What do you think?


ভূমিকাঃ
বছর দুই আগে ‘উত্তরাধিকার’পত্রিকায় ‘খাদক’ নামে একটা গল্প লিখেছিলাম।নিজের রচনায় সবচে’ বেশি মুগ্ধ হই আমি নিজে। ছাপা অক্ষরের গল্পটা পড়ার পর মনে মনে বললাম-বাহ্ চমৎকার তো, এ-ধরনের গল্প আরো কিছু লেখা যেতে পারে । কিন্তু লিখতে পারলাম না। চরিত্র সম্পর্কে ভাসা-ভাসা জ্ঞান নিয়ে কিছু লেখা কঠিন। দু’বছরে গল্প লেখা হলো মাত্র সাতটি। এই সাতটি গল্প নিয়েই ‘অয়োময়’।
গল্প গ্রন্থের নাম নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি হতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশের টিভি এই নামেই একটি সিরিয়েল প্রচার করেছে, যার রচয়িতাও আমি। তবে, টিভি সিরিয়েলের সঙ্গে গল্প গন্থের গল্প গুলোর কোন মিল নেই। অবশ্যি ,দুটি ক্ষেত্রেই চরিত্রগুলো এসেছে ভাটি অঞ্চল থেকে -মিল বলতে এইটুকুই।
পাঠক-পাঠিকারা প্রশ্ন তুলতে পারেন,-‘অয়োময়’ নামটি দুই জায়গায় ব্যবহার করা হলো কেন?উত্তর একটিই, কিছু কিছু নাম আমার পছন্দ হয়ে যায়। সেই নাম গুলোই বারবার ঘুরেফিরে ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে। বেশির ভাগ পাঠক-পাঠিকাই আমার এই বদভ্যাসের কথা জানেন।তাঁরা অতীতে আমাকে ক্ষমা করেছেন,নিশ্চয়ই এবারও করবেন।
হুমায়ূন আহমেদ
শহীদুল্লাহ হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সূচিপত্র
*অয়োময়
*খাদক
*অচিন বৃক্ষ
*পিঁপড়া
*অপেক্ষা
*কৃষ্ণপক্ষ
*অংক শ্লোক
বছর দুই আগে ‘উত্তরাধিকার’পত্রিকায় ‘খাদক’ নামে একটা গল্প লিখেছিলাম।নিজের রচনায় সবচে’ বেশি মুগ্ধ হই আমি নিজে। ছাপা অক্ষরের গল্পটা পড়ার পর মনে মনে বললাম-বাহ্ চমৎকার তো, এ-ধরনের গল্প আরো কিছু লেখা যেতে পারে । কিন্তু লিখতে পারলাম না। চরিত্র সম্পর্কে ভাসা-ভাসা জ্ঞান নিয়ে কিছু লেখা কঠিন। দু’বছরে গল্প লেখা হলো মাত্র সাতটি। এই সাতটি গল্প নিয়েই ‘অয়োময়’।
গল্প গ্রন্থের নাম নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি হতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশের টিভি এই নামেই একটি সিরিয়েল প্রচার করেছে, যার রচয়িতাও আমি। তবে, টিভি সিরিয়েলের সঙ্গে গল্প গন্থের গল্প গুলোর কোন মিল নেই। অবশ্যি ,দুটি ক্ষেত্রেই চরিত্রগুলো এসেছে ভাটি অঞ্চল থেকে -মিল বলতে এইটুকুই।
পাঠক-পাঠিকারা প্রশ্ন তুলতে পারেন,-‘অয়োময়’ নামটি দুই জায়গায় ব্যবহার করা হলো কেন?উত্তর একটিই, কিছু কিছু নাম আমার পছন্দ হয়ে যায়। সেই নাম গুলোই বারবার ঘুরেফিরে ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে। বেশির ভাগ পাঠক-পাঠিকাই আমার এই বদভ্যাসের কথা জানেন।তাঁরা অতীতে আমাকে ক্ষমা করেছেন,নিশ্চয়ই এবারও করবেন।
হুমায়ূন আহমেদ
শহীদুল্লাহ হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সূচিপত্র
*অয়োময়
*খাদক
*অচিন বৃক্ষ
*পিঁপড়া
*অপেক্ষা
*কৃষ্ণপক্ষ
*অংক শ্লোক
64 pages, Hardcover
Published August 1, 1990
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,099 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 32 reviews
April 24, 2021
আই থিংক, হুমায়ূনের মায়া-অস্ত্র তাঁর নোভেলাগুলো থেকে বেশি তাঁর ছোটগল্পগুলোতেই ভালো কাজ করে।
August 19, 2025
হুমায়ূন আহমেদের ছোট গল্পের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ। বেশ ভালোই লাগলো। অংক শ্লোক, অচিন বৃক্ষ, অপেক্ষা, অয়োময়, খাদক গল্পগুলো সুন্দর ছিলো। অতিরিক্ত মেদ ছিলো না। যেটা উপন্যাসে পাওয়া যায়।
October 23, 2021
"অয়োময়" গল্পটাই সবচেয়ে বেশি সুন্দর।
July 22, 2018
আমার মনে হয় কিছু কিছু বই আছে যেগুলোর জনরা নির্ণয় করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। হুমায়ূন আহমেদের অনেকগুলো বইই এমন। আর যে বইয়ের জনরাই নির্ধারণ করা যায় না, সেই বই সম্পর্কে ভালো বা অনুভূতি জানানো তো আরো মুশকিল।
March 7, 2019
ছোট ছোট গল্প,কিন্তু অন্তর্নিহিত তাৎপর্য প্রচুর...❤
October 27, 2024
হুমায়ুন আহমেদের ছোটগল্পের প্রতি আমার অন্য একটা টান আছে। আয়োময় এর গল্পগুলো বেশ আগে পড়া কিন্তু স্বাদ যেন এখনো মুখে লেগে আছে। আজকে বইটা হাতে নিয়ে গল্পগুলোর সঙ্গে যাপিত সময়টুকুর কথা মনে পড়ে গেলো।
May 12, 2019
অনেক পুরনো লেখা। নাটক অয়োময়ের সাথে কাহিনীতে তেমন মিল নেই। তবে প্লট বা স্থানিক মিল রয়েছে। বেশ কয়েকটি গল্পে বিভক্ত বইটি। একটানে শেষ করে ফেলার মতো। গ্রাম্য সরলতা চোখে পড়বে প্রতিটি কাহিনীতে আর লেখক কোন কোনটায় আবির্ভূত হয়েছেন গল্পকথক হিসেবে।
January 4, 2020
Litte Story with deep meanings and lessons. One will enjoy the book very much.
May 9, 2022
অনেক ভালো লেগেছে ছোটগল্পগুলো পড়ে! খুব সম্ভবত আগে কোথাও একটা খাদক, পিপঁড়া এগুলো পড়েছিলাম! কোথায় তা একেবারেই মনে নেই তবে পুনরায় পড়তে যেয়ে মনে হলো যে এই গল্প তো জানি!🤦🏻♀️
This entire review has been hidden because of spoilers.
March 5, 2023
কেরামত🥲
February 25, 2020
মোট ৭টি ছোটো গল্প নিয়ে অয়োময় বইটি। গল্পগুলো হলো - অয়োময়, খাদক, অচিন বৃক্ষ, পিঁপড়া, অপেক্ষা, কৃষ্ণপক্ষ, অংক শ্লোক। পিঁপড়া গল্পটি ছাড়া বাকি গল্পগুলো মোটামুটি সাধারণ ধরনের। পিঁপড়া গল্পটি আগেও পড়েছি, এটা আমার বেশ ভালো লাগে। "অয়োময়" গল্পে আছে - ইউনুস নামের একজন চাকর মৃতপ্রায় অবস্থায় ছিল, তাও তার বাঁচার ইচ্ছা। তার ইচ্ছা শুনে শেষপর্যন্ত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার গল্প। মতি খাদক গ্রামের এক নামকরা ব্যক্তি,যে কিনা খাওয়ায় রেকর্ড করেছে।তাকে কেন্দ্র করেই "খাদক" গল্প। "অচিন বৃক্ষ"কে ঘিরে গ্রামের মানুষের ভুলভাল সংস্কার আছে, যে সেই গাছের ফুল খেয়ে যেকোনো অসুস্থ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠবে। অপেক্ষা গল্পে আছে কেরামত নামের একটি ছেলের বিয়ের জন্য অপেক্ষার কথা। তার বয়স পেরিয়ে গেলেও তার বিয়ে হয় না, তাও সে ভাবী বউ বাচ্চার স্বপ্ন দেখে।
কৃষ্ণপক্ষ গল্পের শেষটা ঠিক বুঝলাম না।
এক মাষ্টারমশায়ের ছাত্রদের মন থেকে অংকের প্রতি ভীতি কাটানোর প্রচেষ্টার গল্প এই "অংক শ্লোক"।
* গল্পগুলো পড়তে গিয়ে "বাংলাঘর" বলে একটা শব্দ পেয়েছি, যা বোধগম্য হয়নি। কারোর জানা থাকলে একটু জানাবেন।
কৃষ্ণপক্ষ গল্পের শেষটা ঠিক বুঝলাম না।
এক মাষ্টারমশায়ের ছাত্রদের মন থেকে অংকের প্রতি ভীতি কাটানোর প্রচেষ্টার গল্প এই "অংক শ্লোক"।
* গল্পগুলো পড়তে গিয়ে "বাংলাঘর" বলে একটা শব্দ পেয়েছি, যা বোধগম্য হয়নি। কারোর জানা থাকলে একটু জানাবেন।
August 12, 2024
রিভিউ দেওয়া বেশ মুশকিল।
তবে আপনি হুমায়ূন ভক্ত হলে আপনি আপনার চিন্তা-ধারার মাধ্যমে আপনার আনুভূতি প্রকাশ করতে না পারলেও নিশ্চয় বইটা পড়ে বোরিং বা বাজে লাগা কাজ করে নি, তাই না?
তবে আপনি হুমায়ূন ভক্ত হলে আপনি আপনার চিন্তা-ধারার মাধ্যমে আপনার আনুভূতি প্রকাশ করতে না পারলেও নিশ্চয় বইটা পড়ে বোরিং বা বাজে লাগা কাজ করে নি, তাই না?
Read
September 20, 2025❛ম রিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই❜
অয়োময়
ইউনুসকে ডাক্তার বলে দিয়েছে দিন দুয়েকের বেশি টিকবে নাম শরীরে পচন ধরেছে। বদরুল সাহেবের বাংলা ঘরে সে আশ্রয় নিয়েছে। ডাক্তারের কথাকে মিথ্যে করে সে দিব্যি বেঁচে আছে, কিন্তু শারীরিক বেদনায় আছে। মৌলভী সাহেব তাকে দুইবার তওবা পড়ালেও তার দুনিয়া ছাড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কারণ মৌলভী যা বলছে মনে মনে সে উল্টা পড়ছে। সে বাঁচতে চায়। বাঁচার আকাঙ্ক্ষার কাছে মৃ ত্যুও মনে হয় হার মেনে যাচ্ছে। বদরুল সাহেব ঠিক করলেন তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
❛খেতে পারে তাই নাম তার খাদক
সামনে বসে তার খাওয়ার এই দৃশ্য দেখে ভদ্রলোক।❜
খাদক
মতি খাদক নাকি খাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন। লোকটা নাকি খাওয়ার জন্য মেডেলও পেয়েছে। একরাতে আয়োজন হলো মতি রাতভর মাংস খাবে। আর গ্রামের বিশিষ্ট জনেরা বসে সেটা দেখবে, আনন্দ নিবে। অথচ বিপরীত দিকে মতির পরিবার অভুক্ত, রোগাক্লিস্ট!
❛বৃক্ষ তোমার নাম কী ফলে পরিচয়
তবে অচিন বৃক্ষের নাকি ফুলেই পরিচয়,
ফুল কবে হবে হায়?
অপেক্ষায় যে সময় বয়ে যায়!❜
অচিন বৃক্ষ
গাঁয়ের হাজার বছর পুরোনো অচিন বৃক্ষ নাকি ত্রিভুবনে আর নাই। গাঁয়ের লোকেরা তাই বিশ্বাস করে। মাস্টার সাহেব অপেক্ষায় আছেন এই বৃক্ষের ফুল ধরবে দ্রুত। সর্ব রোগের ওষুধ নাকি এই গাছের ফুলে। কবে ফুটবে ফুল?
❛সারি বেঁধে চলেছে পিঁপড়া
নিস্তার পাবে না বায়ান্নবর্ষী বুড়া❜
পিঁপড়া
মকবুলের অদ্ভুত রোগ। অবশ্য একে রোগ বলে কি না কে জানে। যেখানেই সে যায় পিঁপড়া তাকে ধরে। নিস্তার নেই। লাখ টাকাও দিতে রাজি সে এই রোগ থেকে বাঁচতে। কিন্তু এটা রোগ না কোনো শাপ?
❛অপেক্ষা না ফুরোয়
দিন বয়ে যায়
কত শ্রাবণ যে যায়
তবুও না অপেক্ষা ফুরোয়।❜
অপেক্ষা
কেরামত অপেক্ষা করে শ্রাবণ মাসের। কত শ্রাবণ আসলো গেল কিন্তু সে অপেক্ষা করতে থাকে। সব ঝামেলা ফুরোলেই তার স্বপ্নে দেখা সংসার শুরু হবে। হবে তো?
❛কৃষ্ণপক্ষের রাত
হানতেই হবে মা রণ আঘাত!❜
কৃষ্ণপক্ষ
হানিফ অপেক্ষা করছে আর একের পর এক সিগারেট টেনে যাচ্ছে। লোকটা এই সময়ই বাড়ি ফেরে। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ওত পেতে আছে সে। ঐতো পা টেনে টেনে আসছে সে। কী হবে এবার?
❛শুনেছ নাকি নাম কোনোদিন শ্লোকের অংক?
কবিতায় কবিতায় শেখা হবে এবার গুণ গুণাংক!❜
অংক শ্লোক
মাস্টার সাহেব অংক পড়াতেন। কবিতায় কবিতায় অংককে সহজ করার জন্য বই লিখছেন। এত কষ্ট করছেন যেন বাচ্চারা অংককে ভয় না পায়। কিন্তু কেন? অংক শ্লোকের বইটার নাম তিনি দিবেন ❛নুরন নাহার❜। এর পিছের ঘটনাটা বেদনা দিবে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝অয়োময়❞ হুমায়ূন আহমেদের সাতটা ছোটো গল্পের সংকলন।
উপন্যাস দিয়ে মাতালেও হুমায়ূন আহমেদের ছোটো গল্প যেন অদ্ভুত সুন্দর।
বইতে সাতটা অদ্ভুত সুন্দর গল্প আছে। যার ❛খাদক❜ নামের গল্পটা একটা পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।
প্রথম গল্পটা বিষণ্ণ সুন্দর। মানুষের বাঁচার আকুতিকে লেখক এমন বিষণ্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে মুগ্ধ হতে হয়।
দ্বিতীয় গল্পটা মজা লেগেছে। সেইসাথে একটা বিষাদভাব ছিল। গ্রামের লোকেদের সরলতা কিংবা অদ্ভুত কাজকর্মের সাথে স্বার্থের ব্যাপারটা তুলে ধরেছেন।
তৃতীয় গল্পটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। আমরা আশায় বাঁচি। সেই আশা যতই অদ্ভুত, অবাস্তব শোনাক না কেন আসার পথ চেয়ে থাকি আমরা। অচিন বৃক্ষের যেমন গাছপাথর নেই তেমনি আমাদের আশা অসীম।
চতুর্থ গল্পটা এই বইয়ের সবথেকে ইন্টারেস্টিং গল্প। কর্মফল কিংবা অভিশাপ জাতীয় একটা ব্যাপার ছিল। মকবুলের চরিত্রটা খুবই বাস্তব। এবং তার পরিণতি পড়ে মনে হয়েছে একদম উচিত হয়েছে।
পঞ্চম গল্পটা সুন্দর। আশার যেমন সীমা নেই তেমনি দিন পেরিয়ে গেলেও সীমা থাকে না অপেক্ষার। আমরা আশা নিয়েই হয়তো অপেক্ষা করি। হয়তো কাঁধ নিচু হয়ে আসে, দুর্বল হয়ে যাই তাও স্বপ্নপূরণের অপেক্ষা করি।
ষষ্ঠ গল্পটা কেমন শীতল ভয়ের। শিকারি অপেক্ষা করছে শিকারের। আর নিজের জীবনের ঘটনা স্মৃতিচারণ করছে।
শেষ গল্পটা খুবই দারুণ এবং একইসাথে করুণ। হাওরের বর্ণনার সাথে একজন মাস্টারের আত্মগ্লানির কারণ পড়তে গিয়ে খারাপ লেগেছে। শেষটা খুব দুঃখ লেগেছে। তবে গল্প ব্যবহৃত অংক শ্লোকগুলো দারুণ ছিল। আসলেই যদি পড়াকে মজার ছলে পড়ানো হতো লেখাপড়া কি ভয়ের কারণ হতো?
বইটা ছোটো। আর লেখকের লেখার মাদকতায় পড়তে সময় লাগে না একেবারেই। লেখক গ্রামীণ জীবনের বিভিন্ন চিত্র কখনো সরল, কখনো জটিল কিংবা চাতুর্যের সাথে তুলে ধরেছেন। মানুষের বিশ্বাস, সুযোগের অপ্রতুলতা আর নিত্যদিনের ঘটনাগুলো কেমন কল্পনার মতো করে উঠে এসেছে!
❛আমাদের প্রত্যেকের জীবনই একটা করে গল্প। এই গল্পগুলোর সংকলন হলে সেটা কেমন হয়?❜
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই❜
অয়োময়
ইউনুসকে ডাক্তার বলে দিয়েছে দিন দুয়েকের বেশি টিকবে নাম শরীরে পচন ধরেছে। বদরুল সাহেবের বাংলা ঘরে সে আশ্রয় নিয়েছে। ডাক্তারের কথাকে মিথ্যে করে সে দিব্যি বেঁচে আছে, কিন্তু শারীরিক বেদনায় আছে। মৌলভী সাহেব তাকে দুইবার তওবা পড়ালেও তার দুনিয়া ছাড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কারণ মৌলভী যা বলছে মনে মনে সে উল্টা পড়ছে। সে বাঁচতে চায়। বাঁচার আকাঙ্ক্ষার কাছে মৃ ত্যুও মনে হয় হার মেনে যাচ্ছে। বদরুল সাহেব ঠিক করলেন তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
❛খেতে পারে তাই নাম তার খাদক
সামনে বসে তার খাওয়ার এই দৃশ্য দেখে ভদ্রলোক।❜
খাদক
মতি খাদক নাকি খাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন। লোকটা নাকি খাওয়ার জন্য মেডেলও পেয়েছে। একরাতে আয়োজন হলো মতি রাতভর মাংস খাবে। আর গ্রামের বিশিষ্ট জনেরা বসে সেটা দেখবে, আনন্দ নিবে। অথচ বিপরীত দিকে মতির পরিবার অভুক্ত, রোগাক্লিস্ট!
❛বৃক্ষ তোমার নাম কী ফলে পরিচয়
তবে অচিন বৃক্ষের নাকি ফুলেই পরিচয়,
ফুল কবে হবে হায়?
অপেক্ষায় যে সময় বয়ে যায়!❜
অচিন বৃক্ষ
গাঁয়ের হাজার বছর পুরোনো অচিন বৃক্ষ নাকি ত্রিভুবনে আর নাই। গাঁয়ের লোকেরা তাই বিশ্বাস করে। মাস্টার সাহেব অপেক্ষায় আছেন এই বৃক্ষের ফুল ধরবে দ্রুত। সর্ব রোগের ওষুধ নাকি এই গাছের ফুলে। কবে ফুটবে ফুল?
❛সারি বেঁধে চলেছে পিঁপড়া
নিস্তার পাবে না বায়ান্নবর্ষী বুড়া❜
পিঁপড়া
মকবুলের অদ্ভুত রোগ। অবশ্য একে রোগ বলে কি না কে জানে। যেখানেই সে যায় পিঁপড়া তাকে ধরে। নিস্তার নেই। লাখ টাকাও দিতে রাজি সে এই রোগ থেকে বাঁচতে। কিন্তু এটা রোগ না কোনো শাপ?
❛অপেক্ষা না ফুরোয়
দিন বয়ে যায়
কত শ্রাবণ যে যায়
তবুও না অপেক্ষা ফুরোয়।❜
অপেক্ষা
কেরামত অপেক্ষা করে শ্রাবণ মাসের। কত শ্রাবণ আসলো গেল কিন্তু সে অপেক্ষা করতে থাকে। সব ঝামেলা ফুরোলেই তার স্বপ্নে দেখা সংসার শুরু হবে। হবে তো?
❛কৃষ্ণপক্ষের রাত
হানতেই হবে মা রণ আঘাত!❜
কৃষ্ণপক্ষ
হানিফ অপেক্ষা করছে আর একের পর এক সিগারেট টেনে যাচ্ছে। লোকটা এই সময়ই বাড়ি ফেরে। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ওত পেতে আছে সে। ঐতো পা টেনে টেনে আসছে সে। কী হবে এবার?
❛শুনেছ নাকি নাম কোনোদিন শ্লোকের অংক?
কবিতায় কবিতায় শেখা হবে এবার গুণ গুণাংক!❜
অংক শ্লোক
মাস্টার সাহেব অংক পড়াতেন। কবিতায় কবিতায় অংককে সহজ করার জন্য বই লিখছেন। এত কষ্ট করছেন যেন বাচ্চারা অংককে ভয় না পায়। কিন্তু কেন? অংক শ্লোকের বইটার নাম তিনি দিবেন ❛নুরন নাহার❜। এর পিছের ঘটনাটা বেদনা দিবে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝অয়োময়❞ হুমায়ূন আহমেদের সাতটা ছোটো গল্পের সংকলন।
উপন্যাস দিয়ে মাতালেও হুমায়ূন আহমেদের ছোটো গল্প যেন অদ্ভুত সুন্দর।
বইতে সাতটা অদ্ভুত সুন্দর গল্প আছে। যার ❛খাদক❜ নামের গল্পটা একটা পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।
প্রথম গল্পটা বিষণ্ণ সুন্দর। মানুষের বাঁচার আকুতিকে লেখক এমন বিষণ্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে মুগ্ধ হতে হয়।
দ্বিতীয় গল্পটা মজা লেগেছে। সেইসাথে একটা বিষাদভাব ছিল। গ্রামের লোকেদের সরলতা কিংবা অদ্ভুত কাজকর্মের সাথে স্বার্থের ব্যাপারটা তুলে ধরেছেন।
তৃতীয় গল্পটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। আমরা আশায় বাঁচি। সেই আশা যতই অদ্ভুত, অবাস্তব শোনাক না কেন আসার পথ চেয়ে থাকি আমরা। অচিন বৃক্ষের যেমন গাছপাথর নেই তেমনি আমাদের আশা অসীম।
চতুর্থ গল্পটা এই বইয়ের সবথেকে ইন্টারেস্টিং গল্প। কর্মফল কিংবা অভিশাপ জাতীয় একটা ব্যাপার ছিল। মকবুলের চরিত্রটা খুবই বাস্তব। এবং তার পরিণতি পড়ে মনে হয়েছে একদম উচিত হয়েছে।
পঞ্চম গল্পটা সুন্দর। আশার যেমন সীমা নেই তেমনি দিন পেরিয়ে গেলেও সীমা থাকে না অপেক্ষার। আমরা আশা নিয়েই হয়তো অপেক্ষা করি। হয়তো কাঁধ নিচু হয়ে আসে, দুর্বল হয়ে যাই তাও স্বপ্নপূরণের অপেক্ষা করি।
ষষ্ঠ গল্পটা কেমন শীতল ভয়ের। শিকারি অপেক্ষা করছে শিকারের। আর নিজের জীবনের ঘটনা স্মৃতিচারণ করছে।
শেষ গল্পটা খুবই দারুণ এবং একইসাথে করুণ। হাওরের বর্ণনার সাথে একজন মাস্টারের আত্মগ্লানির কারণ পড়তে গিয়ে খারাপ লেগেছে। শেষটা খুব দুঃখ লেগেছে। তবে গল্প ব্যবহৃত অংক শ্লোকগুলো দারুণ ছিল। আসলেই যদি পড়াকে মজার ছলে পড়ানো হতো লেখাপড়া কি ভয়ের কারণ হতো?
বইটা ছোটো। আর লেখকের লেখার মাদকতায় পড়তে সময় লাগে না একেবারেই। লেখক গ্রামীণ জীবনের বিভিন্ন চিত্র কখনো সরল, কখনো জটিল কিংবা চাতুর্যের সাথে তুলে ধরেছেন। মানুষের বিশ্বাস, সুযোগের অপ্রতুলতা আর নিত্যদিনের ঘটনাগুলো কেমন কল্পনার মতো করে উঠে এসেছে!
❛আমাদের প্রত্যেকের জীবনই একটা করে গল্প। এই গল্পগুলোর সংকলন হলে সেটা কেমন হয়?❜
Read
December 12, 2022হল ডিউটিতে পড়া শুরু করছি।৩ ঘন্টা হুদা হুদা বসে থাকা কষ্টকর ব্যাপার।পড়া শুরু করলাম।ছোট ছোট গল্প নিয়ে বইটা।লেখকের জীবন থেকে লিখা।মানে লেখক বলছেন এমন ভঙ্গিতে।হুমায়ুন আহমেদের এমন অনেক গল্পই আছে।যেমন প্রথম গল্পটার সাথে আমি এর আগের পড়া দুইটা গল্পের মিল পেলাম।একটি খারাপ নজরের লোক আরেকটি ছিল চোরের।এরপর পড়লাম অচিন বৃক্ষ।মানুষের কষ্টকে এত মানবিকভাবে অংকন করা যে দাগ কেটে যায়।আর এখন পড়ছি পিঁপড়া।এ গল্পটা পড়ার পর বুঝতে পারলাম যে,আমি এ বইটা সম্ভবত আগে পড়েছি।পিঁপড়া গল্পটার কথা মনে পড়ছে।আর পড়া হয় নাই এখনো। আজ পড়ে শেষ করলাম। পিঁপড়া গল্পটা নিয়ে নাটকও দেখছি।তখন খুব প্রভাব ফেলেছিল গল্পটি।এরপর পড়লাম অপেক্ষা।কেয়ামতের জন্য মায়া হলো।এখন আমার আজীবন এমন অপেক্ষা করতেও সমস্যা নাই।এরপর কৃষ্ণপক্ষ।খারাপ কাজে গ্যাঞ্জাম আরও বেশী।এর চেয়ে অভাব অনেক ভাল। এরপর অংক শ্লোক।শেষের দুইটা গল্পেই বাবার সামনে মেয়ে মারা গেল।আর বাচ্চা মারা যাবার পর বাবারা অন্যরকম হয়ে গেল। "শিক্ষক শ্রেণীর কেউ কথা বলার প্রশ্রয় পেলে অবনরত কথা বলবে। ফরিদপুরে একবার এমন একজনের সাক্ষাত পেয়েছিলাম। তিনি সন্ধাবেলায় কথা শুরু করলেন এক নাগারে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত বললেন। কেউ কিছু বলতে গেলেই হাত তুলে বলেন এক মিনিট আমি আমার কথাটা শেষ করে নেই। তারপর যা বলার বলবেন।"শিক্ষক হবার পর কথা বলার প্রবনতা বেড়ে যায়।তাই প্রচুর লিখতে হবে।বলার চেয়ে লিখায় রুপান্তর।"দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটতে লাগল পানসি নৌকায়। বিশাল নৌকা। নৌকার ভেতরই গোসলখানা এবং বাথরুম। নৌকার ছাদে শুয়ে থেকে দুলতে দুলতে আকাশ দেখা যায়। একসময় মনে হয় আমি স্থির হয়ে আছি, আকাশ দুলছে। অপার্থিব অনুভূতি, দালান কোঠার শহরে এই অনুভূতি কল্পনা করা সম্ভব নয়।" এসব লিখে কাহিনি করলেন।এখন আমারও হাওড় অঞ্চলে যেতে হবে আর পানসির নৌকায় ছাদে শুয়ে আকাশ দেখতে হবে।"যেখানেই যাই প্রচুর বই সংগে নিয়ে যাই। আমি লক্ষ্য করেছি নতুন পরিবেশে আরাম দায়ক আলস্যে বই পড়ার মত মজা আর কিছুতেই নেই। হুট করে কেউ বেড়াতে আসবে না, বিকট শব্দে টেলিফোন বেজে উঠবে না। চেনা জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার অন্য রকম আনন্দ আছে। একে বোধ হয় বলে শিকল ছেড়ার আনন্দ।" নতুন একটা নির্জন পরিবেশে,প্রকৃতির মাঝে থেকে বই পড়ার মতো মজা আর কিছুতেই নাই।আরেকটি ব্যাপার একজন মানুষ পড়াশোনা, অনেক কিছু জানলেই যেমন জ্ঞানী হতে পারে না,ঠিক তেমনিভাবেই জ্ঞানী মানুষ যে একজন ভালো ও সৎ মানুষ হবে তাও বলা যায় না।একজন মানুষ একই সাথে জ্ঞানী এবং সত্যিকারের মানুষ তখনই হতে পারবেন যখন তিনি সাধনা করবেন।এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য।একই সাথে জ্ঞানী ও শুদ্ধ মানুষ। বিশ্বাস আর যুক্তি সব সময় একসাথে চলে না।বিশ্বাস সরল আর যুক্তি হেয়ালী।আজ যুক্তিতে এটা ঠিক আবার কালই তা পুরো বদলে গেল অন্য যুক্তিতে।যুক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিন্ত উপলব্ধি আরও গুরুত্বপূর্ণ।
January 7, 2025
হুমায়ূন হচ্ছে হুমায়ূন। গল্প বলার দক্ষ জাদুকর। হুমায়ূন আহমেদ আসলে অল্প কথাতেই অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারেন, অল্প শব্দেই অনুভূতি নিয়ে খেলতে পারেন। এজন্যই তো উপন্যাসিকা লেখেও পাঠকের অনুভূতিতে ভালোমানের অনুরণন তোলেন। আর ছোট গল্প হলে তো কথাই নাই। অনেকেই এইটা স্বীকার নিশ্চয় করবেন যে উনার গল্প বলার দক্ষতা বিভিন্ন উপন্যাসিকায় যতটা ফুটে উঠেছে, তার চেয়েও আরো ভালোমত সেটা ফুটে উঠেছে ছোট গল্পগুলায়। কিন্তু অন্যান্য কাজের মধ্যে তার এই দুর্দান্ত ছোট গল্পগুলাই যেন একটু আড়ালে পড়ে গেছে!
যাইহোক, ২০২৫ এ শেষ করা প্রথম বই, এই বছরের বই পড়ার খাতাটা খুললো "অয়োময়" দিয়েই। যদিও শুরু করেছিলাম '২৪ এই, আর গল্পগুলাও আগে পড়েছিলাম সম্ভবত (ছোটগল্প সমগ্রতে?, হয়ত), তবে এইরকম গল্প বারবার পড়াই যায়। গ্রামীণ ভাটি অঞ্চলের পটভূমিকায় লেখা গল্পগুলোন হলো, "অয়োময়", " খাদক", "অচিন বৃক্ষ", " পিঁপড়া", "অপেক্ষা", " কৃষ্ণপক্ষ", "অংক শ্লোক"। সবগুলাই ভালো লেগেছে।
রেটিং: ৪/৫
যাইহোক, ২০২৫ এ শেষ করা প্রথম বই, এই বছরের বই পড়ার খাতাটা খুললো "অয়োময়" দিয়েই। যদিও শুরু করেছিলাম '২৪ এই, আর গল্পগুলাও আগে পড়েছিলাম সম্ভবত (ছোটগল্প সমগ্রতে?, হয়ত), তবে এইরকম গল্প বারবার পড়াই যায়। গ্রামীণ ভাটি অঞ্চলের পটভূমিকায় লেখা গল্পগুলোন হলো, "অয়োময়", " খাদক", "অচিন বৃক্ষ", " পিঁপড়া", "অপেক্ষা", " কৃষ্ণপক্ষ", "অংক শ্লোক"। সবগুলাই ভালো লেগেছে।
রেটিং: ৪/৫
July 14, 2021
কয়েকটি ছোট গল্প নিয়ে লেখা একটি বই। প্রতিটি গল্পই ইন্টারেস্টিং অথবা দুঃখের। গল্পের মানুষগুলো বিভিন্ন ধরণের। টিভিতে হুমায়ুন আহমেদের "আয়োময়" নামে যে নাটক প্রচারিত হতো তার সাথে এই বইয়ের মিল নেই। অয়োময় এই বইয়ের প্রথম গল্পের নাম।
July 24, 2024
Personal rating : 3.75
অচিন বৃক্ষ গল্পটি বেশ ভালো। একটা মন খারাপ করা ভাব আছে গল্পের। আবার সাথে আছে কিছু আশার আলো।
উনার লেখার মধ্যে আমি একটা প্যাটার্ন পাই যেটা পারসোনালি আমার কাছে বিরক্তিকর লাগে। sad touch in every story.
অচিন বৃক্ষ গল্পটি বেশ ভালো। একটা মন খারাপ করা ভাব আছে গল্পের। আবার সাথে আছে কিছু আশার আলো।
উনার লেখার মধ্যে আমি একটা প্যাটার্ন পাই যেটা পারসোনালি আমার কাছে বিরক্তিকর লাগে। sad touch in every story.
March 23, 2021
ভালো ছিলো।
January 11, 2023
আমার মনে হয়, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখার গভীরতা কেউ ধরতে পারে না বলেই তার লেখাকে গভীরতাহীন বলে দাবি করা হয়। আজকে এই বইটি পড়তে পড়তে নতুন করে কথাটা মনে হলো।
June 1, 2023
এই প্রথম এমন কোনো ছোটগল্প সংকলন পড়লাম যার সব কটি গল্পই অসাধারণ লাগলো।
July 9, 2023
সকল গল্পই ইউনিক ছিল।খুব ভালো লাগলো পড়ে।
August 9, 2026
3.5 stars. Good variety of short stories, mixed with hit and misses
January 7, 2022
অয়োময়, খাদক, অচিন বৃক্ষ, পিঁপড়া, অপেক্ষা, কৃষ্ণপক্ষ, অংক শ্লোক গল্পগুলোর মধ্যে একটু অন্যরকম অনূভুতি জাগায় অচিন বৃক্ষ আর অপেক্ষা। দুইটি গল্প যেনো আমি দেখছি আমার চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে। অন্যান্য গল্পগুলোও ভালো ছিল। সহজ সরল লেখা। আর এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো ছোট আকারে। ভালোই লেগেছে সবগুলাই। তবে কিছু কিছু বিষয়ের জন্য পুরোদমে নেই নি।
September 6, 2026
৭ টি পিচ্চু পিচ্চু গল্প নিয়ে বইটি,আহামরি লাগেনি গল্পগুলি; এই বই আমি কিনলে বেশ আফসোস করতাম....৭ টার মধ্যে সবচেয়ে ভালো লেগেছে অয়োময়;অচিন বৃক্ষ,খাদক, পিঁপড়াও খারাপ না...
অয়োময়★★ - ইউনুস অয়োময়ের মতো যুদ্ধ করছে জোনাকির আর ফড়িংয়ের জীবনের সাথে...
খাদক★- আমার মতো এক পেটুকের গল্প,আগের দিনের mukbang
অচিন বৃক্ষ ★-অচিন নামক বৃক্ষের ফুলের অপেক্ষা
পিঁপড়া ★- মকবুল যেখান যান পিঁপড়া ধরে যায়
অপেক্ষা ★- কেরামতের জীবনসঙ্গীর জন্য অপেক্ষা
কৃষ্ণপক্ষ ★- হানিফ কৃষ্ণপক্ষের রাতে পিঁপড়ার কামড় খেয়ে রইসুদ্দিনের জন্য অপেক্ষা করছেন...রইসুদ্দিনের জীবনেরও কৃষ্ণপক্ষ চলে!..
অংক শ্লোক ★ - একজন বাবার এবং শিক্ষকের অংক ভীতি দূর করার ইচ্ছা।
(বইটির নাম দেখি অয়োময় না হয়ে অপেক্ষা হওয়া উচিত ছিল। অবশ্য এমন মনে করলে সব বইয়ের নামই অপেক্ষা দিতে হবে...)
বইয়ে ভালোলাগার অংশ-
"ঝুলে থাক।হাল ছাড়িস না,আমি আছি।"
"এত কিছু দেখলে খাদক হওয়া যায় না" (হা হা)
অয়োময়★★ - ইউনুস অয়োময়ের মতো যুদ্ধ করছে জোনাকির আর ফড়িংয়ের জীবনের সাথে...
খাদক★- আমার মতো এক পেটুকের গল্প,আগের দিনের mukbang
অচিন বৃক্ষ ★-অচিন নামক বৃক্ষের ফুলের অপেক্ষা
পিঁপড়া ★- মকবুল যেখান যান পিঁপড়া ধরে যায়
অপেক্ষা ★- কেরামতের জীবনসঙ্গীর জন্য অপেক্ষা
কৃষ্ণপক্ষ ★- হানিফ কৃষ্ণপক্ষের রাতে পিঁপড়ার কামড় খেয়ে রইসুদ্দিনের জন্য অপেক্ষা করছেন...রইসুদ্দিনের জীবনেরও কৃষ্ণপক্ষ চলে!..
অংক শ্লোক ★ - একজন বাবার এবং শিক্ষকের অংক ভীতি দূর করার ইচ্ছা।
(বইটির নাম দেখি অয়োময় না হয়ে অপেক্ষা হওয়া উচিত ছিল। অবশ্য এমন মনে করলে সব বইয়ের নামই অপেক্ষা দিতে হবে...)
বইয়ে ভালোলাগার অংশ-
"ঝুলে থাক।হাল ছাড়িস না,আমি আছি।"
"এত কিছু দেখলে খাদক হওয়া যায় না" (হা হা)
This entire review has been hidden because of spoilers.
November 1, 2018
বেশ কিছু (৭টি) ছোট গল্প নিয়ে ছোট্ট এই বইটি। সব গল্প নিয়ে বলার কিছু নেই কয়েকটি নিয়ে বলবো-
.
অয়োময়- আসলেই হয়তো মন থেকে কেউই মরতে চায় না
.
খাদক- ৪-৫ পৃষ্ঠার একটা ছোট্ট গল্পের শেষ লাইনটা এত সুন্দর এবং এত সত্য কিভাবে হয়??!!
.
অচিন বৃক্ষ- এক মানুষের প্রতীক্ষার ছায়া কি অন্য মানুষের উপর পড়তে পারে??
.
পিঁপড়া- বাস্তবেও এমন কিছু হলে খারাপ হতো না...কেননা আমাদের দেশে ধর্ষণকারীর শাস্তি মানুষরা তেমন দিতে পারেনা।
.
অয়োময়- আসলেই হয়তো মন থেকে কেউই মরতে চায় না
.
খাদক- ৪-৫ পৃষ্ঠার একটা ছোট্ট গল্পের শেষ লাইনটা এত সুন্দর এবং এত সত্য কিভাবে হয়??!!
.
অচিন বৃক্ষ- এক মানুষের প্রতীক্ষার ছায়া কি অন্য মানুষের উপর পড়তে পারে??
.
পিঁপড়া- বাস্তবেও এমন কিছু হলে খারাপ হতো না...কেননা আমাদের দেশে ধর্ষণকারীর শাস্তি মানুষরা তেমন দিতে পারেনা।
November 30, 2015
Great short stories by Humayun Ahmed.
March 10, 2019
গল্প ফুরিয়ে যায়। গল্পের ঘ্রাণ ফুরায় না... ছুঁয়ে থাকে হৃদয়ে! চমৎকার একেকটি গল্প বইটিতে।
October 6, 2020
অনেক গুলি ছোট গল্পের সমাহার।
June 2, 2021
মৃত্যু সহজ ও সুন্দর, মৃত্যু সব শাস্তির শেষ— যে বই থেকে জানা৷ 💛
Displaying 1 - 30 of 32 reviews






























