What do you think?


কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল
Bengali
229 pages, Hardcover
Published January 1, 1999
About the author
Shirshendu Mukhopadhyay
412 books965 followersশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 71 reviews
June 29, 2021
প্লটটা ভালো ছিল কিন্তু গল্প বলার ধরনটা কেমন যেন, আর পুরো বইয়ের ৯৫% যতটুকু ভালো লেগেছে, এন্ডিংটা ঠিক মনমতো হলনা। এমনিতে একটানা পড়ে গেছি। পড়তে খারাপ লাগেনি। সবমিলিয়ে ৩.৫★ হবে।
February 6, 2026
সে মেলা আগের কথা। তখন ক্লাস সিক্স কিংবা সেভেনে পড়তাম। হাতে পেলাম শীর্ষেন্দু মশাইয়ের 'বিকেলের মৃত্যু'। পড়ে মাথা টাথা নষ্ট হবার যোগাড় তখন। থ্রিলার যে এতো মজার আর টানটান উত্তেজনার হতে পারে জানতামই না। বইটা এখনো আমার ভীষণ প্রিয়। বলতে পারেন নস্টালজিয়ায় ভুগি। কিন্তু এখন গুডরিডসে বইটার রিভিউ দেখলে হতাশ হতে হয়।
'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' পড়তে গিয়ে ধরে নিয়েছিলাম এটা আমার ভালো লাগবে না (ভেবেছি আমি এখন পরিপক্ক পাঠক)। কিন্তু না। দারুন লেগেছে। এবং সত্যি বলছি কৈশোরে পড়া সেই 'বিকেলের মৃত্যু' র ছাপ পেয়েছি। কৈশোরে পেলে হয়তো ধ্যান জ্ঞান করে ফেলতাম।
'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' পড়তে গিয়ে ধরে নিয়েছিলাম এটা আমার ভালো লাগবে না (ভেবেছি আমি এখন পরিপক্ক পাঠক)। কিন্তু না। দারুন লেগেছে। এবং সত্যি বলছি কৈশোরে পড়া সেই 'বিকেলের মৃত্যু' র ছাপ পেয়েছি। কৈশোরে পেলে হয়তো ধ্যান জ্ঞান করে ফেলতাম।
July 24, 2015
বন্ধুর চিলেকোঠায় দাওয়াত। পরিচিত-অপরিচিত অনেক মানুষের আনাগোনা। বন্ধুর মন রক্ষা করতেই আসা। বৃষ্টির দিনে গরম চায়ের সাথে এটা সেটা কথা বলতে বলতে হটাৎ চোখ পড়ে শীর্ষেন্দুর এই বইটার উপরে। হয়ত বইয়ের উপর বেড়াল লেখা দেখেই বন্ধুর বেড়াল তুলতুলি চলে এলো বই দেখতে।
প্যারিস, রোম, কলকাতা ঘুরে ইন্টারপোল থেকে ভিকিজ মব পর্যন্ত এক গাদা মসলা মেশানো জটিল একটা প্লট। পুরো বই জুড়েই টানটান উত্তেজনা। পড়তে পড়তে খেয়ালও ছিল না যে আমি অন্য মানুষের বাসায় আছি! উপন্যাসের ক্যারেক্টারদের মধ্যে সাদা বেড়াল আর কালো বেড়ালদের খুঁজতে হয় শেষ পৃষ্ঠা অবধি। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের পার্থিব, মানবজমিন, দুরবীনের বাইরেও যে একটা ভিন্ন সত্ত্বা রয়েছে, সেটার খোঁজ পেয়েছিলাম বিকালের মৃত্যু পড়ে। জীবিকার তাগিদে এখন কতকিছু লিখতে হয়। কিন্তু নিজের জন্য কবে যে লিখবো কে জানে?
অনেকদিন থ্রিলার পড়া হয়না বললেই চলে। জীবনের পরিচিত গণ্ডিতে অপরিচিত প্রেক্ষাপটের গল্প। রোজকার জীবনে চলতে চলতে কিছুক্ষণের জন্য সুধাকর দত্ত হতে পারলে নেহাত মন্দ হয় না। সবাইকে হ্যাপি রিডিং!

September 19, 2022
পুরা ঘেটে দিছে।
January 5, 2024
শবর সিরিজের রহস্যগুলো দু-একটা বাদে বাকিগুলো কেমন পানসে পানসে যাচ্ছিল... কিন্তু এই রহস্যোপন্যাস সেই তুলনায় বেশ টানটান উত্তেজনার ছিল। বাহুল্যবর্জিত গল্প–কম কথার মধ্যে অ্যাকশন ধাঁচ চমৎকার।
সলিড ফুয়েল– এটি বিজ্ঞানের এমন এক অসম্পূর্ণ আবিষ্কার, যা খুলে দিতে পারে এক অফুরন্ত সম্ভাবনার দ্বার। এই আবিষ্কার-কর্ম যিনি শেষ করতে পারতেন; সাক্কির স্পেশালিস্ট আঁদ্রে; তাকে সূক্ষ্ম বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়। এরপর থেকেই ঘটনা জমে ওঠে। আঁদ্রের সহযোগী গোপীনাথকে ধাওয়া করা হয় প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত। ধাওয়া-পার্টিতে থাকে ইন্টারন্যাশনাল মাফিয়াগোষ্ঠী ও সাক্কির ভাড়া করা গুণ্ডা, সাথে ইন্টারপোলও! এদের মধ্যে কালো আর সাদা নির্ণয় করা গোপীনাথের জন্য কষ্টের হয়ে ওঠে–সে কাকে বিশ্বাস করে কোথায় পালাবে!
ইঁদুর-বেড়াল দৌড় ভালোই লেগেছে। তবে শেষটা আশাব্যঞ্জক নয়। শীর্ষেন্দু কেন যে এমন অসাধারণ প্লটকে হুট করে মার খাইয়ে দেন, কে বলবে! আগেও এরকমটা দেখেছি। আর একটা জিনিস–কোনো চরিত্রকে শুরু থেকে গম্ভীর ব্যক্তিত্বের চোখে দেখিয়ে আবার অবৈধ-কামসর্বস্ব কিংবা হুট করে কাছে এসে মিলন হয়ে যাওয়া, ডিভোর্স হয়ে গিয়েও ... বড় একঘেয়েমি এগুলো। তবে বাদবাকি সব ভালো ছিল।
সলিড ফুয়েল– এটি বিজ্ঞানের এমন এক অসম্পূর্ণ আবিষ্কার, যা খুলে দিতে পারে এক অফুরন্ত সম্ভাবনার দ্বার। এই আবিষ্কার-কর্ম যিনি শেষ করতে পারতেন; সাক্কির স্পেশালিস্ট আঁদ্রে; তাকে সূক্ষ্ম বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়। এরপর থেকেই ঘটনা জমে ওঠে। আঁদ্রের সহযোগী গোপীনাথকে ধাওয়া করা হয় প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত। ধাওয়া-পার্টিতে থাকে ইন্টারন্যাশনাল মাফিয়াগোষ্ঠী ও সাক্কির ভাড়া করা গুণ্ডা, সাথে ইন্টারপোলও! এদের মধ্যে কালো আর সাদা নির্ণয় করা গোপীনাথের জন্য কষ্টের হয়ে ওঠে–সে কাকে বিশ্বাস করে কোথায় পালাবে!
ইঁদুর-বেড়াল দৌড় ভালোই লেগেছে। তবে শেষটা আশাব্যঞ্জক নয়। শীর্ষেন্দু কেন যে এমন অসাধারণ প্লটকে হুট করে মার খাইয়ে দেন, কে বলবে! আগেও এরকমটা দেখেছি। আর একটা জিনিস–কোনো চরিত্রকে শুরু থেকে গম্ভীর ব্যক্তিত্বের চোখে দেখিয়ে আবার অবৈধ-কামসর্বস্ব কিংবা হুট করে কাছে এসে মিলন হয়ে যাওয়া, ডিভোর্স হয়ে গিয়েও ... বড় একঘেয়েমি এগুলো। তবে বাদবাকি সব ভালো ছিল।
June 21, 2022
রবিবাসরীয়-তে ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস প্রকাশের ধারার সূচনা হয়েছিল এই লেখাটির মাধ্যমে। জনগণের উদ্বাহু প্রশংসা ধারাটিকে দীর্ঘায়ু করায় আমরা ক্রমে পেতে থাকি 'ছায়াসরণিতে রোহিণী', 'পেছনে পায়ের শব্দ', 'আট কুঠুরি নয় দরজা'-র মতো লেখা। কিন্তু এটা...
সেই যুগে 'খিল্লি' শব্দটা খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না বোধহয়। তবে রহস্য উপন্যাস তথা থ্রিলারকে নিয়ে করা একটি মস্ত খিল্লি হল এই লেখাটি। আজ আমরা যে 'জয়া', 'শ্রীময়ী', 'জুন আন্টি'-দের নিয়ে রাশি-রাশি মিম বানাই, অ্যাক্কেরে সেই লেভেলের চরিত্র ও তাদের কার্যকলাপে ঠাসা এই উপন্যাস।
যাঁরা শীর্ষেন্দুকে ঈশ্বর ইত্যাদি বলে মনে করেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে এটিকেও পাদ্য-অর্ঘ্য ইত্যাদি দিয়ে বন্দনা করবেন। আমার মতো রহস্যপ্রেমী ও থ্রিলার-ভক্ত এটিকে পিঁজরাপোলে সরবরাহ করবে— যাতে অন্তত কিছু অবলা প্রাণীর কাজে লাগে জিনিসটা।
বাকিটা আপনার হাতেই ছাড়লাম।
সেই যুগে 'খিল্লি' শব্দটা খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না বোধহয়। তবে রহস্য উপন্যাস তথা থ্রিলারকে নিয়ে করা একটি মস্ত খিল্লি হল এই লেখাটি। আজ আমরা যে 'জয়া', 'শ্রীময়ী', 'জুন আন্টি'-দের নিয়ে রাশি-রাশি মিম বানাই, অ্যাক্কেরে সেই লেভেলের চরিত্র ও তাদের কার্যকলাপে ঠাসা এই উপন্যাস।
যাঁরা শীর্ষেন্দুকে ঈশ্বর ইত্যাদি বলে মনে করেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে এটিকেও পাদ্য-অর্ঘ্য ইত্যাদি দিয়ে বন্দনা করবেন। আমার মতো রহস্যপ্রেমী ও থ্রিলার-ভক্ত এটিকে পিঁজরাপোলে সরবরাহ করবে— যাতে অন্তত কিছু অবলা প্রাণীর কাজে লাগে জিনিসটা।
বাকিটা আপনার হাতেই ছাড়লাম।
May 2, 2020
মানতে চাই আর না চাই, কীভাবে কীভাবে যেন আমার বড় ভাইকে আমি সব দিক থেকেই ফলো করি, হোক তা গান, লেখাপড়া, খাবার দাবার, সাইকেল চালানো কিংবা লেখক, তাঁর যা পছন্দ, আমারও তা পছন্দ হবে। আজ না হলে কাল, কাল না হলে পরশু, কিংবা মাস-বছর-যুগ পর।
ভাইয়া শীর্ষেন্দুর তুমুল ভক্ত। কেমন ভক্ত সেটা বলি।
একবার জন্মদিনে বললাম,
- ভাইয়া তুমি তো শীর্ষেন্দুর বই পছন্দ কর। তোমাকে একটা বই গিফট করি, বল কোন বইটা পড় নি এখনো?
মুড থাকলে আমার ভাইয়ের চেয়ে রসিক মানুষ এই দুনিয়াতে নাই। সে তখন মুডে ছিল,
- বিষয়টা তো একটু কঠিন হয়ে গেল রে। তোর কি শীর্ষেন্দুর সাথে যোগাযোগ আছে?
- উনার সাথে আমার যোগাযোগ কীভাবে থাকে, আজব তো!
- তাইলে তো হবে না রে। উনার না পড়া কোন লেখা আমাকে দিতে হলে তো তাঁর সাথে যোগাযোগ করে, নতুন লেখিয়ে আনতে হবে। কারণ শীর্ষেন্দুর না পড়া বই তো আমার একটাও নাই!!
তাই আমি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা জিহ্বায় লালা ঝরাতে ঝরাতে পড়ব তা ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র! “কালো বেড়াল সাদা বেড়াল” কেমন বই, তা বলার মত যোগ্যতা আমার নেই। হ্যাঁ, আরও অনেকের মত শেষটা মনমত হয় নি তা আমিও মানি। তবে একজন লেখক তার কাহিনী কোথায় গিয়ে কিভাবে শেষ করবেন তা সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। সবকিছুর পর এমন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ একটা থ্রিলার, সাবলীল বাংলায়, তাও শীর্ষেন্দুর লেখা, থাকতে পারে, তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। এর রিভিউ লেখাও আমার কম্ম নয়। বরং গুডরিডস-এ বাপ্পি ভাইয়ের এই রিভিউটাই সে কাজ চমৎকারভাবে করেছে।!
আমি বলি বইটা পড়লাম কীভাবে আর কোথা থেকে সেই গল্প।
মজার বিষয় হল, গতকালকেই (২০ নভেম্বর ২০১৯) এই বইটা শেষ করলেও “কালো বেড়াল সাদা বেড়াল” আসলে আমার পড়া নাহলেও বছর দশেক আগে! ভাইয়ার কাছ থেকেই নিয়েছিলাম। এমন টানটান উত্তেজনার থ্রিলার বই, গোগ্রাসে গিলছি, আর একটু, আর একটু! তারপরেই জট খুলবে… হঠাৎ আবিষ্কার করলাম বইয়ের শেষ ফর্মাটা নাই! থ্রিলারভক্ত মাত্রই জানেন, একদম ভেতরে ঢুঁকে যাওয়া কোন থ্রিলারের শেষ ফর্মা না থাকার সাথে শুধু একটি বিষয়েরই তুলনা দেয়া যায়। কিছুটা প্রাপ্তবয়স্কদের হওয়ায় তা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল ;)
সপ্তাহ দুয়েক আগে এই বইটা আমি কিনেছি ১৫ (কথায়ঃ পনের) টাকা দিয়ে। জ্বি হ্যা, ঠিকই পড়েছেন, পনের এবং টাকা (ডলার নয়!)। বিড়িখোর না হলেও জানা যায় ১৫ টাকা দিয়ে আজ ভাল দুটো সিগারেটও পাওয়া যায় না। তবে কালো বেড়াল সাদা বেড়াল পেলাম কীভাবে? প্রযুক্তি!
“সেইবই” নামে অসাধারণ একটা অ্যাপ আছে প্লে স্টোরে। সেখানে নামমাত্র মূল্যে বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। আমার ফেসবুকে সি-ফার্স্ট দেয়া যে সামান্য দু-একটা পেজ, সেইবই তার মাঝে আছে। কালো বেড়াল সাদা বেড়াল সেখানে দেখা মাত্রই ১৫ টাকা খরচ করতে আমার গায়ে লাগেনি! এরপর ট্রেনে, বাসে, সিএনজিতে, খাটে, চেয়ারে, বাসায়, অফিসে, দিনে কিংবা রাতে… কোথাও পড়িনি!
এই অ্যাপে অনেকটাই কিন্ডল ফ্লেভার দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। পেজ নাম্বার, ব্রাইটনেস এগুলো তো থাকবেই, সাথে ফন্ট সাইজ চেঞ্জ করার অপশন, নাইট কিংবা ডে ডিসপ্লে, চ্যাপ্টার, নোট - হাইলাইট যোগ করার অপশন… গতানুগতিক পিডিএফের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। বাংলা পিডিএফ আসলে পাঠযোগ্য থাকে না কারণ অধিকাংশক্ষেত্রেই তা থাকে অত্যন্ত নিম্নমানের কিছু ফটোস্ক্যান করা পৃষ্ঠা। এমন টাইপ এবং কম্পোজ করা হলে তা নিমিষেই পড়া যায়। তাই যারা বলেন “ও পিডিএফে আমার ঠিক চলে না!” তাদের জন্য সেইবই হতে পারে চমৎকার বিকল্প।
আমার পক্ষ থেকেও সেইবই একটা ধন্যবাদ পায়, ওতে না থাকলে ঠিক কবে পড়া হত এই রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার, জানা নেই।
ভাইয়া শীর্ষেন্দুর তুমুল ভক্ত। কেমন ভক্ত সেটা বলি।
একবার জন্মদিনে বললাম,
- ভাইয়া তুমি তো শীর্ষেন্দুর বই পছন্দ কর। তোমাকে একটা বই গিফট করি, বল কোন বইটা পড় নি এখনো?
মুড থাকলে আমার ভাইয়ের চেয়ে রসিক মানুষ এই দুনিয়াতে নাই। সে তখন মুডে ছিল,
- বিষয়টা তো একটু কঠিন হয়ে গেল রে। তোর কি শীর্ষেন্দুর সাথে যোগাযোগ আছে?
- উনার সাথে আমার যোগাযোগ কীভাবে থাকে, আজব তো!
- তাইলে তো হবে না রে। উনার না পড়া কোন লেখা আমাকে দিতে হলে তো তাঁর সাথে যোগাযোগ করে, নতুন লেখিয়ে আনতে হবে। কারণ শীর্ষেন্দুর না পড়া বই তো আমার একটাও নাই!!
তাই আমি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা জিহ্বায় লালা ঝরাতে ঝরাতে পড়ব তা ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র! “কালো বেড়াল সাদা বেড়াল” কেমন বই, তা বলার মত যোগ্যতা আমার নেই। হ্যাঁ, আরও অনেকের মত শেষটা মনমত হয় নি তা আমিও মানি। তবে একজন লেখক তার কাহিনী কোথায় গিয়ে কিভাবে শেষ করবেন তা সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। সবকিছুর পর এমন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ একটা থ্রিলার, সাবলীল বাংলায়, তাও শীর্ষেন্দুর লেখা, থাকতে পারে, তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। এর রিভিউ লেখাও আমার কম্ম নয়। বরং গুডরিডস-এ বাপ্পি ভাইয়ের এই রিভিউটাই সে কাজ চমৎকারভাবে করেছে।!
আমি বলি বইটা পড়লাম কীভাবে আর কোথা থেকে সেই গল্প।
মজার বিষয় হল, গতকালকেই (২০ নভেম্বর ২০১৯) এই বইটা শেষ করলেও “কালো বেড়াল সাদা বেড়াল” আসলে আমার পড়া নাহলেও বছর দশেক আগে! ভাইয়ার কাছ থেকেই নিয়েছিলাম। এমন টানটান উত্তেজনার থ্রিলার বই, গোগ্রাসে গিলছি, আর একটু, আর একটু! তারপরেই জট খুলবে… হঠাৎ আবিষ্কার করলাম বইয়ের শেষ ফর্মাটা নাই! থ্রিলারভক্ত মাত্রই জানেন, একদম ভেতরে ঢুঁকে যাওয়া কোন থ্রিলারের শেষ ফর্মা না থাকার সাথে শুধু একটি বিষয়েরই তুলনা দেয়া যায়। কিছুটা প্রাপ্তবয়স্কদের হওয়ায় তা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল ;)
সপ্তাহ দুয়েক আগে এই বইটা আমি কিনেছি ১৫ (কথায়ঃ পনের) টাকা দিয়ে। জ্বি হ্যা, ঠিকই পড়েছেন, পনের এবং টাকা (ডলার নয়!)। বিড়িখোর না হলেও জানা যায় ১৫ টাকা দিয়ে আজ ভাল দুটো সিগারেটও পাওয়া যায় না। তবে কালো বেড়াল সাদা বেড়াল পেলাম কীভাবে? প্রযুক্তি!
“সেইবই” নামে অসাধারণ একটা অ্যাপ আছে প্লে স্টোরে। সেখানে নামমাত্র মূল্যে বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। আমার ফেসবুকে সি-ফার্স্ট দেয়া যে সামান্য দু-একটা পেজ, সেইবই তার মাঝে আছে। কালো বেড়াল সাদা বেড়াল সেখানে দেখা মাত্রই ১৫ টাকা খরচ করতে আমার গায়ে লাগেনি! এরপর ট্রেনে, বাসে, সিএনজিতে, খাটে, চেয়ারে, বাসায়, অফিসে, দিনে কিংবা রাতে… কোথাও পড়িনি!
এই অ্যাপে অনেকটাই কিন্ডল ফ্লেভার দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। পেজ নাম্বার, ব্রাইটনেস এগুলো তো থাকবেই, সাথে ফন্ট সাইজ চেঞ্জ করার অপশন, নাইট কিংবা ডে ডিসপ্লে, চ্যাপ্টার, নোট - হাইলাইট যোগ করার অপশন… গতানুগতিক পিডিএফের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। বাংলা পিডিএফ আসলে পাঠযোগ্য থাকে না কারণ অধিকাংশক্ষেত্রেই তা থাকে অত্যন্ত নিম্নমানের কিছু ফটোস্ক্যান করা পৃষ্ঠা। এমন টাইপ এবং কম্পোজ করা হলে তা নিমিষেই পড়া যায়। তাই যারা বলেন “ও পিডিএফে আমার ঠিক চলে না!” তাদের জন্য সেইবই হতে পারে চমৎকার বিকল্প।
আমার পক্ষ থেকেও সেইবই একটা ধন্যবাদ পায়, ওতে না থাকলে ঠিক কবে পড়া হত এই রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার, জানা নেই।
April 30, 2019
এই বইটা বেশ ভালো। শীর্ষেন্দুর লেখা থ্রিলার ঘরনার বেস্ট বই। প্লট বেশ বিস্তৃত। চরিত্রায়নও অনেক ভালো। এ গল্পের অন্যতম চরিত্র সুধাকর দত্তের সাথে শবরের বেশ মিল পেলাম। চরিত্রটা একটু অন্যরকম হলে আরো অনেক বেশী ভালো লাগত।
গল্পের সার সংক্ষেপ করা যাক। গোপীনাথ বেশ নামকরা বিজ্ঞানী। ইউরোপের একটা বড় করপোরেশনের একটি গবেষনা প্রজেক্টের কর্নধার। গবেষনার বিষয় হল সলিড ফুয়েল। এই প্রজেক্টের একজন বিজ্ঞানী কলকাতায় একটা কারখানা পরিদর্শনের সময় মারা যান। আপাত দৃষ্টিতে হার্ট এটাক মনে হলেও পরে দেখা যায় স্লো পয়জনিং। এক প্রচন্ড শক্তিশালী অর্গানাইজেশন লেগে যায় এই গবেষনার পেছনে, যার মূল চাবিকাঠি আবার গোপীনাথের হাতে। ভয়ানক বিপদে থাকা গোপীনাথ পেয়ে যায় সুধাকরকে। কিন্তু কে এই সুধাকর? কি চায় সে? তার ভূমিকা কি?এসব প্রশ্নের উত্তর খুজেতে খুজতে বইটা পড়ে শেষ করলাম।
গল্পের সার সংক্ষেপ করা যাক। গোপীনাথ বেশ নামকরা বিজ্ঞানী। ইউরোপের একটা বড় করপোরেশনের একটি গবেষনা প্রজেক্টের কর্নধার। গবেষনার বিষয় হল সলিড ফুয়েল। এই প্রজেক্টের একজন বিজ্ঞানী কলকাতায় একটা কারখানা পরিদর্শনের সময় মারা যান। আপাত দৃষ্টিতে হার্ট এটাক মনে হলেও পরে দেখা যায় স্লো পয়জনিং। এক প্রচন্ড শক্তিশালী অর্গানাইজেশন লেগে যায় এই গবেষনার পেছনে, যার মূল চাবিকাঠি আবার গোপীনাথের হাতে। ভয়ানক বিপদে থাকা গোপীনাথ পেয়ে যায় সুধাকরকে। কিন্তু কে এই সুধাকর? কি চায় সে? তার ভূমিকা কি?এসব প্রশ্নের উত্তর খুজেতে খুজতে বইটা পড়ে শেষ করলাম।
August 11, 2016
অসামান্য বর্ণনা সাধারণ কয়েকটি ঘটনাকে কিভাবে একটা অন বদ্য সৃষ্টিতে রূপ নেয়, উপন্যাসটি যেন তারই সাক্ষ্য বহন করছে
December 24, 2021
টাইট একটা বই। গল্পের জাল দারুণভাবে বুনেছেন লেখক। শীর্ষেন্দু বস লেখক❤️
October 15, 2019
বাংলায় এমন টান টান উত্তেজনাপূর্ণ মৌলিক থ্রিলার রয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের, জানা ছিল না। শীর্ষেন্দুকে দেখেছি মনস্তাত্ত্বিক গল্প খুব ভাল ফুঁটিয়ে তুলতে পারে। কথোপকথন অসম্ভব স্মার্ট হয়ে ওঠে তার গল্পে। তার লেখা দূরবীন, চক্র, পার্থিব ইত্যাদি বইতে জীবনবোধ নিয়ে গভীর ফিলোসফি দেখেছি। এমন একজন লেখক এমন একটা টানটান থ্রিলার লিখতে পারেন, অনুমান করা মুশকিল। এমনকি তার সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ‘শবর’-ও এতটা টানটান থ্রিল দিতে পারেনি, যতটা দিয়েছে এ বই। এটি সম্ভবত বাংলায় লেখা খুব ভাল থ্রিলার বইয়ের একটি এবং সবচেয়ে আন্ডাররেটেড থ্রিলারও বটে!
গল্পের কাহিনী শুরু হয় সুধাকর দত্ত নামক এক ইন্টারপোল পরিচয়ধারী ব্যক্তির একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র নিয়ে তদন্তের খাতিরে কলকাতা পৌঁছানো থেকে। মনোজ ও রোজমারি নামক এক বাঙালি-জার্মান দম্পতি একটি শিল্প কারখানা দাড় করায় কলকাতায়। সেই কারখানায় তৈরি হয় এমন কিছু জিনিস, যার ব্যবহার আপাত দৃষ্টিতে সাধারণ হলেও, কেমিক্যাল রিয়াকশন করে সেখান থেকে তৈরি করা যায় কিছু অত্যন্ত দামী জিনিস। আর সেই জিনিসের উপর পড়ে আন্তর্জাতিক সব শিল্পপতী ও মাফিয়া ডনদের নজর। ওদিকে প্যারিসে থাকা বাঙালী বিজ্ঞানী গোপীনাথ সেই কেমিক্যাল রিয়াকশন করা জিনিস সম্পর্কে ধারণা রাখত বলে তাকে নিয়ে মাফিয়া, ভিকিজ মব নামক এক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং আরও কিছু আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী নিজেদের দলে ভেড়াতে চায়। এরপর শুরু হয় ইঁদুর বিড়াল খেলা। প্যারিস, রোম হয়ে কলকাতায় এসে শেষ হয় এই খেলা। শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ধরে রেখেছেন লেখক, সুনিপুন ভাবে!
থ্রিলার বইতে আজকাল গল্পের নামে ইতিহাস, ব্যাকস্টোরি, প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে করতে পাঠকদের সুন্দর করে ঘুম পারিয়ে দেওয়ার যে মহান ট্রেন্ড চালু হয়েছে, এই বইটাতে তা নেই একদমই। বাঙালি থ্রিলার এমনই হওয়া উচিত। পরিচিত গণ্ডিতে অপরিচিত প্রেক্ষাপট। এক ছটাক মেদ নেই কোথাও। বর্ণনা যতটুকু দরকার ততটুকু। কথোপকথন যেমন বাস্তবধর্মী, তেমন স্মার্ট। নতুন থ্রিলার লেখকরা ড্যান ব্রাউনের ব্যর্থ অনুসরণ না করে এই সব বই পড়তে পারে।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাদা বিড়াল দিয়ে লেখক বোধহয় বুঝিয়েছেন আলোকিত জগত, কালো বিড়াল দিয়ে অন্ধকার জগত। প্রচ্ছদের ছবিতে ইন্টারপোলের গোয়েন্দাকে সাদা ও কালো বিড়াল, দু’টো অংশের মাঝামাঝিতে দেখা যায়। অর্থাৎ ইন্টারপোল এজেন্ট সুধাকর দত্ত পুরোপুরি ভাল বা মন্দ কোন দলেই পড়ে না, আবার উভয় দলেই পড়ে, এমন বোঝানো হয়েছে! যেটা গল্পের সাথে যায়ও।এক জায়গায় লেখা আছে-বাঘের মাসির মতো ওত পেঁতে আছে...বিড়াল শব্দটা সচেতনভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে অনেক জায়গাতে।
উপভোগ্য, মেদবর্জিত, দুর্দান্ত একটা থ্রিলার।
গল্পের কাহিনী শুরু হয় সুধাকর দত্ত নামক এক ইন্টারপোল পরিচয়ধারী ব্যক্তির একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র নিয়ে তদন্তের খাতিরে কলকাতা পৌঁছানো থেকে। মনোজ ও রোজমারি নামক এক বাঙালি-জার্মান দম্পতি একটি শিল্প কারখানা দাড় করায় কলকাতায়। সেই কারখানায় তৈরি হয় এমন কিছু জিনিস, যার ব্যবহার আপাত দৃষ্টিতে সাধারণ হলেও, কেমিক্যাল রিয়াকশন করে সেখান থেকে তৈরি করা যায় কিছু অত্যন্ত দামী জিনিস। আর সেই জিনিসের উপর পড়ে আন্তর্জাতিক সব শিল্পপতী ও মাফিয়া ডনদের নজর। ওদিকে প্যারিসে থাকা বাঙালী বিজ্ঞানী গোপীনাথ সেই কেমিক্যাল রিয়াকশন করা জিনিস সম্পর্কে ধারণা রাখত বলে তাকে নিয়ে মাফিয়া, ভিকিজ মব নামক এক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং আরও কিছু আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী নিজেদের দলে ভেড়াতে চায়। এরপর শুরু হয় ইঁদুর বিড়াল খেলা। প্যারিস, রোম হয়ে কলকাতায় এসে শেষ হয় এই খেলা। শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ধরে রেখেছেন লেখক, সুনিপুন ভাবে!
থ্রিলার বইতে আজকাল গল্পের নামে ইতিহাস, ব্যাকস্টোরি, প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে করতে পাঠকদের সুন্দর করে ঘুম পারিয়ে দেওয়ার যে মহান ট্রেন্ড চালু হয়েছে, এই বইটাতে তা নেই একদমই। বাঙালি থ্রিলার এমনই হওয়া উচিত। পরিচিত গণ্ডিতে অপরিচিত প্রেক্ষাপট। এক ছটাক মেদ নেই কোথাও। বর্ণনা যতটুকু দরকার ততটুকু। কথোপকথন যেমন বাস্তবধর্মী, তেমন স্মার্ট। নতুন থ্রিলার লেখকরা ড্যান ব্রাউনের ব্যর্থ অনুসরণ না করে এই সব বই পড়তে পারে।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাদা বিড়াল দিয়ে লেখক বোধহয় বুঝিয়েছেন আলোকিত জগত, কালো বিড়াল দিয়ে অন্ধকার জগত। প্রচ্ছদের ছবিতে ইন্টারপোলের গোয়েন্দাকে সাদা ও কালো বিড়াল, দু’টো অংশের মাঝামাঝিতে দেখা যায়। অর্থাৎ ইন্টারপোল এজেন্ট সুধাকর দত্ত পুরোপুরি ভাল বা মন্দ কোন দলেই পড়ে না, আবার উভয় দলেই পড়ে, এমন বোঝানো হয়েছে! যেটা গল্পের সাথে যায়ও।এক জায়গায় লেখা আছে-বাঘের মাসির মতো ওত পেঁতে আছে...বিড়াল শব্দটা সচেতনভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে অনেক জায়গাতে।
উপভোগ্য, মেদবর্জিত, দুর্দান্ত একটা থ্রিলার।
June 30, 2020
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় জীবনমুখী বা সামাজিক উপন্যাসগুলোর জন্যই সকলের কাছে পরিচিত, তবে অন্য জন্রায়ও যে তিনি কম যান না সেটা "নীলু হাজরার হত্যারহস্য" পড়ার পর বুঝেছিলাম।
এই বইতে শীর্ষেন্দুর লেখার ধরণ সম্পূর্ণ অন্যরকম, যাতে প্রথম দিকে অভ্যস্ত হতে পারছিলাম না। চরিত্রগুলোর কাউকেই ভালো লাগছিল না। কিন্তু গল্প এগোনোর সাথে সাথে এই অন্য ধরণের লেখা দারুণ উপভোগ করেছি এবং শেষ করবার পর মুখে একটা হাসি রয়ে গেলো। অসম্ভব দারুণ একটা বই, পড়ার পর বুঝলাম কেন সকলে বলতো এটা না পড়লে চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা মিস!
এই বইতে শীর্ষেন্দুর লেখার ধরণ সম্পূর্ণ অন্যরকম, যাতে প্রথম দিকে অভ্যস্ত হতে পারছিলাম না। চরিত্রগুলোর কাউকেই ভালো লাগছিল না। কিন্তু গল্প এগোনোর সাথে সাথে এই অন্য ধরণের লেখা দারুণ উপভোগ করেছি এবং শেষ করবার পর মুখে একটা হাসি রয়ে গেলো। অসম্ভব দারুণ একটা বই, পড়ার পর বুঝলাম কেন সকলে বলতো এটা না পড়লে চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা মিস!
September 26, 2021
বইটা রোজমারি এবং মনোজের কম্পানিতে তৈরি করা অ্যালয়ের রহস্যভেদ নিয়ে। যেটার রহস্যভেদের একদম শেষ প্রান্তে আসার কারণে আদ্রেঁ নামে একজনের মৃত্যু হয়। এবং তার এই অসামপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে পারে একমাত্র গোপীনাথ বোস। তাই পৃথিবীর অনেক বড় বড় কুচক্রী মহল এবং মাফিয়াদের নজরে পড়ে যায় এই গোপীনাথ বোস। এতসব বড় বড় মাফিয়া গুন্ডাদের কবলে পড়ার পরও গোপীনাথ কিভাবে বেঁচে যায় সেটা একটা রোমাঞ্চকর বিষয়। গল্পের প্রধান চরিত্র বলতে গেলে সুধাকর দত্ত। সুধাকর দত্ত চরিত্র টা একটা চমক। প্রতিটা পর্বে তাকে নতুন করে চিনেছি, মনে হয়েছে 'এ আসলে কে?' সেটা জানার আগ্রহও টানতে টানতে একদম শেষ পর্যন্ত পৌঁছে নিয়ে গেছে। পড়তে পড়তে একটা সময় মনে হয় প্রতিটা চরিত্রই কেমন যেন রহস্যময়। রহস্যময় গল্পের সমাপ্তি রোমাঞ্চকর না হলে কেমন একটা জমে ওঠে না। তবে এইটা খারাপ লাগে নি।ভালো লেগেছে। একটা টান টান উত্তেজনা নিয়ে শেষ হলো বইটা।
February 6, 2026
ধুন্ধুমার কান্ড।উথাল-পাতাল এ্যাকশনে ভরা।গল্প পড়ছি নাকি সিনেমা দেখছি ঠাওর হচ্ছিল না, চর্ম চক্ষুতে প্রত্যক্ষ হচ্ছিল না এই যা। গল্পের দুই-তৃতীয়াংশ পড়ার পর ও মাথায় ঢুকছিল না হচ্ছে টা কী.... কাহিনী কি, exact নায়ক কেডা, ভিলেন কেডা?কাহিনী এখানেই শেষ না.. মনে হচ্ছিল গোপীনাথ বসু না আমারেই মারার জন্য সব মাফিয়া ঘিরে ধরেছে।যখন তখন মেরে ফেলবে,জান গলার কাছে আটকে ছিল। আর একজন দত্ত মহাশয় আমারে বহুত confused করেছে, পুরাই হতাশ 😒
তবে, গোপীনাথ +সোনালীর ইগো দেখতে দেখতে হঠাৎ মিলন টা দারুন ছিল 😜
তবে, গোপীনাথ +সোনালীর ইগো দেখতে দেখতে হঠাৎ মিলন টা দারুন ছিল 😜
June 24, 2021
একদিন শীর্ষেন্দুর মতো 'চোস্ত' সংলাপ লিখতে পারবো, এই ব্যার্থ কামনায়..
৩.৪/৫
৩.৪/৫
September 13, 2020
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আমার অন্যতম প্রিয় একজন লেখক। তাঁর অদ্ভূত সব কাহিনী নিয়ে লেখা কিশোর উপন্যাস অদ্ভুতুড়ে সিরিজ বা দীর্ঘ কলেবরে লেখা পার্থিব, চক্র, মানবজমিন, দুরবীন প্রায় প্রতিটা বইই গোগ্রাসে গিলেছি। কিন্তু এই দুই ধারার বাইরে লেখকের আরও একটা পরিচয় আছে আর তাহলো তিনি অসাধারণ রহস্য উপন্যাসও লেখেন, শবর নামে এক গোয়েন্দা চরিত্রও সৃষ্টি হয়েছে তাঁর কলম থেকে। শবর এখনও পড়া হয় নি কিন্তু বিকেলের মৃত্যুর পর আরেকটা রহস্য উপন্যাস হিসেবে কালো বিড়াল সাদা বিড়াল শুরু করতেও কোনো দ্বিধা করি নি।
বেশ জটিল একটা প্লট। প্যারিস, রোম, কলকাতা ঘুরে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংস্থা ভিকিজ মব পর্যন্ত এক মলাটে তুলে এনেছেন লেখক। সংক্ষেপে বলতে গেলে মনোজ আর রোজমারির আপাত সাধারণ অ্যালয় তৈরির কারখানা নিয়ে উঠেপড়ে লাগে দেশী-বিদেশী সংস্থা। একদিকে গোপীনাথের অস্ত্র তৈরির কারখানা সাক্কি যেমন চায় মনোজের কারখানা আবার অন্যদিকে ভিকিজ মবের ইউরোপীয় প্রধান সুধাকর দত্ত বা দাতাও ফাঁদ পেতেই আছে। বাইরে এতকিছু হলেও অন্ধকারেই আছে মনোজ-রোজমারি দম্পতি, ঘটনাপ্রবাহ যেন মাথার উপরে দিয়ে যাচ্ছে তাদের। এরই মধ্যে রোজমারিকে আর.আই.পি লেখা চিঠি পাঠানো বা কারখানা দেখতে আসা এক বিদেশী প্রতিনিধির হত্যা পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলে। সাক্কির গোপীনাথ আর ভিকিজ মবের সুধাকর – কোন দিকে যাচ্ছে কারখানার নিয়ন্ত্রণ?
চমৎকার একটা থ্রিলার। শীর্ষেন্দু এবারও বিন্তুমাত্র হতাশ করেন নি। পুরো বই জুড়েই কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছের দোলাচলে ভুগিয়েছেন লেখক, বিন্তুমাত্র কম ছিল না উত্তেজনাও।বইয়ের নামের মতোই রহস্যময় চরিত্র সুধাকর দত্ত ভীষণ আকর্ষণ করেছে পুরো বই জুড়ে, সোনালীর মতো আমিও না পেরেছি ওকে এড়িয়ে যেতে আর না পেরেছি কাছে টানতে! বইয়ের নামটাও ভীষণ মানানসই, পাত্র-পাত্রীদের মধ্য থেকে সাদা আর কালোদের খুঁজতেই যেতে হয় শেষ পৃষ্ঠা অবধি। দুয়েক জায়গায় অতিরিক্ত সিনেম্যাটিক ব্যাপারস্যাপার ( গোপীনাথের বিমানের ব্যাপারটা বা সুধাকরের শেষ দৃশ্যের ব্যাপারটা), গোপীনাথ-সোনালীর রিইউনিয়ন বা স্বামী-প্রাক্তন স্বামী-প্রেমিকের একত্রিত হওয়ার ব্যাপারটা আর শেষের কয়েক পৃষ্ঠার অযথা কথাবার্তা এগুলো বাদ দিলে সুন্দর এক থ্রিলার।
বেশ জটিল একটা প্লট। প্যারিস, রোম, কলকাতা ঘুরে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংস্থা ভিকিজ মব পর্যন্ত এক মলাটে তুলে এনেছেন লেখক। সংক্ষেপে বলতে গেলে মনোজ আর রোজমারির আপাত সাধারণ অ্যালয় তৈরির কারখানা নিয়ে উঠেপড়ে লাগে দেশী-বিদেশী সংস্থা। একদিকে গোপীনাথের অস্ত্র তৈরির কারখানা সাক্কি যেমন চায় মনোজের কারখানা আবার অন্যদিকে ভিকিজ মবের ইউরোপীয় প্রধান সুধাকর দত্ত বা দাতাও ফাঁদ পেতেই আছে। বাইরে এতকিছু হলেও অন্ধকারেই আছে মনোজ-রোজমারি দম্পতি, ঘটনাপ্রবাহ যেন মাথার উপরে দিয়ে যাচ্ছে তাদের। এরই মধ্যে রোজমারিকে আর.আই.পি লেখা চিঠি পাঠানো বা কারখানা দেখতে আসা এক বিদেশী প্রতিনিধির হত্যা পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলে। সাক্কির গোপীনাথ আর ভিকিজ মবের সুধাকর – কোন দিকে যাচ্ছে কারখানার নিয়ন্ত্রণ?
চমৎকার একটা থ্রিলার। শীর্ষেন্দু এবারও বিন্তুমাত্র হতাশ করেন নি। পুরো বই জুড়েই কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছের দোলাচলে ভুগিয়েছেন লেখক, বিন্তুমাত্র কম ছিল না উত্তেজনাও।বইয়ের নামের মতোই রহস্যময় চরিত্র সুধাকর দত্ত ভীষণ আকর্ষণ করেছে পুরো বই জুড়ে, সোনালীর মতো আমিও না পেরেছি ওকে এড়িয়ে যেতে আর না পেরেছি কাছে টানতে! বইয়ের নামটাও ভীষণ মানানসই, পাত্র-পাত্রীদের মধ্য থেকে সাদা আর কালোদের খুঁজতেই যেতে হয় শেষ পৃষ্ঠা অবধি। দুয়েক জায়গায় অতিরিক্ত সিনেম্যাটিক ব্যাপারস্যাপার ( গোপীনাথের বিমানের ব্যাপারটা বা সুধাকরের শেষ দৃশ্যের ব্যাপারটা), গোপীনাথ-সোনালীর রিইউনিয়ন বা স্বামী-প্রাক্তন স্বামী-প্রেমিকের একত্রিত হওয়ার ব্যাপারটা আর শেষের কয়েক পৃষ্ঠার অযথা কথাবার্তা এগুলো বাদ দিলে সুন্দর এক থ্রিলার।
June 29, 2021
"কালো বেড়াল সাদা বেড়াল" থ্রিলার উপন্যাস হিসেবে চলনসই। তবে শেষ টা মনে হলো খুব গতানুগতিক ভাবে হয়েছে।
শুরু থেকে সুধাকর দত্তের যে রহস্যময় ইমেজ দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, বইয়ের শেষভাগে আসার আগ পর্যন্ত সেই রহস্যের জাল পাঠককে শেষ পর্যন্ত আটকে রাখতে বাধ্য। তাছাড়া রোজমেরী, মনোজ, সোনালী, আর গোপীনাথকে ঘিরে তৈরি হওয়া একের পর এক রহস্যের বেড়াজাল ভেদ করার ইচ্ছা জাগলে এই বই ছেড়ে উঠা মুসকিল। মোটামোটি দুর্দান্ত একটি থ্রিলার একে বলা না গেলেও থ্রিলার হিসেবে বেশ উপভোগ্যই বলা যায়।
শুরু থেকে সুধাকর দত্তের যে রহস্যময় ইমেজ দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, বইয়ের শেষভাগে আসার আগ পর্যন্ত সেই রহস্যের জাল পাঠককে শেষ পর্যন্ত আটকে রাখতে বাধ্য। তাছাড়া রোজমেরী, মনোজ, সোনালী, আর গোপীনাথকে ঘিরে তৈরি হওয়া একের পর এক রহস্যের বেড়াজাল ভেদ করার ইচ্ছা জাগলে এই বই ছেড়ে উঠা মুসকিল। মোটামোটি দুর্দান্ত একটি থ্রিলার একে বলা না গেলেও থ্রিলার হিসেবে বেশ উপভোগ্যই বলা যায়।
January 24, 2026
ঠিক মনঃপূত হয়নি আমার কাছে, তবে একটানা সম্পূর্ণ পড়েছি,এই অনেক 😐 থ্রিলার বই হিসেবে আরো কিছু আশা করেছিলাম 🙃
April 10, 2026
"জীবনে অতীব ক্ষণস্থায়ী,কে কবে কখন কীভাবে মারা যাবে তার তো ঠিক নেই,বুঝলেন?এই ক্ষণস্থায়ী আয়ুস্কালের মধ্যে সামান্য কয়েকটি মুহূর্ত যদি জীবনের কাছে দিয়ে থাকেন তা-ই বা কম কী!"
𝐿𝑒𝑡 𝑚𝑒 𝑡𝑒𝑙𝑙 𝑎𝑏𝑜𝑢𝑡 𝑎 𝑔𝑟𝑒𝑎𝑡 𝑚𝑖𝑠𝑡𝑒𝑟𝑖𝑜𝑢𝑠 & 𝑡𝒉𝑟𝑖𝑙𝑙𝑖𝑛𝑔 𝑏𝑜𝑜𝑘 𝑗𝑜𝑢𝑟𝑚𝑒𝑦
কার রেকোমেন্ডেশনে মনে নেই,তবে অডিওবুকটা আপলোডের পর উনার পোস্ট দেখেই পড়ার আগ্রহ জন্মেছিলো জন্য ডাউনলোড করে রেখেছিলাম।উনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আজ ছুটির দিনে অডিওবুকটা শোনা হলো;দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
অনেক কম গল্পই আছে যেগুলো শুরুতে কাহিনী ডেভেলপমেন্টে কালক্ষেপণ না করে শুরু থেকেই গল্পের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানোর পাশাপাশি স্টোরি ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে গল্প আগাতে থাকে।এটা সেগুলোর একটা।A perfect mystery-thriller or I should say 'murder-mystery thriller'.ইউনিক প্লট সাথে ভিন্ন 'গল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ধরণ'ও।গল্পের অধিকাংশ চরিত্রই যেন একেকটা রহস্য,যা গল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।প্রায় পুরোটা সময় suspense এর উপস্থিতি। সব মিলিয়ে 'সেইরকম' একটা অভিজ্ঞতা।এর একটা হার্ডকপি পেয়ে re-read দিলে মন্দ হয় না।
গুডরিডসে রেটিং ৩.৭ দেখে অবাকই হয়েছি।সেক্ষেত্রে হয়তো অনেকের সাথে আমার অপিনিয়ন মিলবে না কিন্ত আমি শুধু আমারটা শেয়ার করলাম।
পার্সোনাল রেটিং:৫/৫
𝐿𝑒𝑡 𝑚𝑒 𝑡𝑒𝑙𝑙 𝑎𝑏𝑜𝑢𝑡 𝑎 𝑔𝑟𝑒𝑎𝑡 𝑚𝑖𝑠𝑡𝑒𝑟𝑖𝑜𝑢𝑠 & 𝑡𝒉𝑟𝑖𝑙𝑙𝑖𝑛𝑔 𝑏𝑜𝑜𝑘 𝑗𝑜𝑢𝑟𝑚𝑒𝑦
কার রেকোমেন্ডেশনে মনে নেই,তবে অডিওবুকটা আপলোডের পর উনার পোস্ট দেখেই পড়ার আগ্রহ জন্মেছিলো জন্য ডাউনলোড করে রেখেছিলাম।উনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আজ ছুটির দিনে অডিওবুকটা শোনা হলো;দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
অনেক কম গল্পই আছে যেগুলো শুরুতে কাহিনী ডেভেলপমেন্টে কালক্ষেপণ না করে শুরু থেকেই গল্পের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানোর পাশাপাশি স্টোরি ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে গল্প আগাতে থাকে।এটা সেগুলোর একটা।A perfect mystery-thriller or I should say 'murder-mystery thriller'.ইউনিক প্লট সাথে ভিন্ন 'গল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ধরণ'ও।গল্পের অধিকাংশ চরিত্রই যেন একেকটা রহস্য,যা গল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।প্রায় পুরোটা সময় suspense এর উপস্থিতি। সব মিলিয়ে 'সেইরকম' একটা অভিজ্ঞতা।এর একটা হার্ডকপি পেয়ে re-read দিলে মন্দ হয় না।
গুডরিডসে রেটিং ৩.৭ দেখে অবাকই হয়েছি।সেক্ষেত্রে হয়তো অনেকের সাথে আমার অপিনিয়ন মিলবে না কিন্ত আমি শুধু আমারটা শেয়ার করলাম।
পার্সোনাল রেটিং:৫/৫
July 31, 2021
দারুণ প্লট। তাড়াহুড়োয় এন্ডিং।
ব্যক্তিগত রেটিং ৩.৫/৫
ব্যক্তিগত রেটিং ৩.৫/৫
January 4, 2022
শীর্ষেন্দুর লেখার সাথে আমার পরিচয় ঘটে ক্লাস থ্রি-তে থাকতে। খালামণি জন্মদিন উপলক্ষে শীর্ষেন্দুর 'কিশোর উপন্যাস সমগ্র-১' কিনে দিয়েছিলেন। পরের জন্মদিনে কিনে দিয়েছিলেন সমগ্র-৪। মাঝের দুইটা? ওই দুইটা আমার খালাতো বোনকে দিয়েছিল 😛 আমরা যখন কোনো বই কিনি, তখন একজন আরেকজনকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখি যাতে একই বই দুইবার না কেনা হয়ে যায়! আগে বইমেলার সময় পেপারের বিজ্ঞাপন দেখে বইয়ের নাম টুকে রাখতাম। এরপর আলোচনা করে ঠিক করতাম কে কোনটা কিনবে। এখন অবশ্য পেপার ঘেঁটে বইয়ের বিজ্ঞাপন দেখা হয় না, ফেসবুকেই একজন আরেকজনকে মেনশন দিই। আচ্ছা, পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা বাদ্দিই।
.
.
তো শীর্ষেন্দু আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম। ছোটবেলায় উনার 'অদ্ভুতুড়ে' সিরিজ গিলতাম, বড়বেলায় 'পার্থিব' আর 'দূরবীন' পড়ে চোখের পানি ফেলতাম। উনার 'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' বইয়ের রিভিউ মাঝে মাঝে থ্রিলার গ্রুপগুলোয় দেখতাম। একদিন চোখের সামনে বইটা পড়ে যাওয়ায় কিনে ফেলি৷
.
.
কলকাতার এক বড় কারখানার মালিক মনোজ সেন ও তাঁর জার্মান স্ত্রী রোজমারি। তাদের কারখানায় এমন এক বিশেষ ধরনের অ্যালয় তৈরি হয়, যার উপর বিশ্বের বড় বড় সব মাফিয়াদের চোখ পড়ে। সেই কারখানা পরিদর্শনে আসে এক বিদেশি প্রতিনিধি দল। কিন্তু তারা আসার আগেই নিজেকে ইন্টারপোল ইনভেসটিগেটর পরিচয় দিয়ে সুধাকর দত্ত ওরফে দাতা প্যারিস থেকে মনোজদের কারখানায় হাজির হন। কেন? কারণ তার কাছে খবর আসে যে ওই প্রতিনিধি দলে একজন ইন্টারন্যাশনাল মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল আছে।
আরেকদিকে প্যারিসে থাকা বাঙালি বিজ্ঞানী গোপীনাথ বসুকে হত্যা করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভিকিজ মব ও সাক্কি ইনকরপোরেটেড। কারণ তিনিই সেই অ্যালয় তৈরি করা কেমিক্যাল রিয়্যাকশন নিয়ে ধারনা রাখতেন। এরপর শুরু হয় আসল কাহিনি। গোপীনাথ বসু জীবন বাঁচাতে প্যারিস থেকে চলে আসেন কলকাতায়। সেখানে এসে দেখেন সবাই কোনো না কোনোভাবে একে অন্যের সাথে কোনো না কোনক সম্পর্কে জড়িত। কিভাবে?
.
.
বইটা পড়া শেষে যখন বন্ধ করি, তখন মাথা ঝিমঝিম করছিল। এক কথায় দুর্দান্ত! বইয়ের প্রতি পৃষ্ঠাতেই আছে টানটান উত্তেজনা আর টুইস্ট। শীর্ষেন্দু এমন উপন্যাস লিখতে পারেন, এইটা জানাই ছিল না। খুব চোস্ত ভাষায় লেখা। শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত লেখক সুনিপুণভাবে টানটান উত্তেজনা ধরে রেখেছেন। উপন্যাসের নাম কেন 'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' তা বইটা পড়া শেষ করেই বুঝতে পারবেন। থ্রিলারের শেষদিকে একটু রোমান্টিকতা আছে, কিন্তু সেটুকু একটুও খারাপ লাগেনি। মনে মনে ওইরকম কিছুই চাচ্ছিলাম 😆
.
.
এবার একটু খারাপ লাগার মতন দিকগুলো নিয়ে কথা বলি। পড়া শেষ করার সাথে সাথে খুবই ভালো লেগেছিল, এন্ডিং বাদে৷ এন্ডিংটা একটু দ্রুত টানা, আর একটু অগোছালো। প্লট যে খুব বেশি বাস্তব, তা না। মানে আপনিই বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে ইন্টারপোল অফিসার, আবার একইসাথে মাফিয়াদের হয়ে কাজ করে। কিন্তু বইটা যেহেতু উপভোগ করেছি, তাই এতটুকু ছাড় তো দিতেই পারি৷ চরিত্রগুলোও দারুণ ছিল। প্রত্যেককেই আমার ভালো লেগেছে। আমার পছন্দের চরিত্র কিন্তু সুধাকর দত্তই!
রেটিং প্রথমে ৫ দিতাম। কিন্তু শেষটুকু মনমতো না হওয়ায় ০.২৫ কাটা।
.
.
তো শীর্ষেন্দু আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম। ছোটবেলায় উনার 'অদ্ভুতুড়ে' সিরিজ গিলতাম, বড়বেলায় 'পার্থিব' আর 'দূরবীন' পড়ে চোখের পানি ফেলতাম। উনার 'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' বইয়ের রিভিউ মাঝে মাঝে থ্রিলার গ্রুপগুলোয় দেখতাম। একদিন চোখের সামনে বইটা পড়ে যাওয়ায় কিনে ফেলি৷
.
.
কলকাতার এক বড় কারখানার মালিক মনোজ সেন ও তাঁর জার্মান স্ত্রী রোজমারি। তাদের কারখানায় এমন এক বিশেষ ধরনের অ্যালয় তৈরি হয়, যার উপর বিশ্বের বড় বড় সব মাফিয়াদের চোখ পড়ে। সেই কারখানা পরিদর্শনে আসে এক বিদেশি প্রতিনিধি দল। কিন্তু তারা আসার আগেই নিজেকে ইন্টারপোল ইনভেসটিগেটর পরিচয় দিয়ে সুধাকর দত্ত ওরফে দাতা প্যারিস থেকে মনোজদের কারখানায় হাজির হন। কেন? কারণ তার কাছে খবর আসে যে ওই প্রতিনিধি দলে একজন ইন্টারন্যাশনাল মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল আছে।
আরেকদিকে প্যারিসে থাকা বাঙালি বিজ্ঞানী গোপীনাথ বসুকে হত্যা করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভিকিজ মব ও সাক্কি ইনকরপোরেটেড। কারণ তিনিই সেই অ্যালয় তৈরি করা কেমিক্যাল রিয়্যাকশন নিয়ে ধারনা রাখতেন। এরপর শুরু হয় আসল কাহিনি। গোপীনাথ বসু জীবন বাঁচাতে প্যারিস থেকে চলে আসেন কলকাতায়। সেখানে এসে দেখেন সবাই কোনো না কোনোভাবে একে অন্যের সাথে কোনো না কোনক সম্পর্কে জড়িত। কিভাবে?
.
.
বইটা পড়া শেষে যখন বন্ধ করি, তখন মাথা ঝিমঝিম করছিল। এক কথায় দুর্দান্ত! বইয়ের প্রতি পৃষ্ঠাতেই আছে টানটান উত্তেজনা আর টুইস্ট। শীর্ষেন্দু এমন উপন্যাস লিখতে পারেন, এইটা জানাই ছিল না। খুব চোস্ত ভাষায় লেখা। শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত লেখক সুনিপুণভাবে টানটান উত্তেজনা ধরে রেখেছেন। উপন্যাসের নাম কেন 'কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল' তা বইটা পড়া শেষ করেই বুঝতে পারবেন। থ্রিলারের শেষদিকে একটু রোমান্টিকতা আছে, কিন্তু সেটুকু একটুও খারাপ লাগেনি। মনে মনে ওইরকম কিছুই চাচ্ছিলাম 😆
.
.
এবার একটু খারাপ লাগার মতন দিকগুলো নিয়ে কথা বলি। পড়া শেষ করার সাথে সাথে খুবই ভালো লেগেছিল, এন্ডিং বাদে৷ এন্ডিংটা একটু দ্রুত টানা, আর একটু অগোছালো। প্লট যে খুব বেশি বাস্তব, তা না। মানে আপনিই বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে ইন্টারপোল অফিসার, আবার একইসাথে মাফিয়াদের হয়ে কাজ করে। কিন্তু বইটা যেহেতু উপভোগ করেছি, তাই এতটুকু ছাড় তো দিতেই পারি৷ চরিত্রগুলোও দারুণ ছিল। প্রত্যেককেই আমার ভালো লেগেছে। আমার পছন্দের চরিত্র কিন্তু সুধাকর দত্তই!
রেটিং প্রথমে ৫ দিতাম। কিন্তু শেষটুকু মনমতো না হওয়ায় ০.২৫ কাটা।
July 28, 2021
মনোজ-রোজমারি দম্পতির প্রতিষ্ঠিত কারখানায় তৈরি হয় এক অ্যালয়, যার খুব কম সংখ্যক কারখানাই রয়েছে বিশ্বে। এশিয়ায় তারাই অ্যালয়টির একমাত্র উৎপাদক। এই অ্যালয়কে ঘিরেই "কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল"-এর জটিলতা। পাছে স্পয়লার হয়ে যায়, তাই কাহিনী নিয়ে আর বেশি কিছু বলব না।
শুরু থেকেই বেশ উপভোগ্য ছিল বইটি। 'ফ্যাটলেস' বর্ণনা। ঘটনার ঘনঘটায় পাঠককে ভাববার সুযোগ দেন নি লেখক, পাঠক ঘটনাপ্রবাহকে গোগ্রাসে গিলে যেতে বাধ্য। গল্পের শুরু থেকে শেষ অবধি 'সুধাকর দত্ত' চরিত্রের নিজেকে রহস্যের চাদরে আবৃত রাখার ব্যাপারটা বেশ লেগেছে আমার কাছে। তবে, এরকম টান টান উত্তেজনায় ভরপুর বইয়ের শেষটা একটু অন্যরকম হবে বলে আশা করেছিলাম। অনেকসময় 'হ্যাপি এন্ডিং'-ও মনে ধরে না, বলো!
#mehzabin_hridy
বই: সাদা বেড়াল, কালো বেড়াল।
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
শুরু থেকেই বেশ উপভোগ্য ছিল বইটি। 'ফ্যাটলেস' বর্ণনা। ঘটনার ঘনঘটায় পাঠককে ভাববার সুযোগ দেন নি লেখক, পাঠক ঘটনাপ্রবাহকে গোগ্রাসে গিলে যেতে বাধ্য। গল্পের শুরু থেকে শেষ অবধি 'সুধাকর দত্ত' চরিত্রের নিজেকে রহস্যের চাদরে আবৃত রাখার ব্যাপারটা বেশ লেগেছে আমার কাছে। তবে, এরকম টান টান উত্তেজনায় ভরপুর বইয়ের শেষটা একটু অন্যরকম হবে বলে আশা করেছিলাম। অনেকসময় 'হ্যাপি এন্ডিং'-ও মনে ধরে না, বলো!
#mehzabin_hridy
বই: সাদা বেড়াল, কালো বেড়াল।
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
December 15, 2016
থ্রিলার লেখার বৃথা প্রয়াস!
July 1, 2020
ক্যাডেট কলেজ জীবনে পড়া বই। শীর্ষেন্দুর লেখার প্রেমে পড়া এই বই এর হাত ধরেই
March 28, 2026
কাহিনীর সূচনা একটি ছোটো কারখানায়, যারা একটি এলয় তৈরি করছে, মালিক মনোজ ভারতীয় হলেও তার স্ত্রী রোজমেরি বিদেশি। সেখানে এসে উপস্থিত সুধাকর দত্ত, যে নিজেকে ইন্টারপোলের ফরাসি শাখার লোক বলে পরিচয় দিয়ে ঘুরে দেখতে চায় কারখানাটি। পর্যায়ক্রমে আরো চরিত্রের উপস্থিতি। কাহিনীর ডালপালা ছড়িয়ে যায় পুরো বিশ্বে।
দেখা পাওয়া যায় গোপীনাথের, একজন বিজ্ঞানী। তাকে মারার জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে অনেকেই! আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্র ভিকিজ মব বা মাফিয়ারা কেন হত্যা করতে চায় গোপীনাথকে? দত্ত বা ডাটা কি একই লোক নাকি আলাদা? আসলে তারা কী চায়? কোন পক্ষের তারা? এমন অসংখ্য সুতো খুলে আবার সব জোড়া লেগেছে এই উপন্যাসে।
তবে, অনেক জায়গায় ভ্রু কুঁচকে আসে আনমনেই। মনে হয় এমন বোকা বোকা কাজ করছে কেন? এসব বাদে মোটামুটি উপভোগ্যই ছিল।
দেখা পাওয়া যায় গোপীনাথের, একজন বিজ্ঞানী। তাকে মারার জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে অনেকেই! আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্র ভিকিজ মব বা মাফিয়ারা কেন হত্যা করতে চায় গোপীনাথকে? দত্ত বা ডাটা কি একই লোক নাকি আলাদা? আসলে তারা কী চায়? কোন পক্ষের তারা? এমন অসংখ্য সুতো খুলে আবার সব জোড়া লেগেছে এই উপন্যাসে।
তবে, অনেক জায়গায় ভ্রু কুঁচকে আসে আনমনেই। মনে হয় এমন বোকা বোকা কাজ করছে কেন? এসব বাদে মোটামুটি উপভোগ্যই ছিল।
October 30, 2021
শীর্ষেন্দু যে এত ভালো থ্রিলার লিখেন,সে তো জানা ছিল না। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে লিখা ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ের মিশেলে বেশ গতিময় এক থ্রিলার।
January 28, 2026
বেশ চমৎকার থ্রিলার
June 10, 2023
লেখক নিজেই স্বীকার করেছেন রহস্যকাহিনি লেখা তাঁর প্যাশন নয়। নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে বেরিয়ে তাঁর থ্রিলার ঘরানায় প্রথম সৃষ্টি ‘বিকেলের মৃত্যু’। বাংলায় শুরুর দিককার সেই টেকনো থ্রিলার প্লটের অভিনবত্ব আর টানটান পরিবেশনার জন্য নজর কাড়ে। তবে লেখক তাঁর নায়ককে সুপার ম্যান রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারেননি। ববি রায় তাই একাধারে ইলেকট্রনিকসের জিনিয়াস , অসীম ক্ষমতার অধিকারী,তুখড় মার্শাল আর্টিস্ট , প্রবল জীবনীশক্তির অধিকারী ইত্যাদি ইত্যাদি। গল্পে মোচড় , গতি, নতুনত্ব সেখানেও ছিল কিম্তু নায়কের উপর জন্মানো বিরক্তি,অবিশ্বাস , বাকি চরিত্রদের সাথে নায়কের রূঢ় আচরণ গল্পের সাথে পাঠকের যোগসূত্র বারবার ছিঁড়ে দেয়। এরপর লেখক সৃষ্টি করলেন শবর দাশগুপ্তকে । বাংলা সাহিত্য পেল মন ছুয়ে যাওয়া কিছু দারুণ রহস্য গল্প। ববি রায়ের তুলনায় শবর অনেক বেশি সংবেদনশীল ও মানবিক। ‘কালো বেড়াল সাদা বেড়াল’ এ শবর নেই। ভাবের দিক থেকে এটা ‘বিকেলের মৃত্যু’ গল্পেরই উত্তরসূরি।তবে গল্পের ট্রিটমেন্ট এ মুনশিয়ানার ছাপ এবার স্পষ্ট।
আবার সেই বাঙালি একজন তুখোড় মেধাবী বিজ্ঞানী যাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা। কিন্তু
এবার আর সে মার্শাল আর্টসের গুরু নয়। প্রাণ হাতে নিয়ে পালাতে গিয়ে একাই মাফিয়াদের খতম করার সাধ্য তার নেই।বস্তুত অপরাধ জগতের সাথে তার পরিচিতিও এই প্রথম। কাজেই বেঁচে থাকার এই সংগ্রামে বিশ্বাস অবিশ্বাসের ভেলায় ভাসতে ভাসতে তাকে নতুন নতুন মানুষদের স্মরণাপন্ন হতে হয় বারবার। তাই বারবার পাঠকরা নায়কের সাথে কালো বেড়াল সাদা বেড়াল বুঝে নেওয়ার খেলায় মেতে উঠি। আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল সংস্থার মোকাবিলা করার জন্য ববি রায় মার্কা ক্ষমতা দরকার তবে এবার লেখক সেই ক্ষমতা নায়ককে না দিয়ে বিভিন্ন চরিত্রদের মধ্যে ভাগ করে গল্প সাজিয়েছেন। নায়কের অ্যাকশন দৃশ্য এখানেও আছে তবে এবারে উন্নত পরিবেশনায় তা অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। আগের গল্পগুলির তুলনায় নারী চরিত্ররাও এখানে বেশি সাবলীল। তবে ‘বিকেলের মৃত্যু’ হোক বা শবর সিরিজ বা এই ধূসর বেড়াল নারী চরিত্র মানেই ডাকসাইটে সুন্দরী! আর স্বাধীনচেতা ডিভর্সি সেই সুন্দরীরা প্রাক্তনের জীবন হানির আশংকা শুনলে ছুটে তো আসছেই, হাসিমুখে প্রাক্তনের আলিঙ্গনে ধরা দিয়ে তাদের ঘর ও করতে শুরু করে দিচ্ছে আগের সব অপমান ভুলে গিয়ে! এ এক আলাদাই স্যাটিসফ্যাক্সন! এই ব্যপারে লেখক আরেকটু সংযম দেখালে খুশিই হতাম। বিশেষ করে লেখক যেখানে গল্পের শুরুতেই বলছেন নারী চরিত্রটির আত্মমর্যাদা বোধ প্রবল। নিজের গল্পের মধ্যে দিয়ে ব্যক্তিগত ফ্যান্টাসি পূরণের লোভ অধিকাংশ লেখকই সামলাতে পারেন না। সে যাই হোক গল্পের মূল উপজীব্যও তা নয়। কিভাবে একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি সন্তান বিদেশে পড়াশোনা করে প্রথিতযশা বিজ্ঞানী হয়ে ওয়ান্টেড ক্রিমিনালদের হাত থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সেই কাহিনি অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। নায়ক এখানে ধূসর নয় তবে একমাত্রিকও নয়। ২৩০ পাতার দীর্ঘ এই থ্রিলারে মাঝের দিকে কিছু জায়গায় গল্পের খেই হারিয়েছে।শুরুর দিকের কিছু লুস এন্ড ও মেলানো যায়নি।তবে গল্পের দ্রুতি সেসব দিকে মন দেওয়ার অবকাশ ও দেয় না। গল্পের শেষটাও আরও যথাযথ হতে পারত।একটু কার্টুন কার্টুন হয়ে গেলো শেষে এসে। goodreads রিভিউয়ারদের মতে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল থ্রিলার। সেটা নাহলেও টানটান মোচড়পূর্ণ কাহিনির গুণেই এই বই পড়া উচিত। ব্যক্তিগত রেটিং ৩.৫ তারার কিছু কম।
পুনশ্চ - কিভাবে বাঙালি সুধাকর দত্ত প্যারিসে গিয়ে দাতা হয়ে উঠল সেই ব্যাক স্টোরি জানতে ইচ্ছে করে। এটা নিয়ে আলাদা করে একটা উপন্যাস হলে মন্দ হতো না। সুধাকরের মধ্যে শবরের কিছু ছায়া আছে আরেকটু স্বাতন্ত্র্য এলে ভালো লাগতো।
আবার সেই বাঙালি একজন তুখোড় মেধাবী বিজ্ঞানী যাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা। কিন্তু
এবার আর সে মার্শাল আর্টসের গুরু নয়। প্রাণ হাতে নিয়ে পালাতে গিয়ে একাই মাফিয়াদের খতম করার সাধ্য তার নেই।বস্তুত অপরাধ জগতের সাথে তার পরিচিতিও এই প্রথম। কাজেই বেঁচে থাকার এই সংগ্রামে বিশ্বাস অবিশ্বাসের ভেলায় ভাসতে ভাসতে তাকে নতুন নতুন মানুষদের স্মরণাপন্ন হতে হয় বারবার। তাই বারবার পাঠকরা নায়কের সাথে কালো বেড়াল সাদা বেড়াল বুঝে নেওয়ার খেলায় মেতে উঠি। আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল সংস্থার মোকাবিলা করার জন্য ববি রায় মার্কা ক্ষমতা দরকার তবে এবার লেখক সেই ক্ষমতা নায়ককে না দিয়ে বিভিন্ন চরিত্রদের মধ্যে ভাগ করে গল্প সাজিয়েছেন। নায়কের অ্যাকশন দৃশ্য এখানেও আছে তবে এবারে উন্নত পরিবেশনায় তা অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। আগের গল্পগুলির তুলনায় নারী চরিত্ররাও এখানে বেশি সাবলীল। তবে ‘বিকেলের মৃত্যু’ হোক বা শবর সিরিজ বা এই ধূসর বেড়াল নারী চরিত্র মানেই ডাকসাইটে সুন্দরী! আর স্বাধীনচেতা ডিভর্সি সেই সুন্দরীরা প্রাক্তনের জীবন হানির আশংকা শুনলে ছুটে তো আসছেই, হাসিমুখে প্রাক্তনের আলিঙ্গনে ধরা দিয়ে তাদের ঘর ও করতে শুরু করে দিচ্ছে আগের সব অপমান ভুলে গিয়ে! এ এক আলাদাই স্যাটিসফ্যাক্সন! এই ব্যপারে লেখক আরেকটু সংযম দেখালে খুশিই হতাম। বিশেষ করে লেখক যেখানে গল্পের শুরুতেই বলছেন নারী চরিত্রটির আত্মমর্যাদা বোধ প্রবল। নিজের গল্পের মধ্যে দিয়ে ব্যক্তিগত ফ্যান্টাসি পূরণের লোভ অধিকাংশ লেখকই সামলাতে পারেন না। সে যাই হোক গল্পের মূল উপজীব্যও তা নয়। কিভাবে একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি সন্তান বিদেশে পড়াশোনা করে প্রথিতযশা বিজ্ঞানী হয়ে ওয়ান্টেড ক্রিমিনালদের হাত থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সেই কাহিনি অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। নায়ক এখানে ধূসর নয় তবে একমাত্রিকও নয়। ২৩০ পাতার দীর্ঘ এই থ্রিলারে মাঝের দিকে কিছু জায়গায় গল্পের খেই হারিয়েছে।শুরুর দিকের কিছু লুস এন্ড ও মেলানো যায়নি।তবে গল্পের দ্রুতি সেসব দিকে মন দেওয়ার অবকাশ ও দেয় না। গল্পের শেষটাও আরও যথাযথ হতে পারত।একটু কার্টুন কার্টুন হয়ে গেলো শেষে এসে। goodreads রিভিউয়ারদের মতে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল থ্রিলার। সেটা নাহলেও টানটান মোচড়পূর্ণ কাহিনির গুণেই এই বই পড়া উচিত। ব্যক্তিগত রেটিং ৩.৫ তারার কিছু কম।
পুনশ্চ - কিভাবে বাঙালি সুধাকর দত্ত প্যারিসে গিয়ে দাতা হয়ে উঠল সেই ব্যাক স্টোরি জানতে ইচ্ছে করে। এটা নিয়ে আলাদা করে একটা উপন্যাস হলে মন্দ হতো না। সুধাকরের মধ্যে শবরের কিছু ছায়া আছে আরেকটু স্বাতন্ত্র্য এলে ভালো লাগতো।
Read
November 9, 2017অসাধারণ বললেও কম বলা হবে!😍
Displaying 1 - 30 of 71 reviews





























