Jump to ratings and reviews
Rate this book

দিলুর গল্প

Rate this book

111 pages, Paperback

First published January 1, 1969

5 people are currently reading
46 people want to read

About the author

Rahat Khan

20 books7 followers
রাহাত খান ১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াকালীন তাঁর প্রথম গল্পটি লিখেছিলেন। রাহাত খান আনন্দ মোহন কলেজ থেকে অর্থনীতি ও দর্শনে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে খান ময়মনসিংহ জেলার নাসিরাবাদ কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর দৈনিক ইত্তেফাকে যোগ দেন, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ছোটগল্প ও উপন্যাস উভয় শাখাতেই রাহাত খানের অবদান উল্লেখযোগ্য। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ১৯৯৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। বিখ্যাত গোয়েন্দা সিরিজ মাসুদ রানার মেজর রাহাত খান চরিত্রটি তাঁর নামানুসারেই তৈরি করা।

২৮ আগস্ট ২০২০ সালে নিউ ইস্কাটনের নিজ বাসায় রাহাত খান মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। তাঁকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
26 (20%)
4 stars
42 (33%)
3 stars
36 (28%)
2 stars
15 (11%)
1 star
8 (6%)
Displaying 1 - 22 of 22 reviews
Profile Image for Muhammad .
152 reviews12 followers
July 25, 2016
শিশুসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের অবহেলিত এক শাখার নাম। বাংলায় বড়দের জন্য লেখার অনেকে আছেন কিন্তু উপন্যাস, গল্প, কবিতা, নাটক, সাহিত্য সমালোচনা, ব্যঙ্গ ইত্যাদি সব শাখায় অত্যন্ত পারদর্শী অনেকেরই কলম শিশুসাহিত্যে এসে ভোঁতা হয়ে গেছে। কেউ কেউ শিশুসাহিত্যকে আদপে সাহিত্যের কাতারেই আনতে চাননা, যেন নয় বছরের শিশুটির জীবনের প্রথম বইটির বিষয়ই হবে প্রেম ও যৌনতা নিয়ে মানব মনের গভীর টানাপোড়েন। বাংলা সাহিত্যে উন্নত মানের কমিক্স নেই, এক টেনিদা ছাড়া কিশোর-কিশোরীদের মনে দাগ কাটার কোন চরিত্র নেই। শিশুদের ভাবাবে, কাতুকুতুর নয়, সত্যিকার নির্মল আনন্দ দেবে এমন বইয়ের সংখ্যাও লজ্জাকর রকম অপ্রতুল। শিশুসাহিত্য মানে এখানে আজগুবী গল্পের প্লট আর চরিত্রগুলোর মুখে হাস্যকর সব সংলাপ (পড়ুন প্রলাপ); শিশুসাহিত্য মানে এখানে স্রেফ ভাঁড়ামি। শিশুদের তো জগত ছোট, চিন্তা করবার পরিধি কম, পৃথিবী সম্পর্কে জানাশোনা কম, তাদের জন্য আর কি লিখবো, অদ্ভুত-অবাস্তব সব গল্প ফেঁদে হাসি পায় এমন কিছু লিখে দেই, এই চিন্তাই বোধহয় চলে লেখকদের মাথায়। রাহাত খান রচিত 'দিলুর গল্প' এই দুষ্টচক্রের ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকা আরেকটি বই মাত্র।

আমি মনে করি, শিশুদের জন্য লিখলে তা শুধু হাসিরই হতে হবে এটি একটি ভুল ধারণা। শিশুরা অকারণে হাসে, অনেক তুচ্ছ ঘটনাতেই তারা হেসে গড়াগড়ি খায়। যুদ্ধ, অভাব, দারিদ্র্য, ক্ষুধার পৃথিবীতে হাসি এখন খুব দুর্মূল্য একটি বস্তু। বাসে আগুনে পুড়ে মানুষ মরছে, দশতলা ভবনের তলায় চাপা পড়ছে, ঋণের দায়ে গলায় ফাঁস নিচ্ছে, তুচ্ছ কারণে মানুষই মানুষকে খুন করছে প্রতিনিয়ত। এসব সংবাদে আমরা দিন দিন হাসতে ভুলে যাচ্ছি, তাই আমরা আজ শিশুদের অকারণ হাসির মূল্য বুঝি। আমাদের দেশের শিশুরা বই পড়েনা মানসম্পন্ন শিশুতোষ লেখার অভাবে। স্কুল আর কোচিং এর রক্তচক্ষু এড়িয়ে বই পড়ার অবকাশও তাদের হয়না। যেটুকু হয়, সেখানে তাদের হাতে আসে এই 'দিলুর গল্প' জাতীয় বই, যেখানে ভাঁড়ামিটাই আসল কথা, গল্পের বিষয় কি সেটা একেবারেই গৌণ। শিশু তো এমনিই হাসবে, উপলক্ষ ব্যতিরেকেই। ছাইপাঁশ, হাস্যকর সব গল্প পড়িয়ে তাদের অমূল্য হাসিকে আমরা বোধহয় বড্ড সস্তাই বানিয়ে দিচ্ছি।

Profile Image for Titu Acharjee.
258 reviews33 followers
January 7, 2023
কয়েকটা গল্প ভালো হলেও,শেষের কয়েকটা ঠিক জমলো না। হয়তো বাচ্চাকালে পড়লে আরও বেশি ভালো লাগতো।
Profile Image for Jahangir.
Author 2 books34 followers
March 5, 2017
এই বইটার কথা যখন প্রথম শুনি তখন আমি শিশু। ছোট আপা স্কুলে কারো কাছ থেকে বইটা নিয়ে পড়েছিলেন, সেখান থেকে আমাকে দুয়েকটা গল্প শুনিয়েছিলেন। আমার তখন ভালো লাগেনি।

বইটা প্রথম কারা বের করেছিলেন জানি না, তবে ১৯৭৯ সালে আন্তর্জাতিক শিশুবর্ষ উপলক্ষে 'মুক্তধারা' যে ১,০০০+ বই বের করেছিল তার মধ্যে এটা ছিল। কিশোর বয়সে বইটা আমি যখন প্রথম পড়ি সেটা ছিল মুক্তধারার সংস্করণ। এবং বইটা আমার তখনো ভালো লাগেনি।

এখন যখন আমার সন্তান কৈশোরে ঊত্তীর্ণ হয়েছে তখন আবার পড়লাম। এবং বইটা আমার এখনো ভালো লাগেনি।

এই বইটা নিয়ে অনেক জায়গায় লেখালেখি হয়েছে, সেটা - বইটা খুব ভালো, বইটা শিশুকিশোরদের খুব প্রিয় ইত্যাদি অপ্রমাণিত কথাবার্তা দিয়ে ভর্তি। কোথাও এই বইটা নিয়ে 'গ্রন্থালোচনা' বা 'সমালোচনা' বলতে যা বোঝায় সেটা দেখতে পাইনি। এই ব্যাপারে কারো কিছু জানা থাকলে জানাবেন, আমি পড়ে নেব।

আমি আমার কোন বয়সে, কোন শিশুকিশোরের কাছ থেকে এই বইটার প্রশংসা শুনিনি। তাহলে এই বইটা এতোটা ওভাররেটেড হলো কী করে? যেখানে একই সময়ে নিয়ামত হোসেন, সাজেদুল করিম, কাইজার চৌধুরী, আবুল খায়ের মুসলেহ্‌উদ্দিনরা অনেক ভালো ভালো শিশুকিশোর সাহিত্য রচনা করে গেছেন, অর্থাৎ যখন হাতের কাছে বা বাজারে ভালো মানের শিশুকিশোর সাহিত্য বিদ্যমান তখন এই বইটা এতোটা আলোচনায় আসে কী করে? উত্তরটা সম্ভবত এর লেখকের মধ্যে নিহিত যিনি একজন হেভিওয়েট সাংবাদিক-সম্পাদকও বটে।

রাহাত খানের সাহিত্যিক দক্ষতা নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। সন্দেহটা সম্ভবত কারওই নেই যারা অন্তত তাঁর লেখা 'অমল ধবল চাকুরী' বা 'আইবেকের দৈত্য'র মতো উপন্যাসগুলো পড়েছেন। কিন্তু তার মানে এই না যে তিনি যা লিখবেন তাই অমল ধবলের মানের কিছু হবে অথবা আদৌ কিছু হবে। এই বইটা ভালো সাহিত্যিকের ব্যর্থ চেষ্টার মতো হয়েছে।

শিশুকিশোর সাহিত্য রচনা করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। শিশুকিশোরদের মন না বুঝলে, তাদের মতো করে তাদের চোখে পৃথিবীটা দেখতে না পেলে, তাদের অনুভূতিগুলো তাদের মমতায় দেখতে না পেলে দুনিয়ার সবচে' সেরা সাহিত্যিকের পক্ষেও সার্থক শিশুকিশোর সাহিত্য রচনা করা সম্ভব না।
Profile Image for Harun Ahmed.
1,665 reviews424 followers
January 26, 2023
শুরুতে যা-ও ভালো ছিলো, শেষটা একদম যা-তা।
Profile Image for Zihad Saem.
124 reviews7 followers
Read
September 22, 2024
এইটে আমার শৈশব স্মৃতির অংশ। আমি যখন বই পড়া শুরু করছিলাম, তখন তৃতীয় বই হিসেবে এইটে পড়েছিলাম। সেই শৈশব মনে বইটা যে আমার খুব ভালো লেগেছিলো তা এখনো খুব মনে আছে। তবে এখন পড়লে কেমন লাগবে বলতে পারি না।
Profile Image for আশিকুর রহমান.
152 reviews27 followers
January 26, 2023
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রকাশিত সংস্করণটা পড়লাম৷ সপ্তাহ দেড়েকের রিডারস ব্লক কেটে গেল৷ দিলুদের মতো স্বর্ণালী কৈশোর সময়টা ফেলে এসেছি ভাবলেই খচ করে লাগে কোথায় যেন...
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books328 followers
June 6, 2015
দিলুর গল্প কেমন বই?
- রম্য।

এর নামকরণ কি সার্থক হয়েছে?
- মোটামুটি। কিন্তু গল্পের প্রধান আকর্ষণ এক পর্যায়ে দিলু থেকে সাজাহান ভাই এর উপর চলে গেছে।

বইটা আজকেই কিনলাম। ভাগ্য ভালোই বলতে হবে। খলিল ভাই হাতে না ধরিয়ে দিলে হয়তো নাও কিনতে পারতাম! গল্পের শুরুটা খুব একটা আকর্ষণীয় না। মাঝপথের যাবার আগে ভাবছিলাম বইটা কি সত্যিই অতটা মজার? দিলুর কাণ্ডকারখানা ভালো লাগছিল বটে, কিন্তু অতো আহামরিও ছিলনা। কিন্তু এসব ধারণা বদলে গেল সাজাহান ভাই আসার পর। বইয়ের মাঝামাঝি তে এসেই এই ভদ্রলোক বাজিমাত করে দিলেন। দুর্ধর্ষ সব কীর্তিকলাপ আর উদ্ভট সব গালাগালির তুবড়ি ছুটিয়ে জয় করে নিলেন ভালোবাসা। বলা যায় বইয়ের ৪ তারা রেটিং এর বেশিরভাগ ক্রেডিট তার ঝুলিতেই যায়। মাঝখানে জুয়েলও বেশ মজা দিয়েছে, আর গজা'র কথাই বা বাদ দিই কিভাবে! :D

মোট কথা দারুণ এক রম্য বই। তবে যেটা বললাম, বইয়ের আসল মূল্য বোঝা যাবে শেষ অর্ধেকে।

আমি যেই কপিটি পড়েছি, সেটি প্রজাপতি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত। ভেতরে আবার রণবী'র হাতে আঁকা দুর্দান্ত কিছু আর্টওয়ার্ক রয়েছে। নাহ, এক কথায় পুরো পয়সা উশুল। ^_^
Profile Image for Nusrat Mahmood.
594 reviews737 followers
December 25, 2017
বাচ্চাদের বই বড়দের বয়সে পড়ে তাঁকে বিচার করার পক্ষপাতি আমি একদম না কিন্তু এতো নাম করা বই পড়ে হতাশ হলে নিরাশা থেকে একটা ঋণাত্মক ভাব প্রকাশের ইচ্ছা চলেই আসে। বইয়ের প্রথম অর্ধাঙ্গ লেগেছে সুকুমার রায়ের পাগলা দাশুর মতন, শেষেরটুকু নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের টেনিদার মতোন। কি চমৎকার হতো যদি গল্পের চরিত্রগুলো, কাহিনীগুলোতে তাদের প্রভাব না থাকতো!
Profile Image for সন্ধ্যাশশী বন্ধু .
368 reviews12 followers
November 27, 2022
রাহাত খানের নাম শুনেছি অনেক আগে। এর পর থেকে "অমল ধবল চাকরি " বইটা গরু খোঁজা করেছি। কোথাও নেই। তাই বাধ্য হয়ে রকমারি তে গেলাম। নির্দিষ্ট বইটা না পেলে ও রকমারিতে লেখকের অনেকগুলো বই দেখতে পাই। তিনটা অর্ডার দিই। আর রকমারি আমাকে কিছু না জানিয়ে,একটা ৭০ টাকার বই পাঠায়ছে,সাথে কুরিয়ার চার্জ নিলো ৫০ টাকা। মানে হটকারিতার চূড়ান্ত আরকি।

যাইহোক,অবশেষে রাহাত খানের বই পেলাম। বইয়ের নাম "দিলুর গল্প"। হাত পেয়েই পড়া শুরু করলাম। আজকে শেষ হলো।
শিশু সাহিত্য জিনিসটা আমি মন থেকে ভালোবাসি। যেখানেই ছোটদের বই পাই নিয়ে বসে যাই পড়তে। ভালো লাগে। দিল খুশ হয়। দিলুর গল্প ও শুরুর দিকে খুব চমৎকার লেগেছে। কিন্তু যত গল্প এগিয়ে তত কেমন জানি মন্থর হয়ে গেছে। প্রায় জায়গায় লেখক কিছু জিনিসকে অতিরঞ্জিত করে ফেলেছেন। যেটা একদম খালি চোখেই ধরা যাচ্ছিল। তাছাড়া গল্পের শুরু টা যেমন ছিল,শেষে এসে লেখক একদম খেই হারিয়ে ফেলেছেন মনে হল। আমার তেমন ভালো লাগে নি গল্পটা। তবে লেখকের অন্য বইগুলো পড়ব,যদি সংগ্রহ করতে পারি।

রেটিং : ২.৫/৫
Profile Image for পটের দুধের কমরেড.
209 reviews25 followers
March 27, 2024
বোগাস! কিশোর বয়সে এইসব ছাইপাঁশ পড়লে আজকে আর ‘পাঠক’ বনতুম না। প্রথমার্ধ সহনীয়, বাকিটা শোচনীয়।
Profile Image for Imdadul.
16 reviews
August 30, 2016
উৎসর্গঃ শারমিন আপু ও রিযওয়ান খলিল ভাইয়া কে। কারন উনাদের কারনেই এই লেখাটা গ্রুপে শেয়ার করলাম। এটা অনেক দিন আগে লিখেছিলাম। তখন শেয়ার করতে ইচ্ছা করছিল না। ত কাল রাতে একটা শারমিন আপুকে এই লেখাটা মেসেজে দিয়েছিলাম । ত ঠিক তখনই ভাবলাম খলিল ভাই কেও লেখাটা মেসেজ করি। কিছুক্ষণ তিনি বললেন আমি যেন তখনই লেখাটা গ্রুপে শেয়ার করি। কিন্তু কাল রাতে আর পোষ্ট করতে পারলাম না। লেখায় অনেক ভুল ছিল ।সেটা ঠিক করতে করতেই ঘুম চলে আসে। সরি খলিল ভাই। (অনেক আগের কথা । বই লাভার্স পোলাপান এ রিভিউ দিয়েছিলাম)

(রিভিউ কিভাবে লিখতে হয় তা আমি জানি না।তবে বইটা সম্পর্কে এমনি এমনি কিছু লিখলাম)

একঃদিলু পাড়ায় নতুন এসেছে। পাড়ার অন্য ছেলেরা তকে চিনে না। হটাৎ একদিন এক মিটিং এ তারা দিলুর কাছ থেকে শুনল যে সে নাকি বাঘ পোষে । শুনেই সবাই থ। এই বাঘ পোষার গল্পটা শুনতে এক নাম্বার গল্পটা পরেই ফেলুন না?

দুইঃদিলু সপ্তম শ্রেনীতে পড়ে। এলাকায় এসে নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছে ,তাই স্যার তাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে বাবা তোমার নাম কি? সে বলল আমার নাম দিলু,পাশে থাকা জলিলের নাম বলল ,প্রতাপচন্দ্র বিশ্বাসের নাম বলল এবং পরের ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বল্ল - ওর নাম জানি না। এটার শাস্তি ত সে পেল।কিন্তু তাই বলে কি আর ভালো হওয়া যায়? এই ত কিছুদিন পরই সে ২ দিন স্কুলে এল না। এমনিতেই স্কুলে না এলে জরিমানা দিতে হয়। কিন্তু অবাক কান্ড কি এমন দরখাস্ত সে লিখল যা সোজা প্রধান শিক্ষক এর কাছে হস্তান্তর করা হল। তারপর কি তাকে শাস্তি পেতে হয়েছিল নাকি সেই দরখাস্ত পড়ে স্যার মশাই নিজেই হেসেছিল?

তিনঃপরিক্ষায় ফেল করায় দিলু কে আর উপরের ক্লাশে উত্তির্ন করা হল না। কিন্তু কথায় আছে না, বুদ্ধি থাকলে শ্বশুর বাড়ি খাওয়া লাগে না। তাই ত সে একটা রুটিন বানিয়ে ফেলল। কিন্তু রুটিন্টা ছিল বরই অদ্ভুদ।না পড়লে না ই হয়!

চারঃদিলুর বন্ধু গজা।সেই গজার বড় ভাই কে শাস্তি দিতে দিলু এনেছিল ডাল কুত্তা,বানর সেনা আর অটোমেটিক পিস্তল । এখন সেই শাস্তি পেয়ে যে তার কি দশাটাই না হয়েছিল, তা একবার পড়ে নিজেই কল্পনা করে নিন না ।

পাচঁঃঅবাক কান্ড। গজা কে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। গজাকে খোজার জন্য সবাই একটা অনুসন্ধান দল ও গঠন করল ।নাম ও দেয়া হল – দা গজা অনুসন্ধান কমিটি। আরে আরে এ কি কমিটির সব্বাই দেখি মাথা ন্যাড়া । কি কমেটিরে বাবা!! আবার এদিকে অনেক গোয়েন্দা বই পড়ুয়া দিলু ত একাই একশ। সব চিন্তা ভাবনা করে পরের দিন যখন গজাকে উদ্ধার করতে দিলু ও তার বন্ধু প্রস্তুত ঠিক সে সময়ে গজার একটা চিঠি দিলুর হাতে এসে পৌছল। চিঠি পড়ে দিলুর ত মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল।কি ছিল সেই চিঠিতে ? তাহলে চলুন দিলুর সাথে আমরা ও একবার গোয়েন্দাগিড়ি করে আসি।

ছয়ঃপাড়ার খুব শিক্ষিত শাহজাহান ভাই। ইংরেজি বাংলায় কথা না মিশিয়ে ত তিনি কথাই বলতে পারেন না। শুধু কি তাই, উনার সব কিছুতেই রয়েছে নিজস্ব মৌলিকতা; মানে কারো সাথে মিল নাই। এই যেমন ধরেন উনার একটা গালি-ইলিম্পু,ডিলিম্পু,য়েস্কট টস্কট। আর কত কি! ত এই শাহজাহান ভাই কে সবাই ধরল একটা নাটক বানানোর জন্য। আসুন নাটক টা একবার দেখে আসা যাক।

সাতঃবড় ভাই এর সাথে ব্যায়াদবি । তা ও আবর শাহজাহান ভাই , শাস্তি ত পেতেই হবে, তা ও আবার যেই সেই শাস্তি নয়। স্বয়ং শাহজাহান ভাইয়ের মৌলিক শাস্তি। না শাস্তিটা বলা যাবে না। আপনাকেই কষ্ট করে দেখতে হবে।

আটঃএকবার সবাই মিলে পিকনিকে যাবে বলে ঠিক করল। ত সবকিছু ঠিকঠাক, এই সময় এসে গোল বাধাঁলো পাড়ার জুয়েল ভাই। কে এই জুয়েল ভাই? এই গল্পে কি সম্পর্ক তার? কেনো তাকে পিকনিকে নিতে কেহ রাজি হচ্ছিল না? জানতে চান, তাহলে পড়ে ফেলুন না দিলুকে নিয়ে জুয়েল ভাইয়ের মিষ্টি খাওয়া………………

নয়ঃ সবাই মিলে পিকনিকে গেল। ত হটাৎ শাহজাহান ভাই বললেন যে তাদের মধ্য থেকে লিডার লির্বাচন করবেন। না ভোটে নির্বাচন না। উদ্ভট সত্য গল্প বলে শোনাতে হবে। যার গল্লপ ভালো হবে তাকেই নির্বাচন করা হবে, কিন্তু সেই গল্প বলে যদি গল্পদাতাকে শাস্তি পেতে হয়, তা ও মৌলিক শাস্তি, সেটা কার ই বা ভালো লাগবে। ত দেখি আমাদের প্রতিক কি গল্প বলল – আরে বাপস, কি নাই গল্পে ? হাজি মোহাম্মদ মোহসিন, যাদব চক্রবর্তি, রাজা সলোমন,ফজল মাহমুদ,শিল্পী জয়নুল আবেদীন,শেরে বাংলা এ.কে, ফজলুল হক,হানিফ মোহাম্মদ , হাটন , উইলিয়ম সেকসপীয়ার আর হাতেম তাই। !!!! কি মনে হচ্ছে - প্রতিক বুঝি এইবার গেল। জানার যখন এতই ইচ্ছে তখন না পড়ে যাবেন কোথায়?

দশঃ নাহ, এটা নিয়ে কিছু লিখব না । লিখলেই ত শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমি ত শেষ করতে চাই না, আপনি চান কি????
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
278 reviews21 followers
July 25, 2024
ছেলেটা পাড়ায় নতুন এসেছে। এসেই আতিকদের আড্ডায় অংশ হতে চাইলো। সুর্নিমল, গজা, আকবর, প্রদীপসহ সবাই প্রথমে অবশ্য তাঁকে তেমন পাত্তা দিলো না। ছেলেটা তখন সবাইকে অবাক করে দিয়ে হঠাৎ বলে উঠলো "আমার বাঘটিকে কেউ দেখেছ এদিকে?" "পোষা বাঘ, কোথায় যে হারিয়ে গেল হুট করে।"

সবার তো চক্ষুস্থির। বলে কী এই ছেলে! বাঘ পোষে মানে?" ছেলেটি তখন হাসতে হাসতে বললো তাঁর পোষা ছাগলটাকে সে বাঘ ডাকে। আর এরকম না বললে সবা��� কী ওকে পাত্তা দিতো নাকি। ব্যাস এইভাবে করেই দিলু আতিকদের সভায় স্থান পেয়ে গেল।

ভীষণ দুষ্টু বুদ্ধি আছে দিলুর খালি পড়াশোনার সময় বুদ্ধি খুলতে চায় না। এবং ফলাফল হলো বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্টে দিলু দুই সাবজেক্টে ফেল। দিলু প্রথমে হেডমাস্টার স্যারকে খুব ধরলো এবার যাতে প্রমোশন দেয়া হয় কিন্তু লাভ হলো না। বেচারা বাড়িতেই বন্দী হয়ে নিজেই নিজের জন্য উদ্ভট এক রুটিন বানিয়ে বিভিন্�� প্রকার মানসিক শাস্তি নিতে শুরু করলো।

আতিকরা ভাবলো দিলুর বোধহয় পাস করতে না পেরে হতাশায় এসব করছে। কিন্তু না দিলু রীতিমতো রুটিন পুরোপুরি মেনে চলে। পরে অবশ্য দিলুকে ভালোভাবে পড়াশোনা করার শর্তে প্রোমোশন দেয়া হলো। দিলুর তো একটা হিল্লে হলো এবার গজাকে বাঁচাবে কে!

গজার মামাতো ভাই মানে হেডমাস্টার স্যারের ছেলে গজাকে পড়াতে বসিয়ে পড়া না পারলেই না রকম শাস্তি দেয়। এবং গজা শেষমেশ দিলু আর আতিককে সব খুলে বলে। গজাকে ওর ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে দিলু যা খেল দেখালো গজার ভাই পুরো নাস্তানাবুদ। দিলু বেচারাকে যা ডোজ দিয়েছিল! পরে অবশ্য নিজেই ক্ষমা চেয়েছিল ভাইয়া আর হেডমাস্টার স্যারের কাছে।

দিলুদের পাড়ায় আছেন শাহজাহান ভাই। বয়স পঁয়ত্রিশের মতো হবে। দিলুদের একরকম লিডার তিনি বিভিন্ন কাজে। কথায় কথায় উদ্ভট সব বাংলা ইংরেজি গালাগালি করেন। যার অর্থ আবার তাঁকেই বলে দিতে হয়। সবচেয়ে প্রিয় গালাগালি হচ্ছে "ইলেম্পু টলিয়েম্পু য়েসকট টয়েসকট"।

তো এই শাহজাহান ভাইকে নিয়ে দিলুরা একবার নাটক করলো পাড়ায়। শাহজাহান ভাই নাটকের পরিচালক হিসেবে সবাইকে বেশ ভালো ট্রেনিং দিলেন। বিপত্তি বাঁধল মূল নাটকের মঞ্চায়নে। নাটকের একটা দৃশ্যে দিলুর চড় মারতে হবে শাহজাহান ভাইকে। দিলু উত্তেজিত হয়ে এমন চড় মেরে বসলো বেচারা পুরো কুপোকাত।

পরে অবশ্য মানসিক শাস্তি দিয়ে দিলুকে ক্ষমা করলেন শাহজাহান ভাই। এবার দিলুরা যাচ্ছে মধুপুর গড়ে বনভোজন করতে। এবারও কী তবে ঘটবে কোনো মজার ঘটনা? শেষটা জানতে পড়তে হবে দিলুর গল্প।

এই বইটি আমি পড়েছিলাম বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য হিসেবে স্কুলে। কোন ক্লাসে সেটা মনে নেই তবে প্রথমবারেই আমার খুব ভালো লাগলো এবং বইয়ের চরিত্র দিলুকে আমি আসলে ভুলতে পারিনি। এত বছর পরে আবারো তাই পড়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।

রাহাত খানের লেখনী ভালো। হাস্যরসাত্মক, সাদামাটা সুন্দর একটা কিশোর উপন্যাস এই "দিলুর গল্প"। কিশোরদের মন দুষ্টুমিতে পূর্ণ থাকবে আবার তাঁদের মধ্যে মানবতা থাকবে। তাঁরা এডভেঞ্চার করবে ঠিকই তবে মানুষকে সাহায্যও কবে।

আমি প্রচুর কিশোর উপন্যাস পড়েছি তাই গতানুগতিক ধারার বর্তমান থেকে এইসব কিশোর উপন্যাস পড়া বেশ ভালো। আমি তো আবারো খুব ইনজয় করেছি।

পুরানো সেই দিনের কথা মনে পড়ে গেল যেন দিলুর গল্পে। নিজেদের মধ্যে ওদের একতা আছে, সাহস আছে, আছে বন্ধুত্বের কথা। সবমিলিয়ে উপভোগ করলাম বেশ।

কিশোররাই তো একদিন বড় হয়ে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবে তাই অবশ্যই তাঁদের বইয়ের আলোতে আনা উচিত। এইসব বই কখনো পুরনো মনে হয় না। আসলেই বেশ ভালো এই ধরনের বই। যেগুলো মনে করিয়ে দিতে পারে শৈশবের কত স্মৃতি। দিলুর গল্প তো জীবন থেকে নেয়া। যে জীবন সহজ সরল কিশোরদের।

🛍️বইয়ের নাম: "দিলুর গল্প"
🛍️ লেখক: রাহাত খান
🛍️প্রকাশনী: বিজয় প্রকাশন
🛍️ ব্যক্তিগত রেটিং: ৪.৬/৫
4 reviews1 follower
October 12, 2021
দিলুর গল্প
লেখকঃ রাহাত খান
প্রকাশনীঃ সেবা প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৬৯
প্রজাপতি সংস্করণঃ ১৯৯৫
প্রচ্ছদঃ ধ্রুব এষ
অলঙ্করণঃ রফিকুন নবী

ছোট্ট মফস্বল শহরের একদল ছেলেপিলের মজার মজার সব কাণ্ডকারখানার গল্প নিয়েই দিলুর গল্প। এসবের মধ্যমণি দেলোয়ার হোসেন ওরফে দিলু। বেশ চালু ছেলে। চৌধুরীপাড়ায় নতুন এসে পাড়ার ছেলেদের দলে ভিড়ে যেতে সময় লাগেনি। ক্লাবের সাহিত্য সভা থেকে নাটক মঞ্চায়ন সবকিছুতেই দিলু। পাড়ার দলে আরো আছে আতিক,গজা,সুনির্মল,আকবর ও প্রদীপ । স্কুলে দুষ্টুমি, জ্বালাতনকারীকে শায়েস্তা, জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চার কিংবা গোয়েন্দাগিরি সবকিছুর মুল হোতা ওই দিলুই। অদ্ভুত স্বভাবের ছেলে এই দিলু। স্কুল ছুটি থাকলেও রুটিন মেনে নিজেকে শাস্তি দেয়। প্রথম ঘণ্টায় একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা, দ্বিতীয় ঘণ্টায় নাকে খৎ, তৃতীয় ঘণ্টায় নিজের হাতে চড় ও কানমলা খাওয়া। এমনই অদ্ভুত মজাদার সব কাজকর্মে ভরপুর প্রতিটি গল্প৷

কিল কত প্রকারের হয় জানেন? রাম কিল, মাঝারি কিল, মুঠি কিল৷ এরকম বিশেষ সব বিষয়ে পারদর্শী সাজাহান ভাই ৷ তিনিই পাড়ার দলের লিডার। তার শাস্তির ধরনও ভারি অদ্ভুত। কথা বলার ধরন আর গালিগুলোও ব্যতিক্রমী। টেনিদার সামান্য ছায়া থাকলেও সাজাহান ভাই অনন্য। তার উপস্থিতিতে গল্পগুলো আরো উপভোগ্য হয়ে উঠেছে। শুরুতে একটু ঝিমুনি আসলেও, সাজাহান ভাইয়ের আগমনের পর, মাঝ থেকে শেষ অবধি মজার তোড়ে ঝিমুনি ভাব কেটে যাবে।

দশটি গল্প নিয়ে ৮০ পৃষ্ঠার ছোট একটি বই। সহজ ভাষায়, মজা করে লেখা। রনবীর আকাঁ ছবিগুলো দিয়েছে আলাদা আমেজ৷ পড়ে ভালো লেগেছে। কয়েক বছর আগে পড়ার সুযোগ পেলে হয়তো ভালো লাগার মাত্রা কয়েক গুণ বেশিই হতো। ছোটদের জন্য লেখা হলেও বড়রা পড়তে পারেন আনন্দের জন্য।

রাহাত খান ইত্তেফাক পত্রিকার সহ সম্পাদক ছিলেন। বড়দের জন্য লিখেছেন অনেক ছোটগল্প, উপন্যাস। কিন্তু তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি দিলুর গল্পের জন্যই পাঠকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। ২০২০ সালের ২৮ আগস্ট পরলোকগমন করেছেন তিনি।

( সেবার এই সংস্করণ বর্তমানে প্রিন্ট আউট। তবে অন্য ২-৩ টি প্রকাশনী নতুন করে বইটি প্রকাশ করেছে। তবে সেসব বইয়ে রনবীর ইলাস্ট্রেশনগুলো নেই।)

' এন্ডে ' একটা কথা 'সে' করতে চাই, সেটা হল - যারা বই ' রিড' করে না, তারা ইলিম্পু ডিলিম্পু য়েসকট টসকট।
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
720 reviews12 followers
October 3, 2018
এর চেয়ে বাজে আর হতে পারে না।
Profile Image for Payel Nusrat.
89 reviews17 followers
May 13, 2022
দিলুর গল্প-রাহাত খান

লেখক রাহাত খান ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক,বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক-১৯৯৬ তে ভূষিত,তারচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে মাসুদ রানা সিরিজের বিখ্যাত রাহাত খান চরিত্র নাকি এই রাহাত খান অবলম্বনেই লিখিত!
যাই হোক,বইয়ের কথায় আসি।ভালো সাহিত্যের মধ্যে শিশু-কিশোর সাহিত্য আমাকে বেশি টানে।কারণ?আমরা বড়রা তো বড়দের কথা বলতেই পারি,যা ভাবসি,অনুভব করছি তা একটু গুছিয়ে বলা এমন কি কঠিন কাজ?কিন্তু যারা নিজেদের চিন্তার জগৎটা গুছিয়ে তুলে ধরতে পারেনা,তাদের হয়ে তাদের মতো করে ভেবে তাদের জন্যই সাহিত্য রচনা করতে পারে কয়জন?দিলুর গল্প তেমনই ক্লাস সেভেনে পড়া দিলু ও তার বন্ধুদের বিচিত্র মজার কান্ডকারখানার গল্প,কিশোরসাহিত্য বলে ডাম্ব-ডাউন করা ভাবলে ভুল করবেন,আসলেই হো-হো করে হাসার মতো একাধিক মোমেন্ট আছে মাত্র ৮০ পেজের বইতে,আর যুগের হিসাবে অনেক অনেক স্মার্ট একটা লেখা,১৯৬৯ এ প্রকাশিত একটা লেখা এত সুন্দর,আধুনিক,অভিনব হতে পারে এটা আমার চিন্তার বাইরে ছিলো।This is definitely going in the list of my feel-good books

#rahatkhan #দিলুরগল্প #সেবাপ্রকাশনী #বাংলাবই #banglabook #bookreview #banglabookreview #bookstagram
Profile Image for ZS Saraf.
36 reviews60 followers
September 3, 2024
খুব witty একটা কিশোর উপন্যাস। তবে স্বাধীনতার পূর্বের আমলের অর্থাৎ ষাটের দশকের ব্যাকগ্রাউন্ডে লেখা, তাই সাতানব্বইয়ের পরে জন্ম নেয়া Gen Z দের জন্য ওইসময়ের স্কুল সিস্টেম, শিক্ষকদের হাতে কানমলা আর নিল ডাউন করে বড় হয়ে ওঠা ছেলেপেলেদের সেইসময়কার শৈশবের অনেক কিছুই relate করতে পারা খুবেকটা সহজ হবেনা। আমার ব্যক্তিগতভাবে মজাই লেগেছে বইটা পড়ে। তবে বইটা আমি বর্তমান প্রজন্মকে পড়তে রিকমেন্ড করব স্রেফ এই কারণে যে রাহাত খানের লেখনী খুব সাবলীল।
Profile Image for Imran Mahmud.
154 reviews23 followers
October 4, 2020
এক চিমটি সুকুমার, একমুঠো নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, আর আধাকেজি কাল্পনিক ইস্কুলস্মৃতি মিলিয়ে ঘুঁটা মারলে তাকে বলে 'দিলুর গল্প'।
Profile Image for Books With Rakibbai .
7 reviews2 followers
December 20, 2023
অসাধারণ একটি বই। কিশোর গল্প যারা কিশোর বয়সের বা যাদের মন এখনও কিশোর তাদের বইটি খুবই ভালো লাগবে।
Profile Image for Arafat Shaheen.
76 reviews3 followers
July 1, 2024
আমার কিশোরবেলার প্রিয় বই। ❤️
Profile Image for Sadia Ishtiaque.
1 review
January 3, 2025
আমি ২২ বছর বয়সে বইটা পড়লাম। তবে একজন শিশুর চেয়ে কম আনন্দ আমি পাইনি। সাজাহান ভাইয়ের " ইলিস্পু ডিলিস্পু য়েসকট টসকট " অর্থাৎ ইডিয়েটের এই রূপ আমি এখন সদাই ব্যবহার করবো। আনন্দদায়ক বই, পড়া সার্থক।
Profile Image for Arifur Rahman Nayeem.
208 reviews107 followers
February 4, 2023
‘দিলুর গল্প’-কে বাংলাদেশের শিশু-কিশোর সাহিত্যের পথিকৃৎ বলা চলে। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে, তারও আগে ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল মাসিক কচিকাঁচায়। রাহাত খান পরে অনেক ভালো সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু ওই সময়ের ‘দিলুর গল্প’র পাঠকদের কাছে তিনি শুধুই ‘দিলুর গল্প’র লেখক হলেই ছিলেন এবং আছেন। ‘দিলুর গল্প’ প্রকাশের পর থেকে বাংলাদেশি শিশু-কিশোর সাহিত্যের বেশ বড় একটি অংশ রচিত হতে থাকে ‘দিলুর গল্প’র অনুকরণে। তাই আজ স্বাভাবিকভাবেই শিশু-কিশোর সাহিত্যের নিয়মিত কিংবা অনিয়মিত যে কোনো পাঠকের কাছেই ‘দিলুর গল্প’ আহামরি কিছু মনে হবে না। আমি এটা পড়েছি বছর কয়েক আগে। তবে রচনাকালটা ভালো করে মাথায় নিয়ে পড়েছি বলেই বোধ করি বেশ ভালো লেগেছিল।
Profile Image for Asif Ikbal.
55 reviews8 followers
July 12, 2020
একেবারে ফালতু বই। পাগলা দাশুকে কপি করার ব্যর্থ চেষ্ট।
Displaying 1 - 22 of 22 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.