Satyabati's guardian her uncle dies under mysterious circumstances.Byomkesh happens to take the case and finds out later Satyabati is of that family. All three four brothers of Satyabati are suspects.The police consider Sukumar to be their primary suspect due to his medical background. But Byomkesh feels it is not so.Fonida mentions that Sukumar will take responsibility of Satywati. At police station Bidhu Babu denies to take a note on Karali Babu's report. But he is happy that he has solved the mystery before Byomkesh could do.Karali Charan Basu, a wealthy man with no heir has been murdered by the insertion of a needle in his neck. Byomkesh suspects Sukumar, Karali's nephew, a doctor. But investigation leads him to Phanibhusan.Byomkesh finally corners and captures the real culprit. Bidhu Babu takes credit for solving the case.
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi. He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.
Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.
এই পর্যন্ত পড়া বইগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভাল ছিল এই গল্পটা। আর হ্যা এই বইতেই ব্যোমকেশ বাবুর রোমান্টিকতার কিঞ্চিৎ ইঙ্গিত পাওয়া যাবে। মহামতী সত্যবতীর সাথে পরিচিত হবেন পাঠকরা।
সত্যিই সবকিছু জেনে-বুঝে পড়ার মজাই আলাদা। এই গল্পের রহস্যের চাদর খানিকটা বৈচিত্রময়। আর হ্যাঁ নতুন চরিত্র সত্যবতীর এন্ট্রি দেখা মিললো সাথে ব্যোমকেশের রোমান্টিকতাও প্রকাশ পেলো। সেই সাথে ব্যোমকেশের ব্যাচেলর লাইফের ইতি ঘটলো।
অর্থমনর্থম্ = অর্থই সকল অনর্থের মূল রিভিউ দেখলাম কয়েকজনের। সবাই কেন জানি আগেই জেনে গেছে কে হত্যাকারী। কিন্তু আমি জানলাম মাঝপথের পরে। বুদ্ধি দিন দিন লোপ পাচ্ছে :(
একটি অপ্রাসঙ্গিক কথা দিয়েই শুরু করি। যারা Hoichoiতে ব্যোমকেশ দেখে বড়াই করে, তাদের একবার এই গল্পের titleটা উচ্চারণ করতে বলতে ইচ্ছা হয়। কি মনে হয়, কজন পারবে? (না পারবে। আমি কাউকে ছোট করার জন্য বললাম না এইটা।)
Bride of Lammermoor কে Homage দিয়ে লেখা গল্প। ঘটনার অনাড়ম্বরতাই প্রধান আকর্ষণের কারণ। আবার একবার গল্পের মাধ্যমে সাবলীলভাবে এমন একটি তথ্য লেখক আমাদের কাছে পেশ করেন যা অন্য কোনো ভাবে জানা সত্যিই দুরূহ। আর এই গল্পের উপরি-পাওনা হলো সত্যবতীর মতন একটি intriguing character, যার ব্যাপারে আরও অনেক কিছু আমরা পরের গল্পগুলোতে পাবো। স্বভাবতই, খুব সহজ সমীকরণ।
সিরিয়ালে পড়ছি। প্রথম পাঁচটে হলো। এইটেই এদের মধ্যে সবচেয়ে "শক্ত" পেলুম। শান্তি লাগলো। "হঠাৎ করেই সব শেষ" - এমনটি মনে হয়নি। আর হ্যাঁ, নতুন চরিত্র- সত্যবতীর এন্ট্রি হলো। :)
ব্যোমকেশ বাবু ওএবার রোমান্টিক হয়ে পরলেন!সত্যবতী কে বয়সের তুলনায় বেশ একটু পটু মনে হলো😃 আর এবারের গল্পে অজিতবাবু একটু বেশিই কম বুঝেছেন মনে হলো। আমি হাসছিলাম যখন বারবার বলছিল যে "তুই কিন্তু আমার বড় মনে থাকবে?" আর শেষে তো দাদা ডাকবেই স্থির করলো😂😂 গল্পে নতুন চরিত্রের আবির্ভাব। সত্যবতীর সাথে পরবর্তী গল্পে কাহিনি কেমন জমে ওঠে সেটা এবার দেখার পালা!!!
এই পর্যন্ত পড়া বইগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভাল ছিল এই গল্পটা। আর হ্যা এই বইতেই ব্যোমকেশ বাবুর রোমান্টিকতার কিঞ্চিৎ ইঙ্গিত পাওয়া যাবে। মহামতী সত্যবতীর সাথে পরিচিত হবেন পাঠকরা।
করালীচরণ হত্যা তদন্ত মামলায় বিধুবাবু বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে খুনী কে খুঁজে পাওয়ার দাবী করলেও ব্যোমকেশের ভালো লাগলো না ব্যাপারটা । খুনীর খুন করার স্টাইল টা খুব ইউনিক । এবং সবকিছু এতো সাজানো গোছানো যেন মনে হয় খুনী নিজেও চাচ্ছে একজন বিশেষ লোককে সবাই খুনী মনে করুক । হত্যার সকল প্রমান একজনের দিকে ইঙ্গিত করলেও নারীঘটিত দূর্বলতার কারণে ব্যোমকেশ আরো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় । সত্য খুঁজতে খুঁজতে জীবনের খুব নির্মম একটি সত্যে জড়িয়ে যায় ব্যোমকেশ । এরকম প্রফেশনাল একজন ডিটেকটিভ এমন একটি বিপদে পড়ে যেই বিপদ সম্পর্কে তার কোন ধারণা নেই । রহস্যের মধ্যে রোমান্টিকতার অহেতুক আবির্ভাব । কাচ্চির ভেতর উচ্ছেভাজি ... নাও , এখন খাইয়া দেখো কেমন লাগে ...
ভালো লেগেছে।অনেক সাসপেন্স ছিল।আপাতত দৃষ্টিতে যাদের আমরা নিরিহ ভাবি, তারাও যে বিপদজনক হতে পারে এই খানে সেটাই তুলে ধরেছেন লেখক। এই কেসটি সলভ করার সময় ব্যোমকেশ বাবুর দেখা হয় সত্যবতীর সাথে,সাধারণ একটি মেয়ে কিন্তু তার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ কিছু জিনিস যেটাই ব্যোমকেশ কে অভিভূত করেছে। আর কিছু বলতে চাই না,ভালো লেগেছে,ভালো লাগার মত একটি লেখা।😌😌
ডেপুটি কমিশনার বিধুবাবু হঠাৎ ফোন করলেন, একটা খুন হয়ে গেছে। খুন হয়েছে কলকাতার একজন ধনী লোক শ্রীকরালীচরণ বসু। তিনি বিপত্নীক ও নিঃসন্তান। তবে তিনটা ভাগ্নে এবং শালীর দুটি ছেলেমেয়ে তার বাড়িতেই বড় হয়েছে। করালীবাবু ক্ষণে ক্ষণেই মত বদলান, একেকবার একেক জনকে সমস্ত সম্পত্তি লিখে দেন। সর্বশেষ লিখে দিলেন শালীর ছেলে সুকুমারের নামে। এরপরই খুন হয় শ্রীকরালীচরণ বসু ।আর বোমকেশ নেমে পড়েন তার যজ্ঞে ।
ভালো লেগেছে। আগের টার চেয়ে এটাতে কাহিনী বেশ ভালো ছিল। রোমান্টিক ব্যোমকেশকে পড়ত�� মজাই লেগেছে।
ব্যোমকেশ সমগ্র থেকে পড়ে ফেললাম পিচ্চি একটা গল্প "অর্থমনর্থম"। ব্যোমকেশকে অপছন্দ করে এমন মানুষ দুই বাংলায় পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয় না। অনবদ্য একটা চরিত্র।
আমি টানা কোনো সিরিজ পড়ি না। গ্যাপ রেখে রেখে পড়ি। গ্যাপ রেখে পড়লে বিরক্তিটা আসে না। আজ তাই অনেকদিন পরে পড়লাম এই "অর্থমনর্থম"। এক বসাতেই শেষ।
গল্পটা কেমন এবার সেখানে আসি। একটা কোয়ালিটিসম্পন্ন গল্প পড়লাম। কেনো "কোয়ালিটিসম্পন্ন" বললাম? কারণ, একটা বইকে "কোয়ালিটিসম্পন্ন" বলতে যা যা দরকার সবই এর মধ্যে আছে। এক সেকেন্ডের জন্যেও গল্প থেকে আগ্রহ হারাইনি। প্লাস, গল্পটা খুবই সুন্দর করে সাজানো। আমি প্রথমে যাকে সন্দেহ করেছিলাম, সে-ই দেখলাম আসলেও খুনী! এরকম ব্যাপারগুলা হলে সাধারণত একটু আশাহত হই। তবে, আজ বেশ উপভোগ করেছি। হ্যাঁ, আপনিও প্রথমেই খুনী ধরে ফেলবেন বলে আমার বিশ্বাস। তবুও, গল্পটা আপনাকে ধরে রাখবে। এই গল্পের আরেকটা ইন্টারেস্টিং বিষয় কি জানেন? সত্যবতী। এই গল্পেই ব্যোমকেশবাবু তার "লাভ অফ লাইফ" খুঁজে পায়। ব্যাপারটা কিউট!
সবমিলিয়ে, বেশ উপভোগ করেছি। পড়ে ফেলুন। এক বসাতেই আরামসে শেষ করে ফেলতে পারবেন৷ বেশ মজাও পাবেন। টাটা!
গোয়েন্দা হিসেবে ব্যোমকেশ বক্সী আমার পছন্দের। গোয়েন্দা না বলি। যেহেতু ব্যোমকেশ নিজেই নিজেকে গোয়েন্দা না বলে সত্যান্বেষী বলাটাই বেশি পছন্দ করে এবং সত্যান্বেষী হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দেয়। তাই এভাবে বললে বেশি ভালো হয় যে সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী আমার পছন্দের। তার সত্য অন্বেষণের প্রক্রিয়া আমাকে মুগ্ধ করে। সে যেভাবে ভাবে, কথা বলে - এ দুটো দিক ও আমায় মুগ্ধ করে খুব।
"অর্থমনর্থম্"। এ বইটা সত্যান্বেষীর অন্যান্য বই থেকে বেশ আলাদা। প্রথম থেকেই বইটা আগ্রহ ধরে রাখে। এক বার এর দিকে সন্দেহ যায়, তো আরেকবার ওর দিকে। গল্প সুন্দর করে সাজানো ও বেশ জমজমাট। লেখক বইতে টুইস্ট দিতে কার্পণ্য করেননি একদম।
আগেই বলেছি ব্যোমকেশ এর অন্যান্য বই থেকে এ বই বেশ আলাদা। এই বইয়ের বিশেষত্ব হলো- এখানেই সত্যবতীর সাথে ব্যোমকেশ এর দেখা হয়। অন্য বই পড়ার সময় সত্যবতীর কথা যখন পড়ি তখন আমি প্রায়ই ভাবি যে এদের দু'জনের দেখা কিভাবে হলো। দু'জনের দেখা হওয়া নিয়েও যদি একখানা বই থাকতো, তাহলে কত ভালোই না হতো! কারণ সত্যবতী ও ব্যোমকেশ এর খুনসুটি আমার এতো ভালো লাগে। অবশেষে সেই ভালোর দেখা পাওয়া গেলো। তবে পুরো বইটা পড়ার সময় এতো টেনশন এ ছিলাম। টেনশন কি নিয়ে? এই যে একেকবার একেকজনের দিকে সন্দেহ যায়। তো এক সময় ক্ষনিকের জন্য হলেও হালকা একটু সন্দেহ সত্যবতীর দিকেও গেলো। পরে আবার নিজেকে বোঝালাম - না, এ তো হতে পারে না। হিহি!
ব্যোমকেশ সিরিজের 'অর্থমনর্থম্' গল্পটা ভালোই লেগেছে আগের গল্পের তুলনায়। এই গল্পে ব্যোমকেশ তার জীবনসঙ্গিনীর দেখা পায়। তার নাম সত্যবতী। গল্পে অনেকটা জায়গা দখল করে রেখেছে সত্যবতী আর তার ভাই মেডিকেল পড়োয়া সুকুমার । এই গল্পটা পড়ার পরে ইচ্ছে করছে Gray's Anatomy বইটা পড়তে। গল্পে ফণীভূষণ কর বই প্রেমী মনে হচ্ছে।
অর্থমনর্থম-এ ছোট ছোট তদন্তগুলোকে অকারণে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে। সহকারীর বিস্ময়ও অনেকটা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া—সে নাকি কল্পনাই করতে পারেনি, যে শুধু উইল পরিবর্তন ঠেকাতেই খুন হতে পারে। গল্প এগোতে থাকলে ক্রমশ তথ্যের বিন্যাস এতটাই পূর্বানুমানযোগ্য হয়ে ওঠে যে, পাঠকের কাছে আগেই স্পষ্ট হয়ে যায় পরের ধাপ কী হতে চলেছে। তাই রহস্যের সেই কাঙ্ক্ষিত আকর্ষণটা ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়।
খোলা চোখে যে জিনিসটা সহজ সরল মনে হয়, আদতেই তা এতোটাও সহজ নয়। দূর থেকে সকল কিছুকেই সরল মনে হয়। তাই সবকিছুকেই প্রথম দেখায় জাজ না করে চেকে দেখা উচিত।
ডিটেকটিভদের কাছে কেসগুলো হঠাৎ হঠাৎই আসি। আগে থেকে জানার কোনো উপায়ই থাকে না। ব্যোমকেশের কাছে তেমনই একটি কল এসেছে বিধুবাবুর থেকে। তিনি একজন ডেপুটি কমিশনার। নিজেকে সবার উপরে রাখতেই ভালোবাসেন। এমনকি ব্যোমকেশকেও তিনি ইনিয়েবিনিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন তুমি আমার থেকে জ্ঞানে হোক বা বুদ্ধিতে কোনো অংশেই বেশি হতে পারো না। তাইতো বিধুবাবুর কল পেয়ে ব্যোমকেশ যারপরনাই অবাক। তাও আবার মা র্ডা র কেসের জন্য? এতে বুঝি বিধুবাবুর সম্মানহানী হয়নি? পরে অবশ্য জানা গেছে উপরমহলের চাপেই বিধুবাবুর এ হাল।
যাইহোক, করালীবাবু বিপত্নীক ও নিঃসন্তান একজন মানুষ। অবশ্য পুরোপুরি নিঃসন্তানও বলা যায় না। শ্যালির তুই ছেলে এবং মেয়ে আর তিনটি ভাগনেকে তিনিই লালন-পালন করতেন। তবে তিনি খুবই ক্ষপিশ মেজাজের। কথায় কথায় রাগ যেন মাথায় চড়ে বসে। কারো উপর সদয় হলে তাকে পুরো সম্পত্তির উইল করে দেন আবার কিছুক্ষণ পর রাগ উঠলে তাকে নাকচ করে অন্যজনের নামে উইল করেন। পাঁচজন ছেলে মেয়ের মধ্যে এমন কেউ নেই যার নামে একবার করে হলেও তিনি উইল করেননি। কিন্তু কে জানতো তার এই বাতিকই তার মৃ ত্যু র কারণ হয়ে দাড়াবে? ঘুমের মধ্যে আচমকা খু ন হয়ে গেলেন করালীবাবু। সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ভাগনে মতিলালকে। যে খু নে র পর থেকেই ফেরারি। কিন্তু ব্যোমকেশের তদন্তে সন্দেহ থেকে একজনও রেহাই পায়নি। এমনকি তার সন্দেহের তালিকায় আছে সত্যবতিও। এই বইটিতেই সত্যবতি আর ব্যোমকেশের প্রথম দেখা, প্রথম আলাপ, প্রথম ভালোলাগা। অজিতকে ব্যোমকেশের একটা প্রশ্ন এখনো আমার কানে বাজে, ‘সত্যবতীকে সুন্দরী বলা বোধহয় চলে না, না?’ এরপর আরো একবার বলেছিল, ‘দেখেছি তার দুটি হরিণ চোখ।’ এই দুটি কথা আমার খুবই প্রিয়।
সে যাই হোক, এরপর তদন্ত করতে করতে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সত্যবতীর ভাই সুকুমারকে। দাদার জন্য সত্যবতী বেকুল হয়ে উঠে। ছুটে আসে ব্যোমকেশের দ্বারে। কিন্তু সকল প্রমাণ তো সুকুরমারকেই ইঙ্গিত করছে! সেই ছুঁচ-সুতো; যা সত্যবতীর ঘর থেকে নেওয়া হয়ে��ে, সেই লাল পেন্সিলে দাগানো মেডিকেল বই; যেটা সুকুমারের ঘরেই রয়েছে, ফণীর নামে নতুন উইল; যেটা সুকুমারের ঘর থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে, খু নে র প্রক্রিয়া; যেটা একজন মেডিকেলের স্টুডেন্টেরই একমাত্র জানার কথা আর সুকুমার এবার মেডিকেলে পঞ্চম সেমিস্টারে পড়ে। শুধু একটা হিসেবই মিলছে না। লাল পেন্সিল আর ক্লোরোফর্মটা গেল কোথায়? দোষী যদি সুকুমারই হয় তাহলে সব প্রমাণের সাথে সাথে তো এগুলোও পেয়ে যাওয়ার কথা! সাথে সাথে আরেকটা খটকাও লাগে। একজন খু নি যে কিনা তার বিরুদ্ধের সকল প্রমাণ গোছগাছ করে নিজেরই রুমে রেখে দিবে? ব্যাপারটা একটু বেশিই কাকতালীয় হয়ে গেল না? এরপর শুরু হয় ব্যোমকেশের নতুন তদন্ত। আবারও বেরিয়ে আসতে থাকে একের পর এক রহস্য। নতুন উইলে ফণীর নাম থাকলেও সাক্ষীর স্থান ফাঁকা কেনো? সন্দেহের তালিকা থেকে কাউকেই বাদ দেওয়ার উপায় নেই। সবারই ছোটখাটো স্বার্থ লুকিয়ে আছে করালীবাবুর মৃ ত্যু তে। কি হয় এরপর? ব্যোমকেশ কি এই কেসের শেষ দেখতে পারে? সত্যবতীর ভাইকে কি নির্দোষ প্রমাণ করা যায়? সে কি আসলেই নির্দোষ? নাকি এর পেছনে আছে আরো কোনো সত্য!
ব্যোমকেশ সমগ্রের এই নিয়ে পাঁচটা গল্প পড়লাম। সবচেয়ে বেশি এটাই ভালো লেগেছে। গল্পটা যেমন ইন্টারেস্টিং, তেমনই অদ্ভুত ব্যোমকেশ আর সত্যবতীর দেখা হওয়া। তার থেকে বেশি মজা লেগেছে ব্যোমকেশ ও অজিতের একে অপরকে পিঞ্চ করার ব্যপারটা। ধীরে ধীরে অজিত, ব্যোমকেশ ও সত্যবতীর প্রেমে পড়ে যাচ্ছি!
এই গল্পের শেষটাই বেশি সুন্দর ছিল। অজিত আর ব্যোমকেশের ছোট্ট একটা কথোপকথন। আমার খুবই ভালো লেগেছে। এখানে আমি বলতে অজিতকে মিন করা হয়েছে।
আমি বলিলাম, ‘তোমার গোপনীয় মক্কেল তো ভারী শৌখিন লোক দেখছি, সিল্কের পাঞ্জাবী পরা ডিটেকটিভ না হলে মন ওঠে না।’ এসেন্স-মাখানো রুমালে মুখ মুছিয়া ব্যোমকেশ বলিল, ‘হুঁ। সত্য অন্বেষণ তো আর চাট্টিখানি কথা নয়, অনেক তোড়জোড় দরকার।’ আমি বলিলাম, ‘সত্য অন্বেষণ তো অনেকদিন থেকেই করছ, কই, এত সাজ-সজ্জা তো কখনো দেখিনি।’ ব্যোমকেশ একটু গম্ভীর হইয়া বলিল, ‘সত্য অন্বেষণ আমি অল্পদিন থেকেই আরম্ভ করেছি। ‘তার মানে?’ ‘তার মানে অতি গভীর। চললুম।’ মুচকি হাসিয়া ব্যোমকেশ দ্বারের দিকে অগ্রসর হইল। ‘সত্য-ওঃ।’ আমি লাফাইয়া গিয়া তাহার কাঁধ চাপিয়া ধরিলাম—‘সত্যবতী! এ ক'দিন ধরে ঐ মহা সত্যটি অন্বেষণ করা হচ্ছে বুঝি? অ্যাঁ—ব্যোমকেশ! শেষে তোমার এই দশা। কবি তাহলে ঠিক বলেছেন—প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে।’ ব্যোমকেশ বলিল, ‘খবরদার! তুমি আমার চেয়ে বয়সে বড়, অর্থাৎ সম্পর্কে তার ভাশুর। ঠাট্টা-ইয়ার্কি চলবে না। এবার থেকে আমিও তোমায় দাদা বলে ডাকব।’ জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘আমাকে এত ভয় কেন?’ সে বলিল, ‘লেখক জাতটাকেই আমি ঘোর সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখি।’ দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিলাম, ‘বেশ, দাদাই হলুম তাহলে।’ ব্যোমকেশের মস্তকে হস্তার্পণ করিয়া বলিলাম, ’যাও ভাই, চারটে বাজে, এবার জয়যাত্রায় বেরিয়ে পড়। আশীর্বাদ করি, সত্যের প্রতি যেন তোমার অবিচলিত ভক্তি থাকে।’ ব্যোমকেশ বাহির হইয়া গেল।
ব্যাপারটা কিউট না? একজন বন্ধু প্রেম পড়েছে আর অন্যজন কি মধুরভাবে তাকে খোঁচা দিচ্ছে। তাদের এই অদ্ভুত মিষ্টি ঝগড়ার জন্য হলেও এক্ষুণি পুরো সমগ্রটা পড়ে ফেলতে ইচ্ছা হচ্ছে আমার।
📜 Story Summary: Arthamanartham The story begins when Byomkesh and the narrator (Ajit) are summoned by Bidhubabu to investigate a murder.
The Crime and Initial Investigation The victim is Karalibabu, the elderly, wealthy, and ill-tempered head of the house. He was murdered in his sleep by a novel method: a needle inserted into his neck, precisely between the medulla and the first vertebra.
Karalibabu was known for constantly changing his will. His household consists of five relatives he supported: his three nephews (Motilal, Maakhanlal, and Phanibhushan) and his wife's relations, Sukumar and Satyabati.
The police, led by Bidhubabu, immediately suspect the nephew Motilal. Motilal had a furious argument with Karalibabu about the will the day before and was seen by the servants sneaking out of the house late at night. However, Motilal is quickly found at a brothel , and Byomkesh is certain he is not the killer.
Byomkesh's Clues Byomkesh's investigation reveals several key clues:
The victim was first subdued with chloroform, as evidenced by small marks around his nose.
The murder needle still had thread in it and was likely taken from Satyabati's sewing box. Her thimble is also missing.
The most recent will, made two days before the murder, names Sukumar, a medical student, as the sole heir.
In Sukumar's room, Byomkesh finds a copy of Gray's Anatomy with a passage detailing the exact murder method marked with a red pencil. The red pencil itself is missing.
The Second Suspect A police search of Sukumar's room uncovers a bottle of chloroform and a new, hidden will, dated the day of the murder. This latest will disinherits Sukumar and names the lame nephew, Phanibhushan, as the heir. Believing Sukumar killed his uncle to prevent this new will from being finalized, the police arrest him.
Satyabati's Confession A distraught Satyabati visits Byomkesh, insisting her brother Sukumar is innocent. She confesses what she saw on the night of the murder:
She heard a noise from her brother's room, who she thought had returned from the cinema.
About 15 minutes later, she saw Sukumar, shoeless, walking stealthily in the corridor. Just then, the clock struck twelve.
Fearing something was wrong, she went to Karalibabu's room. It was dark, but she smelled a sweetish scent (chloroform).
She turned on the light and found her uncle dead, discovering the needle in his neck when she touched his pillow.
Terrified that her brother was the murderer, she kept silent.
The Resolution Byomkesh proves Sukumar's innocence by recreating his timeline: he went to the "Chitra" cinema and could not have physically made it back to the house by the time Satyabati saw the figure at midnight.
Byomkesh confronts the real killer: Phanibhushan.
He points out that the newest will (naming Phani) is legally worthless, as it has no witness signatures.
The "figure" Satyabati saw was Phani, who had just planted the will and chloroform in Sukumar's room to frame him.
The noise Satyabati heard earlier was not Sukumar's return, but Phani dragging a box.
The red pencil used to mark the anatomy book is found in Phanibhushan's room.
The final proof: Phani had used Satyabati's thimble to push the needle in and, in his haste, forgot to remove it from the victim's finger.
Cornered, Phanibhushan commits suicide by drinking poison. He leaves a confession note, admitting he killed Karalibabu for the money and because his uncle mocked his disability. He admits to stealing the needle and thimble and getting Maakhanlal to buy him chloroform under false pretenses.
Epilogue Sukumar is released and inherits the estate based on the last valid will. The story ends with Byomkesh preparing to go out, dressed in his finest. He admits to Ajit that he has been "investigating" Satyabati, implying a romantic courtship has begun.
This entire review has been hidden because of spoilers.
না, ব্যোমকেশের এই গল্পটি একেবারেই ভালো লাগল না। গোয়েন্দা গল্প হিসেবে অতি সাধারণ মানের গল্প। আসল অপরাধী কে, তা খুব দ্রুতই ধরে ফেলা যায়। এছাড়া লেখক গল্পে পুলিশের ডেপুটি কমিশনারের চরিত্রটি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা একদমই ভালো লাগল না।
কিন্তু এই গল্পটির মাধ্যমে লেখক মহাশয় পাঠকদের যে বার্তাগুলো দিয়েছেন তা সত্যিই ভালো ছিল। তার মধ্যে দুটো বলছি- এক.অর্থই সকল অনর্থের মূল। দুই.প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কখনোই হাসি-ঠাট্টা করতে নেই। কারণ এর ফল ভালো হয় না।
এছাড়া এই গল্পেই সর্বপ্রথম সত্যবতী তথা ব্যোমকেশের নায়িকার আবির্ভাব ঘটে। তাছাড়া, আরও একটি বিশেষ জিনিস লক্ষ্য করলাম এই গল্পটি পড়ার সময়।
তা এই যে, গল্পের নায়ক ব্যোমকেশ বক্সী নিজেকে গোয়েন্দা বলতে নারাজ। নিজেকে সে সত্যান্বেষী বলে পরিচয় দেয় আর ওদিকে তার নায়িকার নাম সত্যবতী। আরও সহজ করে বললে, সত্যান্বেষীর নায়িকা সত্যবতী! লেখক মহাশয়ের তারিফ না করে থাকা যায় না।
এই গল্প দিয়েই সত্যবতীর আবির্ভাব । সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বাবু বেশ কিছু দিন বৈকেল বাহিরে যাচ্ছেন অজিত বাবু ভেবেছিলেন সে বোধহয় কোনো গোপন কেইসে ব্যস্ত তাই হয়তো এরকম করে বেড়িয়ে পরা। এদিকে ব্যোমকেশ যে সত্য অন্বেষন করে যাচ্ছেন । এই হচ্ছে অর্থমনর্থম গল্পের পরিশেষের একটু অংশ । করালীবাবুর খুনের রহস্যের সমাধা করতে গিয়ে সত্যান্বেষী বাবু আরেকটি মহা সত্য আবিষ্কার করে বসে থাকেন। আ
This is the book where Byomkesh meets Satyawati for the first time.Well,we get a little glimpse of romantic Byomkesh in this book.
Satyawati's uncle Karalibabu was murdered in a suspicious way.Byomkesh was appointed to solve the cash.The prime suspects were three brothers of Satyawati.In certain times,each brother feels like the criminal but the end was good and unexpected.
আরও একটি পূর্বানুমান করার মতো গল্প। ব্যোমকেশ করালীবাবুর গৃহে অবস্থানরত চরিত্রগুলোর সঙ্গে পরিচিত হবার পর পরই সন্দেহ মোক্ষম ব্যক্তিটির উপর গিয়ে পড়েছিলো। গল্পের বাকি অংশ পড়ে মিলিয়ে নিলাম।