Jump to ratings and reviews
Rate this book

টাপুরদি-মিতুল #2

কৃষ্ণগহ্বর

Rate this book
মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধেবেলায় পার্টি অফিসে নিজের কেবিনে খুন হলেন রাজ্যের হবু মুখ্যমন্ত্রী অমিয় চক্রবর্তী। কলকাতা পুলিশ সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপাল রহস্য উদ্ঘাটনে। এদিকে টাপুরদির সঙ্গে দেখা করতে এসেছে এক মক্কেল, নাম রিদ্ধিমা দেশাই। তার প্রেমিক তন্ময় নিরুদ্দেশ। সে একটি সিকিয়োরিটি এজেন্সিতে কাজ করত। তদন্তে জানা গেল একটি গোপন প্রোজেক্টে কাজ করছিল তন্ময়। কী সেই প্রোজেক্ট? কেনই বা নিরুদ্দেশ হতে হল তাকে। এর সঙ্গে হবু মুখ্যমন্ত্রীর হত্যারহস্যের কোনও সম্পর্ক আছে? তন্ময় কি বেঁচে আছে আদৌ? নাকি কোনও অজ্ঞাত আততায়ী সরিয়ে দিয়েছে তাকেও। তদন্তে নেমে টাপুরদি কি খুঁজে পাবে সব প্রশ্নের উত্তর।

295 pages, Paperback

First published July 15, 2021

41 people want to read

About the author

Somaja Das

16 books7 followers
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
9 (42%)
4 stars
7 (33%)
3 stars
4 (19%)
2 stars
1 (4%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,870 followers
August 14, 2021
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধেবেলা পার্টি অফিসে খুন হলেন হবু মুখ্যমন্ত্রী অমিয় চক্রবর্তী। সবটুকু শক্তি কাজে লাগিয়ে তার তদন্তে নামল কলকাতা পুলিশ।
ইতিমধ্যে সঙ্ঘমিত্রা, ওরফে টাপুরের কাছে একটা কেস এল। নিরাপত্তা তথা অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত একটি অত্যন্ত নামকরা সংস্থার এক কর্মী, নাম তন্ময়, হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়েছে। তন্ময়ের বান্ধবী ঋদ্ধিমা (বানানটা গোটা বইয়ে রিদ্ধিমা ছাপা হয়েছে দেখে খুব-খুব খারাপ লাগল) টাপুরের সাহায্য চাইল।
অনুসন্ধানে নেমে অচিরেই টাপুর বুঝতে পারল, দুটো তদন্তের মধ্যে কিছু যোগসূত্র আছে। কিন্তু সেটা কী? তার চেয়েও বড়ো কথা, হবু মুখ্যমন্ত্রীর খুনের মতো একটা হাই-প্রোফাইল কেসের তদন্তে টাপুরের মতো এক বেসরকারি গোয়েন্দা'র তো পা রাখার জায়গাও নেই। তাহলে তন্ময়ের খোঁজ পাওয়া যাবে কীভাবে?
কার্যত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাজ্য রাজনীতির কৃষ্ণগহ্বরের দিকে এগোল টাপুর ও মিতুল। কখনও সহযোগিতায়, কখনও বা নিরুপায় লাল ফিতের ফাঁসে সঙ্গে রইল কলকাতা পুলিশ। অজস্র সাসপেক্ট, রাজনীতির রথের চাকার তলায় পিষে যাওয়া বহু মানুষের হাহাকার আর রুদ্ধ আক্রোশ, লোভ আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়ে গড়া সে মরণকূপ কি শেষ অবধি তাদের টেনে নিল?
নাকি পর্যবেক্ষণ, সাহস আর মনোবল কাজে লাগিয়ে সেই কৃষ্ণগহ্বরের ইভেন্ট হরাইজন থেকে সত্যিকে উদ্ধার করে ফিরতে পারল তারা?

প্রথাগত গোয়েন্দা গল্পের থেকে আলোকবর্ষ দূরের এই কাহিনি পুরোদস্তুর পলিটিক্যাল থ্রিলার। লেখার গুণে আর চরিত্রচিত্রণের ঘনত্বে এক মুহূর্তের জন্যও লেখক আমাদের মনোযোগ অন্য দিকে যেতে দেননি। শ্বাসরোধী গতি সত্বেও কাহিনিতে তিনি মানবিকতার স্ফুরণ দেখিয়েছেন বারবার। ফলে কখনোই মনে হয়নি যে আমরা কোনো সাজানো বাগানের নকল ফুলের মাঝখান দিয়ে হাঁটছি। বরং ধূসর চরিত্রে ভরা এই আখ্যানে আমরাও অনুভব করেছি বাস্তবতার রক্ত, ঘাম, অশ্রু। ক্রোধ আর প্রেম, বিতৃষ্ণা আর মোহ আমাদেরও টেনে নিয়ে গেছে সেই সাদা-কালো ছকের দিকে— যেখানে সাধারণ মানুষকে বোড়ে, নৌকো, গজ, ঘোড়া... এ-সব ভূমিকায় রেখে খেলা হয় এক সাংঘাতিক দাবা।
যেখানে রাজা আর মন্ত্রীর চলনে গুঁড়িয়ে যায় অনেক জীবন। শুধু আওয়াজ ওঠে 'কিস্তি!'

অকপটে লিখি, এই সময়ের ফিকশনে এমন একটি হার্ড-হিটিং পলিটিক্যাল থ্রিলারের বড়ো প্রয়োজন ছিল। কৃত্রিম ভয়ের উপকরণ আর অন্য নানা মেকি জিনিসে আমরা নিজেদের মজিয়ে রাখি। অথচ রাজনীতি নামের যে কৃষ্ণপক্ষে আমাদের বাস, তার দিকেই তাকাই না আমরা।
এই বই সেই ত্রুটি যথাসাধ্য অপনোদন করল।
বইটির ছাপা পরিষ্কার। বানানও মোটামুটি ঠিকই; তবে কিছু-কিছু বানানের একেবারে নিয়ম করে ভুল হওয়া দেখে ভারি অবাক লাগল। প্রচ্ছদটি অন্ধকার হলেও সূচিমুখ। মোটিফ হিসেবে একটিই ছবি প্রতিটি অধ্যায়ে ব্যবহৃত হয়েছে; তার পাশাপাশি বইটির ভেতরে কয়েকটি অলংকরণ থাকলে কিন্তু আরও ভালো লাগত।
টাপুরদি-মিতুল সিরিজ এগিয়ে চলুক। সেই সঙ্গে লেখকের কলম আমাদের উপহার দিক এমনই প্রাপ্তমনস্ক, গতিময়, তীব্র লেখা।
রহস্যানুরাগী হলে, বিশেষত রাজনীতির আলো-আঁধারি দিয়ে গড়া থ্রিলার ভালোবাসলে, এ-বই আপনারই জন্য।
Profile Image for Journal  Of A Bookworm .
135 reviews9 followers
November 10, 2025
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া- ৭১/২০২৫

কৃষ্ণগহ্বর
লেখক - সোমজা দাস
প্রকাশক - খোয়াই
মূল্য - ৩৭০/- টাকা।।

বছরের ৭১ নম্বর বই টাপুরদি ও মিতুল সিরিজ এর দ্বিতীয় রহস্য উপন্যাস কৃষ্ণগহ্বর।। এর আগে লেখক সোমজা দাস এর অনেকগুলি উপন্যাস পড়েছি, সাথে টাপুরদি ও মিতুল সিরিজ এর ও একটি উপন্যাস পড়েছিলাম বেশ ভালো লেগেছিল, তারপর বাকি বইগুলির খোঁজ শুরু করেছিলাম তখন এই বইটির দারুন রিভিউ দেখে বইটি সংগ্রহ করেছিলাম এবং এই বছর পড়া শেষ করলাম।।

ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধেবেলায় পার্টি অফিসে নিজের কেবিনে খুন হলেন রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী অমিয় চক্রবর্তী।। কলকাতা পুলিশ সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপাল রহস্য উদ্ঘাটনে।। এদিকে টাপুরদির সঙ্গে দেখা করতে এসেছে এক মক্কেল, নাম ঋদ্ধিমা দেশাই।। তার প্রেমিক তন্ময় নিরুদ্দেশ।। সে একটি সিকিয়োরিটি এজেন্সিতে কাজ করত।। তদন্তে জানা গেল একটি গোপন প্রোজেক্টে কাজ করছিল তন্ময়।। কী সেই প্রোজেক্ট? কেনই বা নিরুদ্দেশ হতে হল তাকে।। এর সঙ্গে হবু মুখ্যমন্ত্রীর হত্যারহস্যের কোনও সম্পর্ক আছে? তন্ময় কি বেঁচে আছে আদৌ? নাকি কোনও অজ্ঞাত আততায়ী সরিয়ে দিয়েছে তাকেও।। তদন্তে নেমে টাপুরদি কি খুঁজে পাবে সব প্রশ্নের উত্তর।।
টাপুরদি ও মিতুল তদন্তে নেমে বুঝতে পারে তন্ময় এর নিরুদ্দেশ হওয়া ও অমিয় চক্রবর্তীর খুব একে অপরের সঙ্গে জড়িত।। কিন্তু কিভাবে? মুখ্যমন্ত্রী খুনের মত হাই প্রোফাইল ঘটনায় টাপুরদির মত বেসরকারি গোয়েন্দা কতটা কি সুবিধা করতে পারবে? তন্ময় কে খুঁজে পাওয়ার উপায় তাহলে কী?

পাঠ প্রতিক্রিয়া -

উপন্যাসটি রহস্য গল্প না, এটি একটি আদ্যোপান্ত পলিটিক্যাল থ্রিলার।। নানা ধরনের সাদা, কালো এবং ধূসর চরিত্রের সমাগমে এবং অসাধারণ গতি নিয়েও উপন্যাসটি নিজের প্লট থেকে বেরিয়ে আসেনি (বা ছড়িয়ে পড়েনি)।। উপন্যাসটি লেখকের কল্পনা প্রসূত হলেও খুব যত্ন সহকারে বাস্তব সম্মত রাখা হয়েছে, সেটা বইয়ের ভাষা, চরিত্রের কথপোকথন, রহস্য উন্মোচনের পদ্ধতি সবকিছুতেই সেই বাস্তবতার ছাপ পাওয়া যায়।। টাপুরদি, মিতুল ও অর্জুনের দুষ্টু মিষ্টি সম্পর্ক টা গল্পে একটা অন্য রিলিফ যোগ করেছে, যা আমার মনে হয় যে কোনো থ্রিলার এর ক্ষেত্রে খুবই দরকারি।। রাজনীতি বিষয়টাকেই দাবা খেলার সাথে তুলনা করা হয়, সেখানে এরকম একটি ভালো বুদ্ধিদীপ্ত এবং প্রাপ্তমনস্ক পলিটিক্যাল থ্রিলার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে এই লেখার মাধ্যমে।। লেখকের থেকে আগামী দিনে রাজনীতির আলো আঁধারির উপর আরো লেখার আশায় থাকবো।। যারা রহস্যানুরাগী, ভালো পলিটিক্যাল থ্রিলার পড়তে চান, গতিময় এবং বুদ্ধিদীপ্ত লেখা পছন্দ করেন তারা এই বইটি অবশ্যই পড়বেন।।
Profile Image for Joydeep Chatterjee.
54 reviews6 followers
January 2, 2023
আদ্যোপান্ত রুদ্ধশ্বাস, গতিময় একটি পলিটিক্যাল থ্রিলার। ৩০০ পাতার কাহিনিতে মুহূর্তের জন্যেও গল্পের চরিত্র এবং ঘটনাবলী কক্ষচ্যুত হয়নি। বহুদিন পর কোন থ্রিলারকে পঞ্চতারকা উপহার দিলাম।
Profile Image for Bookish Subhajit.
31 reviews6 followers
June 24, 2022
#পাঠক_প্রতিক্রিয়া
#bookreview
বই- কৃষ্ণগহ্বর
লেখিকা- সোমজা দাস
প্রকাশনা- খোয়াই পাবলিশিং হাউস
দাম- ৩৫০/-
পাতা- ২৯৬
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ- অভীক দাস
পেপার ব্যাক
✍️ শুভজিৎ রায়

টাপুর দি আর মিতুল সিরিজ এর প্রথম বই "টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি" এর প্রতিক্রিয়া আমি আমার ফেসবুক ও Youtube channel Subhajit Roy book review এ আগেই করেছি। আর এই "কৃষ্ণগহ্বর" হলো টাপুরদি মিতুল সিরিজের দ্বিতীয় বই। এটা নিয়েই আজ কথা বলবো।

❤️ প্রচ্ছদ- বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী অভীক দাস দাদা, আমি অভীক দা এর আঁকার খুব বড় ভক্ত, তার কারণ ওনার আঁকার ধরন আমার খুব ভালো লাগে। এই বই এর প্রচ্ছদ টি দেখতে মারাত্মক রকমের সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। আর বিষয়বস���তু এর সাথে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রচ্ছদ টিকে বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে এর কালার কম্বিনেশন। অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ অভীক দা কে।

❤️ বাঁধন ও পাতার মান- খোয়াই এর বই আমি আগেও অনেক গুলিই পড়েছি , তাই তাদের বই সম্বন্ধে একটা ধারনা আমার আছে। প্রথম থেকেই অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। এই বইটির ক্ষেত্রে ও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। বাঁধন অত্যন্ত সুন্দর এবং মজবুত, পরিপাটি করে সজ্জিত। আর পাতার মান খোয়াই এর আগের বই গুলির থেকেও বেশি ভালো। এর জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ খোয়াই পাবলিশিং এর কর্ণধার রোশনী বন্দ্যোপাধ্যায় ও জয়শ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় কে, এবং অনেক অনেক ধন্যবাদ কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় দাদাকে, আর এই বই এর সাথে যুক্ত সকলকে।

❤️ বানান- এই বই এর আর একটি দিক আমাকে খুব আকর্ষন করেছে সেটি হলো এর বানান। এত বড় উপন্যাস হওয়ার সত্তেও একটিও উল্লেখযোগ্য বানান ভুল আমার চোখে ধরা পড়েনি। এই বই এর প্রুফ সংশোধন করেছেন ঋতুপর্ণা চৌধুরী দিদি। ওনার কাজকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা। এবং অবশ্যই অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর প্রুফ রিডিং করার জন্য।

❤️ অলঙ্করণ- এই বই এর অলঙ্করণ ও করেছে অভীক দা, কিন্তু এখানে আমার অভিযোগ আছে। কারন প্রতিটি পর্বের শুরুতে একই ছবি দেখতে দেখতে চোখ ক্লান্ত হয়ে গেছে। আরও অন্য রকম ভাবে অলঙ্করণ করা যেত বলে আমার মনে হয়।

❤️ নামকরণ- কৃষ্ণগহ্বর শব্দের অর্থ কালো গর্ত , বা বৈজ্ঞানিক ভাষায় বললে Black Hole. এই black hole এ একবার কেউ প্রবেশ করলে আর ফিরে আসেনা বলেই ধারনা বিজ্ঞান মহলে। আর এখানেও তেমন ই এক black hole আছে, আর তার নাম হলো "রাজনীতি" যার মধ্যে একবার প্রবেশ করলে মায়া কাটানো দায়। তাই বইটির নাম কৃষ্ণগহ্বর অত্যন্ত উপযোগী। যদিও এটি রুপক অর্থে ব্যবহৃত।

❤️ কারা পড়তে পারবেন আর কারা পারবেন না-
এই উপন্যাস টি তারাই পড়তে পারবেন যারা রহস্য রোমাঞ্চ প্রেমী। কারন উপন্যাস এর পাতায় পাতায় রহস্য। যারা ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস এদের এক নিঃশ্বাসে শেষ করেছেন, তারা এই উপন্যাস এও কিছুটা সেই রকম স্বাদ পাবেন। তবে বলে রাখি এই উপন্যাস পড়ার জন্য কোন প্রাপ্ত মনস্ক বা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার প্রয়োজন নেই।

❤️ বিষয়বস্তু- প্রথমেই আমি বলেছি উপন্যাস এর মধ্যে রাজনীতি কানায় কানায় পূর্ণ। তার সাথে একেবারে জমজমাট রহস্য রোমাঞ্চ। একজন রহস্য প্রেমী পাঠকের কাছে অত্যন্ত সুস্বাদু একটি বই।
তাই হোক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক।
উপন্যাস এর শুরুতেই আমারা দেখতে পায় রাজ্যের হবু মুখ্যমন্ত্রী অমিয় চক্রবর্তী , শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগের দিন খুন হন পার্টি অফিসে নিজের কেবিনে। তার সামনে পাওয়া যায় একটি ফুল লোডেড রিভলভার, আর পাওয়া যায় মুখ্যমন্ত্রী এর প্রয়োজনীয় নথি এর সাথে একটি সিগারেট এর কৌটা ও দার্জিলিং চা পূর্ণ একটি ফ্লাক্স। এর তদন্ত এর ভার এসে পড়ে কলকাতা পুলিশ এর লালবাজার এর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এর উপর।
এরপর দিন টাপুরদির কাছে আসে রিদ্ধিমা দেশাই নামের এক অল্প বয়সী মেয়ে, তার প্রেমীক তন্ময় নিরুদ্দেশ। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় তন্ময় কাজ করতো একটি গোপন সিকিউরিটি এজেন্সি তে। সেই এজেন্সি বড় বড় সব হাই প্রোফাইল দের কেস নিয়ে কাজ করতো। আর তন্ময় ও কাজ করছিলো একটি অত্যন্ত গোপন প্রজেক্ট এ। টাপুরদি আর মিতুল নেমে পড়ে সেই নিরুদ্দেশ এর তদন্তে।
এদিকে কলকাতা পুলিশ এর উপর মিডিয়া চ্যানেল এর লোকেদের চাপ আসতে থাকে বার বার, দাবি উঠতে থাকে কেশ এর দায়ভার CBI এর উপর দেওয়ার। কিন্তু কলকাতা পুলিশ হার মানতে নারাজ। তারাও তদন্ত করে চলে পুরো দমে।এদিকে অমিয় চক্রবর্তী এর পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট এ পাওয়া যায় মারাত্মক বিষ বাট্রাকোটক্সিন। এতে আরও চাপে পড়ে কলকাতা পুলিশ। এদিকে আবার অমিয় চক্রবর্তী এর এক পার্টির কর্মী ধনঞ্জয় মণ্ডল আত্মহত্যা করেন। এর সাথে পাওয়া যায় একটি সুইসাইড নোট। কেস আরও জটিল হতে শুরু করে।
এদিকে আবার তন্ময় যে এজেন্সি তে কাজ করতো, সেখানকার এক তন্ময় এর বন্ধু রুপমে র কাছে আরও সব তথ্য পায় টাপুরদি। তার সাথে এও জানতে পারে তন্ময় এমন কিছু গোপন তথ্য নিয়ে পালিয়েছে যা প্রকাশ পেলে রাজ্যের সরকার এবং সেই গোপন সংস্থার এর সিইও সুবিনয় মুখার্জি এর সমূহ বিপদ। তাই যে কোনো ভাবে তন্ময় কে জ্যান্ত অবস্থায় পেতে হবেই।
লালবাজার এর গোয়েন্দা দপ্তর এই খুনের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন না, তাই শুরু হয় গোপন তদন্ত। উঠে আসতে থাকে একের পর এক তথ্য, তার ভিত্তিতে সন্ধেহ আরও পোক্ত হয়।
এদিকে খুন হলেন তন্ময় ঘনিষ্ঠ রেখাদেবী। এ ক্ষেত্রে ও দায় নিজের ঘাড়েই নিয়ে নেই টাপুরদি। রহস্য জটিল থেকে জটিলতর হতে শেরু করে। তার সাথে তন্ময়ের জীবন সংশয়ে।
এর সাথে উঠে আসতে থাকো আরও নানান চরিত্র এর আনাগোনা। সনাতন বাবুর ধর্ষন মামলা থেকে মৃনাল বাবুর ঘটনা। এর সাথে উঠে আসে মনোময় বাবুর ঘটনা।
এদিকে ভাগ্য চক্রে টাপুর দি এর হাতে এসে পড়ে এক পেনড্রাইভ। আর তা খুলতেই হয়ে যায় সমস্যা এর সমাধান। কিন্তু তার আগে নিরুদ্দেশ হলেন অমিয় বাবুর দলের নতুন প্রার্থী সুবিনয় বাবু। তার তদন্ত ভার এসে পড়লো লালাবাজার এর উপর।
এরসাথে সাথে ঘটনা চক্রে উঠে আসতে থাকে একেরপর এক আকর্ষণীয় চরিত্র, যেমন অমিয় পুত্র অম্লান চক্রবর্তী, অমিয় স্ত্রী সুনয়না দেবী। এর সাথে উঠে আসে মল্লিকা সেনগুপ্ত এর জীবনের কাহিনী। উঠে আসে কলেজ রাজনীতি এর কাহিনী।
এই যে দুটি ঘটনা, তারা কী সম্পূর্ণ রূপে বিচ্ছিন্ন? উত্তর হলো না। কিন্তু কী ভাবে তার সম্পর্কে আবদ্ধ ? তার উত্তর দিতেই পড়তে হবে এই উপন্যাস।
কেন খুন হলেন অমিয় চক্রবর্তী? কে খুন করলো তাকে?
কার পেনড্রাইভ? কোথা থেকে এলো এই পেনড্রাইভ? কী আছে সেই পেনড্রাইভ এ যাতে সমাধান হলো এতো গুলো কেসের? উত্তর দেবে কৃষ্ণগহ্বর।
কেনই বা নিরুদ্দেশ হলেন তন্ময়? কেনই বা নিরুদ্দেশ হলেন ইউনিকর্ন এর কর্ণধার সুবিনয় মুখার্জি? কার হাত এই সব কিছুর পেছনে?
কেন খুন হতে হলো রেখা দেবীকে? কী আছে ওই সবুজ ডাইরির মধ্যে?
এই রিদ্ধিমা দেশাই এর ভূমিকায় বা কী? কেন মিতুল এর মনে হলো তাকে আগে দেখেছে? শুধুই কী কাকতালীয় নাকী অন্য কিছু? কেন তন্ময় চুরি করলো ইউনিকর্ন এর তথ্য?
কী ছিলো ধনঞ্জয় বাবুর সুইসাইড নোট এ?
এই এত সব প্রশ্ন এর উত্তর পাওয়া যাবে উপন্যাস এ।
আমি প্রথমেই বলেছিলাম উপন্যাস টি একটি রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজ এর বই। কারন এর প্রতি পাতায় পাতায় রহস্য লুকিয়ে আছে। আর তার সাথে আছে টাপুরদি মিতুল আর অর্জুন এর টানটান অ্যাডভেঞ্চার এর ঘটনা। সে পয়ারা গাছ বেয়ে নীচে নামা হোক বা দোতলা বাড়ির কর্ণিসে ঝুলে থাকাই হোক।
এক অসাধারণ রহস্য ময় উপন্যাস হয়ে উঠেছে। যেখানে গায়ের রোম খাড়া হয়ে ওঠে প্রতি পদক্ষেপে।
এই উপন্যাস এর চরিত্র মূলত তিনটে। টাপুরদি, মিতুল, এবং অর্জুন দা। এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমি এর আগে "টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি" বই এর প্রতিক্রিয়া লেখার সময় বলেছিলাম।
তাহলেও এখানে আমি মিতুল ও টাপুরদির চরিত্রে আরও বেশি সাহস ও শক্তি এর পরিচায় পেয়েছি। বিশেষভাবে মিতুল , যাকে আরও বেশি বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, ও শক্তিশালী ও অকুতোভয় রুপে দেখতে পেয়েছি উপন্যাস এ।

❤️ ভালো লেগেছে-
১. উপন্যাস এর প্লট রচনা এক কথায় অসাধারণ।
২. উপন্যাস এর পর্ব সজ্জা অত্যন্ত পরিপাটি।
৩. রচনা এর ভাষা মার্জিত ও সচ্ছ।
৪. রহস্য ভরপুর একটা বই।
৫. প্রতিটি চরিত্র কে নিখুঁত ভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে।
৬. যেখানে যেটা প্রয়োজন সেটাকে দারুন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাতে সে পাসওয়ার্ড হোক বা বেল্ট এর ধরণ হোক।
৭. উপন্যাস এর রহস্য উন্মোচন পর্ব এক কথায় অসাধারণ। কারণ শেষ পর্যন্ত মে এই ভাবে এর পরিসমাপ্তি ঘটবে তার সত্যিই অকল্পনীয়। কিছুটা শরদিন্দু বাবুর লেখার ধাঁচ এর আবাস পেলাম।
৮. বই এর বাহ্যিক গঠন সবই অত্যন্ত সুন্দর।
৯. উপন্যাস এর অ্যাডভেঞ্চার পাঠকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।
১০. সৌরভ বাবুর চরিত্র আমার মন কেরে নিয়েছে। একজন আদর্শ পুলিশ ইন্সপেক্টর কে চোখের সামনে দেখতে পেলাম যেন। যে কারোর তাবেদারী করে না।

❤️ ভালো লাগেনি-
১. অলঙ্করণ টা আরও অন্যভাবে করা যেত।
২. অর্জুন এর চরিত্র টাকে আরও আকর্ষণীয় ও ব্যক্তিত্ববান করে তোলা যেত বলে আমার মনে হয়।
সব মিলিয়ে মিশিয়ে উপন্যাস টি আমার দূর্দান্ত লেগেছে। এর পরের টাপুরদি সিরিজ এর অপেক্ষায় থাকলাম 🙏
[ বিঃ দ্রঃ- মতামত একান্ত নিজস্ব এবং সৎ। তাই এই নিয়ে কোন সমস্যার সৃষ্টি হোক তা কাম্য নয়। প্রতিক্রিয়া আলোচনার মাত্রায় উন্নীত হোক]
ধন্যবাদ 🙏
সুস্থ থাকুন 🙏 বই এ থাকুন 🙏
Profile Image for Farhan.
727 reviews12 followers
November 14, 2025
গল্পের শেষদিকে সমাধানটা খানিক জোর করেই দেয়া মনে হলো। বিশেষ গোঁজামিল নেই যদিও; বেশ অনেকটা জায়গা টেনে লম্বা করা হয়েছে। কিন্তু কেন যেন লেখার ধরণটাই টানেনি, সেই সাথে চরিত্রগুলোও মনে দাগ কাটেনি।
Profile Image for Sourav Das.
70 reviews5 followers
May 26, 2022
টাপুরদি সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস। এক কথায় এটিকে রাজনৈতিক থ্রিলার বলে যায়। একটি টানটান উত্তেজনা পূর্ণ কাহিনী যা পাঠককে শেষ পাতা অব্দি নিয়ে যাবে।

গল্পের শুরু একটি খুন দিয়ে। বহু বছরের কঠিন পরিশ্রম এর পর অমিয় চক্রবর্তীর দল নির্বাচনে জয়ী হয়। রাজ্যের আগামী মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু শপথ নেওয়ার আগের দিন ই তিনি পার্টি অফিসে নিজের ঘরে খুন হয়ে যান। এদিকে সমসাময়িক ভাবে তন্ময় জেনকিনা একটু সিকিউরিটি এজেন্সিতে চাকরি করতো সেই রহস্যময় ভাবে উধাও হওয়া যায়।

এরপর ঋদ্ধিমা মানে তন্ময়ের বান্ধবী সে আসে টাপুর দির কাছে তন্ময়কে খুঁজে দেওয়ার আর্জি নিয়ে। সে কেসটি হাতে নেয় এবং তদন্ত চালু করে। একরকম ভাবে তার মনে হতে থাকে দুটো ঘটনা পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু কিছুতেই সে মেলাতে পারেনা।

এই গল্পে মিতুল একটি বড় অংশ জুড়ে আছে। যারা টাপুর দির গল্প পড়েছেন তারা জানেন ওর ব্যাপারে। আগের গল্পে অতটা জড়িত না থাকলেও এবারের তার ভূমিকা বেশ বড়।

রাজনৈতিক ভাবে জড়িত কেস হওয়াতে এদের পথে বহু বাধা আসে। অর্জুন পুলিশে থাকলেও তার ক্ষমতাও বাধা ধরা। মাঝে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় যে টাপুর দি কেস ছেড়ে দেবে বলে মনস্থির করে। বলতে গেলে একরকম বাধ্য হয়েই। এই অবস্থায় মিতুল তাকে মনে জোর দেয় এবং তাকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগায়।

ধীরে ধীরে কেস যত শেষের দিকে যায় ততই জটিল হওয়া ওঠে এবং ক্রমশ সেই জটিলতার অবসান ও ঘটে। একবারের জন্যেও পাঠক হতাশ হবেন না। লেখার গতি একবারের জন্যেও কমেনি বরং রোমাঞ্চ শেষ অব্দি রা গেছে। ক্ষমতা মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে আর একটা মানুষের উচ্চাকাঙ্খার দরুন কত গুলো মানুষের জীবন নষ্ট হওয়া যেতে পারে এই গল্প তার উদাহরণ।

থ্রিলার প্রেমীদের কাছে এটি অবশ্য পাঠ্য।। টাপুর দি জয়যাত্রা এগিয়ে যাক এভাবেই।।
Profile Image for Anirban.
305 reviews21 followers
March 19, 2023
প্রথমেই বলি আমি থ্রীলার ভক্ত হলেও, থ্রীলারের রিভিউ লিখতে বললে আমি ধপাস। কারন প্লট ওপেন না করে, Spoiler না দিয়ে রিভিউ লেখা যায় কি ভাবে তা আমি জানি না। আর প্লট ছাড়া কি নিয়েই বা কথা বলব তাও বুঝে উঠতে পারি না। কিন্ত তাহলে এই বইএর ব্যাপারে লিখছি কেনো? কারন, অতিমানব সব বাংলা James Bond বা "খুন আজ কিন্ত সলিউশন সেই মহাভারতের টাইমে" মার্কা থ্রীলারে মার্কেট উপচে পড়ছে। এর মধ্যে লেখিকার এই বইটি খুবই শান্ত আর বুদ্ধি নির্ভর, যাকে বলে Brain more than brawn। আর আমার যেহেতু brain over brawn বরাবর বেশ প্রিয় তাই এই বইটি পড়ে বেশ আনন্দই পেয়েছি আর তাই আমার মনে হয় যে এরম বই এর প্রচার হওয়া জরুরি। ক্যারেক্টর বা প্লট নিয়ে আমি কিছু বলব না, কারন সেগুলোর ব্যাপারে বেস্ট জানা যাবে বইটি পড়লে। কিন্ত এটুকু বলতে পারি যে বইটি একটি পলিটিকাল থ্রীলার, এবং দুটি সাবপ্লটকে লেখিকা শেষে খুব সুন্দর ভাবে এক জায়গায় এনে ফেলেছেন। আমার যদিও মনে হয়েছে যে এমন একটি কেসে প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর এর থেকে একজন পুলিশ অফিসার বা একটি ডিপার্টমেন্ট মুখ্য ভুমিকা নিলে ভালো হতো কিন্ত বাংলা ডিটেকটিভ সাহিত্যে কবেই বা পুলিশকে এই ভুমিকায় দেখা গেছে, কতিপয় exception ছাড়া। কিন্ত এটাও ঠিক যে এখানে PI ভদ্রমহিলা কিন্ত হুটহাট করে ক্রাইমসীনে ঢুকে পড়েননি, উলটে খানিকটা জড়িয়ে গেছেন। এতে কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে পুরো প্লটটা।
প্লট বেশ দ্রুত গতীর আর লেখিকা একটুও কড়া শব্দ ব্যাবহার না করে আমার মতন পাঠকদের খুবই সাহায্য করেছেন। আর এমন টানটান বইএ আমার মতে এমন সাবলীল ভাষাই উপযুক্ত, প্লট থেকে মাইন্ড divert করে না।
শেষে এটুকু বলতে পারি, যে এই বই এ থ্রীল এর ঝাঁজ কম, কিন্ত শান্ত বুদ্ধীর স্বাদ অনেক বেশি। যারা শান্ত বুদ্ধিদীপ্ত ক্রাইম নভেল পড়তে চান, এই বই হাতে নিলে ঠকবেন না।
খানিক নম্বর কাটা যাবে বই এর প্রচ্ছদ ও অলংকরণ এর কারনে। প্রচ্ছদের বন্দুকটি ভুল দেখানো হয়েছে। এবং মুখ্য চরিত্রের যে ছবিটি সব চ্যাপ্টার এর শুরুতে দেওয়া সেটি ভালো লাগেনি আমার।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
March 20, 2022
🍂✨📖উপন্যাসের নাম - কৃষ্ণগহ্বর📖✨🍂
✍️লেখিকা - সোমজা দাস
🖨️প্রকাশক - খোয়াই
📃পৃষ্ঠা সংখ্যা- ২৯৫

📯টাপুরদি মিতুল সিরিজ

🍂🍁মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধ্যেবেলায় পার্টি অফিসে নিজের কেবিনে খুন হলেন রাজ্যের হবু মুখ্যমন্ত্রী অমিয় চক্রবর্তী । কলকাতা পুলিশ সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপালো রহস্য উদ্ঘাটনে । এদিকে টাপুরদির সঙ্গে দেখা করতে এসেছে এক মক্কেল , নাম রিদ্ধিমা দেশাই । তার প্রেমিক তন্ময় নিরুদ্দেশ । সে একটি সিকিউরিটি এজেন্সিতে কাজ করত । তদন্তে জানা গেল এজেন্সির একটি গোপন প্রজেক্টে কাজ করছিল সে । কী সেই প্রোজেক্ট ? কেনই বা নিরুদ্দেশ হল সে ? এর সঙ্গে কি হবু মুখ্যমন্ত্রীর হত্যারহস্যের কোনও সম্পর্ক আছে ? তন্ময় কি আদৌ বেঁচে আছে , নাকি কোনও অজ্ঞাত আততায়ী সরিয়ে দিয়েছে তাকেও ? তদন্তে নেমে টাপুরদি কি খুঁজে পাবে সব প্রশ্নের উত্তর ?🍁🍂


✍️ লেখিকা কে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি বই উপহার দেওয়ার জন্য !📖💐🙏

পলিটিক্যাল থ্রিলারে রহস্য সন্ধানের পাশাপাশি রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতাদের জীবনের নানা রং ফুটে ওঠে। সিনেম‍্যাটিক ক্লাইম‍্যাক্সের দিকে এগিয়ে গেছে গল্প। মানুষের মনের অন্ধকার জগতে আলো ফেলে। তদন্তে নেমে টাপুরদির অনুভব যেন এক কৃষ্ণগহ্বরে প্রবেশ।

বইটি পড়ে আমি মুগ্ধ , এবং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই উপন্যাসটি । সবকিছু খুব সুন্দর করে সাজিয়ে লেখা , আমার ভিষন ভালো লেগেছে।
আমি আরো আরো পড়তে চাই ‌আপনার লেখা।



#bengalidetective #bengalibookreview #bengalibook #bengalibooks #bengalidra #BengaliNovel #bookrecommendations #boipoka #booklovers #booklover #Goodreads
27 reviews
January 24, 2026
A solid Political thriller with gripping plot and twist 👌TAPUDI AND MITUL HAVE BRILLIANT COMRADRIE AND ARJUN AS THEIR SUPPORT SYSTEM.
Displaying 1 - 10 of 10 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.