Manik Bandopadhyay (Bengali: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bengali novelist and is considered one of the leading lights of modern Bangla fiction. During a short lifespan of forty-eight years, plagued simultaneously by illness and financial crisis, he produced 36 novels and 177 short-stories. His important works include Padma Nadir Majhi (The Boatman on The River Padma, 1936) and Putul Nacher Itikatha (The Puppet's Tale, 1936), Shahartali (The Suburbia, 1941) and Chatushkone (The Quadrilateral, 1948).
ক্লাস এইটে বাংলা বই হাতে পেয়ে প্রথম দিনই এই গল্প পড়ি। এন্ডিংটা সত্যি দারুণ ছিল। গল্পটা ভালো লেগেছিল বলেই স্কুল লাইব্রেরী থেকে মানিকের শ্রেষ্ঠ গল্প নামের একটা বিশাল বই বাসায় নিয়ে আসার সাহস দেখিয়েছিলাম। ছোটগল্পে আমার মুগ্ধতা সেই বই দিয়েই শুরু, সেই সাথে অসাধারণ কোনো গল্প না পেলে মুগ্ধ হওয়াও বন্ধ হয়ে গেলো তখন থেকে।
এই গল্পটা তখন পাঠ্যবইয়ে পড়েছিলাম। কতটাই না ভালো লেগেছিল!❤️ নগেনের মত আমিও তখন ভাবতে লাগলাম কেন এমন হলো। শেষের টুইস্ট টা ভালোই ছিল। এমন কিছু কিছু গল্প তখন কৈশোর কালে বেশ মজা দিয়েছিল।❤️❤️
আমি বলতে গেলে হুট করেই গল্পটা পড়া শুরু করে দেই, প্রথমদিকে কিছুটা সাস্পেন্স, রহস্য , ভয় একটু একটু করে লুকোচুরি খেলছিল,তবে আমি বিজ্ঞানপ্রেমি হওয়ায় কিছুটা আন্দাজ করতে পারছিলাম যে কি হতে পারে, মানে prediction আরকি৷তারপর শেষে দেখি আমার আন্দাজই ঠিক! শ্রদ্ধেয় লেখক মহাশয় বোধহয় আমাদের চিরাচরিত ভূতভীতির সাথে কট্টর বিজ্ঞানকে ভাব করিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, আমার মনে হয় তাতে তিনি যথেষ্ট সফল৷
এইজন্যই বোধহয় বাবা বলেন বিজ্ঞানটা মন দিয়ে পড়তে!!!!!
এখনও মনে আছে, অলৌকিক কাহিনির একটি সংকলনে একটি গল্পের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়— এ-কথা জেনে দস্তুরমতো চমকে উঠেছিলাম। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ভূতের গল্প লিখেছেন! পড়ার পর অবশ্য ব্যাপারটা বুঝেছিলাম। ছিমছাম, পড়ে ভালো লাগার মতো গল্প। আর হ্যাঁ, প্লটটা বেশ 'মানিকীয়'-ই।
যখন থেকে বাংলা পড়তে শিখেছিলাম তখন থেকেই আমার একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। কারো পড়ার টেবিলের পাশে যাওয়ার সুযোগ পেলেই সেখান থেকে বাংলা প্রথম পত্র আর আনন্দ পাঠ/সহপাঠ বই নামিয়ে গল্প পড়তে শুরু করে দিতাম। এভাবেই হাইস্কুলে যাওয়ার আগেই, মাধ্যমিক পর্যায়ে যেসব গল্প পড়ানো হতো তার সবগুলোই আমার পড়া হয়ে গিয়েছিল।
মানিকের তৈলচিত্রের ভূত গল্পটিও এভাবে পড়েছিলাম আজ থেকে কমপক্ষে দশ বছর আগে। অন্য কারো বইয়ে। কারণ, আমরা যখন মাধ্যমিকে পড়তাম তখন কোনো ক্লাসে এই গল্পটি পড়তে পাইনি মনে আছে।
ছোট একটা গল্প। যদিও নামে ভৌতিক কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ভূতের সাথে আমাদের দেখা হয় না। পড়তে পড়তে সেই বাল্যকালে ফিরে গেলাম।
ছোটদের জন্য লেখা ছোট্ট একটি গল্প। মোটেই ভয়ের গল্প না, শুধু নগেনের বোকামি। ছোটবেলায় পড়লে অবশ্যই বেশি তারা দিতাম।
মামারবাড়ীতে মানুষ নগেন পরাশর ডাক্তারের কাছে যায় একটা গুরুতর সমস্যা নিয়ে।কিছুদিন হলো তার মামা গত হয়েছেন।নগেন তার মামাকে বিশেষ শ্রদ্ধা ভক্তি করতো না। তবে তার মামা নগেনকে তার ছেলেদের সমান সম্পত্তির ভাগ দিয়ে যান। এসব জেনে নগেন অনুতপ্ত বোধ করে।বাড়িতে মামার তৈলচিত্রের মাথা ঠেকিয়ে সে ক্ষমা চাইতে যায়। তখুনি তাকে কেউ যেনো ছিটকে ফেলে দেয়।তবে কি সেটা মামার ভূত ?
আমার মনে আছে তখন আমি স্কুলে পড়ি, বছরের শুরুতে নতুন বই পেয়েছি। আর আমার কাজ ছিল টুকে টুকে বাংলা বইয়ের গল্প পড়া। প্রিয় সাবজেক্টই ছিল বাংলা তাই। মা পড়তে বসতে বললেই বসতাম বাংলা বই নিয়ে। তখনকার একদিনের কথা, মা রোজ দিনের মতন সেদিন ভোরেও হাঁটতে যাবে। আমাকেও বাসাতে একা থাকতে হবে। মা যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল আমি যেন "তৈলচিত্রর ভূত" গল্পটা পড়ে রাখি। সাথে শব্দার্থও। এসে ধরবে আর না পারলে বাঙালি মায়েদের যে শাস্তি তাই। সুতরাং আমাকে পড়তেই হবে। আমি বলে বোঝাতে পারব না গল্পের প্রথম দিকে ঠিক কতটা ভয় পেয়েছিলাম। গল্প শেষে দম ছেড়ে বলেছিলাম " এভাবে কেউ কাউকে বোকা বানায়?"
গল্পটি অনেক আগেই পাঠ্য বইয়ে পড়েছি। সবাই ভাবে ফটোতে ভুত রয়েছে, কিন্তু সবশেষে জানা যায় যে, ফটোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ হতো কারণ ফটোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ধাতু লাগানো ছিল। যার ফলে ফটোতে ধরতেই সবাই শক খেতো। এজন্যই, একটা জিনিস সম্পর্কে ভালো করে না জেনে উল্টো পাল্টা বলা ঠিক নয়!
ক্লাস এইটে বই পাওয়ার পর কৌতূহল নিয়ে তৈলচিত্রের ভূত পড়া শুরু করি। শুরুটা যতটা সাধারণ শেষটা ঠিক ততটাই অপ্রত্যাশিত। সে যে কী এক টুইস্ট ছিল শেষে! কি ভালো লেগেছিলো গল্পটা! রোদমাখা দুপুরে বারান্দায় বসে অথবা মায়ের পাশে গিয়ে শুয়ে গল্প পড়া এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো কত মিষ্টি স্মৃতি হয়ে থাকবে!
Ah! How can I forget this mysterious one!?😎 This story was in the eighth grade Bangla book. I was stunned for a while after reading this story. Really incomparable as a short story.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পটির কথা কার কার মনে পড়ে? ক্লাস এইটে (২০১৬) পাঠ্যবইয়ে পড়েছিলাম। কি অসাধারন এক গল্প! দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে এইধরনের অসাধারণ গল্পগুলো বিগত সরকার পাঠ্যবই থেকে বিদেয় ক'রে নতুন কারিকুলাম এনে পড়ার আকন্ঠ তৃষ্ণাকে ধ্বংস করেছে। তবে আশার ব্যাপার হচ্ছে আগামী বছর থেকেই এই বস্তাপচা কারিকুলাম বাতিল ক'রে আবার সেই তৃপ্তিময় কারিকুলামে ফিরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবার কিশোর-কিশোরীরা ফিরে পাবে সেই সোনালী বইগুলো, যা পড়ে আমার মত স্মৃতিচারণ করবে এককালে। ক্লাস ৭-৮-৯ এর সময়টাই তো এরকম, শুধু তৃপ্তি আস্বাদন ক'রে যাওয়া। 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পটি স্মৃতিতে ঝুলে আছে, থাকবে। এখন প্রাপ্তবয়সে আমরা ধ'রে ধ'রে লেখকদের বই পড়ি, যে এটা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এটা শরৎ, এটা বিভূতিভূষন। তখন এসব লেখককে চিনতামই না; পরিচয়ের পাত্তা দিতাম না। তৃপ্তি পেতাম শুধু গল্প পড়ে, বিহ্বল হতাম শুধু সৃষ্টিকর্মে। আবার একবার এই গল্পটিতে হাত দিলাম। যখন প্রথম এই গল্পটি পড়ি তখন কি রোমাঞ্চই না কাজ করেছিল! গল্পটির দিকে প্রথম নজর পড়ার পর একা/রাতে পড়তে, সত্যি বলতে বেশ ভয় করছিল। ভূতের গল্প নাকি? শেষ অব্দি পড়ার আগ্ পর্যন্ত এক রুদ্ধশ্বাস কাজ করছিল! নগেনের সাথে যা ঘটছিল তা নিয়ে ক্লাইম্যাক্স কাজ করছিল। শেষে গল্পের টুইস্ট বদলে যায়। পরাশর ডাক্তার যখন নগেনের বিদ্যুৎ শক্ লাগার আসল ঘটনা উন্মোচন করেন তখন বোঝা যায়, এ ভূতের গল্প নয়; ভূতের অলীক বিশ্বাসকে বিজ্ঞানমনস্কতার দ্বারা ভাঙ্গার গল্প!
কেবল বাংলা অঞ্চল না, পুরো দক্ষিণ এশিয়াই অজ্ঞতায় জরাজীর্ণ। কেউ জিনে বিশ্বাস করে, কেউ ভূতে বিশ্বাস করে, কেউ এলিয়েনে, ব্লা ব্লা ব্লা....... ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-শ্রেণি নির্বিশেষে সব দক্ষিণ এশীয় এক জায়গায় এসে একাকার হয়ে যায়, আর সেই জায়গাটাই কুসংস্কার বা অজ্ঞতা। ভূতে পাওয়া জনগণ যে যেকোনো কিছুকেই ভূত মনে করবে এ আর অস্বাভাবিক কি! সেখানে বিদ্যুৎ নিয়ে বিলকুল ধারণা না থাকা ব্যক্তি তড়িতাহিত হওয়াকে ভূত বা প্রেতাত্মার প্যাঁদানি ভাবছে এটা প্রত্যাশিত ছিল।
গল্পটা প্রথম পড়েছিলাম স্কুলের বাংলা বইয়ে।কোন ক্লাসে ছিলো এক্সাক্টলি মনে নেই....আর কাহিনী টাও ভাসা ভাসা হয়ে ছিলো স্মৃতিতে।তাই সামনে পেয়ে আরেকবার স্মৃতিটা ঝালিয়ে নিলাম।
এতোটুকু মনে আছে,প্রথম এই গল্পটা পড়ে যারপরনাই মুগ্ধ হয়েছিলাম,একটা স্কুলে পড়া ছোট্ট মেয়ের কাছে মুগ্ধ হওয়ার মতোই গল্প এটা।সেই মুগ্ধতার রেশ ধরেই পাঁচ তারকা দিলাম।যারা প্রথমবার পড়বেন তাদের ও নিঃসন্দেহে ভালো লাগবে।
ভূতের গল্প পরিবারের একটা সিকিটাক শরিক হচ্ছে সেইসব গল্প যেগুলোয় প্রথমে লেখক তিলে তিলে ভূতবাবাজির অস্ত্বিত্ব গড়ে তোলেন, তারপর শেষে গিয়ে এক লহমায় সেটা নস্যাৎ করে দেন। এ যাবৎ বর্ণিত ভূতুড়ে কার্যকলাপের সবকটিরই এমন অকাট্য ব্যাখ্যা দেন, যে ভূতবিশ্বাসী পাঠক তর্ক করেও (মনে মনে) পেরে ওঠে না। তখন লেখকের ওপর হেব্বি রাগ হয়। যেটা 'তৈলচিত্রের ভূত' পড়ে মানিক বন্দোপাধ্যায়ের ওপর আমার হলো।
ছেলে বেলায় এই গল্পটার মধ্য দিয়ে মানিক বাবুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।
ভূত নিয়ে মানুষের জল্পনা কল্পনা কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে এবং এর পরিনতি কতটা মজার কিংবা কতটা মারাত্মক হতে পারে। তা জানতে এবং বুঝতে হলেও এঈ গল্পটা পড়া উচিত।
Its an instructive tale about critical thinking. It's a good story for kids. Also a thing I noticed is that I can swap the story of oil painting frame and use any example of critical thinking in between the structure of this story.
"তৈলচিত্রের ভূত" একটি গভীর অর্থবোধক গল্প, যা আমাদের শুধু ভয় দেখায় না, বরং ভাবায়—আমাদের মানসিক অবস্থাই অনেক সময় বাস্তবতাকে ভিন্নরূপে দেখায়। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজস্ব মনস্তাত্ত্বিক লেখার ধারায় এ গল্পটিকে অসাধারণ করে তুলেছেন।
অসাধারণ একটা বই। সেই সময় বার বার পড়তাম। পাঠ্যপুস্তকের খুব কম গল্পই এরকম মনে দাগ কেটে যায় । কুসংস্কার ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে এই বইয়ের তুলনা হয় না!