Jump to ratings and reviews
Rate this book

আরোগ্য নিকেতন

Rate this book
Arogyaniketan, a novel with an off beat theme is set, like most stories of Tarashankar Bandyopadhyay, in the red soil of Birbhum. On one level the theme is a clash between the old and the new, between traditional medicine and the Western system of allopathy. The traditional system of Ayurveda, Iiterally the Veda concerning life, is based on the Hindu concept of rebirth and the dignity of death, with the belief that death is only a part of the continuous process of renewal which goes on in life. But no modern doctor would be willing to accept death as a means of the graceful exit. He would consider it morally wrong to let a patient meet his end without a fight.

But it is not just a clash of values that the novel is concerned with. On a deeper level the theme is man's confrontation with death and his attempt to come to grips with it. The author looks at the human weakness with tenderness and sympathy. Also, there is an effort to overcome the fear of death, and all this makes this novel a great work of art. In a novelist of the range and depth of Tarashankar Bandyopadhyay, the local gradually merges into the universal. What stands out is the essential human experience which moves the reader anywhere.

304 pages, Paperback

First published January 1, 1953

47 people are currently reading
649 people want to read

About the author

Tarashankar Bandyopadhyay

130 books288 followers
Tarashankar Bandyopadhyay (Bangla: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়) was born at his ancestral home at Labhpur village in Birbhum district, Bengal Province, British India (now West Bengal, India). He wrote 65 novels, 53 story-books, 12 plays, 4 essay-books, 4 autobiographies and 2 travel stories. For his novel Arogyaniketan, he received the Rabindra Puraskar in 1955 and the Sahitya Akademi Award in 1956. In 1966, he received the Jnanpith Award for his novel গণদেবতা. He was honoured with the Padma Shri in 1962 and the Padma Bhushan in 1969.

Tarasankar is one of those writers of the third decades of the twentieth centuries who broke the poetic tradition in novels but took to writing prose with the world around them adding romance to human relationship breaking the indifference of the so called conservative people of the society who dare to call a spade a spade. Tarasankar’s novels, so to say, do not look back to the realism in rejection, but accepted it in a new way allowing the reader to breathe the truth of human relationship restricted so far by the conservative and hypocrisy of the then society.

He learned to see the world from various angles. He seldom rose above the matter soil and his Birbhum exists only in time and place. He had never been a worshipper of eternity. Tarasankar’s chief contribution to Bengal literature is that he dared writing unbiased. He wrote what he believed. He wrote what he observed.

His novels are rich in material and potentials. He preferred sensation to thought. He was ceaselessly productive and his novels are long, seemed unending and characters belonged to the various classes of people from zaminder down to pauper. Tarasankar experimented in his novels with the relationships, even so called illegal, of either sexes. He proved that sexual relation between man and women sometimes dominate to such an extent that it can take an upperhand over the prevailing laws and instructions of society. His novel ‘Radha’ can be set for an example in this context.

His historical novel ‘Ganna Begum’ is an attempt worth mentioning for its traditional values. Tarasankar ventured into all walks of Bengali life and it’s experience with the happenings of socio-political milieu. Tarasankar will be remembered for his potential to work with the vast panorama of life where life is observed with care and the judgment is offered to the reader. and long ones, then any other author. He is a region novelist, his country being the same Birbhum. He mainly flourished during the war years, having produced in that period a large number of novels and short stories.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
199 (56%)
4 stars
120 (33%)
3 stars
25 (7%)
2 stars
5 (1%)
1 star
4 (1%)
Displaying 1 - 30 of 57 reviews
Profile Image for Antu Paul.
114 reviews82 followers
April 28, 2025
এক সাবেকি চিকিৎসকের জীবনী-উপন্যাস আরোগ্যনিকেতন। পুরো উপন্যাস জুড়ে মৃত্যু-জরা-ব্যাধির বিষণ্ণতা কিন্তু তারাশঙ্করের ছোঁয়ায় কাহিনীতে উত্তেজনারও কমতি নেই।

সারা দুনিয়ায় বিশ শতক চিকিৎসাশাস্ত্রে বিশাল বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দেয়। যে রোগের কারণ নিয়ে এত গল্প-কিচ্ছা তার স্বরূপ আজ দেখা যাচ্ছে অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নীচে, অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ আগুনে জল দিচ্ছে! সে পরিবর্তনে দুই প্রজন্মের চিকিৎসকদের দ্বন্দ্ব স্বাভাবিক বিষয়।

দেবীপুর গ্রামের তিন পুরুষের চিকিৎসা-ব্যবসায়ী মশায় বংশের নিভু-নিভু চিকিৎসালয় আরোগ্যনিকেতন। বৃদ্ধ জীবনমশায় এখনও এর হাল ধরে রেখেছেন। বৃদ্ধের স্মৃতিতারণে তাঁর কৈশোর থেকে চড়াই-উতরাইয়ের গল্পের সাথে বর্তমান প্রজন্মের পাশ করা ডাক্তার প্রদ্যোতের লড়াই নিয়ে এগিয়েছে গল্প। তার চলার পথে প্রতিদ্বন্দ্বী এই নতুন তা নয়।
নাড়ী দেখে রোগীর রোগ নির্ণয়ে জীবন মশাই সিদ্ধহস্ত; মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর নাড়ী দেখে তার মৃত্যুক্ষণ নির্ভুলভাবে নির্ণয়েও তাঁর ’নাম’ আছে। কিন্তু যুগ পাল্টেছে; চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে সেই মৃত্যুকে আজ সহজে মেনে নেওয়ার দিন ফুরিয়েছে। রোগীর এই নিদান হাঁকা (মৃত্যুক্ষণ নির্ধারণ) তার শেষ জীবনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াল। হাসপাতালের প্রদ্যোত ডাক্তার তো মশায়কে পুলিশে সোর্পদ করে! মৃত্যুর সময় ডাক্তার যদি আগেই বলে যায় তাহলে তা রোগীর বাঁচার আশাটাই মেরে ফেলে।
পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল যে রোগীর মৃত্যুই জীবনমশায়ের বিজয়!

পাঠের অনুভূতি নিয়ে বেশি কিছু বলার দরকার নেই। একটা মাস্টারপিস উপন্যাস পড়লে খুব বেশি কিছু বলার ভাষা পাইনে। তার উপরে উপন্যাসের বিষয়বস্তুও এত বিচিত্র। তবে এ গল্প জীবনকাহিনী হিসেবে অতুলনীয় হলেও নিরপেক্ষ নয়।
Profile Image for Harun Ahmed.
1,667 reviews429 followers
September 3, 2025
তারাশঙ্কর ঔপন্যাসিক। সেইসাথে তিনি মননে একজন প্রথমসারির সমাজবিজ্ঞানী ও নৃতত্ত্ববিদ। সময় ও সমাজের স্বরূপ এবং বিবর্তনের ধারা তিনি যেভাবে তীক্ষ্ণ চোখে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তার জুড়ি মেলা ভার। "আরোগ্য নিকেতন" এর কেন্দ্রে আছে প্রবীণ ও নবীন ডাক্তারের মধ্যকার বিরোধ। তারাশঙ্কর আসলে এর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন নতুন ও পুরনোর চিরায়ত দ্বন্দ্ব (লেখকের মমত্ব অবশ্য পুরনোর প্রতিই।) শিল্পমান বজায় রেখে জমজমাট গল্প লেখা তারাশঙ্করের স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্য। এ কাহিনিতে সমাজ বিশ্লেষণ, ভাঙন ও নতুনের অপ্রতিরোধ্য উত্থানের বিবরণ আছে; সেইসাথে আছে একটি নিটোল ও উত্তেজনাপূর্ণ গল্প।
Profile Image for Fahad Amin.
172 reviews9 followers
July 17, 2025
প্রথম দিকে আর দশটা সামাজিক উপন্যাসের মতো মনে হলেও শেষের দিকে অসাধারণ মনে হলো। সাবেকী ঘরানার কবিরাজি চিকিৎসা বনাম আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা। এ যেন প্রাচীনের সাথে আধুনিকতার বিবাদ!

তারাশঙ্করের নিপুণ লেখায় তা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। নিঃসন্দেহে অসাধারণ এক মাস্টারপিস আরোগ্য নিকেতন!
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews239 followers
September 25, 2025
কিছুদিন আগে একটা ওয়েব সিরিজ দেখেছিলাম, গ্রাম চিকিৎসালয়। অইখানের কনসেপ্ট মোটামুটি এই রকম, গ্রামে স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে কিন্তু গ্রামাঞ্চলে কোন ডাক্তার পোস্টিং নিয়ে থাকতে চায় না। তার ফলে এলাকায় জনৈক চিকিৎসক আছেন (যিনি আবার রোগীর কাছ থেকে কী সমস্যা শুনে গুগলে সার্চ দিয়ে ডায়াগনোসিস করেন) তো এই বিশিষ্ট চিকিৎসক নিয়েই গ্রামবাসী খুশি। প্রথম প্রথম গ্রামে এসে বেচারা ডাক্তারের শুধুমাত্র একটা রোগী পাওয়া নিয়ে সে কি কষ্ট! অবচেতন মনে ডাক্তার সেই হাতুড়ে ডাক্তারকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী বানিয়ে ফেলেন। ধীরে ধীরে এসব সংঘাত নিয়ে সিরিজের কাহিনি এগিয়ে যায়।


তারাশংকরের আরোগ্য নিকেতন সেই ১৯৫৩ সালের দিকে লেখা। একটু ডিফ্রেন্ট কিন্তু কতোটা আধুনিক! মানে উনাকে যে সেরা বলা হয়... সেটা উনার লেখা পড়লেই বুঝা যায়। মূলত গল্পটা আধুনিক চিকিৎসক আর প্রবীণ কবিরাজের দ্বন্দ্ব নিয়ে। সদ্য পাশ করা প্রদ্যোত সেবা করার মনমানসিকতা নিয়ে এসেছে গ্রামে। এসেই দেখে গ্রামে হাতুড়ের উৎপাত (অন্তত তার দৃষ্টিতে) রোগী সহজে হাসপাতালে আসতে চায় না, এলেও টেস্ট বা ঔষধপত্রের দাম নিয়ে ভয় করে ইত্যাদি ইত্যাদি। শুরু হয় প্রদ্যোতের সংগ্রাম। এখন যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম সেই বিশিষ্ট কবিরাজ জীবন মশায় প্রবীণ এবং প্রাচীন, তিন পুরুষ ধরে চিকিৎসক। নাড়ি ধরেই বলে দিতে পারেন অসুখের ধরণ ধারন। কবে নাগাদ সুস্থ হতে পারে কিংবা আদৌ সে সুস্থ হবে কি না। মৃত্যুকাল বলে দিতে পারার জন্য ভদ্রলোকের নামডাক রীতিমতো কিংবদন্তিসম। প্রাচীন চিকিৎসা বনাম আধুনিক চিকিৎসা, প্রদ্যোত ডাক্তারের যুদ্ধাংদেহী মনোভাবের বিপরীতে জীবন মশায়ের নির্লিপ্ত মনোভাব পুরো উপন্যাসটাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

সুন্দর মানে বেশ সুন্দর। একটু বয়স্ক যারা আছেন, তারা একটা কথা প্রায়ই বলেন, আমাদের সময় তো এতো টেস্ট ফেস্ট ছিল না। চিকিৎসা কি তখন হয় নাই? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসাতেও এসেছে পরিবর্তন। আবার দেখা গেছে জীবন মশায়ের মতো দুর্লভ কবিরাজ কিংবা চিকিৎসক কালের সাথে তাল মেলাতে না পেরে যেমন হারিয়ে গেছেন ঠিক তেমনিভাবে হারিয়ে গেছে তাদের চিকিৎসা পদ্ধতিটা। এই বইকে কাহিনিটাকে যদি বিবর্তন বলে থাকি, খুব একটা ভুল মনে হয় না হবে।
Profile Image for P..
528 reviews124 followers
April 13, 2021
3.5 * Spoilers ahead.

தமிழின் சில இலக்கிய வட்டாரங்களில் இந்தியாவின் மிகச்சிறந்த நாவல்களில் ஒன்றாக அறியப்படும் ஆரோக்கிய நிகேதனம் 1953ல் தாராசங்கர் பந்தோபாத்யாய அவர்களால் எழுதப்பட்டது. பல விருதுகளையும் உடனடியாகப் பெற்றதாகத் தெரிகிறது. பின்னட்டையில் ஆசிரியர் குறிப்பைப் படிக்கும் போது இவர் 65 நாவல்கள், 53 சிறுகதைத் தொகுப்புகள், 12 நாடகங்கள், 4 கட்டுரைத் தொகுப்புகள் என எழுதிக் குவித்திருப்பது தெரிய வந்து மலைத்தேன் (இவ்வளவு எழுதியது போதாதென்று அரசியலிலும் ஈடுபட்டுள்ளார்; இசைத்துறையிலும் இவரது பங்கு உள்ளது). ஒருவரால் தன் வாழ்நாளில் எப்படி இவ்வளவு எழுத முடிகிறது? 65 நாவல்கள் எழுதுவதற்கான வாழ்க்கை அனுபவத்தைப் பெற்று, அவற்றை எழுதி முடிக்க அசாத்தியுமான திறமையும் ஆற்றலும் இருந்திருக்க வேண்டும். இத்தகவல் உண்மை தானா என்று தேடினால் அவருடைய வியத்தகு wikipedia பக்கம் அதனை உறுதிப்படுத்துகிறது. வழக்கமாக இவ்வளவு எழுதிக்குவிப்பவர்கள் தரமான இலக்கியத்தைப் படைப்பது அரிது. இந்நாவலைப் போலவே அவரின் மற்றவைகளும் இருக்குமானால் ஒரு சாதனை தான். திகைப்பிலிருந்து மீள்வோமாக.

தொட���்கதைகளாக வந்து பிறகு நாவலாக பிரசுரிக்கப்படும் நூல்கள் மீது எனக்குப் பெரிதும் நாட்டம் கிடையாது. தமிழில் 90களுக்கு முன் வந்த நாவல்கள் க��ட்டத்தட்ட அனைத்தும் இவ்வாறாக வெளிவந்தவையே. நாவல் வடிவத்தின் முழுமை அக்கதைகளில் தென்படுவது அரிது. பொய்த்தேவு, கடலுக்கு அப்பால், புயலிலே ஒரு தோணி, கடல்புரத்தில், ஜே ஜே போன்ற விதிவிலக்குகள் உண்டென்றாலும் நான் வாசித்த தமிழ் நாவல்கள் யாவும் (பொதுவாக திஜா, சுஜாதா நாவல்கள், சுராவின் புளியமரத்தின் கதை கூட) இக்குறை கொண்டிருந்தன. ஆனால், 50களில் வெளிவந்த இந்த தொடர்கதை (அவ்வாறே வெளிவந்திருக்கும் என்று ஊகிக்கிறேன்) புதினம் என்ற வடிவத்திற்கான நேர்த்தியும் வீச்சும் பெற்று ஒரு முழுமையான வாசிப்பனுபவத்தைத் தருகிறது.

புதிதாக சுதந்திரம் பெற்ற இந்தியாவே கதைக்களம். கல்கத்தாவிற்கு 200 மைல் தொலைவிலுள்ள ஒரு சிறிய வங்க கிராமத்தில் கதை விரிகிறது. நலிந்த நிலையில் செயல்பட்டுக் கொண்டிருக்கும் ஆரோக்கிய நிகேதனம் பழமைக்கும் புதுமைக்கும் நடைபெறும் மோதலில் ஆட்டம் கண்டு தத்தளித்துக் கொண்டிருக்கிறது. மொத்த இந்தியாவிற்கான குறியீடு இந்த நிகேதனம். பழையன கழிதலும் புதியன புகுதலும் என்றுமே தவிர்க்க முடியாத நிதர்சனம் என்பதற்கேற்ப சுதந்திரம் பெற்ற நாட்டில் எல்லாம் மாறி வருகின்றன. மக்களின் வாழ்வுமுறை, நம்பிக்கைகள், அடிப்படை வசதிகள், வைத்திய முறைகள் என அனைத்தும் நாடெங்கும் அசுரவேகத்தில் வளர்ச்சி அடைந்து வந்த காலத்தில் கதை ஊன்றியிருக்கிறது. பரம்பரை வைத்தியரான ஜீவன் மஷாய் மரபு சார்ந்த வைத்தியத்தை பின்பற்றி இந்த வைத்தியசாலையை நடத்துகிறார். அவரின் நினைவோட்டமும் உணர்ச்சிகளும் கலந்து சீறும் பிரவாகமே இப்புதினம்.

நாடி பரிசோதனை மூலம் நோயாளிகளின் உடல்நிலையை அளவிடுவது, நோய்களைக் கண்டறிவது, அவற்றின் வீரியத்தை நிர்ணயிப்பது, நிலைமை மோசமாக இருந்தால் மரணம் நிகழக்கூடிய நேரத்தை துல்லியமாக கணிப்பது (மரணம் அருகில் இருந்தால் கங்கை கரைக்கு செல்லத் தூண்டுகிறார்), மூலிகைகளின் மூலம் சில ரோகங்களை குணப்படுத்துவது என தேர்ந்த மருத்துவர் மஷாய். தன் சுற்றுவட்டாரத்திலேயே மிகவும் பிரசித்தி பெற்ற வைத்தியராய் விளங்கிய மஷாய், சொந்த முயற்சியால் அலோபதியும் கற்று தன் மருத்துவஞானத்தை வளர்த்துக் கொண்டவர். மரபிற்கும் நவீன மருத்துவத்திற்கும் இடையே ஏற்படும் சிக்கல்களே மத்திய கருவாகிய இக்கதையில் மரபின் பிரதிநிதியாக வரும் மஷாய், மரபை மிகவும் மதித்தாலும் நவீனமுறைகளின் மீதும் நம்பிக்கையும் ஆர்வமும் கொண்டவர். நாடி பரிசோதனை, ஆயுர்வேதம், சித்த மருத்துவம், கைவைத்தியம், அலோபதி ஆகிய அனைத்தையும் கலந்து நோயாளிகளுக்கு சிகிச்சை அளிக்கும் மஷாய், தன் திறமையாலும் கருணையாலும் மக்கள் மீது கொண்ட அக்கறையாலும் தனித்து விளங்குகிறார். தன் தொழிலை லாபத்திற்காக மேற்கொள்ளாமல் மக்கள் நலத்திற்காக சிரமேற்கொண்டு செயகிறார். பலர் - செல்வம் படைத்தவர்கள் கூட - அவரது பெருந்தன்மையைப் பயன்படுத்திக்கொண்டு அவருக்கான கட்டணத்தைத் தராமல் அலைக்கழிக்கிறார்கள். இதனால் அவரது சொத்துக்களும் குறைந்தவண்ணம் உள்ளன. வருமானம் குறைவால் அவரது மனைவியுடன் சண்டைகளும் அதிகரிக்கின்றன. தன் குலத்தில் பிறந்ததால் எக்கஷ்டம் வரினும் மருத்துவம் செய்வதே தன் பிறவியின் ஒரே நோக்கம்/கடமை என்று மஷாய் விடாப்பிடியாக இருப்பதால், மரபைப் பின்பற்றுவதில் உதாரண புருஷனாய் திகழ்கிறார்.

காலங்காலமாக ஆயுர்வேத/சித்த வைத்திய முறைகளையே மக்கள் நம்பியிருந்தாலும், புதிதாகத் தொடங்கப்படும் அலோபதி மருத்துவமனைகளாலும் அரசின் முயற்சிகளாலும் மக்கள் நவீன மருத்துவத்தின்பால் ஈர்க்கப்படுகின்றனர். இதனால் மஷாயின் வைத்தியசாலைக்கு வருபவர்களின் எண்ணிக்கை படிப்படியே குறைகிறது.

அத்துடன், நாடி பரிசோதனை செய்து நிலைமை மோசமாவதை உணர்ந்தால் உடனே மரணத்திற்கான நாளை முன்னறிவிக்கும் மஷாயின் போக்கு மக்களிடையே கடும் அதிருப்தியையும் கோபத்தையும் கிளறுகிறது. நடைமுறை அதுவரை அவ்வாறே இருந்தாலும், நோயை குணப்படுத்த முயலாமல் கையை விரிப்பது மேலும் மக்களை நவீன மருத்துவத்திடம் உந்துகிறது. இதனால் போகப்போக மஷாய் இவ்வழக்கத்தை நிறுத்திக் கொள்கிறார். சர்ச்சைக்குரியதாக இருந்தாலும் கூட சிலர் அவரது கணிப்புகள் மீது ஆழ்ந்த நம்பிக்கை கொண்டு அவரை நாடுகிறார்கள். நாடியின் மூலம் ரோகத்தை நிர்ணயிக்கும் இவரது ஆற்றல் சில சமயம் நவீன மருத்துவத்தையும் மிஞ்சி விடும் உதாரணங்கள் தொடர்வதால் முற்றிலும் இவ்வழக்கத்தை அவரால் துறக்க முடியவில்லை. நுண்ணுணர்வும் யூகமும் நாடி பரிசோதனையில் பெரும்பங்கு வகிப்பதால், அறிவியல் அடித்தளம் இல்லா அதன் தகுதியை அங்கீகரிக்க நவீன மருத்துவர்கள் தயங்குகிறார்கள். அதுவரை அவரிடம் இலவச சிகிச்சை பெற்று வந்த சிலரே அவரை ஆடுமாடு டாக்டர் புல்பூண்டு டாக்டர் என ஏளனம் செய்கிறார்கள். அவரிடம் degree இல்லாததை அடிக்கடி சுட்டிக்காட்டும் சிலர் அவரை பாஸ் பண்ணாத டாக்டர் என இழிக்கின்றனர். அவருடைய முதுமையை சுட்டிக்காற்றி அவருடைய தகுதியின் மீது தொடர்ச்சியாக சந்தேகங்கள் எழுப்புகிறார்கள்.

மரபின் மேல் நம்பிக்கையின்மை நிலைப்பதற்கு காரணங்களும் இல்லாமல் இல்லை. அவற்றின் ஆதார தத்துவங்களிலேயே சிக்கல்களும் பிரச்சனைகளும் பல உள்ளன. மூடநம்பிக்கைகள், மதம்சார் எண்ணங்கள் ஆகியவற்றுடன் சிக்குண்டு நோயை குணப்படுத்துவதில் பெரிதும் அக்கறையோ வெற்றியோ இல்லாமலே அம்முறை தொடர்ந்து வந்துள்ளது. முன்ஜென்மங்களிலோ இஜ்ஜென்மத்திலோ செய்த பாவபுண்ணியங்களாலேயே ரோகங்கள் தோன்றுகின்றன; வயதாகிவிட்டாலோ நோய் முற்றிவிட்டாலோ கர்ம வினைப்படி அந்நோயாளி இறந்து தான் போக வேண்டும், அவருக்கு சிகிச்சை பலனளிக்காது, எனவே சிரமப்பத் தேவையில்லை - இவ்வாறான problematic ideas மரபுசார் சிந்தனைகளில் அடர்ந்து காணப்படுகின்றன. இக்கதையில் வயதானவர்கள் (குறிப்பாக பெண்கள்) தன் நோய்களுக்கு சிகிச்சை எடுத்துக்கொள்ள முற்பட்டால் அவர்கள் விமர்சிக்கப்பட்டு, நிந்திக்கப்பட்டு மரணத்தை எதிர்ப்பில்லாமல் தழுவ நிர்பந்திக்கப்படுகின்றனர். நம் நாட்டில் மரணம் பெரிதாக கொண்டாட்டத்துடன் வரவேற்கப்படுகிறது; வாழ்வின் முக்கியக் குறிக்கோளும் பிறவியின் இறுதிக்குறிக்கோளும் இறைவனடி சேர்வதே என்ற பரந்த நம்பிக்கை ஆகியவை மரபுசார் தத்துவங்களுக்கு கைகொடுக்கிறது, நவீன சிந்தனைகளை குழப்புகிறது.

மக்கள் அதன் மீது நம்பிக்கையிழந்து அலோபதிக்கு தாவும் நேரத்திலும் கூட விஞ்ஞான ரீதியாகவோ empirical ஆகவோ தன் சிகிச்சை முறைகளையும் பெயரையும் நிறுவ பழம் மருத்துவர்கள் பெரும் அளவில் முன்வரவில்லை. ஆராய்ச்சி செய்து மேலும் முறைகளை தீவிரப்படுத்தவில்லை, முன்னேற்றவில்லை. தேக்க நிலையிலேயே தொடர்ந்த அவர்களது முறைகள் புது ரத்தம் பாய்ச்ச இளம் வல்லுநர்கள் இல்லாததால் மெல்ல சலனமின்றி அழிவதன் தடயங்கள் ஆரோக்கிய நிகேதனம் முழுதும்.

அக்கிராமத்திற்கு வருகை புரியும் பிரத்யோத் டாக்டர் நவீன மருத்துவத்தின் பிரதிநிதி. முறையான கல்வி கற்று சிகிச்சை புரியும் அவர் மிக துடிப்பானவர். நவீன முறைகளின்மீதும் மருந்துகளின் மீதும் பெரும் நம்பிக்கை கொண்டவர்; மக்கள் நலன்மீதும் அக்கறையானவர். நாடி பரிசோதனை, சித்த வைத்தியம் ஆகிய மரபான முறைகளை பரிகாசிப்பவர். மஷாய் மீது சொந்த வெறுப்பாக இந்த அவநம்பிக்கை பாய்கிறது. அவரை மிகவும் அலட்சியத்துடனும் அவமரியாதையுடனும் நடத்துகிறார். மரபில் பொதிந்துள்ள ஞானத்தை அறிய மறுப்பவர். பெண்களின் சம உரிமை மீது நம்பிக்கை கொண்டவர்; தன் மனைவியை சுதந்திரமாக செயல்படத் தூண்டுகிறவர். கிராமத்தில் செயல்படும் அலோபதி மருந்தகத்தில் மருந்துகள் கலப்படம் செய்து விற்கப்படுவதாலும், மக்களிடம் அவர்கள் கொள்ளை பணம் வசூலிப்பதாலும் ஆத்திரம் கொள்ளும் அவர், சக மருத்துவர்களுடன் இணைந்து புதிய மருந்தகத்தை நிறுவுகிறார். நேர்மை, நிதானம், திறமை கொண்டு மக்களை கவர்கிறார். மஷாய் தன் நோயாளிகளுக்கு தரும் சாவுக்���ெடுக்களை அடியோடு வெறுத்து அதை நிறுத்த முயல்கிறார்.

மஷாய், பிரத்யோத் இருவரின் இல்வாழ்க்கைகளிலும் கூட மரபும், நவீனமும் தொடர்கின்றன. இளைஞரான பிரத்யோத்தின் வீட்டில் எப்போதும் சிரிப்பும் மகிழ்ச்சியும் சுதந்திரமும் என நகரும் வாழ்க்கை, மஷாயின் வீட்டில் சண்டை சச்சரவு மன இறுக்கம் என நீள்கிறது. கட்டுப்பாடுகளாலேயே வாழ்க்கையை மரபு கட்டமைக்கிறது.

மஷாயும் பிரத்யோத்தும் சந்திக்கும், உரையாடும் தருணங்கள் அடிக்கடி நிகழ்வினும் குறிப்பிடத்தக்க ஆழமுள்ள உரையாடல்கள் அவர்களுக்குள் நிகழ்வதில்லை. மஷாயின் மீது அதீத வெறுப்பு கொள்ள பிரத்யோத்துக்கு பலமான காரணங்கள் ஏதும் இருக்கும் என்று நினைத்திருந்தேன். ஆனால் அப்படி ஏதும் கிளைக்கதைகள் இடம் பெறவில்லை. மரபான வைத்திய முறை காட்டுமிராண்டித்தனமானது; அதனை உபயோகிப்பவர்கள் தண்டிக்கப் படவேண்டும் என்பதே பிரத்யோத்தின் நிலைப்பாடாக உள்ளது. மஷாயின் திறமையைப் பார்த்து இவ்வெண்ணம் மெல்ல மாறுகிறது. இருவரும் காலப்போக்கில் தங்கள் எதிர் அணுகுமுறைகளின் பலங்களை அறிந்து நல்லிணக்கத்தோடு செயல்படுகிறார்கள். கருத்து வேறுபாடுகள் இருந்தாலும் இருவரும் மருத்துவத்தின் மீதும் மக்கள் நலன் மீதும் அக்கறையுள்ள நல்ல வைத்தியர்களாக இருப்பது இதற்கு உதவுகிறது.

மஷாயின் வாழ்க்கை ஏமாற்றங்களும் ஏக்கங்களும் நிறைந்த ஒன்றாகவே இருக்கிறது. அவரது நினைவோட்டத்தில் பெரும்பங்கு இவை எடுத்துக்கொள்கின்றன. இளவயதில் அலோபதி கற்க சந்தர்ப்பம் அமைந்தாலும் காதல் தோல்வியால் அது முடியாது போவது அவரது இரு பெரும் மனக்கசப்புகளாக பிணைந்து வருத்திக்கொண்டே இருக்கிறது. தன் தந்தையால் மருத்துவம் கற்பிக்கப்படும் மஷாய், தன் மகனுக்கு அதனை கற்பிக்கும் முன் அவன் இறந்து விடுகிறான். தான் செய்த சிகிச்சைகளில் ஏற்பட்ட தோல்விகளால் பாதிக்கப்பட்ட சிலர் விடுத்த சாபங்களால் தான் அவரது மகன் மரணமடைந்தான் என்ற எண்ணம் வேறு அவரை வாட்டுகிறது. அவரது மனவெளியின் பெரும்பகுதி இப்படி ஏமாற்றங்கள், வருத்தங்கள், சோகங்கள், குற்ற உணர்ச்சி, தன் நோயாளிகளைப் பற்றிய கவலை ஆகியவற்றின் வண்ணங்களால் தீட்டப்பட்டுள்ளது. நவீன மருத்துவத்தின் வருகை வேறு அவரை கால ஓட்டத்தினால் பின் விடப்பட்டுச் சென்றவராக அவரை உணரச்செய்கிறது. தன்னம்பிக்கையை மெல்ல இழக்கிறார்.

இந்நாவலின் முக்கிய பெண் பாத்திரங்களாக வரும் ஆத்தர் பௌவும், மஞ்சரியும் ஆழமில்லாமலேயே சித்தரிக்கப்பட்டுள்ளனர். மஷாயின் பார்வையிலேயே அவர்களின் பிம்பம் நமக்கு கிடைப்பதால், ஒற்றை பரிமாணம் தான் வெளிப்படுகிறது. அவர்களின் நிஜ சிந்தனைகளும் உணர்ச்சிகளும் பெரிதாகக் காணக் கிடைக்கவில்லை. மஷாய் மீது எரிந்து விழுவதும், அவர் குறைகளை சுற்றிக் காட்டுவதுமே ஆத்தர் பௌவின் முழு நேர வேலையாகப் படுகிறது. 12 வயதில் இவர் மீது ஆர்வம் காட்டாத மஞ்சரியை மஷாய் என்னவெல்லாமோ நினைக்கிறார். காதல் தோல்வியினால் அந்த ‘மோகினியின் மாயவலை’யிலிருந்து தப்பித்ததாக எண்ணிக் கொள்கிறார். Typical misogyny and chauvinism of those times.

மரணம், அக்கால வாழ்வில் இருந்தது போலே, இக்கதையிலும் தன் இருப்பை தீவிரமாக உணர வைக்கிறது. கிட்டத்தட்ட ஒரு living breathing பாத்திரமாக இக்கதையில் மரணம் உள்ளது. மரணம் அப்போது மலிந்து கிடந்ததாலும், சிகிச்சை பலனளிக்காமல் மரணம் அடிக்கடி ஏற்பட்டதாலும், விஞ்ஞானம் அவ்வளவு முன்னேற்றம் அடைந்திருக்காததாலும், இந்து மதத்தில் மரணம் புனிதப்படுத்தப்படுவதாலும், தன் மகனின் நினைவுகளாலும் மஷாய் எங்கு சென்றாலும் அவரின் நினைவடுக்கில் மரணம் எப்போதும் உறைந்துபோய் இருக்கிறது. வயதாக அவர் மரணத்தை பேராவலுடன் எதிர்நோக்கிக் காத்திருக்கிறார். இறுதியில் அம்மரணம் நிகழும்போது மிகவும் பரவசமடையச் செய்கிறது. நாவலின் சிறந்த பகுதிகளில் ஒன்று அது. கதையின் பல கட்டங்களில் பலவாறான மக்கள் மரணத்தை எவ்வாறு அணுகுகிறார்கள், மரண பயத்தை எப்படி கையாளுகிறார்கள் என்று நுட்பமாக உணர்த்தப்பட்டுள்ளது. மஷாய் மரணத்தை தனக்குத் தெரிந்தவர்களின் ரூபத்தில் எதிர்நோக்குகிறார். தன் மனைவியின் ரூபத்திலோ, மஞ்சரியின் ரூபத்திலோ மரணம் தன்னை சந்திக்கும் எனக் கற்பனை செய்கிறார். வாழ்வின் தொடக்கத்திலிருந்தே உடன்வரும் துணையாக மரணத்தை எண்ணுகிறார். மரணத்தைச் சூழ்வது ‘பெரும்பாழ்’ எனக் கற்பனை செய்கிறார். இறுதியில், மரணம் முற்றும் அழிந்த Great Oblivion என்னும் நிலை எனக் கண்டடைகிறார். தனக்கு இஷ்டமான பரந்தாமனின் பாதத்தை சேர்கிறார்.

12,13 வயதிலேயே தாயாகும் குழந்தைகள்;
மருத்துவம் கற்பிக்கப்படும் மொழி சமஸ்கிருதம் (இதனாலேயே உயர்சாதியினர் தவிர எவர்க்கும் அவ்வறிவு எட்டாக்கனியாக இருப்பது); மருத்துவம் சார்ந்த புராணக்கதைகள் (மரண தேவதையின் தூதர்கள் ரோகங்கள்);
நோய்கள் குணமாவதும் மோசமாவதும் - அனைத்தும் விதியே என்னும் நம்பிக்கை;
ஆயுர்வேதம் ஐந்தாவது வேதம்;
அக்காலத்தில் வைத்தியர்களுக்கு நிலவிய கடும் தட்டுப்பாடு;
அலோபதி பிரபலமாகியபோது தோன்றிய முதல் மருந்தகங்களின் நிலை;
ஆண்களை விட பெண்கள் பல மடங்கு அதிகமாக தற்கொலை செய்து கொண்டது;
இப்போதைப் போல அப்போதும் மது, புகையிலை, போதைப்பொருட்கள் ஆகியவற்றிற்கு பெருமளவில் ஆண்கள் அடிமையாகி உடல்நலத்தை சிதைத்துக்கொண்டது;
ஆண்களின் ஒழுங்கின்மையால் மனைவிகளுக்கு அதிக அளவில் பால்வினை நோய்கள் பரவியது, அதுவே புதிதாய் பிறந்த சிசுக்களுக்கும் பரவி பல உயிர்களை பலிவாங்கியது;
typhoid, மலேரியா, அம்மை, காலரா மிகவும் அச்சுறுத்திய நோய்களாக இருந்தது - இவ்வாறு அக்கால வாழ்க்கையை பற்றிய பலதரப்பட்ட தகவல்களை இப்புதினத்தின் மூலம் அறிகிறோம்.

த.நா. குமாரசாமி இப்புதினத்தை வங்காள மொழியிலிருந்து மிகவும் தெளிவாக, லாவகமாக மொழிபெயர்த்துள்ளார். இது ஒரு மொழிபெயர்க்கப்பட்ட நாவல் என்று ஊர்ப்பெயர்கள், மாந்தர்களின் பெயர்களால் மட்டுமே உணர முடிகிறது. மற்றபடி வாசிப்பில் தடைகள் ஏதும் இல்லை. சரளமாக கதை பாய்கிறது. அக்காலத்து மொழியில் புனையப்பட்ட ஒரு கதையை அக்காலத்து மொழிபெயர்ப்பில் வாசிப்பது சுவாரஸ்யத்தை கூட்டுகிறது. நேரடியாக வங்காளத்திலிருந்து மொழிபெயர்க்கப்படாதா அல்லது ஆங்கிலம்/இந்தியிலிருந்து மொழிபெயர்க்கப்படாதா என்று அறியவும் ஆவலைத் தூண்டுகிறது.

சாஹித்ய அகாதெமி வெளியிட்டதாலோ என்னவோ அசச்சுப்பிழைகள் நூற்றுக்கணக்கில். ஒரு பத்திக்கு இரு பிழைகளேனும். Don't we deserve better?

அவ்வப்போது சலிப்பு தட்டினாலும் புதினத்தின் பெரும்பகுதி நம் கவனத்தை தக்க வைத்துக் கொள்கிறது. Nonlinear வடிவம் சில குழப்பங்களை ஏற்படுத்தினாலும் அவை இறுதியில் தீர்கின்றன.

நவீன மருத்துவம் நம் நாட்டில் நுழையும் தருவாயில் மரபு சார்ந்த மருத்துவத்தின் நுட்பங்கள், நன்மைகள், தீமைகள், தத்துவங்கள், அதைச் சுற்றி கட்டமைக்கப்பட்ட வாழ்வுமுறைகள் ஆகியவற்றை அலசி ஆராய்ந்து, அதன் பலங்களையும் அதன் சரிவின் காரணங்களையும் தெளிவுபடுத்துவதில் தாராஷங்கர் வெற்றியடைகிறார். காலப்போக்கில் தன்னை புதுமைபடுத்திக் கொள்ளாத எந்த அறிவுத்துறையும், எவ்வளவு சிறப்பாக இருப்பினும், மறைவது தவிர்க்க முடியாதது என்று நாம் உணரும் போது ஆழ்ந்த சோகம் நம்மை சூழ்கிறது. மரபுக்கும் நவீனத்திற்கும், பழமைக்கும் புதுமைக்கும், விஞ்ஞானத்திற்கும் கைவைத்தியத்திற்கும், விதிக்கும் லட்சியத்திற்கும் மூளும் பெரும்சண்டையின் களமாக மஷாயின் வாழ்க���கை அமைந்து விடுகிறது. அதனால் ஏற்படும் புரிதல்கள் பிரமிக்க வைக்கின்றன.

70 வருடங்களுக்கு முன் வாழ்ந்த நம் முன்னோர்களின் வாழ்க்கையையும் மனவோட்டங்களையும் சிந்தனைகளையும் நம்பிக்கைகளையும் பண்பாட்டையும் ஆழமாகப் புரிந்துகொள்ள ஒரு direct line ஆரோக்கிய நிகேதனம். 576 பக்கங்களில் ஆயிரக்கணக்கான வருடங்களின் வாழ்க்கை அனுபவங்களை ஒரு துளியில் பிடித்துள்ளார் தாராஷங்கர்.

Profile Image for இரா  ஏழுமலை .
137 reviews8 followers
August 27, 2025
தமிழ் இலக்கிய பரப்பில் ஒரு காலகட்டத்தில் வங்க அலை வீசியது என்று பேசும் இலக்கியவாதிகள் யாருமே இந்த மகத்தான இந்திய படைப்பை பற்றி நாலு வரி எழுதி இதுவரை நான் வாசித்தது இல்லை. ஜெயமோகனின் விமர்சனம் வெளியானதற்கு பிறகு சற்று கவனம் பெற்றது இந்த நாவல். இந்திய மொழியிலேயே வெளிவந்த மிகச்சிறந்த  நாவல் இது என்று தாராளமாக குறிப்பிடலாம். ஏனென்றால் இந்திய தொன்மையையும் காவிய மரபையும் உள்வாங்கி அதை மறு உருவாக்கம் செய்து வாழ்க்கையோடு இணைத்து பெரும் நாவலாக ஆக்கி இருக்கிறார் தாரா சங்கர் பானர்ஜி. இந்த நாவலை வாசிப்பதற்கு குறைந்த அளவேனும் இந்திய காவிய மரபின், தத்துவ மரபின் அடிப்படை அறிதல் நமக்கு இருந்தே ஆக வேண்டும். அப்போதுதான் இதன் ஆழமும் கவித்துவமும் எண்ணற்ற படிமங்களால் நிரம்பி இருக்கும் இதன் அழகை நம்மால் சற்றேனும் உள்வாங்கிக் கொள்ள முடியும்.

ஜீவன் மஷாய் பாரம்பரியமான நாட்டு வைத்தியர். கிருஷ்ணதாஸ் ஸேன், தீனபந்து, ஜகத்பந்து மஷாய், ஜீவன் மஷாய் என்று தொடர்கிறது அந்த பாரம்பரியம். தேவிபுரம் என்ற சிறிய கிராமத்தில் ஆரோக்கிய நிகேதனம் (வாசல்)என்ற பழைய உளுத்துப் போன மருத்துவமனையில் நோயாளிகள் இன்றி ஜீவன் மஷாய் மருத்துவம் பார்த்துக்கொண்டு இருக்கிறார். ஒரு காலத்தில் இரவும் பகலும் கூட்டம் அல்லோல பட்ட இடம் இன்று நிசப்தமாக இருக்கிறது. காரணம் காலமாற்றத்தில் புதிதாக எழுந்து வரும் ஆங்கில மருத்துவம். மக்கள் பாரம்பரிய மருத்துவத்தை கைவிட்டு ஆங்கில மருத்துவத்தின் பக்கம் செல்லும் கால மாற்றத்தை இன்நாவல் பேசுகிறது. ஜிவன் மஷாய் நாடி பிடித்து பார்த்து நோய் நாடி அவற்றின் முதல் நாடி மருத்துவம் செய்பவர். மரணம் என்பது துன்பகரமான இந்த வாழ்வில் இருந்து மனிதனை விடுவிப்பது என்றும் பரமானந்த பரம்பொருளின் அடி சேரும் வழி என்றும் நோயோடு மனிதன் போராடலாம் ஆனால் தடுக்க முடியாது என்று நினைக்கும் மனிதர். அந்த ஊருக்கு மருத்துவமனை தொடங்கி அங்கு முதல் மருத்துவராக வரும்  பிரத்யோத் ஆங்கில மருத்துவர். மனிதனின் கடைசி நொடி முதல் மரணத்தோடு போராடி அதனை ஒத்தி போடலாம் என்று நினைக்கும் நபர். இந்த இருவருக்குள்ளும் மோதல் தொடங்குகிறது உண்மையில் இது அவர்களுக்குள்ளான மோதல் அல்ல. காலமாற்றத்தால் பழமையும் புதுமையும் , மரபும் நவீனமும் ஒன்றை ஒன்று உரசிக் கொள்கிறது.  மஷாய் ஒருவரின் நாடி பார்த்து அவரின் மரணம் எப்போது சம்பவிக்கும் என்று அறிவிக்கிறார். அந்த மனிதனுக்கு எந்தவித கடமையும் இல்லை என்றால் அதனை நாக்குசாக அறிவித்து விடுகிறார் இல்லை அவருக்கு முக்கியமான கடமைகள் இருப்பேன் ஒரு மாதமோ இரண்டு மாதமோ அந்த கடமை செய்யும் மட்டும் அவரின் மரணத்தை தனது வைத்தியத்தின் மூலம் தள்ளிப் போடுகிறார் அவருடைய வைத்திய முறை லாப நோக்கமற்றது. அவருக்கு வரவேண்டிய கடன் தொகைகள் லட்சக்கணக்கில் இருக்கிறது ஆனால் அவர் யாரையும் கட்டாயப்படுத்தி வசூலிப்பது இல்லை. மனசாட்சிக்கும் மரபிற்கும் மனித உறவைக்கும் முக்கியத்துவம் கொடுத்து மருத்துவ முறையை பார்ப்பது ஜீவனின் முறை. ஆனால் பிரத்யோத் ஆங்கில மருத்தும் நேர் எதிரானது காசு இருந்தால் மட்டும் தான் வைத்தியம் பார்க்கப்படும் மிகப்பெரிய செலவு பிடிக்கக் கூடியது ஆகவே ஏழை எளிய மக்களுக்கு மருத்துவம் எட்டாக்கனியாக இருப்பதையும் நாவல் நமக்கு குறிப்பாக உணர்த்துகிறது. இரண்டு ரூபாய் கட்டணம் வாங்கும் மஷாய் காலத்தில் ஒரு பெனீஸீசிலின் மருந்து விலை இலட்சம் ரூபாய். செலவுக்கு பயந்து கொண்டு மக்கள் இவரிடம் வருகிறார்கள்.

ஜிவன் மஷாய் அந்த மதி கொல்லனின் தாய் குளத்தங்கரையில் வழுக்கி விழுந்து காலில் அடிபட்டதை நாடி பிடித்து பார்த்து இன்னும் ஆறு மாதத்தில் உனது மரணம் நிகழும் ஆகவே நீ கங்கை கரைக்கு சென்று வா என்று கூறி வடுகிறார், காலில் அடிபட்டதை காரணமாக வைத்துக் கொண்டு அவளை பற்ற எமன் வந்து கொண்டிருப்பதை நாடியில் ஜீவன் அறிகிறார். இதை கேட்ட பிரத்யோத் கொதித்துப் போய் விடுகிறார் என்ன ஏற்கனவே நோயால் துன்பப்படும் நோயாளியிடம் போய் நீ இனிமேல் செத்துப் போய் விடுவாய் என்று அறிவிப்பதா என்ன மூடத்தனம் .இது அந்த செடி கொடி மர மட்டை வைத்திய கிழவனுக்கு மூளை  கெட்டுப் போய்விட்டதா என்று கொதித்தெழுகிறான். இதை நான் சும்மா விடமாட்டேன் அரசாங்கம் வரை கொண்டு செல்வேன் என்கிறான். தனது சொந்த மகன் மரணத்தை கூட அறிவித்தவர் அச்சே அவர். ஆனால் ஜீவன் மஷாய் மரணத்தை அறிவிப்பதை நிறுத்தவே இல்லை. ஏன் ?

ஜகத்பந்து மஷாய் ஜீவன் மஷாயை அலோபதி மருத்துவம் கற்க கல்கத்தா அனுப்புகிறார்.அங்கு ஜீவன் மஞ்சரி என்ற பெண் மீது காதல் கொள்கிறார் ஆனால் மஞ்சரி ஜமீன்தார் பையன் பூபீயை காதலிக்கிறாள் அவனையே திருமணம் செய்து கொள்கிறாள். இதனால் மிகவும் காயம்பட்ட ஜுவன் பூபீயை கடுமையாக தாக்கிவிட்டு வீடு வந்துவிடுகிறார் படிப்பு நின்றுபோகிறது .மஞ்சரி ஜீவனை நிராகரித்ததற்கு காரணம் பூபீ மேற்படிப்பு படிக்கப் போகிறான் என்பதும் ஜமைந்தாரின் பையன் என்பதும் பாரம்பரிய வைத்திய முறை மோசமானது என்ற கருத்தும் அவளிடம் இறந்தது தான். இதனால் உள்ளுற மிகவும் காயமடைந்த ஜீவன் மஷாய் தன் தந்தையிடமிருந்து   நாடி மருத்துவ முறையை கற்று தேறுகிறார். மஞ்சரியை பழிவாங்க அவளை விட சிறந்த ஒருவளை மனம் முடிக்க நினைக்கிறார் அவளை தங்கத்தால் பூட்டி அவள் முன் கொண்டு நிறுத்த நினைக்கிறார். ஆதர்-பௌ ஜீவன் மனதில் நாம் இல்லை என்று தெரிந்து கொள்கிறாள் இதனால் மசாய் மீது எப்பொழுதும் ஒரு பழிவாங்கும் எண்ணத்திலேயே அவரை ஆட்டி படைக்கிறாள். வாழ்நாள் எல்லாம் அவரை திட்டி தீர்க்கிராள்.

மஷாய் ஊர் ஊராக அலைந்து திரிகிறார், நாவலில் ஒவ்வொரு பக்கத்திலும் மரணத்தின் தூதன் வருவதையும் புராணங்கள் சொல்லும் பிங்கலகேசினியின் காலடி தடம் நோயாளிகள் நாடியில் ஒலித்துக்கொண்டே இருக்கிறது. ஆங்கில மருத்தும் கைவிட்ட நோயாளியை கூட செம்பட்டை தலைச்சி இடம் இருந்து மீட்டு குணமாக்குகிறார். ஜீவன் மருத்துவருக்கு மரணம் என்றால் என்ன அது எப்படி வரும்? ஏன் வரும் ? என்றா தேடல் இருந்து கொண்டே இருக்கிறது. மனித வாழ்வின் நிலையின்மை பிறப்பு இறப்பு இதற்கு இடையே வாழ்வின் நீர் குமிழி போன்ற கலத்தை நிலையின்மையை குறித்து கேள்வியும் பதிலும் தேடும் விதமாக நாவல் செல்கிறது. அந்த வகையில் மரணம் குறித்து தீவிரமாக ஆராயும் நாவலாகவும் இதை வாசிக்கலாம்.

மரணம் ஏற்பட காரணம் அவன் விதி கர்மா கால தூதன் வருவதற்கான வாசல் நோய் என்று ஜீவன் சொல்கிறார். மனிதன் தனது தகாத செயலாலும் தீய பழக்கத்தாலும் எமனை அழைகிறான். ஒருவன் எது இல்லாமல் வாழ முடியாது என்று நினைக்கிறானோ அது தான் அவனுக்கு காலனை அழைத்து வரும் வழி ஒவ்வொரு மனிதனுக்கும் அப்படி ஒன்று இருக்கும் என்கிறார். உணவு, மது, ஆசை இப்படி.. ஜீவனுக்கும் அப்படி ஒன்று இருந்தது என்பதை நாவலின் இறுதியில் நாம் அறிகிறோம் அது மஞ்சரி மீது அவர் கொண்டிருந்த காதல்.

மஞ்சரியின் ஊதாசினமும் புறக்கணிப்பும், நாட்டு வைத்தியம் மீது கொண்ட கேலியும் அவரை ரஜோகுணம் மிக்கவராக மன அமைதியற்ற வராக ஆக்குகிறது. அதன் காரணமாகவே ஒவ்வொருவராக நாடி பார்த்து அவர்களின் மரணத்தை ஆங்கில மருத்துவத்திற்கு எதிராக அறிவிக்கிறார் முடிந்த���ல் காப்பாற்றி காட்டுங்கள் என்று என்ற சவால் அதில் இருக்கிறது.  ராங்கால் டாக்டர் ஆற்றில் செல்லும் பிணங்கள் மற்றும் சுடுகாட்டில் இருந்து பிணங்களை எடுத்து வந்து அவற்றை அறுத்து அறுத்து தானாகவே மருத்துவம் கற்றுக் கொள்கிறார் அவரிடமே ஆங்கில மருத்துவத்தை மஷாய் அறிகிறார். அவ்வாறு பிணங்களை அறுப்பது மஷாயால் இயலாத காரியமாக இருக்கிறது அதனால் அவரை சித்த மருத்துவத்திற்கு அனுப்பி விடுகிறார்.

இறுதியில் பியோதத் கடந்த காலத்தின் மகத்தான மருத்துவ முறையின் பெருமையை உணர்கிறார். அதே நேரத்தில் மஷாய் எதிர்காலத்தில் எழுந்து வரும் மகத்தான மருத்துவ முறையின் வளர்ச்சியையும் காலத்தையும் கண்டு வியபடைகிறார். இருவரும் ஒருவரை ஒருவர் புரிந்து கொள்கிறார்கள். வாழ்க்கையின் நிலையின்மையையும் மாற்றத்தையும் மரணத்தின் புரிந்து கொள்ள முடியாத தன்மையையும் காவிய மரபோடு வாழ்வின் எதார்த்தத்தோடும் புனையப்பட்டிருக்கும் ஒரு அற்புதமான படைப்பு ஆரோக்கியம் நிகேதனம்.

அழிசி பதிப்பகம் இந்த மகத்தான நூலை இலவசமாக கொடுத்து இருந்தார்கள். அவர்கள் மிரட்டப்பட்டதால் இப்போது அவர்கள் எந்த நூலையும் வெளியிடுவது இல்லை இலவசமாக கொடுப்பதும் இல்லை என்பது வருத்தமே.
June 6, 2022
அருமையான நாவல். நல்லதொரு மொழியாக்கம். ஆனால் சாகித்திய அகாதெமி பதிப்பகத்தின் கவனக்குறைவால் மண்டிக்கிடக்கும் எழுத்துப்பிழைகள் வாசிப்பனுபவத்தை கெடுக்கிறது.
Profile Image for Musharrat Zahin.
407 reviews490 followers
June 26, 2022
দেবীপুর গ্রামের তিন পুরুষ চিকিৎসা-ব্যবসায়ী মশায়দের চিকিৎসালয় এই 'আরোগ্য নিকেতন'। ব্যবসা তিন পুরুষের হলেও বইয়ের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে জীবন মশায়কে কেন্দ্র করে।

মেডিকেল স্কুলে জীবন মশায় পড়তে গিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু 'প্রেমে অন্ধ হয়ে যাওয়া' বলে একটা ব্যাপার আছে না? ওই অন্ধ হয়ে অপমানের চোটে পড়ালেখা ছেড়ে তিনি চলে আসেন গ্রামে। বাবার কথা শুনে কবিরাজিটা শেখেন। আগেকার দিনে মানুষ সাধু-সন্ন্যাসীর কাছে বিভিন্ন টোটকা এবং কবিরাজি চিকিৎসা নিতেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে মানুষের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার প্রতি ঝোঁক বাড়তে থাকে। আর তাই জীবন মশায় পিতৃ প্রদত্ত কবিরাজির পাশাপাশি রঙ্গলাল ডাক্তারের কাছে পড়ে অ্যালোপাথিও রপ্ত করেছিল। এভাবেই আধুনিক ডাক্তারি আর পৈতৃক কবিরাজি দিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন তার 'আরোগ্য নিকেতন'। সেখানে একরকম ফি ছাড়াই গরিব মানুষদের চিকিৎসাসেবা দিতেন। ইচ্ছে ছিল তার পরবর্তী প্রজন্মও যেন এই পেশায় নামে। কিন্তু একমাত্র পুত্র বনবিহারী মারা যায় সে আশার বাতিও নিভে যায়।

তবে জীবন মশায়ের এক অদ্ভুত গুণ ছিল। তিনি মানুষের নাড়ি দেখেই বলে দিতে পারতেন রোগীর অসুখ কী বা রোগী কবে মারা যাবেন। তার এই মৃত্যুর ডাক দেওয়াকে বলা হতো 'নিদান হাঁকা'। কিন্তু এসব কবিরাজি আর কতদিনই বা চলে? আস্তে আস্তে গ্রামে শহর থেকে পাশ করে আসা ডাক্তাররা আসতে লাগলো। জীবন মশায়ের চিকিৎসা যতই কার্যকর হোক না কেন, ডিগ্রিধারী ডাক্তারের কাছে তিনি শুধুই হাতুড়ে। তারা বিজ্ঞানসম্মতভাবে রোগীর চিকিৎসা করা ছাড়া আর কোনো কিছুই চিন্তা করতে পারেন না। তখন কেবল গ্রামেগঞ্জে পেনিসিলিনের ব্যবহার শুরু হয়েছে, আস্তে আস্তে নানান রোগের নাম ও তাদের প্রতিষেধক আবিষ্কার হচ্ছে। জীবনমশায় আর কত রোগেরই বা নাম জানেন?

তাই তো গ্রামে নতুন প্রদ্যোত ডাক্তারের সাথে জীবন ডাক্তারের একটা স্নায়ুযুদ্ধ বেঁধে যায়। কারণ জীবন মশায় নাকি মৃত্যুর পদধ্বনি শুনতে পান। প্রদ্যোত ডাক্তার এসব নিদানের কথা শুনেই খেপে ওঠেন। কারণ রোগী যদি আগেই তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে যায়, তাহলে কি আর সে নিজ থেকে ভালো হতে চাইবে? তাই গ্রামে যখন ডিগ্রিধারী ডাক্তাররা এসে হেলথ সেন্টার, হাসপাতাল, ডিসপেনসারি তৈরি করতে থাকলেন, জীবন মশায়ের পসারও নিষ্প্রভ হতে থাকল। প্রদ্যোত ডাক্তারের একমাত্র লক্ষ্য জীবন ডাক্তারকে ভুল প্রমাণ করা, তার নিদান বিফলে আনা। জীবন ডাক্তারও চান প্রদ্যোত ডাক্তার তাকে ভুল প্রমাণ করুক। কারণ তিনি জানেন যে কবিরাজি দিয়ে এখন আর সব রোগের চিকিৎসা হয় না। এই বিদ্যা দিয়ে তিনি এখন বড়জোর রোগের উপশম কমাতে পারেন।

কিন্তু গ্রামের মানুষেরা কিন্তু এত আধুনিক সুবিধা পেয়েও জীবনমশায়কে ছাড়েনি। তার উপর কিছু কিছু মানুষের রয়েছে অগাধ বিশ্বাস। তাছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো অর্থও সবার নেই। গ্রামের মানুষ বিশ্বাসের উপরেই চলতে চায়। তাই আরোগ্য নিকেতন তাদের ভরসার জায়গা।
.
.
খুবই চমৎকার একটা উপন্যাস। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই ভালো লেখেন। এখানে জীবন-মৃত্যুর প্রতি বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, কবিরাজি ও আধুনিক ডাক্তারির এক অঘোষিত লড়াই, রোগ-রোগী-প্রতিষেধক, শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের স্নায়ুযুদ্ধ, একতরফা প্রেম, গ্রামীণ পরিবেশ- সবই আছে এখানে। উপন্যাসজুড়ে তারাশঙ্কর অনেকটা কাব্যিকভাবে মৃত্যুর খেলা দেখিয়েছেন। ডাক্তাররা মতির মা, বিপিন, রামহরিকে যতই বাঁচানোর চেষ্টা করুক না কেন, শেষমেশ জীবন মশায়ের নিদানই ফলেছে। কিন্তু এটা কি কেবল চিকিৎসাশাস্ত্রের নতুন ও পুরনো ধারার দ্বন্দ্ব নিয়ে লেখা? উঁহু, এটা আসলে জীবন-মৃত্যুর দাবার ছক নিয়ে লেখা। একজন আগায়, তো আরেকজন পেছায়। একটার পর একটা ঘুটি পড়তে থাকে, আর এভাবেই চলতে থাকে খেলা।
183 reviews17 followers
November 5, 2012
உலகின் தலை சிறந்த நாவல்கள் காலத்தை அதன் பேசு பொருளாக கொண்டுள்ளன.நாவல் என்னும் கலை நேற்றும்-இன்றும் சந்திக்கும் இடத்தில் நிகழ்கிறது.பெரும் நாவலாசியர்கள் மரபான சிந்தனையின் மீது அறிவியல் நிகழ்த்தும் தாக்குதலை பதிவு செய்து இருகிறார்கள். ஆரோகிய நிகேதனம் இந்த கால மாற்றத்தின், நவீனமும் பாரம்பரியமும் மோதிக்கொள்ளும் சித்தரிப்பே இந்த நாவல். அப்படியும் சொல்ல முடியாது ! மனிதர்கள் பிறக்கிறோம் இறக்கிறோம் நீண்ட நெடிய கால நதியில் வெறும் ஒரு துளி தான் நம் வாழ்க்கை அனைத்துமே.இன்று எனக்கு நெருங்கியவர்கள் பலர் வயது முதிர்ந்து இறப்பார்கள்,நான் சில வருடங்கள் கழித்து மறிப்பேன் .இது ஒரு பெரும் விதி , மரணம் நாம் பிறக்கும் போதே நம்முடன் பிறந்து விடுகிறது. இதுவே நம் மரபு ஆயிரம் வருடங்களாக மரணத்தை பற்றி கூறும் சாராம்சம்.இன்றும் இந்த கேள்வி கேட்டு கொண்டே தான் இருக்கிறோம் ? ஏன் பிறக்கிறோம், எது மரணம் இவையே என்றும் மனிதனின் மிக பெரிய அலைகழிப்புகள்.

ஆரோகிய நிகேதனத்தின் மையம் ஜீவன் தத் , இவர் ஒரு ஆயுர்வேத மருத்துவர். வயது முதிர்ந்த இவர், நடந்து சென்று நோயுற்று இருப்பவர்களின் நாடியை பார்த்து ரோக நிர்ணயம் செய்கிறார்.வயது முதிர்ந்தவர்களுக்கு மரணம் வரும் செய்தியை கூறும் கவிராஜ் மருத்துவர். ஜீவன் ரஜோகுணம் கொண்டவர், பெரும் செல்வமும் பேரும் புகழும் சம்பாதித்து வாழ ஆசைப்படும் இளைஞராக இருந்தவர்.சந்தர்ப்ப சூழ்நிலை அவர் வாழ்க்கையை மாற்றி விடுகின்றன. தன் இளமை காலத்தின் காதல் தோல்வி அவரை காய படுத்தி விடுகிறது. அகங்காரம் சீண்ட பட்டவராய் இன்னொரு பெண்ணை மணந்து கொள்கிறார்.அவர் மணந்த பெண்ணின் பெயர் அத்தர் பெள, அவள் உடனே கண்டு கொள்கிறாள் ஜீவனுக்கு தன் மேல் அன்பு இல்லை என்று. அவள் ஒரு பகடை காயாக கையாளப்படுவதை நினைத்து மனம் நொந்து போகிறாள்.அத்தர் பெள முற்றிலும் ஜீவனை வெறுக்கிறார், அவள் பேசும் வார்த்தைகள் தொடர்ந்து ஜீவனை வருத்துகிறது.

ஜீவனின் வாழ்க்கை ஒரு பாலத்தின் மீது நிற்கும் மனிதனை போன்றது, அவரின் தந்தையை போல் முற்றிலும் சாத்விகமாக ஒரு ஆயுர்வேத மருத்துவராக அவரால் இருக்க முடியவில்லை.அவர் ஒரு நோயாளிக்கு மரணம் வரும் என்று சொல்லும் பொது அவரின் ஆணவம் சற்று தலை தூக்குகிறது.
தன் சொந்த மகனுக்கே இதை சொல்லும் நிலைமை வருகிறது, இந்த மனப் போராட்டம் இவரின் ஆதார ரஜோகுனத்தால் ஏழும் மன கொந்தலிப்பு. இதை விட்டு விடும் படி ஜீவனின் தந்தை மரணத்தின் தருவாயில் கூறுகிறார். எவ்வளவு தான் முயற்சி செ��்தும் பார்த்தும் முடியவில்லை. ஒரு நவீன மருத்துவனாகவும் இருக்க முடியவில்லை.இந்த மனப் போராட்டம் அவர் வாழ்க்கையின் மிகப் பெரிய பிரச்சனை. தன் காதலியின் மேல் உள்ள கோபம், அஹங்காரம் சீண்ட பட்ட அவரின் மனம் தொடர்ந்து வருந்துகிறது. தன் வாழ்நாளில் ஒரு குறை என்றும் நீடிப்பதை அவர் உணர்கிறார்.

நாவலின் தொடக்கம் ஜீவன் வாழும் கிராமத்தில் நவீன மருத்துவத்தின் காலம். அவர் குடும்பம் மரபாக செய்து வந்த ஆயுர் வேத மருத்துவதிர்க்கு சவால் விடுகிறது நவீன மருத்துவம். முக்கியமாக பிரத்யோத் என்ற இளம் மருத்துவர், ஜீவனின் ஆயுர்வேதத்தை அரை-குறை மருத்துவம் என்று கண்டிக்கிறார்.ஜீவன் மரணம் நிகழப் போவதாய் கூறியவர்களை தன் மருத்துவமனையில் சேற்று சிகிச்சை அளிக்கிறார் . ஜீவன் இதனால் அதிகம் சீண்ட படுகிறார் , தான் குறி சொன்ன சிலர் இறக்கும் பொது உள்ளூர அவர் மனம் சந்தோஷ படுகிறது.இப்படி இரு வேறு உலகியல் பார்வைகள், ஒன்று ஜீவனுடையது பாரம்பரியாமான மரணத்தை ஒரு வாக்கியத்தின் முடிவு என்று எடுத்து கொண்டு அதை ஏற்று கொள்ளும் பார்வை.
பிரத்யோத் இதற்க்கு முற்றிலும் மாறாக தன் நவீன சிகிச்சை முறையை கொண்டு நோயுடன் மோதிடுகிறான் . நோயும் , மரணமும் அவரை பொறுத்தவரை வெல்ல வேண்டியவை. ஜீவனை பொறுத்தவரை மரணம் அவர் தந்தை கூறும் படி, ‘பிங்கள கேச தேவதை’ வாழ்வில் இருந்து முக்தி தர வரும் தேவதை . அவளின் வருகை பார்த்து மனிதன் பயப்பட தேவையில்லை.ஜீவனின் சிகிச்சை முறை ஒரு முழு உயிரை அந்த உடல் மற்றும் ஆத்மாவை கணக்கில் கொண்டு செய்ய படவேண்டியது , மரணத்தை எதிர்த்து செய்யப் படுவது அல்ல ஆயுர்வேதம். மாறாக வாழ்வுக்கும் – சாவுக்கும் இடையேயான ஒத்திசைவை உருவாக்குவது. ஜீவன் தன்னிடம் வரும் நோயாளிகளிடம் பல முறை கூறுகிறார் ‘மரணத்தை எதிர்த்து யார் என்ன செய்ய முடியும் ?’. பிரத்யோதின் நவீன சிகிச்சை முறை ஒரு உடலுக்கு செய்ய படும் சிகிச்சை.மரணத்தை தடுக்க தன் முழு உழைப்பாலும் போராடும் குணமே அதன் இயல்பு.

இந்த இருவரும் மோதி கொள்கிறார்கள். ஒரு கட்டத்தில் ஜீவன், நவீன சிகிச்சை மானுட இனம் இந்த இயற்க்கைக்கு விடும் சவால் , அவனின் ஆதார இயல்பின் ஒரு பகுதி என்று உணர்கிறார். பிரத்யோத் ஜீவனின் சென்ற கால மருத்துவத்தை, அதன் முழுமை பார்வையை புரிந்து கொள்கிறார்.

இவர்கள் இருவரும் சமன் செய்து கொள்ளும் நிகழ்ச்சி , ஜீவனின் இளமை காதலி தான் பிரத்யோதின் மனைவியின் வயது முதிர்ந்து பாட்டி . அவளுக்கு நாடி பார்க்கும் பொது தன் அஹங்காரத்தின் அற்ப தனத்தை உணர்கிறார் . ஜீவனின் தந்தை சொல்லும் படி மனிதர்கள் காம குரோத உணர்வுகளால் தவறு இழைத்து விடுகிறார்கள் . அவர் , இளமையில் அவளை ஏமாற்றிய மஞ்சரி, அனைவரும் மனிதர்கள் தவறு இழைக்கும் மனிதர்கள் . அந்த இடத்தில் ஜீவனின் முக்தி , தன் நாடியை பார்கிறார் மரணம் , அந்த பிங்கள கேசர தேவதையின் வருகையை உணர்கிறார் .

நாவல் முழுவது அபாரமான படிமங்கள் , ஜீவன் மெல்ல நடந்து செல்லும் காலடி ஓசை மரண தேவதையின் வருகையே.அவர் உடல்களின் நாடியில் ஊறி இருக்கும் மரணத்தை நாவல் முழுவதும் கண்டு கொள்கிறார்.இந்த நாவல் தோறும் எவ்வளவு வேறு வேறு மனிதர்கள் , வேறு-வேறு மரணங்கள் . ஜீவன் ஒரு இடத்தில் தன் மனம் வற்றி போன ஒரு கடல் என்கிறார் , இதை தன் மனைவி கூட கண்டு கொள்ள வில்லை.அத்தர் பெள ஜீவனுக்கு இடையே இருக்கும் இடைவெளி , ஜீவனின் வாழ்க்கை தோறும் அவர் செய்யும் ரோக நிர்ணயங்கள் . இந்திய நாவல்களில் ஒரு உச்சம் - இந்த நாவல்.
3 reviews5 followers
August 28, 2016
আরোগ্য নিকেতন এর কিয়দংশ বহুকাল আগে পড়া হয়েছিলো কিন্তু শেষ করা হয় নি ।

তিনদিনের বন্ধে গেলাম যশোহর ; অসহ্য গরমে বের হওয়া হলো কম - যেতে আসতে ছ ঘন্টা করে ফেরিঘাটের জ্যাম ; এর মাঝে বুঁদ হয়ে পড়া হলো আরোগ্য নিকেতন ।

অনেকদূর পর্যন্ত পড়ে মনে হলো এ অমোঘ সুষুপ্ত বিষন্নতার গল্প - জীবনমশায় এর ; না পাবার বিনির্মিত বেদনার ।

তারপর মনে হলো এ গল্প নতুনের সাথে পুরাতনের ; উইপোকায় খেয়ে যাওয়া চৌকাঠ ভেঙে ধসে ধসে পড়ার গল্প । নতুনের চাকচিক্য তো আছেই ।

জীবন আর মৃত্যুর নিদান হাঁকার জীবন মশায়ের নিরাসক্ত মৌনী আবেগ দেখে খুব ভাবা সম্ভব এ গল্প মৃত্যুর ; কিংবা মৃত্যুর মহিমার ; কিংবা মৃত্যুর-সময়ের-পালাবদলের । এইটুকু বুঝেই রাত তিনটায় যখন ফেরীঘাট পার হলাম - শেষ হলো আরোগ্য নিকেতন ।

প্রায় দিনমান ভ্রমণ শেষে রাত চারটায় বাসায় এসে যে সংবাদ শুনলাম তাতে স্তব্দ হয়ে গেলাম । যদিও দেখা একবার ; কিন্তু প্রিয় এক জমাটি মায়াভরা সহজ মানুষ মাহমুদ হাসান খান অকালে চলে গেলেন এই রাতে । জীবন মশায় হলে হয়ত বলতেন 'সন্যাস পিঙ্গলকেশীর জয়ধধনি করে বকুলতলার মাঠ পেরিয়ে ছিল অনেক আগেই ; নাড়ীতে ক্লান্তি - যেতে দাও যেতে দাও হে পরম মাধব'!

খুব আচমকা; সুবহে সাদিকের আলোয় কাঁচা দগদগে একটা মৃত্যুর ভার নিয়ে - একদম আচমকাই মনে আসলো - এ গল্প মৃত্যুর নয় কোনভাবেই ; জীবনের গল্প । সে জীবন যে পূর্ণ হলেই ভেবে নিতে পারে মৃত্যু শুধুই অন্য একটা দরজা; প্রশান্ত পরিপূর্ণ পরম+আয়ূ ; দীর্ঘ+আয়ূ নয় ; জীবন মশায় সারাজীবন নিদান হেঁকে হেঁকে খুজে ফিরছিলেন ওই অমোঘ মৃত্যুটাকেই - রানা পাঠক বা ভুবন এর প্রশান্ত অধিগ্রহনের মৃত্যু ও সন্তুষ্টি নয় ; পূর্ণ পরমায়ূর চলে যাওয়া ।

তাই ত্রিকাল পেরিয়ে মঞ্জরীর হদিস; লুকোনো অপূর্নতার হিসাবটুকু মিলিয়েই পরমায়ূর পূর্ণতা - চলে যাওয়া ।
Profile Image for Thirumalai.
89 reviews13 followers
Want to read
July 29, 2019
நல்ல வாசிப்பனுபவம் கொடுத்த புத்தகம்.
133 reviews10 followers
May 23, 2016
I give more attention to award winning books and recommended books. And it is not to show off or to do a blind following of the awards. It is more to economize on the time spent on finding good books.

So recently I picked up some of the Sahitya akademy award winning books. And in this I got this gem of a book. Its a great book. Protagonist of the book is Jeevan Mashay , a 3rd generation Ayurvedic doctor/Kaviraj from the well known and well established Mashay family. His father Jagat was highly successful in his practice. So Jeevan Mashay grew up in carefree and reasonably prosperous setting. Around this time western medicine had started to appear in India. So his father wanted him to be trained in allopathy. However due to a fight with a rival , who gets injured by him, he has to flee from the hostel and he comes back to the home and to Ayurvedic medicine. He gets initiated and trained thoroughly by the Jagat Mashay. And following the footprints of his grandfather and father he also becomes a great Kaviraj. He also shows an uncanny/preternatural ability in Pulse reading.

Around this time a hospital opens in the town and 2-3 doctors trained in western medicine also start practicing in the area. Some of these new doctors consider Kaviraj's as quacks and tricksters who are doing a great dis-service to the patients. The most vocal man in this group of new Doctors is Prodyot who believes in the supremacy of rational science based western medicine. There are many advances happening in the allopathy like pencillin , streptomycin etc. However its not all black and white like Allopathy is infallible or Ayurveda is useless etc. There are several shades of grey and many complexities like over dependency on tests, expensiveness, cultural attitude to death etc.

While I am not sure about this but it seems to be based on the first hand experiences of the Author as Novel covers all the subtleties and nuances in the great authentic details. Like the Jeevan Mashay who has preternatural and infallible talent for Pulse reading our author seems to have a preternatural ability in writing about the death, human nature and emotions.

I would highly recommend this book and it will be in one of my top books.
Profile Image for Shanmugam.
74 reviews37 followers
March 5, 2016
Death - What is death?

Supposedly one of the greatest Indian novel is worth the tag. Ayurvedic might have gone out of fashion, a novel like this will live longer, much longer. Such a shame that while bengalis were creating and celebrating such masterpieces, over here we were fantasising with romanticized historical fictions in magazine serials.

Wish these great novels reach wider audience.
12 reviews
December 3, 2013
extremely brilliant...book...i think before anyone thinks seriously about writing as passion..plss..plss read this book
Profile Image for Rajib Majumder.
136 reviews5 followers
August 16, 2021
প্রথমদিকটুকু পড়ে আর পাঁচটা সাধারণ সামাজিক উপন্যাসের মতনই মনে হয়েছিল। কিন্তু কাহিনী যত এগিয়েছে তত অসাধারণ হয়ে উঠেছে আরোগ্য নিকেতন।
7 reviews38 followers
August 29, 2021
Indeed an epic creation of Tarashankar. Arogyo-Niketan sketches a magnificent and equally magnetic scenery of the metamorphosis phase of a once benighted rural community that has started to make a shift towards the modern Allopathic medical practice from the Ancient Ayurvedic treatment (mainly known as Kabiraji), which has served the said community for 3 generations with noble diligence and unparalleled expertise through the hands of a distinct physician family, and now is counting its last few breaths. Tarashankar’s mastery of drawing contrast wore a new crown in this novel. Such fineness he showed in the portrayal of two completely opposite entities and exhibited them on the same premise side by side - the Old and the New. The noteworthy point was how with modesty, kindness, and humility the Old slowly but steadily and calmly manifested its knowledge and eventually won over the pompous New that initially disregarded it and spared no opportunity to throw demeaning remarks.
The proactive, reckless, crude New, determined to bring a change, rushing with its uncontrolled confidence (bordering on the over and sometimes even crossing the line) and the power and strength of majority-support emerged as one impregnable sanctuary for the concurrent and future society of variegated diseases, while the cautious, kind, shy Old, with its measured confidence through years of experience, timidly and humbly was leaving the field clear for a better tomorrow. There was only one common ground that ultimately brought those two opposing forces together - that is the urge and commitment to save a life. How beautifully this was delineated in the picture that Arogyo-Niketan is!

A near perfect narration by Tarashankar, which was not only intriguing but an enlightening read as well. Highly recommended.
Profile Image for Mahmuda Monika.
14 reviews2 followers
May 27, 2021
"মানুষ অসহায়,বড় অসহায়! প্রবৃত্তির তাড়নায় সে মর্মান্তিক কলঙ্ক কাহিনী রচনা করে চলে। আজ রচনা করে-কাল অনুশোচনা করে,নিজেকেই নিজে অভিসম্পাত দেয়।মনে মনে ভাবে আকাশে সূর্য নিভে যাক;কাজ নাই,আলোতে কাজ নাই।অন্ধকারে ঢাকা থাক সব।"

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনাবলীর দশম খণ্ডের একখানা উপন্যাস "আরোগ্য নিকেতন"।তিনি "আরোগ্য নিকেতন" উপন্যাসটিকে তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি বলে মনে করতেন।

এটা অনেকদিন ধরে পড়ছিলাম।তো কোনো একদিন হঠাৎ একটু বেশি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম।খানিক সুস্থ হয়ে যখন আবার পড়তেছিলাম তখন মনে হচ্ছিল " আরোগ্য নিকেতন" এর জীবন মশায়কে দিয়ে একবার হাতখানা দেখিয়ে নিতে যদি পারতাম!নাড়ী দেখতেন!ধ্যানমগ্ন হয়ে দেখতেন।খানিক বাদে চোখ মেলতেন।আমি জিজ্ঞেস করতাম,"অন্যকিছু নয়,কতদিন আর বাকি সেইটা জানবো।"
মানে,এমন চিন্তাও মাথায় এসেছিল আর কি!😌

কিছুই মনে রাখতে পারি না,সব ভুলে যাচ্ছি -বলে চলা দিনগুলোতে এই উপন্যাসের এতগুলো চরিত্রকে কেমন পরিচিত মনে হচ্ছিল এবং কাহিনির বিভিন্ন পর্যায়ে গিয়ে তাদের মৃত্যু,জীবন মৃত্যু নিয়ে ভাবনাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠছিল চোখের সামনে।মনে হচ্ছিল,আমি এদেরকে চোখে দেখছি।

মৃত্যুর পদধ্বনি, মৃত্যুর পিছুহটা শব্দগুলো পড়তে পড়তে কেমন অদ্ভুত একটা ঘোর কাজ করেছে মাঝেমাঝে।
পড়তে পড়তে ভেবেছি কীভাবে নিজের প্রবৃত্তিকে রিপুতে পরিণত করে ফেলে মানুষ!আমি কীভাবে করবো! প্রবৃত্তির তাড়নায় তো কতোই ছুটে বেড়াই!

শেষে এসে কেমন একটা স্নিগ্ধ সুন্দর মৃত্যুর দৃশ্য তৈরি করে দিয়েছেন।
কিছুই পড়িনি, কিছুই জানিনা।মৃত্যুকে নিয়ে এভাবে চিন্তা করা যায় এটা না পড়লে হয়তো এত সাজানো গোছানোভাবে তা সামনে আসতে দেরী হয়ে যেত।এসব পড়ে তো এখন মনে হবেই--
"হায়!জীবন এত ছোট কেনে,
এ ভুবনে?"
7 reviews
July 9, 2013
It is an amazing story of life, death, and the fight between old and new. A traditional healer who could predict death from pulses is baffled by the arrival of new antibiotics that put his authority and learning in question. He is a germ of man, slowly coming into terms with the new world, and relaizes all his life's learning has no place in it.

Beautiful story, humanely told. Philosophic contemplation on nature and meaning of life is abound, but again carefully woven into the story.

I have read the malayalam translation of it- can only imagine how much powerful the original Bengali version could be!
2 reviews
April 13, 2015
beautifully captures the clashes.. allopathy vs traditional medical profession, the struggles and internal turmoils brought on people by progress and modernization while running beneath all these tensions is a mans continuing effort and journey to understand and confront death...
Profile Image for Israt Zahan.
20 reviews
May 22, 2025
আরোগ্য নিকেতন ~ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

জন্ম আর মৃত্যুর মাঝের যেই সফর তার নামই জীবন। আর জীবনকে ক্ষয় করে ক্রমাগত মৃত্যুর দিকে ঠেলে নিয়ে যায় নানান রোগ-শোক। রোগের প্রতিকার করতে তাই চাই প্রতিষেধক। সেই প্রতিষেধক যিনি দিবেন তাকে তো অবশ্যই যোগ্য লোকই হতে হবে। তেমনি একজন যোগ্য ব্যক্তি আমাদের উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জীবনবন্ধু মশায়।
পেশায় তিনি একজন আয়ুর্বেদিক ডাক্তার। তবে নিজস্ব প্রচেষ্টায় এলোপ্যাথিও শিখেছেন কিছু। তবে তার আসল কেরামতি নাড়ি দেখায়।
উপন্যাসের পটভূমি সেই সময়কার যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের এত প্রসার ঘটেনি। এক্স-রে, ল্যাব তখনও পৌঁচ্ছেনি গ্রামে-গঞ্জে। মানুষের ভরসা তাই আয়ুর্বেদিক ডাক্তার বা সন্ন্যাসীরা।

জীবন মশায়ের ছোটবেলা থেকেই বড় সাধ ছিল মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা ডাক্তার হবেন। তার পিতা ছিল গ্রামের সুপরিচিত আয়ুর্বেদিক ডাক্তার। কিন্তু জীবন মশায় কলেজ পাস করা ডাক্তারই হতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে এগিয়েও গিয়েছিলেন বহুদূর। নিজ গ্রাম ছেড়ে পড়তে গিয়েছিলেন অন্য গ্রামে। তবে সেখানে গিয়ে প্রেমে পড়লেন এক বালিকার যে কিনা তার বন্ধুর বোন আবার তাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয়ও বটে।
জীবন মশায়ের ভারিক্কি দেহ আর গায়ের রঙ দেখে পাত্তা দেয়নি বালিকা। বরং আড়ালে আবডালে নানান ব্যঙ্গাত্মক নামে ডেকেছে তাকে।
বালিকার মন জয় করবার কম কসরত করেননি জীবন মশায়। শেষটায় বালিকার আরেক পাণিপ্রার্থী ক্ষয়িষ্ণু জমিদারির অধিকারী ভূপি বোসের সাথে মারামারি করে দিলেন তার নাক ফাটিয়ে। তারপর প্রাণ ভয়ে বাড়ি পালিয়ে এলে সেখানেই শেষ হয়ে যায় কলেজের পড়াশোনা।
পিতাও আর ছেলেকে বাইরে পড়াতে সাহস পেলেন না। নিজের সাথে রেখে হাতে ধরে শেখালেন আয়ুর্বেদ আর সেই বিস্ময়কর গুণ - নাড়ি দেখা।

নাড়ি বুঝে রোগ নির্ণয়। মানুষের আয়ু পর্যন্ত বলে দেন জীবন মশায়। একেবারে নির্ভুল। নিজের ছেলের পর্যন্ত নিদান হেঁকেছিলেন তিনি। তাহলে ভাবুন একবার! তবে নতুন যুগে জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের সাথে সাথে গ্রামে হাসপাতাল তৈরি হলো। নতুন ডাক্তাররা আসতে লাগলেন। সেই নতুন ডাক্তারদের একজন প্রদ্যোতের সাথে শুরু হলো জীবন মশায়ের দ্বন্দ্ব। জীবন মশায়ের নিদান হাঁকা বা নাড়ি দেখে কারো আয়ু নিঃশেষের কথা বলে দেয়া একদম অপছন্দ করতেন প্রদ্যোত।

তবে শেষ পর্যন্ত প্রদ্যোত আর জীবন মশায়ের সেই দ্বন্দ্ব মিটে যায়। বংশ পরম্পরায় গ্রামের মানুষের উপকার করে আসা জীবন মশায় আর নতুন দিনের ডাক্তার প্রদ্যোতের মাঝের দ্বন্দ্ব আর তার নিরসন নিয়ে জানতে হলে নিজ দায়িত্বে পড়ে নিতে হবে বইখানা। এর বেশি আমি আর নাই বলি।

প্রথমটায় বেশ বোরিং লেগেছে বইটা। হয়তো কঠিন কিছু শব্দ আর বাক্য তার জন্য দায়ী। তবে শেষ করার পর খারাপ লাগেনি। বইটি আকাদেমি আর রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত। তাই অনেকের আগ্রহ থাকে বইটি নিয়ে। তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এটা একটা সামাজিক উপন্যাস। সমাজের মানুষের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে এখানে। তাই সামাজিক উপন্যাস পছন্দ হলে তবেই পড়ে দেখতে পারেন বইটি।
My rating – 3.5 out of 5
This entire review has been hidden because of spoilers.
1 review
June 5, 2022
உலகம் பிறந்ததிலிருந்து பிறப்பு இறப்பு நிகழ்ந்து கொண்டே இருக்கிறது. இறப்பு என்பது நிகழ்ந்தே தீரும். ஆனாலும் மனிதன் மரணத்தை வெல்ல வேண்டும் , தனக்கு மரணம் நிகழக்கூடாது என்று எத்தனிக்கிறான். மதியின் தாய் போல. அனைத்தையும் விட்டுவிட்டு , நிரந்தர உறக்கத்திற்கு செல்ல வேண்டுமே என்று மார்பில் அறைந்து கொண்டு அழுகிறான். வநுவிஹாரியினை போல. கொரோனா காலத்தில் நவீன மருத்துவத்திற்கும் , மரபுசார் மருத்துவத்திற்கும் கடும் விவாதம் நிகழ்ந்தது. எனது நவீன மனத்தினால் , மரபுசார் மருத்துவத்தை ஏற்றுக்கொள்ள முடியவில்லை. இருந்தாலும் மரபுசார் மருத்துவத்தை இடது கையினால் தள்ளி ஒதிக்கி வைப்பது எந்த வகையில் அறிவியல் என்று சொல்ல முடியும்.

மரபுசார் மருத்துவம் மரணத்தை அணுகும் விதம் வேறு விதமானது. அகால மரணத்தை போன்ற துன்பம் வேறில்லை. ஆனால் , ஒரு கட்டத்திற்கு மேல் , முதிர்ந்து , கனிந்து , உதிர வேண்டும். புதியன முளைக்க வேண்டும். ஆனால் நவீன மருத்துவம் , மரணத்துடன் இறுதி வரை போர் புரிவது. ஒரு நாள் , மனிதனால் மரணத்தை வெல்ல முடியுமோ என்னமோ. ரங்கலால் டாக்டர் சொல்வது போல , மருத்துவர்களுக்கான தேவை இராது போகலாம். மனிதனை நிரந்திர உறக்கத்திற்கு செலுத்த மட்டும், தேவை இருக்கலாம்.

நவீன யுகம் பிறக்கும் காலத்தில் , நவக்கிராம் என்ற வங்காள கிராமத்தில் நடக்கிறது கதை. ஜீவன் மஷாய் , மரபுசார் மருத்துவர்களின் பரம்பரையில் வந்தவர். ஆனால் நவீன மருத்துவம் கற்க விழைகிறார். பச்சிலை கசக்கி கொடுப்பது அவருக்கு அவமானமாக இருக்கிறது. ஆனால் ஒரு கட்டத்தில் , தந்தையிடம் ஆயுர்வேதம் கற்கிறார். இது நிகழ்ந்து கொண்டே இருக்கிறது. ஹார்மனி என்ற ஒரு டாக்குமெண்ட்ரியில் , ருத்ர வீணை கலைஞரின் மகன், நவீன இசை நோக்கி செல்கிறான். நடு வயது வந்தவுடன் , தந்தையிடம் ருத்ர வீணை கற்கிறான். ஒரு ராகத்தை மட்டும் சில வருடங்கள் பயில்கிறான்; தபஸ்வியை போல.

ஜீவன் மஷாய் , ஆயுர்வேதம் கற்ற பிறகு , ரங்கலால் டாக்டரிடம் நவீன மருத்துவம் பயில்கிறார். அவருடைய அகங்காரத்தை நிரப்ப. முற்றாக கற்க முடியவில்லை. ஆனால் அவருடையது அறிவியல் மனம். ஆரம்பத்தில் , அவருடயை அகங்காரம் சீண்டப்பட்டாலும் , நவீன மருத்துவத்தின் பாய்ச்சலை கண்டு வியக்கிறார். இன்னொரு புரம் பிரத்யோத் டாக்டர். கர்ம யோகி. ஜீவன் மஷாயை அறவே வெறுப்பவர். நவீன யுகத்தின் பிரதிநிதி. ஒரு சந்தர்ப்பத்தில், இருவருக்கும் இடையே ஒரு உரையாடல் நடக்கிறது. பரஸ்பர புரிதல் ஏற்படுகிறது. ரங்கலால் டாக்டருக்கு , ஆயுர்வேதத்தின் நோக்கினை ஓரளவு புரிந்து கொள்ள முடிகிறது.

நோய் என்பது ஏதோ ஒரு நாள் கதவை உடைத்துக் கொண்டு உள்ளே வருவது இல்லை. ஒவ்வொருவரின் கூறுகளுக்கு ஏற்ப கூடவே சஞ்சரிப்பது. தாந்துவிற்கு அது உணவின் மோகம். விபினிற்கு புகழின் மயக்கம். வநுவிற்கு மது, மாது. ஜீவன் மஷாயிற்கு , மஞ்சரியின் மேல் இருந்த வெறி . ஆத்தர் பெளவிற்கு , அவளுக்கு கிட்டாத அன்பு.
Profile Image for Woody.
16 reviews1 follower
July 27, 2024
This is my first time reading a complete novel by Tarasankar Bandopadhyay. I remember having an extract from one of his novels in 9th standard. I don't remember much of it but I remember I really liked it.

Now after reading 'আরোগ্য নিকেতন' I want to read all of his works. I do not have any words to describe how I feel about this book. It just makes you wonder about life and death. About the desires we have, how sometimes uncontrollable desires become our 'Ripu' and how those 'Ripus' invite diseases and suffering and eventually death.

The book takes you on a journey with Jibon Mosai, an Ayurvedic Doctor. Who, in his teacher's words is riding on a tricycle of Ayurved, Allopathy and 'Musthi yog' to treat his patients. The novel is set in the 1950s, where India is going through a change. New western medicine and science is slowly spreading. Though the common people from villages still had to relay on the traditional medicine and unscientific methods because x-ray and penicillin is too expensive for them to afford. We see a tension between the old Jibon mosai and the new young doctor Proddot when jibon mosai predicts the death of a patient. The other characters of the story divides into two groups one team jibon and one team Proddot. As the story progresses we see people changing sides. But eventually at the end they realise that both of them are right and when they combine their knowledge they can save thousands of lives. We seen many changes throughout jibon mosai's life; we see how a person changes with his age, his learnings and his realisations. He tells the readers about the philosophy of his life, some of which he learnt from his father and his teacher and the rest his life has though him. At last we see his curiosity to understand what death 'looks like'. Here describes death as a constant companion who is with you from the moment you are born. To some people death is ultimate peace, they are able to accept it with a smile. To some it's a unknown fear, they cry and scream in pain. Death is inevitable. Death does not consider if you are a criminal or a saint. She is blind and deaf. Jibon experiences death, but the look of it still remains a mystery to the readers.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Jannatul Firdous.
89 reviews178 followers
March 22, 2022
দারুন একটা ব‌ই পড়লাম!

'আরোগ্য নিকেতন' নামের সাইনবোর্ডটা জীর্ণ হয়ে এসেছে। জীবনমশায়দের তিনপুরুষের কবিরাজি এটা। আরো কয় পুরুষ হয়তো চলতে পারতো। আধুনিক ডাক্তারি আর পৈতৃক কবিরাজির গুণ দিয়ে তার বংশ যুগ যুগ ধরে গ্রামের দরিদ্র মানুষদের বিনা ফিয়ে চিকিৎসা করে যাক এটাই ছিলো জীবনমশায়ের চাওয়া। একমাত্র পুত্র মৃত্যুবরণ করায় বংশের সেই আশার প্রদীপ নিভে গেছে। তবুও জীবনমশায় এখনো আছেন। প্রভাব প্রতিপত্তি কমে এসেছে,পসার নেই,আগের মতো এখন আর ডাক পড়ে না। এখন আধুনিক চিকিৎসা হয়েছে,গ্রামে হাসপাতাল আছে। এখন ডাক পড়ে প্রদ্যোত ডাক্তারদের। যে প্রদ্যোত জীবনমশায়কে একটুও পছন্দ করে না।

জীবনমশায়ের সবচেয়ে বড় গুণ নাড়ি দেখা। চামড়ার ওপর থেকে নাড়ি দেখেই তিনি বলে দিতে পারেন মৃত্যু কতদূর। মৃত্যু কি এগিয়ে আসছে নাকি পিছিয়ে যাচ্ছে? সেই পদধ্বনি স্পষ্ট শুনতে পান তিনি। প্রদ্যোত এটাই পছন্দ করে না। তার মতে, এতে রোগী ভয়েই কয়েকঘণ্টা আগে মরে যায়, ভয় না দেখালে হয়তো আর কয়েকটা ঘন্টা কি দিন টিকতে পারতো।

তাদের এই রেষারেষিতে যে সবসময় জীবন মশায় জেতেন বা প্রদ্যোত ডাক্তার জেতেন তা কিন্তু না। কখনো দেখা যায় জীবনমশায় ভুল তো কখনো দেখা যায় প্রদ্যোত ভুল। জীবনমশায় নাড়ি দেখে বলে দিতে পারেন রোগের প্রকোপ কতখানি কিন্তু কবিরাজিতে যে সব রোগের চিকিৎসা নেই, আগের সময়ে যত মানুষ মরতো এখন‌ তা মরবে না, ঐ প্রদ্যোতরাই তাদের বাঁচাতেও পারে এটাও ত��নি বিশ্বাস করেন। কিন্তু প্রদ্যোত বিশ্বাস করে না জীবনমশায়ের কবিরাজির কোনোই প্রয়োজন আছে।

কিন্তু গ্রামের কিছু মানুষ এখনো আছে যাদের তিন পুরুষ ধরে মশায়রা চিকিৎসা দিয়ে আসছেন, তাদের জীবনমশায়কে প্রয়োজন। ইনজেকশন,পেনসিলিন বা হাসপাতালের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় তাদের ভয়,সাধ্য‌ও নেই। তাদের একমাত্র আশা বিনা ফিয়ের জীবন মশায়। প্রদ্যোত ডাক্তার তার কি বুঝবে? সে হাসপাতালের পাশকরা ডাক্তার দিয়ে গ্রামের অবস্থা বদলে ফেলতে চায়। কিন্তু যুগে যুগে গ্রামে গঞ্জে কিছু আরোগ্য নিকেতনের‌ও যে প্রয়োজন আছে! কিছু মানুষের ভরসার জায়গা তারা। কখনো দরিদ্র কারো একমাত্র আশ্রয় তো কখনো কেউ তাদেরকে ছাড়া আর কাউকে কয়েক পুরুষ ধরে বিশ্বাস করতেই পারে না।

আরোগ্য নিকেতনের তাই প্রয়োজন আছে।

তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের চমৎকার একটা উপন্যাস। সামাজিক, আগাগোড়া ডাক্তারি নিয়ে লেখা। বিভিন্ন রোগ, বিভিন্ন রোগীর সাইকোলজি,ডাক্তারে কবিরাজে রেষারেষি এমনকি ডাক্তারের পূর্ব জীবনের একতরফা প্রেমের গল্প‌ও এটাতে বিদ্যমান। হাইলি রেকমেন্ডেড।
Profile Image for Praveen SR.
117 reviews56 followers
August 16, 2020
The story of a country physician struggling to come to terms with the arrival of modern medicine in his village. Jeevan is Jeevan 'Mashay' to the villagers, someone who can diagnose accurately or even predict the death of a patient just by feeling the patient’s pulse. One has to read this by keeping in mind that it was written in the 1950s, as the writer seems to lean a bit towards the side of traditional medicine. The protagonist does acknowledge and even celebrate the achievements of modern medicine, but the writer also makes the new age doctor bow in front of the pulse reading abilities of the traditional doctor. It could also make for happy reading for quacks like Mohanan Vaidyar and Jacob Vadakkancherry. But the core idea of a compassionate doctor, for whom profit comes secondary, who looks at his patients with empathy, never blaming them for their human failures which could lead them to illnesses, still remains relevant in the era of the corporate-controlled health system. Also, people from any era can relate to the other major idea of the old making way for the new, especially so in the current times. The story can seem long-winded at some portions, but it makes up for it with some moving passages. An apt read during the COVID-19 pandemic.

A note about the particular edition I read – It is the first edition of an English translation published in 1977, as part of a series of special low-priced editions of Sahita Akademi award winning authors. This one costs Rs.27.50, although I guess I bought it for 100 or 150 from a second hand bookshop.
Profile Image for Ronel Barua.
48 reviews5 followers
January 3, 2025
বিপুলা পৃথিবীর কোনো কিছুই অনড় অক্ষয় নয়। নিয়ত পরিবর্তনশীল। বস্তুগত অবস্তুগত সব। বস্তুগত পরিবর্তনের অভিঘাতে পরিবর্তন ঘটে অবস্তুগত বিষযাদিরও। নিরবধি কালের জীবনস্রোতেও নিত্যই এই পরিবর্তনের খেলা। প্রাগৌতিহাসিক থেকে ঐতিহাসিক, প্রাচীন থেকে আধুনিক।অরণ্য থেকে জনপদ। গ্রাম থেকে শহর।

ঠিক তেমনি পরিবর্তন এসেছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানেও।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার স্থলে ধীরে ধীরে বিজ্ঞানের কল্যাণে স্থান করে নিচ্ছিল অ্যালুপ্যাথিক চিকিৎসা। মহামারী রোগব্যাধি আধুনিক চিকিৎসার স্পর্শে দেশ হতে তাড়িত হচ্ছিল।

সে যুগের একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিল জীবনমশায়। নিজের ছেলের নিদান হেঁকে আঁতর বউয়ের কাছে হয়েছিলেন খুবই ঘনিষ্ট পর। যে ডাক্তারের দৃঢ় ও মননশীল চিকিৎসা ছিল মূল হাতিয়ার।

এই উপন্যাস নতুনের সাথে পুরাতনের দ্বন্দ্ব কে এক গ্রাম্য জীবনের পটভূমিতে ফুটিয়ে তুলেছে।কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন সেই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী এক বড়ো আদর্শের কাছে গিয়ে উভয়েই একাত্ম হয়ে গেছে।পুরোনো কবিরাজি আর নতুন ডাক্তারি দুজনেই রোগীর সেবায় নিয়োজিত প্রাণ তাই তাদের মিলতে কোথাও বাধা নেই, আর যতটুকু বাধা আছে তা কেবল বাইরের, অন্তরে তাদের সুর একই তারে বাজে। হাটেবাজারে বা অগ্নিশ্বর এর সাথে এই উপন্যাসের প্রধান মিল হলো এই যে, এখানে যদিও পুরাতন ও নবীন দুই চিকিৎসকই এক মহৎ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত প্রাণ তবুও তারা সাধারণ মানুষ, কোথাও তাদের অতিমানব মনে হয় নি।এই চরিত্র গুলোর সাথে একই আবর্তে এসে পরে মঞ্জরি, ভূপি বসু, রানা পাঠকের মতো চরিত্ররা যা এই উপন্যাস কে এক আলাদা মাত্রা দেয়। সব মিলিয়ে বাঙালি পাঠকের জন্য এইটা একটা অবশ্য পাঠ্য।

সবশেষে জীবন মশায়ের সুরে বলতে চাই “আধুনিক চিকিৎসা মৃত্যকে জয় করতে পারেনি, কিন্তু অকাল মৃত্যুকে জয় করেছে।”
1 review
December 8, 2021
A brilliant prolific bengali literature for medical profesionals . This Indian classic beautifully captures the simple life of a traditional healer who can predict death by checking pulses. The author has woven the philosophic contemplation of life and death into this literature carefully. The clash between allopathy and traditional ayurvedic practices , old vs new...the hesitancy to accept the new discoveries vs inability of rational medicine to contemplate death. Finally both agreeing upon each others deficiencies and merits . The devotion and dedication of the protagonist Jeevan mahashay is inspiring... Inspite of all setbacks , questioning of quackery , criticism , self doubt and tragedies of life , he never failed his primary duty as physician . His curiosity on death , and death as mrityu devatha is beautifully portrayed where deep into cultural roots sometimes death can also be a blessing than living a wasted life ...
I have just finished reading the malayalam translation by Prof M K N POTTY ... Needless to say .. Brilliant work !!
This entire review has been hidden because of spoilers.
25 reviews
October 8, 2025
সব কিছুর সাথে আসলে ভগবান মেশানো ঠিক নয়। এই উপমহাদেশের লেখকদের সাধারণ মুদ্রা দোষ হল এটা। অন্ধের ষষ্ঠীর মতো, এই মুদ্রা দোষ ছাড়া তাঁরা হাঁটতে পারেন না।
গণদেবতা থেকে এই উপন্যাস আমার কাছে ভালো লেগেছে। অঞ্জন দত্তের অসাধারণ গান "আমি বৃষ্টি দেখেছি" এর একটি ভার্স হল -

" চারটে দেয়াল মানেই নয়তো ঘর
নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর
কখন কিসের টানে মানুষ
পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে
ঝাপসা চোখে দেখা এই শহর।"

এই গানের লাইন গুলোর মধ্যেই আছে উপন্যাসের সারাংশ। তবে বুদ্ধদেব গুহ `র " মাধুকরী " উপন্যাসের মতো ডাক্তারবাবুর স্ত্রীর দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনটাকে একবার দেখালে বেশ হতো। এখানে জীবন পুরোপুরি একপেশে হয়ে, পুরুষের দিকে ঘেঁষে গেছে।
মাঝে মাঝে কিছু গ্যাটিস লেখক দিয়েছেন, গল্পের কাহিনী হিসেবে। এই উপন্যাসে সুন্দর একটি গল্প আছে। পড়ার পরে ভাবছিলাম, আমাদের গল্পকার এই গল্পটি পেলে কত সুন্দর করে তা লিখতে পারতেন।

ধন্যবাদ।
Profile Image for Shahriar Kabir.
34 reviews
November 4, 2019
তারাশঙ্করের আরেকটি মহৎ সাহিত্য রচনা এই "আরোগ্য নিকেতন" উপন্যাসটি। শুরুতে মনে হয়েছিল কাহিনীটি নতুন ও পুরাতনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিয়ে। ঘটনাপ্রবাহ যতই অগ্রসর হল, ততই এ ভুল ভাঙতে লাগলো। লেখক সুকৌশলে পরিচয় করিয়ে দিলো অমোঘ এক সত্যের সাথে - পিঙ্গলকেশী মৃত্যুর সাথে। চিকিৎসাশাস্ত্রের নতুন ও পুরনো ধারা দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে কখন যেন দুজনেই পরস্পরের অস্তিত্ব মেনে নিলো। কিন্তু সমস্ত কিছু ছাপিয়ে একজনই হয়ে রইলো চিরন্তন রহস্যময় - মৃত্যু। আর কোনো লেখনীতে মৃত্যুকে এভাবে প্রত্যক্ষ করিনি কখনো।
Profile Image for Masud Khan.
87 reviews17 followers
September 2, 2024
মাস্টারপিস। তারাশঙ্করের লেখা প্রথম উপন্যাস পড়ি "কবি", তারপর "গন দেবতা" এবং "হাঁসুলী বাঁকের উপকথা"। প্রত্যেকটা উপন্যাস পড়ে মনে হয়েছে, কিভাবে পারতো এই অসামান্য লোকটা। "আরোগ্য নিকেতন" পড়েও তার ব্যতিক্রম হয় নাই। রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্য ছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
Displaying 1 - 30 of 57 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.