রহস্যময় 'সাদা বাড়ি'-র তলকুঠুরিতে আজব এক ক্যামেরা পেল সাদি। অমঙ্গলের প্রতীক ওটা। তা না হলে যার ছবি তোলা হচ্ছে, তারই অমঙ্গল হচ্ছে কেন? ছবিও উঠছে উল্টাপাল্টা।
সারা শরীরে কালো চাদর জড়ানো ওটা কি মানুষ? নাকি অন্যকিছু? পরিত্যক্ত সাদা বাড়িতেই কি রাত কাটায় ওটা? পায়ে পায়ে অনুসরণ করছে কেন ওটা সাদিকে? তাহলে ওটাই কি অভিশপ্ত ক্যামেরার মালিক?
কিশোর হরর সিরিজ এর ট্যাগ লাইন ছিল: পাঠক, সাবধান! ভয়ের জগতে প্রবেশ করছ তুমি! কিশোর হরর বা হরর ক্লাবের একক লেখক ছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি ২টি করে ইসলামিক সিরিজের বই, ছড়া বই ও ওয়েস্টার্ন বই উপহার দিয়েছিলেন আমাদের।
গরমের ছুটিতে মফস্বলের বাসায় ফেরত এসেছে ৪ বন্ধু। এসেই এডভেঞ্চারের খোজে নেমে পড়ে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় ভুতুড়ে বাড়িতে হানাদেয় তারা। ৪ বন্ধুর মাঝে সাদি খোজ পায় এক রহস্যময় ক্যামেরার। ক্যামেরা দিয়ে যাইই ছবি তোলা হয় তারই বিপদ হয়। তাদের বিশ্বাস ক্যামেরাটা ভুতুড়ে। ক্যামেরা ফেরত পাওয়ার জন্য ওদিকে আবার পিছু নিয়েছে ওই পোড়া বাড়িতে থাকা এক ভবঘুরে। কি করবে তারা?
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ আমার মতন আইবুড়ের জন্য হরর হিসেবে এটা প্রায় 'মেহ' পর্যায়ের। বাট কিশোর বয়সে পড়লে হয়ত একটু বেশিই ভাল লাগত। খারাপ না গল্প হিসেবে।
যখন পড়েছিলাম , ভয়ে একদম গুটিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল । কোন কিছুর ছবি তুললে আসল ছবি না উঠে একটা দুর্ঘটনার ছবি ওঠে আর পরে দেখা যায় যে , আসলেই সে দুর্ঘটনা ঘটে যায় । খুব ভয়াবহ ব্যাপার !