What do you think?


মনশ্চক্ষু
প্রায় এক বছর আগের কথা, কোনো এক স্নিগ্ধ সকালে স্কুল পড়ুয়া পিচ্চি ইফরার দেখা হয় ছোট্ট এক কুকুরছানার সঙ্গে। যে কুকুরছানাটি বাসায় এনে পোষা শুরু করে সে। ছোটদের কুকুরের প্রতি মায়া নতুন কিছু নয় অবশ্য।
উপরের অংশটি খুব মায়াময় একটি অংশ, তাই না? এবার অন্যদিকে আসি, হিন্দু মিথোলজি অনুসারে, একজন মানুষের দুটো অংশ থাকে। প্রথমটা 'দেবদূত', অর্থাৎ ভালো ও মায়াময় দিক। আর দ্বিতীয়টি 'অপদেবতা', অর্থাৎ খারাপ ও নৃশংস দিক। আমরা সাধারণত জীবনভর প্রথম দিকটিই বয়ে বেড়াই। কিন্তু দ্বিতীয় দিক?
দ্বিতীয় দিকটি কখন বেরিয়ে আসে? মানুষ কখন দেবদূতের পোশাক খুলে অপদেবতায় পরিণত হয়? তার সাথে খুব খারাপ কিছু হলে? এমনকিছু, যা সওয়া যায় না? অথবা এমন কোনো ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা যায় না? তাহলে কতটুকু খারাপ হতে পারে মানুষ? কোন পর্যায়ের অপদেবতা হতে পারে?
স্টিফেন কোনো এক কারণে আই.সি.ইউ'তে ভর্তি আছে আপাতত। সেখানেই তার কানে ভেসে আসলো এক নৃশংস ঘটনা,
ভোরবেলায় ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। যে লাশকে আকাশ থেকে ঘিরে আছে চিলের ঝাঁক এবং পাতালে থানা-পুলিশের ঝাঁক। লাশের চেহারা এমনভাবে পোড়ানো হয়েছে, ভিক্টিম শনাক্ত করার জো নেই। লাশের শরীরের কিছু অংশও নেই। পুরো শরীর কামড়ে খেয়েছে কুকুর। এই বিভৎস পরিস্থিতি দেখে হাসপাতালে থাকা স্টিফেনের সাথেই যোগাযোগ করতে হলো ডিআইজি আনোয়ার হোসাইনের। কিন্তু, অনেক প্রশ্ন এখনো থেকেই যায়।
স্টিফেন কেন'ই বা আই.সি.ইউ'তে ভর্তি?
লাশের কিছু দেহাংশ না থাকার তর্কশাস্ত্র'ই বা কী?
এসব প্রশ্ন কাটিয়ে উঠতে উঠতে খবর আসলো, আলোচিত ইসলামিক বক্তা মহিউদ্দীন আল আজহারী মাহফিল শেষ করে ফেরার পথে হলেন নিঁখোজ! এই খবরে উত্তাল শহর। ক্রুদ্ধ তার সমর্থকগণ।
বিভৎস সেই লাশের রহস্যের মাঝে যেন আরো জড়ালো এক গোলকধাঁধায় পড়লো এস.সি.এফ। কিন্তু...
এসব কি এখানেই থেমে যাবে?
এই প্রশ্নের জবাব আছে শুধু একজনের কাছে। একজন ভবঘুরে স্বভাবের মানুষ। যাকে কখনো কেউ দেখেনি। যার নাম জানা নেই কারো। যে মানুষটার আঁখিযুগল ভালোবাসে লাশ দেখতে। ভালোবাসে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে, যখন কুকুর খুবলে খায় তার'ই খুন করা লাশগুলোকে। তাকেই যদি ধরে নেই অপদেবতা, তাহলে খুনের তৃষ্ণা কি মিটবে এই অপদেবতার? না-কি নয়ন মুগ্ধ করতে একের পর এক রক্তের জলধারা বয়ে নিয়ে যাবে সে?
কে জিতবে দেবদূত এবং অপদেবতার এই শঁতরচের খেলায়?
উপরের অংশটি খুব মায়াময় একটি অংশ, তাই না? এবার অন্যদিকে আসি, হিন্দু মিথোলজি অনুসারে, একজন মানুষের দুটো অংশ থাকে। প্রথমটা 'দেবদূত', অর্থাৎ ভালো ও মায়াময় দিক। আর দ্বিতীয়টি 'অপদেবতা', অর্থাৎ খারাপ ও নৃশংস দিক। আমরা সাধারণত জীবনভর প্রথম দিকটিই বয়ে বেড়াই। কিন্তু দ্বিতীয় দিক?
দ্বিতীয় দিকটি কখন বেরিয়ে আসে? মানুষ কখন দেবদূতের পোশাক খুলে অপদেবতায় পরিণত হয়? তার সাথে খুব খারাপ কিছু হলে? এমনকিছু, যা সওয়া যায় না? অথবা এমন কোনো ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা যায় না? তাহলে কতটুকু খারাপ হতে পারে মানুষ? কোন পর্যায়ের অপদেবতা হতে পারে?
স্টিফেন কোনো এক কারণে আই.সি.ইউ'তে ভর্তি আছে আপাতত। সেখানেই তার কানে ভেসে আসলো এক নৃশংস ঘটনা,
ভোরবেলায় ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। যে লাশকে আকাশ থেকে ঘিরে আছে চিলের ঝাঁক এবং পাতালে থানা-পুলিশের ঝাঁক। লাশের চেহারা এমনভাবে পোড়ানো হয়েছে, ভিক্টিম শনাক্ত করার জো নেই। লাশের শরীরের কিছু অংশও নেই। পুরো শরীর কামড়ে খেয়েছে কুকুর। এই বিভৎস পরিস্থিতি দেখে হাসপাতালে থাকা স্টিফেনের সাথেই যোগাযোগ করতে হলো ডিআইজি আনোয়ার হোসাইনের। কিন্তু, অনেক প্রশ্ন এখনো থেকেই যায়।
স্টিফেন কেন'ই বা আই.সি.ইউ'তে ভর্তি?
লাশের কিছু দেহাংশ না থাকার তর্কশাস্ত্র'ই বা কী?
এসব প্রশ্ন কাটিয়ে উঠতে উঠতে খবর আসলো, আলোচিত ইসলামিক বক্তা মহিউদ্দীন আল আজহারী মাহফিল শেষ করে ফেরার পথে হলেন নিঁখোজ! এই খবরে উত্তাল শহর। ক্রুদ্ধ তার সমর্থকগণ।
বিভৎস সেই লাশের রহস্যের মাঝে যেন আরো জড়ালো এক গোলকধাঁধায় পড়লো এস.সি.এফ। কিন্তু...
এসব কি এখানেই থেমে যাবে?
এই প্রশ্নের জবাব আছে শুধু একজনের কাছে। একজন ভবঘুরে স্বভাবের মানুষ। যাকে কখনো কেউ দেখেনি। যার নাম জানা নেই কারো। যে মানুষটার আঁখিযুগল ভালোবাসে লাশ দেখতে। ভালোবাসে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে, যখন কুকুর খুবলে খায় তার'ই খুন করা লাশগুলোকে। তাকেই যদি ধরে নেই অপদেবতা, তাহলে খুনের তৃষ্ণা কি মিটবে এই অপদেবতার? না-কি নয়ন মুগ্ধ করতে একের পর এক রক্তের জলধারা বয়ে নিয়ে যাবে সে?
কে জিতবে দেবদূত এবং অপদেবতার এই শঁতরচের খেলায়?
- GenresThriller
208 pages, Hardcover
First published February 14, 2022
About the author
Sadman Saeed Chowdhury
2 books14 followersSadman Saeed Chowdhury, is a Bangladeshi author who is known among his readers for his crime thriller novel series, named "Stifen series". (bengali - স্টিফেন সিরিজ)
He was born on 2nd of June in Raozan, Chittagong.
He published his first book of "Stifen series" in Amor Ekushey boimela 2021 named "Ruby heist" (bengali - রুবি হাইস্ট). Ruby heist was among the bestselling novels in Bangladesh's largest online bookshop rokomari.com.
His recent book of "Stifen series" has published in Boimela 2022, from Tamralipi, named "Manashchakkhu". (bengali - মনশ্চক্ষু).
He was born on 2nd of June in Raozan, Chittagong.
He published his first book of "Stifen series" in Amor Ekushey boimela 2021 named "Ruby heist" (bengali - রুবি হাইস্ট). Ruby heist was among the bestselling novels in Bangladesh's largest online bookshop rokomari.com.
His recent book of "Stifen series" has published in Boimela 2022, from Tamralipi, named "Manashchakkhu". (bengali - মনশ্চক্ষু).
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
March 4, 2022
সাদমান ভাইয়া বইটা পাঠানোর আগে যখন বললেন এটা ক্রাইম থ্রিলার জনরার, সেটা শুনে বেশ খুশিই হয়েছিলাম! কারণ ক্রাইম থ্রিলার আমার বেশ প্রিয় একটা সাব-জনরা! নানান ব্যস্ততায় আগের মতন একটানা বই পড়া হয় না। কিন্তু এই বইটা এতই ইন্টারেস্টিং ছিল যে এক বসায় পড়ে শেষ করেছি!
.
.
গল্পটা শুরু হয় ছোট্ট ইফরাকে দিয়ে। কোনো এক সকালে ইফরার দেখা হয় একটা ছোট্ট কুকুরছানার সাথে, মায়ের বারণ করার পরেও সে সেটাকে বাসায় এনে পুষতে শুরু করে। পরের অধ্যায়ে কাহিনি চলে যায় ইন্সপেক্টর স্টিফেনের কাছে। কোনো এক কারণে এসসিএফ অফিসার স্টিফেন আই.সি.ইউ'তে ভর্তি। সেখানে বসেই তার কাছে খবর আসলো এক নৃশংস ঘটনা,
ভোরবেলায় ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। অনেকের কাছে এটা আত্মহত্যা মনে হলেও স্টিফেন আর তার দলের কাছে এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কারণ একইভাবে শহরের আরো কয়েক জায়গায় মানুষ হচ্ছে। অবাক করার মতন ব্যাপার হচ্ছে এদের কারো সাথেই কারো কোনো যোগাযোগ নেই, নেই কোনো সূত্র। কিন্তু প্রতিবারই খুনি প্রতিটি লাশ থেকে একটা করে হাত-পা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় কোনো কুকুর না থাকলেও কোত্থেকে অনেকগুলো কুকুর এসে লাশগুলো খেয়ে যাচ্ছে। তাহলে স্টিফেন কীভাবে খুনি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে? কেবল একজনই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, কিন্তু সে কে?
.
.
লেখক খুব সুন্দর করে একইসাথে অতীত ও বর্তমানের প্লট দুটো চালিয়ে গেছেন। অনেক বেশি থ্রিলার পড়লে অপরাধী কে সেটা একটু হলেও আঁচ করা যায়। কিন্তু এখানের টুইস্টগুলো এত মাপা মাপা ছিল যে একটুও বোঝা যায়নি। আপনি উপন্যাসের শেষটুকু না পড়লে বুঝতেই পারবেন না যে এতগুলো খুনের মোটিভই বা কী ছিল! বিশেষ করে পারুলের সাথে যেটা হলো, সেটা আমার কাছে চমক ছিল। এমনটা চিন্তাও করিনি! এটা খুব সম্ভবত লেখকের দ্বিতীয় বই, এরপরেও যথেষ্ট পরিপক্ক উনার লেখা। আর বইয়ের প্রোডাকশনও অসম্ভব ভালো ছিল। পেইজ কোয়ালিটি, কভার, এমনকি বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। থ্রিলারপ্রেমী আর কুকুরপ্রেমী হলে বইটা পড়ে দেখতে পারেন!
.
.
গল্পটা শুরু হয় ছোট্ট ইফরাকে দিয়ে। কোনো এক সকালে ইফরার দেখা হয় একটা ছোট্ট কুকুরছানার সাথে, মায়ের বারণ করার পরেও সে সেটাকে বাসায় এনে পুষতে শুরু করে। পরের অধ্যায়ে কাহিনি চলে যায় ইন্সপেক্টর স্টিফেনের কাছে। কোনো এক কারণে এসসিএফ অফিসার স্টিফেন আই.সি.ইউ'তে ভর্তি। সেখানে বসেই তার কাছে খবর আসলো এক নৃশংস ঘটনা,
ভোরবেলায় ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। অনেকের কাছে এটা আত্মহত্যা মনে হলেও স্টিফেন আর তার দলের কাছে এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কারণ একইভাবে শহরের আরো কয়েক জায়গায় মানুষ হচ্ছে। অবাক করার মতন ব্যাপার হচ্ছে এদের কারো সাথেই কারো কোনো যোগাযোগ নেই, নেই কোনো সূত্র। কিন্তু প্রতিবারই খুনি প্রতিটি লাশ থেকে একটা করে হাত-পা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় কোনো কুকুর না থাকলেও কোত্থেকে অনেকগুলো কুকুর এসে লাশগুলো খেয়ে যাচ্ছে। তাহলে স্টিফেন কীভাবে খুনি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে? কেবল একজনই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, কিন্তু সে কে?
.
.
লেখক খুব সুন্দর করে একইসাথে অতীত ও বর্তমানের প্লট দুটো চালিয়ে গেছেন। অনেক বেশি থ্রিলার পড়লে অপরাধী কে সেটা একটু হলেও আঁচ করা যায়। কিন্তু এখানের টুইস্টগুলো এত মাপা মাপা ছিল যে একটুও বোঝা যায়নি। আপনি উপন্যাসের শেষটুকু না পড়লে বুঝতেই পারবেন না যে এতগুলো খুনের মোটিভই বা কী ছিল! বিশেষ করে পারুলের সাথে যেটা হলো, সেটা আমার কাছে চমক ছিল। এমনটা চিন্তাও করিনি! এটা খুব সম্ভবত লেখকের দ্বিতীয় বই, এরপরেও যথেষ্ট পরিপক্ক উনার লেখা। আর বইয়ের প্রোডাকশনও অসম্ভব ভালো ছিল। পেইজ কোয়ালিটি, কভার, এমনকি বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। থ্রিলারপ্রেমী আর কুকুরপ্রেমী হলে বইটা পড়ে দেখতে পারেন!
April 17, 2022
এই বইটার ফ্ল্যাপ টুকটাক পড়েছিলাম ফেসবুকে। চোখেই ছিল। মেলায় তাম্রলিপির প্যাভিলিয়নে গিয়ে তাদের থ্রিলার বইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই সবার আগে এটা এগিয়ে দিলো। পড়ার পর বুঝছি তাদের এই ভরসার কারণ। অসাধারণ লেগেছে এই বইটা। অপরিচিত কিংবা খুব বেশি হাইপ ছাড়া বইয়ে এত টুইস্ট খাবো তা কল্পনাতীত। দুই ভাগে ভাগ করে অতীত-বর্তমানের মিশেলটা দারুণভাবে করেছেন লেখক। অতীত যেখানে ছোট বাচ্চা আর কুকুরছানার বন্ধুত্ব থেকে শুরু হয়, সেখানে বর্তমানে চলে দুধর্ষ সিরিয়াল কি_লিং। সব মিলিয়ে দারুণ স্টোরিটেলিং। তাম্রলিপির প্রোডাকশনও ভালো ছিল।
March 7, 2022
গতবছর মাউস নামের একটা কোরিয়ান ড্রামা দেখেছিলাম। পুরো সিরিজজুড়ে একি হচ্ছে,এখন কী হবে,এরপর কী হবে-এসব চিন্তা করছিলাম। আর আমার হররের চেয়ে ক্রাইম থ্রিলারগুলো ভয় করে বেশি, চিন্তার খোরাক আরো বেশি দেয়। এই বই পড়ার সময় আমার অবস্থা ঠিক এমন ছিলো।
@sadman_saeed_chowdhury ভাইয়াকে ধন্যবাদ এই বইটা পাঠানোর জন্য। বইটা পড়া শেষ করেছিলাম অনেক আগেই। এদিক-সেদিক করতে করতে এটা নিয়ে বলতে এতো দেরী হয়ে গেলো। অবশ্য পড়ার সময় আমি অনুভূতিগুলো লিখে রেখেছিলাম। এখন শুধু সাজিয়ে নিচ্ছি লাইনগুলো।
বইটার কোনদিক আমাকে আকর্ষণ করেছে? হিন্দু মিথোলজি অনুসারে, একজন মানুষের দুটো অংশ থাকে। প্রথমটা 'দেবদূত', অর্থাৎ ভালো ও মায়াময় দিক। আর দ্বিতীয়টি 'অপদেবতা', অর্থাৎ খারাপ ও নৃশংস দিক। আমরা সাধারণত জীবনভর প্রথম দিকটিই বয়ে বেড়াই। কিন্তু দ্বিতীয় দিক?
দ্বিতীয় দিকটি কখন বেরিয়ে আসে? মানুষ কখন দেবদূতের পোশাক খুলে অপদেবতায় পরিণত হয়? তার সাথে খুব খারাপ কিছু হলে? এমনকিছু, যা সওয়া যায় না? অথবা এমন কোনো ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা যায় না? তাহলে কতটুকু খারাপ হতে পারে মানুষ? কোন পর্যায়ের অপদেবতা হতে পারে?- লেখক বইটা পাঠানোর কথা বললে আমি গুডরিডসে একটু চেক করে নিয়েছিলাম,এই অংশটুকু পড়ে বইটা পড়ার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। কারণ হলো ডক্টর জেকিল & মি.হাইড এই কাহিনী নিয়ে আমার প্রিয়,দেবদূত -অপদেবতা অনেকটা তেমনই শোনাচ্ছিল আমার কাছে।তাই বলে যে কাহিনীতে কোনো মিল আছে তা একেবারেই না।
বইয়ে লেখক অতীত ও বর্তমানের কাহিনী চালিয়ে গেছেন। এ দুটির মাঝে যদি একবারও গড়মিল হয়,তবে পুরো কাহিনী লেজে গোবরে হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কাহিনী খুব সুন্দরভাবেই তরতর করে এগিয়েছে। অনেক ক্রাইম থ্রিলার পড়ার সময় মনে হয় যে পরে এই টুইস্ট হবে, বা হয়তো খুন ও করেছে বা অপরাধী কে মোটামুটি একটা আন্দাজ করা যায়। কিন্তু এই বইয়ে তাও সম্ভব হয়নি। যার কারণে এক বসাতে শেষ করেছিলাম এটি। পুরোটাই যেনো মাপা মাপা ভাবে করা। টুইস্টগুলো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত ছিলো। বিশেষ করে শেষের দিকেরগুলো।
ক্রাইম থ্রিলার পছন্দের হলে অবশ্যই অবশ্যই পড়ে দেখো।
@sadman_saeed_chowdhury ভাইয়াকে ধন্যবাদ এই বইটা পাঠানোর জন্য। বইটা পড়া শেষ করেছিলাম অনেক আগেই। এদিক-সেদিক করতে করতে এটা নিয়ে বলতে এতো দেরী হয়ে গেলো। অবশ্য পড়ার সময় আমি অনুভূতিগুলো লিখে রেখেছিলাম। এখন শুধু সাজিয়ে নিচ্ছি লাইনগুলো।
বইটার কোনদিক আমাকে আকর্ষণ করেছে? হিন্দু মিথোলজি অনুসারে, একজন মানুষের দুটো অংশ থাকে। প্রথমটা 'দেবদূত', অর্থাৎ ভালো ও মায়াময় দিক। আর দ্বিতীয়টি 'অপদেবতা', অর্থাৎ খারাপ ও নৃশংস দিক। আমরা সাধারণত জীবনভর প্রথম দিকটিই বয়ে বেড়াই। কিন্তু দ্বিতীয় দিক?
দ্বিতীয় দিকটি কখন বেরিয়ে আসে? মানুষ কখন দেবদূতের পোশাক খুলে অপদেবতায় পরিণত হয়? তার সাথে খুব খারাপ কিছু হলে? এমনকিছু, যা সওয়া যায় না? অথবা এমন কোনো ক্ষত, যা কাটিয়ে ওঠা যায় না? তাহলে কতটুকু খারাপ হতে পারে মানুষ? কোন পর্যায়ের অপদেবতা হতে পারে?- লেখক বইটা পাঠানোর কথা বললে আমি গুডরিডসে একটু চেক করে নিয়েছিলাম,এই অংশটুকু পড়ে বইটা পড়ার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। কারণ হলো ডক্টর জেকিল & মি.হাইড এই কাহিনী নিয়ে আমার প্রিয়,দেবদূত -অপদেবতা অনেকটা তেমনই শোনাচ্ছিল আমার কাছে।তাই বলে যে কাহিনীতে কোনো মিল আছে তা একেবারেই না।
বইয়ে লেখক অতীত ও বর্তমানের কাহিনী চালিয়ে গেছেন। এ দুটির মাঝে যদি একবারও গড়মিল হয়,তবে পুরো কাহিনী লেজে গোবরে হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কাহিনী খুব সুন্দরভাবেই তরতর করে এগিয়েছে। অনেক ক্রাইম থ্রিলার পড়ার সময় মনে হয় যে পরে এই টুইস্ট হবে, বা হয়তো খুন ও করেছে বা অপরাধী কে মোটামুটি একটা আন্দাজ করা যায়। কিন্তু এই বইয়ে তাও সম্ভব হয়নি। যার কারণে এক বসাতে শেষ করেছিলাম এটি। পুরোটাই যেনো মাপা মাপা ভাবে করা। টুইস্টগুলো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত ছিলো। বিশেষ করে শেষের দিকেরগুলো।
ক্রাইম থ্রিলার পছন্দের হলে অবশ্যই অবশ্যই পড়ে দেখো।
March 5, 2022
A book which hooks you up with the pages, loved the storyline!
p.s- someone stop me from having a crush on Stifen.
p.s- someone stop me from having a crush on Stifen.
June 27, 2022
বইটা ভালো, সরল ভাবে লেখা। কিছু বই থাকে না খুব দ্রুত পড়া যায় লেখার কারনে। তেমন বই। কাহিনিও ভালো ছিলো কিন্তু এইটা লেখকের ২য় বই সেটা পড়ার সময় উনার লেখাতে বুঝা যাচ্ছিলো। গল্পের শুরুতে সবাই বুজতে পারলে খুনি কে কিন্তু লেখক এইখানে তার পান্ডিত দেখিয়েছে টুইস্ট দিয়ে। এইটা একটা সিরিজ বই, আমি আগে বইটা না পড়ে এইটা শুরু করি, তাই জানতে পারি নাই স্টিফেনের সাথে জৈতুন খানের কি ঝামেলা বা কি ভাবে স্টিফেনের স্ত্রী মারা গেলো। যারা খুব বেশি থ্রিলার পড়ে তাকে আছে হয়ত তেমন ভালো নাও লাগতে পারে।
November 8, 2022
গল্পটা এক বসায় পড়া যায় অনায়াসে। রহস্যগুলোও সাজানো হয়েছে দারুণ ভাবে। আপনি ক্রাইম থ্রিলার বই পড়লে এটা আমি রিকমেন্ড করব। পড়বেন, অনুভব করবেন।
লেখাটাও সহজ সরল। চোখের সামনে গল্পটা ভেসে উঠছে এমন লাগবে।
আমি শুরুতেই ধরতে পেরেছিলাম কিলার কে! তবুও গল্পটা শেষ অবধি টেনে নিয়ে গেছে একটা প্রশ্নের কারণে, এরপর কী হলো? এত জলদি শেষ হবে আশা করিনি। শেষ হয়েও হইল না শেষ ভাইব রয়েই গেছে। অনেকদিন পর ভালো একটা ক্রাইম থ্রিলার বই পড়ে উপভোগ করেছি বলতে হবে।
লেখাটাও সহজ সরল। চোখের সামনে গল্পটা ভেসে উঠছে এমন লাগবে।
আমি শুরুতেই ধরতে পেরেছিলাম কিলার কে! তবুও গল্পটা শেষ অবধি টেনে নিয়ে গেছে একটা প্রশ্নের কারণে, এরপর কী হলো? এত জলদি শেষ হবে আশা করিনি। শেষ হয়েও হইল না শেষ ভাইব রয়েই গেছে। অনেকদিন পর ভালো একটা ক্রাইম থ্রিলার বই পড়ে উপভোগ করেছি বলতে হবে।
June 8, 2022
বইটা একদম আমাকে টেনে নিয়ে গেছে শেষ পর্যন্ত। যে দেখি কি হয়। কে আসলে খুনগুলো করছে। গত কিছুদিন ধরে স্লো রিডিং হচ্ছিল, এর মাঝে এই বইটা পড়তে গিয়ে আমি এত মজা পেলাম যে খুব তাড়াতাড়ি পড়ে শেষ করেছি। ঘটনা সাজানো, লেখার ধরন, শেষ টুইষ্ট, বইয়ের প্রোডাকশন সব মিলিয়ে বইটা খুবই ভাল লাগলো। লেখকের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
May 8, 2022
This book will always be one of my favourites among stifen series. Highly recommended.
April 12, 2022
অসম্ভব সুন্দর একটা বই।অনেক দিন পর এমন টানটান উত্তেজনাময় একটা থ্রিলার বই পড়লাম। লাস্টের টুইস্টটা অনেক বেশি ভালো ছিল।যদিও আমি আগেই ধরে ফেলেছিলাম কে সে সিরিয়াল কিলার
April 27, 2022
One of the most underrated book, damn, I want this book to get more attention.
অনেকদিন পর এমন একটা বই পেলাম যা পড়তে বিন্দুমাত্র বিরক্তবোধ হয়নি। রিডার্স ব্লক কাটাতে খুবই সাহায্য করেছে। কী দারুণ সাবলীলভাবে লেখক এই ভয়ানক স্টোরি বর্ণনা করেছেন তা বলা বাহুল্য।
বিশেষকরে পাস্ট এবং প্রেজেন্ট এর বর্ণনা, যা শেষটা জানার জন্য ব্যাকুল করে তুলছিল বারবার। আর শেষের টুইস্টটা..!
I'm gladful to person who suggested me this one🙏
অনেকদিন পর এমন একটা বই পেলাম যা পড়তে বিন্দুমাত্র বিরক্তবোধ হয়নি। রিডার্স ব্লক কাটাতে খুবই সাহায্য করেছে। কী দারুণ সাবলীলভাবে লেখক এই ভয়ানক স্টোরি বর্ণনা করেছেন তা বলা বাহুল্য।
বিশেষকরে পাস্ট এবং প্রেজেন্ট এর বর্ণনা, যা শেষটা জানার জন্য ব্যাকুল করে তুলছিল বারবার। আর শেষের টুইস্টটা..!
I'm gladful to person who suggested me this one🙏
March 5, 2022
*বইঃ মনশ্চক্ষু
*লেখকঃসাদমান সাঈদ চৌধুরী
*প্রকাশনী: তাম্রলিপি
*পৃষ্ঠা:২০৮
*ধরণ: ক্রাইম থ্রিলার
*রেটিং:৫/৫
*কাহিনী সংক্ষেপ: শহরজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ
করছে। এক খুনি ঘুরে বেড়াচ্ছে ,মানুষের লাশ পাওয়া যাচ্ছে শরীরের কোনো একটি অংশ বাদে। এখন পর্যন্ত তিনটি লাশ পাওয়া গেল। খুনে পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাদের বীভৎসতা কোনটি কোনটির চেয়ে কম নয়। প্রথম খুনে খুনকে খুন নয় বরং আত্মহত্যা দেখিয়ে সবার চোখে ধুলা দিয়েছে খুনি। দ্বিতীয় খুনে এতই জগন্য ভাবে পড়ানো হয়েছে লাশ চিনতেও কষ্ট হচ্ছে তবে এ লাশও মিললো এক ময়লার স্তূপে । প্রতিটা খুনে কমন একটি প্রতিচ্ছবি দেখা মিলল - লাশের শরীরের অংশ নিখোঁজ, কুকুরের ছিবড়ে খাওয়া লাশ, ময়লার স্তুপে পাওয়া আর শরীরে পাওয়া যাওয়া এক অজানা কেমিক্যাল পদার্থ। এই কেসটি বর্তমানে এখন আছে এস.সি.এফ স্পেশাল ফোর্স স্টিফেনের আওতায়। তার কোন কেস আনসল্ভ হয়নি। সারা জীবন অন্যের কেস মিললেও নিজে প্রিয়জনের জীবনের উপর আসার ঝুঁকিটা স্টিফেন ধরতে পারিনি। অপরাধ বোধ আজও তাকে তাড়ায়। খুনির প্যাটার্ন ধরতে পারলেও খুনের মোটিভ সম্পূর্ণ ধোঁয়াশা। এখনই সাথে স্টিফেন এক ভয়ানক খেলায় মেতে উঠেছে । খুনির ছুড়ে দেয়া খেলার জলে কি স্টিফেন জড়িয়ে গেল। খুনির কর্মকাণ্ড সারা শহরের এক উত্তাল অবস্থা করছে। খুনির চতুর্থ শিকার কে। এই খুনি কি কোনো মানসিক ব্যাধিগ্রস্ত কেউ?
কেনই বা সে নিরপরাধ মানুষগুলোকে খুন করছে। আসলেই কি তারা নিরপরাধী? স্টিফেন কি পারবে এই হত্যার খেলার রহস্য উন্মোচন করতে ?
ইফরা মিষ্টি কুকুরছানা রাস্তায় পেল। কুকুর ছানাকে দেখে তার কি বায়না বাবাকে দিয়ে ভুলিয়ে সেই কুকুরছানা বাড়ি নিয়ে এলো। তার মা রাগ করলেও ইরিত্রা মেয়ের আবদার সে ফেলতে পারে না । এই কুকুরছানাই কি শেষ পর্যন্ত ইফরার কাল হলো ?
*ব্যাক্তিগত কথন: অসাধারণ একটি ক্রাইম থ্রিলার । পাঠকের মনের মত একটি থ্রিলার উপন্যাস। প্রতিটি চরিত্রের সাথে ঘটনা খুনের বিশদ নিখুঁত বর্ণনা লেখক অনেক সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। খুনের বর্ণনা আমাকে বরাবরই টানে। লেখক খুব সুন্দর ভাবে তার লেখায় এক সম্মোহনীয় ভাব ধরে রেখেছেন। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগার বিষয় লেখক যেই প্রেক্ষাপট থেকে তার এই থ্রিলারকে রূপ দিয়েছে তা সত্যি অসম্ভব ভালো লেগেছে।যে কোনো শর্ট সিরিজের জন্য গল্পটি বেশ ভালো যাবে বলে আমি মনে করি। লেখকের লেখা আমার প্রথম পড়া । সামনে আরো পড়বো বলে আশা করি। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়াকে আমাকে বইটির রিভিউ কপি দেবার জন্য।
*লেখকঃসাদমান সাঈদ চৌধুরী
*প্রকাশনী: তাম্রলিপি
*পৃষ্ঠা:২০৮
*ধরণ: ক্রাইম থ্রিলার
*রেটিং:৫/৫
*কাহিনী সংক্ষেপ: শহরজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ
করছে। এক খুনি ঘুরে বেড়াচ্ছে ,মানুষের লাশ পাওয়া যাচ্ছে শরীরের কোনো একটি অংশ বাদে। এখন পর্যন্ত তিনটি লাশ পাওয়া গেল। খুনে পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাদের বীভৎসতা কোনটি কোনটির চেয়ে কম নয়। প্রথম খুনে খুনকে খুন নয় বরং আত্মহত্যা দেখিয়ে সবার চোখে ধুলা দিয়েছে খুনি। দ্বিতীয় খুনে এতই জগন্য ভাবে পড়ানো হয়েছে লাশ চিনতেও কষ্ট হচ্ছে তবে এ লাশও মিললো এক ময়লার স্তূপে । প্রতিটা খুনে কমন একটি প্রতিচ্ছবি দেখা মিলল - লাশের শরীরের অংশ নিখোঁজ, কুকুরের ছিবড়ে খাওয়া লাশ, ময়লার স্তুপে পাওয়া আর শরীরে পাওয়া যাওয়া এক অজানা কেমিক্যাল পদার্থ। এই কেসটি বর্তমানে এখন আছে এস.সি.এফ স্পেশাল ফোর্স স্টিফেনের আওতায়। তার কোন কেস আনসল্ভ হয়নি। সারা জীবন অন্যের কেস মিললেও নিজে প্রিয়জনের জীবনের উপর আসার ঝুঁকিটা স্টিফেন ধরতে পারিনি। অপরাধ বোধ আজও তাকে তাড়ায়। খুনির প্যাটার্ন ধরতে পারলেও খুনের মোটিভ সম্পূর্ণ ধোঁয়াশা। এখনই সাথে স্টিফেন এক ভয়ানক খেলায় মেতে উঠেছে । খুনির ছুড়ে দেয়া খেলার জলে কি স্টিফেন জড়িয়ে গেল। খুনির কর্মকাণ্ড সারা শহরের এক উত্তাল অবস্থা করছে। খুনির চতুর্থ শিকার কে। এই খুনি কি কোনো মানসিক ব্যাধিগ্রস্ত কেউ?
কেনই বা সে নিরপরাধ মানুষগুলোকে খুন করছে। আসলেই কি তারা নিরপরাধী? স্টিফেন কি পারবে এই হত্যার খেলার রহস্য উন্মোচন করতে ?
ইফরা মিষ্টি কুকুরছানা রাস্তায় পেল। কুকুর ছানাকে দেখে তার কি বায়না বাবাকে দিয়ে ভুলিয়ে সেই কুকুরছানা বাড়ি নিয়ে এলো। তার মা রাগ করলেও ইরিত্রা মেয়ের আবদার সে ফেলতে পারে না । এই কুকুরছানাই কি শেষ পর্যন্ত ইফরার কাল হলো ?
*ব্যাক্তিগত কথন: অসাধারণ একটি ক্রাইম থ্রিলার । পাঠকের মনের মত একটি থ্রিলার উপন্যাস। প্রতিটি চরিত্রের সাথে ঘটনা খুনের বিশদ নিখুঁত বর্ণনা লেখক অনেক সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। খুনের বর্ণনা আমাকে বরাবরই টানে। লেখক খুব সুন্দর ভাবে তার লেখায় এক সম্মোহনীয় ভাব ধরে রেখেছেন। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগার বিষয় লেখক যেই প্রেক্ষাপট থেকে তার এই থ্রিলারকে রূপ দিয়েছে তা সত্যি অসম্ভব ভালো লেগেছে।যে কোনো শর্ট সিরিজের জন্য গল্পটি বেশ ভালো যাবে বলে আমি মনে করি। লেখকের লেখা আমার প্রথম পড়া । সামনে আরো পড়বো বলে আশা করি। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়াকে আমাকে বইটির রিভিউ কপি দেবার জন্য।
July 12, 2022
মনশ্চক্ষু - ক্রাইম থ্রিলার জনরার বই। এতো দারুণ থ্রিলার বহুদিন পর পড়লাম। স্বাভাবিকভাবেই ক্রাইম থ্রিলার গুলোতে যা হয় যে কিসের পর কি হবে, এবার কাকে মারা হবে এসব কোনো কিছুর আন্দাজ পাওয়া যায় না। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়। পাতার পর পাতা একটানা পড়ে গিয়েছি এরপর কি হবে এই ভেবে।
বইয়ের শুরু স্কুল পড়ুয়া পিচ্চি ইফরার একটি ছোট্ট ঘটনার মাধ্যমে। একদিন সকালে তার দেখা হয় এক কুকুরছানার সঙ্গে। সে কুকুরছানাকে বাসায় এনে পোষা শুরু করে। ছোটদের এই মায়া তো নতুন কিছু নয়। কিছু মায়ার অংশ বাদ দিলে থাকে আরও একটি অংশ। যেখানে দেখানো হচ্ছে নৃশংস হত্যাকান্ড। ভোরবেলা ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। লাশের চেহারা এমনভাবে পোড়ানো হয়েছে যে ভিক্টিম শনাক্ত করার জো নেই। লাশের শরীরের কিছু অংশও নেই। পুরো শরীর কামড়ে খেয়েছে কুকুর। এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করে মারা হয় আরও তিনজন ব্যক্তিকে। খুনিকে ধরার দায়িত্ব আসে স্টিফেনের ওপর।
কিন্তু কেন হচ্ছে এসব খুন? একজন ভিক্টিমের সাথে অপরজনের কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তবে খুন করে খুনী ভিক্টিমের হাত কিংবা পা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকার আশেপাশে কোনো কুকুর না থাকা সত্ত্বেও কুকুর খেয়ে যাচ্ছে লাশ। এতোকিছুর উত্তর শুধুমাত্র একজনের কাছে। সেই একজনকে খুঁজে পাওয়া রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে স্টিফেন।
বর্তমান এবং অতীতের খুব সুন্দর মিশ্রণ বইটিতে। কোনো জায়গায় বাড়তি কথাবার্তা নেই। বিশেষ করে প্রতিটা খুনের আগে একেকটা প্লট যেন গল্পের আকর্ষণ বাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে পারুলের খুন ছিল সবচে' চমকপ্রদ। লেখকের চমৎকার লেখনী একটি বারের জন্য বই থেকে মুখ তুলতে দেয়নি। এতো পরিপক্ক লেখা বহুদিন বাদে পড়লাম। থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য বইটি সুখপাঠ্য হবে আশা রাখি।
বইয়ের শুরু স্কুল পড়ুয়া পিচ্চি ইফরার একটি ছোট্ট ঘটনার মাধ্যমে। একদিন সকালে তার দেখা হয় এক কুকুরছানার সঙ্গে। সে কুকুরছানাকে বাসায় এনে পোষা শুরু করে। ছোটদের এই মায়া তো নতুন কিছু নয়। কিছু মায়ার অংশ বাদ দিলে থাকে আরও একটি অংশ। যেখানে দেখানো হচ্ছে নৃশংস হত্যাকান্ড। ভোরবেলা ফ্লাইওভারের নিচে ময়লার স্তুপে এক লোকের লাশ পাওয়া যায়। লাশের চেহারা এমনভাবে পোড়ানো হয়েছে যে ভিক্টিম শনাক্ত করার জো নেই। লাশের শরীরের কিছু অংশও নেই। পুরো শরীর কামড়ে খেয়েছে কুকুর। এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করে মারা হয় আরও তিনজন ব্যক্তিকে। খুনিকে ধরার দায়িত্ব আসে স্টিফেনের ওপর।
কিন্তু কেন হচ্ছে এসব খুন? একজন ভিক্টিমের সাথে অপরজনের কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তবে খুন করে খুনী ভিক্টিমের হাত কিংবা পা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকার আশেপাশে কোনো কুকুর না থাকা সত্ত্বেও কুকুর খেয়ে যাচ্ছে লাশ। এতোকিছুর উত্তর শুধুমাত্র একজনের কাছে। সেই একজনকে খুঁজে পাওয়া রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে স্টিফেন।
বর্তমান এবং অতীতের খুব সুন্দর মিশ্রণ বইটিতে। কোনো জায়গায় বাড়তি কথাবার্তা নেই। বিশেষ করে প্রতিটা খুনের আগে একেকটা প্লট যেন গল্পের আকর্ষণ বাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে পারুলের খুন ছিল সবচে' চমকপ্রদ। লেখকের চমৎকার লেখনী একটি বারের জন্য বই থেকে মুখ তুলতে দেয়নি। এতো পরিপক্ক লেখা বহুদিন বাদে পড়লাম। থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য বইটি সুখপাঠ্য হবে আশা রাখি।
December 16, 2023
The story has hooked me from the beginning to end.Looking forward to read the other books of Stiphen series! This book is surely underated and deserves more hype definitely!
April 27, 2023
কিছু বই আছে না? লিখা খুব সহজ সাবলীল হওয়ায় এক বসায় পড়ে ফেলা যায়? আর সেই বই যদি হয় টুইস্টে ভরা ক্রাইম থ্রিলার - তাহলে তো আর কথাই নেই। মনশ্চক্ষু এইরকমই এক বই। প্রত্যেক পাতায় রহস্যের জাল বোনা। গল্প শুরু হয় ছোট্ট ইফরার কুকুর ছানার সন্ধান পাওয়া নিয়ে। কিঃ সহজ সুন্দর আহ্লাদে ভরা ছোট্ট ইফরা। ঠিক এর পরেই কাহিনী চলে যায় স্টিফেন আর তার টিমের কাছে। খবর আসে এক সুইসাইড কেসের। যা আদতে সুইসাইড মনে হলেও ঠান্ডা মস্তিষ্কে করা বিভৎস খুন। একজন অজ্ঞাত বাঁকানো হাতের বিকৃত মানসিকতার মানুষ আর তার মানুষখেকো কুকুর। একের পর এক হতে থাকে তিন তিনটে খুন যার কোনোটাই একটা আরেকটার থেকে কম বিভৎস নয়। কিন্তু প্রত্যেক খুনে কিছু সাধারণ ধরণ রেখে যায় খুনি - লাশ থাকে আবর্জনায়, লাশের একটা ভাইটাল অর্গান মিসিং, লাশের শরীরে অজ্ঞাত এক কেমিক্যাল আর লাশের বেশ কিছু অংশ কুকুরে খেয়ে যায়। কিন্তু কেন এই নির্মমতা? ভিকটিমদের কারো সাথে কারো কোনো সম্পর্ক নেই, কোনো অতীত রেকর্ড নেই কিন্তু মানুষের পর মানুষ খুন হয়ে যাচ্ছে আর কুকুর বিচরণ করে না এমন জায়গায় ও লাশ খেয়ে যাচ্ছে কুকুর আর মিসিং হচ্ছে কারো হাত বা কারো পা। এই কেন-র উত্তর জানা আছে শুধু একজন মানুষের। আর তাকেই খুঁজে বের করতে হবে। যা বের করবেন স্টিফেন।
থ্রিলারপ্রেমীদের এক বিরাট সমস্যা। জিনিস-পাতি খুব বেশি রোমাঞ্চকর না হলে ঠিক জমে না। আমারও জীবন ঠিক ঐ ধাঁচেই যাচ্ছিলো দশগ্রীব পড়ার পর থেকে । কোনো বই ঠিক ভালো লাগছিলো না। পড়তে ভাল্লাগে তাই পড়ছিলাম। এই সময় হাতে এসে পৌঁছিয়েছে সাদমান সাঈদ ভাইয়ার লিখা দ্বিতীয় বই মনশ্চক্ষু। প্রথম বই আমার পড়া হয় নি তাই এই বইয়ের অনেক ক্যারেক্টারের ব্যাক স্টোরি আমার জানা নেই। যেমন এই বই পড়ে বোঝা যাচ্ছিলো স্টিফেন সম্পর্কে আগে অনেক কিছুই বলা হয়েছে যা এই বইয়ে আর লিখা হয় নি। এই ক্যারেক্টারটা সবার ভালো লাগার মতো একজন ক্যারেক্টার। আমি নিজেও এর ব্যতিক্রম নই অবশ্যই। গতানুগতিক বই পড়তে পড়তে একঘেয়েমি চলে আসলে এই বইটি বেছে নিতে পারেন চোখ বন্ধ করে। অনেক বেশি থ্রিলার পড়লে ভিলেন কে সেইটা আগেভাগেই ধরতে পারা যায় খানিকটা। কিন্তু আপনি পুরোটা সময় কনফিউজড থাকবেন একটু হলেও আর এইটাই ভালো লাগার মূল কারণ।
বই : মনশ্চক্ষু
ধরণ: ক্রাইম থ্রিলার
লেখক: সাদমান সাঈদ চৌধুরী
প্রকাশনী: তাম্রলিপি
পার্সোনাল রেটিং - ৪.৫/৫
থ্রিলারপ্রেমীদের এক বিরাট সমস্যা। জিনিস-পাতি খুব বেশি রোমাঞ্চকর না হলে ঠিক জমে না। আমারও জীবন ঠিক ঐ ধাঁচেই যাচ্ছিলো দশগ্রীব পড়ার পর থেকে । কোনো বই ঠিক ভালো লাগছিলো না। পড়তে ভাল্লাগে তাই পড়ছিলাম। এই সময় হাতে এসে পৌঁছিয়েছে সাদমান সাঈদ ভাইয়ার লিখা দ্বিতীয় বই মনশ্চক্ষু। প্রথম বই আমার পড়া হয় নি তাই এই বইয়ের অনেক ক্যারেক্টারের ব্যাক স্টোরি আমার জানা নেই। যেমন এই বই পড়ে বোঝা যাচ্ছিলো স্টিফেন সম্পর্কে আগে অনেক কিছুই বলা হয়েছে যা এই বইয়ে আর লিখা হয় নি। এই ক্যারেক্টারটা সবার ভালো লাগার মতো একজন ক্যারেক্টার। আমি নিজেও এর ব্যতিক্রম নই অবশ্যই। গতানুগতিক বই পড়তে পড়তে একঘেয়েমি চলে আসলে এই বইটি বেছে নিতে পারেন চোখ বন্ধ করে। অনেক বেশি থ্রিলার পড়লে ভিলেন কে সেইটা আগেভাগেই ধরতে পারা যায় খানিকটা। কিন্তু আপনি পুরোটা সময় কনফিউজড থাকবেন একটু হলেও আর এইটাই ভালো লাগার মূল কারণ।
বই : মনশ্চক্ষু
ধরণ: ক্রাইম থ্রিলার
লেখক: সাদমান সাঈদ চৌধুরী
প্রকাশনী: তাম্রলিপি
পার্সোনাল রেটিং - ৪.৫/৫
Displaying 1 - 14 of 14 reviews















