তিন গোয়েন্দা ভলিউম ৪০ এ বরাবরের মতোই তিনটি গল্প রয়েছে।গল্পগুলোর আলাদা আলাদা রিভিউ দিলামঃ
১.অভিশপ্ত লকেটঃ ৩.৫/৫
এই গল্পটা মূলত রহস্য গল্প নয়,তাই রহস্য সমাধানের মজাও এতে নেই। এটা আগাগোড়া একটা ভৌতিক গল্প। মুসার জবানিতে আমরা শুনতে পাই মিডলেকে তার ও তার খালাতো বোন ফারিহার সাথে ঘটে যাওয়া এক ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা। গল্পে হরর এলিমেন্ট ভাল পরিমানে ছিল। কলেবর ছোট হওয়ার দরুন পড়তে মন্দ লাগেনি। যদিও শেষে কিশোর এই ঘটনার একটা ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভৌতিক অভিজ্ঞতার কি যুক্তিসঙ্গত কোন ব্যাখ্যা দেওয়া যায়?
পিউর হরর গল্প হিসেবে 'অভিশপ্ত লকেট' বেশ ভালো লেগেছে আমার।
২.গ্রেট মুসাইয়োসোঃ ৪.৫/৫
ভলিউমের দ্বিতীয় গল্প 'গ্রেট মুসাইয়োসো' অসাধারন একটা গল্প। হরর গল্পের ফিল রয়েছে গল্পটায়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই হরর ভাইব পুরোপুরি বিদ্যমান ছিল। তার সাথে ছিল টানটান উত্তেজনা। ক্লাইম্যাক্সের একের পর এক টুইস্ট দারুন উপভোগ করেছি। টুইস্টগুলো যে ভালো ছিল সেটা মানতেই হবে। তাছাড়া গল্পের নাম 'গ্রেট মুসাইয়োসো'কেন তা পুরো গল্প শেষ না করার আগে বোঝা যায় না। মোট কথা,তিন গোয়েন্দা সিরিজের একটা চমৎকার ও আন্ডাররেটেড গল্প এটা।
৩.অপারেশন অ্যালিগেটরঃ ৪/৫
চিড়িয়াখানা থেকে একটা তুষার চিতা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা দিয়েই শুরু হয় গল্পটা। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটার সাথে জড়িয়ে যায় তিন গোয়েন্দা,চিতাটাকে উদ্ধার করার জন্য তদন্তে নামে। ভালোই লেগেছে গল্পটা। বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্সটা দুর্দান্ত লেগেছে। বেশ অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল! তিন গোয়েন্দা সিরিজের সেরা ক্লাইম্যাক্সের মধ্যে এটা অবশ্যই উপরের দিকে থাকবে।