Jump to ratings and reviews
Rate this book

বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে

Rate this book

160 pages, Hardcover

Published January 1, 2022

2 people are currently reading
26 people want to read

About the author

Badal Syed

20 books12 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (11%)
4 stars
5 (11%)
3 stars
12 (28%)
2 stars
15 (35%)
1 star
5 (11%)
Displaying 1 - 18 of 18 reviews
Profile Image for বিমুক্তি(Vimukti).
156 reviews88 followers
June 5, 2022
হতাশ হইসি বলা যাবে না। কিছু জিনিস আমার অসাধারণই লাগসে। বিশেষ করে লেখক মাঝে মাঝে এতো নিখুত বর্ণনা দিছেন যে অবাক না হয়ে পারি নাই।
কিন্তু এ বইয়ে সমস্যাও প্রচুর।
সেবার কিছু অনুবাদ আছে না? বইয়ের সাইজ কমাইতে গিয়ে কাহিনির সার-সংক্্ষেপ ছাপায় দেয়। এই বইও অনেকটা এই দোষে দুষ্ট। লেখক মেদহীন উপন্যাস লিখতে চাইসেন বোধহয়, কিন্তু তাই বইলা ডিটেইলিং এর হালকা ছোঁয়াও রাখবেন না তা তো মানা যায় না। বইটার প্রথম পার্টটুক আমারে কষ্ট দিছে এই কারণেই।
শেষের অর্ধেক ভালোই। টানা পড়ে গেছি। লেখকের স্বকীয়তা কম, ন্যারেটিভ রোবোটিক(স্পেসিফিকভাবে বললে, বেশিরভাগ জায়গায় সস্তা অনুবাদ টাইপ) লাগে। তাও সময় খারাপ যায় নাই। ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছানোর একটা তাড়না ছিল। যদিও শেষটায় উনি গোঁজামিল দিয়া দিলেন। নতুন কিছু ক্যারেক্টার আইনা যে ট্রাজিক এন্ডিং উনি আমাদের দিতে চাইসেন তা জায়গামতো হয় নাই। এর থেকে অন্য কিছুও করতে পারতেন। উনার সেই সামর্থ্য ছিল।

একটানা পড়ে গেছি, এটাই বা খারাপ কী! এ বই বেশিদিন টিকবে না পাঠক সমাজে, কিন্তু যদি কিনেই থাকেন(যেহেতু বাতিঘর প্রকাশ করসে, কিনতেই পারেন), তাইলে পড়ে ফেলেন। টাইম ভালোই যাবে।

পুনশ্চ: এ বইয়ে লেখক চাইলে অনেক টুইস্ট-থ্রিল রাখতে পারতেন। রাখেন নাই, উনার ইচ্ছা। তবে এতে বইয়ের গুণগত মান এক ফোটাও কমসে বইলা আমার মনে হয় না।
Profile Image for Harun Ahmed.
1,670 reviews441 followers
February 5, 2022
২.৫/৫
নামের সাথে বইয়ের কোনো মিল নেই।পড়তে খুব একটা খারাপ লাগেনি কিন্তু বইটিকে প্রচার করা হয়েছে "থ্রিলার" নামে।পুরো বইতে কোনো "থ্রিল" নেই।
Profile Image for Shuk Pakhi.
514 reviews318 followers
January 20, 2022
আমরা বলি আর মোবাইল সেটাকে মেসেজ হিসেবে লিখে দেয়। সেই রকমই ব্যাপার তবে এখানে আমরা চিন্তা করবো আর ব্রেনের ওয়েভ থেকেই লেখা হয়ে যাবে। এই জিনিস আবিষ্কার করে বসে বাংলাদেশের এক ছেলে।
আমেরিকার এক কোম্পানি থেকে তাকে খুব গোপনে নিয়ে যাওয়া হয় মার্কিন মুলুকে। এই কোম্পানি ব্যস্ত থাকে তাকে নিরাপত্তা দিতে আর প্রতিপক্ষ কোম্পানি মাঠে নামে এই ছেলেকে হাত করতে নয়তো হত্যা করতে। এদিকে সে বেচারার তেমন কোন ভূমিকাই নেই পুরো বইতে। নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে সে তার রুমে বসে গবেষনায় রত থাকে। এদিকে দুনিয়া উল্টে যায় তাকে কেন্দ্র করে।
আহা মরি ভালো লাগার মতন কিছু পেলাম না।
তবে সময় মন্দ কাটলো না।
Profile Image for Nadia Jasmine.
212 reviews18 followers
February 6, 2022
কয়েক মাস আগে একটি তামিল সিনেমা দেখেছিলাম। সেটার নাম ছিল ‘কাসাদা থাপারা’। অ্যান্থলজি সিনেমাটা কোথা থেকে শুরু হয়ে ছোট ছোট অংশগুলো জোডা় লেগে কই গিয়ে দাঁড়াবে, তা বুঝে উঠতে কষ্ট হচ্ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল, কোন গল্পে থেমে না থাকার প্রবনতার কারনে এক আজব তাড়াহুড়ো ছিল। আমার ব্যক্তিগতভাবে এরকম ঘটনার ঘনঘটা ও চরিত্রের পর চরিত্রের আগমন তেমন ভালো লাগে না। একারনে, যখন দেখলাম, ‘কাসাদা থাপারা’ বেশ কয়েকজন সমালোচকের গতবছরের শ্রেষ্ঠ ছবির তালিকায় আছে, তখন বুঝলাম যে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দই শেষ কথা নয়। হয়তো এই চমকের পর চমকের মাঝে একটুও ফাঁক না রাখার ব্যাপারটিই সবার ভালো লেগেছে।

এখন আসি বাদল সৈয়দের ‘বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে’ তে। তাঁর লেখা ‘জলের উৎস’ পড়ে খুব ভালো লাগার কারনে আরো দুটো উপন্যাস পড়লাম। আগেরটি অতো মন ছুঁতে পারে নি আর সেটার তুলনায় এখানা ভালো লেগেছে বলা যায়।

নাদিম থট টু স্পিচ নিয়ে গবেষনায় যুগান্তকারী অগ্রগতি আনে সেই ২০১২ সালে। এরপর বুয়েটে অধ্যয়নরত এই ছাত্রকে খুবই নাটকীয়ভাবে অনেক টাকার লোভ দেখিয়ে ইউএসএ নিয়ে আসে একটি নামজাদা কোম্পানী। এরপর প্রতিদ্বন্দী কোম্পানী আর এই কোম্পানীর মধ্যে শুরু হয় এক আজব বাঘবন্দি খেলা এবং বারবার দুদিকেরই ঠিক করে রাখা পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, কারন লড়াই করছে ভীষন বুদ্ধিমান দুই প্রতিপক্ষ। পুরো বই জুড়েই দুই দলের এই মাত, পাল্টা মাত চলতে থাকে। আর শেষমেশ একটা পরিনতিও আসে, তা বেশ অপ্রত্যাশিত হলেও মনে হয়েছে মূল গল্পের শেষ তো এটা হতে পারে না।

এটা সত্য যে, টানা পড়ে গেছি। ক্লান্তি আসে নি, বরং পুরোটা সময়েই ‘তারপর কি হল’ তে থেকেছি। তারপরও বারবার নতুন কোন চরিত্র চলে আসায় হোঁচট খেয়েছি। একারনেই বই শেষ করে 'কাসাদা থাপারা' এর কথা মনে পড়ল।

‘জলের উৎস’ ভালো লাগার কারন সম্ভবত একটি চরিত্রকে অনুসরণ করে আমি জানতে পেরেছিলাম যে শেষমেশ কি হল। এখানে যে তা জানা যায় না তা না, কিন্তু, ‘টল অর্ডার’ এর ঘটনা শেষে ডলির প্রাথমিক পরিণতির পরও সংশয় কাটে না।

একটা ব্যাপার হল, বাদল সৈয়দ নিজের একটা স্টাইল তৈরি করছেন যেখানে নির্মেদ লেখনী, টান টান কাহিনী, খুব অস্ত্রশস্ত্র ও মারামারি, ভিনদেশী মানুষের উপস্থিতি ও মোঁচড়ের পর মোঁচড় প্রাধান্য পাচ্ছে। পড়তে পড়তে মাথায় যে অ্যাকশন সিন চলছিল, সেটায় গোলাগুলির আওয়াজও পাচ্ছিলাম আর এই জায়গাগুলো পড়ার সময়ে ওনার খুঁটিনাটির প্রতি যে কতোটা নজর, তাও বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু, বই ছোট হলেও অনেক জায়গায় মনে হচ্ছিল অহেতুক অনেক বেশি তথ্যের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছি। যেমন, হকিং এর স্ত্রী উপন্যাসে তেমন কোন ভূমিকা রাখে না, তারপরও তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশে কি করেছেন, তা জানানো হয়। হ্যা, এটি গুরুত্বপূর্ণ হতো যদি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তাঁর জীবনের কোন উপাদান কাহিনীতে আসতো, আসে নি। অন্যদিকে, টেসলার যন্ত্রটির পরিচয় জরুরী ছিল, সেটা না জানলে পরের ঘটনা ধরতে কষ্ট হত।

আমি আশা করব, এরপরের এই ঘরানার বই উনি লিখলে তা যাতে কলেবরে আরো একটু বড় হয়। কারন, আমি চরিত্রের আধিক্যে দিশেহারা না হয়ে তাদেরকে আরেকটু ভালো করে জানতে চাই। কোন না কোন অঘটন আমি চাই আমাকে আরো একটু স্পর্শ করুক। বিশেষ করে, নাদিমের অংশটি বইয়ের আরো একটু জায়গা দাবি করে তা মনে হচ্ছিল। আর যেই তথ্য গল্পে পরবর্তীতে কোন ভূমিকা রাখবে না, সেটি পরের বইতে না থাকলে পাঠক হিসেবে আমার আরো মনোযোগ ধরে রাখতে সুবিধে হবে।

কেউ যদি মারমার কাটকাট ও সুলিখিত একটি উপন্যাস পড়তে চান, এটি তুলে নিতে পারেন। ভালো লাগতে পারে।
Profile Image for Salman Sakib Jishan.
274 reviews161 followers
May 5, 2022
বইটি যখন প্রকাশিত হয়ে বাতিঘরে আসে, তার প্রথম দিনের ক্রেতাদের একজন ছিলাম আমি। প্রথমতঃ লেখক বাদল সৈয়দ একজন সুলেখক, নিজের ধারার বাইরে থ্রিলার লিখেছেন, সিনোপসিস পড়ে ভালো লেগেছিলো আর বইটা দেখতেও সুন্দর।
বইটা কাহিনী কিছুই জমেনি সত্যি বলতে। এলোমেলো। ছোট একটা ঘটনা, সেটাকে ঘিরে গল্প। গল্প শুধু পড়ে গিয়েছি কারণ লেখা ভালো। পুরোটা গল্পই হলিউড মুভির একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কাহিনীর মতো। বইয়ের সিনোপসিস অনুযায়ি বড় বড় কোম্পানির পলিটিক্যাল এস্পিওনাজ, ধূর্ততা কিছুটা দেখা পেয়েছি। বাকি পুরোটা লেখা তেমন অর্থবহ কিছু লাগেনি আসলে। প্লট বেশ দূর্বল। সব মিলে বাদল সৈয়দের লেখার দান দান তিন দা�� হলো আমার জন্য!
Profile Image for Tamim wn.
112 reviews
February 3, 2025
পাবলিক লাইব্রেরি থেকে সব্যসাচী মিস্ত্রির প্রচ্ছদ দেখে বাসায় নিয়ে আসি এই বই। লেখক সম্পর্কেও আবছা ধারণা ছিল। বই নিয়ে বলি ।

বইটাতে দুইটা জিনিসের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে - অহেতুক ইংরেজি শব্দ আর চরিত্র । আর যেই জিনিসটার অভাব তা হচ্ছে পারিপার্শ্বিক অবস্থার বর্ণনা । লেখক এটাকে বারবার কেন উপেক্ষা করে গেছেন কে জানে। বইটা আরো বড় হওয়া উচিৎ ছিল । তবে এই কথা বলতেও ভয় করে। লেখক এই ছোট বইটার মাঝেই যেই পরিমাণ চরিত্রের সমাহার ঘটিয়েছেন; বইটা আরো বড় হলে যে আর কত ডজন চরিত্র লেখক ঢুকিয়ে দিতেন কে জানে। মোটামুটি বই । ৪.৬/১০
Profile Image for Saima  Taher  Shovon.
529 reviews195 followers
March 26, 2022
Don't judge a book by its cover!
এটাই আমার সাথে হয়েছে! বইয়ের লুক দেখে বই কিনে ফেলেছিলাম। সাথে synopsis পড়ে মনে হয়েছিলো আমার পছন্দ হতে পারে।কিন্তু যত গর্জে তত বর্ষে না ধরনের বই।

i want my money back😐
Profile Image for Mahbub Mayukh Rishad.
57 reviews15 followers
March 18, 2022
এক বাসায় দাওয়াতে এসে পেলাম এবং পড়লাম। এটুকুই। ঐ যেটা বলা এক বসায় পড়া। কিন্তু বইয়ের কাছে তো শুধু এটা চাই না।
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
184 reviews141 followers
March 17, 2022
যাদের যাত্রাপথে থ্রিলার পড়তে ভাল লাগে তাদের জন্য দারুন মেদহীন, ঝরঝরে, হালকা একশনে ঠাসা ছোট কলেবরের বই।

থ্রিলার পড়তে গিয়ে বেশি ভাবতে আমার ভাল লাগেনা। গল্প আগাবে গল্পের মত। আমি শুধু ধুকপুকুনি নিয়ে ভাবতে থাকবো এরপর কি হবে! তো সেই যাত্রায় লেখক আমাকে হতাশ করেননি। নামের সাথে মিল নেই বলে যারা হতাশা ব্যক্ত করেছেন তাতে আমার মত পাঠকের কিছু যায় আসেনি। বরং গল্পটা দারুণভাবে শেষ করে আমার সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন লেখক তাতেই আমি খুশি।

গল্পের শুরুটাও দারুণ। চট্রগ্রামের পাহাড়তলি থেকে সেটা আমেরিকার সিয়াটল, ফিনিক্স, আরিজোনায় গিয়ে ঠেকেছে। ওয়েস্টার্ন বইয়ের ফ্লেভার ছিল আগাগোড়া। হালকা একশন, বিদেশি এলাকার বর্ণনা মাথার মধ্যে সিনেমা দেখার ফ্লেভার দিচ্ছিল।

তবে ছোট বইতে হুটহাট করে অধিক চরিত্রের আয়োজন করতে গিয়ে অনর্থক অনেক চরিত্র চলে এসেছে; যা না হলেও হয়তো চলত। সেকারণেই হয়তো গল্পের কাহিনী কোথায় থামবে আঁচ করা যায়নি।

যেখানে লেখক আরেকটু ফোকাস করতে পারতেন সেটা হল নাদিম চরিত্রটি। যাকে নিয়ে গল্পের শুরু তাকে তেমনভাবে কোথাও পাওয়া গেলনা। হয়তো সেটা লেখকের মূল উদ্দেশ্যও ছিলোনা। তবে গল্প যেহেতু নাদিমকেই ফোকাস করা হয়েছিল তাই এই চরিত্রটি আরেকটু গুরুত্ব পাবার দাবীদার ছিল। আরেকটা বিষয় হচ্ছে কোন মানুষের শরীরকে কুৎসিত বোঝাতে গিয়ে সে সম্পর্কে যে শব্দচয়ন করা হয়েছে তা কখোনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
475 reviews16 followers
September 5, 2022
বইটির কভারেই মেনশন করে দিয়েছে যে এটি আদতেই একখানা থ্রিলার কিন্তু ১৫৯ পৃষ্ঠার বইখানা পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গেলো কিন্তু কোন থ্রিল পেলাম না।

সেবা প্রকাশনীর কিছু কিছু ওয়েস্টার্ন সিরিজ পড়তাম যেগুলো বিদেশী কাহিনির অবলম্বনে লেখা হতো এবং তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হত কাহিনী। বাদল সৈয়দের বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে বইখানাও ঠিক তেমন লেগেছে। কাহিনীর মারপ্যাচ তো নেই তার উপর প্লট বেশ উইক লেগেছে।

তবে বাতিঘর থেকে প্রকাশিত এই বইখানায় লেখক চাইলে থ্রিল আনতে পারতেন বোধ করি। তাড়াহুড়ো করে শেষ না করে কাহিনীর ব্যাপ্তিও বাড়ানো যেতো।

লেখনীশৈলীর কথা যদি বলা হয় তবে তাতে লেখক ফুল নাম্বার পাবেন। সুন্দর সাবলিল ঝরঝরে লেখা। একারণেই পড়ে যতটা মজা পেয়েছি বইটি।
Profile Image for Nabid.
33 reviews8 followers
March 10, 2022
খুবই হতাশ হলাম বইটি পড়ে।
শুরুতে একরকম আকর্ষণীয় আবহে গল্প শুরু হল। চরিত্র পরিচিতি হল। ফ্ল্যাপে যে দুটা নাম বইএর USP হিসেবে ব্যবহার করা হল, ঘটনা অগ্রসর হবার সাথে সাথে তারা একেবারেই হারিয়ে গেলেন। এমনকি যে বাংলাদেশি তরুণ ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে গল্প আগাবে বলে আপাতভাবে মনে হচ্ছিল বাকি গল্পে তাকেও আর খুঁজে পাওয়া গেল না। শেষ পর্যন্ত গোটা উপন্যাসটা হয়ে দাঁড়ালো দুটা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক হিংসা আর নির্মমতার বর্ণনা। রবার্ট ল্যাংডন সিরিজের বদৌলতে কর্পোরেট এস্পিওনাজ, খুনখারাপির সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। গল্পের বেশিরভাগ সময় জুড়ে ঠিক সেরকম হাইটেক যন্ত্রপাতি, ভাড়াটে খুনি, প্রযুক্তির মাধ্যমে আড়িপাতা দেখা যাবে। মাঝে মাঝে আকস্মিক কিছু চরিত্র চলে আসে যারা গল্প অনুযায়ী হয়ত ঠিক ছিল, কিন্তু এদেরকে দিয়ে এমনভাবে কাহিনী শেষ হল যেটা আসলে খুব উদ্দেশ্যহীন মনে হল।

ভাল দিক বলতে গেলে বর্ননা খুব সাবলীল আর আকর্ষণীয়। সারাক্ষণই 'এরপরে কি হবে' পাঠককে এরকম একটা অনুভুতি দেবে। এক বসায় পড়ে উঠবার মতন বই।
Profile Image for MD Noman Bhuiyan.
65 reviews
March 22, 2022
দুটো বড় প্রতিষ্ঠানের ভেতর কার প্রতিযোগিতার দৃশ্যপট এই বইয়ে অন্যরকম থ্রিল যোগ করেছে। মোদ্দকথা, এই জায়গাটা বেশ ভালো লেগেছে। জামাল নজরুল ইসলাম ও স্টিফেন হকিং এর ক্যামিও চমকপ্রদ লেগেছিল।
এই বই আরো বড় হতে পারতো। যার অভাব বোধ করছিলাম নাদিমকে ঘিরে আরো অধ্যায়। বইয়ের শেষে নাদিমের শেষ পরিণতি। আমার চোখে নাদিমই গল্পের মূল চরিত্র ছিল, তবে তারই উপস্থিতি অনেক কম চোখে পড়েছে। ডলি শেষে গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করলেও তার চরিত্রায়ন ও সম্পূর্ণরূপে পাইনি।
বইয়ে থ্রিল বোধ করেছি। টান টান উত্তেজনা বোধ করেছি। এক বসায় শেষ করার মত ছিল। তবে প্রতিবারই পর্যাপ্ত সময় নিয়ে পড়তে না বসায়, শেষ করতে সময় লেগে যায়। পুরো গল্পে নাদিমের কি হল বা কি হতে যাচ্ছে তার সাথে এইটা জানার আগ্রহই আমাকে ধরে রেখেছিল পুরো বইয়ে; আশ্চার্যজনকভাবেই এই ট্যালেন্টেড লোকের উপস্থিতিই বইয়ে অনেক কম।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি ৩.৫ রেটিং দিবো। এখানে, ৩.৫ দিতে পারছিনা আবার বাড়িয়ে ৪ ও করা যাচ্ছেনা। তাই ৩ই সই।
Profile Image for নূর.
67 reviews
February 22, 2022
ভালো লেখা ছিল তবে লেখক এই ছোট বইটিতে এত চরিত্রের সম্মেলন ঘটিয়েছেন যে বিষয়টা ঘেটে গেছে। গল্পটা জমেনি।
Profile Image for Rehnuma.
449 reviews23 followers
Read
May 23, 2022
মনের কথা মুখে ফুটে বলতে না পারার মতো কষ্ট আর নেই। যারা শারীরিক ত��রুটি জনিত কারণে কথা বলতে পারে না তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করার একটি প্রযুক্তির নাম ❝ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস❞। তবে এটি অহরহ সবাই ব্যবহার করতে পারে না।
বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে মেধাবী এই বিজ্ঞানীর মস্তিষ্কের সকল চিন্তা ভাবনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল না। এজন্য এগিয়ে আসে মাইক্রোপ্রসেসর নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইনটেল। কম্পিউটারের মাধ্যমে স্টিফেনের ভাবনা মেসেজ আকারে প্রকাশ করার এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। কম্পিউটারের মাধ্যমে স্টিফেনের গালের পেশীর নড়াচড়ার মাধ্যমে তার ভাবনা হরফে পরিণত হয়। এর সাহায্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার এবং গবেষণা চালাতে পারেন।
২০১৪ সালে বাংলাদেশী তরুণ এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন এই প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করেন যা ভাবনাকে বাংলা লেখায় পরিণত করতে সক্ষম।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী নাদিম। গবেষণা করে সে আবিষ্কার করেছে এক অসাধারণ প্রযুক্তি। সোজা ভাষায় একে বলা যায় ❝TTS❞। আপনারা ভাবছেন এ আর এমন কি! ❝Text to speech❞ প্রযুক্তি তো আবিষ্কার হয়েই আছে। তাহলে ভুল ভাবছেন। নাদিমের আবিষ্কার করা ❝TTS❞ ভাবনাকে কথায় রূপান্তর করে। অর্থাৎ ❝Thought to speech❞। নাদিম এই প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করে স্টিফেন হকিংকে লক্ষ্য করে। পরে সে অনুভব করে এ উদ্ভাবন বাকশক্তিহীনদেরও কাজে আসবে । নতুন আবিষ্কার নিয়ে বিভিন্ন প্রফেসরের দারস্থ হলেও তার প্রস্তাবনা শুনে তারা তাকে খেদিয়ে দিয়েছে অবাস্তব বলে। উপায়ান্তর না দেখে নাদিম দেখা করে বাংলাদেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের সাথে। যাকে সবাই ডাকে ❝স্যার জেএন❞ নামে।
স্যার জেএন নাদিমের এ উদ্ভাবন নিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের কাছে প্রস্তাব দেয় এবং দেখা যায় এ প্রযুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব। নাদিম অপেক্ষা করতে থাকে তাদের উত্তরের। এরই মাঝে স্যার জেএন মারা যান সাথে কেমব্রিজে যোগাযোগের নাদিমের শেষ সুতোটুকুও ছিঁড়ে যায়। এভাবেই দিন পার করতে থাকে সে। সালটা ২০১৩।
নাদিমের এ প্রযুক্তি জেনে যায় বিখ্যাত কর্পোরেট কোম্পানি। তাকে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং বিপুল টাকার হাতছানি দেখিয়ে আমেরিকা নিয়ে যায় মিস্টার ❝নো ফেস❞ খ্যাত কোম্পানির মালিক। পর্দার আড়ালে থেকে গোপনীয়তার সাথে নাদিমের উদ্ভাবন নিয়ে কাজ চালানোর জন্য বিশাল ব্যবস্থা করে। একইসাথে আরেক কোম্পানির কর্ণধার ❝বি❞ ও ছুটছে একই উদ্ভাবনের পিছে। নাদিমকে তারও চাই। দুই কোম্পানির প্রযুক্তির খেলা চলতেই থাকে। একজনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ফাঁক বের করে আরেকজন জেনে নিচ্ছে গোপন সংবাদ। এভাবেই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত নাদিমের এই উদ্ভাবনে কার রাজত্ব হবে? নাদিমেরই বা কী হবে?

পাঠ প্রতিক্রিয়া:
বইয়ের শুরুতেই লেখা থ্রিলার। কর্পোরেট দুনিয়ার প্রতিযোগিতার রেষারেষি, গোপনে একে অপরকে মনিটর করা, একজনের সিক্রেট আরেকজন নিয়ে আরো লাভবান হওয়া এই নিয়েই বইটি সাজানো।
মাস্টার্স পড়ুয়া নাদিমের আবিস্কার নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ার কর্তৃত্বের কারসাজি শুরু হয়। নাদিমকে তাদের চাই। বুদ্ধি খাটিয়ে এক কোম্পানি পেয়ে গেলেও তাকে লুকিয়ে রেখে গবেষণা কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে তাদের প্রচুর পরিকল্পনা করতে হয়। শেষে এসে প্রায় সব ওলট পালট হয়ে যায়।
লেখকের গল্প বলার ধরন বেশ ভালো। থ্রিলার হিসেবে উপস্থাপন করলেও বইটাকে পারফেক্ট থ্রিলার বলা যাবে না। কর্পোরেট দুনিয়ার কালো দিকটাই গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। যার আবিষ্কার নিয়ে এতো টানাটানি সে নাদিম-ই বইতে ছিল পার্শ্ব চরিত্রের মতো। খুবই কম উপস্থিতি ছিল তার। দুই কোম্পানির একে অপরকে প্রযুক্তি আর বুদ্ধিমত্তায় টেক্কা দেয়াটাই বইতে প্রাধান্য পেয়েছে। টানটান থ্রিলার না হলেও লেখার ধরনের জন্য পড়তে বেগ পেতে হয়নি। খুবই ফাস্ট ছিল বই। স্মুথলি পড়ে যাওয়া গেছে। তবে খুব বেশি আশা নিয়ে পড়তে বসলে হতাশ হতে হবে। বইয়ের শুরুটা বেশ ভালো হলেও শেষে এসে একদম খেই হারিয়ে ফেলেছে।
নাদিমের উপস্থিতি আরো বেশি দরকার ছিল। এবং শেষে এসে নাদিমের পরিণতি কী হলো বা তার এই প্রযুক্তিরই বা কী হলো সেরকম কিছুই বর্ণনা ছিল না। থাকলে বইটা পূর্ণতা পেত। আমার মনে হয়েছে লেখক শেষে এসে বেশ তাড়াহুড়ো করে সমাপ্তি ঘটিয়েছেন।
চরিত্র গুলোর প্রাণবন্ত বিচরণ থাকলে পড়া শেষে হয়তো তৃপ্তি পেতাম।
লেখক বইতে স্টিফেন হকিংয়ের স্ত্রীর কথা উল্লেখ করেছেন, স্টিফেন হকিংয়েরও স্বল্প উপস্থিতি দেখিয়েছেন। প্রযুক্তি সম্পর্কে বেশ ভালো তথ্য দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে মোটামুটি ধরনের লেগেছে ❝বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে❞ । তবে বইয়ের শেষের পৃষ্ঠায় একটা লাইন ছাড়া বইয়ের এই নামকরণের কোনো সার্থকতা খুঁজে পাইনি।
Profile Image for Susmita Basak.
93 reviews13 followers
July 23, 2022
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া


একটি আবিষ্কার, তাকে নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ার মধ্যে রেষারেষি, কে কাকে টেকনোলজি এবং বুদ্ধিমত্তায় বাজিমাত করবে, এটি নিয়েই বাদল সৈয়দের লেখা 'বুড়ো নদীটির পায়ের কাছে' বইটি।

বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের কথা আমরা সবাই জানি। তিনি মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু তবুও তিনি তাঁর গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যেতেন। এখানে তাঁকে সাহায্য করেছিল একটি ভাষা-উৎপাদনকারী যন্ত্র। এই যন্ত্রটি তাঁর মুখের পেশীর নড়াচড়ার মাধ্যমে তাঁর ভাবনা অক্ষরে পরিণত করতো। বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার পর তিনি এই ভাষা-উৎপাদনকারী যন্ত্রের সাহায্যেই অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতেন। কিন্তু কেমন হয় যদি এমন একটি টেকনোলজি আবিষ্কার করা যায় যেখানে আপনি কী বলছেন সেটা অক্ষরে না লেখা হয়ে, আপনি কী ভাবছেন সেটা অক্ষরে লেখা হয়?
অর্থাৎ 'TTS' বা 'Thought To Speech' টেকনোলজি।

হ্যাঁ, এরকম একটি টেকনোলজিই আবিষ্কার করে বসে বাংলাদেশের বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সের তরুণ ছাত্র নাদিম হাসান। সে বিখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামকে জানায় যে প্রথমে সে এটি বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং-কে লক্ষ্য করে শুরু করলেও, তবে এখন সে বুঝতে পারছে পৃথিবীর সকল বাকশক্তিহীন মানুষদেরই এটি ভাগ্য বদলে দেবে। এর দ্বারা পৃথিবীর বাকশক্তিহীন মানুষেরা জীবন পাবে।
"কী বলতে চাইছ তুমি! TTS দিয়ে কী বোঝাচ্ছে? অধ্যাপকের চেহারায় বিস্ময়।
ছেলেটি বিনয়ী কন্ঠে বলল, স্যার এর অর্থ হচ্ছে, Thought To Speech. আমার টেকনোলজি ইউজ করলে টাইপ করতে হবে না, যেকোনো গ্যাজেটের সামনে চিন্তা করলেই বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্রেইনের চিন্তাটি ধরতে পারবে এবং তাকে কথায় পরিণত করবে। চাইলে তা লিখতেও পারবে।"

অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম বিষয়টি পৌঁছে দেন স্টিফেন হকিংয়ের কাছে। কিন্তু তার কিছুদিন পর অধ্যাপক ইসলাম চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে মারা গেলে স্টিফেন হকিংয়ের সাথে নাদিমের এই আবিষ্কারের বিষয়ের যোগসূত্রও ছিন্ন হয়ে যায়।

কিন্তু এর কিছুদিন পরই আমেরিকার একটি নামকরা কোম্পানি নাদিমকে তার আবিষ্কার নিয়ে কাজ করার জন্য প্রচুর অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায় আমেরিকার সিয়াটলে। অন্যদিকে আরও একটি প্রতিপক্ষ কোম্পানি তারাও চায় নাদিমের আবিষ্কারকে হাতে নিতে। এরপরই শুরু হয় দুই বৃহৎ কর্পোরেট কোম্পানির মধ্যে ঘোড়দৌড়, কে কাকে টেকনোলজি এবং বুদ্ধিমত্তায় বাজিমাত করতে পারে তার খেলা। এই খেলায় বইতে থাকে রক্তের বন্যা। কিন্তু এই কালো দুনিয়ার নোংরা খেলার মধ্যে নাদিমের কী হবে? কী হবে তার আবিষ্কারের?

দাবা খেলায় যে যতো বেশি বুদ্ধি খাটিয়ে কৌশলে দান দেবে, সেই বাজিমাত করবে, এখানেও ঠিক তাই হয়। তবে শেষে বাজিমাত কে কীভাবে করবে সেটাই আসল রহস্য। প্রচুর চরিত্রের ঘনঘটা আছে, তাই কিছুক্ষেত্রে খেই হারিয়ে ফেললেও পড়ে ঠিক বুঝতে পেরেছি। লেখকের লেখা এটা আমার প্রথম পড়া, সেই হিসেবে বলবো ভালোই লেগেছে। বেশ মেদহীন, সাবলীল, ঝরঝরে লেখা।

তবে যেই বিষয়টা অতোটা ভালো লাগলো না তা হলো, এক, যে আবিষ্কার করলো তাকে ফোকাস কম করে ফোকাসটা অন্যদিকে বেশি ঘোরানোটা। আর দুই, বইয়ের নামের সঙ্গে বইয়ের শেষপাতা বাদ দিয়ে বইয়ের বিষয়বস্তুর মিল না থাকাটা। তবে এই দুটো বিষয়কে অতো গুরুত্ব না দিয়ে বলবো থ্রিলারটি বেশ ভালোই লেগেছে। থ্রিলার বইতে যে টানটান উত্তেজনার দরকার, তা এখানে ভরপুর ছিল, যা আমাকে শেষ পাতা অবধি নিয়ে যায়।

যারা থ্রিলার ভালোবাসেন তারা পড়ে দেখতে পারেন, আশা করি ভালো লাগবে।
Profile Image for Jobayer Rahman.
51 reviews22 followers
March 21, 2022
অভার অল অতোটাও সুন্দর লাগে নাই! যেভাবে বই এ থ্রিলার লেখা ছিলো সেরকমটা কাজ করে নাই মনে হইসে পুরাটা কোর্পোরেট লাইফের রেষারেষি নিয়ে লেখা!
শুরুটা ইন্টারেস্টিং কিন্তু মেইন ক্যারেক্টরই কিছুক্ষণ পর আর নেই কোথা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা পাখির মতোন একের পর ক্যারেক্টর হাজির হচ্ছে তো হচ্ছেই থামার নামই নেই।
আর বই এর নামের সাথে গল্পের কোনো মিলই নেই, একদম শেষ দিকে এসে কয়েকটা লাইন পড়ে মনে হলো হয়তো এখান থেকে মিল হলেও হতে পারে।
একটা সময় মনে হচ্ছিলো বিদঘুটে কোনো অনুবাদ পড়ছি!!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Sweet.
6 reviews
April 25, 2022
শুরুটা হয়েছিল বেশ। কিন্তু গল্প এগোতে এগোতে কোথায় যেন সুর কেটে গেছে। অনেক বেশি চরিত্রের জন্য শেষটা জমেনি। কভারে থ্রিলার না লিখলেই বরঞ্চ ভালো হতো।
বাদল সৈয়দ স্যারের জন্য শুভকামনা।
Displaying 1 - 18 of 18 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.