Jump to ratings and reviews
Rate this book

অদ্ভুতুড়ে #49

আশুবাবুর টেলিস্কোপ

Rate this book
‌ভারী শীতকাতুরে মানুষ আশুবাবু। থাকেন ফকিরগঞ্জে। ভালবাসেন টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশের তারা-নক্ষত্র দেখতে। সেই টেলিস্কোপের আসল মালিক নাকি ডেভিড বলে একজন। টেলিস্কোপের সূত্রেই আশুবাবুর জীবনের ঘনিয়ে এল বিপদ। কী হল তারপর?

80 pages, Hardcover

First published July 1, 2021

6 people are currently reading
71 people want to read

About the author

Shirshendu Mukhopadhyay

414 books934 followers
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।

তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (6%)
4 stars
11 (18%)
3 stars
26 (44%)
2 stars
14 (23%)
1 star
4 (6%)
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
Profile Image for Rizwan Khalil.
376 reviews600 followers
September 23, 2022
শত্রুপক্ষের আক্রমণে মহাকাশযান বিকল হয়ে বাহান্ন বছর ধরে পৃথিবীতে আটকা পড়ে মহাপরাক্রমশালী শত্রু থেকে লুকিয়ে থাকা মানুষরূপী পরোপকারী সুপারহিউম্যান এলিয়েন মহাকাশচারী রামরাহা-কে নিয়ে অনেক-অনেক বছর পর লেখা (ভূতুড়ে ঘড়িগোলমাল-এর পর) তৃতীয় জমজমাট উত্তেজনার অদ্ভুতুড়ে সাইফাই উপন্যাস আশুবাবুর টেলিস্কোপ আগাগোড়া পড়তে যতটা মজার লাগছিল, একেবারে শেষে গিয়ে একদম বিনা নোটিশে কোনো প্রকার উপসংহার না টেনেই দুম করে গল্প ব্রেক কষে থামিয়ে দেয়ায় প্রায় ততটাই মেজাজ খারাপ হলো। আক্ষরিক অর্থেই মনে হলো যেন শেষের অন্তত একটা অধ্যায় ছাপাতে ভুলে গেছে!

আনফরচুনেটলি, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এটা পুরাতন বদভ্যাস। অদ্ভুতুড়ে সিরিজের আগের আরো কয়েকটা হতে-পারত-দারুন উপন্যাসের ক্ষেত্রেও এই বাজে কাজটা আগেও করেছেন, তীরে এনে তরীকে আর ঠিকঠাক মত ঘাটে নিয়ে আসা হয়ে ওঠে না শেষের মাত্র এক-দুটা যথাযথ সমাপ্তিযুক্ত অংশের অভাবে... ফলশ্রুতিতে আগ-পর্যন্তকার পুরো আনন্দদায়ক পাঠানুভূতিটাই একপ্রকার নষ্ট হয়ে যায়! এবারে অতটা না হলেও (প্রায় সব ঘটনার কমবেশি ব্যাখ্যা অন্তত আছে, চরিত্রদের পরিসমাপ্তি না থাকলেও) পাঠানুভূতি বেশ খানিকটা তেতো তো অবশ্যই হয়েছে।

যাইহোক, শেষের অতৃপ্তিটুকু বাদ দিলে তেমন খারাপ লাগেনি। সেই পিচ্চিকালে ক্লাস ফাইভ-সিক্সে থাকতে রামরাহা'র প্রথম অদ্ভুতুড়ে সাইফাই উপন্যাস ভূতুড়ে ঘড়ি পড়েছিলাম, পরবর্তীতে গোলমাল পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করলাম এই প্রথম শীর্ষেন্দু অদ্ভুতুড়ে সিরিজে একই চরিত্রকে পুনরায় এনেছেন। এতবছর পর অবশেষে রামরাহা'র তৃতীয় উপন্যাস। রামরাহা'র চরিত্র (বেসিক্যালি পিওর বাঙালী সুপারম্যান) আর তার ইন্টারগ্যালাক্টিক ব্যাকগ্রাউন্ড মিথলজিটাও মোটামুটি ইন্টারেস্টিং। আশা করি সামনে রামরাহাকে নিয়ে আরো কিছু গল্প-উপন্যাস পাবো। আপাতত গোলমাল রিভাইজ দেয়ার ইচ্ছা আছে, মনে করতে গিয়ে দেখি পুরো কাহিনি খেয়ে ফেলেছি।

রেটিং:
শেষাংশটুকু বাদ দিয়ে - ৩.৫/৫,
শেষাংশ - ২/৫,
সবমিলিয়ে - ৩/৫
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews438 followers
November 30, 2021
অদ্ভুতুড়ে সিরিজের সবচেয়ে দুর্বল বইটি পড়ে ফেললাম।এবার সম্ভবত লেখকের থামা উচিত ।পূজাবার্ষিকী থেকে পড়ছিলাম,এতো আচমকা শেষ হয়ে গেলো যে আমি পুরাই হতভম্ব!!!কোনো মানে হয়?প্রিয় লেখক ইদানিং গল্পে অনেক চরিত্র এনে মাঝপথে ভুলে যাচ্ছেন তাদের কথা।গল্পও সেই একই,একই,একই।
Profile Image for Chinmoy Biswas.
175 reviews65 followers
April 18, 2022
অদ্ভুতুড়ে সিরিজের গল্পগুলো স্বাদ ও বেশ অদ্ভুত। একেকটা গল্প একেক ধাঁচের। কখনো সায়েন্স ফিকশন, কখনো বা মার কাটারি থ্রিলার, কখনো বা নিছক হাসির গল্পের মধ্যে একটু অদ্ভুতুরে মেশানো কিছু। এই অদ্ভুত স্বাদের জন্য ই গল্প গুলো ভালো লাগে।

এবার পড়তে শুরু করেছিলাম, আশুবাবুর টেলিস্কোপ। সহজ সরল মানুষ আশুবাবু কারো সাত পাঁচে থাকেন না। উনার মাথায় সারাক্ষণ ঘোরে মহাকাশ। আর তার এই মহাকাশ সম্পর্কে আগ্রহ জাগার পিছনে বড় কারণ একটা টেলিস্কোপ। এই টেলিস্কোপ ডেভিড নামক একজনের,কিন্তু যে আশু বাবুকে টেলিস্কোপ দিয়েছিল তিনি বলেছিলেন ডেভিড বেঁচে নেই। তাই এই টেলিস্কোপ আশু বাবুর।

কিন্তু হঠাৎ শোনা যায়, ডেভিড বেঁচে আছে। সে তার জিনিস ফিরিয়ে নিতে আসছে। আবার এর মধ্যে ই এলাকায় দেখা একটা নতুন মানুষ। যাকে আগে কখনো কেউ দেখিনি বা জানে না তার সম্পর্কে! তাহলে কোন রহস্য মধ্যে পড়লে আমাদের সহজ সরল আশু বাবু!

শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুরে সিরিজের দারুণ ভক্ত আমি। অনেক গুলো পড়েছি। গল্পগুলো বিচিত্র তাই পড়তে সবচে বেশি ভালো লাগে। কিন্তু এবারের গল্প বেশ খাপছাড়া লেগেছে। উপন্যাস মনে হয় নি। বড্ড ছোট। আরো গোছানো সুন্দর গল্প আমি আমার প্রিয় লেখকের কাছে আশা করি।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,482 reviews564 followers
July 2, 2022
না পড়ে থাকতে পারিনে, এজন্যই অদ্ভুতুড়ে পড়ি।

ছবির মতো সুন্দর এলাকা নফরগঞ্জ। এখানকার একটি কলেজে বিজ্ঞান পড়ান আশুতোষ সরকার। আ্যস্ট্রনমি নিয়ে তার দারুণ আগ্রহ এবং কোনোএক ডেভিড সাহেবের টেলিস্কোপ দিয়ে পুরনো জমিদার বাড়ির ছাদে গিয়ে স্টারগেজিং তথা নক্ষত্র অবলোকন করেন তিনি। মূলত, আলাভোলা আশুবাবুর টেলিস্কোপ নিয়েই কাহিনি।

মশলাপাতিতে নতুনত্ব হয়তো নেই, অভিনবত্ব পাবেন না চরিত্রসৃজনে। তবু অদ্ভুতুড়ে পড়ি। কিশোরবেলার অভ্যাস তাই ছাড়তে পারিনে।
Profile Image for Shishir.
189 reviews42 followers
November 1, 2024
3'5/5

শীর্ষেন্দুর ভীষণ ঘরোয়া আটপৌরে ভাষায় সায়েন্স ফিকশন তাও অদ্ভুতুড়ে (যদিও অদ্ভুতুড়ে ব্যাপারটা কম ) এটা সায়েন্স ফিকশন বেশি অদ্ভুতুড়ে কম ! তাও পড়তে বেশ মজা !!
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
284 reviews25 followers
January 12, 2026
আশ্বিন মাস। ফকিরগঞ্জে এখনও তেমন শীত পড়েনি। মাঝে-মাঝে সকাল। আর সন্ধের দিকটায় একটু শিরশিরে উত্তুরে হাওয়া বইতে শুরু করেছে সবে। কিন্তু আশুবাবু বড়ই শীতকাতুরে মানুষ। সকালে বাজারে যাবেন বলে তিনি প্রস্তুত হচ্ছিলেন। পরনে গরম প্যান্টালুন, গায়ে পুলওভার, মাথায় বাঁদুরে টুপি, পায়ে মোজা। এবং নিউকাট জুতো। ঠান্ডা লাগার জো নেই।

তাঁর স্ত্রী শৈলবালা স্বামীকে হাড়ে-হাড়ে চেনেন, পিছন থেকে বললেন, “গায়ে যে গন্ধমাদন চাপিয়ে যাচ্ছ, একটু বাদে রোদ উঠলে যে গলগল করে ঘামবে! তখন ঘাম বসে গিয়ে সর্দি লাগবে যে!” আশুবাবু তটস্থ হয়ে বললেন, “ঘাম হবে কী গো, আমার যে শীতে ঠকঠকানি হচ্ছে। হাত মোজাটাও গলিয়ে নেব কিনা ভাবছি।”

ভীষণ শীতকাতুরে মানুষ আশুবাবু। তবে আর কোনো দিকে খেয়াল না থাকলেও তিনি একটা ভাষাই বোঝেন, আর সেটা হল বিজ্ঞানের ভাষা। বিজ্ঞানের সঙ্গেই তাঁর যত কথাবার্তা। আর তিনি হলেন অ্যাস্ট্রোনমির একনিষ্ঠ এক সেবক। আকাশের আঁকিবুকি, নক্ষত্রদের তিনি যত বোঝেন তত আর কিছু নয়।

আশুবাবু যখন বারো-চোদ্দো বছরের ছেলে, তখন কোথা থেকে এসে এই গাঁয়ে থানা গাড়লেন মন্মথনাথ। সারাদিন ঘরে বসে নানারকম লেখাপড়া করতেন, আর সন্ধের পর মস্ত ছাদে উঠে একটা জোরালো টেলিস্কোপ দিয়ে স্টারগেজিং বা নক্ষত্রাবলোকন করতেন। ফিসফাস শোনা যেত, তিনি নাকি একজন মহাকাশবিজ্ঞানী। একা থাকতেন বটে তবে গম্ভীর বা অমিশুক ছিলেন না, গাঁয়ের লোকজনের সঙ্গে তাঁর বেশ সদ্ভাব ছিল।

মাঝে-মাঝে গাঁয়ের ছোট ছেলেমেয়েদের ডেকে মহাকাশ চেনাতেন কোনটা কোন নক্ষত্র, কোনটা কোন তিথিতে আকাশের কোথায় অবস্থান করবে, এইসব। তা তিনিই আশুবাবুর মহাকাশের নেশাটা ধরিয়েছিলেন। মন্মথবাবুর টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশ দেখতে-দেখতে আশুবাবুর এমন নেশা ধরে গিয়েছিল যে মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়া ছাড়া জীবনে আর কিছু হওয়ার কথা তিনি ভাবতেনই না। সেইজন্যই অনেক মেহনত করে খেটেখুটে তিনি অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে এম এস সি অবধি পাশ করে ফেললেন। কিন্তু তেমন ভাল ফল করতে পারলেন না। সংসারের দায়িত্ব নিতে গাঁয়ে ফিরে আসতে হল। কাছে তায়েবগঞ্জ কলেজে অধ্যাপনা জুটে গিয়েছিল বলে রক্ষে। মন্মথবাবুর যখন বেশ বয়স হয়েছে তখন আশুবাবুকে ডেকে একদিন সস্নেহে বললেন, “বড় অ্যাস্ট্রোনমার হতে পারিসনি বলে দুঃখ করিস না বাবা, আকাশকে ভালবাসলেই হবে। আকাশকে বুঝবার আনন্দটাই আসল।আমার টেলিস্কোপটা তুই নিয়ে যা। তুই ওটার মর্ম বুঝবি।”

মন্মথনাথ টেলিস্কোপের দাম নিলেন না। সেই থেকে টেলিস্কোপটা আশুবাবুর দখলে আছে। তবে মন্মথনাথ তাকে এ-ও বলেছিলেন, “শোন, টেলিস্কোপটা কিন্তু আমার নয়। ওর আসল মালিক ছিল ডেভিড, খুব খারাপ লোক। তবে যতদূর জানি সে বেঁচে নেই।”

ওদিকে আরেকজন বঙ্কুবাবুর বীরত্বের বেশ খ্যাতি আছে। অনেকেই জানে বঙ্কুবাবু একজন অসমসাহসী এবং বেপরোয়া লোক, আর তাই নানা মহলে তার বেশ খাতির। কিছু কিছু অনুষ্ঠানে তাকে সভাপতি করা হয়ে থাকে, বসে আঁকো বা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা বা বিতর্কসভায় তাকে বিচারপতিও করা হয়েছে কখনও সখনও। মোটকথা বঙ্কুবাবু ফকিরগঞ্জের একজন নামকরা মানুষ। মুশকিল হল, কেউ-কেউ আবার বঙ্কুবাবুকে জালি লোক বলেও তাচ্ছিল্য করে থাকে। এই দলে বঙ্কুবাবুর স্ত্রীও আছেন।

এখন ঘটনা হচ্ছে আশুবাবুর টেলিস্কোপ ফেরত নিতে আসছেন নাকি আসল মালিক ডেভিড! করালী খু*নে গু*ন্ডা, সে সাগরেদ পাঠিয়ে হুমকি দিয়েছে। আবার বঙ্কুবাবুকে আরেকজন দিয়েছে বাড়ি দখলের কন্ট্রাক্ট! আছে আরেকজন রহস্যময় মানুষ রামরাহা। পু*লিশের নতুন অফিসার সৌরভবাবু ও পড়েছেন ধাঁধায়। সবমিলিয়ে ফকিরগঞ্জে এবার হচ্ছেটা কী কে জানে!

🍁পাঠ প্রতিক্রিয়া 🍁

নতুন বছরে অদ্ভুতুড়ে সিরিজের পড়া দ্বিতীয় বই "আশুবাবুর টেলিস্কোপ"। অন্যান্য বইগুলোর মতো লেখক চেষ্টা করেছেন এখানেও মোটামুটি কিছু কারুকার্য রাখতে যেমন ভূতুড়ে কান্ড, বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন কিছু। কিন্তু আমার কাছে ঠিক জমলো না। মানে মোটামুটি গোছের। মাঝখানে মাঝখানে কেমন জগাখিচুড়ী ভাব। কোন চরিত্রের পর যে হুঁশ করে আরেক চরিত্র ঢুকে গেল টের পেলাম না অনেকটা সেরকম।

অদ্ভুতুড়ে সিরিজের পড়া বইগুলো নিয়ে ভালো লাগা আমার সবসময়। অল্প স্বল্প করে পড়ি কারণ যদি শেষ হয়ে যায় এই ভয় মনে। যখনই স্বাদ বদল করতে হয় অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বই নিয়ে বসে পড়ি। আর এখানে সবগুলো বই ভালো আর মাঝারি গোছের যাই হোক বেশ ভালো সময় কাটে।

সিরিজের সবগুলো বই তো আর একরকম হবে না জানি তবে একেবারে খারাপ নয় বইটি। মোটামুটি কিছু কিছু কান্ডকীর্তি হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে বলাই বাহুল্য। শীতকালে শীতকাতুরে আশুবাবু আর টেলিস্কোপ মোটের উপর ভালোই

🍁 বইয়ের নাম: "আশুবাবুর টেলিস্কোপ"
🍁লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ছবি: Tazkib's Territory
Profile Image for Ismail.
Author 66 books205 followers
June 2, 2023
একেবারেই যা-তা। কাহিনিতে কোনও চমক নেই, অদ্ভুতুড়ে সিরিজের স্বভাবসুলভ হিউমারও অনেকাংশেই অনুপস্থিত। সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার হলো বিনা নোটিশে কাহিনি শেষ করে দেয়া। সম্ভবত পূজাবার্ষিকীতে লেখা জমা দেবার ডেডলাইন পেরিয়ে যাচ্ছিল, তাই যতটুকু লিখেছেন তা-ই জমা দিয়ে দিয়েছেন। গ্রন্থাকারে বের হলে ঠিকমত ফিনিশিং দেবেন কি না, সেটাই এখন দেখবার বিষয়।
Profile Image for ANGSHUMAN.
229 reviews8 followers
November 16, 2021
প্রতি বছর পড়তে পড়তে অভ্যেস হয়ে গেছে বলেই পড়ি। নইলে লেখার কোয়ালিটি অনেকদিন আগেই পড়ে গেছে শীর্ষেন্দু বাবুর। চলনসই লেখা।
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books328 followers
July 4, 2023
It started good, it went good, I had fun with all the ingenious conversations. However, I wouldn't call it a good book. The abrupt ending made it clear that the editor didn't do anything to make it reach perfection. Ramraha didn't make me happy anyways. Another book with this character "Golmal" was also like this, fantastic at the beginning and disappointing by the end.

I will be careful to ignore Ramraha stories from now on.
Profile Image for Arnab Biswas.
13 reviews4 followers
September 17, 2021
অদ্ভুতুড়ে পড়ে আর অদ্ভূত লাগেনা।
Profile Image for Dishari Sinha.
318 reviews6 followers
October 25, 2021
এটা উপন্যাস না ছোট গল্প? চরিত্র গুলো সবাই ভাসা ভাসা। শেষটাও "শেষ হয়েও শেষ হল না।"
Displaying 1 - 12 of 12 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.