ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর শেষ জীবন কাটিয়েছিলেন অধুনা ঝাড়খন্ডের এক অখ্যাত গ্রাম কার্মাটাঁড়ে, পরিবার পরিজনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সেখানকার মানুষজনের মধ্যে তিনি নিভৃতে অতিবাহিত করেছিলেন জীবনের শেষ সতেরোটি বছর। কী করতেন তিনি সেখানে? কারা ছিল তাঁর সুখ দুঃখের সাথী?
কর্মাটাঁড়ে তাঁর সেই বিস্মৃতপ্রায় জীবন, অজানা নানা ঘটনা, দুঃখ সুখ, হতাশা নিয়ে মর্মস্পর্শী উপন্যাস 'ঈশ্বরের অন্তিম শ্বাস'। রয়েছে বহু দুষ্প্রাপ্য ছবি, চিঠি ও বিবরণ।
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.
A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.
A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.
Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.
Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.
She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.
An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.
She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.
বই পড়া আমার নেশা , আমার বিষয় যেহেতু বাংলা সাহিত্য তাই এমনি প্রচুর বই পড়তে হয় , তাও নিজের পাঠ্য বই এর বাইরে গিয়ে নতুন নতুন লেখক লেখিকা দের বই পড়তেও খুব ভালো লাগে ,
Debarati Mukhopadhyay খুব প্রিয় লেখিকা ,নতুন প্রজন্মের বাংলা গল্পঃ লেখিকা দের মধ্যে উনি সত্যি অন্যতম একজন ❤️
উনি আমাদের সামনে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শেষ জীবনের কাহিনী "ঈশ্বরের অন্তিম শ্বাস " এ যেভাবে তুলে ধরলেন সত্যি আমি অবমহিত , বই টা পড়তে পড়তে নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে জল বেরিয়েছে ,😪 বিদ্যাসাগর এর প্রতি শ্রদ্ধা যেনো আরো দ্বিগুণ বেড়ে গেলো এই উপন্যাস টা পড়ে , বিশেষত আমরা মেয়েরা যে কতটা কৃতজ্ঞ বিদ্যাসাগর মহাশয় এর কাছে সেটা বলে বোঝানোর ভাষা নেই হয়তো ।। লেখিকা কে অসংখ্য ধন্যবাদ অনেক অজানা তথ্য জানলাম মহান মানুষটি সম্পর্কে 🙏🏻 আপনার লেখার কৌশল উপন্যাস টিকে জীবন্ত করে তুলেছে , আপনার আরো লেখা পড়ার ইচ্ছে রইলো ❤️
#debaratimukhopadhyay প্রত্যেক বাঙালির এই বই টা পড়া উচিত ,কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের অনেকেরই মন স্থিত হবে এই উপন্যাস পড়ে ,
যে মানুষটি একা লড়াই করে খুলেছেন একের পর এক মেয়েদের স্কুল, যে মানুষটি দিনের পর দিন নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করেছে, যাদের সেবা করেছে তারাই যখন সেই বিদ্যাসাগরকে নিয়ে কটু কথা বলতে ছাড়লো না, তখন তিনি নির্বাসন নেন অধুনা ঝাড়খন্ডে এক প্রত্যন্ত গ্রামে। সেখানেই তিনি কাটিয়েছেন জীবনের শেষ কয়েক বছর। কেমন ছিল তাঁর দেখানকার জীবন?
এদিকে একটা travel vlog চালানো তিন ছেলেমেয়ের দল এসেছে এই গ্রামে। তারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শেষ জীবন নিয়ে একটু সিরিজ করবে, নাম দেবে ' ঈশ্বরের অন্তিম শ্বাস '।
বইটি বেরোবার পরেই প্রি অর্ডার করে রেখেছিলাম। তার আগে শ্রী সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমের অপূর্ব সৃষ্টি সেই সময় আর প্রথম আলো পড়ে যতটুকু জেনেছি, শিখেছি ও বুঝেছি, এই বইটি পড়ে সেই শেখা যেন পূর্ণতা পেল। খুব ঝরঝরে সুন্দর ভাষা ও গতিতে এগোনো উপন্যাসটি পড়তে একবারও একঘেয়ে লাগে না। বরং মাথা নত হয়ে আসে শ্রদ্ধায়। অবশ্যপাঠ্য একটি বই।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাাগরের তিরোধানে The Statesman পত্রিকাতে ছাপা হয়েছিল।
কি বর্ণময়, অপরিসীম পরিধি নিয়ে তার বিস্তার। আর ওনার জীবনের শেষ ১৭টি বছর কেটেছে পরিবার, পরিজন, আত্মীয় ছাড়া, স্বইচ্ছায় বীতশ্রদ্ধ "বানপ্রস্থে ঈশ্বর"।
এই সময়ে বিহারের (বর্তমান ঝাড়খণ্ড) কার্মাটাঁর অঞ্চলে তিনি ছিলেন, নগরসভ্যতা ত্যাগ করে, শান্ত, সবুজের সমারোহে সেখানকার সিধেসাধা, সাঁওতাল অধ্যুষিত লোকজনের মাঝে।
শেষ ১৭ বছরের জীবন সম্পর্কে অনেক তথ্য পেলাম। লেখা পড়তে পড়তে সত্যি মন খারাপ হয়ে যাচ্ছিল, যতই ওনার অন্তিম শ্বাসের দিকে গল্প এগোচ্ছিল।
লেখিকা এক জায়গায় সঠিক লিখেছেন, তার চলা পথ সত্যি দুর্গম, কঠিন। সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র ঈশ্বরই পারেন আর পেরেছেন।
তাই আমার মতে, The sea is still dry and will be forever
বিদ্যাসাগর সম্পর্কে অল্প বিস্তর সবাই জানি। কিন্তু আমরা কয়জনই তাঁর শেষ জীবন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি? আর কয়জনই বা কার্মাটারের কাহিনী জানতে অবগত। তবে ঈশ্বরের অন্তিম শ্বাসে এমনও অনেক অজানা কাহিনীর সম্মুখীন হতে হবে যা আপনাকে আমার মত বিস্ময় করতে বাধ্য। না তিনি শুধু নারী জাতিরই ঈশ্বর নয় তিনি সমগ্র মানব জাতির এক ঈশ্বররুপ। অজানা কাহিনী জানতে যতটা ভালো লাগবে তাঁর সাথে ঘটে চলা অপমানের দিকে রাগও ততটাই হবে। তাঁর ছেলেমেয়ে থেকে শুরু তাঁর ভাইয়েরা পর্যন্ত সবসময় তাঁকে ছোটই করে গেছে।নিজের মানুষের কাছে আঘাতটা সর্বদাই বড় হয়ে যায় তাই তিনি বীরসিংহ ছেড়ে কার্মাটার স্থায়ী হয়। তাঁর উদার মনোভাব তাকে সবার থেকে আলাদা করেছে। বইটির শেষের কয়েকটি পৃষ্ঠা আপনাকে ইমোশনাল করে তুলবে। মহান মানুষের সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। শুভেচ্ছা রইলো Debarati Mukhopadhyay ম্যাডাম কে।
অবশেষে Debarati Mukhopadhyay madam এর এই বইটি পড়লাম... পড়তে পড়তে চোখ দিয়ে অবিরত জল পড়েছে... বিদ্যাসাগরের মৃত্যু যেন পরমআত্মীয়র জীবনবসান....
আপনি ঠিক ই বলেছেন Debarati Mukhopadhyay madam উনি ছিলেন বলেই আজ অন্তত আমি পুঁথিগত শিক্ষা টুকু পেয়েছি (আমার মনুষ্যত্বের শিক্ষার বড়াই করতে পারি না কিছুতেই)..
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই মহামানব কে নিয়ে লেখার জন্য... ইনি শুধু মহামানব নন.. ইনিই প্রকৃত ঈশ্বর....
ঈশ্বরের অন্তিম স্বাস বইটি পড়লাম অসাধারণ লেখনিতে সমৃদ্ধ আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কে যেটা ধারণা করতে পারি না বা তার অজানা জীবন যেটা আমরা কোনদিন ভাবিনি সেই তথ্য আমি পেলাম এবং অসাধারণ তথ্যসমৃদ্ধ একটি বই যা পড়ে সত্যিই ধন্য হয়েছি অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ বইটি নিয়ে যাই বলি কম বলা হবে আমার পক্ষ থেকে আমার ফেসবুক পেজ থেকে এই বইটি নিয়ে স্টোরি দিলাম যাতে সকল পাঠক জানতে পারে যে বইটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ বাঙালির কাছে.....
অপেক্ষার অবসান। আজ বইটি হাতে পেলাম। ঝাড়খণ্ডের কার্মাটারে বিদ্যাসাগরের জীবনের শেষ সতেরোটি বছর নিয়ে কলম ধরেছেন বিশিষ্টা লেখিকা তথা সরকারি আধিকারিক দেবারতি মুখোপাধ্যায় l অনেক অজানা তথ্য সমৃদ্ধ বইটি l আজ বইটি হাতে পেয়ে দারুণ লাগছে l সেই সঙ্গে বইটিতে লেখিকার স্বাক্ষর ও বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্র পেয়ে আরও ভালো লাগছে l অনেক শুভেচ্ছা রইলো। অসংখ্য ধন্যবাদ Debarati Mukhopadhyay দিদি।
কিছু বই থাকে যা ভালো খারাপের উর্ধে ..ঈশ্বরের অন্তিম স্বাস এমন একটি বই যা মনের অন্তকোণে ছাপ ফেলে যায় এই বই টি পড়ার সময় শুধু মনে হয়েছে আমরা কি বেঈমান না যার জন্য আজ সমাজে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছি তাঁর কথা আজ আমরা ভুলতে বসেছি ..পড়তে পড়তে কান্নায় চোখ ভেসে গেছে একটা মানুষ কত কষ্ট পেলে বিদ্যাসাগর হন সেটা এই বইটা না পড়লে জানা যাবে না ...
মনস্বিনী পেশায় মনোবিদ
This entire review has been hidden because of spoilers.
Debarati di khub valo legeche boita...Sesta pore kalidas ar moto amro chokhe jol chole aschilo...tomar r o boi ar opekhay roilam...dukkho sudhu aktai prothom din pre-book koreo 200 jonar moddhe aste Pari ne🙃
বইটা আগেই পড়া হয়েছে। আজ বলছি - সত্যিই অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরে খুব ভালো লেগেছে শুধু তাই নয় ,ঋদ্ধ হয়েছি, আবেগে আপ্লুত হয়েছি। ভাগ্যিস আমাদের একজন বিদ্যাসাগর এসেছিলেন!আজ তাঁর জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। 🙏 আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। আরও লিখুন, ভালো থাকুন। ❤
আমি recently পড়েছি বইটি। ভীষণ ই ভালো লেগেছে, আর পড়ার পর লোকজন কে ও recommend করেছি। এমন একটা বই, যা ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান, কেউ যেনো কোনোদিন ভুলে না যায়, তাই এরকম উপন্যাস পড়া ও পড়ানো, দুটোই প্রয়োজন। যেকোনো বয়সের মানুষকে উপহার দেওয়ার মত বই।
বই টা কিছু দিন আগেই শেষ করেছি। খুব ভালো লেগেছে। অনেক বই পড়ার ক্ষমতা আমার নেই। সেই সব থেকে research করে একজায়গায় তুলে দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ । ভালো থাকুন। আরো অনেক ভালো কাজ করুন ।
Ishwar handrail Vidya Sagar er last 19 yrs er story ta keu jnto na tmn vab a seta Nia lekha r madam er lekha r style Nia kichchu Bolar nei..she is a kind..vison vison valo hoacha❤️
- অন্তিম শ্বাস পর্যন্তই যে অপরের কল্যাণ ভাবে, সেই বিদ্যাসাগরের জীবনের শেষ সতের বছরের উপাখ্যান । নিঃসন্দেহে বইটা বিদ্যাসাগর সম্পর্কে আরও পাঠে আগ্রহ জাগাবে। দেবারতি মুখোপাধ্যায় এর চমৎকার এই উদ্যোগকে স্বাগত।
উপন্যাস টি পড়েছিলাম ২০২৩ সালে। ঈশ্বর মহাশয় কে নিয়ে এমন উপন্যাস পড়ে এক অন্যরকম ভালোলাগা তৈরি হয়েছিলো। ধন্যবাদ জানাই লেখিকা কে। আমাদের এমন উপন্যাস উপহার দেওয়ার জন্য। 🩷
কিছু কিছু লেখা থাকে যেটা শেষ করার পরেও মনে হয় লেখাটা কেন শেষ হয়ে গেল ,এই বইটি ও তার ব্যতিক্রম নয়। বিদ্যাসাগর মহাশয় এর জীবনের শেষ ১৭ বছরকে নিয়ে লেখা এই উপন্যাস চিরকাল মনের মনিকোঠায় থেকে যাবে ।কেবলমাত্র আমার নয়, বরং সমস্ত পাঠকের ,এই দাবি আমি জোর গলায় করতে পারি। সত্যিই অসাধারণ একটি উপন্যাস লেখিকা আমাদের উপহার দিলেন। লেখাটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল 17 টা বছর নয় পুরো জীবনকে নিয়ে লিখলে আরো ভালো হতো, এতই অপূর্ব লেখনি ।পড়তে পড়তে বারবার কেঁদেছি, গর্ভে বুক ভরে উঠেছে বাঙালি হয়ে জন্মেছি বলে। হতবাক হয়ে গিয়েছি এরকম একজন যুগপুরুষ আমাদের মধ্যে ছিলেন! থুড়ি এখনো আছেন কারণ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কোনদিনই মৃত্যু হতে পারে না ।কারণ তিনি আপামর ভারতবাসীর মনে চিরকালের জন্য জায়গা করে নিয়েছেন তার অপার করুণাময় হৃদয়ের মাধ্যমে। ঈশ্বরকে চাক্ষুষ দেখতে না পাওয়ার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হলেও এই ঈশ্বরকে জানার মাধ্যমে সেই প্রাপ্তি খানিকটা হলেও পূরণ হল। বারবার হতবাক হয়েছি এমনও মানুষ হয় যে নিজের কথা এক মুহূর্তের জন্য না ভেবে কেবল অন্যের কথা চিরকাল ভেবে গেছে। সবচেয়ে সুন্দর লেগেছে বিদ্যাসাগর মহাশয় এর জীবনের ছোট ছোট গল্পগুলো লেখিকার লেখনীতে। এক কথায় অনবদ্য ছিল। লেখিকা কে অনেক অনেক ধন্যবাদ এইরকম একটা অসাধারণ উপন্যাস আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য। এইরকম আরো অসাধারণ উপন্যাস আমরা লেখিকার কাছ থেকে বছর বছর উপহার পেতে চাই। ভালো থাকবেন লেখিকা।
অপেক্ষার অবসান। আজ বইটি হাতে পেলাম। ঝাড়খণ্ডের কার্মাটারে বিদ্যাসাগরের জীবনের শেষ সতেরোটি বছর নিয়ে কলম ধরেছেন বিশিষ্টা লেখিকা তথা সরকারি আধিকারিক দেবারতি মুখোপাধ্যায় l অনেক অজানা তথ্য সমৃদ্ধ বইটি l আজ বইটি হাতে পেয়ে দারুণ লাগছে l সেই সঙ্গে বইটিতে লেখিকার স্বাক্ষর ও বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্র পেয়ে আরও ভালো লাগছে l অনেক শুভেচ্ছা রইলো। অসংখ্য ধন্যবাদ Debarati Mukhopadhyay দিদি।