টম জুবের। রকি বীচে নতুন। ওর বাবা মার্ক জুবের একজন ম্যাজিশিয়ান। মা ঝাড়ফুঁক করে মানুষের রোগ সারায়। টম নিজেও খুদে ম্যাজিশিয়ান। তিন গোয়েন্দার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইল। কিন্তু সন্দেহ জাগলো কিশোরেরঃ এত আগ্রহ কেন? চোখের সামনে ওর হাতঘড়িটা উধাও করে দিল টম। 'তিন গোয়েন্দা'কে ধরেও টান দেবে নাকি! গায়েব করে দেয়ার ইচ্ছে?
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
কিশোরদের স্কুলে উৎসবের আমেজ। এর মাঝেই রকি বীচে টম নামে নতুন একটি ছেলের আগমন। টমের বাবা-মা এমনকি টমকেও সন্দেহ করছে কিশোর ও মুসা। কিন্তু ওদিকে টমের সাথে ভালো বন্ধুত্ব হয়েছে রবিনের। সারাদিন দুজন একসাথেই থাকে। কি কারণে এত সন্দেহ টমের পরিবারের উপর, তাঁর বাবা ম্যাজিশিয়ান, এ কারণে? কিন্তু ম্যাজিশিয়ান হওয়া ত দোষের কিছু না। টম কি তিন বন্ধুর মাঝে ফাটল ধরাবে। এমনই এক কাহিনী নিয়ে এ গল্প।