দলটা অদ্ভুত। রানি হয়েও চাষির স্ত্রীর বেশ ধারণ-করা রিমা। চাষির মেয়ের মতো করে সাজানো রাজকুমারী নেফ্রা। সম্ভ্রান্ত ধাইমা থেকে আটপৌরে রমণী সাজা কেম্মাহ্। দেহরক্ষী থেকে কুলিতে পরিণত হওয়া দৈত্যাকৃতির রু। এবং ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়া রহস্যময় টাউ। পালাচ্ছেন তাঁরা। কারণ ভীষণ এক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন ফারাও খের্পেরা, বিজয়ী পক্ষ হত্যা করতে চাইছে রানি ও রাজকুমারীকে। দলটা কি পারবে মেমফিসের পবিত্র ভূমিতে হাজির হতে, যেখানে থাকেন গোপন এক ভ্রাতৃসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা সাধু রয়? তিনি কি নেফ্রাকে আগলে রাখতে পারবেন আসলেই? দেবী আইসিস ও হাথোরকে নিয়ে যে-স্বপ্ন দেখেছেন রিমা, তা কি সত্যি হবে শেষপর্যন্ত? ...প্রাচীন মিশর ও ব্যাবিলনের পটভূমিতে ক্ষমতার-দ্বন্দ্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম এবং অবশ্যম্ভাবী নিয়তির একটি অবিস্মরণীয় উপাখ্যান।
Sir Henry Rider Haggard, KBE was an English writer of adventure novels set in exotic locations, predominantly Africa, and the creator of the Lost World literary genre. His stories, situated at the lighter end of the scale of Victorian literature, continue to be popular and influential. He was also involved in agricultural reform and improvement in the British Empire.
His breakout novel was King Solomon's Mines (1885), which was to be the first in a series telling of the multitudinous adventures of its protagonist, Allan Quatermain.
Haggard was made a Knight Bachelor in 1912 and a Knight Commander of the Order of the British Empire in 1919. He stood unsuccessfully for Parliament as a Conservative candidate for the Eastern division of Norfolk in 1895. The locality of Rider, British Columbia, was named in his memory.
হ্যাগার্ডের সব বই-ই থোড়-বড়ি-খাড়া আর খাড়া-বড়ি-থোড়; টানা পড়তে তাই বিরক্ত লাগে। তা-ও এইটা পড়তে ভালোই লাগছে। ২-৪ পাতা উল্টানোর জন্য হাতে নিছিলাম, কয়েক টানে শেষ হয়ে গেল। প্রাচীন মিশর আর ব্যাবিলনের পটভূমিতে বেশ বিশ্বাসযোগ্য কাহিনি। বীরত্ব, মাহাত্ম্য, শক্তি-- ইত্যাদি ইত্যাদির বাড়াবাড়ি রকমের বর্ণনা এই বইয়ে হ্যাগার্ডের অন্যান্য বইয়ের তুলনায় কম। চরিত্রগুলা অনেক বেশি মানবিক তার অন্যান্য বইয়ের তুলনায়। ভালো লাগার এইটাও একটা বড় কারণ। আর অনুবাদের সায়েম সোলায়মান বরাবরের মতোই প্রাণবন্ত। সব মিলিয়ে সময় উশুল এক বই। মাথার ওপর চাপ-টাপ বেশি থাকলে প্রেশার রিলিজ হিসেবে এই বই হাতে নেয়া যায় নিশ্চিন্তে।
৩.৫★, একাধিক জনরার মিশেলে হ্যাগার্ড এর অন্যান্য লেখার মতই এই বইটি তার উপর প্লট প্রাচীন মিশরকে কেন্দ্র করে। বইটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমার মত মানুষ যাদের করার মত কিছুই নেই তাদের জন্য বই একমাত্র অবলম্বন। 😴😴 গ্যাপ দিয়ে হ্যাগার্ড এর বইগুলো মাঝেমধ্যে পড়তে ভালো লাগে।
মিশরের রাণী রিমার স্বপ্নে দেখা এক বিবরণের মাধ্যমে কাহিনী শুরু। শত্রু আপোপির হাতে রাজা হয়েছেন খুন, রাজকুমারী নেফরাকে নিয়ে রিমার ও প্রাণ সংশয়। অতি বিশ্বস্ত কেম্মাহ যিনি নেফরার ধাইমা এবং দেহরক্ষী রু এর হাত ধরে ব্রাদার অভ দ্য ডন নামে একটি মিশরীয় গোপন সংগঠন এর আশ্রয়ে নেফরার নতুন জীবন শুরু। নেফরা ধীরে ধীরে বড় হয়, নিজেকে প্রস্তুত করে দুই মিশরের জোড়দাত্রী রাণী হিসেবে। কিন্তু চিরশত্রু আপোপি বিয়ে করতে চায় নেফরাকে, দূত হিসেবে পাঠায় নিজের ছেলে যুবরাজ খিয়ানকে। এদিকে খিয়ান এবং নেফরা প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে একে অন্যের। শুরু হয় প্রেম এবং সিংহাসনের জন্য এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। হ্যাগার্ডের ইতিহাস আশ্রয়ী আরো একটি উপন্যাস যা সায়েম সোলায়মানের ঝরঝরে অনুবাদে হয়ে উঠেছে সুখপাঠ্য। ঘটনার গতি একরৈখিক হলেও মাঝে মাঝেই রয়েছে জমজমাট কিছু টুইস্ট। রয়েছে প্রেমের জন্য নিজেকে বদলে আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠার এক অভূতপূর্ব কাহিনী। সব মিলিয়ে একটি সুন্দর পাঠ বললে অত্যুক্তি হয় না।
মিসরের প্রেক্ষাপটে লেখা প্রতিটি পড়া বই মিসরের ইতিহাসের প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে। বইটিতে ফারাও খেপেররার সঙ্গে আটিদের রাজার আপেপির যুদ্ধের বর্ণনা আছে এবং সেই যুদ্ধে খেপেররা পরাজিত হন।
এখানে আটি বলতে সম্ভবত লেখক হিট্টি জাতির কথা বলেছেন। বইটি লেখার স্বার্থের হিট্টিদের কিংবা হিট্টিদের রাজাকে খল হিসাবে উপস্থাপন করা হলেও ঐতিহাসিক ভাবে পৃথিবী হিট্টিদের কাছে ঋণী।
যীশু খ্রীষ্টের জন্মের ২০০০ বছর আগে হিট্টিরা একটি শক্তিশালী সভ্যতা গড়ে তোলে। ওদের এই সভ্যতা গড়ে ওঠে তুরস্কের এশিয় অংশে। সেই সভ্যতার নাম ছিল আনতোলিয়া। হিট্টিরাই প্রথম ন্যায়বিচারের বা শিথিল বিচারের প্রচলন করে। যেমন কেউ চুরি করলে মৃত্যুদন্ড কিংবা শারীরিক নির্যাতন করা হত না। চুরির পণ্য ফেরত এবং অর্থদন্ড দিলেই নিষ্কৃতি পেতে যেত অপরাধী।
যুদ্ধবিদ্যাতেও হিট্টিরা ছিল পারদর্শী। সম্ভবত ওরাই প্রথম লোহার ব্যবহার শুরু করে। ওদের যুদ্ধের জন্য নির্মিত রথ ছিল খুব শক্তিশালী। ওদের যুদ্ধে ব্যবহৃত ঘোড়া ছিল মিশরের যুদ্ধরীতি নতুন সংযোজন যা যুদ্ধের চেহারা আমুল বদলে দেয়। মিশরের শাসনের হিট্টিরা বার বার ভাগ বসালেও এবং মিশরের ফারাওরা কখনোই ওদের পুরোপুরি বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেনি।
এই বইতে হিট্টিদের রাজা আপেপির করা বলা হয়েছে। সম্ভবত নামটি মিশরের একজন দেবতাদের থেকে নেয়া হয়েছে। সাপের মতো দেখতে এ দেবতা আপেপ, আপেপি, অ্যাপোফিস ইত্যাদি নামে পরিচিত। তাকে অন্ধকার জগত ও বিশৃঙ্খলার সাথে সম্পৃক্ত বলে মনে করতো মিশরীয়রা।
বইটি মূল কাহিনী হলো প্রতিশোধের। রাজা আপেপি ফারাও খেপেররাকে হত্যা করার রানী রিমা ও তাদের শিশুকন্যা নেফরাকে হস্তগত করতে চান। কিন্তু গোপন ব্রাদারহুড ডনের প্রধান রয়ের সাহায্য তাঁরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে রাজকন্যা নেফরা তাঁর মাতামত ব্যবিলনের সম্রাট ডিটানাহের সাহায্য নিয়ে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে মিশর পুনরুদ্ধার করতে আসেন।
মূল বইটার কাহিনী নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে চাই না। তবে যাদের ইতিহাস এবং রহস্য দুটি বিষয়ের উপর আগ্রহ আছে নিঃসন্দেহে তাদের বইটি ভাল লাগবে।
হ্যাগার্দের বই এর কাহিনী যেমন হয়। ভালো লেগেছে পড়ে। তবে কিছু কিছু জায়গায় অনুবাদ সেবার থেকে যেমনটা আশা করি তারচেয়ে দুর্বল হয়েছে। তারপরেও গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে অনুবাদ করে ছাপিয়ে ফেলা যে কোন বই এর থেকে ভালো।
প্রায় অচেতন, কমবয়সী এক তরুণীকে কাঁধে নিয়ে ছুটে চলছে দৈত্যাকৃতির এক লোক৷ নাম রু। মাথায় আবার ছোটখাটো একটা গাঁটরি। অতি সন্তপর্ণে পালাচ্ছে সে। রু'এর সঙ্গী আরেক রমণী, কোলে ছোট একটা বাচ্চা। তরুণী কাঁধে রু'য়ের ছুটতে যেন অসুবিধা না হয় সে জন্য সাহায্য করছে তাকে।
পালিয়ে একটা সমাধির কাছে এলো তারা। তালগাছের আড়াল থেকে বের হয়ে এলো রহস্যময় এক আগন্তুক। আন্তরিক কিন্তু সতর্কভাবে বরণ করে নিলো ছোট্ট দলটিকে। জোর বাতাস বইছে... নৌকাও প্রস্তুত। এখন কেবল ভেসে পড়বার অপেক্ষা...
ছোট্ট নৌকায় উঠে গেলো ওরা। গন্তব্য কিছুটা দূরে নোঙর করে রাখা সেই রহস্যময় আগন্তুক 'টাউ'-এর জাহাজ। এদিকে জেটির কাছে লণ্ঠনের আনাগোনা.. ��িছু মানুষ খুঁজছে ওদের.. জোর বাতাসের টানে নীল নদের বুক চিরে এগিয়ে যেতে লাগল জাহাজ। সেই সাথে অজানার উদ্দেশ্যে রওনা দিল মিশরের ফারাওয়ের স্ত্রী রানী রিমা আর তার শিশুকন্যা রাজকুমারী নেফরা। তাদের দেখভালের জন্য নিয়োজিত ধাই মা লেডি কেম্মাহ আর দেহরক্ষী রু।
আসলে রাজরাজাদের জীবন খুব অদ্ভুত৷ কখন যে কী হয়ে যায় তার নাই কোন ঠিক। নয়তো যখন নাকি সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে নিয়ে মিশরের ফারাও খেপরার আহ্লাদী করার কথা, সে সময়টায় কি না নিজের দেশকে রক্ষা করার জন্য যুদ্ধ করতে করতে প্রাণ হারান তিনি। আর রাণী রিমার কথাই ধরেন... ছিলেন ব্যাবিলনের রাজকন্যা, তারপর হলেন মিশরের রানী। কোল আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যা সন্তান... আঁতুর ঘরে ঘটে অদ্ভুত ঘটনা, সেখানে এসে হাজির হন স্বয়ং দেবী হ্যাথোর আর দেবী আইসিস। তারপর থেকে দুর্ভোগ পিছু লেগেই আছে। স্বামীকে হারাবার কিছু দিন পর বুঝতে পারলেন আপন বলতে কেউ নেই তার। চারপাশের অভিজাতদের কেউ-ই দেশ ও জনগণের ভালো চায় না বরং চায় নিজেদের আখের গুছিয়ে নিতে। নিজের জন্য নয়, রাজকন্যার ভবিষ্যতের কথা ভেবে রাতের আঁধারে পালান শিশুকন্যাকে নিয়ে এক অনিশ্চিত জীবনের পথে। অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই অসহায় এই দুটি নারীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিল অদ্ভুত কিন্তু খুব মরুভূমিতে খুব গোপনে লুকিয়ে থাকা এক ভ্রাতৃসংঘ। শুরু হলো এক নতুন জীবন...
বইয়ের পেছনের ফ্ল্যাপের ভাষায় প্রাচীন মিশর ও ব্যাবিলনের পটভূমিতে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম এবং অবশ্যম্ভাবী নিয়তির এক অবিস্মরণীয় উপাখ্যান।
বই-কুইন অভ দ্য ডন লেখক-হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড রূপান্তর-সায়েম সোলায়মান প্রকাশনী-সেবা
#স্পয়লার
বিদ্র. স্পয়লার হতে পারে কিন্তু দুই এক্টা কথা বলার জন্য পেট রীতিমতো ভুটভুট করছে। নেফরা চরিত্রটা এত্তো জোস ক্যান!!! নেফ্রার উপ্রে ভয়ংকর রকমে ক্রাশ খাইসি। এত্তো জোস হবে ক্যান এক্টা মানুষ! ক্যান? ক্যান? ক্যান? আর হালার হালা রাজপুত্র খিয়ান -_- ব্যাটারে মাঝেমধ্যে চড়াইতে মন চাইসে। মন চাইসে ব্যাটার কলার ধরে আচ্ছাসে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে জিগাই, ক্যান রে ভাই! কথা দিলেই রাখতে হবে এমন কোন কথা আছে। নইলে তো এতো প্যাঁচ লাগে না। এতো কাহিনিও হয় না৷ আর আমারও বইয়ের শেষ দিকে এসে 'অনেক রাত হয়ে গেছে, ঘুমা!'-এই মর্মে ধমক খেয়ে চুরি করে আরও এক দেড় পৃষ্ঠা পড়ার পর ব্যর্থ হয়ে বুভুক্ষের মতো বইয়ের দিকে তাকায় থাকতে থাকতে ঘুমাতে বাধ্য হওয়া লাগে না -_- মোটকথা বেশি জোস বেশি সেরা একটা বই। আমার অন্নেক ভাল্লাগসেএএএএএ❤❤❤
По мнению Райдера Хаггарда, секретные общества, управляющие миром, существовали с древнейших времён. Одно из таких показано в произведении «Владычица Зари». Его члены чурались власти, при этом оставаясь теми, от чьего решения зависели жизни правителей. Для кого оное послужило прообразом, читателю понятно, упоминать для этого пирамиды не требуется. Но сиё есть плод сказочного восприятия реальности, поскольку противоречит человеческому пониманию о власти под предлогом отказа от управления людьми. Невозможно существование того, что противоречит смыслу своего существования. Однако, в Древнем Египте, согласно произведению Хаггарда, располагалась часть общества Зари, взявшее на себя обязательство по объединению Египта, разделённого на два государства после завоевания одной из его частей гиксосами.
It's an old story - you can tell - with characters that feel right to H. Rider Haggard's world of simple decisiveness, easy tradition-and-birthright, but surprisingly not so much to other works I've read of his towards instant violence in the face of "others."
Every character functions on another plane entirely above that of the peon class of generic non-statement and "with faith comes the most extreme serendipity" could be the lead of the plot-ex-machina. Actually, though, I kind of enjoyed reading this before bed a little each night - I have an old book and it gives off the old book scent and puts you in mind to settle your expectations somewhere in the past a bit.
টিপিক্যাল হ্যাগার্ড এর বই যেমন হয় তেমনি, নাথিং স্পেশাল। আমি হ্যাগার্ড এর আফ্রিকা বেসড কাহিনিগুলো বেশি পছন্দ করি। মিশরের কাহিনিগুলোর মধে শুধুমাত্র ক্লিওপেট্রা অনেক ভালো লেগেছিল। এছাড়া আর কোনটাই তেমন মন কাড়তে পারেনি। এটাও তেমনি, এভারেজ। অবশ্য ভালো ধরনের ব্লকে আছি, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
হ্যাগার্ডের সব বই ই তো ভালো, এইটাকে আলাদা করে ভালো কিভাবে বলি? মিশরীয় প্রেক্ষাপটে যেভাবে একের পর এক টুইস্টের সাহায্যে গল্প সাজানো হয়েছে মনে হয় না কোণ পাঠককে শেষ করার আগে উঠতে দিবে এই বই! স্যার হেনরী রাইডার হ্যাগার্ডের বইয়ের জাদুর রাজ্যে স্বাগতম
С одной стороны, вроде бы, и неплохая книга: и сюжет довольно интересный, и читать легко. Но с другой - для Хаггарда это слабоватое произведение; писать он умеет намного лучше.
হ্যাগার্ডের বইয়ের কাহিনীর জড়তা তার অসাধারণ বর্নণাশৈলীতে উতরে যায়! কিন্তু সায়েম সোলায়মানের রূপান্তরে জড়তাটাই ধরা পড়ল শুধু, শৈলীটা আড়ালেই থেকে গিয়ে এক ঘেয়েমিটা প্রকাশ্য করেছে! যে আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম, সে আশা পূরণ হয়নি! বইটা যতটা না বেশি রূপান্তর তার থেকে অনুবাদই মনে হয়েছে বেশি!
A Love Story that does not quite qualify as an epic. It is a linear story that is also very predictable. On the other hand the writing style of HRH is great only That makes it worth a while. The story is about an Egyptian Princess who has lost her kingdom falling in love with the son of the man who dethroned her father.