Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #153

যদিও সন্ধ্যা

Rate this book
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
শওকত অতিদ্রুত পেন্সিল টানছে। কোনো দিকেই তাকাচ্ছে না। অন্যদিকে তাকানোর সময় তার নেই।অনেক অনেক দিন পর তার মাথায় পুরনো ঝড় উঠেছে। কী ভয়ঙ্কর অথচ কী মধুর সেই ঝড়! ইমন একগাদা পেন্সিল হাতে দাঁড়িয়ে আছে।বাবার হাতের পেন্সিল ভেঙ্গে যেতেই সে পেন্সিল এগিয়ে দিচ্ছে। তার খুব ইচ্ছা করছে পোট্রেটটা কেমন হচ্ছে উঁকি দিয়ে দেখতে। সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তবে না দেখেও ইমন বুঝতে পারছে বাবা অসাধারণ একটা পোট্রেট আঁকছেন।
নিমন্ত্রিত অতিথিরা সবাই শওকতকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের চোখে কৌতূহল এবং বিস্ময়। একটু দূরে আনিকা দাঁড়িয়ে। সে ক্রমাগত কাঁদছে। আনিকার পাশে জামাল বিব্রত মুখে দাঁড়িয়ে। আনিকা তার দিকে তাকিয়ে বলল, এইভাবে দেখ না ? আমার হাত ধর। না-কি হাত ধরতে লজ্জা লাগছে ?
জামাল হাত ধরল। নিচু গলায় বলল, এত কাঁদছ কেন ?...........

112 pages, Hardcover

First published February 1, 2000

9 people are currently reading
252 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,919 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
149 (20%)
4 stars
263 (36%)
3 stars
259 (35%)
2 stars
41 (5%)
1 star
17 (2%)
Displaying 1 - 30 of 46 reviews
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books328 followers
June 29, 2016
একবার টানা হুমায়ূন আহমেদের গল্প পড়তে বসেছি। পড়ছি পড়ছি পড়ছি। তিনটে উপন্যাস এক টানে শেষ করার পর মনে হলো- কিছু একটা সমস্যা আছে! সমস্যাটা অবশ্য সেদিনই বুঝিনি, বুঝেছিলাম পরবর্তীতে; তাও আবার ইকনোমিক্সের এক ম্যাডামের লেকচার শুনে। তিনি অর্থনীতিতে চাহিদার ব্যাপারটা বোঝাচ্ছিলেন কমলার উদাহরন দিয়ে। বলছিলেন-

"ধর তুমি বাজারে গেলে কমলা কিনতে। প্রথমে ২৫ টাকায় এক কেজি কমলা কিনে ফেললে। সেই কমলা খেলে। এবারে সেই কমলাই একটু সামনে গিয়ে পেলে আরও কম দামে। এবারে ১৫ টাকায় এক কেজি কিনলে, খেলে। এবারে আরেক দোকানদার সেই একই কমলা তোমাকে ১০ টাকায় দিল, তুমি আধাকেজি কিনলে। এরপরে আবার একজন তোমাকে ৫ টাকা কেজিতে কমলা বেঁচেতে চাইল, কিন্তু এবার আর তুমি নিলে না। কেন না তোমার আর কমলার চাহিদা নেই।"

আমি বুঝলাম হুমায়ূন আহমেদের গল্পও অনেকটা কমলার মতো। হুট করে একটা পড়তে বসলে ভালই লাগে, কিন্তু একটানা অনেকগুলো পড়লে তাতে ভাল লাগার পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পায়। অন্তত একদিনে তিনটে তো কিছুতেই পড়া উচিত নয়। আমি সেদিনের মতো ক্ষান্ত দিলাম।

লেখক হুমায়ূন আহমেদের অবশ্যই বাংলা লেখকদের মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয়। তার কারণ লেখকের গল্প কথনের সাবলীলতা এবং জীবনবোধের চমৎকার উপস্থাপন। যে কোনও ছোট বিষয় তিনি এমন ভাবে বলেন যে পড়ে যেতে ইচ্ছে করে। বইটি উনি দুই দিনে লিখেছেন না দুই বছরে লিখেছেন তাতে কিছু আসে যায় না, মূল বিষয় হলো বইটি তিনি লিখেছেন, সুতরাং তার চিন্তাধারা এবং মানবিকতার একটি সুচতুর ছাপ তাতে রয়েছে। তবে হ্যাঁ, তারও কিছু গৎবাঁধা ফর্মুলা রয়েছে। বিশেষ করে আমি যে কয়টি বই পড়েছি তা দিয়ে এই অনুসিদ্ধান্তে আসা সম্ভব। তিনি সাধারণত একটি পরিবারকে নিয়ে কাহিনি শুরু করেন। গল্পে একাধিক খাপছাড়া মানুষের উপস্থিতি থাকে। তাদের অধিকাংশই বলে এক আর করে আরেক। যারা রাগি, তারাও কখনও কখনও আন্তরিক। আবার যারা হাসিখুসি তারাও দুঃখহীন নয়। নায়কের কিংবা নায়িকার অপ্রাপ্তি নিয়েই শেষ হয় অধিকাংশ গল্প। কিংবা প্রাপ্তি থাকলেও কাহিনি রয়ে যায় অসমাপ্ত। এই অসমাপ্ততার বিষয়টা আমার বাজে লাগে। আমি পাঠক হিসাবে গল্পের সুষ্ঠু সমাপ্তিতে বিশ্বাসী। তারপরও হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়তে ভাল লাগে অধিকাংশ সময়েই।

যাই হোক। অনেক কথা বলে ফেললাম কিন্তু "যদিও সন্ধ্যা" নিয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি! বলার বিশেষ কিছু নেই বলেই বলা হয়নি। এটাও হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন নির্দিষ্ট সূত্রাবলী কাজে লাগিয়ে। ঠিক ঐকিক নিয়মের অঙ্কের মতো, দুটি সংখা উপরে গুন আকারে এবং নিচের একটি সংখ্যা দিয়ে উভয়কে ভাগের প্রচেষ্টায় রহস্যের আংশিক সমাধান। গল্পের নায়ক চরিত্র শওকত, ভবঘুরে বাউণ্ডুলে। তিনি বিবাহ বিচ্ছেদ করেছেন। তার এক সন্তান আছে, মানসিক ভাবে কিছুটা ব্যাতিক্রম ছেলেটি। তার স্ত্রী বর্তমানে আমেরিকা থাকেন, তিনি এক আমেরিকানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং ছেলেকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন কয়েকদিনের জন্য। ভদ্রমহিলার উদ্দেশ্য ছেলে ক'টা দিন তার প্রাক্তন স্বামীর সাথে থাকুক, তাতে যদি খোকার মানসিক অবস্থার‍ উন্নয়ন হয় তো ভাল।

ব্যাস, এটুকুই। আরেকজন আছে, আরেকটা মেয়ে, বয়সে শওকতের অনেক ছোট, কিন্তু তাকে ভালবাসে। শওকত আনিকাকে ঠিক পাত্তা দেয় না, আবার দিতেও চায়। কী চায় আসলে নায়ক নিজেই জানে না! লেখক নায়কের ভাবনাটা নির্দিষ্ট করে পাঠককে জানাতে চাননি।

গল্পের সমাপ্তি কিছুটা মিলনাত্মক, হুমায়ূন আহমেদের অধিকাংশ গল্পের মতো এটাও আংশিক অসমাপ্ত মনে হলেও একেবারে খারাপ লাগেনি। তবে শুরুর প্রায় এক তৃতীয়াংশ যাবত গল্পটা একটা ফরমায়েশি লেখা বলেই মনে হয়েছে অন্তত। হতে পারে ফরমায়েশি, তাতে কী! গল্প ভাল লাগা দিয়েই হলো কথা। আমার খুব একটা খারাপ লাগে নি। তবে একদম চমৎকার গল্পগুলোর দলেও একে ফেলা অনুচিত। যদি "কে কথা কয়?" বইটি পড়া থাকে, তবে এই বই না পড়লেও চলে। একটি মোটামুটি মানের গল্প, "যদিও সন্ধ্যা"।
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews8 followers
December 16, 2025
অপ্রাপ্তি বোধয় মানুষ কে ধীরে ধীরে শক্ত করে। সেই শক্ত পোক্ত মন নিয়েই, আমরা জীবন নামের বিশাল সাগর পাড়ি দেই!!

রেটিং: ৮/১০
Profile Image for Tawheeda Rufah Nilima.
294 reviews58 followers
May 12, 2021
একটা বই পড়ছি আর কাঁদছি, এটা আমার কাছে পৃথিবীর সুন্দরতম অনুভূতি গুলোর একটা। বিষন্ন সুন্দর। মন খারাপ করা সুন্দর। সুখী তাও মন খারাপ করে দেয়। বিষন্ন লাগে। কান্না পায়। ইংরেজীতে কি বলা যায়? Blissful sorrow? হ্যা, আপাতত এটাই ধরে নিচ্ছি।
আমি বই পড়ে কেঁদে ভাসাই, একটা সুন্দর কবিতা পড়ে কিংবা গানের কোনো লিরিকের জন্যে অথবা হুটহাট ফেসবুকে বা ইনস্টাগ্রামে কারো লেখা পড়ে, হয়তোবা যার লেখা পড়লাম, তাকে একেবারেই চিনিনা। কোনো কারণে তার লেখাটা সামনে চলে আসলো। পড়লাম আর চোখ ভিজে উঠলো।
এতো কিছু বললাম তার কারণ "যদিও সন্ধ্যা" নিয়ে একটু আধটু কথা বলবো তাই। বেশিক্ষণ হয়নি যে বইখানা পড়ে শেষ করেছি। পড়তে পড়তে কেঁদেছি। পড়া শেষেও কিছুক্ষণ কেঁদেছি।

এখানে ফ্ল্যাপে লেখা কথাটুকু পড়েছেন? বইয়ের এইটুকু আমার অসম্ভব প্রিয়। ইতিমধ্যে তিন বার পড়েছি। লেখাটা শেষ করেই আরো দুই তিন বার পড়বো। তারপর আস্তে ধীরে আরো অনেকবার পড়া হবে। শওকত কে ভালো লেগেছে খুব। ইমন বাচ্চাটা। ও কে ভালোবাসি। বাচ্চাটার জন্যে এতো কষ্ট পাচ্ছি এখন। আবার ভালো ও লাগছে। আনিকার জন্যে ভীষণ খারাপ লেগেছে। তবে শেষমেশ আনিকাকে তার জীবনটা গুছাতে দেখে ওই খারাপ লাগার মধ্যেও একটু আনন্দ মিশে আছে এখন। আনিকাকে ধন্যবাদ শওকত এর অসুখটা সারিয়ে দেবার জন্যে।
আর লিখবো না। বইটার অনেক লাইন মনে ধরেছে৷ খুটিনাটি অনেক কিছু খুব ভালো লেগেছে। বাবা ছেলের সম্পর্ক, ছবি আকার ডিটেইল, ইমনের চিন্তা ভাবনা, ইমনের কষ্ট, বাবার জন্যে তার এতো ভালোবাসা এবং শওকত এরও ছেলের প্রতি ভালোবাসা। শওকত এর একাকীত্ব। আরো অনেক কিছু। বইটাতে একই সাথে দুইজন বাবার কথা পড়েছি। একজনের প্রতি ভালোবাসা। আরেকজনের প্রতি রাগ। আর কিছু বলবো না।
বইয়ের প্রিয় কয়েকটা লাইন তুলে দেই -

"অভ্যস্ত জীবনে হঠাৎ ঘূর্ণির কোনো প্রয়োজন নেই। সবাই সবার নিজের জীবনে থাকুক। প্রতিটি জীবন নদীর মতো। একটা নদীর সঙ্গে আরেকটা নদীর মিলে-মিশে যাওয়া খুব খারাপ ব্যাপার।"

এইটুকু, ঠিক এইটুকু যে কি সত্যি, সেটা আমি জানি। অভ্যস্ত জীবনে হঠাৎ ঘূর্ণির কোনো প্রয়োজন নেই। আসলেই নেই। কারণ যখন সেই মানুষ আবার ঘূর্ণির মতোই চলে যাবে, তখন শূন্য লাগবে। সেই শূন্যতা পূর্ণ হবে না।
এখানে বাবা-ছেলের সম্পর্ক দিয়ে বোঝানো হয়েছে। কিন্তু কথাটা সবক্ষেত্রেই সত্যি।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
319 reviews42 followers
September 2, 2025
এই বইটা আমার জন্য স্পেশাল। বইটা কেনার পিছে একটা গল্প আছে যা বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠাতে লিখে রেখেছি। গল্পটা সুখকর মোটেয়ো না বরঞ্চ যখনই পড়ি, মন খারাপ হয়ে যায়। নসিব জিনিসটা কখন, কার, কিভাবে যে পাল্টি খেয়ে যাবে তা এক আল্লাহ ছাড়া আর কে বা ভাল জানেন! আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক।


বেশ কিছুদিন ধরে হুমায়ূন আহমেদে��� বই পড়ে আমার তৃপ্তি হচ্ছিল না বরং অসহ্য লাগছিল। অযাচিত সব নেকামী, কাহিনীর রিপিটেশন, প্রয়োজন ছাড়া অশ্লীল সংলাপ ইত্যাদি ইত্যাদির জন্য ট্রিগার হয়ে রিভিউতে যাচ্ছেতাই লিখছিও বটে। মনে মনে তো ভেবে বসে ছিলাম যে হয়ত হুমায়ূন আহমেদের ভাল সবগুলা বই আমার পড়া শেষ আর এখন যা বাকি আছে, যা পড়ছি সবই নিম্নমানের। কিন্তু এই বইটা একটু ভুল প্রমাণ করাল আমাকে। বইটা অন্য বই গুলা থেকে শুধু আলাদাই না বরং...অনেক সুন্দর ও। খুব গুছিয়ে ট্রাজিডিটা লিখেছেন লেখক বোঝা যাচ্ছিল।

গল্পটা একজন পেইন্টারের। বাউণ্ডুলে স্বভাবের এই পেইন্টার একজন মধ্যবয়স্ক মানুষ, নাম তার শওকত। তার পূর্বে বিয়ে হয়েছিল, একটা ছেলেও আছে কিন্তু স্ত্রীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় ডিভোর্স হয়ে যায়। স্ত্রী বিয়ে করে এক বিদেশিকে, তার নাম মিস্টার এ্যন্ডারসন। ছেলে নিয়ে সে বিদেশে থাকে। আর দেশে একলা পড়ে আছে শওকত। তবে তাকে সম্পূর্ণ একা বললে ভুল হবে কারণ তার বন্ধুর বোন আনিকার সাথে তার ভালই ভাব ছিল। বয়সে তার ছোট হলেও, টিপিক্যাল হুমায়ূন লেখনীর মতন এখানেও আনিকা হাবাগোবা শওকতকে কনট্রোল করত তবে সেটা লিমিটের মধ্যে থাকায় বেশি দৃষ্টিগোচর হয় নাই। তবে একটা জিনিস দেখে ভাল লাগছে তা হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদ নিজের 4th wall ভেঙে বের হয়েছেন এই উপন্যাসে। তার প্রধান নারী চরিত্র, অতি রূপবতী, যাকে দেখে পুরুষের দল হন্য হয়ে যায় তেমনটা না। বরং লিমিটের মাঝেই সুন্দরী। এটা হুমায়ূন আহমেদের লেখায় খুবই রেয়ার। সে মেয়েদের ন্যাকা, ঘিরিঙ্গীবাজ, আর অতিরুপবতী না বানাতে পারলে স্বস্তি পান না সেখানে আনিকার ক্যারেক্টার ডিভলপমেন্ট বেশ সাবলীলই বলা যায়।


হুমায়ূন আহমেদ ঘটনায় আরো একটা ব্যতিক্রম দেখিয়েছেন তা হচ্ছে এটা তার লেখা অন্য বই গুলার মতন টিপিক্যাল প্রেম কাহিনি না। বরং... আসলে নিজেও বুঝতেছি না কি দ্বারা সঙ্গায়িত করলে বেশি মানানসই হবে।

শওকতের ছেলের নাম ইমন। সে অনেক বছর পর দেশে ফিরেছে কারণ এবারের জন্মদিন সে বাবার সাথে পালন করবে। দীর্ঘ দিন নিজের সন্তান থেকে দূরে থেকে থেকে শওকত নিজেও মানসিক ভাবে একটা বিষন্নতায় ছিল, সন্তানকে ফিরে পেয়ে সেও খুব এক্সাইটেড। হুমায়ূন আহমেদ গল্পের এই পয়েন্টে খুব সুচতুর ভাবে দেখিয়েছেন যে বাবা মায়ের ডিভোর্সের পর সন্তানের মানসিক ব্রেকডাউন কিংবা তাদের মাঝে যে এক অদৃশ্য শূন্যতা তৈরি হয় তা ঠিক কেমন। বাবা মায়ের মাঝে সাংসারিক সমস্যা, একটা সন্তানের বেড়ে উঠার পিছের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা বলে আমার মনে হয়। ইমন দীর্ঘ দিন পর বাবাকে ফিরে পেয়ে, বাবার সাথে ছবি আকা, মুক্তা বানানো আরো অনেক কিছু উপভোগ করতে থাকে যা পড়ার সময় ও ভাল লাগছিল।

তবে গল্পের শেষটা বিভিন্ন প্রাসপেক্টিভ অনুযায়ী বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে গল্পের মূল প্রোটাগনিস্ট যেহেতু শওকত নিজে, আমি শুধু তার কথাই ভাবছি.. মানুষটা এক মুহুর্তের জন্য সব পেয়ে গিয়েছিল, সুখে ছিল আবার গল্পের শেষ আসতে না আসতে সে আবার সব হারিয়ে ফেললো, হ্যা সে ছবি আকাঁ ভুলে গেছিল কিন্তু গল্পের শেষ মুহুর্তে সে আবার ছবি আকাঁ শুরু করে ঠিকই কিন্তু একটা মানুষ, তার শেষ জীবন, খুব নিঃসঙ্গতা নিয়ে শুধুমাত্র ছবি একেই কী কাটিয়ে দিতে পারবে?! তার জীবনে যে আর কেউ বাকি নেই।

এই পর্যায়ে এসে, এবছর রিলিজ পাওয়া সিনেমা "উৎসবের" একটা লাইন বারবার মনে পড়ছিল, যেখানে খাইস্টা জাহাঙ্গীর দীর্ঘ দিন পর তার প্রাক্তন স্ত্রী জেসমিনের সাথে দেখা হলে তাকে বেশ হতাশা নিয়ে বলে, "আমাকে ছেড়ে থাকতে পারলে সবাই বেশ ভাল থাকে" দিনশেষে দেখা গেল শওকতকেও সবাই ছেড়ে চলে গেল শুধু থেকে গেল তার ছবি আকার স্কিলটা।

বইটায় একাধিক একাধিক লাইন আমার খুব ভাল লাগছিল। আন্ডারলাইন করে করে রেখে দিছি। হার্ডকভার পড়ার মজা এখানেই, আন্ডারলাইন করে হাইলাইট করতে না পারলে মনের মাঝে এক অশান্তি কাজ করতে থাকে যা ঠিক ভাষাতে বোঝানো অসম্ভব।
Profile Image for Abid.
136 reviews23 followers
September 6, 2024
সেই একই টিপিক্যাল কাহিনী। নায়ক হবে উংগাভুংগা, আর সর্বগুণে গুণান্বিতা মেয়ে তার সমস্ত উজাড় করে দিয়ে তারে ভালোবাসবে।
Profile Image for Farhana Jahan.
4 reviews27 followers
January 17, 2019
হুমায়ুন আহমেদ এর সব বই ই আমার ভালোলাগে প্রিয় লেখক বলে কথা! কিন্তু "যদিও সন্ধ্যা" বইটি পড়তে গিয়ে আমার মনে যে ভালোলাগার সৃষ্টি হয়েছিল তার পরিমাণ অনেক।পুরো গল্পে সবকিছু ছাপিয়ে ফুটে উঠেছে বাবা-ছেলের স্বার্থহীন ভালোবাসা। এছাড়াও আরো একটি ইন্টারেস্টিং চরিত্র ছিল আনিকা যার জীবনে পাওয়ার খাতা ছিল শূন্য হলেও অন্যকে ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল অসীম। বইটায় দুইটা নতুন জিনিষ জানলাম ১. মোমবাতি দিয়ে নকল মুক্তো বানানো ২. রঙিন কাগজ দিয়ে চাইনিজ লন্ঠন বানানো। ২ নাম্বার টা হয়তো একটু কঠিন তবে ১ নাম্বার টা অবশ্যই ট্রাই করবো ☺।
Profile Image for Arif Hossain.
43 reviews2 followers
April 25, 2021
আমি Humayun Ahmed এর ভক্ত কখনো ছিলাম না। কিন্তু "অচিনপুর" পড়ার পর ভাবলাম বাসায় লেখকের যেই না পড়া বই গুলা জমে আছে তা পড়ে ফেলি। যেহেতু একটা পজিটিভ ভাইব পেয়েছি "অচিনপুর" পড়ে।
আগে ওনার লেখা পড়ে হতাশ হয়েছি প্রচুর। এবার আমি হতাশ হই নি। চরিত্র গুলো ভালো ছিলো। সবচেয়ে ভালো লেগেছে "ইমন" নামের ছোট্ট বাবুটাকে। হয়তো এটাও একটা কারন।
এটাই একটা সুযোগ ওনার বাকি জমানো বই গুলো ও পড়ে ফেলা। "যদি ও সন্ধ্যা" এক কথায় ভালো ছিলো। :)
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
June 6, 2020
#স্পয়লার এলার্ট

আর্টিস্ট শওকতের ভালবাসার বিয়ে টিকেছে গুনে গুনে ছয় বছর নয় মাস। ছাড়াছাড়ির পর রেবেকা বিয়ে করেছে ইউএসএ এর মিস্টার এন্ডারসনকে।সে নিউ জার্সিতে তার ছোট্ট ছেলে ইমনকে নিয়ে এন্ডারসনের সাথে সুখেই দিন কাটাচ্ছে। দুজনের ভালবাসাতেই দিন কাটে ইমনের। তারপরও মানসিক দিকটা চিন্তা করে ইমনের টিচার সাজেস্ট করেন তাকে যেন তার বাবার সাথে কিছুটা সময় কাটাতে দেয়া হয়।তাই রেবেকা আর ইমনের দেশে আসা।
শওকত এর দিন কাটে দুটো পত্রিকার ইলাস্ট্রেশন করে। তবে তার বন্ধুর বোন আনিকা তাকে মায়ায় বাধতে চায়।আনিকারা দুই বোন। তাদের বাবা মতিয়ুর রহমানের ব্যবহার খুব একটা ভালো নয়,তার কারণেই আনিকার গান গাওয়ার শখ সহ আরও নানান শখ পূরণ হয় নি।একদিন মিতু বাড়ি কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলে। রেগে যায় মতিয়ুর রহমান।তবে জামাইয়ের আপ্যায়নে খুশি হয়ে যায়। আনিকা যেন কেমন খামখেয়ালিপনা করে সেজেগুজে শওকতকে ধরে নিয়ে যায় মগবাজার কাজী অফিসে।কিন্তু ইয়েলো ক্যাব থেকে না নেমেই শওকতকে নামিয়ে চলে যায় সে।বিয়ে করবে না শওকত, কারণ সে বুঝতে পারছে না।হঠাৎ করেই বিয়ে!
এদিকে রেবেকা শওকতকে ছেলে ইমনের দায়িত্ব দেয় ৫ দিনের জন্য। এ কয়টা দিন ইমন বাবার সাথে কাটাবে!আর এ জন্য আনিকা শওকতের অজান্তে একটি খামে ১০০০০৳ দিয়ে যায়।
আর এ সময় ছেলের জন্য আকতে দিয়ে বুঝতে পারে আঁকা ভুলে গেছে! ছেলের বার্থডে তে আনিকা আসে,ঘুরতে নিয়ে যায়।সেখানে গিয়ে গান গায় সে।আনিকা গান গাইতে গাইতে অজান্তেই কান্না করে ফেলে।ইমন তাকিয়ে দেখছে মিস আনিকা সুরেলা কণ্ঠে গাইছে। আর তার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে! সেও অজান্তেই চোখের পানিতে ভিজে যায়। এদিন রাতেই বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয় ইমনকে।সে মাকে গিয়ে বলে যে সে, এন্ডারসন, রেবেকা আর শওকত একত্রে থাকতে পারবে কিনা!জবাব আসে না।
এদিক দিয়ে তারপর দিনই হুট করে আনিকা বিয়ে করে গ্রামের পরিশ্রমী খামারি জামা��কে। জামালের সম্বন্ধ এনেছিল মিতুর শ্বশুর। এর সাথে ঘুরেছিল কয়েকদিন।তখন শওকত জিজ্ঞাসা করেছিল আনিকাকে যে সে বিয়ে করবে কিনা। আনিকা বলেছিল করাই যায়। বিয়ের সন্ধ্যায় শওকত যায় আনিকার বাড়ি,তারপর ইমনও আসে সে বিয়েতে।ইমন আর আনিকার সেদিন চুক্তি হয়েছিল দুজন দুজনের বিয়েতে দাওয়াত দেবে। ইমন,শওকত আর জামাল মিলে মোমের মুক্তা বানানো শুরু করলো আনিকার জন্য মুক্তোর মালা বানানো হল। তারপর আনিকা ইমনকে কোলে নিয়ে কপালে একটা চুমু খেল,ইমনকে কোলে নেয়া অবস্থাতেই শওকতকে সালাম করলো। ইমনকে চুমু খাওয়াতে যতটুকু লজ্জা ইমন পেয়েছিল ঠিক তেমনি লজ্জা শওকতও পেল। আনিকা অনেক বছর পর শওকত কে ভাই ডেকে বলল আমাদের একটা পোর্ট্রেট আঁকুন। ভুলে গেছি তো আনিকা! আনিকা বললো আমি আজ সারাদিন পেন্সিল কেটে রেখেছি, হাতও কেটে গিয়েছে!
কি আশ্চর্য! কত সুন্দর দৃশ্য! আনিকার কোলে ইমন,দুজনের চোখেই পানি টলমল করছে।পানি গড়িয়ে পড়লেই কম্পোজিশন নষ্ট হয়ে যাবে।অতি দ্রুত শওকত পেন্সিল টানছে,ইমন পেন্সিল হাতে দাঁড়িয়ে আর এক কোণায় আনিকা কান্না করছে।জামালকে হতভম্ব এর মতো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আনিকাই বললো আমি কাঁদছি, দেখছো না?জামাল আস্তে করে জিজ্ঞাসা করলো কাঁদছো কেন?"আনিকা ধরা গলায় বলল,শওকত ভাইয়ের একটা অসুখ হয়েছিল।অসুখটা আমি সারিয়ে দিয়েছি।এই আনন্দে কাঁদছি।"
Profile Image for Nuha.
Author 9 books26 followers
February 19, 2023
আজকে অফিসের ফাঁকে পড়ে নিলাম। কোথাও যেন বিষাদের সুর বাজলো বইটা শেষ করে। তবুও জীবন যেমন তেমনই থেকে যায়। ভাঙ্গা গড়ার খেলা চলতেই থাকে। বলা হয়ে থাকে, সব ঘটনার পিছে কোন না কোন কারণ থাকে। এক প্রজাপতি পাখা নাড়লে হেলদোল পড়ে যেতে বিশ্বে। শওকত বেশ ভাল ছবি আঁকে। তবু শওকতের নামকরা শিল্পী হয়ে ওঠা ওঠেনা। যে বন্ধুদের বিপদে শওকত হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলো সময়ের ফেরে তারা সমাজের উঁচু তলার মানুষ। আর শওকত নিজে ছবি আঁকা ভুলতে বসে। প্রথম স্ত্রী রেবেকা, সন্তান ইমন, প্রেমিকা আনিকাদের আনাগোনায় শওকতের সব গোলকধাঁধা মনে হয়। আচমকা এক ধাক্কায় শওকতের মনে ঝড় তোলে। সেই ঝড় কি ক্যানভাসে ফেরে? যদিও সন্ধ্যা উপন্যাসের শেষ পাতায় রয়েছে তার উত্তর।
Profile Image for Sayla Afroz Keka.
20 reviews
October 14, 2023
আক্কেল দাঁত তুলেছি একদিন আগে। এই দাঁত যেন সিন্দাবাদের ভূত। যেন যাবেইনা আমাকে ছেড়ে। বেশ কিছু সময় যুদ্ধ করে তোলা হয়েছে।

যাইহোক। পেইনকিলার খেয়ে, শুয়ে বসে সময় কাটাচ্ছি। ভাবলাম কিছু একটা পড়ি। পড়লাম এই বই। নিজেকে মনে হচ্ছে আনিকা। আমিও একজনের ঘাড়ে চেপে আছি। সে ফেলতেও পারছেনা। রাখতেও পারছেনা। শেষ পরিনতি এই বইয়ের মত না হলেই হলো।

এই বইকে সুখপাঠ্য বলা যায়না। এটা দুঃখপাঠ্য।
Profile Image for Hasanul Ferdous.
14 reviews5 followers
January 15, 2020
হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য বইয়ের মতই অসমাপ্ত আর খানিকটা দুঃখ দুঃখ মেশানো এন্ডিং। শওকত আর তার জীবনের জন্যে মায়া পড়ে গেছিলো। প্রাঞ্জল লেখা, শুরু করার পর শেষ করতে বেশিক্ষণ লাগেনি। তবে অনেকদিন গল্পটা মনে থাকবে কি না বলা যাচ্ছে না।
Profile Image for Salman Mahmud Rasel.
60 reviews29 followers
April 14, 2017
মাথার ভেতর এক ছোটখাট ঝড় বয়ে গেল....
Profile Image for Sheikh Muhammod Muntasir.
1 review
Read
January 3, 2020
একজন পেইন্টারের ছাড়াছাড়ি, ছেলেকে নিয়ে ঘোরার গল্প।
Profile Image for Subrna Akter.
60 reviews
April 28, 2025
হুমায়ূন আহমেদকে বই যারা পড়েছেন তারা জানেন তার লেখায় সবসময়ই বাস্তবতা তুলে ধরেন। আর চরিত্র গুলোকে জীবন্ত মনে হয়। লেখার ধরন কি সহজ সাবলীল কিন্তু গভীরতা বিশাল।

হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য উপন্যাসের মতো 'যদিও সন্ধ্যা' উপন্যাসটি একটি বাস্তবধর্মী গল্প। যেখানে রয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েন গল্প, সম্পর্কে বিচ্ছেদ, জটিলতা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে বাঁচা আর জীবনের অনিশ্চয়তা। প্রতিটি বিষয় খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন উপন্যাসটিতে।

বিচ্ছেদের ঘটনা একটি সন্তানের জন্য যে কতটা কষ্টদায়ক তা খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়ন বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দিবে। বাবা ছেলের ভালোবাসার গল্প লেখক তার সুনিপুণ হাতে চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন বইটিতে।

বইটিতে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে আনিকাকে। কিছু মানুষ থাকে যাদের জীবনে প্রাপ্তির খাতা শূণ্য থাকলেও অন্যদের ভালোবাসার ক্ষমতা থাকে অনেক। আনিকা চরিত্রে সেটাই দেখানো হয়েছে। সারাজীবন দুঃখে জীবন কাটিয়ে দেওয়ার পর একটা সময় গিয়ে নিজের জন্য এক টুকরো সুখের আশা করে। নিজের ছোট একটি সংসার হবে, সংসারের ছোট ছোট জিনিস পত্র কেনার জন্য টাকা জমানো, নিজের ছেলেমেয়ে হবে তাদের নিয়ে কাটিয়ে দিবে বাকিটা জীবন। দুঃখে জীবন কাটিয়ে দেওয়া আনিকার জীবনে কি সুখ পাখি ধরা দিয়েছে! বইটি পড়লেই জানতে পারবেন।

হুমায়ূন আহমেদের সমাপ্তি অনেক সময় পাঠকদের কাছে ছেড়ে দেয়। কিন্তু এই বইটির সমাপ্তি ছিল অদ্ভুত সুন্দর! শেষটা এত্ত সুন্দর হবে ধারণা ছিল না।

বই: যদিও সন্ধ্যা
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
Profile Image for Sazzad Sarker.
2 reviews
April 20, 2022
শওকত এবং রেবেকার জুটিতে ভালবাসার ঘাটতি হবার মুল কারন ছিলো প্রতারনা। লেখকের দৃষ্টিতে যদিও এটা প্রতারনা ছিলো না। আনিকা শওকত কে ভালবাসলেও তা সে কম প্রকাশ করত কারন আনিকার মাঝে কিছুটা অভিমান জন্মাচ্ছিলো শওকতের উপর। শওকতের প্রথম বউ ছিলো রেবেকা, তাদের ছোট্ট সন্তান হচ্ছে ইমন। ইমন আমেরিকাতে বড় হয়েছে তার সৎ পিতা এন্ডারসন আর তার মা রেবেকার কাছে। কিন্তু তার আসল পিতাকে সে খুব শ্রদ্ধা করত এবং তাকে না দেখেও তার প্রতি অনেক বেশি ভালবাসা ছিলো ওর। বেশি কিছু লিখছি না কিন্তু বই এর পেছনে লেখা কিছু লাইন আমাকে অনেক বেশি অবাক করেছে,
"একটু ধূরে আনিকা দাঁড়িয়ে। সে ক্রমাগত কাদছে। আনিকার পাশে জামাল বিব্রত মুখে দাঁড়িয়ে। আনিকা তার দিকে তাকিয়ে বলল, এইভাবে বোকার মতো দাঁড়িয়ে আছ কেন? আমি কাদছি দেখছ না? আমার হাত ধর। নাকি হাত ধরতে লজ্জা লাগছে?"
2 reviews
March 18, 2022
very fantastic novel.the character anika is interesting. At the end of the novel I think she did a right thing by marrying with jamal. Shoukt is an irritating character who didn't care about anyone and very lonely. Anika loves him and i think he pretend to love her but he still love her previous wife. But most wonderful character was the little son of shoukot coming from america. The boy was very intelligent. From the whole storry I love the end where the failure shoukot able to regain his ability of painting after watching his child and anika together.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Towfik Mithun.
Author 11 books10 followers
March 1, 2023
নিজে একজন লেখক হিসাবে আফসোস হয়, 'যদিও সন্ধ্যা'র মতো সাধারণ বিষয় নিয়ে, এমন অসাধারণ এবং আবেগী উপন্যাস কবে লিখতে পারবো? যে লেখা পড়ে, চোখ মুছতে মুছতে পাঠক ভাববে, আর কয়েক পৃষ্ঠা লেখক কেন লিখলো না?

এজন্যই হুমায়ূন আহমেদ, একজনই।
Profile Image for A.H. Anha.
53 reviews2 followers
June 11, 2025
“যদিও সন্ধ্যা” পড়ে মনে হলো, লেখক জীবনের নীরবতা আর ম্লান মুহূর্তগুলোকে খুব সুন্দরভাবে ধরেছেন। গল্পগুলো সরল, কিন্তু গভীর ভাবনার আভা আছে।

ভাষা খুবই সাবলীল, পড়তে সহজ, আর কিছু কিছু অংশ যেন হৃদয় স্পর্শ করেছে।
Profile Image for Muniea Akter.
44 reviews
June 24, 2025
হুমায়ূন আহমেদের বইগুলো কিছুটা এমন মানে পড়তে পড়তে মনে হবে সেই একই গল্প, রেটিং ৩ এর উপর যাবেই না তারপর শেষ পৃষ্ঠার কাছাকাছি আসলে দেখা যাবে নিজেই ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছি।এই বইটাও সেরকমই একটা বই বলেই আমার মনে হলো।
৩.৫/৫
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
720 reviews12 followers
September 21, 2018
এক চিত্রশিল্পীর জীবনের অসাধারণ আখ্যান! হুমায়ূন আহমেদ তাঁর রচনায় বিভিন্ন পেশার, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জীবন-উপাদান তুলে ধরেছেন বলেই হয়তো তাঁর রচনা পড়ে যেতে ক্লান্তি লাগে না!
Profile Image for Summer ♡.
139 reviews37 followers
December 25, 2019
**Warning: this text may contain spoilers** আনিকার শেষে বিয়ে হয়ে গিয়েছিল সেটা আমার ভাল্লাগেনি!!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Naznin.
65 reviews22 followers
May 14, 2020
A beautiful book by the great Humayun Ahmed. I miss him!
Profile Image for Rajib Majumder.
136 reviews5 followers
July 16, 2020
একটাই খটকা থেকে গেল, লেখক অকারণ কেন মিসির আলিকে এই গল্পে টেনে আনলেন? কোন প্রয়োজন ছিল না।
Profile Image for Ivan Kadery.
83 reviews
August 13, 2023
২০০০ সালের পর বের হওয়া খুব কম বইই ভালো লেগেছে হুমায়ূন আহমেদের, সেই লিস্টে এটি যোগ হল।
Displaying 1 - 30 of 46 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.