জ্যোতির বড়মামা ডক্টর সায়েম মোর্শেদ বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট। দীর্ঘদিন থেকে মিশরে পিরামিড নিয়ে গবেষণা করছেন। পিরামিডে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে চার হাজার বছরের প্রাচীন এক কবর আবিষ্কার করে বসেছেন তিনি। কবরটা উন্মোচন করার আগে ভাগ্নে জ্যোতিকে মিশরে আসার আমন্ত্রণ জানালেন। চলে এল জ্যোতি মিশরে। মামার কাছে শুনল প্রাচীন এক মন্ত্র পরপর পাঁচবার আওড়ালে জীবন্ত হয়ে উঠে মমি। মামাতো বোন ডোরাকে ভয় দেখাতে ঠাট্টার ছলে মন্ত্রটা পাঁচবার আওড়াল জ্যোতি। তারপর?
কিশোর হরর সিরিজ এর ট্যাগ লাইন ছিল: পাঠক, সাবধান! ভয়ের জগতে প্রবেশ করছ তুমি! কিশোর হরর বা হরর ক্লাবের একক লেখক ছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি ২টি করে ইসলামিক সিরিজের বই, ছড়া বই ও ওয়েস্টার্ন বই উপহার দিয়েছিলেন আমাদের।
জ্যোতির মামা বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট ডক্টর সায়েম মোর্শেদ মিশরে খোড়াখুড়ির কাজ করতে গিয়ে প্রায় ৪ হাজার বছর পুরোনো এক সমাধিক্ষেত্রে আবিস্কার করে বসেন। সেটার সিল খোলার সময়ে ইতিহাসের সাক্ষি হতে জ্যোতিকে মিশরে আমন্ত্রন জানায় সে। সাথে থাকে তার মেয়ে ডোরা। কিন্তু কবরের বাহিরে সাবধান বানী লিখা আছে যে, কবরের বাসিন্দা শান্তিতে থাকতে চায়। তার কেউ শান্তি নষ্ট করলে অভিশাপ নেমে আসবে। কিন্তু এত কষ্ট করে এত দূর পর্যন্ত এসে দমে যাবার পাত্র নন জ্যোতির মামা। সিল ভেংগে ভিতরে ঢুকলেন তিনি। জীবন্ত হতে উঠল মমি। কি হবে এখন?