Kazi Nazrul Islam (Bengali: কাজী নজরুল ইসলাম) was a Bengali poet, musician and revolutionary who pioneered poetic works espousing intense spiritual rebellion against fascism and oppression. His poetry and nationalist activism earned him the popular title of Bidrohi Kobi (Rebel Poet). Accomplishing a large body of acclaimed works through his life, Nazrul is officially recognised as the national poet of Bangladesh and commemorated in India.
i think he is going to be my official favourite in no time. This is the second book I read of his. How wonderfully he describes grief and anger! As if he is the writer for GOD!!! Loved it.
"রাজবন্দীর জবানবন্দী" প্রবন্ধ পড়ার পর মনে হচ্ছে শোষিতের চোখে দেশকে দেখা উচিত। ধনীর চোখে দেশকে দেখলে সবকিছু স্বাভাবিক ও মানসভাবাপূর্ণ মনে হবে। রাজার সৃষ্টি করা রাজ্যে আইন মানে তো রাজা, ন্যায় মানে রাজার বাক্য। সবকিছুর উধ্বে তার প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য। মানুষ কখনো সত্য, হাতে রাজা হয় না, সে হয় কাঠপুতুল। সে আইন ভগবানের সে আইন এখন ভগবানকে আঙুল দিয়ে প্রশ্ন করে তোমার অস্তিত্ব দেখাও? তুমি যদি থেকে থাক অন্যায়কে রুখে দেখাও? একজন রাজবন্দীর আত্ম-প্রবঞ্জনা, তার বাঁশির সুরে প্রকাশ করা বিদ্রোহের তানপুরা রাজবন্দী জবানবন্দীতে প্রকাশ পেয়েছে।
এই যে প্রতিটি জুলুম সহ্য করা মানুষের জেগে উঠা সুরের মূর্ছনা।সত্য স্বয়ংপ্রকাশ। তাকে কোনো রক্ত আঁখি রাজ দন্ড নিরোধ করতে পারে না। রাজবন্দী সেই চিরন্তন সত্য প্রকাশের বাণী বয়ে বেড়াচ্ছে, যার মাঝে চির সত্যের বাণী কবি গেয়েছেন। কবি বলেন,
"এই সত্য ভগবানের হাতের বীণা। তিনি সুর করে সত্যের গান করেন!"
কবি আরো সুন্দর করে বলেন, "তিনি মর, কিন্তু বিধাতা অমর!" বিধাতা সব দেখছে। সহ্যের সহজ সীমা হারিয়ে গেলে তিনি যুদ্ধের আহবান করবেন। কবির লেখায় তো শুধু ফুটে উঠেছে সত্য, তেজ আর প্রাণ।
কবির সব কষ্ট দূর হয়েছে শুধু তার বিচারক একজন কবি বলে। তিনি জানেন, বেলাশেষে তিনি কবির হাতে মৃত্যুবরণ করবেন। তাতেই তার সুখ নিহিত। এই ইংরেজ রাজ্যে দাসকে দাস বললে, অন্যায়কে অন্যায় বললে এ রাজত্বে তা হবে রাজদ্রোহ। তিনি তার সত্যের সহজ স্বীকারোক্তি করেন, আত্ম-উপলব্ধি, আত্ম-বিশ্বাসের চেতনার।
It was the deposition of Kazi Nazrul sent in written form to the court. Nazrul wrote this in 1922 while he was incarcerated. He endeavored to write this upon hearing that the justice was also a poet---he might understand the feelings he wanted to share.
Of course, he plead in the write-up, but nevertheless there was this Nazrul-ic character in it too. He still called the spade a spade.
As Nazrul was only 23 when he wrote this, in here, his style seemed nascent and evolving---which is interesting.
গুরুজী বলেছেন, 'সাহিত্যে প্রবন্ধের আয়ুষ্কাল সর্বাধিক সংক্ষিপ্ত, প্রবন্ধ ক্ষণজন্মা। অপর দিকে , কবিতা হইল গিয়া চিরযৌবনা, অমর। সময়কে অতিক্রম করার ক্ষমতা কেবল কবিতার রইয়াছে'। নজরুলের কিছু প্রবন্ধ পড়ে, এই মহৎ বাণী উপলব্ধি করতে পারলাম। আমি সাধারণত প্রবন্ধের ধারেকাছেও ঘেঁসি না। কিন্তু, মাঝে মাঝে সুখে থাকতে ভুতে কিলায়। তাই প্রবন্ধ পড়ি। নজরুলের বেশিরভাগ প্রবন্ধই তৎকালীন ইংরেজ শাসকদের বিরুদ্ধে লেখা। তখনকার রাজনৈতিক, সামাজিক আর অর্থনৈতিক বিষয়টির প্রভাবও সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। যুগবাণী প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে, প্রায় শতবর্ষ আগে। ২০২১ সালে বসে, পড়তে গিয়ে মনে হলো বেশিরভাগই ঐ সময়কালে ঠিক ছিলো। বর্তমান সময়ে বিষয়গুলো যথাযোগ্যভাবে কার্যকরী নয়। তবে, এদের ভেতরও কিছু প্রবন্ধ বা তার অংশ বিশেষ চিরন্তন বলে মনে করি। শুধু বাঙালি জাতির জন্য না, সমগ্র ভারতবর্ষের জন্য প্রযোজ্য। আবার, 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' প্রবন্ধ চিরন্তর। নজরুলকে সেই সময়ে ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। নজরুল দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, সত্য স্বয়ংপ্রকাশ। কোন না কোন ভাবে সত্য প্রকাশিত হবেই। আর, যার মাধ্যমে সত্য প্রকাশিত হবে, কারাবরন তাকে করতেই হবে। যুগে যুগে এসত্য চিরন্তর থেকেছে। বর্তমানেও আছে। ভবিষ্যতেও থাকবে। ক্ষমতাবানদের অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে যতবার আওয়াজ উঠবে, ততবার তারা কণ্ঠরোধ করবে সেই সত্যের। এটাই চিরন্তর।