Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #275

মাতাল হাওয়া

Rate this book
হাবীব বললেন, আমাদের এই বাড়ি একটা প্রাচীন বাড়ি। প্রাচীন বাড়ির প্রাচীন নিয়ম কানুন। অনাত্মীয় পুরুষ মানুষদের অন্দরমহলে প্রবেশ নিষেধ। নাদিয়ার শরীরের এখনো অবস্থা না যেঁ সে বাইরে এসে আপনার সাথে দেখা করবে। আপনার স্কলারশিপের কি যেন সমস্যার কথা নাদিয়া বলেছিল। কাগজপত্রগুলি যদি রেখে যান, তাহলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারি। বিদ্যুৎ কান্তি দে বললেন, স্কলারশিপের সমস্যার চেয়ে নাদিয়ার সাথে দেখা করা এখন অনেক জরুরি। হাবীবের চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ হলো। তিনি তাঁর সামনে বসা যুবকের দিকে তাকিয়ে রইলেন। যুবকের কথাবার্তার মাঝে উদ্ধত ভঙ্গি আছে। তবে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছেলে। আত্মবিশ্বাস চোখের তারায় ঝলমল করছে। হাবীব বললেন, আমার মেয়ের সাথে দেখা হওয়া জরুরি কেন?

232 pages, Hardcover

First published February 1, 2010

30 people are currently reading
798 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,918 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
796 (40%)
4 stars
781 (40%)
3 stars
298 (15%)
2 stars
58 (2%)
1 star
16 (<1%)
Displaying 1 - 30 of 141 reviews
Profile Image for Monirul Hoque Shraban.
171 reviews52 followers
September 19, 2021
খুব একটা ভালো লাগেনি। ভাল লাগার মতো বিশেষ কিছু পাইনি। হুমায়ুন আহমেদ সাধারণত যে ধরনের উপন্যাস লিখেন এটিও সেরকম কিছু হলে ঠিকই লাগতো। কিন্তু এই বইটি নিয়ে একটু ঝামেলা আছে। এটা ঐতিহাসিক বই এবং বইটাকে ইতিহাসের 'প্রয়োজনীয়' বই হিসেবে প্রকাশক ও পাঠক প্রচারণা চালিয়েছে। পাতার মান এত উন্নত যে বলার মতো না। হুমায়ুন আহমেদের ট্রিলজি টাইপের তিনটি বইয়ের মাঝে এটি একটি। ৭১ এর আগের ঘটনার বই হিসেবে এটিকে ধরা হয়। এবং অতি লাফালাফি করা হয়। যার ফলে আশা বেশি হয়, এবং পড়ার পর বাজে বলে মনে হয়। ইতিহাসের বই হিসেবে কাহিনী খুব একটা সুন্দর নয় এবং বইতে 'বিশেষ কিছু' হবার মতো কিছু নেই। কাহিনীও খুব একটা শক্তিশালী নয়। কোনো উপন্যাসে সমস্ত বই টেনে গল্প বলে শেষ দিকে নাটকীয় কোনো জয় কিংবা নাটকীয় কোনো ট্রাজেডি দিয়ে দিলেই সেটি 'অসাধারণ' হয়ে যায় না।
Profile Image for Rubell.
189 reviews23 followers
June 14, 2023
"মাতাল হাওয়া" হতে পারতো আমার প্রিয় বইয়ের একটা। কিন্তু সমাপ্তিটা হজম করা কঠিন। হুমায়ূন আহমেদ ইচ্ছা করে পাঠকদের সাথে এমন শয়তানিটা করেন। আশা দিয়ে হতাশ করেন।

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। তখন হুমায়ূন আহমেদের জীবনের উজ্জ্বল সময়। ফিকশনের ফাঁকে ফাঁকে তিনি সেই সময়ের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণও ঢুকিয়ে দিয়েছেন: তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, এইসব। ডায়েরির মত এই অংশগুলো লেখকের অন্যান্য স্মৃতিকথাতেও পড়েছি। কিন্তু ফিকশনের সমান্তরালে পড়তে বেশ ভালোলাগছিল। "মধ্যাহ্ন" উপন্যাসেও এই ব্যাপারটা উপভোগ করেছিলাম।

পাকিস্তান যুগে পূর্ব-বাংলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অবস্থা কেমন কোণঠাসা ছিল, তার একটা চিত্র মাতাল হাওয়া-তে পেয়েছি।

এটা সিরিয়াস উপন্যাস, কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ তো হিউমার ছাড়া লিখতে পারেন না; আমার কাছে এই উপন্যাসের হিউমার খুব উপভোগ্য ছিল (কখনও কখনও হুমায়ূনের হিউমার ছ্যাবলাবি মনে হয়, মাতাল হাওয়াতে এমন মনে হয়নি)। আমি কিছু পছন্দের জায়গা স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছি (PDF থেকে)।
যাহোক, শুধু শেষ পৃষ্ঠার কয়েকটা লাইন ছিল পাঠক হিসেবে দুঃস্বপ্ন।
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews136 followers
June 13, 2018
মাতাল হাওয়া, ১৯৬৯ সালের এদেশের উত্থাল সময়ে লেখক তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অভিজ্ঞতা করেছেন বইটির ছায়াঁয়।

সময় থেকে ভাল লেগেছে এই বইতে একটা জায়গায় এসে লেখক রূপাকে সৃষ্টির পিছনের গল্পটা প্রকাশ করেছেন।

মহসিন হলে থাকাকালীন এক বন্ধুর প্রেমিকাকে বন্ধুর হয়ে চিঠি লিখতে হত। লেখকের কথায় এই প্রেমপত্রগুলি ছিল তার প্রথম সাহিত্যকর্ম।

সেই বন্ধুর প্রেমিকার নাম ছিল রূপা। লেখক রূপাকে সরাসরি দেখেনি। একটি ছবিতে দেখেছিলেন। শান্ত সুন্দর মিষ্টি চেহারার ছিল রূপা।

লেখকের ভাষা যেন পটে আঁকা ছবি। হয়তো সেই চিঠিগুলো লিখতে লিখতে লেখকের হৃদয়ের মাঝে রূপা একটি অংশ দখল করে নিয়েছিলো। সেই বন্ধুর সাথে অবশ্য রূপার বিয়ে হয়নি। লেখকের বন্ধু ধনী ঘরে বিয়ের করে শ্বশুরের টাকা ইংল্যান্ড চলে যায়।

কিন্তু লেখক রূপা ভুলতে পারেননি। রূপাকে হিমু বান্ধবী করে দিলেন অমরত্ব। এখানেই Mik Everett এর বিখ্যাত উক্তিটি মনে পড়ে যায়, “If a writer falls in love with you, you can never die.”

তবুও লেখকের মনে রূপাকে নিয়ে হয়তো চাপা দীর্ঘশ্বাস থেকে গিয়েছিল। যার শব্দ আমরা লেখকের উক্তিতেই খুঁজে পাই।
"আমরা কাউকে হারাতে চাই না, তবুও সবাইকে হারাতে হয়।"

উপন্যাসের শেষে এসে মনটাকে প্রচণ্ড ভারী করে দিয়েছি। হুমায়ূন আহমেদের যত উপন্যাস পড়েছি, সবথেকে নিষ্ঠুরতম সমাপ্তি মনে হয়েছে এই লেখাটিতে।

Profile Image for Rakib Hasan.
460 reviews79 followers
January 4, 2023
হুমায়ুন আহমেদ আসলেই গল্পের যাদুকর। যাই লিখেন অনায়াসে একটানা পড়ে ফেলা যায়। বইটা উনসত্তরের গন-অভ্যুত্থানের উপর ভিত্তি করে লেখা। ইতিহাসের থেকে গল্পটাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে বইটা।
Profile Image for Ashkin Ayub.
464 reviews229 followers
July 22, 2023



মধ্যাহ্ন থেকে ধীরে ধীরে সন্ধ্যায় এগিয়ে যাওয়া আমাদের ভেতরে একটা খুব সুন্দর আলাপ হতে হতে হারিয়ে যায় এইসব দিনকালে। কিন্তু এই জাদুর শহরে বেঁচে থাকার চেষ্টাটা নেহাত কম নয় বইকি! যে সময় বেঁচা হয়ে সিগারেটের দামে সে জীবনে মাতাল হাওয়া ঠিক কই? শঙ্খ ঘোষের কবিতায়? কর্পোরেট গানের স্টুডিওতে? নাকি হুমায়ূন আহমেদের কাল হয়ে যাওয়া লেখায়?

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। কিছুটা ইতিহাস, কিছুটা গল্প। আর বেশ খানিকটা না দেখা জীবনের আক্ষেপ। হাবীব সাহেব, নাদিয়া, হাজেরা বেগম, বিদ্যুত কান্তি দে হাসান রাজা চৌধুরী আর ভাদু। কাউকেই আমরা চিনি না আবার সবাইকে দেখেছি আমাদের বর্তমান সমাজে। মনে হয় একটা অদ্ভুত স্মৃতি আমাদের তাড়া করে বেড়ায়। আবার এমন লাগে আমি বা আমরা হঠাৎ খসে ছিড়ে যাওয়া সূর্যমুখী কিংবা কাইয়ুমের ছেঁড়া উডকাট প্রিন্ট।

মাতাল হাওয়া বইটার কথা আদতে ভুলেই গিয়েছিলাম। কাজের সুবাদে নাটোর রাজবাড়িতে। বিশাল বড় এলাকা জুড়ে। একদিন লেগে যাবে ঘুরতে। বিকালের দিকে দীঘির পাড়ে বসেছিলাম। মানুষের সাবকন্সাস মাইন্ড খুব অদ্ভুত। দরকারি জিনিস এর সাথে সাথে হাটবাজারের নানা জিনিস জমা করে রাখে হিসাবের লাল খেরোখাতায়। দিঘীর পানির দিকে তাকিয়ে মনে হলো চোখ খোলা অবস্থায় ভাসছে নাদিয়ার দেহ। অথচ আমি তো নাদিয়া কে চিনি পর্যন্ত না!

হুমায়ূন বিশাল সংখ্যার উপন্যাস লিখেছেন, গান লিখেছেন, সিনেমা বানিয়েছেন আর অজস্র গল্পের জন্ম দিয়েছেন। তবুও মাতাল হাওয়ার পাতা উল্টাতে গিয়ে আমার অশান্ত মনে একটু শান্ত হবে না কোন দিন? হবে হয়ত, এখন ওয়াসপুরের নির্জন একটা জায়গায় অনেক মানুষের মাঝেও বসে থেকেও একা লাগছে, হয়ত তখন একটু কম একা লাগবে। হয়ত গাঢ় কুয়াশা নামবে, হয়ত কুয়াশার মাঝে হ্নারিয়ে যাওয়া নাদিয়া এসে বলবে, 'এক কাপ চা খাবেন নাকি, রঙ চা কিন্তু'।

Profile Image for Yeasin Reza.
512 reviews87 followers
November 22, 2023
'মাতাল হাওয়া' পড়লাম আবার। প্রপার ঐতিহাসিক উপন্যাস এটাকে বলা যায়না। হুমায়ুন সুনীলের টাইম ট্রিলজি দিয়ে বেশ প্রভাবিত হয়েছিলেন। ' মাতাল হাওয়া'তে সুনীলের স্টাইল ফলো করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু সফল হোননি। তবে এতে আমাদের খুব বেশি হতাশ হবার কিছু নেই। আরেকটা টিপিক্যাল হুমায়নী উপন্যাস পড়তে আমাদের ক্লান্তি কখনোই আসেনা। উপন্যাসের শেষ নিয়ে অনেকের আক্ষেপ দেখলাম। আমার কাছে শেষটা ই বরং ভালো লেগেছে, মেটাফোরিক্যাল ও যথাযথ।
Profile Image for Ifsad Shadhin.
115 reviews24 followers
September 8, 2021
মাতাল হাওয়া দিয়ে আমার হুমায়ূন আহমেদ পড়া শুরু। ফোরশ্যাডোয়িং জিনিসটার সাথে পরিচিতি-ও এই বইয়ের মাধ্যমে।

অদ্ভুত একটা বই। প্রায় এক দশক পরে এসেও এখনো দিঘীর জলে নাদিয়ার চেয়ে থাকা চোখ দেখতে পাই যেন।
Profile Image for Shoroli Shilon.
168 reviews75 followers
August 6, 2023
আজ ২২ এ শ্রাবণ, বর্ষাকাল। কিছুদিন ধরে একটানা বৃষ্টি হওয়ার মত করে মাতাল হাওয়ারও ইতি টানলাম। এ বই শেষ হয়ে আমার ভেতরে এক ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যে গর্ত থেকে বের হতে পারছি না। অরুন্ধতী রয় এর ভাষায় বলতে গেলে, 'আ মাতাল হাওয়া শেপড হোল'।

হুমায়ূন আহমেদ নিজেকে উপন্যাসিকের চেয়ে গল্পকার বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। তিনি গল্প শুনতে এবং বলতে ভালোবাসতেন। উনি উপন্যাসিক নাকি গল্পকার সে দ্বন্দে আমরা যাবো না। বরং চলে যাওয়া যাক উনসত্তর এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা মাতাল হাওয়ায়। সেখানে আমরা দেখতে পাই হাবিব সাহেবকে। মায়ের আদেশ, মেয়ের আদরে মিশেল এই ব্যাক্তিটিই আবার আইনের মারপ্যাঁচ বোঝা একজন উদ্ধতস্বভাবের উকিল। আমরা আরো দেখি হাজেরা বেগমকে। তার রসিক দুষ্টামি, বানোয়াট কথাবার্তা, বারবার মরে যাওয়ার বার্তা পাওয়া সবকিছুর উর্ধ্বে। কথা উঠে আসে রশিদ, প্রণবের মত প্রভুভক্তদের কথাও। তরকারিতে তেজপাতা, এলাচের মত ভূমিকা পালন করে তারা। ফরিদ, বেচারাকে মাঝেমধ্যে মনে হতো একটা কাঠের পুতুল। যে যেভাবে নাচাচ্ছে শুধু সেভাবেই নেচে যাচ্ছে। হাসান রাজা চৌধুরীর কথা মনে পড়ে। মায়াও হয়। খুব আক্ষেপ করেছিলাম দীঘির ঘাটে নাদিয়া আর তার বসে থাকার দৃশ্য না দেখতে পারার জন্যে। গল্পের অন্যতম মূখ্য চরিত্র নাদিয়া চুপচাপ, বইপড়ুয়া স্বভাবের; বিদ্যুৎ কান্তি দে স্যারের প্রতি তার মুগ্ধতা পাহাড়সম। একদিন দীঘির জলে মৃত কারো মুখ ভেসা দেখে নাদিয়ার ভয় হয়। আমিও শঙ্কায় পড়ে যাই। কি না কি হয় অবশেষে!

পুরো প্রথমার্ধের রসাত্মক আলাপ আপনাকে হাসাবে, আস্তে আস্তে ওপাশের পৃষ্ঠা যখন কমে আসবে দেখবেন সবকিছু কেমন যেন ম্লান হয়ে আসছে। কি যেন হয়েও হলো না, হলো না। কিছু ঠিক তো আরেকটা বেঠিক। আবার এ বইয়েই লেখক জানিয়েছেন রুপা চরিত্রের জন্ম কীভাবে হলো আর মিসির আলী চরিত্রের জন্মলগ্নই বা কোত্থেকে আসল!

উপন্যাস কখনো পুরোপুরি মেকি হয় না। উপন্যাস জীবনবোধের উঁচু নিচু সিড়ি। মাতাল হাওয়াও সেরকমই কালিতে ছাপানো সূক্ষ্ম জীবনবোধ।
Profile Image for Nazrul Islam.
Author 8 books228 followers
October 8, 2016
মাতাল হাওয়া বইটি আমি প্রথম পড়েছিলাম 2010 সালে। এক বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিয়ে। বস্তুর সেই সময়ে ইতিহাস নিয়ে কোন আগ্রহ ছিল না বিধায় গল্পের মাঝে হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিচারণ খুবই বিরক্ত লেগেছিল। সেইসাথে গল্পের ঐতিহাসিক অংশ পড়ে দারুণ মেজাজ খারাপ হয়েছিল। কথাটা এমন " গল্পের বইয়ের মধ্যে আবার ইতিহাস ফিতিহাস কেন "। ছয় বছর পরে যখন আবার বইটি হাতে নিলাম তখন ইতিহাসের কাহিনী অনেক না জানলেও হালকা পাতলা কিছু জানি। তাই হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিচারণ অংশটুকু অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম। আফসোস হচ্ছিল তার স্মৃতিচারণ আরো কেন দিল না।

বইয়ের কথায় আসি। ২০১০ সালে কি পড়েছিলাম খোদা জানে। সম্ভবত তখন পাঠক হিসেবে নতুন ছিলাম বলেই বইটির টোন ধরতে পারি নাই। কিন্তু আজকে যখন বইটা আবার পড়লাম বলতেই হয় "আমি মুগ্ধ " ইতিহাস আশ্রিত করে ওপাড় বাংলায় সুনীল দারুণ দারুণ কিছু কাজ করে গিয়েছিলেন। শেষ দিকে এসে হুমায়ূন আহমেদের সম্ভবত বোধোদয় হয়েছে কিছু ঐতিহাসিক কাজ করার ব্যাপারে। আফসোস এই কাজটি যদি উনি ১০-১৫ বছর আগে করতেন যদু,কদু,মধু টাইপের বই না লিখে তাহলে এইরকম দুর্দান্ত আরো কিছু বই আমরা পেতাম।

বইটির একটা জায়গা পছন্দ হয় নাই। সেটা হল দাদীর সিলি জোকস গুলো বা সংলাপগুলো। এইটা উনার যদু,কদু টাইপের বইয়ের টোন। সম্ভবত অনেক বছর এই ধরনের বই লেখার ফলে উনি চাইলেও এই টোন ছাড়তে পারেননি। যাইহোক বইটা পড়ে আরাম পেলাম। আরেকটু বড় হলে খারাপ হত না
Profile Image for Tusar Abdullah  Rezbi.
Author 11 books55 followers
May 5, 2023
বইটার প্রচ্ছদ আর নামের জন্য উইশ লিস্টে ছিল বিশেষ করে। বইটা কালেক্ট করা মাত্র পড়ে ফেললাম। সত্যি বলতে, বইটা এত ভালো হবে আশাও করি নাই। বিশেষ করে শেষটা মনটাকে ভারী করে তুলেছে। যা আশা করি নাই তাই ঘটেছে। তবে বইটা সুন্দর আর সেরা! দুঃখবিলাস করিয়ে ছাড়ল বিনা কারণে গল্পটা। 🌸
Profile Image for Kanis Murshida.
91 reviews9 followers
November 18, 2020
গল্পপিপাসু পাঠকরা রাজনীতির গল্প শুনতে চান না। সত্য তাঁদের আকর্ষণ করে না। তাদের সকল আকর্ষণ মিথ্যায়।

তাই হিস্টোরিকাল ফিকশন হওয়া সত্ত্বেও মাতাল হাওয়ায় হিস্ট্রি বা ইতিহাস এর থেকে ইতিহাসের কয়েকটি চরিত্র নিয়ে ফিকশন এরই পরিমাণ বেশি। কিন্তু তাই বলে যে হতাশ হতে হবে তা না। কিছু চরিত্রের মাধ্যমেই লেখক তত্কালীন সমাজের, সমাজের মানুষের বাস্তব ও রূঢ় পরিচয় তুলে ধরেছেন। ঘুষ, দুর্নীতি, স্বার্থপরতা, হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক এবং সাধারণ মানুষের মানসিকতা, চাইল্ড এবিউজ, মানবীয় সম্পর্ক ও গুণাবলি সবই পাবেন বইটাতে। খুবই সূক্ষ্ম ভাবে মনন কে ধাক্কা দেওয়ার মত করে লিখা বইটি। তবে ইতিহাস সম্পর্কিত আরও কিছু থাকলে হয়তো ভালো হত।

হুমায়ুন আহমেদ এর বই পড়তে পড়তে ভেবেছিলাম তার সমাপ্তি কেমন ধরে ফেলেছি প্রায়, সব অনুমান ঠিক হলেও নাদিয়ার শেষ পরিণতি টা একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিলো।

একটা ফ্যালাসি খুব মনে ধরেছে,
‘৬৯ সনে ছাত্রজনতার ঘৃণা এবং রাগের কেন্দ্রবিন্দুর পুলিশরাই আবার মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে পাকসেনার বিরুদ্ধে প্রথম অস্ত্রধারী। ইতিহাসের কী আশ্চর্য খেলা! পুলিশকে পিটিয়ে মারতেও দ্বিধা হয়নি কারো কারো, চোর নিধন যজ্ঞে চোরদের ও। মানে কোনো একটা সেকশনের বা প্রফেশনের সব মানুষের প্রতি ঘৃণা কিভাবে তৈরি হয়?! বর্তমান সময়ে দেখি ডাক্তার, পুলিশ এদের বিরুদ্ধে এই সহিংসতা 😪😤। মানুষ কবে মানুষ হবে???
Profile Image for Samsudduha Rifath.
427 reviews22 followers
April 4, 2025
বইটা নিয়ে একটা কথা বলব। পড়েন!
Profile Image for Tamzid Rifat.
114 reviews1 follower
April 16, 2024
এ এক অদ্ভুত অনুভূতি! একটি বই পড়ে আপনার হৃদয়-মন দুমড়ে মুচড়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে অসম্ভব খারাপ লাগায় অথচ সেটাকে ছুড়ে ফেলে দেয়ার বদলে হৃদয়ের মানসপটে আগলে রাখছেন! কাহিনি ৬৯' এর উত্তাল সময়ের উপর উপজীব্য। ঐ উত্তাল সময়ের বেশ শক্তিশালী একটি চিত্��� লেখক তার উপন্যাসের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন যেটা এই বইয়ের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক বলে মনে হয় আমার কাছে। আমার পড়া লেখকের পূর্বের বই 'মধ্যাহ্ন' এ-ব্যাপারটা অনুপস্থিত ছিলো। লেখকের চাক্ষুষ অভিজ্ঞতার দরুন হয়তো 'মাতাল হাওয়া' তে সেই উত্তাল সময়ের শক্তিশালী একটি চিত্র ভেসে উঠেছে। মনে থাকবে বইটার কথা অনেকদিন!
Profile Image for Ahmed Zisan.
62 reviews26 followers
January 28, 2022
অসাধারণ ছিল। তাই রাত জেগে শেষ করলাম। কিন্তু আবারো বলতে ���চ্ছে করছে, শেষ টা এমন না হলেও পারত। কোন অদ্ভুত কারণে যদি নাদিয়ার কিছু না হতো অথবা হাসার রাজার সাথে বাজরায় বসে তারা দেখত। লেখক শেষ টায় অসমাপ্ত রেখে দিলেও পারত, ভেবে নিতাম নাদিয়ার কিছু হয়নি। তবে গল্প পড়ে হুমায়ুন আহমেদ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম, সবচেয়ে খারাপ লেগেছে গল্পটা বাস্তব হওয়ায়। কল্পণায় কষ্ট কম, বাস্তবে স্বব্ধতা থাকে শেষে।
Profile Image for Chinmoy Biswas.
175 reviews65 followers
August 9, 2021
আমার পড়া হুমায়ূন আহমেদ এর বেস্ট উপন্যাস গুলোর একটা হচ্ছে "মাতাল হাওয়া"।
Profile Image for Sabbir Hossain Abir.
114 reviews40 followers
March 19, 2023
এক কথায় মাস্টারপিস। বাংলা বই যা পড়া হয়েছে বেশির ভাগই হুমায়ূন আহমেদের। কিন্তু কিছু বই মনের মধ্যে দাগ কেটে যায় সারাজীবনের জন্য। দেয়ালের পরে এইটা আরেকটা বই যেটার কথা মনে থাকবে আজীবন।
February 3, 2024
দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার বা শেষবারের মতো পড়া।

গল্প বলা নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করে কালক্ষেপণ না করে বলতে চাই একটি কথাই — আমার চাওয়া: হিস্টোরিকাল ফিকশনে জব্দতা সর্বদা রূপ নিক স্তব্ধতায়।
Profile Image for Sharika.
358 reviews95 followers
February 5, 2019
স্যারের অন্যান্য জীবনধর্মী লেখাগুলোর মতোই লিলুয়া বাতাস - অতি সাধারণ জীবনের আঁচে অসাধারণত্ব গড়ে তোলা। গল্পের ন্যারেটর বাবলু। সে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, বসবাস বাবা-মা, বড়ভাই, ফুপু, বড়খালার সাথে। গল্পের একজন উল্লেখযোগ্য চরিত্র বড়খালার পালকপুত্র জহির।

বড়খালা স্বামীর মৃত্যুর পরপর মানসিকভাবে কিছুটা অস্থিতিশীল অবস্থায় পড়েন। তার ধারণা সারাঘরে তিনি ভূত দেখতে পান, ভূতগুলো তাকে উত্যক্ত করে ও তার স্বাভাবিক জীবনকর্মে বাধা দেয়। তার মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া বহুল পরিমাণের টাকাপয়সা হাতিয়ে নেবার ব্যাপারে দুর্দমনীয় আগ্রহ বাবলুর বাবার। সেই টাকা নিজের হাতে গছিয়ে নিতে তিনি কিছুদিন পরপরই নতুন নতুন আইডিয়া বের করে টাকা হাতানোর প্রাণপণে চেষ্টা করেন। যদিও সফল হতে পারছিলেন না।

বাবলুর মা একজন আটপৌরে গৃহিণী যার একটি অভ্যাস কাজের মেয়ে পেটানো। বাবলুর বড়ভাই অতি-সিরিয়াস ধরণের বোর্ড-স্ট্যান্ড করা মেধাবী ছাত্র। উপন্যাসের একটি ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার হলো বাবলুর ফুপু নীলা। অভিনয়ের ব্যাপারে জ্ঞান শূন্যের কোঠায় হলেও তার অভিনয়ে আগ্রহ আকাশচুম্বী। তার জন্য যেকোনো স্যাক্রিফাইস করতে সে প্রস্তুত। এদিকে বছরকে বছর ফেইল করে সে ইন্টারেই পড়াশোনা করে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে সারাজীবন ইন্টারেই পড়বে।

বাবলুর কাছের ও পছন্দের একজন মানুষ জহির। বড়খালার পালকপুত্র হলেও স্বামী মারা যাবার পর বড়খালা তার আর কোনো দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরিবারের থেকে সঙ্গত কারণেই সে দূরে সরে যায়। কিন্তু বাবলুর সাথে তার সখ্যতা সবার চেয়ে অন্যরকম।

এইসব কাহিনীর ভীড়ে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয় যখন পরিবারে জানাজানি হয় বাবলুর বাবা আরেকটি বিয়ে করেছেন এবং তার একটি মেয়েও আছে। বউ-মেয়েকে নিয়ে আলাদা একটি বাসা ভাড়াও নিয়েছেন তিনি। বাবলুর পতি-ভক্ত মা এই ঘটনা জানার পর স্বামীকে ঘৃণা করতে শুরু করেন, উঠেপড়ে লাগেন তাকে জেলের ভাত খাওয়ানোর জন্যে। এরপরের কাহিনীটুকু নাহয় পড়েই নেবেন।

পাঠ-প্রতিক্রিয়া - বইটা শেষ করে আমার কেন যেন কোনো অনুভূতি হলো না। তার একটি কারণ হতে পারে - অনেকদিন হয়ে যাচ্ছে আমি হ্যাপি এন্ডিংয়ের হাসিখুশি কিংবা মন ভালো করার মতো কোনো বই পড়ি না। এই বইয়ের নামেই একটা মন খারাপ করা আঁচ আসছিলো, তবুও পড়েছি। পড়ে ভালো লাগে নি।

কাহিনীর ব্যাপারে বলতে হয় - হুমায়ূন আহমেদের লেখনীর ব্যাপারে ধারণা থাকলে আপনার জানারই কথা যে স্যার সাধারণ একটা পরিস্থিতিকেই চিত্তাকর্ষক করে পাঠকের সামনে তুলে ধরার ক্ষমতা রাখতেন। চরিত্রগুলো বরাবরের মতোই যত্নে গড়া। নেতিবাচক চরিত্রের প্রতিও কিভাবে মায়া জন্মিয়ে তুলতে হয় এটা সম্ভবত শুধু হুমায়ূন আহমেদই জানতেন।

কাজেই কাহিনী - চরিত্রের কোনো ব্যাপারেই অভিযোগ নেই। ট্র‍্যাজেডি পড়তে আর ভালো লাগছে না বলেই ভালো লাগে নি। বহুদিন পর কিছু "পড়ার জন্য পড়লাম" বলে মনে হলো। অন্য জন্রা পড়বো কিছুদিন। জীবনধর্মী বা ট্র‍্যাজেডি কয়েকদিন বাদ।
November 20, 2023
মাতাল হাওয়া, নামটির মধ্যে রয়েছে মাদকতা।হুমায়ূন আহমেদ যেহেতু বলিষ্ঠ লেখক এই জন্য তিনি খুব সুক্ষ্মভাবে ১৯৬৯ সালে তার অভিজ্ঞতা উপন্যাসের মূল গল্পের সাথে জুড়ে দিয়েছেন এবং তিনি উপন্যাসের একজন চরিত্র হয়ে গেছেন।

এই বার আসি উপন্যাসের কথাই..
প্রথমে বলি, তৎকালীন রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি যা লিখেছেন, সেটা তার নিজস্ব অনুভূতি বা তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছিলেন তার ভিত্তিতে লিখেছেন এই জন্য আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইনি। (যে বিষয়ে জানি না বা আগ্রহ কম তা নিয়ে মন্তব্য না করাই শ্রেয়)।
উপন্যাসের শুরু হাজেরা বিবিকে দিয়ে তিনি একজন বয়স্ক মহিলা যার প্রায় আজরাইলের সাথে গপ্প হয়,এবং তিনি নানা রকম অশ্রাব্য কথা বলতেই থাকেন।হাজেরা বেগমের একজন পুত্র আছেন,নাম হাবিবুল্লাহ, পেশায় নামকরা উকিল যাকে তিনি ত্যক্ত করার জন্য হাবু বলে ডাকেন।যাই হোক বুড়ি পাঠকদের হাসাবেন আবার তার উদ্ভট কথা বলে ত্যক্ত করবেন এবং পরিশেষে কাদাঁবেন।
আর কোন কিছুই বলবো না তাহলে পড়ে মজা পাবেন না।
নাদিয়া চরিত্রটি বলিষ্ঠ ছিল,যিনি সত্তুর দশকের হয়েও চিন্তা ভাবনায় অনেক এগিয়ে ছিল।তার শেষ পরিণতি সত্যি কষ্টদায়ক।
এই জন্য লেখকের উপর অভিমান হয়েছে।
বইটিতে তৎকালীন সময়ের সাম্প্রদায়িকতা,রাজনৈতিক উত্তাল অবস্থা কিছু টা চলে এসেছে,তবে পুরোপুরি নয়।যেহেতু তিনি নিজে বলেছেন ইতিহাস, রাজনীতি তাকে টানে না,সেহেতু এই ব্যাপারে কিছু না বলাই ভাল।
##ভাল লেগেছে বইটি,মাতাল হাওয়া নামটি বইটির জন্য স্বার্থক,কারণ বইটির মধ্যে রয়েছে মাদকতা যা পাঠক কে মাতাল করবে বলে,আশা রাখি।
Profile Image for Maisha Soravica .
18 reviews3 followers
May 28, 2022
এন্ডিংটা মাথা থেকে সহজে যাবে না। অনেকদিন মনে রাখার মত একটা বই
Profile Image for Noyon.
53 reviews8 followers
April 2, 2023
মনে দাগ কেটে যাওয়া মতো বই মাতাল হাওয়া।
শেষের এন্ডিং টার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না��
হুমায়ুন আহমেদ তো বরবরই এমনি করেন।
Profile Image for Susmita Sarker (বাচ্চা ভূত).
193 reviews11 followers
August 21, 2023
শেষটা এমন না হলেও পারতো!এতো অসম্ভব সুন্দর উপন্যাসটা ভয়াবহভাবে শেষ হলো! এতো কেঁদেছি বইটা পড়ে!
3 reviews
June 3, 2024
মাতাল হাওয়া : খুবই সুন্দর।
Profile Image for Rana Khan.
106 reviews
November 20, 2023
মাতাল হাওয়া হুমায়ুন আহমেদের শেষের দিকে লেখা একটা বই। শেষের দিকে লেখা হওয়ার কারণে হুমায়ুন আহমেদের সর্বোচ্চ আউটপুট এখানে থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক।
কিন্তু যারা হুমায়ুন আহমেদের অনেকগুলো বই পড়েছেন তারা জানেন, হুমায়ুন আহমেদ এর একটা বড় দুর্বলতা ছিল। তা হচ্ছে, তিনি তার চরিত্রগুলোকে অনেক যত্নে আদর করে বড় করেন, তারপর ঠুস করে মেরে দেন। উনি এভাবেই পাঠকদের মনে কষ্ট দিতে চান। অনেকগুলো বইতে এভাবেই তিনি লিখে রেখেছেন। এক সময় এই বিষয়টা তার দুর্বলতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এগুলো খুবই বিরক্তিকর। এটা একটা এজইউজুয়াল হুমায়ুন আহমেদের বই। ভালো বই।
Profile Image for Farzana Rahman.
64 reviews1 follower
May 21, 2020
3.5 ⭐

This book is a historical fiction, but we did not get much of a history from the story.

I loved the parts where got the glimpses of Humayun Ahmed's university life.

The writing style is not a typical Humayun Ahmed writing. The story has its own shades. There are lots of grey characters.
The last part of the book is quite symbolic.
But this book is not for everyone, as the book is unlike his other books.

Overall I liked the story, its worth investing time on.
Profile Image for Moumita Islam.
33 reviews27 followers
April 16, 2021
এই বই আগেই পড়া । আবার পড়ব । কিছু বই হাজার বার পড়া যায় ।
Profile Image for Saiqat .
60 reviews1 follower
July 31, 2021
বিছ্রি বিষন্ন
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
114 reviews14 followers
June 9, 2025
জুলাই আর উনসত্তরের মাঝে কত মিল! কত অযোগ্য মানুষ নেতা বনে যায়!
Displaying 1 - 30 of 141 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.