Jump to ratings and reviews
Rate this book

लालु

Rate this book

Paperback

6 people are currently reading
101 people want to read

About the author

Sarat Chandra Chattopadhyay

319 books936 followers
Complete works of Sarat Chandra (শরৎ রচনাবলী) is now available in this third party website:
http://sarat-rachanabali.becs.ac.in/i...

Sarat Chandra Chattopadhyay (also spelt Saratchandra) (Bengali: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) was a legendary Bengali novelist from India. He was one of the most popular Bengali novelists of the early 20th century.

His childhood and youth were spent in dire poverty as his father, Motilal Chattopadhyay, was an idler and dreamer and gave little security to his five children. Saratchandra received very little formal education but inherited something valuable from his father—his imagination and love of literature.

He started writing in his early teens and two stories written then have survived—‘Korel’ and ‘Kashinath’. Saratchandra came to maturity at a time when the national movement was gaining momentum together with an awakening of social consciousness.

Much of his writing bears the mark of the resultant turbulence of society. A prolific writer, he found the novel an apt medium for depicting this and, in his hands, it became a powerful weapon of social and political reform.

Sensitive and daring, his novels captivated the hearts and minds of thousands of readers not only in Bengal but all over India.

Some of his best known novels are Palli Samaj (1916), Charitraheen (1917), Devdas (1917), Nishkriti (1917), Srikanta in four parts (1917, 1918, 1927 and 1933), Griha Daha (1920), Sesh Prasna (1929) and Sesher Parichay published posthumously (1939).

"My literary debt is not limited to my predecessors only. I'm forever indebted to the deprived, ordinary people who give this world everything they have and yet receive nothing in return, to the weak and oppressed people whose tears nobody bothers to notice and to the endlessly hassled, distressed (weighed down by life) and helpless people who don't even have a moment to think that: despite having everything, they have right to nothing. They made me start to speak. They inspired me to take up their case and plead for them. I have witnessed endless injustice to these people, unfair intolerable indiscriminate justice. It's true that springs do come to this world for some - full of beauty and wealth - with its sweet smelling breeze perfumed with newly bloomed flowers and spiced with cuckoo's song, but such good things remained well outside the sphere where my sight remained imprisoned. This poverty abounds in my writings."

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
103 (35%)
4 stars
108 (37%)
3 stars
62 (21%)
2 stars
15 (5%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews217 followers
July 31, 2023
দস্যি এক চরিত্র লালু। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন কাউকে ভয় দেখানোর সুযোগ পেলে তা হাত ছাড়া করতে নারাজ। শৈশবের এমনই কিছু দুষ্টুমির গল্প রয়েছে।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
280 reviews21 followers
February 4, 2024
ছেলেবেলায় লেখকের এক বন্ধু ছিল তাঁর নাম লালু। একটি ছোট বাঙলা ইস্কুলের এক ক্লাসে পড়তেন সবাই। মানুষকে ভয় দেখাবার, জব্দ করবার কত কৌশলই যে লালুর মাথায় ছিল তার ঠিকানা নেই। ওর মাকে রবারের সাপ দেখিয়ে একবার এমন বিপদে ফেলেছিল যে, তিনি পা মচ্‌কে প্রায় সাত-আটদিন খুঁড়িয়ে চলতেন।


লালুর বাপ ধনী গৃহস্থ। বছর কয়েক হলো পুরানো বাড়ি ভেঙ্গে তেতলা বাড়ি করেছেন; সেই অবধি লালুর মায়ের আশা গুরুদেবকে এ-বাড়িতে এনে তাঁর পায়ের ধুলো নেন। কিন্তু তিনি বৃদ্ধ, ফরিদপুর থেকে এতদূরে আসতে রাজী হন না, কিন্তু এইবার সেই সুযোগ ঘটেছে। গুরুদেব স্মৃতিরত্ন সূর্যগ্রহণ উপলক্ষে কাশী এসেছেন, সেখান থেকে লিখে পাঠিয়েছেন ফেরবার পথে লালুর মা নন্দরানীকে আশীর্বাদ করে যাবেন। লালুর মা’র আনন্দ ধরে না

দিন-কয়েক পরে গুরুদেব এসে উপস্থিত হলেন। কিন্তু কি দুর্যোগ! আকাশ ছেয়ে কালো মেঘের ঘটা, যেমন ঝড়, তেমনি বৃষ্টি—তার আর বিরাম নেই।গভীর রাতে অকস্মাৎ গুরুদেবের ঘুম ভেঙ্গে গেল। ছাদ চুঁইয়ে মশারি ফুঁড়ে তাঁর উপর জল পড়ছে। এবার উপায়! বৃদ্ধ এবার ঘুমাবেন কী করে? ছাদ ফুটো করে কী তবে বৃষ্টির জল পড়ছে নাকি আছে ওই বদমাশ লালুর শয়তানি?

পাড়ার মনোহর চাটুজ্জের বাড়ি কালীপূজো। দুপুর-রাতে বলির ক্ষণ বয়ে যায়, কিন্তু কামার অনুপস্থিত। লোক ছুটলো ধরে আনতে, কিন্তু গিয়ে দেখে সে পেটের ব্যথায় অচেতন। ফিরে এসে সংবাদ দিতে সবাই মাথায় হাত দিয়ে বসলো,—উপায়? এত রাত্রে ঘাতক মিলবে কোথায়? দেবীর পূজো পণ্ড হয়ে যায় যে! কে একজন বললে, পাঁঠা কাটতে পারে লালু। এমন অনেক সে কেটেছে। লোক দৌড়লো তাঁর কাছে, লালু ঘুম ভেঙ্গে উঠে বসলো, বললো না। লালুর বাবা এসে আদেশ দিলেন যেতে। বললেন, ওঁরা নিরুপায় হয়েই এসেছেন, না গেলে অন্যায় হবে। তুমি যাও। সে আদেশ অমান্য করার সাধ্য লালুর নেই।

লালুকে দেখে চাটুজ্জে মশায়ের ভাবনা ঘুচলো। সময় নেই তাড়াতাড়ি পাঁঠা উৎসর্গিত হয়ে কপালে সিঁদুর, গলায় জবার মালা পরে হাড়িকাঠে পড়লো, পর পর দুটো পাঁঠা বলি দিয়ে লালুর অসম্ভব বিস্ফারিত চোখের তারা দুটো যেন ঘুরছে, চেঁচিয়ে বললে, আর পাঁঠা কৈ? বাড়ির কে একজন ভয়ে ভয়ে জবাব দিলে, আর ত পাঁঠা নেই। আমাদের শুধু দু’টো করেই বলি হয়। ব্যাস ওমনি লালু যা একখানা কান্ড ঘটালো! কী কান্ড আন্দাজ করুন তো!

লেখকদের শহরে তখন শীত পড়েছে, হঠাৎ কলেরা দেখা দিলে। তখনকার দিনে ওলাউঠার নামে মানুষে ভয়ে হতজ্ঞান হতো। কারও কলেরা হয়েছে শুনতে পেলে সে-পাড়ায় মানুষ থাকতো না। মা রা গেলে দাহ করার লোক পাওয়া কঠিন হতো। কিন্তু সে দুর্দিনেও একজন ছিলেন যাঁর কখনো আপত্তি ছিল না। গোপালখুড়ো তাঁর নাম, জীবনের ব্রত ছিল ম ড়া-পো ড়ানো।

অতি গরীব বিষ্টু ভট্টাচার্যের কাছে বাংলা ইস্কুলে লেখকেরা ছেলেবেলায় পড়েছিলেন। তাঁর স্ত্রী মা রা গিয়েছেন। লালু পন্ডিতমশাইয়ের পক্ষ থেকে সব কাজ করবে বলে বিদায় নিয়ে লেখকেরা চললেন শশ্মানে।

কিন্তু শশ্মানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে গেছে। দেখতে দেখতে লা শ নামাতেই জোরে নামলো বৃষ্টি। সবাই কোথায় আশ্রয় নেবে ভাবতে ভাবতে যে যেদিকে পারলো ভো দৌড়। মরা পড়ে রইলো ওখানেই।

বৃষ্টি থামলে আবার যখন সবাই ফিরে এলো দেখে ম রা ঠিক জায়গায় আছে ক্ষতি হয়নি। সবাই তখন হাতে হাতে কাজ করছিলো। হঠাৎ কে জানি বললো ম রাটা নাকি নড়ে উঠলো! এ্যাঁ! এটা কী করে সম্ভব! সত্যিই নড়ছে নাকি!

এভাবেই লেখকের বন্ধু লালুর শয়তানি চলতে থাকে। লালু শয়তানি যতই করুক মনটা ভীষণ ভালো। সবার উপকারে আসে সে সাধ্যমতো। খালি ওই একটাই দোষ। ভয় দেখানোর সুযোগ পেলেই বুদ্ধি পাকাতে শুরু করে সে। তবুও এমন বন্ধু কী আজকাল পাওয়া যায়!

// পাঠ প্রতিক্রিয়া:

শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত সব মোটা মোটা বই পড়া হয়েছে। কিছু ছিলো রীতিমতো ভাবগম্ভীর। তা যেমন গভীরে চিন্তার খোরাক দেয় তেমনি ভাষাগত দিকেও বলা যায় ভারী। শরৎচন্দ্রের মধ্যে আমি ভার্সেটাইল ব্যাপারটা লক্ষ্য করি। তিনি যেন সব কিছু নিয়েই লিখতেন বা ভাবতেন।

সমাজের নানান ধরনের অসংগতি তুলে ধরেছেন, লেখনী দিয়ে করেছেন বিভিন্ন কুপ্রথার প্রতিবাদ। তেমনি লিখেছেন "লালু" এর মতো মজার কিছু লেখা। এবং লালু আমার ব্যক্তিগতভাবে বেশ পছন্দের। হাস্যরসে ভরা একদম শুরু থেকে শেষ।

কখন যে মন কী চায় বলা মুশকিল। আমার চলমান বিয়ে ফাঁকে যেমন হুট করে ঢুকে পড়লো লালু। পড়লো তো পড়লো আবার সেই পুরোনো দিনের স্মৃতি যেন সতেজ করে দিলো।

ক্লাস সেভেনে সম্ভবত পরিচয় হয়েছিল লালুর সাথে। তখন তো এসব রিভিউ বুঝতাম না। তাই আজ সুযোগ পেয়ে নিজের মতো কিছু লিখে ফেললাম লালুকে নিয়ে।

জীবন বড্ড একঘেয়ে হয়ে যায় মাঝে মাঝে। স্বাদ বদলাতে বইপোকাদের এমন হালকা ধরনের কিছু পড়লে মন্দ নয়। আমি নিজে এটা অনেক করি।

বইয়ের নাম: "লালু"
লেখক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যক্তিগত রেটিং: ৪.৬/৫
Profile Image for Samsudduha Rifath.
428 reviews22 followers
January 7, 2024
মাত্র ৩ টা গল্প। আরো যদি হতো 🫤
Profile Image for Saumen.
255 reviews
January 7, 2024
একদম নিখাদ সৌন্দর্য। নো হেজিপেজি
Profile Image for Tusar Abdullah  Rezbi.
Author 11 books55 followers
March 3, 2024
দস্যি লালুর অল্প সংখ্যক গল্পে আফসোসের ছোঁয়া! ইশশ, আরো যদি হতো৷ আরো পড়তে পারতাম। ভয় দেখানোর সুযোগ লালুরও আরো বাড়ত। 🌸
Profile Image for Koushik Ahammed.
150 reviews12 followers
December 14, 2020
দুঃখের বিষয় হলো এই,

ক্ষেপাটে লালু কে নিয়ে শরৎ বাবু মাত্র তিনটি গল্প লিখেছেন 😥..।
Profile Image for Md Siyam Al Asif .
21 reviews
June 20, 2024
➠গল্প সংক্ষেপঃ

লালু গ্রামবাংলার এক দুষ্টু ছেলে। তার মতো বিচ্ছু আর গোটা গ্রামে দুটো নেই। বাড়িতে হোক বা বাইরে দুষ্টুমি তাকে করতেই হবে। লালুকে নিয়ে শিশু ও কিশোর বয়সের তিনটি কাহিনী নিয়ে গল্পটি লেখা।

➠পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ

বইটি পড়ে আমার খুবই মজা লেগেছে। গল্পটি পড়তে গেলে হাসতে আপনাকে হবেই। খুবই ছোট এ গল্পটি পড়লে মনে হাস্যরসের সৃষ্টি হবে। লিখনশৈলী খুবই সাবলীল ছিল। শিশু-কিশোরদের জন্য একটি দারুণ বই হবে। আর গল্পটি স্টোরি টেলিং অসাধারণ। মনে হবে যেন কেউ গল্প শোনাচ্ছেন।

➠রেটিংঃ ৪.৩/৫

➠এক নজরে বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

🔹গল্পের নামঃ লালু
🔹লেখকঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
🔹জনরাঃ ছোটগল্প
🔹পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০
🔹ই-বুক প্লাটফর্মঃ বইঘর

◽ Book Review by Md. Siam Al Asif
Profile Image for সৌরজিৎ বসাক.
289 reviews6 followers
April 28, 2024
লালু সিরিজের আরো গল্প দরকার ছিল। মাত্র তিনটেতে কার মন ভরে?
দস্যিদামাল এই লালুর গল্প পড়ে বোঝা যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখক হিসেবে কতটা ভার্সেটাইল ছিলেন। মন খারাপের সুর তোলা লেখকের হাত দিয়ে নির্ভেজাল হাসি-মজার তিনটি গল্প।
ব্যক্তিগত পছন্দের ওই গুরুদেবকে বরফ অর্পণ করার গল্পটি।
Profile Image for Pritom Paul.
133 reviews1 follower
February 15, 2021
ছোট বেলায় পড়া প্রথম শরৎচন্দ্রের লেখা গল্প।
অসাধারণ একটা গল্প,
Profile Image for Badhon Sarkar.
59 reviews2 followers
March 9, 2021
হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাবার জোগাড়৷
Profile Image for Nuary .
98 reviews
January 31, 2024
ভারী দুস্টু ও মজার একটি ছেলে।
Profile Image for Ishtiyak Fahmi.
133 reviews25 followers
December 23, 2024
এতো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো। ভালোই লাগছিলো লালুর ভয় দেখানোর কান্ডগুলো!
ছোটবেলায় পড়লে হয়তো আরোও বেশি মজা লাগত^-^
Profile Image for Jannatul Anamika.
61 reviews
March 22, 2025
বয়সের সাথে মিলেনি। তাই ভুল বই নির্বাচনের শিকার এ বই। হয়তো!
Profile Image for Zakir Hasan.
5 reviews
Read
November 29, 2025
ছোট্ট একটি বই কিন্তু খুবই ভালো লাগলো পড়ে। পড়া যখন শেষ হলো তখন ভাবছিলাম বইটা আরো বড় হলো না কেন চমৎকার লাগলো পড়ে এক কথায় অসাধারণ। সুযোগ পেলেই যে মানুষকে ভয় দেখাতে মিস করত না সে হলো লালু।
Displaying 1 - 16 of 16 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.