Jump to ratings and reviews
Rate this book

অরক্ষণীয়া

Rate this book
Arakkhaniya, (The Unprotected) is a bengali novels written in 1916 by Sarat Chandra Chatterjee.

100 pages, Hardcover

First published November 1, 1916

18 people are currently reading
314 people want to read

About the author

Sarat Chandra Chattopadhyay

260 books935 followers
Complete works of Sarat Chandra (শরৎ রচনাবলী) is now available in this third party website:
http://sarat-rachanabali.becs.ac.in/i...

Sarat Chandra Chattopadhyay (also spelt Saratchandra) (Bengali: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) was a legendary Bengali novelist from India. He was one of the most popular Bengali novelists of the early 20th century.

His childhood and youth were spent in dire poverty as his father, Motilal Chattopadhyay, was an idler and dreamer and gave little security to his five children. Saratchandra received very little formal education but inherited something valuable from his father—his imagination and love of literature.

He started writing in his early teens and two stories written then have survived—‘Korel’ and ‘Kashinath’. Saratchandra came to maturity at a time when the national movement was gaining momentum together with an awakening of social consciousness.

Much of his writing bears the mark of the resultant turbulence of society. A prolific writer, he found the novel an apt medium for depicting this and, in his hands, it became a powerful weapon of social and political reform.

Sensitive and daring, his novels captivated the hearts and minds of thousands of readers not only in Bengal but all over India.

Some of his best known novels are Palli Samaj (1916), Charitraheen (1917), Devdas (1917), Nishkriti (1917), Srikanta in four parts (1917, 1918, 1927 and 1933), Griha Daha (1920), Sesh Prasna (1929) and Sesher Parichay published posthumously (1939).

"My literary debt is not limited to my predecessors only. I'm forever indebted to the deprived, ordinary people who give this world everything they have and yet receive nothing in return, to the weak and oppressed people whose tears nobody bothers to notice and to the endlessly hassled, distressed (weighed down by life) and helpless people who don't even have a moment to think that: despite having everything, they have right to nothing. They made me start to speak. They inspired me to take up their case and plead for them. I have witnessed endless injustice to these people, unfair intolerable indiscriminate justice. It's true that springs do come to this world for some - full of beauty and wealth - with its sweet smelling breeze perfumed with newly bloomed flowers and spiced with cuckoo's song, but such good things remained well outside the sphere where my sight remained imprisoned. This poverty abounds in my writings."

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
191 (29%)
4 stars
266 (41%)
3 stars
146 (22%)
2 stars
34 (5%)
1 star
7 (1%)
Displaying 1 - 30 of 59 reviews
Profile Image for Maliha Tabassum (back from hiatus) Tisha.
127 reviews406 followers
March 29, 2021
4.5 stars

শেষ পাতাটা পড়ার পর কিছুতেই আর ৫/৫ দেয়া গেল না। অনেক চেষ্টা করেও অরক্ষণীয়ার মতো এত চমৎকার একটি গল্পের এহেন পরিসমাপ্তি কিছুতেই মেনে নিতে পারলাম না।

বইটি পড়াকালীন কতবার যে মনে হয়েছে একে নির্দ্বিধায় ৫ তারা দিয়ে ফেলতে পারি! কোথাও এতোটুকু খুঁত খুঁজে পাইনি। শরৎচন্দ্রের কলমে সেকালের গ্রাম্য বাঙালি হিন্দু সমাজের যে প্রতিকৃতি ফুটে উঠেছে তার সাথে আজকের সাধারণ সমাজের সামান্যই অমিল। জ্ঞানদা ও তার মা দুর্গামণির দুঃখ-দুর্দশার বিবরণ পড়তে গিয়ে কত যে মন খারাপ হয়েছে, কতবার রাগ উঠেছে, কতবার নীরবে চোখের পানি ফেলেছি, আবার কত সময় সমাজের লুকিয়ে থাকা ভালোমানুষগুলোর পরিচয় পেয়ে আনন্দে বুকটা হুহু করে উঠেছে - সেসব কথা গুছিয়ে লেখার ক্ষমতা আমার নেই। বহুদিন এরকম করুণ, মর্মস্পর্শী লেখা পড়িনি, এরকম চরিত্রের দেখা পাইনি। বহুদিন কোনো উপন্যাস এমন একটানা এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করতে পারিনি।

তথাপি মনে আমার একটা আশংকা ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেবল সমাপ্তিির জন্য একটা বই সম্পূর্ণই আমার কাছে গুরুত্ব হারায়। পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলে নিজের হাতে নতুন একটা সমাপ্তি লিখতে ইচ্ছে হয়। লেখক/লেখিকা হয়তো বেশ ভেবেচিন্তেই কিংবা একটা বিশেষ উদ্দেশ্যে অমনটা লিখে থাকেন, তবুও।

এ ক্ষেত্রেও যে ভয় পেয়েছিলাম তাই হল শেষে।
Profile Image for Rifat.
501 reviews328 followers
September 21, 2020
অরক্ষণীয়া: বয়স্কা কন্যা যাহার বিবাহ না দিয়া ঘরে রাখা যায় না।
মেয়ের বয়স যে ১৫ ছাড়িয়ে যাচ্ছে!ওদিকে মেয়ের শ্রী নেই তার ওপর শ্যাম বর্ণ! নিরীহ মা তো শয্যাশায়ী। তাহলে আর কি করার! ঘরে যখন রাখাই যাচ্ছে না তবে বুড়ো,দুশ্চরিত্র যা-ই মেলে তার কাছেই দিয়ে দাও। নিরীহ মেয়েটি চুলোয় যাক গে, সমাজ-সংসার নিয়ে স্বয়ং আপনি স্বর্গে গেলেই হয়!!!

“কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কান্দ কেনে?"
~তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ( কবি )

৬ষ্ঠ শ্রেণীতে যখন সবেমাত্র ক্লাস শুরু করেছি তখন একদিন জানতে পারলাম শরৎ বাবু নামে কারও কাছে কেউ একজন খোলা চিঠি দিয়েছিল -

গেল বছর বন্যা হলো, এ বছরে খরা।
খেতে ফসল ভাসিয়ে নিলো,
মাঠ শুকিয়ে মরা।
এক মুঠো ঘাস পায় না মহেষ
দুঃখ ঘোচে না !
শরৎ বাবু এ চিঠি পাবে কিনা
জানি না


জানেন শরৎ বাবু! এই সমাজের আসল খরা এখনও ভাল মত কাটে নি।এখনও গ্রামের বাড়িগুলোতে খোঁজ করলে জ্ঞানদা আর তার মা দুর্গামণির দেখা পাওয়া যায়। তবে সমস্যা হয়েছি কি শেষটায় হলেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মত কারো দেখা কদাচিৎ পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ!
Profile Image for ফারহানা জাহান.
Author 5 books58 followers
August 18, 2021
অন্য কোনো সময় পড়লে পাঁচ তারা হয়তো দিতাম না। কিন্তু আজকের দিনটা আলাদা। ১৯১৬ সালে লিখে যাওয়া শরৎবাবুর এই উপন্যাসটা আজকের দিনেও জীবনের সাথে কেমন মিলে গেল, ভাবতেই অবাক লাগছে।
হায় নারী! হায় সমাজ!
খানিক থিতু হয়ে বইটার একটা রিভিউ লিখবো। এই বই অনেক-অনেক মানুষের পড়া উচিৎ।
100 reviews27 followers
June 25, 2016
ওহ, শরৎবাবু, কি একটা চড়ই না মারলেন আমাদের গালে। কিন্তু আফসোস, আপনার সে চড়ের দাগ গালেই লেগে রয়েছে, পাষাণ অন্তর ভেদ করে অন্তঃস্থলে পৌঁছুতে পারে নাই। তা না হলে কবেই আমাদের সমাজ পরিবর্তন হয়ে যেত। কি নির্লজ্জ আমরা! লজ্জা থাকবেই কিভাবে? লজ্জা, সে তো কবেই মরে গেছে। কিংবা ঐ বিজ্ঞাপনটির মতই বলতে হয়, আমাদের লজ্জায় আমরা ফরমালিন দিয়ে রেখেছি যাতে পঁচে গেলেও গন্ধ না ছড়ায়। তা না হলে নিজেদের আধুনিক মানুষ বলতে পারব না যে!
Profile Image for Rakib Hasan.
459 reviews79 followers
February 16, 2022
প্রায় ১০০ বছর আগের লেখার সাথে এখনকার সমাজব্যবস্থার পুরোপুরি মিল। দিন যায়, কিন্তু মানুষ বদলায় না। অমানুষিক চিন্তাভাবনা সময়ও বদলাতে পারে না....
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
260 reviews74 followers
September 1, 2022
শরৎবাবুর নায়িকাদের সব সময় কেনো যে সেবা দিয়ে পুরুষের ভালোবাসার পাত্রী হতে হয় তা যদি উনাকে জিজ্ঞেস করা সম্ভব হতো জিজ্ঞেস করতাম। উনার বই পড়ে মনে হয় নারী পুরুষের ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার রাখে কারণ নারী সেবা দিয়ে পুরুষকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে তাই।

কালো মেয়েদের বিয়ে নিয়ে যে সমস্যা ১০০ বছর আগে শরৎ বাবু দেখিয়েছিলেন আজও তা রয়ে গেছে। বাঙালিরা আজও বিয়ের ক্ষেত্রে ত্বকের জন্য দায়ী gene খুঁজলেও বুদ্ধিমত্তার জন্য দায়ী gene খুঁজে না।

কথা হলো, এ গল্পের নায়কের মতো বিবেচক নায়ক আমাদের সমাজে কয়টা আছে?
Profile Image for Akash.
446 reviews149 followers
November 29, 2022
পড়া শেষ করে শুধু কবি উপন্যাসে তারাশঙ্করের বলা "কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কান্দ কেনে?" কথাটা বারবার মনে পড়তেছে। শরৎ বাবুর লেখা গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করে রবীন্দ্রনাথের গানের মতো মর্মে লাগে। এখন বাঙালি আগের মত আর এতটা কুসংস্কারচ্ছন্ন নয় মোটেই। উচ্চশিক্ষা মেয়েদের কালো রঙ-কে সাদা করে দিতে সক্ষম।

তবে মেয়েদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন, অনেক সুন্দরী মেয়েরা কালো মেয়েদের দেখে মায়া করে এবং কালো মেয়েরা সুন্দরীদের দেখে ঈর্ষা করে কেন? এটা কি যথেষ্ট শিক্ষা কিংবা পরিপক্কতার অভাবে নাকি মানবজাতির gene এ এমনকিছু লোকানো আছে। আমার আপন বোন থাকলে জিজ্ঞেস করতাম। আমি কিন্তু সব মেয়েদের বলি নাই; শুধু যাদের মনোভাব এমন তাদের বলেছি।

আর আমরা ছেলেরা কিন্তু সুন্দরী মেয়েদের প্রতিই দুর্বল। তবে উচ্চশিক্ষিত চাকরিওয়ালা কিংবা বেশি যৌতুক মানে উপহার পেলে আমরা কালো মেয়েদেরও বিয়ে করতে প্রস্তুত থাকি। যদিও আমি শাশ্বত চিরকুমার।

তবে আমাদের সমাজের বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে নিম্নশ্রেণীর মানুষের মধ্যে দেখেছি; তারা অর্থাৎ নিম্নবিত্ত পরিবারের
বেশিরভাগ ছেলে ভালো অঙ্কের যৌতুক সহকারে কালো কালো দুই-তিনটা করে মেয়ে বিয়ে করতে পারে। আর গ্রামাঞ্চলে গাঞ্জা প্রচুর চলে। নিম্নবিত্ত স্বামীরা গাজা খেয়ে রাতে-সকালে বউকে পিটুনি দেয়। নিজের চোখে এসব দেখেছিলাম; যখন গ্রামে থাকতাম।

সূর্যের গ্যাস নিঃশেষ হওয়ার আগে কি মানবজাতির মধ্যে জাত,ধর্ম,পতাকা,বর্ণ এর বিভেদ দূর হবে?
Profile Image for Fahrial  ImRose.
35 reviews23 followers
September 15, 2021
অতুল চরিত্রটাকে পছন্দ করব নাকি করব না সেই দ্বিধায় আছি!
Profile Image for Abhishek Saha Joy.
191 reviews56 followers
May 29, 2021
বিংশ শতাব্দীর প্রাচীন পাড়াগাঁয়ের হিন্দুসমাজ,তাদের কুসংস্কার আর একটি দুর্ভাগা কালো মেয়ের গল্প।ফিনিশিংটা ভালো লাগেনি - যে অতুলের অবহেলাই এতসব দুর্ভাগ্যের কারণ শেষ পর্যন্ত তার মুখেই বড় বড় কথা শুনতে একদমই ভালো লাগেনি।হয়তো তৎকালীন সমাজের নারীদের অবস্থানই ছিলো সবকিছু মুখ বুজে মেনে নেয়ার মতো তবুও সেজন্যেই এক তারা কেটে রাখলাম!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Jannatul Firdous.
89 reviews178 followers
February 15, 2022
শরৎচন্দ্রের ছোট ছোট উপন্যাসগুলো সবসময়ই আমার বেশী প্রিয়। কোথাও একবিন্দু বোর করে না এগুলো। অরক্ষণীয়াও সেরকম একটা উপন্যাস।

মেয়ের বয়স তের পেরিয়েছে। গরীবের মেয়ে তারপর কালো! এখন‌ই বিয়ে না দিলে সমাজে জাত যাবে,এরমধ্যে বাবা মারা গেলেন। দুঃখিনী সেই মেয়ের দুঃখের আঁচ এটুকু পড়েই পাওয়া যায়।
রং দেখে একজন মানুষকে বিচার করা অবশ্য‌ই ঘৃণ্য মন মানসিকতার পরিচয়। বর্তমান সমাজ একটা মেয়ের রং,বয়স এসবে ছাড় দিয়েছে। যেকোনো মেয়েই তার যোগ্যতা দিয়ে একজন পরমসুন্দরীর থেকে ওপরে চলে যেতে পারে এবং পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে পারে। কিন্তু তখনকার সমাজ এমন ছিল না। তখন মেয়েদের পড়াশোনা করতে দেয়া হতো না এবং কোনোরকমে বেড়ে উঠতে না উঠতেই পাত্রের সন্ধান শুরু হয়ে যেত। আর সেই কারণেই তখন একমাত্র মুখ্য বিষয় ছিল রুপ। দুঃখের বিষয় ব‌উ ঠেঙ্গানো,বিপত্নীক,বুড়ো,আধবুড়ো,কানা,বোবা যাই হোক ছেলেদের ‌ব‌উ জোটার ব্যাপারে সমাজ উদার কিন্তু একটা নিস্পাপ কুমারী বাচ্চা মেয়ের‌ও তের পেরোতে বিয়ে না হলে সমাজের মাথা কাটা যায়। খুশীর ব্যাপার যে এমন কুৎসিত সমাজ বদলেছে। তারপরেও সেই সমাজের মানুষদের বংশধরদের কেউ কেউ সিকি পরিমাণ তুচ্ছ মানসিকতা নিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে যারা মেয়ের জোর করে বিয়ে দেয়, যারা মেয়ে কালো বলে গালি দেবার সময় মেয়েটার কেমন অনুভূত হচ্ছে তাকিয়েও দেখে না। সেসব মেয়েরা এই ব‌ই পড়ে নিশ্চয়ই নিজেদের রিলেট করতে পারে আজ‌ও।

গল্পে আসি, ‌দুর্গার মেয়ে জ্ঞানদার বয়স তের ছাড়িয়েছে। তার বাসায়‌ প্রায়‌ই যাতায়াত করে অতুল। চমৎকার একটা ছেলে। এবং জ্ঞানদাকে পছন্দ‌ও করে সে। এটা সেটা উপহার নিয়ে আসে। মৃত্যুশয্যায় ওর বাবাকে কথা দিয়ে বলে, মেয়েকে নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

কিন্তু মানুষের মন বদলাতে কতক্ষন? যখন তোমার আত্নীয়স্বজন কানের কাছে সারাক্ষণ মেয়েটিকে শাকচুন্নী,পেত্নী বিশেষণে বিশেষায়িত করছে। বিশেষ করে স্বামী মারা যাবার পর দুর্গা অতুলকে একদন্ড তিষ্ঠোতে দিচ্ছে না মেয়েকে নেবার জন্য। যা মানুষ ভালোবেসে গ্রহন করে তাই যখন চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করা হয় সেটাকে বোঝা মনে হতে কতক্ষন?

দজ্জালের মধ্যে একমাত্র দুর্গার বড় জা। কোনো কথাই মুখে বাঁধে না তার। ছোট জা মানুষটা ভালো কিন্তু নিজের মতো থাকে, মাঝেমধ্যে জ্ঞানদার জন্য তার প্রাণ‌ও কাঁদে। বাপের বাড়িতে ভাইবৌটা‌ তার ভালো, কিন্তু ভাইটা নিজের কিছু ধার শোধ করার জন্য উঠেপড়ে লাগে ব‌উমরা এক গাঁজাখোরের সাথে ভাগ্নির বিয়ে দেবে বলে।

পাত্র যে একেবারে জোগাড় হয়না তা না। আধবুড়ো ঘাটের মড়া মাঝেমধ্যে জোটে। চেহারা একদম খারাপ জ্ঞানদার তাও না। ম্যালেরিয়ায় ভোগার পর থেকে তাকে দেখলে আর ঘাটের মরাও পছন্দ করেনা।

শহর থেকে মাধুরী আসে‌। সম্পর্কে জ্ঞানদার বোন। রুপে গুণে অনন্য। তার রুপের সামনে ছোট এতটুকু হয়ে থাকে মেয়েটা। সবাই তাদের দুজনের তুলনা করে তাকে ছিঃ ছিঃ করে। অথচ তার যে রুপ নেই,সে যে গরীবের মেয়ে,তার যে বাবা নেই,সে যে ম্যালেরিয়ায় ভুগে চেহারা হারিয়েছে,তার যে প্রসাধন কেনার পয়সা নেই এতে তার দোষ কোথায়? আর সুন্দর চেহারা হ‌ওয়ায় মাধুরীর কৃতিত্ব‌ই বা কোথায়? এটার কোনোটাতেই কি হাত আছে তাদের কারো? চেহারা সুন্দর না হলে একটা মেয়ে যত কটুক্তি শোনে,রং কালো হলে সে যতবার পাত্রপক্ষের সামনে থেকে 'না' শুনে ফেরত আসে এটা কি সে ডিজার্ভ করে? সমাজ বদলেছে,এযুগের মেয়েদের এসব সহ্য করতে হয় না। কিন্তু সে যুগের মেয়েরা যারা এই আধুনিক যুগে জন্মায়নি বলে বলির পাঁঠা হয়েছে তাদের এতে কি যায় আসে? তারা জন্মেছে,একগাদা না পাওয়া নিয়ে চলে গেছে। আর কি তারা ফিরে আসবে?

ছোট্ট কিন্তু চমৎকার একটা উপন্যাস। পদে পদে জ্ঞানদাকে বিয়ে না হবার জন্য,রুপ নিয়ে,রং নিয়ে যত কথা যত কটুক্তি যত হাসাহাসি সহ্য করতে হয়েছে পড়তে অসম্ভব কষ্ট লাগে। খুব খারাপ লাগে,রাগ হয়। আর এটাই উপন্যাসের কৃতিত্ব। লেখক সত্যের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন। পাঠককে ভাবাতে পেরেছেন, রাগাতে পেরেছেন। লেখক জিতে গেছেন।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Pranjal Kumar Nandi.
57 reviews43 followers
June 30, 2020
সেই চিরায়ত শরৎচন্দ্র যেখানে তাঁর প্রতিটি চরিত্র একদম আলাদা আলাদা মাত্রায় এবং সবাই মিলে এক বহুমাত্রিক মিলনস্থল সৃষ্টি করে আছে।
Profile Image for Rani  Chatterjee.
64 reviews
April 30, 2025
সুন্দর। অতুলের ওপর অভিমান হচ্ছে।
Profile Image for Shaila Shaznin.
66 reviews8 followers
January 16, 2025
আজকের দিনে এসেও মানুষ গায়ের রং দেখে বিচার করে। বিয়ে না হলে আজকের দিনেও মানুষ ঐ মেয়ে ও তার পরিবারের লোকদের কথা শুনাতে ছাড়ে না। সময় বদলায় কিন্তু বদলায় না মানসিকতা।
"যদি জন্মই নিয়েছিলি, ছেলে হয়ে কেন জন্মাস নি মা!"এই কথার মাধ্যমেই বুঝা যায় একজন মায়ের অসহায়ত্ব। মেয়ে হয়ে জন্মানোটাই যেন একটা বড় অপরাধ। আর অতুল এর মতো মানুষেরা যারা বাহিরের চাকচিক্য দেখে গুণের কথা ভুলে যায়, ভুলে যায় মরণাপন্ন মানুষকে দেওয়া ওয়াদা তাদের কিছুই হয় না। আর জ্ঞানদার মতো মেয়েরাও সমাজের দিকে তাকিয়ে তাদের ক্ষমা করে দেয়।
গল্পটি পড়ে শুধু মনে হলো শেষটা এমন না হলেও পারতো। সবসময় হ্যাপি এন্ডিং পছন্দ করা আমিও খুব করে চাইছিলাম হ্যাপি এন্ডিং না হোক, জ্ঞানদা যেন কিছুতেই অতুলকে ক্ষমা না করে। কিন্তু এই সমাজে থেকে জ্ঞানদার মতো মেয়েদের তো সেই অধিকার নেই।
Profile Image for Anonna.
4 reviews
September 23, 2024
বেশ ভালো গল্প, শেষ পাতা অব্দি মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম। কিন্তু এই চমৎকার গল্পটির এহেন সমাপ্তি অপ্রত্যাশিত। তবে সমসাময়িক দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করলে তৎকালীন অরক্ষণীয়াদের এমনই পরিসমাপ্তি অদৃষ্টে জুটতো বৈকি! শেষ পাতায় তাই লেখক যেন সত্যকেই স্থান দিলেন। কলমের বলে আর তাদের অসহায়ত্ব লুকানোর চেষ্টা করলেন না।
Profile Image for Dhiman.
178 reviews14 followers
January 4, 2025
কি লিখসে এটা ভাই। এতটাই দুর্বিষহ লাগছিল যে পড়তেও কষ্ট হচ্ছিল। সমাজকে গলাটিপে যদি হত্যা করা যেত অনেক ভালো হতো।
Profile Image for Arnab Paul.
62 reviews119 followers
May 26, 2016
এস এস সি দিয়ে শরৎচন্দ্র সমগ্র ধরি, রচনাবলির প্রথম খণ্ডের শেষ উপন্যাস ছিল।আট বছর আগের স্মৃতি হাতড়ে যেটুকু মনে পড়ে, নায়িকার নাম জ্ঞানদানন্দিনী।হুমায়ূন আহমেদের নায়িকাদের মতো হুরপরী কেউ নয়, শ্যামাবর্ণা বলে সবার দৃষ্টিতে অসুন্দরী। কষ্ট লেগেছিল পড়ে এটুকুই মনে আছে।গল্পবলিয়ে কাউকে অসুন্দরী ঘোষণা দেবার পরেও , পঠনকালীন সময়ে 'অপরিণত ফ্যান্টাসিবঞ্চিত' মনকে মোহময় করে রাখতে পারার পর, তার জাদুকরী বলনভঙ্গী নিয়ে আর কোন প্রশ্নের অবকাশ থাকেনা।হুমায়ূন আহমেদকে একালের শরৎ বলে থাকেন অনেকে (জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে), এইসব ফ্যান্টাসি না ঢুকিয়ে ক'টা উপন্যাসে পাঠক ধরে রাখার মত লিখে গেছেন এনিয়ে সন্দেহ হয়।
Profile Image for Rudro.
37 reviews2 followers
December 31, 2025
🔰কাহিনী সংক্ষেপ:
জ্ঞানদা কালো বর্ণের হওয়ায় তার বিয়ে নিয়ে কি কি কষ্ট সহ্য করতে হয়, সেটা তুলে ধরা হয়েছে।
🔰মন্তব্য:
উপন্যাসটি আজ থেকে ১০০ এর পুরোনো হওয়া সত্ত্বেও এখনও প্রত্যেকটি চরিত্রের সাথে relate করা যায়। চিরায়ত উপন্যাসের এটাই সার্থকতা। তখনকার দিনে মুখে না বলেও যেন ভালোবাসা প্রকাশ করা যেত।

জ্ঞানদা ও দুর্গামণির করুণ পরিস্থিতির জন্য মন খারাপ হয়ে যাবে। ফলে আমার অতুল চরিত্রটার প্রতি ঘৃণা বৃদ্ধি পেতে থাকে। শেষে যদিও বা সে তার ভুল বুঝতে পারে। জ্ঞানদার মামী (ভামিনী) চরিত্রটা ও ছোটখুড়ীমার চরিত্রটা প্রথমে negative মনে হলেও, তাদের স্বরূপ জানার পর তাদের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে যাবে।

প্রধান চরিত্র: দুর্গামণি, জ্ঞানদা ও অতুল
প্রিয় চরিত্র: ভামিনী (মামি) ও ছোটখুড়ী
Profile Image for Raisa.
37 reviews
June 6, 2025
সমাজ!
বহুদিন পর কোনো বই পড়ে এভাবে চোখ থেকে পানি ঝরলো। জীবনের প্রথম উপন্যাস 'আমি তপু' পড়ে ছোটোবেলা এভাবে কান্না করেছিলাম। অরক্ষণীয়া পড়তে গিয়ে নিজের অজান্তেই চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছিলো। তবে, গল্পের শেষটা নিয়ে আমার অভিযোগ। অতুলের মতো ছেলে যে কিনা জ্ঞানদাকে বিয়ের ব্যাপারে সকলের সামনে বলেছিলো, "আমার কি মরবার দড়ি-কলসি জোটে না?" এমন ছেলের সাথে গল্পের শেষটায় জ্ঞানদার বিয়ে কিংবা বিয়ের ইঙ্গিত মোটেও পছন্দ হয়নি। জীবনে সকলের দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়াটা বোধ করি ঠিক না। অতুলের জন্য আত্মগ্লানিতে ভোগাটাই শ্রেয় ছিলো। সমাজের ভয়ে অতুলের কাছে জ্ঞানদার মাথা নত করাটা পছন্দ হয়নি। নাহলে এ বই পাঁচ তারা পাওয়ার মতোনই বই।
Profile Image for Abdul Ahad.
58 reviews4 followers
August 18, 2019
অহ্ কি বই লিখলেন শরৎবাবু! সমাজের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন পুরুষের চেহারার আড়ালের রূপ। কি থাপ্পড়টা দিলেন মুখোশ পড়া পুরুষ সমাজের গালে৷
Profile Image for Jyoti.
13 reviews1 follower
April 20, 2019
What a strong and pure of a character Ganada is! It is obvious she doesn't deserve a mind shifting and cruel character like Atul.
Profile Image for Suraiya Ratri.
43 reviews2 followers
September 13, 2021
Didn't like the ending. But I suppose that's how life went back in those days
Profile Image for Monalisa Ghosh.
52 reviews3 followers
August 28, 2023
বাংলায় জন্মানো কালো মেয়ে হিসেবে কাহিনীটা মন এর রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাজলো যেন। খুব ভাগ্যবান মনে হলো নিজেকে যে আজ জন্মেছি সেযুগে না। এখনো অনেক কথা শুনতে হয় কিন্তু জ্ঞানোদার লাঞ্ছনার তুলনায় সে তুচ্ছ।
5 reviews
October 14, 2025
অরক্ষণীয়া:শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
যখন জন্মই নিয়েছিলি তখন ছেলে হয়ে জন্মাসনি কেন মা।কতটুকু অসহায়,মনে কতটুকু কষ্ট পেলে একজন মা এই কথা বলে তার মেয়েকে।সমাজে কালো মেয়ের বিবাহ নিয়ে আজও মেয়ে পক্ষের মানুষকে বেগ পোহাতে হয়।উপন্যাসের জ্ঞানদা কালো,বিয়ের বয়স হয়ে গেছে কিন্তু কালো বলে কেউ বিয়ে করতে রাজি হয়নি।অন্যদিকে মরণাপন্ন অতুল কে সেবা যত্ন করে ভালো করে তুলে জ্ঞানদা।তখন কথা দিয়েছিল জ্ঞানদা কে বিয়ে করবে।কিন্তু হঠাৎ জ্ঞানদাকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি।অরক্ষণীয়া পড়ে ভাবতেছি ১৯১৬ সালে লেখে যাওয়া বই বর্তমান সময় এসে কত মিল।সময় বদলায় কিন্তু মানুষের অমানুষিক মনুষত্ব বদলায় না।মেয়েদের কি নির্মম কষ্ট,পরিহাস এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।সময় মতো কোনো মেয়ের বিয়ে না হলে সমাজের নিজের আত্মীয়-স্বজনদের কত যে বিষবাক্য সহ্য করতে হয়,আমি ছেলে হয়ে হয়তো তা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পাড়ব না।উপন্যাসে জ্ঞানদার জন্য কোনো ছেলে বিবাহ করতে যখন রাজি হয়নি,বিবাহ সম্বন্ধ আসা বন্ধ হয়ে গেছে দূর্গামনি তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন।একদিন এক পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে তাই আয়োজনে ব্যস্ত মা,দুর্গামনি মেয়েকে সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন,কোন শাড়িটা পড়লে মেয়েটাকে একটু সুন্দর দেখাবে, কোন টিপটা দিলে মুখ টা মিস্টি লাগবে কীভাবে বসবে,কীভাবে কথা বলবে,কীভাবে চোখে চোখ রাখবে সব শেখাচ্ছে।আর জ্ঞানদা চুপচাপ,তার কোনো উচ্ছাস নেই আছে ক্লান্তি।কারণ এই সাজগোজ তার আত্মসম্মানের বিরুদ্ধে।এক মা তার মেয়েকে শেখাচ্ছে কিভাবে পাত্রকে আকর্ষণ করতে হয়।কারন মা জানে এই সম্বন্ধ ভেঙে গেলে আর মেয়ের আর বিয়ে হবে না।তখন সমাজের মানুষের বিষবাক্য সহ্য করার চেয়ে আত্মহত্যা করাই একমাত্র অবলম্বন।এই দৃশ্য শুধু একটি মেয়ের সাজগোজ নয়, এটা এক মায়ের অসহায়তা, এক নারীর আত্মসম্মান, আর এক সমাজের নিষ্ঠুরতা।এই অংশ টুকু পড়ার সময় চোখের কোণায় জল চলে আসছে।উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে অনেক বার চোখে পানি চলে আসছে।বিশেষ করে একজন মায়ের কষ্ট সেটা সহ্য করা যায় না সেটা গল্পে হোক বা বাস্তবে হোক।
“আমি জানি, আমাকে কেউ বিয়ে করবে না। আমি অরক্ষণীয়া।”
Profile Image for Nuhash.
221 reviews8 followers
May 8, 2023
কিছু গল্প তৈরী করে লেখক শুধু মানুষকে কাঁদানোর জন্য। দুঃখ প্রকাশ করার জিনিস হলেও সে দুঃখ অপরকে কতটা পুড়ায় যারা উপলব্ধি করতে পারে তাদের হৃদয়ের ভালোবাসার কথাটা নাই বলি। দুখী সবাই তাই বলে চরম দুঃখে দিনাতিপাত করা মানুষ গুলোকে দেখলে চোখের জলে বুক ভাসে। আমি হয়তো নদীর মত কখনো বন্যা হয়ে নিজের দুঃখে কাঁদতে পারব না কিন্তু বৃষ্টির মত খুব কাঁদতে পারব ফোঁটা ফোঁটা বিন্দু দিয়ে।

মানুষের চরম সার্থকতা তার মুক্তিতে। মুক্তি মানে ভালোবাসা। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রেমিক যারা বিদ্রোহী। যারা ভালোবাসার মঞ্চে নিজেদের প্রতিনিয়ত প্রমাণ করতে চায়। মাটির সোঁদা গন্ধের মত ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয় জীবনের স্বাদ। জীবন মানে কি তা বোঝা যায় প্রেমিকার পরশে।

"অরক্ষণীয়া" উপন্যাসটা অধরা পৃথিবীর মত। জ্ঞানদার দুঃখ গুলো, তার কালো ছাইয়ের বর্ণের রুপ যেন খোদা অন্য কাউকে না দেয়। তার মত লাঞ্ছিত যেন কোনো নারী না হয়। বিয়ে যেন মুক্তির প্রধান উপায় না হয়। ওর মতো কেউ যেন বুকে পাথর বেঁধে ভালোবাসার বিদায় না দেয়। খোদা সকলকে তার ভালোবাসা দিক! দুজন মানুষের মাঝে পূর্ণতা আসুক স্রোতের মত।

দূর্গা ভালোবাসা থাকলেও মেয়ের প্রতি তার বিদ্বেষ তখনকার সমাজে যর্থাথ। তার ভালোবাসা যে মেঘের মত। সারাক্ষণ জ্ঞানদাকে চেয়ে ছিল।

অরক্ষণীয়া সারসংক্ষেপ হলো, দুটো মা মেয়ের কাহিনী। জ্ঞানদা কালো, যার রুপ ছাইয়ের মত সুন্দর। কিন্তু বিয়ের বাজারে সে অনূঢ়া। কিন্তু জ্ঞানদাকে অতুল ভালোবাসে। সে জ্ঞানদার সেবায় ভালো হয়ে উঠেছিল ম্যালেরিয়া থেকে। কিন্তু হঠাৎ করে অতুল পরিবর্তন হয়ে যায়। সে জ্ঞানদাকে বিয়ে করতে চায় না। অনেক বিয়ে আসলো কালো বলে কেউ ঘরে নিতে চায় না। এর ধরুন তার মা সারাক্ষণ গালি দেয়, জেষ্ঠ্যামা বকে। সে যেন নীরব আকাশ। কোন শব্দ করে না।
49 reviews
March 25, 2025
এটিকে অনায়াসে ৫ দেয়া যেতো কিন্তু... কিন্তু সেই শরৎচন্দ্রীয় এন্ডিংয়ের কারণে দিতে পারলাম না। দত্তা ও চন্দ্রনাথে যেরকম দেখানো হয়েছিল, এখানেও সেরকম। প্রেমিক বা স্বামী যতই নিষ্ঠুর, অত্যাচারী, খুনী, ধর্ষক হোক তার কাছে নিজেকে বিসর্জন দিতে হবে। আমি জানি না শরৎচন্দ্র কেন এরকম লিখতেন। তার তৎকালীন সামাজিক প্রভাবের কারনেই হয়তো। এত শক্তিশালী নারী চরিত্র তৈরি করে শেষে তাকে সেই নিষ্ঠুর প্রেমিক বা স্বামীর পায়ে সপে দেয়া। অনেকে বলবে শেষটাই তখনকার দিনে বাস্তব। কিন্তু বাস্তবতাকে শরতবাবু এত ভালো ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তাহলে শেষের বাস্তবতাকে বিশ্লেষণ করে অতুলকে সমালোচনা করলো না কেনো? এখানে একজন লিখেছেন 'জ্ঞানদা হয়তো সামাজিক অত্যাচার হতে রক্ষা পেতে অতুলকে মেনে নেবে। কিন্তু আসলে কখনোই ক্ষমা করবে না'। (শরতবাবুর মতে, অতুলের ক্ষমা চাওয়ার কোনো দরকারও নেই) আমার মনে হয় কথাটি তিনি একদম ঠিকই বলেছেন। তাই এত সুন্দর ভাবে লেখার পরেও কোথাও যেন মনে হয় যে, শরৎচন্দ্র নিজেও সমাজের সেই অবস্থাটার কারণে সামান্য পরিমাণ হলেও দায়ী।
এই সমস্যাটির কারণেই ভেবেছিলাম শরৎবাবুর প্রধান উপন্যাসগুলো বাদে আর পড়বো না। কিন্তু তাও পড়লাম। পড়ে খুব একটা খারাপ লাগলো না। বিশেষ করে মেয়েদের তৎকালীন সামাজিক অবস্থা বোঝার জন্য এটি খুবই ভালো বই। কেবল বয়স চৌদ্দ, কালো ও দরিদ্র ; কেবল এই মহাপরাধ টুকুর জন্য যে কত সহস্র নারী কি পরিমাণে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তা জানতে এটি পড়ে দেখতেই পারেন।
৩.৫/৫.০
Profile Image for Tawheeda Rufah Nilima.
294 reviews58 followers
July 29, 2021
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর সবগুলো বই কিনে ফেলার একটা ইচ্ছে আমার আছে। হয়তো কোনো একদিন কিনে ফেলবো। এই মানুষটার লেখার যাদুকরী ক্ষমতা দেখে অবাক না হয়ে পারি না। নিজের লেখনী দিয়ে কি সাবলীল ভাবেই না তিনি সমাজের কুৎসিত ব্যাপারগুলো তুলে ধরতেন কাগজে। সেই কবে লিখে গিয়েছিলেন এসব কিছু, কিন্তু আজও তা পুরনো হয়নি৷ এতো অদ্ভুত! এতো বেশি অদ্ভুত! কি করে এই মানুষটা এইভাবে লিখতেন তা ভেবে পাই না আমি।
অরক্ষণীয়া পড়ে চুপচাপ বসে আছি। কি পরিহাস! মেয়েদেরকে নিয়ে কি নির্মম পরিহাস! একটা মেয়েকে কি ভীষণ অপমান, কষ্ট, ও অবজ্ঞার ভেতর দিয়েই না যেতো হলো।
অতুল এর প্রতি এতো রাগ লাগছে। বলছিলো তাকে ত্যাগ করে গেনোদা যেনো শাস্তি না দেয়। আর সবাই তাকে শাস্তি দিক। কিন্তু গেনোদা যাতে না দেয়। কিন্তু সে কি গেনোদা এর শাস্তির যোগ্য ছিলো না? অন্য সবার থেকে কেনো, শাস্তি যদি পায় তাহলে সেটাতো গেনোদা এর থেকেই তার পাওয়া উচিত। গেনোদা কেন পাথরের মূর্তির মতো চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। অতুল কে কিছু একটা বলে দিলো না কেন? বলে দিত যেই শাস্তি অতুল পেতে চাচ্ছে না, সেই শাস্তিই তার প্রাপ্য।
1 review
November 18, 2025
Every single perspective for a dark-skinned girl back then felt very real.That's exactly how society treated girls like Genada, and honestly, even now, some of it still lingers.Obviously, it's not as harsh anymore in most cases, but society still doesn’t forget to humiliate a girl for her skin colour.

In the beginning, it was kind of sweet. The way Atul took a stand for Genada and her mother in front of everyone—I loved it so much. But then he started acting like a typical man. On the Holi occasion, when he humiliated Genada in front of everyone, I completely lost it. The respect I had for him - everything just disappeared forever.

Although I didn’t expect the ending to be satisfying, considering the time when অরক্ষণীয়া was written, I still didn’t expect it to be this disappointing. The ending was so annoyingly disgusting and trashy.
Displaying 1 - 30 of 59 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.