ঢাকা ভার্সিটির উদ্ভিতবিজ্ঞানের প্রফেসর ডঃ রাইয়ান মাহমুদ। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর ফিরে এলেন চট্টগ্রামে। মরিয়া হয়ে উঠলেন নিজের যোগ্যতা প্রমাণে। ভুলে গেলেন ছেলে, মেয়ে, স্ত্রীর কথা। সারাক্ষণ গবেষণায় বুঁদ হয়ে থাকেন মাটির নিচের ল্যাবরেটরিতে। কিন্তু ওসব কি ডঃ রাইয়ানের মাথায়? চুল? নাকি অন্যকিছু? তাঁর ক্ষতস্থান থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় ঝরছে ওগুলো কি? গোগ্রাসে কি গিলছেন তিনি? গাছের খাবার? তাহলে কি ডঃ রাইয়ান মাহমুদ গাছ হয়ে যাচ্ছেন?
কিশোর হরর সিরিজ এর ট্যাগ লাইন ছিল: পাঠক, সাবধান! ভয়ের জগতে প্রবেশ করছ তুমি! কিশোর হরর বা হরর ক্লাবের একক লেখক ছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি ২টি করে ইসলামিক সিরিজের বই, ছড়া বই ও ওয়েস্টার্ন বই উপহার দিয়েছিলেন আমাদের।
বিখ্যাত উদ্ভিদ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডঃ রাইয়ান মাহমুদ চাকুরী থেকে বরখাস্ত হবার পর বদলে গেলেন তিনি। সারাক্ষন বাসার নিচের বেসমেন্টের গবেষনাগারে নিজেকে আটকিয়ে রেখে গবেষনা করতে লাগলেন। কিন্তু তার আচরন দিন দিন রহস্য ময় হয়ে উঠতে লাগল তার সন্তানদের কাছে। বিশেষ করে উর্মি সন্দেহ করতে লাগল তার বাবার কিছু একটা হয়েছে। হঠাত একদিন সে আবিষ্কার করল তার বাবার মাথায় চুলের বদলে পাতা গজাচ্ছে, এখানেই শেষ হলে হয়ত ভাল হত কিন্তু সে আরো আবিষ্কার করল তার বাবা গাছের খাবার কচকচ করে মহা আনন্দে সাবাড় করছে। কি হল তার বাবার তারা কি এই রহস্য ভেদ করতে পারবে?
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ সম্ভবত গুজবাম্প সিরিজের অনুকরনে এই গল্প গুলো লিখা। পরবর্তীতে এই গল্পের চরিত্র উর্মিকে হরর ক্লাবের সদস্য হিসেবে দেখা যায়। গল্পের কোয়ালিটি খুবই সিম্পল। হয়ত আমার বয়স পার হয়ে গেছে তাই হতে পারে। লেখক সম্পর্কে যত কম কথা বলা যায় ততই ভাল।
randomly found this book in a street shop of mirpur-10. mystery begins with an eerie atmosphere and ends with a shocking twist. i knew something was going on. but i never saw that "twist" coming. the final revelation was worth. although the premise felt a little flat to me at first.