সর্বোৎকৃষ্ট-দীর্ঘ কবিতাগুলো। তবে স্পর্শ আদরের ছোঁয়া সর্বত্রই বিরাজমান। আজকের তরুণ কবিতের মধ্যে রোবায়েত দীর্ঘ কবিতায় মায়ার স্পর্শ তুলে যান। এরপর নজিব কবিতায় সেই মায়া আরেক ভাবে আরেক পবিত্রতার রঙে ঢঙে অনুভব করাতে সক্ষম হন। তবে ভাষার বেলা কোন সামান্য কথাও নেই কেবল আগা গোড়া মেলবন্ধন আরো শক্ত আর সময় নেয়া সুন্দর হবে। বিশেষত বাক্যে এক শব্দের একাধিক ব্যবহার এবং পর বা কাছে পিঠে ব্যবহার সহজ তবে এই সহজতা অপরিপক্কতার দিকে নিয়ে যায় সময়ে। এটা আরো দীর্ঘ এবং সময়ের ফেরে কেটে যাবে, তবু নজরে বোধহয় আরো পরিব্যপ্তি আনা যায়। তবে দীর্ঘ কবিতা বড় অন্যরকম সুন্দর। এর জন্য এই প্রসেস এবং এই মায়া ও স্পর্শের ঘনঘটা সচরাচর উপস্থিত নয়। রেয়ার। বর্তমান বিশেষত তরুণ আরো খুলে বললে ইসলামী ঘরানার। এটা একটা জোড়ালো মাইলফলক। আরো পজিটিভ যেটা― যেন আমি গল্পেই মূর্ত হয়ে যাচ্ছিলাম দীর্ঘ কবিতায়। একেকটা পটে একেকটা দৃশ্যে। এবং এটা আরো যুৎসই হয়েছে দীর্ঘতর বলে। সম্ভব হলে এই প্যাটার্নে গদ্য বা গদ্য কবিতা লেখা যেতে পারে। আমি চেষ্টা করেছি কখনো। এটা আরো সুন্দর ও ফলপ্রসূ। বিশেষত এর সীমাবদ্ধ বা মিলের দন্ধ নেই। এখানে সারল্য আর মনখোলা শব্দ ও অক্ষরের ভেতর গতিময় গদ্যের ছোঁয়া বড় কার্যকরী। আর অনুবাদ নিয়ে কোন কথা নেই। বরাবরই উত্তরণ। তবু সব মিলে কবিতা গড়গড় পড়ে যাওয়ার বিষয় নয় এর ভেতর সময় এবং দীর্ঘতা যাপন সব কিছু যুক্ত।
খুব সহজ সাদামাটা প্যাটার্ন হলেও নিগূঢ়, কি অপরূপ মেলবন্ধন। সাথে যেই শব্দের আর অক্ষরের দ্যোতনা। বাক্যের রূপায়িত সাযুজ্য। আমি পুলকিত এবং বিমোহিত। বড় সুন্দর লাগলো। মূলত রকমারিতে সামান্য অংশ পড়ার পর বই হাতে নিয়ে আর অবসর করতে পারিনি শেষ না করে। এবং একদম পুরো বইই শেষ করলাম। সকাল,ফজর, এবং সূরা ইয়াসিন, সাথে ভেজা কুয়াশায় সবুজ চাঁদ নীল জোছনা। আজকের ভোর বড় স্মৃতি ও মায়ায় জড়িয়ে থাকলো।
রেটিং:৩.৮ "প্রিয়তমা আমাকে বলল: আমার জন্মতারিখ নিয়ে তুমি প্রশ্ন করেই যাচ্ছো! বারবার যখন জানতেই চাচ্ছো, লিখে নাও ভুলে যাওয়া ইতিহাস যেদিন থেকে তুমি আমাকে ভালবাসো, ওটাই আমার জন্মদিন। " -নিজার কাব্বানি
"জাবাল-আত-তারিখের সুউচ্চ চুড়ায় দাঁড়িয়ে অথবা সিন্ধু নদের অববাহিকার উপনীত হয়ে আল-আকসার ধূসর গম্বুজে চোখ রেখে আমি তোমাদের শুনিয়ে দিচ্ছি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গল্প: একদা আমাদের শরীরে মেরুদন্ড ছিল।" গল্প আব্দুল্লাহ নজীব মাহমুদ অনেক কবিতাই ভালো লেগেছে অনুবাদ সবগুলো ভালো লেগেছে কিন্তু কিছু কবিতা রাবীন্দ্রিক লেগেছে যা অত ভালো লাগে নি। রবীন্দ্রনাথ এর কবিতা রবীন্দ্রনাথ এর কাছেই ভালো লাগে অন্য কারে কাছে না।
তখন আসলে তার মনে কি চলছিলো? কি ভেবে নিজের শিরদাড়া নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন নিজে নিজেকেই? জানিনা আমি, কোনোদিন সামনে পেলে হয়তো জিজ্ঞেস করা যাবে!
প্রিয় একজন কবি আমার। যার কবিতা দিয়েই একাডেমিক পড়াশোনার বাহিরে 'কবিতা' প্রেমের শুরু। হাজার বছর বাঁচুন প্রিয় কবি। আমাদের দেখা হোক ফিরদউসি গুলশানে, আমিন।