What do you think?


শবর দাশগুপ্ত #7
ঈগলের চোখ
The Characters…. Three Women and Bishan Wife Shivangi, wife's friend Nandini and Jahnavi The turn of events... Nandini is brutally murdered! Shivangi is found in the bedroom, lying half naked and fatally injured. All evidences are pointing at Bishan. But, is it that simple? And the truth… Eye of the Eagle delves into the complications of relationships and world of complicated characters where mystery unfolds only through the eyes of Detective Shobor!
95 pages, Hardcover
First published December 1, 2014
About the author
Shirshendu Mukhopadhyay
412 books965 followersশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 30 reviews
December 21, 2023
গল্পের শুরুতেই বিষাণ সম্পর্কে জানতে থাকি; বিষাণ– যার স্ত্রীকে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে বেডরুমে এবং এ সম্পর্কেই জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল শবরের সাথে।
কথায় কথায় উঠে আসে–বিষাণ, তার স্ত্রী শিবাঙ্গী, হাউস-মাদার নন্দিনী এবং কিশোরী জাহ্নবী ছাড়া বাসায় আর কেউ থাকত না। এই গুটিকয়েক মানুষের মধ্যেই কে যে নন্দিনীকে খুন করে রেখে গেল এবং শিবাঙ্গীকে কোমায় পাঠিয়ে দিল তা বের করা দুরূহ হয়ে ওঠে।
এক্ষেত্রে 'ঈগলের চোখ' নামকরণ শবরের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ। যদিও অল্প চরিত্র, তারও অল্প সময় পর্যন্ত সাসপেন্স, তবু পড়তে একেবারে মন্দও না।
কথায় কথায় উঠে আসে–বিষাণ, তার স্ত্রী শিবাঙ্গী, হাউস-মাদার নন্দিনী এবং কিশোরী জাহ্নবী ছাড়া বাসায় আর কেউ থাকত না। এই গুটিকয়েক মানুষের মধ্যেই কে যে নন্দিনীকে খুন করে রেখে গেল এবং শিবাঙ্গীকে কোমায় পাঠিয়ে দিল তা বের করা দুরূহ হয়ে ওঠে।
এক্ষেত্রে 'ঈগলের চোখ' নামকরণ শবরের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ। যদিও অল্প চরিত্র, তারও অল্প সময় পর্যন্ত সাসপেন্স, তবু পড়তে একেবারে মন্দও না।
September 8, 2024
ঈগলের চোখ,পড়তে ভালোই লেগেছে।মানুষের রাগ খুব খারাপ জিনিস, যা তার হিতাহিত জ্ঞান নষ্ট করে।বিষাণ আর তার স্ত্রী মধ্যে হাজার হাজার ফারাক তবুও তার স্ত্রী নিজের অধিকার ছাড়তে নারাজ।
খুব ছোট একটি উপন্যাস, সাসপেন্স ছিল,মিস্ট্রি ছিল,এক কথায় ভালো লেগেছে পড়তে।অনেক দিন পরে কোন উপন্যাস পড়লাম,রিডিং ব্লকেজ দূর করার মত একটি লেখা।
শবর দাশগুপ্তের সিরিজের প্রতি টান অনুভব করছি।খুব শীঘ্রই অন্য গল্প গুলো পড়ে ফেলবো কারণ রহস্যময় গল্প আমাকে টানে।
খুব ছোট একটি উপন্যাস, সাসপেন্স ছিল,মিস্ট্রি ছিল,এক কথায় ভালো লেগেছে পড়তে।অনেক দিন পরে কোন উপন্যাস পড়লাম,রিডিং ব্লকেজ দূর করার মত একটি লেখা।
শবর দাশগুপ্তের সিরিজের প্রতি টান অনুভব করছি।খুব শীঘ্রই অন্য গল্প গুলো পড়ে ফেলবো কারণ রহস্যময় গল্প আমাকে টানে।
October 4, 2015
ঝিম-ধরানো এই রোববারের সকালটা কাটানোর পক্ষে বেশ ভালো এই রহস্য কাহিনিটা একবারে পড়ে ফেলা গেল। রহস্য সমাধানের যাবতীয় সূত্র পেংগুইন থেকে প্রকাশিত রহস্য সিরিজ সম্বন্ধে একদা প্রচলিত ব্যঙ্গোক্তিটি মেনে পাওয়া যাবে (The cover would show you somebody shot, the back would tell you what's the plot), কিন্তু বইটা তিনখানা তারা পেল নিম্নবত কারণে: -
১) গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তের টান অমোঘ;
২) বইটার ছাপা, বাঁধাই, এবং ফন্ট-সাইজ প্রশংসনীয়;
৩) বইটা আমার ঘুমঘুম ভাবটা পুরোপুরি কাটিয়ে দিয়েছে!
পড়ে ফেলুন।
১) গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তের টান অমোঘ;
২) বইটার ছাপা, বাঁধাই, এবং ফন্ট-সাইজ প্রশংসনীয়;
৩) বইটা আমার ঘুমঘুম ভাবটা পুরোপুরি কাটিয়ে দিয়েছে!
পড়ে ফেলুন।
August 6, 2020
আপাতদৃষ্টিতে একটি সহজ কেস। ইংরেজিতে যাকে বলে 'ব্রেকিং অ্যান্ড এন্টারিঙ ওয়েন্ট রং'। বাড়ির মালকিন শিবাঙ্গি কোমাটোস, তার বান্ধবী এবং সহকারী নন্দিনী মৃতা। সবটাই দুর্ঘটনা? নাকি খুব নিপুন ভাবে সংঘটিত এক জটিল চক্রান্ত? সন্দেহের তীর শিবাঙ্গির স্বামী বিষানের দিকে। এই সরল অঙ্কে জটিলতার সন্ধানে মাঠে নামলেন শবর দাশগুপ্ত।
বেশ কিছু শবর উপাখ্যানে লক্ষ্য করেছি শীর্ষেন্দুবাবুর তার প্রধান পুরুষ সাসপেক্টদের চারিত্রিক ক্লিনচিট দেবার প্রবণতা। তারা লম্পট নন, কেবলই নারী সঙ্গে কলঙ্কিত, ব্যবহৃত। এ ক্ষেত্রে হালকা মিসোজিনির গন্ধ পেলেও পেতে পারেন।
উপন্যাসটি নেহাত মন্দ নয়। দৈর্ঘে ছোট এবং অন্যান্য গল্পের মতন সংলাপ ভিত্তিক। সিনেমাটা দেখে থাকবার দরুন আশ্চর্য হবার সুযোগ ছিল না। ইচ্ছে করলেই আরো কিছু দিক এক্সপ্লোর করতে পারতেন লেখক। লিখতে পারতেন আরো কয়েকটি চরিত্র। তাতে আর কিছুই না, সন্দেহের তালিকাটা একটু বাড়ত।
এই কদিনে শবর বেশ পছন্দের চরিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে নিয়ে এবারে একটা লার্জ স্কেলে প্রাপ্তবয়স্ক রহস্য উপন্যাস লেখার আর্জি রয়েই গেল লেখকের কাছে।
অগাস্ট ৬, ২০২০
বেশ কিছু শবর উপাখ্যানে লক্ষ্য করেছি শীর্ষেন্দুবাবুর তার প্রধান পুরুষ সাসপেক্টদের চারিত্রিক ক্লিনচিট দেবার প্রবণতা। তারা লম্পট নন, কেবলই নারী সঙ্গে কলঙ্কিত, ব্যবহৃত। এ ক্ষেত্রে হালকা মিসোজিনির গন্ধ পেলেও পেতে পারেন।
উপন্যাসটি নেহাত মন্দ নয়। দৈর্ঘে ছোট এবং অন্যান্য গল্পের মতন সংলাপ ভিত্তিক। সিনেমাটা দেখে থাকবার দরুন আশ্চর্য হবার সুযোগ ছিল না। ইচ্ছে করলেই আরো কিছু দিক এক্সপ্লোর করতে পারতেন লেখক। লিখতে পারতেন আরো কয়েকটি চরিত্র। তাতে আর কিছুই না, সন্দেহের তালিকাটা একটু বাড়ত।
এই কদিনে শবর বেশ পছন্দের চরিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে নিয়ে এবারে একটা লার্জ স্কেলে প্রাপ্তবয়স্ক রহস্য উপন্যাস লেখার আর্জি রয়েই গেল লেখকের কাছে।
অগাস্ট ৬, ২০২০
October 25, 2022
শীর্ষেন্দু বাবুর প্রথম থ্রিলার পড়েছিলাম "বিকেলের মৃত্যু ", বেশ মারকাটারি একটা গল্প ছিল। মোটামুটি লেগেছিল। এরপর বেশ কয়েকটা থ্রিলার পড়া হলো ভদ্রলোকের। কিন্তু শবর পড়া হয়নি।
সেদিন বাতিঘরে বই খুঁজতে গিয়ে,একটা ছোট্ট বই দেখতে পাই। নাম "ঈগলের চোখ"। নাম টা কমন লাগছিল আর বইটা ও ছোট দেখে ঐখানেই পড়তে শুরু করি। শুরু করতেই প্রায় টানা পনেরো পেইজ শেষ। শুরু টা ভালো লাগছে,তার চাইতে বড় কথা শবরের গল্প। তাই আর দেরি করিনি,বাসায় এসে পিডিএফ ডাউনলোড করে রেখেছিলাম। আজকে সুযোগ পেয়ে শেষ করলাম। ভালো লেগেছে। শীর্ষেন্দু বাবু গতানুগতিক লেখকের মত করে গোয়েন্দা শবর কে বানানি। শবর সাধারণ, অন্য গোয়েন্দার মত অতিরঞ্জিত না। এটাই বেশি মনে ধরেছে। একটা গল্প পড়লাম,বাকিগুলোর প্রতি আগ্রহ তৈরি হলো। দ্রুত পড়ে নেব।
সেদিন বাতিঘরে বই খুঁজতে গিয়ে,একটা ছোট্ট বই দেখতে পাই। নাম "ঈগলের চোখ"। নাম টা কমন লাগছিল আর বইটা ও ছোট দেখে ঐখানেই পড়তে শুরু করি। শুরু করতেই প্রায় টানা পনেরো পেইজ শেষ। শুরু টা ভালো লাগছে,তার চাইতে বড় কথা শবরের গল্প। তাই আর দেরি করিনি,বাসায় এসে পিডিএফ ডাউনলোড করে রেখেছিলাম। আজকে সুযোগ পেয়ে শেষ করলাম। ভালো লেগেছে। শীর্ষেন্দু বাবু গতানুগতিক লেখকের মত করে গোয়েন্দা শবর কে বানানি। শবর সাধারণ, অন্য গোয়েন্দার মত অতিরঞ্জিত না। এটাই বেশি মনে ধরেছে। একটা গল্প পড়লাম,বাকিগুলোর প্রতি আগ্রহ তৈরি হলো। দ্রুত পড়ে নেব।
November 22, 2018
সো ফার আমার পড়া দুর্বলতম গোয়েন্দা কাহিনী। খুনিরা কিভাবে ধরা পড়লো বললেন না লেখক, কেন সে রহস্য আমি উদ্ঘাটন করতে পারিনি। হঠাৎ করে দেখা গেলো খুনিরা পুলিশের কাছে ধরা পরেছে, কিন্তু কোন বেসিসে? যাই হোক, গোয়েন্দা শবর দাসগুপ্ত এসে খুনিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় খালি দুটো প্রশ্ন আর একটু অন্তর্ভেদী চোখে তাকাতেই খুনিরা গর গর করে সব বলে দিলো কে তাদের ভাড়া করেছিল!! এযে সনি টিভির সিআইডি কে হার মানায়, ওখানে তাও দায়া একটা থাপ্পর অন্তত দেয়।
নাহ, খুবই দুর্বল একটা গোয়েন্দা কাহিনী।
নাহ, খুবই দুর্বল একটা গোয়েন্দা কাহিনী।
December 6, 2023
নিরীহ বোহেমিয়ান টাইপ বিষান চৌদ্দ বছর বয়স থেকে নারীদের সিডাকশনের শিকার। এজন্যই বিষান কোনোদিন মেয়েদের প্রতি আলাদাভাবে আকর্ষণ বোধ করেনি। বরং মেয়েরাই বিষানকে ব্যবহার করেছে। তিন চতুর নারী শিবাঙ্গী(স্ত্রী), নন্দিনী আর জাহৃবী-দের মায়াবী চোখ, নিরীহ বিষানকে মধুর আক্রমণে জর্জরিত করেছে। তবে ঈগলের চোখ নিয়ে অপেক্ষায় ছিল গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত।
তিন কুটিল নারী নিজেদের বানানো দুষ্টুচক্রের ফাঁদে পড়ে নিজেরাই নাজেহাল হয়েছে। তবে বিষানরা যেহেতু বোহেমিয়ান সেহেতু বিষানরা ভালোই থাকবে। ঘুরে বেড়াবে, মদ খাবে, পাড়ায় যাবে, আড্ডা দিবে। শান্তির জীবন বিষানদের। আর নন্দিনীরা নিজেদের পুকুরে নিজেরাই ডুবে মরবে।
শেষের টুইস্ট এমন হবে ভাবতে পারিনি। গোয়েন্দা শবরের চোখ ঈগলের মতোই। শীর্ষেন্দুর পড়া প্রথম বই এটা। মোটামুটি ভালোই ছিল। এক বসায় পড়া যায় এমন গল্প। সকালে, রাতে অথবা বিকেলে যখন মন ভালো নেই তখন যেকোনো পাঠকের জন্য মন ভালো করা একটা বই হতে পারে শীর্ষেন্দুর 'ঈগলের চোখ'।
তিন কুটিল নারী নিজেদের বানানো দুষ্টুচক্রের ফাঁদে পড়ে নিজেরাই নাজেহাল হয়েছে। তবে বিষানরা যেহেতু বোহেমিয়ান সেহেতু বিষানরা ভালোই থাকবে। ঘুরে বেড়াবে, মদ খাবে, পাড়ায় যাবে, আড্ডা দিবে। শান্তির জীবন বিষানদের। আর নন্দিনীরা নিজেদের পুকুরে নিজেরাই ডুবে মরবে।
শেষের টুইস্ট এমন হবে ভাবতে পারিনি। গোয়েন্দা শবরের চোখ ঈগলের মতোই। শীর্ষেন্দুর পড়া প্রথম বই এটা। মোটামুটি ভালোই ছিল। এক বসায় পড়া যায় এমন গল্প। সকালে, রাতে অথবা বিকেলে যখন মন ভালো নেই তখন যেকোনো পাঠকের জন্য মন ভালো করা একটা বই হতে পারে শীর্ষেন্দুর 'ঈগলের চোখ'।
September 28, 2016
This is one of those very rare cases where I watched the movie before reading the book. In my defense, when I went to watch the movie, I had no idea that I would be able to get my hands on the book so soon, even if it is the translated version.
A girl, Nandini, is found murdered and in the same house another girl, Shivangi, is found fatally injured. Nandini is Shivangi’s friend who lives in the same house along with Janhavi and Shivangi’s husband, Bishan. In a house full of entangled relationships where nothing seems to be simple, Inspector Shobor Dasgupta has the job to look beyond all the red herrings to capture the real perpetrator.
The plot revolves around human complexities and the various relationships in Shivangi’s household. Bishan is portrayed as a character that has a magnetic personality and women fall over each other to get to him. His relationships with Shivangi, Nandini and Janhavi have various aspects to it. And there’s a lot of sex involved. So it is needless to say that the tangled web of relationships within this household is really complex. Shobor Dasgupta comes to the scene of crime and instead of following the apparent thread of evidence decides to investigate the case from each and every possible angle.
The characters are mostly well developed, though I wouldn’t have minded a bit more details about Janhavi and her experience over the years in the household. With a limited number of suspects, it wasn’t difficult to deduce who the mastermind was. But it was interesting to watch Shobor Dasgupta investigate and follow his each step to understand his line of thinking.
This is an entertaining mystery that will take only a couple of hours to finish. Mystery lovers, give this a try.
http://www.ddsreviews.in/2016/12/Eye-...
August 6, 2024
A drunkard , not so good Husband, with no self esteem and nervous mind, a wife who is a self made businesswoman, with a God save you if she is pissed anger issues, a secretary to the wife who is a bit shady, introvert by nature with a secret of her own and a adolescent coming to age house help girl, who has been groomed to be the wife's adopted daughter, all of them living in the same house. Then there is a murder and an attempt to murder, what happened, who why when, all the questions will be answered with a shocking twist as Detective Shobor steps in. A beautiful fast paced translation by Uttara Ganguly from the original work of the Bengali novelist Shirshendu Mukherjee!
January 17, 2021
A book with a very ordinary story .অতো একটা ভালো লাগলো না ।:(
April 30, 2017
ফুল যদি একটু রঙচঙে হয় মৌমাছি তো আকৃষ্ট হবেই, বাগানে নিয়মিত মৌমাছির আগমন ঘটবে তখন । কিন্তু কখনও কখনও তো উল্টোটাও হতে পারে, ধরুন ফুলই আকৃষ্ট হলো মৌমাছির প্রতি । কি খটকা লাগছে? ঈগলের চোখ পড়ে ফেলুন বুঝে যাবেন । এটা পড়ে আমি একই নামের সিনেমাটাও দেখে ফেললাম । ওটাই ভালো লেগেছে বেশি ।
পুরোটুকুই সংলাপ নির্ভর ছিল । উপভোগ্য । তবে ক্যারেক্টারগুলোকে একটু রোবট রোবট মনে হয়েছে আমার(শবর বাদে অন্য ক্যারেক্টারগুলোর কথা বলছি)। আর লাইফস্টাইলটাও ভালো লাগেনি ।
পুরোটুকুই সংলাপ নির্ভর ছিল । উপভোগ্য । তবে ক্যারেক্টারগুলোকে একটু রোবট রোবট মনে হয়েছে আমার(শবর বাদে অন্য ক্যারেক্টারগুলোর কথা বলছি)। আর লাইফস্টাইলটাও ভালো লাগেনি ।
December 28, 2016
"ঋণ" আর "প্রজাপতির মৃত্যু এবং পুনর্জন্ম" গল্পের পরেই শবরের এই গল্পটা বেশ ভালো ।
January 26, 2021
▪️"ঈগলের চোখ"
▪️মার্ডার-মিস্ট্রি
আমি এই বইটির অডিওবুক শুনেছি।
▪️কাহিনী-সংক্ষেপ:
এক সকালে বিষাণের স্ত্রী শিবাঙ্গীকে অজ্ঞান আর তার সহচরী নন্দিনীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। সন্দেহের তীর বিষাণের দিকে,তবে ক্রমে ক্রমে বিষাণের সাথে তিন নারীর সম্পর্কের জটিলতার কাহিনী প্রকাশ পেল, যার জট ছাড়ালেন সুপারকপ শবর।
▪️বইটির যেই দিকগুলো ভালো লেগেছে তা হলো-খুব একটা বড় নয়,এক বসাতেই শেষ করা যায়। সংলাপ-নির্ভর লেখা, বর্ণনায় অতিরঞ্জন নেই। সুপারকপ 'শবর' চরিত্রটিকে খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে,অহেতুক লিডিং প্রশ্ন না করেই কথা আদায় করে নিচ্ছেন এমন।
শেষ লাইনটার সাথে সঙ্গতি রেখেই কিছু খামতির কথা বলা যায়। চরিত্রগুলো আপনা থেকেই একটু বেশিই কথা বলে ফেলছিলো যেন। অনেক কম সংখ্যক চরিত্র, কালপ্রিট কে তা আন্দাজ করা কঠিন না!
তবে শবর সিরিজের মধ্যে আমার পড়া প্রথম উপন্যাস এটা। বইটি শবর চরিত্রটি সম্পর্কে আমার কৌতূহল জাগাতে পেরেছে- তাই তিন তারা দিলাম। 😊
▪️মার্ডার-মিস্ট্রি
আমি এই বইটির অডিওবুক শুনেছি।
▪️কাহিনী-সংক্ষেপ:
এক সকালে বিষাণের স্ত্রী শিবাঙ্গীকে অজ্ঞান আর তার সহচরী নন্দিনীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। সন্দেহের তীর বিষাণের দিকে,তবে ক্রমে ক্রমে বিষাণের সাথে তিন নারীর সম্পর্কের জটিলতার কাহিনী প্রকাশ পেল, যার জট ছাড়ালেন সুপারকপ শবর।
▪️বইটির যেই দিকগুলো ভালো লেগেছে তা হলো-খুব একটা বড় নয়,এক বসাতেই শেষ করা যায়। সংলাপ-নির্ভর লেখা, বর্ণনায় অতিরঞ্জন নেই। সুপারকপ 'শবর' চরিত্রটিকে খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে,অহেতুক লিডিং প্রশ্ন না করেই কথা আদায় করে নিচ্ছেন এমন।
শেষ লাইনটার সাথে সঙ্গতি রেখেই কিছু খামতির কথা বলা যায়। চরিত্রগুলো আপনা থেকেই একটু বেশিই কথা বলে ফেলছিলো যেন। অনেক কম সংখ্যক চরিত্র, কালপ্রিট কে তা আন্দাজ করা কঠিন না!
তবে শবর সিরিজের মধ্যে আমার পড়া প্রথম উপন্যাস এটা। বইটি শবর চরিত্রটি সম্পর্কে আমার কৌতূহল জাগাতে পেরেছে- তাই তিন তারা দিলাম। 😊
April 25, 2020
শবর সিরিজটা যত পড়ছি ততই আরও ভালো লাগছে। শবর একেবারেই অ্যাকশনে বিশ্বাসী নয়। কাহিনী গুলো মূলত ইন্টারোগেশন ভিত্তিক। দিব্যি লাগছে পড়তে। সিনেমাটা অবশ্য চটকে চোদ্দো করে দিয়েছে!
December 17, 2019
অনেকটা আগেই বুঝেছিলাম কে কাজটা করিয়েছে কিন্তু তারপরও ভালো লেগেছে।
December 9, 2020
খুবই দুর্বল গল্প। পুলিশি গোয়েন্দা কাহিনী হলেও এত খারাপ হওয়া উচিত নয়। গল্পে গভীরতা নেই। লেখার বাঁধুনি নেই। যেন এলেন, দেখলেন, অপরাধী ধরলেন টাইপ।
আর সমস্ত শবর গল্পে অপরাধী যেন শবরকেই সমস্ত সত্যি কথা বলার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে। আর শবর সমস্ত কিছু ওই ভরসাতেই করে চলেছে।
শবর যাক কাছেই যাচ্ছে কিছু ধ্রুব সত্যি জবানবন্দি নিয়েই ফিরছে।
হাস্যকর গোয়েন্দা সিরিজ।
আর সমস্ত শবর গল্পে অপরাধী যেন শবরকেই সমস্ত সত্যি কথা বলার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে। আর শবর সমস্ত কিছু ওই ভরসাতেই করে চলেছে।
শবর যাক কাছেই যাচ্ছে কিছু ধ্রুব সত্যি জবানবন্দি নিয়েই ফিরছে।
হাস্যকর গোয়েন্দা সিরিজ।
November 25, 2020
তাঁর বেশকিছু সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আমার অন্যতম প্রিয় একজন লেখক। আমার মনে হয় তিনি সহজ-সরল ভাষায় মানুষের গভীরতম সব ভাবনাকে প্রকাশ করতে পারেন। তাইতো তাঁর পার্থিব, দূরবীন, পারাপার বা চক্রর মতো ঢাউস সাইজের বইগুলো আমি সহজেই পড়ে ফেলতে পারি। সামাজিক উপন্যাসের পাশাপাশি তিনি যে ভ্রমণকাহিনী এবং থ্রিলারেও পারদর্শী তার প্রমাণ মেলে তাঁর বাঙালের আমেরিকা দর্শন আর বিকেলের মৃত্যু বা কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল বইগুলোতে। এসবের পর আজ হাতে নিলাম তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র শবর দাশগুপ্তর আখ্যান।
প্লটের কথা বলতে গেলে বইটা অদ্ভুত এক বাড়ি এবং সেখানকার জটিল সম্পর্ককে নিয়ে। বিষাণ, বাড়ির একমাত্র পুরুষ, একজন বোহেমিয়ান, মাতাল, পরনারীতে মত্ত, অগোছালো মানুষ। তার স্ত্রী শিবাঙ্গীর সাথে বলতে গেলে তার কোনো সম্পর্কই নেই, তবু এক বাড়িতে থাকে তারা। বাড়িতে আরও থাকে শিবাঙ্গীর বান্ধবী নন্দিনী এবং শিবাঙ্গীর নিজ হাতে প্রতিপালিত জাহ্নবী। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো নন্দিনী এবং জাহ্নবীও বিষাণে মুগ্ধ। এই জটিল পরিস্থিতিতে বিষাণের এক আউটিংয়ের সময় এক রাতে খুন হয় নন্দিনী, মারাত্মক আহত হয় শিবাঙ্গী। স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের তীর বিষাণের দিকে যায়। তখনই আবির্ভাব ঘটে গোয়েন্দা শবরের। যতই ইন্টারোগেশন করে শবর ততই সে আবিষ্কার করে মানবমনের এক গোপণ অধ্যায়কে।
ছোট্ট পরিসরের একটা উপন্যাস বইটা। স্বল্প কিছু চরিত্র আর ঘটনা নিয়েই গড়ে উঠেছে বইটা। লেখক বাড়তি কোনো দিক আনেন নি, তাই গল্পটা একদম টু দ্য পয়েন্ট। অল্প কিছু চরিত্র হলেও আসল অপরাধী কে তা বোঝা যায় নি এত সহজে। আপাতদৃষ্টিতে যা সহজ একটা প্লট মনে হচ্ছিল সেখানেও বেশ বিভ্রান্ত করেছেন লেখক। ছোটখাটো ঘটনার মোড় আর টুইস্ট দিয়ে বেশ কয়েকবার অনুমানকে মিথ্যাও প্রমাণ করেছেন। তেমন বর্ণনার ঘনঘটা নেই, সংলাপের মাধ্যমেই গল্পকে এগিয়ে নিয়েছেন লেখক। শুধু সংলাপের মাধ্যমে প্লট বর্ণনার বিষয়টা আমার কাছে ইউনিক ছিল।
তবে যেটা নজরে আসতে বাধ্য তা হলো লেখক তেমন ব্যাখ্যা দেন নি ঘটনার। হাসপাতাল থেকে বের হয়েই শবর কিভাবে দুই কন্ট্রাক্ট কিলারকে ধরে ফেলতে পারল তার কোনো উত্তর নাই। আবার দুই পেশাদার খুনী এত সহজে যেভাবে শবরের ঠান্ডা মাথা আর শীতল চোখের ভয়ে ভীত হয়ে গড়গড় করে সব বলে ফেলল সেটাও মেনে নিতে কষ্ট হলো। তাছাড়া দুইটা ভুল তো একদম দৃষ্টিকটু। যেখানে একজায়গায় বলা হলো শিবাঙ্গী ব্যবসার কাজে ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিল, পরক্ষণেই বলা হলো দিল্লি। আবার বাচ্চু আর বাদু নামের কনফিউশানটা তো রয়েছেই।
সবমিলিয়ে বলা যায়, গোয়েন্দা শবরের সাথে প্রথম সাক্ষাৎটা তেমন ভালো কাটল না, আবার একদম খারাপও বলা যায় না। মোটামুটি আর কি, পাঁচে তিন যাকে বলে!
প্লটের কথা বলতে গেলে বইটা অদ্ভুত এক বাড়ি এবং সেখানকার জটিল সম্পর্ককে নিয়ে। বিষাণ, বাড়ির একমাত্র পুরুষ, একজন বোহেমিয়ান, মাতাল, পরনারীতে মত্ত, অগোছালো মানুষ। তার স্ত্রী শিবাঙ্গীর সাথে বলতে গেলে তার কোনো সম্পর্কই নেই, তবু এক বাড়িতে থাকে তারা। বাড়িতে আরও থাকে শিবাঙ্গীর বান্ধবী নন্দিনী এবং শিবাঙ্গীর নিজ হাতে প্রতিপালিত জাহ্নবী। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো নন্দিনী এবং জাহ্নবীও বিষাণে মুগ্ধ। এই জটিল পরিস্থিতিতে বিষাণের এক আউটিংয়ের সময় এক রাতে খুন হয় নন্দিনী, মারাত্মক আহত হয় শিবাঙ্গী। স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের তীর বিষাণের দিকে যায়। তখনই আবির্ভাব ঘটে গোয়েন্দা শবরের। যতই ইন্টারোগেশন করে শবর ততই সে আবিষ্কার করে মানবমনের এক গোপণ অধ্যায়কে।
ছোট্ট পরিসরের একটা উপন্যাস বইটা। স্বল্প কিছু চরিত্র আর ঘটনা নিয়েই গড়ে উঠেছে বইটা। লেখক বাড়তি কোনো দিক আনেন নি, তাই গল্পটা একদম টু দ্য পয়েন্ট। অল্প কিছু চরিত্র হলেও আসল অপরাধী কে তা বোঝা যায় নি এত সহজে। আপাতদৃষ্টিতে যা সহজ একটা প্লট মনে হচ্ছিল সেখানেও বেশ বিভ্রান্ত করেছেন লেখক। ছোটখাটো ঘটনার মোড় আর টুইস্ট দিয়ে বেশ কয়েকবার অনুমানকে মিথ্যাও প্রমাণ করেছেন। তেমন বর্ণনার ঘনঘটা নেই, সংলাপের মাধ্যমেই গল্পকে এগিয়ে নিয়েছেন লেখক। শুধু সংলাপের মাধ্যমে প্লট বর্ণনার বিষয়টা আমার কাছে ইউনিক ছিল।
তবে যেটা নজরে আসতে বাধ্য তা হলো লেখক তেমন ব্যাখ্যা দেন নি ঘটনার। হাসপাতাল থেকে বের হয়েই শবর কিভাবে দুই কন্ট্রাক্ট কিলারকে ধরে ফেলতে পারল তার কোনো উত্তর নাই। আবার দুই পেশাদার খুনী এত সহজে যেভাবে শবরের ঠান্ডা মাথা আর শীতল চোখের ভয়ে ভীত হয়ে গড়গড় করে সব বলে ফেলল সেটাও মেনে নিতে কষ্ট হলো। তাছাড়া দুইটা ভুল তো একদম দৃষ্টিকটু। যেখানে একজায়গায় বলা হলো শিবাঙ্গী ব্যবসার কাজে ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিল, পরক্ষণেই বলা হলো দিল্লি। আবার বাচ্চু আর বাদু নামের কনফিউশানটা তো রয়েছেই।
সবমিলিয়ে বলা যায়, গোয়েন্দা শবরের সাথে প্রথম সাক্ষাৎটা তেমন ভালো কাটল না, আবার একদম খারাপও বলা যায় না। মোটামুটি আর কি, পাঁচে তিন যাকে বলে!
August 5, 2024
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের রহস্য উপন্যাস ঈগলের চোখ-এ এক শান্তিপূর্ণ পরিবারের জীবন হঠাৎ করে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তছনছ হয়ে যায়। নন্দিনী হত্যার শিকার হয়, আর একই বাড়িতে থাকা তার বন্ধু শিবাঙ্গী মারাত্মকভাবে আহত হয়ে পড়ে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আছেন জাহৃবী এবং শিবাঙ্গীর স্বামী বিষান—একজন চুম্বকীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি নারীদের প্রবলভাবে আকর্ষণ করেন।
গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত এই জটিল সম্পর্কের জালে প্রবেশ করে মিথ্যা ও আকর্ষণের স্তরগুলিকে ছেঁকে বের করার জন্য। বিষানের সাথে শিবাঙ্গী, নন্দিনী এবং জাহৃবীর সম্পর্কের জটিলতা, মোটিভ এবং গোপনীয়তার একটি সাগর তৈরি করে। অন্ধকার এবং রহস্যময় এই চরিত্রগুলির মধ্যে একটি সুন্দর গল্প তৈরি হয়।
চরিত্রগুলি বেশ উন্নত হলেও জাহৃবীর পটভূমি আরও বিস্তারিত হতে পারত। সন্দেহভাজনদের সীমিত সংখ্যা মূল পরিকল্পনাকারীর পরিচয় কিছুটা অনুমানযোগ্য করে তোলে, কিন্তু শবর দাশগুপ্তের নিখুঁত তদন্ত পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ রাখে।
ঈগলের চোখ একটি আকর্ষণীয় পড়া যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শেষ করা যায়, এবং এটি রহস্যপ্রেমীদের জন্য এক নিখুঁত দ্রুত পাঠ্য হতে পারে।
গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত এই জটিল সম্পর্কের জালে প্রবেশ করে মিথ্যা ও আকর্ষণের স্তরগুলিকে ছেঁকে বের করার জন্য। বিষানের সাথে শিবাঙ্গী, নন্দিনী এবং জাহৃবীর সম্পর্কের জটিলতা, মোটিভ এবং গোপনীয়তার একটি সাগর তৈরি করে। অন্ধকার এবং রহস্যময় এই চরিত্রগুলির মধ্যে একটি সুন্দর গল্প তৈরি হয়।
চরিত্রগুলি বেশ উন্নত হলেও জাহৃবীর পটভূমি আরও বিস্তারিত হতে পারত। সন্দেহভাজনদের সীমিত সংখ্যা মূল পরিকল্পনাকারীর পরিচয় কিছুটা অনুমানযোগ্য করে তোলে, কিন্তু শবর দাশগুপ্তের নিখুঁত তদন্ত পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ রাখে।
ঈগলের চোখ একটি আকর্ষণীয় পড়া যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শেষ করা যায়, এবং এটি রহস্যপ্রেমীদের জন্য এক নিখুঁত দ্রুত পাঠ্য হতে পারে।
December 10, 2025
উপন্যাসের প্লট বেশ কমনই বলা চলে। তবে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখনীর গুণে তা বেশ সুখপাঠ্য। কাহিনী এগিয়েছে মূলত সংলাপের মাধ্যমে, যা এটিকে বেশ ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে। প্রথম তিনটি পর্বে শবর দাসগুপ্তের সঙ্গে যথাক্রমে বিষাণ , জাহ্নবী ও নন্দিনীর কথোপকথনের মাধ্যমে উপন্যাসের অগ্রগতি, তার সঙ্গে তদন্তেরও । শেষ অর্থাৎ চতুর্থ পর্বে অপরাধী শনাক্তকরণ ও উপসংহার।
চরিত্র সংখ্যা কম, জটিলতাও খুব বেশি নয়। বিষাণ চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার। প্রচ্ছদ এবং বিশেষত বইয়ের ভিতরের অলংকরণগুলো ব্যক্তিগতভাবে খুব সুন্দর লেগেছে আমার। (যে কারণে সমগ্রের তুলনায় সিঙ্গেল বইগুলো বেশি প্রেফারেন্স দিয়ে থাকি...)
যদিও মার্ডার মিস্ট্রি আমার খুব একটা পছন্দের বিষয়ের মধ্যে পড়ে না, তবু স্বল্পদৈর্ঘ্যের এই উপন্যাসিকাটি ভালোই লেগেছে মোটামুটি।
চরিত্র সংখ্যা কম, জটিলতাও খুব বেশি নয়। বিষাণ চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার। প্রচ্ছদ এবং বিশেষত বইয়ের ভিতরের অলংকরণগুলো ব্যক্তিগতভাবে খুব সুন্দর লেগেছে আমার। (যে কারণে সমগ্রের তুলনায় সিঙ্গেল বইগুলো বেশি প্রেফারেন্স দিয়ে থাকি...)
যদিও মার্ডার মিস্ট্রি আমার খুব একটা পছন্দের বিষয়ের মধ্যে পড়ে না, তবু স্বল্পদৈর্ঘ্যের এই উপন্যাসিকাটি ভালোই লেগেছে মোটামুটি।
December 31, 2018
শবর দাশগুপ্ত লাল বাজারের এক অসম্ভব ধূর্ত কর্মকর্তা ,তার কাছে এসেছে নতুন রহস্য বিষাণ আর তিন নারী কে নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত.শিবাঙ্গী বিষানের স্ত্রী , নন্দিনী শিবাঙ্গীর বান্ধবী আর কাজের মেয়েকে নিয়ে বিষাণের জীবন আবর্তিত হচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎ সে ছন্দে ছেদ পড়ে নন্দিনীর অস্বাভাবিক মৃত্যু আর শিবাঙ্গীর অর্ধমৃত অবস্থায় বেডরুমে পড়ে থাকায়, সন্দেহের তীর সবার দিকেই এমনকি শিবাঙ্গী ও বাদ পড়ে না,কী জন্য হল এই দূর্ঘটনা?এর জন্য কি বিষাণের আদিম প্রবৃত্তি দায়ী না তিননারীর ঈর্ষার রঙ্গে রঙ্গিন ঈগলের চোখ!?
May 20, 2026
বিরক্ত লেগেছে। অনুমান নির্ভর শবর মনে হয়েছে। মনে হল গল্প টা শবর দাসই লিখছেন। সবই জানা তার। ইনস্টিক্ট নির্ভর গোয়েন্দা। খুব দুর্বল একটা গল্পকে নিষিদ্ধ রোমান্টিসিজম দিয়ে রং চোঙ মেখে আকর্ষণীয় করবার বৃথা চেষ্টা করা হয়েছে। না পড়াই ভাল হবে। পুরো প্লট টাই বমি জঘন্য নোংরা। ছিঃ
December 6, 2019
Very short & simple.
A girl murdered by another.
A girl murdered by another.
January 17, 2020
Not one of the best.. but still it's worth the time and money :D
December 28, 2020
শবরের কথোপকোথন স্টাইলটা দারুণ লাগে। একের পর এক প্রশ্ন।
তারপর অপরাধী পাকরাও।
তারপর অপরাধী পাকরাও।
October 14, 2021
প্লট ইন্টারেস্টিং।কিন্তু লেখার ধরন ভালো লাগেনি।খাপছাড়া লেগেছে।গল্পে গভীরতা নেই।
December 24, 2021
বিশেষ ভালো লাগেনি তবে হালকার ওপরে চলবে ।
March 12, 2018
শবর দাস গুপ্তকে নিয়ে লেখা আমার পড়া দ্বিতীয় বই এটা। সিনেমাটা আগেই দেখে ফেলেছি। সিনেমাতে তারপরও অনেকটা বিস্তারিত আকারে ছিলো, যা দর্শকদের মূল ব্যাপারটা বুঝতে অনেকখানি সাহায্য করেছে। বইটা শুধুই সংলাপ নির্ভর। শবর দাস গুপ্ত কেবল জেরার মাধ্যমেই মূল অপরাধী কে, তা বের করে ফেললেন! পাঠকদের একটু ভাবারও অবকাশ দেয়া হলো না। এটা আসলেই কোনো ডিটেকটিভ নভেল হয়েছে কিনা, আমার জানা নেই (including the previous one).
March 19, 2017
বইটা অনেকটাই বোরিং ছিল শুরুতে। তবে শেষটা খুবই ভালো লেগেছে। রহস্যটা উপভোগ করেছি। আর শবর এবং নন্দ জুটিত বেশ রসবোধের পরিচয়ও দিয়েছে। বইটা পত্র ভারতীর। ২য় হাত বদলে আমার কাছে আসে। প্রচ্ছদটা আর লেখকের নামই ছিল মূল আকর্ষণ। এখন দেখছি শবর সমগ্র কিনতে হবে। বাস জার্নির এই বোরিং সময়টা ভালো কাটিয়ে দিয়েছে শবর দাশগুপ্ত।
December 16, 2025
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখাটি পাঠককে ধরে রাখে। তবে গল্পের চরিত্র ও তাদের সংলাপ কিছু কিছু জায়গায় একটু বেশি মেকি মনে হয়েছে।
Displaying 1 - 30 of 30 reviews



























