আয়মান সাদিক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন স্কুল, '10 Minute School', এর প্রতিষ্ঠাতা। '10 Minute School'-এ প্রতিদিন আড়াই লাক্ষের বেশি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পড়াশোনা করাছ। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অভূতপূর্ব অবদান রাখার জন্য ইতিমধ্যেই রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে পেয়েছেন 'Queen's Young Leader' পুরস্কার। এছাড়াও ২০১৮ সালে তিনি 'বিশ্বের স্বনামধন্য ফোর্বস ম্যাগাজিনের। '30 under 30' লিস্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তাঁর প্রথম বই 'Never Stop Learning' ছিল ২০১৮ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলার বেস্টসেলার। তিনি তাঁর ফেইসবুক পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিদিন শিক্ষণীয় নানা বিষয়ে ভিডিও তৈরী করে লাখো শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন।
বইটাতে ফোকাস করা হয়েছে পরীক্ষা নিয়ে। পরীক্ষার আগে কী করা উচিত, পরীক্ষার সময় কী করতে হবে আর পরীক্ষার পরে কী করতে হবে। পরীক্ষার বাহিরেও কী করা যায়, সেসব নিয়েও মোটামুটি আছে।
তবে বেশিরভাগ জিনিসও লেখকেরা তাদের ভিডিওতে আগে বলেছেন। তাই নতুন কিছুর স্বাদ পাইনি। যা পড়েছি, আগে থেকেই জানি। অথচ বইটাতে নতুন কিছু আশা করেছিলাম।
আশা করি এই লেখকেরা তার পরাবর্তি বইগুলো এভাবে লিখবেন না। বইতে নতুন কিছু চাই আমরা!
খুবই সহজ এবং চমৎকার ভাষায় বইটি লেখা হয়েছে। প্রতিদিনের কাজকর্মের মধ্যে ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে কিভাবে কর্মদক্ষতা বাড়ানো যায় তার কিছু পদ্ধতি বলা হয়েছে। এরই সাথে ছোট এবং বড় পরিকল্পনা কিভাবে সহজ উপায়ে অর্জন করা যায় তার উদাহরণও দেয়া হয়েছে। আয়মান এবং সাদমান সাদিককে ধন্যবাদ এইরকম একটি বই প্রকাশ করার জন্যে। সকল বয়সের ছাত্র - ছাত্রীদের জন্যে বইটি খুবই উপযুক্ত।
বইটিতে এক্সাম এর সময়, আগে ও পরে কি করা যায় এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিভিন্ন হ্যাকাস দেওয়া আছে। অনেকটা রেগুলার ইন্টারনেট হ্যাকস এর মতো, নতুন কিছুই না। মোটামুটি ভালো।
পড়াশোনা নিয়ে মারাত্মক ফ্রাস্ট্রেশনে আছি। তৃতীয়বারের মতো পড়া শুরু করলাম বইটা। ভালো লাগছে না.... ডিজিটাল ডিভাইস ইউজ করার কথা বলা আছে বইয়ের অনেক জায়গায় — এখানে জাস্ট 10 MS এর মার্কেটিং করেছে বলে মনে হচ্ছে। অথচ, আমি পারলে ফোনটা ছুঁড়ে-ভেঙে ফেলি! বইটা লিখেছে হয়তো ভালোই, আমার পড়া শুরুর সময়টা, মেজাজটা নেই বলেই হয়তো বিরক্ত লাগছে!
এবারের বইমেলা ২০১৯ এ আয়মান আর সাদমান ভাইয়ার এই বইটা প্রথম থেকেই বেস্টসেলারের তালিকায় ছিল। বাংলাদেশে স্টুডেন্টদের জন্য এরকম লাইফ হ্যাকস বই হয়তো এটাই প্রথম।
সেদিন মনে হয় ৩০ নাহলে ৩১ জানুয়ারি । প্রি-অর্ডার করার শেষ দিন। যারা দুইটা বই অর্ডার করবে তাদের আয়মান ভাইয়ার ডিজাইন করা স্পেশালাইজড নোটবুকও দেয়া হবে। আমি আম্মুকে বললাম, "আম্মু আমি অর্ডার করি?" আম্মুর নির্লিপ্ত উত্তর, "২ দিন বাকি পরীক্ষার আর এখন গল্পের (!) বই কিনবা? এক কাজ করি সব বই খাতা স্টোররুমে রেখে দিই তালা দিয়ে, পরীক্ষাও দেয়া লাগবে না!!" নিরুপায় হয়ে আমি কিনতে পারি নি.. 😫(আম্মুর ধারণা আমি শুধু গল্পের বই পড়ি, আউটবই মানেই গল্প!)
কিন্তু এখন বইটা পড়ার পর মনে হচ্ছে যদি এসএসসি পরীক্ষার আগেই বইটা পেতাম তাহলে হয়তো আমার এসএসসি পরীক্ষাটা আরেকটু ভালো হতো.. এখানে পরীক্ষার আগে, পরীক্ষার সময়, পরীক্ষার পরে, পরীক্ষার বাইরে করার মত এমন কিছু টিপস আছে যা না জানার কারণে আমি অনেক কিছুই মিস করলাম।
একটা অংশ ছিল "মনে রাখা বনাম মনে পড়া"। এই অংশে যেন আমি আমার স্কুল লাইফের চিরায়ত সমস্যাটার সমাধান পেয়ে গেছি!! পরীক্ষার আগের রাতে সব পড়ে গেলাম। পরীক্ষায় প্রশ্নের চেহারা দেখে মনে হলো, আরেহ সবই তো পারি, রাতেই পড়ে এসেছি। আসল বিপত্তি যখন লিখা শুরু করে মাঝপথে আসি, মনে আসছে কিন্তু কলমে আসছে না! এর কারণটাও বইয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমরা যখন রিভিশন দেই তখন বইটা আগে পড়ার কারণে মনে হয় সব মনে আছে। আসলে আমি যদি সেটা কোনো হিন্ট বা কিছুর সাহায্য ছাড়া recall করতে না পারি তাহলে আমার সেটা আত্মস্থ হয় নি। আমার মাঝে শুধু বইটা পড়ার স্মৃতি রয়ে গেছে আসল পড়াটাই রয় নি!! আমার বাকি জীবনে এই একটা জিনিস অনেক বড় একটা লেসন হয়ে থাকবে.. থ্যাংকস ভাইয়া।
আরও একটা জিনিস, আমি যখন পরীক্ষায় লিখতাম বোর্ডের একটা পাশ হাতের কয়টা আঙ্গুল দিয়ে ধরা লাগতো। প্রায় সময়ই ওই জায়গাটা স্যাপস্যাপে হয়ে যেত। ব্যাপারটা জাস্ট পরীক্ষার সময়ই হতো! আমি কতবার টিস্যু দিয়ে হাত মুছতাম.. আহারে যদি আমার এই বইটা পড়া থাকতো তাহলে হয়তো আমি খাতার উপরেই টিস্যু রেখে লিখতাম! প্রব্লেম সলভড 🎉
আমি তো অল্প একটু বললাম। আরো অনেক কিছু আছে যেটা জানতে হলে আপনাকে বইটা পড়তে হবে 😃
আয়মান ভাইয়া এই বইয়ে তার 'নেভার স্টপ লার্নিং' বইটার নেপথ্যের কথাও বলেছেন। অনেকেই সেটাকে ভিডিও স্ক্রিপ্ট, আগেই তো সব পড়েছি 10MS এর ব্লগে তাহলে বই কেনো? আপনারা ভুল বলেননি ঐ বইটা আসলেই তার সব আর্টিকেলের একটা সংকলন ছিল যাতে আমাদের মতো মানুষেরা সব গুলো এক জায়গায় পায়।
সবশেষে বলতে চাই, আয়মান ভাইয়া, নেক্সট টাইম যদি আরো বই আমাদের উপহার দেন তো প্লিজ আগে থেকে এর একটা লেখা নিয়েও আর্টিকেল বা ভিডিও বের করবেন না। মানুষ নাহলে বইয়ের মৌলিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
"পড়াশোনা" - অনেকের কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগে। আর অনেকে "পড়াশোনা" ছাড়া কিছুই বুঝে না! আসলে এই বিরক্তি লাগার পেছনে একটা কারণ হতে পারে ,স্টুডেন্টদের এটি অনুভব করার অক্ষমতা যে,পড়াশোনা আসলেই মজার!কিন্তু স্টুডেন্ট মাত্রই আমরা বই বা শিক্ষকের কাছ থেকে বিভিন্ন জিনিস শিখি।কিন্তু "পড়াশোনা" কীভাবে করলে তা উপভোগ করা যায় তা মূলত আমাদের শেখানো হয় না! "স্টুডেন্ট হ্যাকস"(১ম প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে) এমন একটি বই যাতে এই "পড়াশোনা"কে কীভাবে উপভোগ করা যায়, পরীক্ষার আগে,পরীক্ষার সময়,পরীক্ষার বাইরে এবং পরীক্ষার পরে আমদের স্টুডেন্ট লাইফে কীভাবে কিছু ট্রিক্স ফলো করে পড়াশোনাকে আরেকটু স্মার্টলি করা যায় তাই-ই তুলে ধরা হয়েছে। তাছাড়া বইয়ে জায়গা পেয়েছে বেশ কিছু লাইফ হ্যাকস! আমার মতে,বই এমনই হবে যা থেকে আমরা অন্তত কিছু জিনিস শিখতে পারবো।৩-৪ ঘন্টা বা ২-৩ ঘন্টায় কোনো বই পড়ে শেষ করার পর মনে যেন এমন আফসোস না আসে যে "দূর হুদাই টাইম অয়েস্ট হইলো"। সেই অনুযায়ী এই বই থেকে কিছু শিখতে পেরে আমি আনন্দিত। কিন্তু হাজার খানেক বই পড়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো একটা বই থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজ জীবনে প্রয়োগ! আর তাই লেখকের মতে এটা একটা "অসম্পূর্ণ বই"।এটা তখনই সম্পূর্ণ হবে যখন এ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজ জীবনে প্রয়োগ করে আপনি লাভবান হবেন। সবশেষে আমার মতে, বি���িন্ন টিপস এন্ড ট্রিক্স নিয়ে সাজানো এই বই স্টুডেন্টদের জন্য অবশ্যপাঠ্য!
দুই ভাই মিলে অসাধারনভাবে ছাত্র জীবনের জন্য উপকারী কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন।
বইটিতে যেমন রয়েছে রুটিন তৈরির টিপস তেমনি আছে কীভাবে ছাত্র জীবনে আয় করা যায় তার কিছু টিপস।
বইটি মূলত শিক্ষার্থীদেরদের জন্য চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে সেই চারটি ভাগ হচ্ছে যথাক্রমে ,
১। পরীক্ষার আগে
২। পরীক্ষার সময়
৩। পরীক্ষার পরে ও
৪। পরীক্ষার বাইরে
এই চারটি ভাগে শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী অনেক কিছুই দেয়া হয়েছে।
আসলে এই বইটি শেষ করার পর মনে হতে পারে বইটিত আসলে দুইজন নয় তিনজন লিখেছে। কারণ বইটিতে অসংখ্য ব্যাপার আছে যা পাঠককেই করতে হয়। তবেই বইটি সমাপ্ত হয়।
কীভাবে বই দ্রুত ও কার্যকরী উপায়ে পরতে পারবেন তা জানতে পারবেন এই বই এর মাধ্যমে।
বইটিতে বেশ কিছু মূল্যাবান নীতিকথা আছে। যা আমাদের আরও বেশি উজ্জীবিত করবে ইন-শা-আল্লাহ।
তবে বইটির যে কথাটি আলহামদুলিল্লাহ আমার সত্যিই কাজে লেগেছে তা তুলে ধরলাম,
" এইচএসসির পর পড়া ছাড়লেই কিন্তু বিপদ! কারণ, এইচএসসির সময় পড়ার একটা গতি থাকে । পরীক্ষার পর এদিক ওদিক ঘুরতে-ফিরতে সময় তো নষ্ট হয়ই, তার সাথে পড়ার গতিটাও নষ্ট হয় । ভর্তিপরীক্ষার সময় পারলে প্রতিটা দিন পরিকল্পনা করে আগাও। মাঝপথে দিকবদল করা কিন্তু অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হবে। তাই, প্রথম থেকেই একটা পাকাপোক্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যাবে ।"
স্টুডেন্ট হ্যাকস - শিক্ষামূলক বই লেখক - আয়মান সাদিক এবং সাদমান সাদিক বইটি বরাবরের মতোই আয়মানের অন্যান্য বইগুলোর মতোই ভাল। এখানে ছাত্রদের জন্য অনেক টিপস দেওয়া আছে। কিভাবে পরীক্ষার আগে, পরীক্ষার সময়ে এবং পরীক্ষার পরে প্রস্তুতি নিতে হবে তার সুন্দর বর্ণনা আছে। তাছাড়া একজন ভাল শিক্ষার্থী থেকে কিভাবে খুব ভাল শিক্ষার্থী হয়ে উঠা যায় তার ট্রিকস বলা হয়েছে। বিভিন্ন লক্ষ্য কিভাবে সেট করতে এবং কাজ করতে হয় সেগুলা বলা হয়েছে। পড়া দ্রুত মনে রাখার, স্বাস্থ্যের প্রতি কিভাবে যত্নশীল হওয়া যায় ও কিভাবে নিজের সুন্দর রুটিন বানিয়ে সময়ের সঠিক ব্যবহার করা যায় সেটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমার ছোটবেলায় এরকম বই পড়তে পারলে অনেক কিছু কাজে লাগাতে পারতাম যদিও এখনও অনেক কিছুই শিখেছি। তাই যারা ছাত্রজীবনে উন্নতি করতে চাও তারা বইটি পড়ে দেখতে পারো। বইটির একমাত্র খারাপ দিক হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায় একই সাজেশন বার বার বলা হচ্ছিল যেমন মোবাইল দূরে রাখার ব্যাপারটি অন্তত ৫ বার বলা হয়েছে বইটিতে। তাছাড়া বইটি যথেষ্ট ইনফর্মেটিভ। আমি সবাইকে সাজেস্ট করব বইটি পড়ে দেখার জন্য। পার্সোনাল রেটিং - 5.5/10 ★ (পড়লে সময়টা কাজে লাগবে)
The same old things are just described in this book elaborately but all of those stuffs given below are very much important for every student. * SMART way goal setting *CV writing *ikigai model *Routines *Exam hacks In fine, if you've insufficient time to read full book,i just suggest you to lookup this chapters..it'll verily help you. :)
পরীক্ষার আগে , পরীক্ষার সময় , পরীক্ষার পর কি কি করবেন এই নয় আলোচনা করা হয়েছে । বইটি তে রেটিং কম দেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে । তার মধ্যে প্রধান ২ টি কারণ হচ্ছে ১. তাদের প্রতিটি বই একাই বিষয় প্রায় । অর্থাৎ সারমর্ম একই ২. যে বিষয় আলোচনা করা হয়েছে তা এর আগে তারা ফেসবুক ইউটিউব এ বহুবার বলেছে । বলা চলে ইউটিউব ভিডিও এর লিখিত ভার্সন
বইটা আরো ৩ বছর আগে পড়লে রিলেট করতে পারতাম, স্টুডেন্ট লাইফে কি করা লাগবে, কি করা উচিৎ না, এগুলো নিয়ে এই বই। যদিও বই এর সব লেখাই ইউটিউব থেকে নেয়া। ইউটিউবের আয়মান সাদিক এর ভিডিও ফলো করলেই এই বই পড়া হয়ে যাবে।
বর্তমান যুগের ছাত্রদের কাছে পড়ালেখা হচ্ছে এক ধরণের প্যারা। কিন্তু এই প্যারাদায়ক পড়ালেখা যেন আরো সহজ এবং ফলপ্রসু হয় তার জন্য একটি ভালো দিক নির্দেশক এই বইটি। শুধু পড়ালেখাই নয়। শিক্ষার্থীরা দৈনন্দিন জীবনে যেসকল সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলোর সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে।
হাই স্কুল লেভেলের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বেশ ভালো কিছু টিপস। কলেজ লেভেলের জন্যও হয়তোবা। ভার্সিটি বা এরপরের লেভেলের কারো কাজে আসবে বলে মনে হয় না। সব কমন জানা কথা গুলোর বাংলা ব্লগ সংকলন।
Following the writer on social platforms will give you the exact same knowledge if not more, than reading the book. A compilation of some simple life hacks.
বইটি একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার পর্যন্ত সময়টা সুন্দরভাবে গঠন এবং উপস্থাপন করার মানসিক সহায়ক বলা যেতে পারে। বর্ণনার ধরণ ভালো লেগেছে। এইতো...
This entire review has been hidden because of spoilers.
এই বইটি আপনার স্টুডেন্ট লাইফে বেশ চমৎকার পজিটিভ প্রভাব ফেলবে। বইয়ের লেখকরা Ayman Sadiq ও Sadman sadik স্টুডেন্টদের মাঝে কিছু প্রশ্ন এবং অনুশীলন ভিত্তিক কাজ দিয়ে এই বইটি অসম্পূর্ণ রেখেছেন। বইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ সম্পূর্ণ করার মাধ্যমে পাঠক (স্টুডেন্ট) তার স্টুডেন্ট লাইফ হ্যাকস করতে সম্ভব হবে। এই বই চারটি প্যারায় বিভক্ত। প্রতিটি প্যারাই স্টুডেন্টদের জন্য প্যারাসিটামল ওষুধের মত হয়ে কাজ করবে। ১।পরিক্ষার আগেঃ এই প্যারায় যে কৌশল গুলো নিয়ে আলোচনা করছে তারমধ্যে "মাথায় রাখবে নাকি খাতায়?" অংশ টা বেস্ট ছিলো। ২।পরিক্ষার সময়ঃ আসলেই খুব সহজে উপস্থাপনার বৈচিত্র্য আনা সম্ভব। ৩।পরিক্ষার পরে। ৪।পরিক্ষার বাইরেঃ এই প্যারায় প্রতিটি অংশ বেশ কয়েকবার একটা স্টুডেন্টকে পড়া উচিৎ। এতে করে একজন স্টুডেন্টের পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বই পড়ার অভ্যাস হবে।লক্ষ্য নির্ধারণ হবে।মঞ্চভীতি দূর হবে,ইত্যাদি ইত্যাদি। বই পড়ার সময় যে উক্তি গুলো ভালো লাগেঃ ১।প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যেই পুরো জীবনের সাফল্য লুকিয়ে থাকে __জন সি.ম্যাক্সওয়েল। ২।বড় হয়ে ঐ মানুষটি হওয়ার চেষ্টা করো যে মানুষটিকে ছোটবেলায় তোমার প্রয়োজন ছিল__
বইয়ের নাম স্টুডেন্ট হ্যাকস । এমন না যে বইটা পড়লে খুব সহজেই পড়া রেডি হয়ে যাবে বা শেখা হয়ে যাবে। বইটা মূলত এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যাতে একজন ছাত্র তার পড়াশোনাকে একটু গুছিয়ে নিতে পারে, স্মার্টলি সময়টাকে কাজে লাগাতে পারে। মূলত পরীক্ষার উপরই বেশি ফোকাস করা হয়েছে। আর করবেই না কেন? আমাদের দেশের পড়ালেখা তো পরীক্ষার গন্ডি পার হতে পারে না!
১.পরীক্ষার আগে; ২.পরীক্ষার সময়; ৩.পরীক্ষার পরে; ৪.পরীক্ষার বাইরে। এই ৪টি প্রধান শিরোনামে বইটি লেখা হয়েছে। কিভাবে প্ল্যানিং করে কম সময়ে বেশি বেশি পড়াশোনা করা যায়, পড়ার নোটস ঠিক রাখা যায়, বাইরের পরিবেশ থেকে নিজেকে পড়ায় মনোযোগী করে রাখা যায় ইত্যাদি টপিকে আলোচনা এগিয়েছে।
সবচেয়ে বেশি যে কাজটার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করতে বলা হয়েছে তা হচ্ছে সময়। এটা অনেক ভালো লেগেছে।
যদিও বইয়ে আলোচিত টপিকগুলো লেখকদের ইউটিউব চ্যানেলেই দেয়া আছে তারপরও এগুলোর লিখিত রূপ হয়তো অনেকের বেশি কাজে লাগবে।
আয়মান ভাইয়ার বই নেভার স্টপ লার্নিং বই গতবার ও বইমেলায় বেস্টসেলার ছিলো এবারও বেস্টসেলার আছে তবে সেটা তার নতুন বই "স্টুডেন্ট হ্যাকস",আয়মান ভাইয়ার সাথে বইটি লিখেছেন সাদমান ভাইয়া। এক কথায় অসাধারন বই, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের জন্যই বই টি লিখা যা নাম দেখলেই বোঝা যায়, এখানে মোট ৪ টি বিষয় নিয়ে লিখা হয়েছে সেগুলো হল পরিক্ষার আগে, পরিক্ষার সময়, পরিক্ষার পরে এবং পরিক্ষার বাইরে।এই সময়গুলোর প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন হ্যাকস নিয়ে মূলত বইটি লিখা, বইটি পড়ে ছাত্রছাত্রীরা অনেক ক্ষেত্রে উপকৃত হবে বলে আমি মনে করি।
Experienced brothers tell us some hacks that might be helpful for us but not for them who just read this book and not applied those tricks in their life. So, read one page of this book and then apply the knowledge that you have gained from this one page . If you follow this method of learning it will be fruitful for you I think.... In shaa Allah.
This entire review has been hidden because of spoilers.
It's the first Non-fiction book in my life as I remember. So I have read it with so many inspiration. I have learned many things from the book that I wouldn't get from Youtube. Love to Sadiq brothers. Thanks.