Jump to ratings and reviews
Rate this book

Feluda #20

নেপোলিয়নের চিঠি

Rate this book
This investigation of Feluda starts somewhat unexpectedly. While in a toy shop to buy a gift for an acquaintance, Feluda comes across a young fan by the name of Aniruddha Haldar, who asks him if he can find out his lost parrot. More to give the little boy some time than find his bird, Feluda agrees to look into the matter, and true to his word, visits him after a few days. However, things go wrong when Feluda and his companions visit the Haldar House. Aniruddha’s grandfather, an antiquities collector, is found dead, and his most prized collection – one of the last ever letters written by Napoleon Bonaparte – goes missing. The case of the parrot is forgotten as Feluda is asked to investigate the developments, but it soon becomes clear to the detective that neither of the two cases are less intriguing than, or perhaps different from, the other.

48 pages, Unknown Binding

Published January 1, 1981

2 people are currently reading
97 people want to read

About the author

Satyajit Ray

676 books1,528 followers
Satyajit Ray (Bengali: সত্যজিৎ রায়) was an Indian filmmaker and author of Bengali fiction and regarded as one of the greatest auteurs of world cinema. Ray was born in the city of Calcutta into a Bengali family prominent in the world of arts and literature. Starting his career as a commercial artist, Ray was drawn into independent filmmaking after meeting French filmmaker Jean Renoir and watching Vittorio De Sica's Italian neorealist 1948 film, Bicycle Thieves.

Ray directed 36 films, including feature films, documentaries and shorts. He was also a fiction writer, publisher, illustrator, calligrapher, graphic designer and film critic. He authored several short stories and novels, primarily aimed at children and adolescents.

Ray's first film, Pather Panchali (1955), won eleven international prizes, including Best Human Documentary at the Cannes Film Festival. This film, Aparajito (1956) and Apur Sansar (1959) form The Apu Trilogy. Ray did the scripting, casting, scoring, and editing, and designed his own credit titles and publicity material. Ray received many major awards in his career, including 32 Indian National Film Awards, a number of awards at international film festivals and award ceremonies, and an Academy Award in 1992. The Government of India honoured him with the Bharat Ratna in 1992.

Early Life and Background:
Ray's grandfather, Upendrakishore Ray Chowdhury was a writer, illustrator, philosopher, publisher, amateur astronomer and a leader of the Brahmo Samaj, a religious and social movement in nineteenth century Bengal. Sukumar Ray, Upendrakishore's son and father of Satyajit, was a pioneering Bengali author and poet of nonsense rhyme and children's literature, an illustrator and a critic. Ray was born to Sukumar and Suprabha Ray in Calcutta.

Ray completed his B.A. (Hons.) in Economics at Presidency College of the University of Calcutta, though his interest was always in Fine Arts. In 1940, he went to study in Santiniketan where Ray came to appreciate Oriental Art. In 1949, Ray married Bijoya Das and the couple had a son, Sandip ray, who is now a famous film director.

Literary Works:
Ray created two of the most famous fictional characters ever in Bengali children's literature—Feluda, a sleuth in Holmesian tradition, and Professor Shonku, a genius scientist. Ray also wrote many short stories mostly centered on Macabre, Thriller and Paranormal which were published as collections of 12 stories. Ray wrote an autobiography about his childhood years, Jakhan Choto Chilam (1982). He also wrote essays on film, published as the collections: Our Films, Their Films (1976), Bishoy Chalachchitra (1976), and Ekei Bole Shooting (1979).

Awards, Honors and Recognitions:
Ray received many awards, including 32 National Film Awards by the Government of India. At the Moscow Film Festival in 1979, he was awarded for the contribution to cinema. At the Berlin Film Festival, he was one of only three to win the Silver Bear for Best Director more than once and holds the record for the most Golden Bear nominations, with seven. At the Venice Film Festival, he won a Golden Lion for Aparajito(1956), and awarded the Golden Lion Honorary Award in 1982. In 1992 he was posthumously awarded the Akira Kurosawa Award for Lifetime Achievement in Directing at the San Francisco International Film Festival.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
101 (27%)
4 stars
169 (46%)
3 stars
78 (21%)
2 stars
11 (3%)
1 star
2 (<1%)
Displaying 1 - 24 of 24 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,870 followers
October 25, 2017
১৯৮১-র শারদীয়া 'সন্দেশ'-এ প্রথম প্রকাশিত, এবং ১৯৮৫-তে 'ফেলুদা ওয়ান ফেলুদা টু' বইয়ে প্রথমবার গ্রন্থবদ্ধ হওয়া এই উপন্যাসটি ফেলুদার নামকরা অ্যাডভেঞ্চারগুলোর মধ্যে হয়তো পড়ে না, কিন্তু কালেক্টরদের রহস্যময় ও কিছুটা অবসেসিভ জীবনের সঙ্গে, এবং রাসেল স্ট্রিটের পেট-শপের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় এই গল্পের মাধ্যমেই। আমার গল্পটা বেশ বুদ্ধিদীপ্ত লেগেছিল। এই উপন্যাসটা আরেকটু আপডেটেড হয়ে ওয়েবে বা টিভি-তে এলে খুব খুশি হব।
Profile Image for Sagor Reza.
157 reviews
August 30, 2023
পাখি নিরুদ্দেশ রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে এ বি সি ডি ফেলু মিত্তির বের করে ফেললেন মার্ডারারের পরিচয়। প্রতিবারের মতো এবারও শেষে চমক দেখিয়েছেন সত্যজিৎ রায়।
Profile Image for Sheikh Marzia Amin.
45 reviews1 follower
May 1, 2021
বেশ আকর্ষণীয় গল্প ছিলো।
Profile Image for Tiyas.
473 reviews134 followers
May 18, 2022
ভীষণ Underrated ফেলু-কাহিনী। পুরো রহস্যটাই কলকাতা-বারাসাত জুড়ে আবদ্ধ থাকলেও, প্রদোষ মিত্তিরের যেকোনো ইন্টারন্যাশনাল অভিযান (যাকে বলে, লন্ডনে ফেলুদাকেও) সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিয়ে যাবে। শীতকালের আবহে রহস্যজনক খুন, দোসর হিসেব ভ্যানিশিং চন্দনা এবং একটি মোক্ষম চুরি। সব মিলিয়ে এক্কেবারে, বাবু সাবধান!

পরিশিষ্ট : জটায়ুর জায়ান্ট অমনিবাসখানা সংগ্রহ করতে পারলে কিন্তু ভারী মজার হতো।
Profile Image for Farhana Sufi.
495 reviews
March 13, 2018
'নেপোলিয়নের চিঠি'র মজা হলো আবারও সেই পাখির বয়ান, আমার প্রিয় গল্প 'ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা'র মতো। এইটা দুইটা গল্পেই বেশ কিছু মিল আছে, ছদ্মবেশ, পাখি, চুরি যাওয়া মূল্যবান জিনিস, খুন হওয়া প্রবীণ মালিক.. দুইটাই প্রিয় গল্প।
Profile Image for Anjan Das.
420 reviews17 followers
November 12, 2025
ক্লাসিক ফেলুদা।একদম ফেলুদা স্টাইলে রহস্য উন্মোচন।সাথে জটায়ু বাবুর সাথে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম হিউমার গল্পটা কে ভালো লাগার পরিমাণ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।সত্যজিত বাবুর লিখা গল্প পড়লে মাইন্ড কে রিফ্রেশ করে দেয় একদম।
Profile Image for Shahariar Ahammed.
93 reviews5 followers
August 2, 2024
বইটা পড়ার আগে, ❝বাবু সাবধান❞,

দুর্দান্ত লেখনী এবং প্লট।
Profile Image for Samia Rashid.
310 reviews16 followers
March 1, 2025
আহামরি তেমন কিছু না গল্পটা, মোটামুটি ভাল লেগেছে। সাসপেন্স কম ছিল।
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
372 reviews79 followers
June 20, 2021
ঘরভর্তি অমূল্য এন্টিক সম্পত্তি নিয়ে মারা গেলেন পার্বতী হালদার। তাও আবার সাক্ষাৎ ফেলুদা সে বাড়ীতে থাকা অবস্থায়। ঘর থেকে খোয়া গেলো নেপোলিয়নের নিজ হাতে লেখা চিঠি। গল্পের শুরু অবশ্য পাখি রহস্য নিয়ে।
সত্যজিৎ পারেনও বটে। ছোট গল্পে এতকিছু নিয়ে এসে সেটা আবার সুনিপুণভাবে শেষ করে। একটা কথাই বলার আছে, অসাধারণ।
Profile Image for Kishore.
106 reviews
October 15, 2025
গল্পের সূচনা হয় যখন ফেলুদা এবং তোপসে পার্ক স্ট্রিট ও রাসেল স্ট্রিটের মোড়ে অবস্থিত 'হবি সেন্টার' নামক একটি দোকানে সিধুজ্যাঠার জন্মদিনের জন্য একটি দাবার সেট কিনতে যায়। সেখানে অনিরুদ্ধ হালদার নামে ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে ফেলুদাকে চিনতে পারে এবং তার হারিয়ে যাওয়া চন্দনা পাখিটি কে নিয়েছে তা খুঁজে বের করার জন্য অনুরোধ করে। ছেলেটির বাবা, অমিতাভ হালদার, ফেলুদাকে বারাসতে তাদের দেড়শো বছরের পুরোনো বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানান। তিনি জানান যে তাঁর বাবা, পার্বতীচরণ হালদার, একজন সংগ্রাহক এবং তাঁর সংগ্রহে মুঘল আমলের দাবা, ওয়ারেন হেস্টিংসের নস্যির কৌটা এবং এমনকি নেপোলিয়নের লেখা একটি চিঠিও রয়েছে।

বারাসতে আগমন ও হত্যাকাণ্ড

কিছুদিন পর এক শনিবার সকালে ফেলুদা, তোপসে এবং লালমোহনবাবু (জটায়ু) বারাসতের হালদার বাড়িতে পৌঁছান। সেখানে তারা জানতে পারেন যে পার্বতীবাবুর প্রাক্তন সেক্রেটারি সাধন দস্তিদার, যাকে সাত বছর আগে কুসংস্কারের জন্য তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তিনি আবার চাকরির জন্য দেখা করতে এসেছেন। ফেলুদা অনিরুদ্ধের পাখির খাঁচা পরীক্ষা করার সময় দরজার একটি অংশে রক্তের একটি ছোট্ট দাগ দেখতে পায়। এর কিছুক্ষণ পরেই এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অমিতাভবাবু তাঁর বাবা পার্বতীচরণকে তাঁর স্টাডি রুমে একটি চেয়ারে মৃত অবস্থায় আবিষ্কার করেন। তাঁকে একটি ভারী কাঁচের পেপারওয়েট দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছিল, এবং সেই পেপারওয়েটটি ঘটনাস্থল থেকে উধাও ছিল।

তদন্ত ও সন্দেহভাজন

পুলিশের ইন্সপেক্টর হাজরা এসে তদন্ত শুরু করেন। দেখা যায়, শুধু পার্বতীবাবুই খুন হননি, তাঁর সংগ্রহ থেকে নেপোলিয়নের অমূল্য চিঠিটিও চুরি হয়ে গেছে। চিঠিটির জায়গায় একটি সাদা ভাঁজ করা কাগজ রাখা ছিল। খুনের পর থেকেই প্রধান সন্দেহভাজন, সাধন দস্তিদার, রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যান।

সন্দেহের তালিকায় আরও কয়েকজন ছিলেন:

পেস্টনজী: একজন পার্সি সংগ্রাহক এবং পার্বতীবাবুর প্রতিদ্বন্দ্বী, যিনি চিঠিটি কেনার জন্য খুবই আগ্রহী ছিলেন। তবে তাঁর আর্থ্রাইটিস থাকায় এবং ডান হাত কাঁধের উপরে তুলতে না পারায় খুন করা তাঁর পক্ষে প্রায় অসম্ভব ছিল।

অচিন্ত্যবাবু: পার্বতীবাবুর ছোট ছেলে, যিনি থিয়েটার করেন এবং আর্থিক সংকটে ছিলেন।

হৃষীকেশ দত্ত: পার্বতীবাবুর বর্তমান সেক্রেটারি। তার দেওয়া আলিবাই—পোস্ট অফিসে টেলিগ্রাম করে ফেরার পথে ঘড়ির ব্যান্ড কেনার জন্য দোকানে সময় কাটানো—সঠিক���াবে যাচাই করা যায়নি।

রহস্যের নতুন মোড়

তদন্ত চলাকালীন বেশ কিছু নতুন ঘটনা ঘটে:

পেস্টনজীকে একজন ফোনে চুরি যাওয়া চিঠিটি কুড়ি হাজার টাকায় কেনার প্রস্তাব দেয় কিন্তু পরে আর যোগাযোগ করে না।

পরপর দুই রাত অনিরুদ্ধর ঘরে চোর ঢোকার চেষ্টা করে।

ফেলুদা কাগজে চন্দনা পাখিটির বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিলে এক কিশোর জানায় যে পাখিটি তার দাদুর ছিল এবং সেটিকে "সাধু সাবধান" বলতে শেখানো হয়েছিল।

হৃষীকেশ দত্ত আতঙ্কিত অবস্থায় ফেলুদার কাছে এসে দাবি করেন যে সাধন দস্তিদার রাতে তাঁর ঘরে এসে তাঁকে ছুরি দেখিয়ে বাহাদুর শাহের পান্নার কৌটা চুরি করতে বলে এবং একটি ভাঙা নীলকুঠিতে দেখা করতে বলে।

নীলকুঠির ফাঁদ ও চূড়ান্ত রহস্যভেদ

হৃষীকেশবাবুর কথা মতো ফেলুদা, তোপসে এবং লালমোহনবাবু নীলকুঠিতে যান কিন্তু সেখানে তাঁরা গুন্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত হন। এই ঘটনাটি ফেলুদার কাছে স্পষ্ট করে দেয় যে এটি তাকে পথভ্রষ্ট করার একটি চক্রান্ত ছিল।

পরের দিন সকালে ফেলুদা হালদার বাড়িতে সকলের উপস্থিতিতে রহস্যের সমাধান করে:
ফেলুদা জানায় যে খুনের দিন সাধন দস্তিদার নামে কেউ বাড়িতে আসেনি। আসল অপরাধী হলো বর্তমান সেক্রেটারি হৃষীকেশ দত্ত, যিনি নিজেই সাত বছর আগের সাধন দস্তিদার। প্রতিশোধ এবং চুরির উদ্দেশ্যে সে ছদ্মবেশে ফিরে এসেছিল।

অনিরুদ্ধের পাখিটি তাকে "সাধু" নামে চিনতে পেরে "সাধু সাবধান" বলে চিৎকার করায় সে ঘাবড়ে গিয়ে পাখিটিকে খাঁচা থেকে বের করে দেয়। সেই সময় পাখিটি তাকে আঁচড়ে দেয়, যার রক্তের দাগ খাঁচায় লেগেছিল এবং জখমের চিহ্নটি সে ঘড়ির ব্যান্ডের নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।

হৃষীকেশ একাই এই কাজ করেনি; তার সঙ্গী ছিল পার্বতীবাবুর ছোট ছেলে অচিন্ত্যবাবু। কিন্তু অচিন্ত্য তার সঙ্গীকে বিশ্বাস না করে চিঠিটি নিজের কাছে নিয়ে ভাইপো অনিরুদ্ধের খেলনা মেশিনগানের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছিল। অনিরুদ্ধের ঘরে চোর আসলে অচিন্ত্য নিজেই ছিল, যে চিঠিটি উদ্ধারের চেষ্টা করছিল।

অবশেষে, ফেলুদা খেলনা বন্দুকের ভেতর থেকে নেপোলিয়নের চিঠিটি উদ্ধার করে। হৃষীকেশ (সাধন দস্তিদার) এবং অচিন্ত্যবাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এভাবেই খুনের রহস্য এবং একটি ছোট ছেলের পাখি চুরির রহস্যের সমাধান হয়।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
288 reviews23 followers
October 20, 2025
ফেলুদারা এসেছে পার্ক স্ট্রীট আর রাসেল স্ট্রীটের মোড়ে খেলনা আর লাল মাছের দোকান হবি সেন্টারে। সিধু জ্যাঠার সত্তর বছরের জন্মদিনে তাঁকে একটা ভালো দাবার সেট উপহার দিতে চায় ফেলুদা।

তখনি আলাপ হলো ফেলুদার খুদে ভক্ত অনিরুদ্ধর সাথে। এবং তখনই সে আবদার করলো তার হারানো পাখিকে খুঁজে দিতে। অনির বাবা বললেন, ‘পাখি পোষার শখ হয়েছিল, তাই ওকে একটা চন্দনা কিনে দিয়েছিলাম। যেদিন আসে সেদিনই কে খাঁচা থেকে পাখিটা বার করে নিয়ে যায়।’ ‘খালি একটা পালক পড়ে আছে’, বলল ফেলুদার খুদে ভক্ত।

‘তাই বুঝি?’

‘রাত্তিরে ছিল পাখিটা, সকালবেলা নেই। রহস্য।’

‘তাই ত মনে হচ্ছে। তা অনিরুদ্ধ হালদার এই রহস্যের ব্যাপারে কিছু করতে পারেন না?’


‘আমি বুঝি গোয়েন্দা? আমি ত ক্লাস টু-তে পড়ি।’

ছেলের বাবা আর বেশিদূর কথা এগোতে দিলেন না।

‘চল অনু। আমাদের আবার নিউ মার্কেট যেতে হবে। তুমি বরং ফেলুদাকে একদিন আমাদের বাড়িতে আসতে বল।’

ছেলে বাবার অনুরোধ চালান করে দিল। এবার ভদ্রলোক একটা কার্ড বের করে ফেলুদার হাতে দিয়ে বললেন, ‘আমার নাম অমিতাভ হালদার।’ ফেলুদা কার্ডটায় একবার চোখ বুলিয়ে বলল, ‘বারাসতে থাকেন দেখছি।’

অমিতাভ হালদারের বাবার বিভিন্ন অ্যান্টিক জিনিসপত্র সংগ্ৰহের শখ এবং নেশা বলা যায়। পার্বতীচরণ হালদার ব্যারিস্টারি ছেড়ে এখন ওসবই করেন। সারা পৃথিবী ঘুরেছেন ওই সবের পিছনে। অমিতাভ হালদার বললেন, ফেলুদার ত অনেক ব্যাপারে আগ্ৰহ আছে, ওনার মনে হয় ফেলুদা দেখলে আনন্দ পাবেন। আদ্যিকালের গ্রামোফোন, মুঘল আমলের দাবা বড়ে, ওয়ারেন হেস্টিংসের নস্যির কৌটো, নেপোলিয়নের চিঠি…। এমন অনেক জিনিস তিনি সংগ্ৰহ করেছেন। তাছাড়া অমিতাভ হালদার বললেন ওনাদের বাড়িটাও খুব ইন্টারেস্টিং। দেড়শো বছরের পুরনো। ফেলুদা যদি ফ্রী থাকে তাহলে ঘুরে যেতে পারে।

কিন্তু সেখানে গিয়ে ফেলুদাকে মুখোমুখি হতে হলো পার্বতীচরণ হালদারের খু*নের ঘটনার। কিন্তু কে খুন করতে পারে তাকে? আবার ওনার সংগ্ৰহের নেপোলিয়নের চিঠিটাও গায়েব! এই চিঠি লেখা হয়েছিল ১৮১৪ খৃষ্টাব্দে। সেন্ট হেলেনায় যে ছ’ বছর বেঁচেছিলেন নেপোলিয়ন সেই সময়টা তাঁকে চিঠি লিখতে দেওয়া হয়নি। তার মানে এই চিঠিটা তাঁর শেষ চিঠিগুলির মধ্যে একটা। কাকে লেখা সেটা জানা যায়নি—শুধু ‘মঁশেরামী’—অর্থাৎ “আমার প্রিয় বন্ধু।” চিঠির ভাব ও ভাষা অপূর্ব। সব হারিয়েছেন তিনি, কিন্তু এই অবস্থাতেও তিনি এক বিন্দু আদর্শচ্যুত হননি। এ চিঠি লাখে এক। জুরিখ শহরে এক সর্বস্বান্ত মাতালের কাছ থেকে জলের দরে এ চিঠি কিনেছিলেন পার্বতীচরণ হালদার। চিঠির সাথে সাথে খু*ন আবার পাখি চু*রির ঘটনা। তিনটি ঘটনা কী একসূত্রে গাঁথা?

🥒পাঠ প্রতিক্রিয়া 🥒

এই বইয়ে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং লেগেছে পাখির অংশটুকু। এবং এই চন্দনা পাখি খোঁজার জন্য কিংবা ফেলুদা কৌতুহল বশত ওই বাড়িতে না গেলে বোধহয় সবগুলো রহস্যের সমাধান হতো না। এবং এই বইয়ের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে অনিরুদ্ধ।

ছোট বই হলেও ভালো লেগেছে আমার। খুব বেশি জমজমাট গল্পের প্লট নয়। কিন্তু তবুও যে যুক্তি শেষে উপস্থাপন করা হয়েছে তা কিন্তু ভালো লাগবে। এবং বেশ যুক্তিসঙ্গত কারণ। শেষটায় বেশ ভালো চমক দিয়ে ইতি টেনেছেন লেখক। অমিতাভ হালদারের বাড়িতে ভ্রমণ, সাথে ছিল তিনজনের এই কেমিস্ট্রি যেটা সবসময় আমার বেশ ভালো লাগে। এই গল্পে জটায়ু কিন্তু বেশ চমকপ্রদ একটা জিনিস আবিষ্কার করেছিলেন। ওই যে সেই পাখির খোঁজে অন্বেষণ, ভালো লেগেছে। জটায়ু থাকলে যেন গল্পে প্রাণ ফিরে আসে। এবং সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা সিরিজের যে গল্পগুলো জটায়ু ছাড়া আমার মনে হয় জটায়ুর হাস্যরস থেকে সেই গল্পগুলো বঞ্চিত।

ছোট আকারের বইটি পড়ে ভালো লেগেছে। তবে আর কী ছোট সাইজের তো যেন হুট করেই ফুরিয়ে গেল। কিছু কিছু গল্প আসলে ছোট ছোট হলে ভালো লাগে না। আরো জানার ইচ্ছা রয়ে যায়। ফেলুদা সিরিজ ও ঠিক তেমনি। ছোট গল্পে মন ভরে না ঠিকঠাক।

🥒 বইয়ের নাম: "নেপোলিয়নের চিঠি"
🥒লেখক: সত্যজিৎ রায়
🥒 প্রকাশনা: আনন্দ পাবলিশার্স
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
November 11, 2020
অমিতাভ বাবুর ছেলের একটি চন্দনা খাচা থেকে পালিয়ে গিয়েছে। ছেলের বয়স ৬ বছর। সে ফেলুদাকে বললো তার পাখি খুঁজে দিতে। সেই অনুরোধেই অমিতাভবাবুর বাড়িতে আসে ফেলুদা। অমিতাভবাবুর বাবা পার্বতীবাবুর সাথে দেখা করতে গিয়ে দেখা যায় যে পার্বতীবাবু মরে আছেন। অথছ কিছুক্ষণ আগেই তার ঘর থেকে ব্যাপারী সাধনবাবু বের হলেন। তন্ন তন্ন করে খুজেও সাধনবাবুকে বের করা গেলো না। দারোয়ান বলছে সে সাধনবাবুকে বের হতে দেখেনি। পার্বতীবাবুর ঘরে একটি মূল্যবান চিঠি ছিলো। "নেপোলিয়নের চিঠি"। খুন করে সেই চিঠি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে খুনী। স্বাভাবিক ভাবেই সাধনবাবুকে সন্দেহ করা হয়। কিন্তু সাধনবাবুকে কোনোমতেই পাওয়া যাচ্ছে না। পার্বতীবাবুর সেক্রেটারি হৃষিকেশবা���ু বলছিলেন যে তিনি ঐ সময় বাসায় ছিলেন না। তিনি দোকানে গিয়েছিলেন। অচিন্ত্যবাবু (অমিতাভবাবুর ছোট ভাই) ছিলেন ভাইপোর ঘরে। পরে তদন্ত করে জানা যায়। হৃষিকেশবাবু পুরোনো সূত্রতার রেশ ধরে খুন করে চিঠিটা চুরি করে অচিন্ত্যবাবুকে দেয়। আর অচিন্ত্যবাবু সেই চিঠি লুকাতে ভাইপোর ঘরে গিয়েছিলো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Anand Chauhan.
156 reviews4 followers
January 17, 2021
Read the English translation 'Napoleon's Letter'.

Good and engaging read but a little predictable.

Feluda is famous in his City, and also among kids. One fine day when Feluda and company were roaming the bazaaar, a kid stumbled upon Feluda and told him that his bird has been stolen. The kid's father invites Feluda to his place. Theft of a bird, Feluda felt it a little strange and decided to visit the kids out. A simple visit involves a murder, kids stolen bird, history of the bird and a cunning culprit.
Profile Image for Jesan.
141 reviews5 followers
June 28, 2024
ফেলুদা থাকা অবস্থাতেই খুন করা হল পার্বতী হালদারকে। ঘর থেকে খোয়া গেলো নেপোলিয়নের নিজ হাতে লেখা চিঠি। সাসপেক্ট ঘর থেকে না বেরিয়েই বাতাসের মধ্যে হয়ে গেল উধাও। সেই সাথে আগে ছিল চন্দনা পাখির নিখোজ রহস্য। কে করেছে খুন আর নিয়ে গেছে নেপোলিয়নের চিঠি সেটা শেষে পাওয়া যায়।আর মূল কথা হলো " সাধু সাবধান"।
Profile Image for Masfiq Reza.
129 reviews3 followers
June 14, 2020
এই বইটার থেকে একটা কমিক বানানো হয়েছিল। কমিকের চমৎকার চিত্রকরের জন্য কমিকটা অন্য রকম ভালো লেগেছিল।
Profile Image for Subrata Pal.
112 reviews6 followers
August 24, 2022
একই বাড়িতে একটি সদ্য কেনা পাখির হারিয়ে যাওয়া ও একটি অস্বাভাবিক খুনের জোড়া রহস্যের প্যাঁচে ফেলুদা।
72 reviews2 followers
Read
May 2, 2025
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বাস থেকে নিয়ে পড়া। ক্লাস ৫ এ পড়ি‌ তখন।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
350 reviews45 followers
September 29, 2025
আহামরি লাগল না, খুব মিড! মানে ফেলুদা’র অনন্য গল্প গুলার তুলনায় এটা একটু পিছিয়ে।
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
204 reviews10 followers
November 22, 2025
বেশ ভালো!
গল্পটায় একটু করে এগোচ্ছিলাম আর মনে হচ্ছিলো— এই বুঝি ধরে ফেললাম, কিন্তু তারপরই আবার গুলিয়ে ফেলি। শেষটা ভালো লেগেছে।
Displaying 1 - 24 of 24 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.