Bengali is the world’s seventh most popular language in terms of the number who use it, but few have made the journey from the West to its cultural or spiritual interior. Its intellectual tradition is without equal in present-day India. Rabindranath Tagore, a true Renaissance man, is its greatest writer. Joe Winter’s selection from Tagore’s more than 40 books of poetry gives a wonderful sense of his variety in lyrics, songs and narratives. It complements and extends the work he began with translating Song Offerings (2000). Rabindranath Tagore (1861-1941) became the first non-Westerner to win the Nobel Prize in 1913, largely on the strength of his own prose versions of his poems, greatly admired by W.B. Yeats. The national anthems of both India and Bangladesh are Tagore’s own compositions. His songs are sung in all Bengali-speaking parts. Joe Winter lived in Calcutta from 1994 to 2006. Anvil has published his poetry ( Guest and Host, 2003) and four translations from two volumes of poetry by Jibanananda Das and two books by Tagore, Gitanjali (as Song Offerings ) and his essays Atmaparichay (as Of Myself , co-translated with Devadatta Joardar). He received the Tagore Institute of Calcutta’s 2006 award for the propagation of Tagore’s work. He now teaches in Sussex.
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
ইদানিং প্রায়ই এরকম হচ্ছে। বৃষ্টির জন্যে সকালে মাঠে দৌড়তে যাওয়া পণ্ড হচ্ছে। সিঁড়িতে উপর-নিচে দৌড়ানোর চেষ্টা করেছি, বাড়ির বিড়ালগুলো অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে, আর rolling eyes কিংবা yawning face ইমোজি ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারে আমার দিকে। 🙄🥱 তাদের চাহনির লজ্জায় সেটাও বন্ধ করেছি।
আজকে সকালে উপায়ান্তর না দেখে, সদ্যঘুমভাঙা হিড়িম্বকণ্ঠে আবৃত্তি শুরু করলাম : নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে/ তিল ঠাঁই আর নাহি রে/ ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে! আমার চিলচিৎকারে বিরক্ত হয়ে জানলার পাশের শিউলিগাছের পাখিগুলো "আ মোলো যা, মিনসে, just chill out!" বলে উড়ে চলে গ্যালো।
অ্যাদ্দিন ভাবতাম, এই কবিতাটা সোনার তরী বইয়ের। কবিতার শেষের স্তবকটা ভুলে গেছি। সেটা দেখার জন্যে বইটা নামিয়ে আনলাম। তন্নতন্ন করে খুঁজেও বের করতে পারলাম না সেই কবিতা। হায় রে ভ্লাদিমির পুতিন, এত ভালো কবিতাটা বেমালুম হাপিস করে দিয়েচো? জেদ চেপে গ্যালো। রবীন্দ্র-রচনাবলীর নির্ঘণ্ট থেকে আবিষ্কার করলাম, পুতিনের দোষ নেই। সোনার তরীর প্রায় দশবছর পরে লেখা কবিতাটা আসলে "ক্ষণিকা" কাব্যগ্রন্থে আছে। আমারই ভুল।
আচ্ছা বেশ। সোনার তরীতে উঠে আবার চিৎকার শুরু করলাম : ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্ বিদেশে?/ বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে/ যেয়ো যেথা যেতে চাও/ যারে খুশি তারে দাও/ শুধু তুমি নিয়ে যাও/ ক্ষণিক হেসে। একে একে অনেকগুলো পড়লাম। এবার আর চিৎকার নয়, মনে মনে। সোনার তরীর কবিতাগুলো বিশ্বভাবনা, আত্মচিন্তা এবং রূপক-আবেদনের জন্য বিখ্যাত। আমার মাথায় এসব কঠিন জিনিস ঢোকে না। আমার ভালো লাগে এদের মৃদুমন্দ ছন্দ, বর্ষার জলের গন্ধ, আর বিষয় বৈচিত্র্যের স্পন্দ... এইসবের জন্যে।
কিংবা "হিং টিং ছট্" কবিতাটার রাবীন্দ্রিক সার্কাজমের জন্যে। "পরশপাথর" কবিতাটার সুপ্ত ব্যঞ্জনার জন্যে। সোনার তরীর প্রেমের কবিতাগুলোও আমার পছন্দ। কিছু আমি করি নি গোপন/ যাহা আছে সব আছে/ তোমার আঁখির কাছে/ প্রসারিত অবারিত মন/ দিয়েছি সমস্ত মোর করিতে ধারণা/ তাই মোরে বুঝিতে পারো না? রবীন্দ্রনাথের "পরিপক্ক" কাব্যভাষা এই বইতে পাওয়া যাবে না (আমার মতে)। "বলাকা" লিখতে তখনও অনেক দেরি। তবুও চমকে যেতে হয়। প্রায় পঁচিশ-পাতার কবিতা "পুরস্কার" পড়ে ভবিষ্যতের "কথা ও কাহিনি"র স্পষ্ট আভাস পাওয়া যায়।
"নদীপথে" নামের কবিতাটার শেষে রচনার স্থানপরিচয় হিসেবে লেখা আছে :
"খালপাড়ে । ঝড় বৃষ্টি । অপরাহ্ন"
এই কবিতাটা যতবার পড়ি, ততবার ভাবি, ঠিক এমনিভাবে কোনো এক বর্ষাবিকেলে ছইতোলা নৌকায় যেতে যেতে এই কবিতাটা পড়তে হবে। ভাবতে ভাবতে পাশে তাকিয়ে দেখি, আমার দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে ল্যাজ নাড়ছে— "সোপ্রানো"! সে একজন হুলোবেড়াল। মাঝরাতে উচ্চকণ্ঠে নিখুঁত রাগসংগীত পরিবেশন করার অভ্যাসের জন্যে তার এমন নামকরণ করা হয়েছে। বই গুটিয়ে উঠে পড়ার আগে তাকে উদ্দেশ্য করে পড়লাম :
মনের কথা রেখেছি মনে যতনে, ফিরিছ মিছে মাগিয়া সেই রতনে। তুচ্ছ অতি, কিছু সে নয়, দু-চারি-ফোঁটা-অশ্রু-ময় একটি শুধু শোণিত রাঙা বেদনা। অমন দীননয়নে তুমি চেয়ো না।
কিছু কিছু বই হাতে নেওয়ার পর মনে হয় পড়ার কী দরকার? বইগুলোর দিকে শুধু তাকিয়েই থাকি! বইগুলো হাতে নিলেই কেমন অদ্ভুত এক ভালোলাগা তৈরি হয়৷ আর মলাট উল্টানোর পর তো মনে হয়, "আহা! চারপাশের সবকিছু এত সুন্দর হয়ে গেল কীভাবে?" সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠার পর আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রতিটা বইয়ের মলাট উল্টাই, লিখাগুলো বারবার উল্টেপাল্টে দেখি৷ না, বড় কোনো লিখা না, দুই তিন শব্দের কিছু বাক্য, তবুও বারবার পড়ি।
কবিতা আর সায়েন্স ফিকশন- এই দুই জনরার বই আমি সবসময়ই এড়িয়ে চলি৷ কবিতা বুঝি না আর সায়েন্স ফিকশন আমার কাছে অত্যাধিক আজগুবি বলে মনে হয়। এমনকি বাংলা পরীক্ষার সময়েও মনে হয়, "কেন খ বিভাগ থেকে উত্তর করাই লাগবে 😑?"
কিন্তু ওই যে, 'সোনার তরী'কে ঘিরে একটা ভালোলাগা আছে দেখেই বইটা হাতে নেওয়া। আর বইটার সাথে 'প্রিয়' কিছু জড়িয়ে থাকার কারণেই 'বুঝে বুঝে' কবিতা পড়ার চেষ্টা করলাম৷ বুঝে বুঝে পড়তে গিয়ে অনেকদিন ধরে বইটা নিয়ে বসেছিলাম। টেবিলের পাশে সারাক্ষণ এই বইটা থাকতো, অবশেষে পড়া শেষ হলো!
যাই হোক, এবার আসল কথায় আসা যাক। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালোত্তীর্ণ কাব্যগ্রন্থের মধ্যে একটি হচ্ছে এই ‘সোনার তরী'৷ মোট ৪২টা কবিতা এই কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে। ‘সোনার তরী’ কবিতার নামেই এই কাব্যগ্রন্থের নাম রাখা হয়েছে 'সোনার তরী'। এই কবিতার অর্থ নিয়ে যে কী পরিমাণ তর্কবিতর্ক-চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। কবিতা পড়ার পর একেকজন একেকভাবে এর অর্থ খুঁজে বের করবে- আর এখানেই কবির সার্থকতা। একে বলে বহুরৈখিকতা৷ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহুল পঠিত ও আলোচিত কবিতার মধ্যে একটি৷ যেহেতু অনেকেই এ নিয়ে আলোচনা করে ফেলেছেন, তাই আমি এখন সেটা নিয়ে আলোচনা না করে তা আপাতত শেষের জন্য রেখে দিই৷
কবিতাগুলো পড়ার সময় মনে হবে পুরো চিত্রপটটাই আপনার চোখের সামনে চলে আসছে। পড়ার সময় একটুও একঘেয়ে লাগবে না। সেই সাথে উপমা ও রূপকের মধ্যেও রয়েছে বেশ 'রহস্য রহস্য' গন্ধ, তাই পড়ার সময় একটু বেগ পেতে হয়েছে৷ কথা যদিও বেশ সহজ-সরল ছিল, কিন্তু কবিতা তো কবিতাই! এমনকি রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন, "সহজ কথা যায় না বলা সহজে।"
'বিম্ববতী' কবিতাটা রূপকথার এক অহংকারী রানীকে নিয়ে৷ এইটা পড়ে তুষারকন্যার কথা মনে পড়তে পারে৷ মনে হতে পারে না, ওইটা নিয়েই আরকি :3 'রাজার ছেলে ও রাজার মেয়ে' কবিতায় দুইজন কিশোর-কিশোরীর হাল্কা লাজুক-মিষ্টি প্রেমের কথা বলা হয়েছে। "নিশীথে রাজার মেয়ে শোয় সোনার খাটে, স্বপনে দেখে রূপরাশি। রূপোর খাটে শুয়ে রাজার ছেলে দেখিছে কার সুধা হাসি।"
'নিদ্রিতা' ও 'সুপ্তোত্থিতা' বলা যায় একই কবিতার প্রথম অংশ ও দ্বিতীয় অংশ। যেখানে 'নিদ্রিতা'য় রাজার ছেলে সাত সমুদ্র তের নদী পার করে ঘুমের দেশে নিজেকে আবিষ্কার করে, সেখানে 'সুপ্তোত্থিতা'য় সেই ঘুম ভাঙার পর কী হলো-তার বর্ণনা দেওয়া আছে৷
তবে আমার প্রিয় কবিতা হলো 'পুরষ্কার', বেশ বড় একটা কবিতা। এই কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে গুণীজনের দ্বারা নিজের সাহিত্যকর্মের প্রশংসা ও স্বীকৃতিই হচ্ছে একজন সাহিত্যিকের শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার৷ অর্থাৎ নিজের কাজের প্রাপ্য মর্যাদা ও প্রশংসা গুণীজনের কাছ থেকে পাওয়ার যে আনন্দ, তা অন্য যেকোনো পুরষ্কারের তুলনায় অত্যাধিক।
লিখা বড় হয়ে যাচ্ছে, এবার ইতি টানা যাক। বলেছিলাম লিখা শেষ করবো 'সোনার তরী' কবিতার কথা বলে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই বলেছেন 'সোনার তরী' কবিতার মাধ্যমে তিনি বলতে চেয়েছেন যে মহাকালের চিরন্তন স্রোতে মানুষ হারিয়ে গেলেও, তার কর্ম অর্থাৎ সোনার ফসল ঠিকই টিকে থাকে৷ তাই হয়তো কবির সৃষ্টিকর্ম সেই সোনার তরীতে স্থান পেলেও, নিজের জায়গা সেখানে হয় না। তাই তো কাব্যগ্রন্থের সূচনায় তিনি লিখেছেন, " আমার বুদ্ধি এবং কল্পনা এবং ইচ্ছাকে উন্মুখ করে তুলেছিল এই সময়কার প্রবর্তনা বিশ্বপ্রকৃতি এবং মানবলোকের মধ্যে নিত্যসচল অভিজ্ঞতার প্রবর্তনা। এই সময়কার প্রথম কাব্যের ফসল ভরা হয়েছিল; সোনার তরীতে। তখনই সংশয় প্রকাশ করেছি, এই তরীতে নিঃশেষ আমার ফসল তুলে নিবে কিন্তু আমাকে নেবে কি?"
রবীন্দ্রনাথের বইয়ে আমি তারাবাজি করছি, এই ব্যাপারটাই কেমন পরাবাস্তব, তাই না? কিন্তু গুডরিডস্ এক বিচিত্র জায়গা, যেখানে সোনার তরী তো কোন ছাড়, ইলিয়াড বা মহাভারত নিয়েও রেটিং দেওয়া যায়! তাই, এই অদ্ভুত রকম তিমিরবিনাশী কাব্যগ্রন্থটিকে নিজের তেলচিটে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে উৎসারিত পাঁচটি তারা অর্পণ করা গেল।
বেশ কতগুলো কবিতার সমন্বয়ে ৯২ পৃষ্ঠার এই কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রবী ঠাকুরের আবেগ, আকুতি এবং আকাঙ্ক্ষা গুলো খুব দৃঢ়ভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে 'সোনার তরী, যেতে নাহি দিব, নিরুদ্দেশ যাত্রা' কবিতাগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।
তবে বেশ কতগুলো কবিতার দীর্ঘ প্রায় ৮/১০/১১ পৃষ্ঠা হওয়ায়, পড়ার সময় মনযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত বেশ। তাই, শুরু হতে আবার পড়তে হতো।
A phenomenal stage in Tagore’s career was reached with ‘Sonar Tari’ or ‘The Golden Boat’ in 1894. This tome is pronounced milestone. It shows Tagore as a great nature-poet in love with the uncountable forms and moods of nature. The lyrics of the collection are gorgeous in their beauty and melody. By his father's instructions, the young poet took up the supervision of the landed property of the family in East Bengal and Orissa, and came to live in a boat on the river Padma. The daydreaming boy who once glimpsed avidly at Nature from within the iron railing of his home, learned more than a decade afterwards, in the rosiness of a magnificent sunrise, the fountains of Beauty and joy in the universe. This ‘Great Awakening’, as the poet calls it, was the first meaningful event in the poet's mystical life. "Nature suddenly threw away her veil and led the entranced youth to her inmost sanctuary. And with endless wonder the poet first discovered how ravishingly beautiful was Nature, how enthralling her majesty. An entranced soul stood all alone in wonderment before the naked loveliness of Nature's charms. And in the process, there stepped out, in all her splendour, a Being of empyreal beauty whom the poet would love as no man loved a woman. It was a confrontation of a soul with another soul, vast and intangible, and letter after letter of Chinnapatra speak of that soulful communion." This is one of the finest collections of the poet.
I like to thumb through this collection every now and then. I'm able to appreciate the substance of most of the poems, but the translator is definitely in love with his own artistry. I feel like some of his interventions (indentation, word choice) are distracting -- and a little exoticizing? Does Tagore really use the word 'sari' as Joe Winter wants us to believe?
গুরুদেবের অসাধারণ একটা কাব্যগ্রন্থ। গুরুদেবে এই কাব্যগ্রন্থটি ঠিক ঐ সময়ে রচনা করেন, যখন তার ব্যক্তিজীবনে এক সঙ্কট কাল চলছিল। কবিতা গুলো খুব জীবনধর্মী ও দার্শনিকতায় পরিপূর্ণ।