শুরু একেবারে টানটান।আমি তো দম ফেলার অবকাশ পাইনি‌। তবে চৌবেসাহেবের মাথায় যে কারেন্টের ন্যায় বুদ্ধি আছে, তা আবার এই গল্পের মাধ্যমে প্রমাণ হলো।

৭.•সেই হাত জ্যান্ত•জোড়াপোখরি থানার অধীনস্থ গ্রাম সাম্পা। সেই থানার ওসি সুরেশ তামাং এবং আলিপুরদুয়ার থানার ওসি বিনায়ক বসু জ্যাকি সুব্বা নামে এক ব্যক্তির রহস্যমৃত্যু তদন্তের ভার নিয়ে উপস্থিত হন উমাশঙ্কর চৌবের কাছে। জ্যাকি আদপে এক গুন্ডা, বহুভাষী, সজ্জন আগরওয়ালের হেঞ্চম্যান। সত্যিই বোঝা যাচ্ছে না এটা একটা নিছক দুর্ঘটনা? নাকি টিপিক্যাল মার্ডার? ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়েতি গুম্ফার দেখা মেলে। সেখানে গিয়ে এক রহস্য মৃত্যুর উদঘাটন করতে গিয়ে আরও একটি রহস্য মৃত্যু ঘটে যায়। এহেন পরিস্থিতির কিরূপ মোকাবিলা করলেন চৌবেসাহেব-বিনায়ক? এটি যেহেতু একটি উপন্যাস এবং শব্দ সংখ্যার বহরও অনেকটা, সে ক্ষেত্রে বারবার মনে হচ্ছিল কোথাও গিয়ে রহস্যটা যেন থিতিয়ে না পড়ে এবং সেই বিষয়টা যে তার নখদর্পণেই আছে ,সেটা চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন সৈকত স্যার
✨🌸😻। খুব খুশি হয়েছি, এটা হওয়াতে।

🍂 আমার কথায়:-
সৈকত স্যারের জবানিতেই দেখেছি, উনি হার্ডকোর গোয়েন্দা চরিত্র এভাবে সৃষ্টি করতে চাননি, তৈরি হয়ে গেছে, আর যখন তৈরিই হয়েছে, তিনি সবসময় এটা নিয়ে চিন���তিত থেকেছেন যাতে তথাকথিত গোয়েন্দা চরিত্রের মত না হয়, রহস্যটা যেন পরতে পরতে পাঠক অনুভব করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত তার উত্তাপটা বজায় থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আবার পাঠকদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি সফল। এইজন্যই তিনি সৈকত মুখোপাধ্যায়, বর্তমান দিনের সাহিত্যের এক ও অদ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্রসমান। আমার মত যারা তার ডার্ক ফ্যান্টাসি জ্বঁর থেকে তার লেখনীর সাথে হ্যাবিচুয়েট হয়েছেন, তাদের নিঃসন্দেহে এই সংকলন ভালো লাগবে।

💫সর্বোপরি,চৌবেসাহেব কে? যদি এই প্রশ্ন মাথায় আসে কিংবা কোন পাঠক করে ফেলেন, তাহলে তার উত্তর?
>"একজন মানুষ, যিনি অবসর নেন না"❤️✨।

👾পাঠ সুখকর হল🙏🏻

🖋️ লেখায়~রহিত


#read_with_রহিত #uncut_thoughts
#bookstagram #bibliophile
Profile Image for Rehnuma.
455 reviews22 followers
Read
January 4, 2024
❛অজিত বর্মনের ঘরের মধ্যে বো মা ফেটেছে। ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে অজিত বর্মনের শরীর।❜

দোতলা ঘরের মধ্যে কোনো ধরনের বাইরের ব্যক্তির প্রবেশ ছাড়া বিস্ফোরণ হয়ে গেলো তাও আবার আরডিএক্স! কী করে সম্ভব?

আলিপুরদুয়ার থানার তরুণ অফিসার বিনায়ক বসু কেসটার কূলকিনারা করতে না পেরে স্মরণাপন্ন হলেন সদ্য রিটায়ার্ড অফিসার উমাশঙ্কর চৌবের। উমাশঙ্কর যিনি গোয়েন্দা বিভাগের দুঁদে অফিসার ছিলেন। পরিচিত ছিলেন উনার ডিডাকশন ক্ষমতার জন্য। মা ইর পিট কিংবা থার্ড ডিগ্রি জাতীয় কাজ ছাড়াই অপরাধের গভীরে ঢুকে খুঁজে বের করতেন অপরা ধীকে। তার মতে,
❛অ পরা ধীকে ধরতে হলে তার মতো হয়ে যেতে হবে, সে দৃষ্টিতে চিন্তা করতে হবে।❜
উমাশঙ্কর চৌবে শার্লকের মতো সিগারেটের ছাই থেকে অপরাধী খুঁজে বের করেন না। তার ধরন অন্য। পাদ্রী ফাদার ব্রাউন উনার পছন্দের গোয়েন্দা।

অজিত বর্মনের কেস দিয়েই বিনায়কের আলাপ হয় চৌবে সাহেবের সাথে। এই কেসে দারুণ এবং অভিনব পন্থায় খু নের বর্ণনা দিয়ে দেন তিনি এবং সফলভাবে কেসটি সমাপ্ত হয়। খু নে র খেলা পদ্ধতি বেশ সফলভাবেই প্রয়োগ হয়েছিল সেক্ষেত্রে।
এরপর থেকে বিনায়ক বসু যেন চৌবে সাহেবের শিষ্য হয়ে যান। যেখানে থেকে বাকিরা চিন্তা বন্ধ করে দেয়, সেখান থেকেই চিন্তার শুরু হয় উমাশঙ্কর চৌবের।
এরপর কালাম ভাইয়ের পাহাড়ী এলাকার সেই কেসও চৌবে সাহেবের সহযোগিতায় সমাধান হয়।
উমাশঙ্কর মোটেও অলৌকিকে বিশ্বাসী না। তাইতো মা ভবানীর ভ্যানিশ কেসেও ঠিকঠাক সুতো মিলিয়ে বিশাল চক্রকে ধরিয়ে দিতে পেরেছেন। এদিকে উমাশঙ্কর-বিনায়ক এই গুরু শিষ্যের জুটিও জমেছে বেশ। বিনায়ক যেমন উমাশঙ্করকে শ্রদ্ধা করে, তার বুদ্ধি এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাকে ভক্তি করে তেমনি উমাশঙ্করও বিনায়কের পুলিশি মেধাকে স্নেহ করে। যোগ্য হিসেবেই সে নিজের পদে আছে।
ভুটানের রাজার আত্মীয়ের হারিয়ে যাওয়া হীরের তদন্তের সময়ও বিনায়ক হাজির হয় তার গুরুর কাছে। এই তদন্তে উমাশঙ্কর ছোট্ট একটা ক্লুকে সঙ্গী করে রীতিমত দারুণ এক কেস সমাধান করে ফেলেন। পত্রিকায় বিনায়কের জয়গান গেলেও মূল হোতা উমাশঙ্কর সেটা শিষ্য অকপটে স্বীকার করে নেয়।
সার্কাসের খেলায় অঘটনের মধ্যে থেকেও কী করে ওয়েল প্ল্যানড মা র্ডা র করা যায় সেটা আরেক অফিসার নীলাদ্রি এক দৃষ্টিকোণ থেকে সমাধান করলেও উমাশঙ্কর রহস্যের মাঝে আরেক রহস্যের গন্ধ পান। সে থেকে কী করে মূল ঘটনাকে সামনে আনেন সেটাই অবাক করা বিষয়।
চুরি যাওয়া একটা ছুঁচ! ভাবা-ই যায় সুঁই আবার কেডা চুরি করে?
কিন্তু ছুঁচটা যদি হয় পোলোনিয়াম নিডল তাহলে!
এরকমই একটা খড়ের গাদায় ছুঁচ খোঁজার কেসে উমাশঙ্কর প্রায় অসম্ভব এক প্রেডিকশন করেন। যা দৃশ্যপট একেবারেই বদলে দেয়।
কোনোদিন অলৌকিকতায় বিশ্বাস না করা উমাশঙ্কর চৌবের কাছে বিনায়ক এবার নিয়ে এলেন সাম্পা গ্রামের এক অবিশ্বাস্য কেস, যার তদন্তে আছে সুরেশ।
ইয়েতি অভিশাপে না-কি একজন মা রা গেছে ভাবা যায় ইয়েতি নিজের মনাস্ট্রি রক্ষার্থে জ্যাকিকে একদম তুলে আছাড় মে রে কিংবা ছুঁড়ে ফেলেছে ২০ ফুট ৭ ইঞ্চি দূরে! কোনো মানুষের পক্ষে তো এভাবে কাউকে ছুঁড়ে ফেলা মুখের কথা নয়।
পাহাড়ী পরিবেশে ঘোরা আর আপাতদৃষ্টিতে অলৌকিক এই হ ত্যা র লৌকিক ব্যাখ্যা খুঁজতে পাহাড়ে চললেন উমাশঙ্কর, বিনায়ক আর সাথে তদন্ত কর্মকর্তা সুরেশ।
এসে নানা ঘটনা রটনার মাঝে তাদের অভিযান কি শেষ হবে? না সত্যিই সাদা ইয়েতির ডান হাতের হাড়ের কোনো ক্যালমা আছে?
দেখাই যাক। উমাশঙ্কর তো হাল ছেড়ে দেবার লোক নন। তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি কখনো অবসর নেন না, আবার হালও ছেড়ে দেন না।


পাঠ প্রতিক্রিয়া:

❝খেলার নাম খু ন❞ সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা গোয়েন্দা গল্প সংকলন। লেখকের সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র উমাশঙ্কর চৌবে এবং তার সহযোগী বিনায়ক বসুর বিভিন্ন জটিল কেস সমাধানের একেকটা গল্প নিয়েই এই সংকলন।
মোট ছয়টি (খেলার নাম খু ন, আঁকাবাঁকা শেষ লেখা, ভবানী ভ্যানিশ, ছক্কা পুট, তেরো নাম্বার ছোরা এবং রুপোর কাঠি) গল্প এবং সেই হাত জ্যান্ত নামের একটি উপন্যাস (উপন্যাসিকা বলাই শ্রেয় এক্ষেত্রে) নিয়ে পুরো বইটি তৈরি।
লেখকের ভূমিকায় আনকোড়া বাঙালি গোয়েন্দা সৃষ্টির ইচ্ছা থেকে উমাশঙ্করকে সাহিত্যে আনা এবং বাঙালি গোয়েন্দাদের উদাহরণ নিয়ে উদ্বৃত কথাগুলো বেশ লেগেছে।
গোয়েন্দা উপন্যাসে যেমন পরতে পরতে রহস্য আর আতশ কাঁচ দিয়ে সে রহস্যের গভীরে যাওয়ার মতো অতো চাপাচাপি নেই এই গোয়েন্দা গল্পে। অ্যাকশন, দৌড়ঝাঁপ ব্যতীত শুধুমাত্র মূল রহস্যের সমাধানের জন্য যুক্তি এবং বর্ণনা দিয়েই মূলত প্রথম ছয়টি গল্পের সমাপ্তি। পুলিশি তদন্ত, র ক্তা ক্ত লা শ এসবের পালা শেষ করেই উমাশঙ্করের প্রবেশ হয় প্রতি গল্পে।
খুব বেশি রহস্যের আবহ নেই, আরাম করে পড়ে যাওয়া যায় এমন ধরনের বই। আমার কাছে ভালোই লেগেছে। প্রথম গল্পটার সমাপ্তি খুব দারুণ লেগেছিল। মাঝের কিছু গল্পের ক্ষেত্রে একটু বেশি কেমন সুপার পাওয়ার ধরনের মতো উমাশঙ্করকে চিত্রায়ণ করা হয়েছে। বিশেষ করে হীরে আর ভবানী ভ্যানিশের গল্পে।
শেষ যেই নভেলাটি দিয়ে বইয়ের সমাপ্তি করেছেন সেটা বাকিগুলো থেকে ভালো লেগেছে। কারণ প্রায় সম্পূর্ণ একটা চিত্র দাড় করিয়েছিলেন এখানে লেখক। ছোটো গল্পগুলোতে যেমন সমাধানের পরের যে ক্লাইম্যাক্স সেসব এক অনুচ্ছেদে বলে সমাপ্তি দিয়েছেন (ছোটো গল্পের হিসেবে এর বেশি কিছু আবশ্যিকও নয়) এখানে ধারণার সাথে বিরোধ আবার একটু ভ্রমণ (অ্যাডভেঞ্চার বইকি!) ধরনের ব্যাপার ছিল। ছিল পাহাড়ী আর শীতের সেই পরিবেশের বর্ণনা। যা স্বাভাবিকভাবেই পাঠকে মধুর করেছে। তবে এই কেসের শেষের সমাধানটা অনেকটা আউট অফ দ্য বক্স চিন্তাভাবনার। কিছুটা অবিশ্বাস্যও বটে।
নতুন গোয়েন্দা চরিত্র হিসেবে আরেকজনকে জানতে উমাশঙ্কর চৌবে সাহেবের সাথে বিনায়ক বসুর এই গল্প গুলো পড়াই যায়।

তবে গল্পগুলোর প্রকাশকাল না দেয়ায় বা সিরিয়াল না রাখায় আসলে টাইমলাইনটা বুঝতে একটু সমস্যা হয়েছে। কোনটা অতীতের কোনটা বর্তমানের কেস বুঝতে পারিনি।
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
226 reviews38 followers
May 2, 2021
📝 পাঠ-প্রতিক্রিয়া : বর্তমানে যে কয়েকজন সাহিত্যিক একই সাথে কিশোর এবং প্রাপ্তমনস্ক সাহিত্যে সমান জনপ্রিয়, সৈকত মুখোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অন‍্যতম । সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় স্বচ্ছন্দ-বিচরণের ক্ষমতা সৈকত মুখোপাধ্যায়কে এক ব্যতিক্রমী সাহিত্যিক হিসেবে চিহ্ন���ত করেছে । এই বইটি তার লেখা প্রথম গোয়েন্দা কাহিনী সংকলন হলেও, প্রতিটি কাহিনীতেই লেখকের সাবলীলতা অক্ষুন্ন রয়েছে ।

▪️ ছটি রহস্য গল্প এবং একটি রহস্য উপন্যাস নিয়ে সাজানো এই সংকলনের প্রায় প্রতিটি কাহিনির কেন্দ্রেই রয়েছে এমনই কোনো অপরাধমূলক ঘটনা, আপাতদৃষ্টিতে যাদের মনে হয় অলৌকিক... অসম্ভব । শুধুমাত্র ইনভেস্টিগেশন অথবা ক্লু দিয়ে সেই অপরাধের মূলে পৌঁছনো যায় না, প্রয়োজন হয় নিখুঁত চিন্তাধারা আর কল্পনা । আরও স্পষ্টভাবে বললে বলতে হয়... এই বইয়ের গল্পগুলি বেশিরভাগ গোয়েন্দা কাহিনীর মতো ‘হু ডান ইট’ বা ‘হোয়াই ডান ইট’ এই প্রশ্ন করে না । বরং প্রায় প্রতিটি গল্প লেখা হয়েছে ‘হাউ ডান ইট’ প্রশ্নের ধাঁচে... অর্থাৎ গল্পের মধ্যে লেখক অপরাধীকে লুকিয়ে রাখার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেননি, বরং পরিষ্কার করে প্রথম পাতাতেই বলে দিয়েছেন - এ হচ্ছে অপরাধী ; কিন্তু অপরাধ কিভাবে করেছে সেটির উত্তর খুঁজতে খুঁজতে এগিয়েছে গল্প ।

▪️গল্পের প্রধান চরিত্র উমাশঙ্কর চৌবে বা ‘চৌবে সাহেব’, তিনি অবসর প্রাপ্ত উচ্চ বিভাগীয় পুলিশ কর্তা । তিনি তথাকথিত ক্রাইম সিন ইনভেস্টিগেশন, পোস্ট-মর্টেম, বা ফরেনসিক রিপোর্ট নিয়ে অত আগ্রহী নন... তার মতে “ডিটেকশন করতে গেলে নিজে ক্রিমিনাল হয়ে যেতে হয়, ক্রিমিনালের চোখ দিয়ে সব কিছু দেখতে হয়, তাহলেই রহস্যের অর্ধেক কিনারা হয়ে যায়”।
তার শিষ্য বিনায়ক বসু একজন ওসি, যার অবজার্ভেশন স্কিল দুর্দান্ত । চৌবে সাহেবের কাছে বিনায়ক আসে তার অকৃতকার্য কেস এর সমাধানের খোঁজে, আর চৌবে সাহেব তার অসামান্য ডিডাকশন্ স্কিলের সাহায্য অপরাধীর দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো ঘটনার নিখুঁত ব‍্যখ‍্যা দেন... আর ঠিক এই কারণেই প্রচলিত গোয়েন্দা গল্পের বইগুলির থেকে এই বইটি আলাদা ।

▪️এই সংকলনের গল্পগুলির কাহিনী এবং প্রেক্ষাপট ভীষণ মৌলিক । সবকটি গল্পেরই প্রেক্ষাপট গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে... কাহিনীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে উত্তর বাংলার পাহাড়, জঙ্গল এবং প্রকৃতির বর্ণনা... ঠিক সেই কারণেই ভীষণ থ্রিলিং লেখা না হওয়া সত্ত্বেও গল্পগুলি পড়তে ভালোই লাগে । শেষে শুধু একটি কথাই বলতে চাই - “প্রিয় লেখক, চৌবে সাহেবকে আপনার পরবর্তী লেখাগুলিতে আর একটু নেক্সট লেভেলে নিয়ে যান, প্লিজ...” এটুকুই ।
Profile Image for Pratik Kumar Dutta.
85 reviews1 follower
July 24, 2025
বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা চরিত্রের আগমন বোধহয় তেমন কিছু নতুন ঘটনা নয়। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উপস্থিত হয়েছেন নানা বয়সের নারী-পুরুষ গোয়েন্দারা। সমাধান করেছেন বিভিন্ন সময়ে ঘটে বিভিন্ন রহস্যের। তবে লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই 'খেলার নাম খুন' বইটিতে বর্ণিত কাহিনীগুলোর নায়ক কিন্তু সেই অর্থে কোনো গোয়েন্দা নন। প্রাক্তন পুলিশ অফিসার উমাশঙ্কর চৌবে আর কর্মরত পুলিশ অফিসার বিনায়ক বোসের রহস্য উদঘাটনের কাহিনীই বর্ণিত হয়েছে এই বইটিতে। ছয়টি গল্প ও একটি উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক রহস্য আর সত্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি তুলে ধরেছেন এক সুন্দর গুরু-শিষ্য সম্পর্ককে, যা শুধু গোয়েন্দা-সহকারী সম্পর্কের মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি। এই বইয়ে গোয়েন্দা কাহিনীগুলোর বুনন একেবারে অন্য ধাঁচের, অযথা নাটকীয়তা নেই আছে বুদ্ধিমত্তার সাথে রহস্য সমাধানের এক অদ্ভুত আমেজ। কাহিনীর বিষয়বস্তুর উৎকর্ষতা ও পটভূমিকা কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এক আলাদা মাত্রা প্রদান করেছে। পাঠকের কাছে এই বই ও তাতে বর্ণিত কাহিনীগুলি টানটান ও রোমহর্ষক গোয়েন্দা কাহিনী পাঠের অনুভূতি প্রদান করবে।
Profile Image for Ahmed Abrar.
727 reviews12 followers
October 17, 2020
গল্পের বাঁধুনি বেশ পরিপক্ব। তবে ইংরেজি একটু বেশিই মনে হলো। প্রথম দিককার গল্পগুলো তৈরি হতে সময় নিয়েছে। উমাশঙ্কর চৌবের বিশ্লেষণ শৈলী বেশ দারুণ হলেও প্রথম দিকে পরিপার্শ্ব গড়ে ওঠার সময় বা চরিত্র নির্মিতিতে গল্পকার যেন বা একটু তাড়াহুড়োই করেছেন। খপ করে যেন খতম! প্রকৃতপক্ষে, গোয়েন্দা কাহিনি প্রলম্বিত না হলে রেশটা আসে না, আখ্যানের ভেতরে ঢোকা যায় না। তৃতীয় গল্প, অর্থাৎ, 'ভবানী ভ্যানিশ' আগের দুটো থেকে বেহতার ছিল।
এ সংকলনে সবচেয়ে পরিণত আর উপভোগ্য লেগেছে 'তেরো নম্বর ছোরা' গল্পটা আর 'সেই হাত জ্যান্ত' শীর্ষক একমাত্র উপন্যাসটি। তবে অলৌকিক চতুর্পার্শ্ব যেমন ফুটে উঠেছে, কেন চৌবে অলৌকিকতায় একটু-আধটু ইমান আনতে বাধ্য হলেন—সেটা অতটা স্পষ্ট ছাপ পড়ে নি। চৌবে আরো ভাবুন, আরো কিছু তোহফা দিন আমাদেরকে!
বানান ভুল কিছু ছিলই, যেমন গুরুদ্বার, গুরুদ্বারা নয়, গুরুদুয়ারা তো নয়ই। তারপর ১১৮ পৃষ্ঠায় 'রুক্ষ' সহ কয়েকটি বানানে অসঙ্গতি দেখলাম।
Profile Image for Partha Goswami.
140 reviews3 followers
December 31, 2022
১. খেলার নাম খুন ****
২. আঁকাবাঁকা শেষ লেখা ***
৩. ভবানী ভ্যানিশ ****
৪. ছক্কা পুট ***
৫. তেরো নম্বর ছোরা ***
৬. রুপোর কাঠি ****
৭. সেই হাত জ্যান্ত *****
সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম পড়ি মরণবিভা, সেখানে কিছু যৌনতার ছোয়া থাকলেও এই গল্পগুলিতে কিন্তু অযথা কোন সস্তা বিষয় ঢুকিয়ে মোটা করে ফেলেননি, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্যগত ত্রুটি রয়েছে, আর অনেক অতি কল্পনা রয়েছে, তবে সেগুলি বাদ দিলে বেশীরভাগ মানুষের ভালই লাগবে, আর বিষয়বস্তুর বিভিন্নতাও লক্ষণীয়...
Profile Image for Mahin.
50 reviews50 followers
October 29, 2024
সানডে সাসপেন্সে 'মাই ডিয়ার মিকি' শোনার পরেই সৈকত মুখোপাধ্যায়ের ফ্যান হয়ে যাই! ভদ্রলোকের লেখায় ক্যামন একটা ইউনিকনেস আছে যেটা ফিল করা গেলেও আঙুল তুলে দেখানো কঠিন! এই বইটা তাঁর গোয়েন্দা চরিত্র উমাশংকর চৌবেকে নিয়ে লিখা। কিছু ছোটগল্প আর 'সেই হাত জ্যান্ত' নামের একটা উপন্যাসের সমাবেশ। সবচে' ভালো লেগেছে উপন্যাসটা! কাহিনী গড়ন এবং বর্ননাশৈলী বেশ সুন্দর। সৈকত সাহেবের বাকি বইগুলাও ধীরে ধীরে পড়ে ফেলতে হবে!
Profile Image for ANGSHUMAN.
229 reviews8 followers
August 23, 2021
ছয়টি ছোটগল্প এবং একটি নভেলা নিয়ে এই বই। গল্পের নায়ক সৌম্যকান্তি অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উমাশঙ্কর চৌবে। তিনি তার গুণমুগ্ধ পুলিশ অফিসার বিনায়ক বসুর বিপদতারণ বলা চলে, বিনায়ক বিপদে পড়লেই ত্রাহি মাম ত্রাহি মাম বলতে বলতে ওনার আলিপুরদুয়ার এর বাড়িতে শরণাগত হন। আর অমনি হুস করে সমাধান বেরিয়ে আসে। নভেলাটি আগাথা ক্রিস্টির গল্পের ছায়ায় রচিত। সময় কাটানোর জন্য পড়া যেতেই পারে।
Profile Image for Aakash Chakrabarty.
11 reviews
January 17, 2025
This book is worth alone for its novella, Sei Haat Jyanto (The Live Hand). A thrilling double mystery of impossible murders set in an obscure Himalayan village that worships the Yeti. The premise is great the denouement spectacular! A must read
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
86 reviews
January 24, 2026
Khelar Naam Khun by Saikat Mukhopadhyay is a very good detective story book of protagonist Umashankar chaubey.
A great collection of rahasya/ retd addl sp Umashankar Choube r chinta shakti r binayak basur udyam ek darun combination …
13 reviews1 follower
February 23, 2023
গল্প গুলো ছোট আর মজা উভয় ছিল।অন্য গোয়েন্দা গল্পের মত অত উত্তেজনা ছিলনা কিন্তু বোরিং হয়রি কোন মুহুর্ত।লেখক প্রয়োজনের বেশি কোন তথ্য দেয়নি। Recommend for short time read.
604 reviews11 followers
March 30, 2025
Listened to it as an audio story. Exceptional presentation.
Displaying 1 - 28 of 28 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.