Jump to ratings and reviews
Rate this book

কার্ল মার্ক্সের সাহিত্য সমগ্র

Rate this book
১৯২৯ সালের আগে পর্যন্ত ইউরোপের বুদ্ধিজীবীরা জানতেন না যে কার্ল মার্ক্স নাটক, কবিতা, উপন্যাস লিখেছেন। আর আমাদের বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের একাংশ এখনও বিশ্বাসই করতে চান না সেকথা। পাছে কমিউনিস্ট ইস্তাহারের মর্যাদা কমে যায়!
এই গ্রন্থটি হল বাংলায় ভাষায় সেই সকল রচনার সংকলন।

168 pages, Hardcover

Published March 14, 1963

1 person want to read

About the author

Karl Marx

3,325 books6,681 followers
With the help of Friedrich Engels, German philosopher and revolutionary Karl Marx wrote The Communist Manifesto (1848) and Das Kapital (1867-1894), works, which explain historical development in terms of the interaction of contradictory economic forces, form many regimes, and profoundly influenced the social sciences.

German social theorist Friedrich Engels collaborated with Karl Marx on The Communist Manifesto in 1848 and on numerous other works.

Mikhail Mikhailovich Bakunin in London opposed Communism of Karl Marx with his antithetical anarchy.

Works of Jacques Martin Barzun include Darwin, Marx, Wagner (1941).

The Prussian kingdom introduced a prohibition on Jews, practicing law; in response, a man converted to Protestantism and shortly afterward fathered Karl Marx.

Marx began co-operating with Bruno Bauer on editing Philosophy of Religion of Georg Wilhelm Friedrich Hegel (see Democritus and Epicurus), doctoral thesis, also engaged Marx, who completed it in 1841. People described the controversial essay as "a daring and original piece... in which Marx set out to show that theology must yield to the superior wisdom." Marx decided to submit his thesis not to the particularly conservative professors at the University of Berlin but instead to the more liberal faculty of University of Jena, which for his contributed key theory awarded his Philosophiae Doctor in April 1841. Marx and Bauer, both atheists, in March 1841 began plans for a journal, entitled Archiv des Atheismus (Atheistic Archives), which never came to fruition.

Marx edited the newspaper Vorwärts! in 1844 in Paris. The urging of the Prussian government from France banished and expelled Marx in absentia; he then studied in Brussels. He joined the league in 1847 and published.

Marx participated the failure of 1848 and afterward eventually wound in London. Marx, a foreigner, corresponded for several publications of United States.
He came in three volumes. Marx organized the International and the social democratic party.

Marx in a letter to C. Schmidt once quipped, "All I know is that I am not a Marxist," as Warren Allen Smith related in Who's Who in Hell .

People describe Marx, who most figured among humans. They typically cite Marx with Émile Durkheim and Max Weber, the principal modern architects.

Bertrand Russell later remarked of non-religious Marx, "His belief that there is a cosmic ... called dialectical materialism, which governs ... independently of human volitions, is mere mythology" ( Portraits from Memory , 1956).

More: http://en.wikipedia.org/wiki/Karl_Marx
http://plato.stanford.edu/entries/marx/
http://www.econlib.org/library/Enc/bi...
http://www.marxists.org/archive/marx/...
http://www.historyguide.org/intellect...
http://www.bbc.co.uk/history/historic...
http://www.spartacus.schoolnet.co.uk/...
http://www.britannica.com/EBchecked/t...

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (100%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Sohan.
274 reviews74 followers
March 25, 2022
আজ দার্শনিক কার্ল মার্ক্সকে নিয়ে নয়, আসুন, কবি কার্ল মার্ক্সকে নিয়ে দুটো কথা বলা যাক। সত্যি বলতে, কবি কার্ল মার্ক্স যে কবিতা লিখতেন আমি তাই জানতাম না। তাঁর জীবনেও যে রগরগে প্রেম ছিল, দুঃখ ছিল, বেদনা ছিল সে কথা আমাদের কাছে কি কল্পনা করা একটু কঠিন যেখানে তিনি হলেন আমাদের কাছে আপাদমস্তক একজন সেলিব্রেটি দার্শনিক আর আর্কিমিডিয়ান বিন্দুতে দাঁড়িয়ে পৃথিবী কাঁপানো এক সমাজতাত্ত্বিক!

রথীন চক্রবর্তী অনুবাদকৃত এই কার্ল মার্ক্সের সাহিত্য সমগ্র বইটা পড়তে গিয়ে কার্ল মার্ক্সকে আমার কাছে মাঝে মাঝে এরকম মনে হচ্ছে যে, তিনি হলেন গিয়ে এলাকার কোন বড় ভাই যে কিনা এক বিরাট প্রেমিক পুরুষ, অসম্ভব ভাবুক এক কবি, আমাদের প্রেমের আদর্শ, আমাদের সবার প্রিয় মার্ক্সদা!
এই মার্ক্সদা আমাদেরই এলাকার জেনি’দির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে, আর আমাদের সামনেই জেনি’দিকে নিয়ে তড়তড় করে কবিতা আওড়ে যাচ্ছে। কখনও পাড়ার আড্ডায়, কখনও গলির মোড়ে বিড়ি ফুঁকতে ফুঁকতে মার্ক্সদা আমাদের কাছে এসে বলছেন, এই একটা কাগজ ফাগজ কিছু দে তো, কবিতার লাইন এসেছে মাথায়, আমাদের মধ্যে কেও হয়তো কানুর দোকান থেকে একটা সিগারেটের প্যাকেট এনে দিলে, আর মার্ক্সদা সেই প্যাকেটের সাদা অংশে লিখে ফেললে তাঁর মাথায় আসা কবিতাখানা-

সাগ্রহে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে সামান্য দূর থেকে,
ভগবান আমি কিছুতেই পারিনা তার সামনে দাঁড়াতে।
একটি ছোট মানুষ, একটি হলুদ বাড়ি,
আর শীর্ণকায়া এক নারী
সমস্ত উৎসাহ হাওয়ায় যায় মিলিয়ে,
এর চেয়েও ভালো ছিল অন্ধকারের গভীরে।


কবিতা শুনে আমরা তারিফ করে বলি - বাহ, মার্ক্সদা! খাসা হয়েছে। কেও হয়তো টিপ্পনী কাটলে—তা কি নাম দিলে কবিতার? মেরে সামনে ওয়ালি খিরকি মে?
মার্ক্সদা হয়তো গা করবে না, অথবা গাঁট্টা দিয়ে বলবে, যা তো ম্যালা ফ্যাচ ফ্যাচ করিসনে, দে একটা সিগারেট দে।

কবি কার্ল মার্ক্সকে নিয়ে একটু রসিকতা করবার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমার পক্ষে তো আর এই মুহূর্তে ওই ‘দাস ক্যাপিটাল’ নিয়ে রসিকতা করা সম্ভব না। তা যাগগে, আপনারা এখন একটা প্রশ্নের মীমাংসা করুন তো, এই যে মার্ক্স যুবক বয়সে কবিতা, নাটক, উপন্যাস এগুলো লিখলেন, এগুলো সম্পর্কে আমরা এতো অনবগত কেন? আমাদের ওই কমরেড দাদুরা খালি কানের কাছে দাস ক্যাপিটাল, পার্টির ইস্তেহার এইগুলান শোনায় ক্যান? ওনারা কি এটা ভেবেছিলেন যে, ওইসব কবিতা টবিতা পড়লে আমরা দাস ক্যাপিটাল ছেড়ে জীবনানন্দ দাস বানিয়ে দেবো কার্ল মার্ক্সকে? হয় তো তাই!

আসলে হয়েছে কি, কার্ল মার্ক্সের এই কবিতা, নাটক, আর উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি পাওয়াই গেছে ১৯২৯ সালে। এর আগে ইউরোপের ইনটেলেকচুয়ালরাই জানতেন না কবি কার্ল মার্ক্স কবিতা, নাটক লিখতেন। স্বয়ং ইউরোপিয়ানরাই এসব সাহিত্য কতকটা চেপেই রেখেছিলেন, ভাইরাল হতে দেননি, এর কারণ হিসেবে এক সাহিত্য সমালোচক লিখেছেন দেখলাম—ইহার নাকি সাহিত্যিক গুনাগুন তেমন সমৃদ্ধ না, যুবক বয়সের আবেগ থেকে লেখা, ইত্যাদি ইত্যাদি।
তবে এই সব যুক্তি আমাদের কাছে অচল, আমরা এখন কতো কবির কবিতা পড়ে ফাটায়ে দিচ্ছি, যেসবের আদৌ তথাকথিত ‘সাহিত্যিক গুনাগুন’ আছে কি না সন্দেহ। আর একদম যে কাঁচা কবিতা লিখতেন মার্ক্স, এমনও কিন্তু না, যেমন ধরুন এই কবিতাটা খারাপ কিসে? ভালই তো লাগল-

আমার কাছে চিরদিনের নয় পৃথিবী, নয় স্থির,
অথবা জাদুকরি পবিত্রতার ঈশ্বর;
এদের সবার উপরে আমার ইচ্ছে, শাণিত তীর,
বুকের মধ্যে বয়ে যায় তাঁর দুরন্ত ঝড়।
নক্ষত্রের উজ্জ্বল প্রভা গ্রহন করেছি আমি,
সূর্যের সমস্ত আলো,
তবুও আমার বেদনা তার প্রার্থনা রাখে জানি।
আমার স্বপ্ন অপূর্ণই রয়ে গেলো।
তাহলে!
নিরন্তর সংগ্রাম, কঠোর প্রয়াসে,
জাদুদণ্ডের মতো উপস্থিত দাঁড়িয়ে
ধূসর কুয়াশায় নিষ্ঠুর শয়তানের বেশে
কিছুতেই পারিনা এগোতে সেই লক্ষ্যে
কিন্তু এ যে শুধু ধ্বংস, নির্জীব প্রস্তর
ঘিরে ধরে, গ্রাস করে আমার স্পৃহা,
যেখানে ঝিকিমিকি স্বর্গীয় উজ্জ্বল নির্ঝর
দীপ্যমান থাকে আমার প্রত্যাসা।
… … … ...


এই অংশটুকুর মধ্যে আমি একটা ফাউস্টিয়ান হাহাকার পাই। কয়েকটা কবিতা পড়েই বুঝতে পেরেছি যে—মার্ক্স, গোত্যের ফাউস্টের দ্বারা কি রকম প্রভাবিত ছিলেন। কয়েকবার করে তিনি ফাউস্ট আর মেফিস্টোর কথা টেনেছেন।

কবিতা ছাড়া এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে তাঁর একটি নাটক ও একটি উপন্যাস। নাটকের নাম—আউলানেম।
আর উপন্যাসের নাম—স্করপিও ও হেলিক্স।
নাটক এবং উপন্যাস দুটোই অসমাপ্ত। উপন্যাসটি সমাপ্ত করেছিলেন সন্দেহ নেই তবে ছাপাতে পারেন নি। যে পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে তাতে কয়েকটা অধ্যায় ভ্যানিশ! এই ভ্যানিশ অধ্যায়গুলোর কারনে উপন্যাসের আগা মাথা বোঝা কঠিন। তবে বেশ স্যাটায়ার মার্কা একটা উপন্যাস।

এছাড়া, এই গ্রন্থে সংযুক্ত হয়েছে মার্ক্সের চিঠি। বার্লিনে থাকার সময় তিনি তাঁর পিতাকে অজস্র চিঠি লিখেছিলেন যদিও সব চিঠি পাওয়া যায়না এমনকি স্ত্রী জেনিকেও লিখেছেন (সে তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না, ভাবুন কবিতাগুলি যদি অমন তীব্র প্রেমে ঠাঁসা হয় চিঠিগুলো তবে কি প্রেম আর দরদ মাখানো ছিল!) কিন্তু দুঃখের বিষয় সে সব চিঠি পাওয়া যায়নি। তবে পিতাকে লেখা যে চিঠিখানা পাওয়া গেছে সেটা একটা অমূল্য দলিল। সমসাময়িক কাল সম্পর্কে, সে সময়ে মার্ক্সের মন-মানসিকতা, বুদ্ধি-চর্চা সম্পর্কে জানবার এ যে এক অসামান্য দলিল তাতে কোন সন্দেহ নেই।
চিঠিতে পিতার কাছে সবকিছুই খোলাখুলি বলেছেন মোটামুটি। জেনির প্রতি তাঁর যে অগাধ ভালবাসা, পিতার প্রতি চিঠি লিখবার সময়েও বিভিন্ন উপমা দিয়ে তা উল্লেখ করেন তিনি। কবিতার প্রতি যে তীব্র টান সেটাও আমরা পিতাকে লেখা চিঠিতে দেখতে পাই। কবি মার্ক্সের একটা কবিতা আছে এমন-

কবিতার জাদু প্রবাহিত হয় তীব্র
বুক থেকে উঠে আসে আবেগ,
কিন্তু হায়, নির্মূল করে উৎসাহকে শীঘ্র
আচ্ছন্ন করা দুঃখের কালো মেঘ।



শেষ করতে চাচ্ছি না তবে আরেকটা কথা বলে উঠছি আজ, আমার কাছে মনে হয়, কবি কার্ল মার্ক্স আরও অনেক কবিতা এবং গল্প লিখেছিলেন, হয় সেগুলো হারিয়ে গেছে অথবা নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ, মার্ক্স নিজেই তাঁর লেখা নষ্ট করেছেন। একথা বলছি তার কারণ বোঝা যাবে পিতার প্রতি লেখার চিঠির এই ছোট্ট অংশে—

"...জেনির অসুস্থতার খবর এবং আমার নিস্ফল বুদ্ধিনির্ভর পরিশ্রম, ফলে আমি যে প্রতিমূর্তিকে ঘৃণা করি ক্রোধ এবং বিতৃষ্ণার ফলে তারই ফের ফিরে আসা—এতে আমি যে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম সেকথা আমি আগেই জানিয়েছি বাবা। একটু ভালো হবার পর আমি আমার সমস্ত কবিতা ও গল্পের স্কেচ সবকিছুই পুড়িয়ে ফেলি। ভেবেছি এসব কিছুই আমি দূর করে দিতে পারব..."









Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.