What do you think?


আকাশ যারা করলো জয়
বিমান আবিষ্কারক ভ্রাতৃদ্বয় অরভাইল ও উইলবার রাইট-এর উপর লিখিত কোয়ানটাইন রেনল্ডস-এর 'দি রাইট ব্রাদার্স' গ্রন্থের পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ।
- GenresBiographyNonfiction
80 pages, Hardcover
Published January 1, 2015
About the author
Mohammad Nasir Ali
15 books11 followersআলী, মোহাম্মদ নাসির (১৯১০-১৯৭৫) শিশুসাহিত্যিক ও গ্রন্থপ্রকাশক। ১৯১০ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের ধাইদা গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা হায়দার আলী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। নাসির আলী তেলিরবাগ কালীমোহন-দুর্গামোহন ইনস্টিটিউশন থেকে এন্ট্রান্স (১৯২৬) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিকম (১৯৩১) পাস করেন। তারপর চাকরির সন্ধানে তিনি কলকাতায় যান। ১৯৩৩ সালে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে অনুবাদক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার শিশুবিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন (১৯৪৬-৪৮)।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ঢাকায় এসে নাসির আলী হাইকোর্টের চাকরিতে যোগদান করে ১৯৬৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তার আগেই ১৯৪৯ সালে তিনি ‘নওরোজ কিতাবিস্তান’ নামে একটি প্রকাশনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা এখনও পুস্তক প্রকাশনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৫২ সালে তিনি দৈনিক আজাদের শিশু-কিশোর বিভাগে ‘মুকুলের মহফিল’ পরিচালনা করেন এবং ‘বাগবান’ ছদ্মনামে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।
শিশুতোষ গ্রন্থপ্রণেতা হিসেবেই নাসির আলীর মুখ্য পরিচয়; তবে তিনি শিক্ষামূলক গল্প, প্রবন্ধ ও জীবনীও রচনা করেছেন। নির্মল হাস্যরস সৃষ্টিতে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি হলো: আমাদের কায়েদে আজম (১৯৪৮), মণিকণিকা (১৯৪৯), শাহী দিনের কাহিনী (১৯৪৯), ছোটদের ওমর ফারুক (১৯৫১), আকাশ যারা করলো জয় (১৯৫৭), আলী বাবা (১৯৫৮), টলস্টয়ের সেরাগল্প (১৯৬৩, ২য় সংস্করণ), ইতালীর জনক গ্যারিবল্ডি (১৯৬৩), বীরবলের খোশ গল্প (১৯৬৪), সাত পাঁচ গল্প (১৯৬৫), বোকা বকাই (১৯৬৬), যোগাযোগ (১৯৬৮), লেবু মামার সপ্তকান্ড (১৯৬৮), আলবার্ট আইনস্টাইন (১৯৭৬), মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা (১৯৭৬) ইত্যাদি। সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৭), ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৮) ও ইউনাইটেড ব্যাংক অব পাকিস্তান পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ঢাকায় এসে নাসির আলী হাইকোর্টের চাকরিতে যোগদান করে ১৯৬৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তার আগেই ১৯৪৯ সালে তিনি ‘নওরোজ কিতাবিস্তান’ নামে একটি প্রকাশনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা এখনও পুস্তক প্রকাশনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৫২ সালে তিনি দৈনিক আজাদের শিশু-কিশোর বিভাগে ‘মুকুলের মহফিল’ পরিচালনা করেন এবং ‘বাগবান’ ছদ্মনামে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।
শিশুতোষ গ্রন্থপ্রণেতা হিসেবেই নাসির আলীর মুখ্য পরিচয়; তবে তিনি শিক্ষামূলক গল্প, প্রবন্ধ ও জীবনীও রচনা করেছেন। নির্মল হাস্যরস সৃষ্টিতে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি হলো: আমাদের কায়েদে আজম (১৯৪৮), মণিকণিকা (১৯৪৯), শাহী দিনের কাহিনী (১৯৪৯), ছোটদের ওমর ফারুক (১৯৫১), আকাশ যারা করলো জয় (১৯৫৭), আলী বাবা (১৯৫৮), টলস্টয়ের সেরাগল্প (১৯৬৩, ২য় সংস্করণ), ইতালীর জনক গ্যারিবল্ডি (১৯৬৩), বীরবলের খোশ গল্প (১৯৬৪), সাত পাঁচ গল্প (১৯৬৫), বোকা বকাই (১৯৬৬), যোগাযোগ (১৯৬৮), লেবু মামার সপ্তকান্ড (১৯৬৮), আলবার্ট আইনস্টাইন (১৯৭৬), মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা (১৯৭৬) ইত্যাদি। সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৭), ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৮) ও ইউনাইটেড ব্যাংক অব পাকিস্তান পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
March 25, 2017
যেকোনো বড় কাজে সফল হবার জন্য সবার প্রথম যে জিনিসটা দরকার সেটা হলো— গভীর প্যাশন। প্যাশন ছাড়া ছোটখাটো কাজে হয়তো সফল হওয়া যায়, কিন্তু বড় কাজে সাফল্যের জন্য চাই গভীর প্যাশন এবং ধ্যানমগ্ন ঋষির সাধনা।
বড় কাজে সফল হবার জন্য অত্যাবশ্যকীয় আরেকটা জিনিস হলো— ভালো বাবা-মা—বিশেষ মা। একজন ভালো মা যে সন্তানের ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলে সাফল্যের কোন্ স্তরে নিয়ে যেতে প্রত্যক্ষভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের মা সুসান রাইট। সন্তানের সৃজনশীল মানসিকতা গঠনে বাবা-মায়ের সমর্থনের গুরুত্ব সম্পর্কে উইলবার রাইট-এর এই কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারে না—
"If I were giving a young man advice as to how he might succeed in life, I would say to him, pick out a good father and mother, and begin life in Ohio."
নেপোলিয়ন তো আর এমনি এমনি শিক্ষিত জাতি উপহার দেয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে শিক্ষিত মা চাননি!
রাইট ভাইয়েরা পেয়েছিলেন রত্নগর্ভা মা—যিনি ছিলেন তাদের সব কাজের উৎসাহদাত্রী। এই দুইটা জিনিসের সাথে দরকার সাধনা। সাদা চোখে রাইট ভাইয়েদের বিমান আবিষ্কার হঠাৎ মনে হলেও, প্রায় সারাটা জীবন আকাশে উড়ার সাধনা চালিয়ে গেছেন দুই ভাই। অর্থাৎ, দীর্ঘ প্রস্তুতি এবং সাধনা নিয়েই কাজে নেমেছেন তারা—টুপ আকাশ থেকে পড়েনি তাদের এই সাফল্য।
মূলত ছোটদের জন্য রাইট ভাইদের জীবনের কাহিনি এই বইয়ে তুলে ধরা হলেও এই ধাড়ি বয়সে এসে দ্বিতীয়বারের মতো পড়েও মজা পেয়েছি। কোয়েন্টিন রেনল্ড-এর "দ্য রাইট ব্রাদার্স"-এর পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ "আকাশ যারা করল জয়" উপভোগ্য করে তোলার কৃতিত্বের দাবিদার মোহাম্মদ নাসির আলী। চমৎকার সুখপাঠ্য অনুবাদে এক বসায় শেষ করে ফেলার মতো (যদিও আমার দেড় বসা লেগেছে) বই "আকাশ যারা করল জয়"।
বড় কাজে সফল হবার জন্য অত্যাবশ্যকীয় আরেকটা জিনিস হলো— ভালো বাবা-মা—বিশেষ মা। একজন ভালো মা যে সন্তানের ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলে সাফল্যের কোন্ স্তরে নিয়ে যেতে প্রত্যক্ষভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের মা সুসান রাইট। সন্তানের সৃজনশীল মানসিকতা গঠনে বাবা-মায়ের সমর্থনের গুরুত্ব সম্পর্কে উইলবার রাইট-এর এই কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারে না—
"If I were giving a young man advice as to how he might succeed in life, I would say to him, pick out a good father and mother, and begin life in Ohio."
নেপোলিয়ন তো আর এমনি এমনি শিক্ষিত জাতি উপহার দেয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে শিক্ষিত মা চাননি!
রাইট ভাইয়েরা পেয়েছিলেন রত্নগর্ভা মা—যিনি ছিলেন তাদের সব কাজের উৎসাহদাত্রী। এই দুইটা জিনিসের সাথে দরকার সাধনা। সাদা চোখে রাইট ভাইয়েদের বিমান আবিষ্কার হঠাৎ মনে হলেও, প্রায় সারাটা জীবন আকাশে উড়ার সাধনা চালিয়ে গেছেন দুই ভাই। অর্থাৎ, দীর্ঘ প্রস্তুতি এবং সাধনা নিয়েই কাজে নেমেছেন তারা—টুপ আকাশ থেকে পড়েনি তাদের এই সাফল্য।
মূলত ছোটদের জন্য রাইট ভাইদের জীবনের কাহিনি এই বইয়ে তুলে ধরা হলেও এই ধাড়ি বয়সে এসে দ্বিতীয়বারের মতো পড়েও মজা পেয়েছি। কোয়েন্টিন রেনল্ড-এর "দ্য রাইট ব্রাদার্স"-এর পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ "আকাশ যারা করল জয়" উপভোগ্য করে তোলার কৃতিত্বের দাবিদার মোহাম্মদ নাসির আলী। চমৎকার সুখপাঠ্য অনুবাদে এক বসায় শেষ করে ফেলার মতো (যদিও আমার দেড় বসা লেগেছে) বই "আকাশ যারা করল জয়"।
October 27, 2024
স্কুলের লাইব্রেরি থেকে নিয়ে পড়েছিলাম। তখনই যেমন ভাল লেগেছিল এখনও লাগলো।
October 21, 2024
হাজার বছর ধরে মানুষ পাখিকে ঈর্ষা করে গেছে আর কল্পনায় বুনে গেছে আকাশে উড়ে বেড়ানোর নানা রূপকথা।
কিন্তু মানুষের সে কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল রাইট ভাতৃদ্বয়। তারপর আর মানুষকে থামতে হয় নি।
আজ নানা ধরনের আকাশযান উড়ে বেড়াচ্ছে। মানুষ বায়ুমন্ডল ছাড়িয়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে।
কিন্তু এসবকিছুরই সূত্রপাত হল রাইট ভাতৃদ্বয়ের প্রথম উড়োজাহাজ আবিষ্কার।
প্রায় তেমন কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও, বড় কোন ফান্ডিং না থাকলেও, বারবার ব্যর্থ হলেও তারা স্বপ্নকে ঠিকই সত্যি করেছে। লোকের নানা বিদ্রুপ তাদের থামাতে পারে নি। প্রতিটা ভুল থেকে তারা শিক্ষা নিয়েছে। তারা প্রমাণ করে দিয়েছে নিজেদের লক্ষ্য স্থির থাকলে, আর সঠিক পরিকল্পনা করে এগোতে পারলে কোন সমস্যা সমাধানই অসম্ভব না।
তবে এখানে তাদের পিতামাতার কথা ভূমিকাও কম নয়। যেখানে আমাদের দেশের বাবামারা ছেলেমেয়েদের সব আউট অফ দ্য চিন্তাকে দাফন করে সফল হওয়ার গড্ডালিকা প্রবাহে ভাসিয়ে দেয়, সেখানে তাদের বাবা মা প্রতিটা পদক্ষেপে তাদের সাহায্য করে গেছে আর অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছে। ওরকম বাবা-মা না পেলে তারা কখনও অত বড় আবিষ্কারক হতে পারত না।
কিন্তু মানুষের সে কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল রাইট ভাতৃদ্বয়। তারপর আর মানুষকে থামতে হয় নি।
আজ নানা ধরনের আকাশযান উড়ে বেড়াচ্ছে। মানুষ বায়ুমন্ডল ছাড়িয়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে।
কিন্তু এসবকিছুরই সূত্রপাত হল রাইট ভাতৃদ্বয়ের প্রথম উড়োজাহাজ আবিষ্কার।
প্রায় তেমন কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও, বড় কোন ফান্ডিং না থাকলেও, বারবার ব্যর্থ হলেও তারা স্বপ্নকে ঠিকই সত্যি করেছে। লোকের নানা বিদ্রুপ তাদের থামাতে পারে নি। প্রতিটা ভুল থেকে তারা শিক্ষা নিয়েছে। তারা প্রমাণ করে দিয়েছে নিজেদের লক্ষ্য স্থির থাকলে, আর সঠিক পরিকল্পনা করে এগোতে পারলে কোন সমস্যা সমাধানই অসম্ভব না।
তবে এখানে তাদের পিতামাতার কথা ভূমিকাও কম নয়। যেখানে আমাদের দেশের বাবামারা ছেলেমেয়েদের সব আউট অফ দ্য চিন্তাকে দাফন করে সফল হওয়ার গড্ডালিকা প্রবাহে ভাসিয়ে দেয়, সেখানে তাদের বাবা মা প্রতিটা পদক্ষেপে তাদের সাহায্য করে গেছে আর অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছে। ওরকম বাবা-মা না পেলে তারা কখনও অত বড় আবিষ্কারক হতে পারত না।
June 3, 2020
আজ থেকে প্রায় ২৩/২৪ বছর আগে, ক্লাস টেনে পড়ার সময় সেবা থেকে বের হওয়ার এই বইটার অনুবাদ পড়ি। কেমন একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম পুরোটা সময়। এটি এমন একটি বই যা বিজ্ঞান নিয়ে আমাদের শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন দেখাতে পারে। আজ আমাদের স্বপ্নাবাজ কিশোরদের বড়োই প্রয়োজন। বড় চিন্তা স্বপ্ন দেখাতে; শেখাতে পারে এমন এই বইটা সবার একবার হলেও পড়ে দেখা উচিত। হাইলি রিকোমেন্ডেট।
August 22, 2023
ক্লাস সিক্সে থাকতে পড়েছিলাম। কিশোর উপযোগী চমৎকার একটি উপন্যাস। অনুবাদও ছিল বেশ সাবলীল। ঐ সময়ের প্রিয় একটা বইয়ের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম। রেটিংটাও সিক্সে থাকা পাঠকের দিক থেকেই দেওয়া।
June 11, 2018
ছোটদের বইয়ে প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ বড় জিনিস। আমি যে সংস্করণ পড়েছি, তাতে তা নেই। অন্য বইয়ের ছবি জুম করে দেওয়া। প্রচ্ছদে রকেটের ছবি দেওয়া। এটা অপ্রাসঙ্গিক। হাতে এঁকে অনেক সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন ফুটিয়ে তোলা যায়। যাই হোক, বইটাতে অনেক চমকপ্রদ তথ্য আছে। উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একেবারে মৌলিক কিছু সত্য তুলে ধরা হয়েছে, উদ্ভাবকদের সাহসী মানসিকতা উঠে এসেছে। রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের পরিবারের শিক্ষার প্রভাবও অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
November 16, 2024
আমরা অনেকেই "দ্যা রাইট ব্রাদার্স"-এর কথা জানি। তারা প্রথম মেশিন বানান, যার মাধ্যমে মানুষ আকাশে উড়তে পারবে। এই বইটি সেই কাহিনীর উপর বেইজড করে লেখা। বইয়ের লেখকের নাম, "Quentine Reynolds"। মোহাম্মদ নাসির আলী বইটি বঙ্গানুবাদ করেন। বইটি পড়তে আমার সাড়ে তিন ঘন্টা লেগেছিলো।
উইলবার রাইট ও অরভাইল রাইট দুই ভাই। যাদের আমরা রাইট ব্রাদার্স বলে জানি। কাহিনীটি প্রায় ১৯০০ সালের আগে। একদিন তারা মন খারাপ করে বাড়ি ফেরে। যা দেখে তাদের মা সুসান রাইট তাদের কাছে যান। সুসান রাইট এই গল্পের মধ্যে আমার অন্যতম পছন্দের চরিত্র। তিনি অন্য মায়েদের মতো নন। সুসান যখন জিজ্ঞেস করলেন ছেলের, কি হয়েছে। তারা বলল, তাদের অন্য বন্ধুদের স্লেড আছে, তাদের কেন নেই? অন্যদের বাবা তাদের স্লেড বানিয়ে দেন, তাদের বাবা কেন দেন না? উনি তাদের বোঝালেন, এবং নিজে তাদেরকে নিয়ে একটি স্লেডের নকশা আঁকেন। এরপর ছেলেরা সেই নকশা অনুযায়ী কাঠ দিয়ে স্লেড বানায়। তাদের বাবা এটা দেখে তাদের প্রশংসা করেন। এরপর যখন অন্য ছেলেরা তা দেখে, প্রথমে হাসাহাসি করে। পরে যখন তাদের স্লেড অন্যদের থেকে জোরে চলে তারা তাদের প্রশংসা করে। এভাবে তারা বিভিন্ন জিনিস বানায়, নিজে থেকে। ঘুড়ি, সাইকেল, ঠেলাগাড়ি ইত্যাদি। এসবের মাঝে একটা ঝড় বয়ে যায় তাদের জীবনে। তারা তাদের সবচেয়ে কাছের একজনকে হারায়। এভাবে সময় যায়। তারা থামে না। বিভিন্ন জিনিস আবিষ্কার করে। কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে তা ঠিক করে। তাদের ছোট থেকে শখ আকাশে ওড়ার। তাই এরপর তারা এমন মেশিন বানানো শুরু করে যা দিয়ে তারা আকাশে উড়তে পারবে। এখন এই মেশিন বানানোতে কি তারা সফল হয়? এটি বানাতে তাদের কি কি বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছে? কেমন করে তারা এটি বানালো? জানতে হলে পড়তে হবে, ❝আকাশ যারা করলো জয়।❞
পার্সোনাল রেটিং- ৮/১০
বইটি ব্যক্তিগতভাবে আমার ভীষন ভালো লেগেছে। এই বইটির মাধ্যমে আপনারা এ্যারোপ্ল্যান বানানোর ইতিহাস জানতে পারবেন এবং ভালোও লাগবে আশা করি।
উইলবার রাইট ও অরভাইল রাইট দুই ভাই। যাদের আমরা রাইট ব্রাদার্স বলে জানি। কাহিনীটি প্রায় ১৯০০ সালের আগে। একদিন তারা মন খারাপ করে বাড়ি ফেরে। যা দেখে তাদের মা সুসান রাইট তাদের কাছে যান। সুসান রাইট এই গল্পের মধ্যে আমার অন্যতম পছন্দের চরিত্র। তিনি অন্য মায়েদের মতো নন। সুসান যখন জিজ্ঞেস করলেন ছেলের, কি হয়েছে। তারা বলল, তাদের অন্য বন্ধুদের স্লেড আছে, তাদের কেন নেই? অন্যদের বাবা তাদের স্লেড বানিয়ে দেন, তাদের বাবা কেন দেন না? উনি তাদের বোঝালেন, এবং নিজে তাদেরকে নিয়ে একটি স্লেডের নকশা আঁকেন। এরপর ছেলেরা সেই নকশা অনুযায়ী কাঠ দিয়ে স্লেড বানায়। তাদের বাবা এটা দেখে তাদের প্রশংসা করেন। এরপর যখন অন্য ছেলেরা তা দেখে, প্রথমে হাসাহাসি করে। পরে যখন তাদের স্লেড অন্যদের থেকে জোরে চলে তারা তাদের প্রশংসা করে। এভাবে তারা বিভিন্ন জিনিস বানায়, নিজে থেকে। ঘুড়ি, সাইকেল, ঠেলাগাড়ি ইত্যাদি। এসবের মাঝে একটা ঝড় বয়ে যায় তাদের জীবনে। তারা তাদের সবচেয়ে কাছের একজনকে হারায়। এভাবে সময় যায়। তারা থামে না। বিভিন্ন জিনিস আবিষ্কার করে। কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে তা ঠিক করে। তাদের ছোট থেকে শখ আকাশে ওড়ার। তাই এরপর তারা এমন মেশিন বানানো শুরু করে যা দিয়ে তারা আকাশে উড়তে পারবে। এখন এই মেশিন বানানোতে কি তারা সফল হয়? এটি বানাতে তাদের কি কি বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছে? কেমন করে তারা এটি বানালো? জানতে হলে পড়তে হবে, ❝আকাশ যারা করলো জয়।❞
পার্সোনাল রেটিং- ৮/১০
বইটি ব্যক্তিগতভাবে আমার ভীষন ভালো লেগেছে। এই বইটির মাধ্যমে আপনারা এ্যারোপ্ল্যান বানানোর ইতিহাস জানতে পারবেন এবং ভালোও লাগবে আশা করি।
This entire review has been hidden because of spoilers.
April 30, 2023
"আকাশ যারা করলো জয়" বইটি জিয়া/চন্দ্রীমা উদ্যানে এক বৈঠকে শেষ করে ফলছি💪 বইটা অসম্ভব আত্ম শক্তি তৈর করেছে। চিন্তাধারার পরিবর্তন করেছে, মাইন্ড পজিটিভ করেছে এবং অন্যের কথায় প্রভাতি না হওয়ার দারুণ শিক্ষা দিয়েছে।
কয়েক লাইনের বর্ণনা- উইলবার, অরভাইল, কেটি এবং বাবা মা মিলে ৫ জনের পরিবার। তাদের মা ছোটবেলা থেকেই তাদের আইডিয়া এবং মতামতের মূল্যায়ণ করতেন। তাদের নিয়ে চড়ুইভাতি খেলতেন মা। তাদের মাকেও মানুষ মন্দ বলতো। ছোট ছেলেদের সবকিছু প্রাধান্য দেয় বলে। তাদের বাবা ছিলো। ভ্রমণ পিপাসু।
পাড়ার ছেলেদের বাবারা স্লেড তৈরি করে দিতো তাদের সন্তানদের। উইলবার এবং অরভাইলের বাবা ভ্রমণে থাকায় তাদেরে মা স্লেড বানানোর জন্য একটা নকশা তৈরি করলেন এবং নকশার সাহায্যে উইলবার এবং অরভাইল দুই ভাই মিলে এলাকার সবচেয়ে সেরা স্লেড তৈরি করলেন এবং উড়ালেন। যা সবাইকে ভাবিয়ে তোলে। তারপর ঘুড়ি তৈরি করলেন দুই ভাই মিলে। সে থেকে স্বপ্ন তৈরি হলো আকাশে উড়বার। তারপর ভ্যান জাতীয় কোন কিছু তৈরি করে ভাঙ্গারি মাল ক্রয় করে বিক্রি করতেন। ছাপা মেশিন তৈরি করে পেপার বের করলেন। সাইকেল গ্যারেজ প্রতিষ্ঠা করার পর মাকে হারান। তারপর গ্লাইডার তৈরি করে কেটি হকে গিয়ে আকাশে উড়ালেন। ১৯০৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর ইঞ্জিন লাগিয়ে আকাশে উড়ে। এলাকায় এসে বলার পর মানুষ পগল এবং মিথ্যাবাদী বলতে থাকে। কেটি হক থেকে ফিরে বাবা এবং বোন কে উড়ে দেখায় ৩৯ মিনিট। তারপর আমেরিকার প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সামরিক বাহিনীকে উড়ে দোখান। এভাবে বিশ্বের সকল সংবাদে তাদের নাম আসে এবং বিশ্বের প্রথম আকাশ জয়ী হিসেবে নাম লিখেন উইলবার এবং অরভাইল। এর ফাকে ২ জন ভদ্রলোক তাদের আবিষ্কার ক্রয় করার জন্য আগ্রহ দেখালেও তাদের সংকল্প ছিলো আমরা আমেরিকান তাই বিক্রি করলে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর কাছে বিক্রি করবো।
কয়েক লাইনের বর্ণনা- উইলবার, অরভাইল, কেটি এবং বাবা মা মিলে ৫ জনের পরিবার। তাদের মা ছোটবেলা থেকেই তাদের আইডিয়া এবং মতামতের মূল্যায়ণ করতেন। তাদের নিয়ে চড়ুইভাতি খেলতেন মা। তাদের মাকেও মানুষ মন্দ বলতো। ছোট ছেলেদের সবকিছু প্রাধান্য দেয় বলে। তাদের বাবা ছিলো। ভ্রমণ পিপাসু।
পাড়ার ছেলেদের বাবারা স্লেড তৈরি করে দিতো তাদের সন্তানদের। উইলবার এবং অরভাইলের বাবা ভ্রমণে থাকায় তাদেরে মা স্লেড বানানোর জন্য একটা নকশা তৈরি করলেন এবং নকশার সাহায্যে উইলবার এবং অরভাইল দুই ভাই মিলে এলাকার সবচেয়ে সেরা স্লেড তৈরি করলেন এবং উড়ালেন। যা সবাইকে ভাবিয়ে তোলে। তারপর ঘুড়ি তৈরি করলেন দুই ভাই মিলে। সে থেকে স্বপ্ন তৈরি হলো আকাশে উড়বার। তারপর ভ্যান জাতীয় কোন কিছু তৈরি করে ভাঙ্গারি মাল ক্রয় করে বিক্রি করতেন। ছাপা মেশিন তৈরি করে পেপার বের করলেন। সাইকেল গ্যারেজ প্রতিষ্ঠা করার পর মাকে হারান। তারপর গ্লাইডার তৈরি করে কেটি হকে গিয়ে আকাশে উড়ালেন। ১৯০৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর ইঞ্জিন লাগিয়ে আকাশে উড়ে। এলাকায় এসে বলার পর মানুষ পগল এবং মিথ্যাবাদী বলতে থাকে। কেটি হক থেকে ফিরে বাবা এবং বোন কে উড়ে দেখায় ৩৯ মিনিট। তারপর আমেরিকার প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সামরিক বাহিনীকে উড়ে দোখান। এভাবে বিশ্বের সকল সংবাদে তাদের নাম আসে এবং বিশ্বের প্রথম আকাশ জয়ী হিসেবে নাম লিখেন উইলবার এবং অরভাইল। এর ফাকে ২ জন ভদ্রলোক তাদের আবিষ্কার ক্রয় করার জন্য আগ্রহ দেখালেও তাদের সংকল্প ছিলো আমরা আমেরিকান তাই বিক্রি করলে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর কাছে বিক্রি করবো।
July 29, 2024
মোহাম্মদ নাসির আলীর লেখা "আকাশ যারা করলো জয়" বইটি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়েছি। যদিও কিশোর পাঠকদের জন্য লেখা; কিন্তু আমি যে কোন ভাল বইয়ের বয়সসীমা মানতে নারাজ।
উড়োজাহাজ আবিষ্কারক রাইট ভাতৃদ্বয়ের জীবনীকে এত সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলে ধরা হয়েছে যে, শিশুকিশোরদের পাশাপাশি বয়স্ক পাঠকরাও এটি উপভোগ করতে পারবেন।
লেখকের লেখনী অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য। তিনি গতানুগতিক জীবনীর ধাঁচ ভেঙে, রাইট ভাতৃদ্বয়ের জীবনকে একটি মনোজ্ঞ গল্পের মত উপস্থাপন করেছেন। তাঁদের আকাশ জয় করার পূর্বের সংগ্রাম, ব্যর্থতা এবং অবশেষে সফলতার গল্প পাঠকদের উৎসাহিত করবে।
বইটি শুধুমাত্র একটি জীবনী নয়, এটি একটি অনুপ্রেরণার উৎস। এটি শিখিয়ে দেয় যে, কঠিন পরিশ্রম, ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।
কাদের পড়া উচিত:
- শিশুকিশোররা যারা বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের প্রতি আগ্রহী।
- যারা জীবনী পছন্দ করেন কিন্তু বোরিং লাগতে পারে ভেবে পড়েন না
- যারা সাহিত্যিক নন-ফিকশন পড়তে চান।
কেন পড়বেন:
- সহজবোধ্য ভাষা
- আকর্ষণীয় গল্প
- বিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে
- অনুপ্রেরণা পেতে
সার্বিক মূল্যায়ন:
"আকাশ যারা করলো জয়" একটি দুর্দান্ত বই। এটি শুধুমাত্র একটি জীবনী নয়, এটি একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প। যারা বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের প্রতি আগ্রহী, তাদের জন্য এই বইটি অবশ্যই পড়া উচিত।
উড়োজাহাজ আবিষ্কারক রাইট ভাতৃদ্বয়ের জীবনীকে এত সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলে ধরা হয়েছে যে, শিশুকিশোরদের পাশাপাশি বয়স্ক পাঠকরাও এটি উপভোগ করতে পারবেন।
লেখকের লেখনী অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য। তিনি গতানুগতিক জীবনীর ধাঁচ ভেঙে, রাইট ভাতৃদ্বয়ের জীবনকে একটি মনোজ্ঞ গল্পের মত উপস্থাপন করেছেন। তাঁদের আকাশ জয় করার পূর্বের সংগ্রাম, ব্যর্থতা এবং অবশেষে সফলতার গল্প পাঠকদের উৎসাহিত করবে।
বইটি শুধুমাত্র একটি জীবনী নয়, এটি একটি অনুপ্রেরণার উৎস। এটি শিখিয়ে দেয় যে, কঠিন পরিশ্রম, ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।
কাদের পড়া উচিত:
- শিশুকিশোররা যারা বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের প্রতি আগ্রহী।
- যারা জীবনী পছন্দ করেন কিন্তু বোরিং লাগতে পারে ভেবে পড়েন না
- যারা সাহিত্যিক নন-ফিকশন পড়তে চান।
কেন পড়বেন:
- সহজবোধ্য ভাষা
- আকর্ষণীয় গল্প
- বিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে
- অনুপ্রেরণা পেতে
সার্বিক মূল্যায়ন:
"আকাশ যারা করলো জয়" একটি দুর্দান্ত বই। এটি শুধুমাত্র একটি জীবনী নয়, এটি একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প। যারা বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের প্রতি আগ্রহী, তাদের জন্য এই বইটি অবশ্যই পড়া উচিত।
October 19, 2024
Regardless of how original work of this book is, I can say without a doubt that this translation is of top-notch. The writing and narrating style ignites imagination so vividly that it remained etched in my head even after ten years despite reading it at class six. Although I'm interested in trying the original I'm refraining to not lost the amazing feelings this one delivered.
August 29, 2021
This is exhilarating.And for your kind information,this book has won so many prizes to count.It was first published in 1963.And it was the Bangla translation of the work of Quentine Reynolds named 'The Wright Brother's'.So why are you waiting to read this?
November 11, 2021
কিশোর বয়সে পড়ার জন্য এইটা একটা মাস্ট রিড বই।বড় বড় স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার স্পৃহা জাগানিয়া দারুণ ঘটনাপ্রবাহ। উইল রাইট ব্রাদার্স এর সাথে আমিও যেন আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম।
February 11, 2022
ক্লাস ৭ কি ৮ এ থাকাকালীন সময়ে স্কুলের লাইব্রেরিতে পেয়েছিলাম বইটা। দারুণ লেগেছি তখন...
December 5, 2022
ছোটদের বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ জাগ্রত করতে বইটি সহায়ক । দারুন কাহিনী । ছোটদের জন্য উপযোগী ।
August 28, 2025
ক্লাস সেভেনে বসে স্কুল লাইব্রেরী থেকে নিয়ে পড়া সেরা বই ছিলো এটা
February 2, 2021
বিমান আবিষ্কারক ওইলবার এন্ড অলিবার রাইট ভাই দ্বয়ের অমর কাহিনি।
Displaying 1 - 16 of 16 reviews















