What do you think?


ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০
আমি মুসলিম পুরুষদের দোষ দিই। এই উপমহাদেশে ইসলাম আসার পর আমরা নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তার ছায়াতলে এসেছি। বিশাল হিন্দু জনগােষ্ঠীর মাঝে মুষ্টিমেয় মুসলিম ব্যক্তি জীবনে ইসলামকে ধারণ করেছে ঠিকই, কিন্তু পারিবারিক জীবন, সমাজ জীবনে হিন্দুয়ানি স্বভাব ছাড়তে পারিনি। বরং বংশ পরম্পরায় সেই মানসিকতা বয়ে চলেছি, শিখিয়েছি সন্তানদের। প্রজন্মে প্রজন্মে আমাদের বিধবারা বাকি জীবন শাদা শাড়ি পরেছে, কন্যা সন্তানকে নীচু নজরে দেখা হয়েছে, পণের নাম হয়েছে যৌতুক, শ্রাদ্ধের নাম হয়েছে কুলখানি-চল্লিশা, প্রতিমাপূজার জায়গা নিয়েছে মাজার বা পঞ্চপীরের। আমি একে বলি হিন্দুয়ানি ইসলাম'। যার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে আমাদের মেয়েরা। ইসলাম যে মর্যাদার, প্রশান্তির, আরামের আর সার্থকতার জীবন। নারীকে দিয়েছিল, আমাদের হিন্দুয়ানি মুসলিম সমাজ তা আমাদের নারীদের দিতে পারেনি, মানে দেয়নি। পশ্চিমা সমাজ কিন্তু নারীবাদের ঝলমলে সােনার খাঁচা ঠিকই তাদের কাছে। পৌছে দিয়েছে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। আমরা আমাদের নিজ ঘরের মেয়েদের কাছে ইসলামের মুক্তির ডাক পৌছতে পারিনি। ফল হিসেবে চোখ ধাঁধানাে শিশিরবিন্দুতে ধোঁকা খেয়ে পশ্চিমা মাকড়সার জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ছটফট করছে আমাদের প্রজাপতিরা৷ সেই পুরুষজাতিগত অপরাধবােধ থেকে বইটা লেখা।
- GenresNonfictionReligionIslam
296 pages, Hardcover
First published February 1, 2020
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 29 of 29 reviews
March 31, 2021
দামি জড়োয়া গহনার চেয়েও মোহনীয় অলংকার নারীর মাতৃত্ব, নারীর লজ্জা, নারীর নারীত্ব! নারীরা স্বাভাবিকভাবেই ভীতিপ্রবণ, ডিফেন্সিভ। এই ভীতি তার দুর্বলতা না, বরং অস্ত্র। ইনসানিয়াতকে টিকিয়ে রাখার আল্লাহপ্রদত্ত স্ট্রাটেজি যাতে করে ছোটো ছোটো বিষয়ে, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আভাসেও সে যেন সতর্ক হয়। সন্তানকে আগলে রাখে।
রিসার্চ বলছে মাতৃস্নেহ বিষয়টা সরাসরি অক্সিটোসিন (Oxytocin) হরমোনের সাথে রিলেটেড, যা একজন নারীর শরীরে থাকে অনেক বেশি। অন্যদিকে টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন এই 'সন্তান প্রতিপালনের' ঝোঁক কমিয়ে দেয়, যা বাবাদের বেশি। যেমন, একজন বাবা নিজের ছেলের সাথে যে পরিমাণ সময় দিয়েছে, দাদা হবার পর সময় দেয় বেশি, কারণ তার টেস্টোস্টেরোন পড়তির দিকে।
লেখক সাহেব তার এই বইয়ে লিখেছেন (সংক্ষেপে):
❝নারীর এই ভূমিকা পুরুষতন্ত্র ঠিক করে দেয় নি, দিয়েছে নারীর বায়োলজি-বায়োলজির স্রষ্টা। যেখানে আমার বিকল্প নেই, সেখানেই তো আমি সবচেয়ে সম্মানিত। আমি সেখানে ওয়ান এন্ড অনলি, সর্বেসর্বা!❞
মানবজাতির সদস্য হিসেবে আমাদের মর্যাদা সমান। কিন্তু আমরা পরস্পরের বিকল্প না। আমাদের বায়োলোজি আলাদা, তার সাথে মিলিয়ে আমাদের কর্মক্ষেত্রে আলাদা হওয়াই বায়োলোজির দাবি, শরীরের দাবি। মূল কথা হচ্ছে, নারী-পুরুষ যে ভিন্ন, একথা মেনে নিলে দুজনের জীবনই সুখের হয়। আরো বেশি পরস্পরের প্রতি সহমর্মী হয়। সহযোগিতার হাত বাড়ায়।
অথচ দেখুন, আমাদের মুকুটগুলো আজ ধূলোয় পর্যবসিত, মন-ভোলানো পরিভাষার মারপ্যাচে ছুটে চলেছে মরিচীকার অভিমুখে! এ দেখে যতই তারিফের বন্যা হোক, সুকুন-প্রশান্তিবিহীন অমন সত্তা তাকে ভেতর থেকে অস্থির করে রাখছে। ভুগাচ্ছে প্রতিনিয়ত বাহারি হীনম্মনতায়! কি রকম হীনম্মনতা?
লেখক সাহেব এ হীনম্মন্যতাকে (Inferiority Complex) রিফিউট করেছেন:
❝মাছ ডাঙ্গায় উঠলে যে হীনম্মনতায় ভোগে। আমরা ডুবসাঁতারে যে হীনম্মতে ভুগি: মাছ পানিতে চলতে পারে; আমি কেন পারবো না! মগডালে উঠতে গিয়ে মোটা বাঘটা যে হীনম্মনতায় ভুগে: বাঁদর পারলে আমি কেন পারবো না!❞
__________________
আমাদের বুঝতে হবে, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আমাদের না থাক; আল্লাহ আমাদের ঘরে ‘রব্বাতুল বাইত’ দিয়েছেন। যাদের প্রেরণা-ত্যাগের বিনিময়ে আমরা রোমান-পারস্যের পরাশক্তিকে পদানত করতে কামিয়াব হয়েছিলাম। যাদের হাতে তৈরী হয়েছে শিক্ষিত আদর্শ জাতি, সোনালি সভ্যতা!
আমাদের শিক্ষাবস্থা পুঁজিবাদকে সার্ভিজ দিতে শেখায়। ভালো মানুষ, ভালো স্বামী-স্ত্রী, ভালো মা-বাবা হতে শেখায় না। Capitalist Education System।অথচ, নারী-পুরুষের বায়োলোজি-সাইকোলজি, বিবাহিতার সম্পর্কের সুস্থতা-বিয়ের নিশ্চয়তা, এমনকি বিধবার সুন্দর আগামী; সবকিছুর ক্ষেত্রে দ্বীন টেকসই ও স্বাস্থ্যপ্রদ সমাধান দিয়েছে। ব্যালেন্স সেট করে দিয়েছে।
কাজেই, হীরার খনি পায়ের নিচে চেপে রেখে আমাদের 'সমানাধিকার' আর ভুল ফর্মুলার 'এনলাইটেনমেন্টে'র ফাঁদে পা বাড়াতে হবে না। আমাদের ফিরে যেতে হবে নিজেদের 'সুষম অধিকার'-এর এনলাইটেনমেন্টে, আমাদের ইসলামের সুশীতল ছায়ায়।
এহেন জলবৎ তরলং রিয়েলটিকে লেখক সাহেব বেহতারিন ভঙ্গিতে সামারাইয করেছেন:
❝তোমরা লোহার শেকল খুলে ফেলেছ বলে আমাদের ফুলের মালা খুলে ফেলতে কেন বলছো!❞
চোখ খুলে পড়ুন। হৃদয় দিয়ে অনুভব করুন। প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি শব্দ চুম্বকের মতো আটকে রাখে। বইটা একটা কাজের সূচনা মাত্র। এখন বাকি কাজ পাঠকদের: চাই পাঠক পুরুষ হোক কিংবা নারী!
রিসার্চ বলছে মাতৃস্নেহ বিষয়টা সরাসরি অক্সিটোসিন (Oxytocin) হরমোনের সাথে রিলেটেড, যা একজন নারীর শরীরে থাকে অনেক বেশি। অন্যদিকে টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন এই 'সন্তান প্রতিপালনের' ঝোঁক কমিয়ে দেয়, যা বাবাদের বেশি। যেমন, একজন বাবা নিজের ছেলের সাথে যে পরিমাণ সময় দিয়েছে, দাদা হবার পর সময় দেয় বেশি, কারণ তার টেস্টোস্টেরোন পড়তির দিকে।
লেখক সাহেব তার এই বইয়ে লিখেছেন (সংক্ষেপে):
❝নারীর এই ভূমিকা পুরুষতন্ত্র ঠিক করে দেয় নি, দিয়েছে নারীর বায়োলজি-বায়োলজির স্রষ্টা। যেখানে আমার বিকল্প নেই, সেখানেই তো আমি সবচেয়ে সম্মানিত। আমি সেখানে ওয়ান এন্ড অনলি, সর্বেসর্বা!❞
মানবজাতির সদস্য হিসেবে আমাদের মর্যাদা সমান। কিন্তু আমরা পরস্পরের বিকল্প না। আমাদের বায়োলোজি আলাদা, তার সাথে মিলিয়ে আমাদের কর্মক্ষেত্রে আলাদা হওয়াই বায়োলোজির দাবি, শরীরের দাবি। মূল কথা হচ্ছে, নারী-পুরুষ যে ভিন্ন, একথা মেনে নিলে দুজনের জীবনই সুখের হয়। আরো বেশি পরস্পরের প্রতি সহমর্মী হয়। সহযোগিতার হাত বাড়ায়।
অথচ দেখুন, আমাদের মুকুটগুলো আজ ধূলোয় পর্যবসিত, মন-ভোলানো পরিভাষার মারপ্যাচে ছুটে চলেছে মরিচীকার অভিমুখে! এ দেখে যতই তারিফের বন্যা হোক, সুকুন-প্রশান্তিবিহীন অমন সত্তা তাকে ভেতর থেকে অস্থির করে রাখছে। ভুগাচ্ছে প্রতিনিয়ত বাহারি হীনম্মনতায়! কি রকম হীনম্মনতা?
লেখক সাহেব এ হীনম্মন্যতাকে (Inferiority Complex) রিফিউট করেছেন:
❝মাছ ডাঙ্গায় উঠলে যে হীনম্মনতায় ভোগে। আমরা ডুবসাঁতারে যে হীনম্মতে ভুগি: মাছ পানিতে চলতে পারে; আমি কেন পারবো না! মগডালে উঠতে গিয়ে মোটা বাঘটা যে হীনম্মনতায় ভুগে: বাঁদর পারলে আমি কেন পারবো না!❞
__________________
আমাদের বুঝতে হবে, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আমাদের না থাক; আল্লাহ আমাদের ঘরে ‘রব্বাতুল বাইত’ দিয়েছেন। যাদের প্রেরণা-ত্যাগের বিনিময়ে আমরা রোমান-পারস্যের পরাশক্তিকে পদানত করতে কামিয়াব হয়েছিলাম। যাদের হাতে তৈরী হয়েছে শিক্ষিত আদর্শ জাতি, সোনালি সভ্যতা!
আমাদের শিক্ষাবস্থা পুঁজিবাদকে সার্ভিজ দিতে শেখায়। ভালো মানুষ, ভালো স্বামী-স্ত্রী, ভালো মা-বাবা হতে শেখায় না। Capitalist Education System।অথচ, নারী-পুরুষের বায়োলোজি-সাইকোলজি, বিবাহিতার সম্পর্কের সুস্থতা-বিয়ের নিশ্চয়তা, এমনকি বিধবার সুন্দর আগামী; সবকিছুর ক্ষেত্রে দ্বীন টেকসই ও স্বাস্থ্যপ্রদ সমাধান দিয়েছে। ব্যালেন্স সেট করে দিয়েছে।
কাজেই, হীরার খনি পায়ের নিচে চেপে রেখে আমাদের 'সমানাধিকার' আর ভুল ফর্মুলার 'এনলাইটেনমেন্টে'র ফাঁদে পা বাড়াতে হবে না। আমাদের ফিরে যেতে হবে নিজেদের 'সুষম অধিকার'-এর এনলাইটেনমেন্টে, আমাদের ইসলামের সুশীতল ছায়ায়।
এহেন জলবৎ তরলং রিয়েলটিকে লেখক সাহেব বেহতারিন ভঙ্গিতে সামারাইয করেছেন:
❝তোমরা লোহার শেকল খুলে ফেলেছ বলে আমাদের ফুলের মালা খুলে ফেলতে কেন বলছো!❞
চোখ খুলে পড়ুন। হৃদয় দিয়ে অনুভব করুন। প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি শব্দ চুম্বকের মতো আটকে রাখে। বইটা একটা কাজের সূচনা মাত্র। এখন বাকি কাজ পাঠকদের: চাই পাঠক পুরুষ হোক কিংবা নারী!
January 26, 2021
কিছু কিছু বই পড়ে ভাবতে হয়, চিন্তা করতে হয়। এটাও তেমন। শেষ করে থ হয়ে ছিলাম। এতোদিনের অনেক রঙিন চশমা ভেঙে যায় এই বইটা পড়ে। মাস্ট রিড বই।
March 20, 2020
কিছু কিছু বই পড়ে শেষ করার পরে সবসময় অনুভূতি ব্যক্ত করা যায় না। শুধু এক বাক্যে বলতে মন চায়, “চোখ খুলে পড়ুন আর খানিকটা পড়ার পরে হৃদয় দিয়ে অনুভব করুন।” এবছরে এই বইটা ছাড়া আর একটা বইই তেমন পেয়েছিলাম। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হীরা মানিক জ্বলে’ বইটা।
এই বইখানি স্রেফ কারো চোরাই কাজকারবার ধরিয়ে দেবার বই না৷ বইটা হৃদয় দিয়ে অনুভব করার বই৷ প্রতিটা বাক্য চুম্বকের মতো আটকে রাখে। কিন্তু আমি আটকাইনি। আমি পড়তে সময় নিয়েছি, লেখাগুলো এতটাই ভালো লেগেছে যে পড়তে ভালো লাগছিলোনা, যদি শেষ হয়ে যায় বইটা?
আমাদের মুকুটগুলো আজ ধূলায় পর্যবসিত। মুকুটগুলো নিজেরাই কোন আলো দেখে মাথা থেকে নেমে গেছে৷ আর আমরা মুকুটধারীরাও নামতে দিয়েছি। না চিনেছি ইসলাম না দিতে পেরেছি মুকুটগুলোর মর্যাদা। আমি জানি এই বইয়ের কথাগুলোর বিরুদ্ধেও কথা থাকবেই, তবুও অন্ধ সমালোচনা করার আগে পড়া উচিত বইখানি। আমাদের জানা এবং বুঝা উচিত আমাদের পরমাণু অস্ত্র না থাক, আল্লাহ আমাদের ঘরে ‘রব্বাতুল বাইত’ দিয়েছেন, যাদের দৃঢ় প্রেরণা আর সংকল্প, আত্মত্যাগ দিয়ে আমরা রোমান আর পারস্যের মতো পরাশক্তিকে পদানত করেছিলাম। ঘরের রাণী ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ ছিলেন বলেই আমরা জালিম পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে দৃঢ় শেখ মুজিবকে পেয়েছিলাম।
আবেগ, উচ্ছ্বাস সবসময় ভালো লাগেনা। কিন্তু ডাক্তার সাবের কামই তাই, খালি আবেগে ভাসাবে। গত ২ বছরে ২ ডাক্তার সাব ২ টা বিরাট কাজ করছে। ‘অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়’ বইটা ধ্বসিয়ে দিয়েছে বাঙালি দাদাদের নিয়ন্ত্রিত নাস্তিকতার নামে ইসলাম বিদ্বেষী কুকর্মের ভিত, আর এবছর এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০। আমাদের আসল শত্রু কারা এটা চিনিয়ে দিয়েছেন৷ কে আসল শত্রু আর কে দুঃখিনী মায়ের মতো অবহেলা পাবার পরেও হাত বাড়িয়ে আছে বুকে টেনে নিতে সেটা চিনিয়ে দিয়েছেন।
বইটা একটা কাজের সূচনা মাত্র। এখন বাকি কাজ পাঠকদের। চাই পাঠক পুরুষ হোক কিংবা নারী। পশ্চিমা দেশগুলোর প্রপাগাণ্ডা চালায় ওদের দেশীয় কিছু উচ্ছিষ্টভোজনকারী বুদ্ধিজীবীরা। জাফর ইকবাল বলতে পাগল ছিলাম একটা সময়। ওনার মতো যারা আছে সবার কথাই চোখ বুঁজে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু জাফর ইকবালের ‘জাফর ইকবাল’ হতে আয়েশা ফয়েজের অবদান কতখানি? স্যার কি ভাবেন না যে ওনার মা একজন ক্যারিয়ারিস্ট না হয়ে কারিগর হয়েছিলেন বলেই আমরা ‘দিপু ২’, ‘নন্দিত নরকে’র কারিগরদের পেয়েছি?
সবচেয়ে বেশী যেটা পীড়া দেয় তা হল এই ভাইদের লেখাগুলো আমাদের চেতনায় উজ্জীবিত স্যারেরা পড়েন না৷ পড়লেও সেভাবে মূল্যায়ন করেন না৷ অনেক কথা মাথায় ঘুরঘুর করছে, আঙুলের ডগাও নিশপিশ করছে ট্যাপট্যাপ করে লিখবার জন্য। কিন্তু সব কথা তো লেখা যায় না৷ সবসময় নিয়ামত প্রকাশ করতে নাই।
যদি আমার লেখা এতখানি পড়েই থাকেন, তাহলে বইটাও সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন। এসব বই পড়লে কে দাম দিবেনা৷ চাকরির পরীক্ষায় কোনো সুবিধাও করতে পারবেন না৷ তবে একবুক হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস ঝেড়ে ফেলে উঠে দাঁড়াতে পারবেন।
এই বইখানি স্রেফ কারো চোরাই কাজকারবার ধরিয়ে দেবার বই না৷ বইটা হৃদয় দিয়ে অনুভব করার বই৷ প্রতিটা বাক্য চুম্বকের মতো আটকে রাখে। কিন্তু আমি আটকাইনি। আমি পড়তে সময় নিয়েছি, লেখাগুলো এতটাই ভালো লেগেছে যে পড়তে ভালো লাগছিলোনা, যদি শেষ হয়ে যায় বইটা?
আমাদের মুকুটগুলো আজ ধূলায় পর্যবসিত। মুকুটগুলো নিজেরাই কোন আলো দেখে মাথা থেকে নেমে গেছে৷ আর আমরা মুকুটধারীরাও নামতে দিয়েছি। না চিনেছি ইসলাম না দিতে পেরেছি মুকুটগুলোর মর্যাদা। আমি জানি এই বইয়ের কথাগুলোর বিরুদ্ধেও কথা থাকবেই, তবুও অন্ধ সমালোচনা করার আগে পড়া উচিত বইখানি। আমাদের জানা এবং বুঝা উচিত আমাদের পরমাণু অস্ত্র না থাক, আল্লাহ আমাদের ঘরে ‘রব্বাতুল বাইত’ দিয়েছেন, যাদের দৃঢ় প্রেরণা আর সংকল্প, আত্মত্যাগ দিয়ে আমরা রোমান আর পারস্যের মতো পরাশক্তিকে পদানত করেছিলাম। ঘরের রাণী ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ ছিলেন বলেই আমরা জালিম পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে দৃঢ় শেখ মুজিবকে পেয়েছিলাম।
আবেগ, উচ্ছ্বাস সবসময় ভালো লাগেনা। কিন্তু ডাক্তার সাবের কামই তাই, খালি আবেগে ভাসাবে। গত ২ বছরে ২ ডাক্তার সাব ২ টা বিরাট কাজ করছে। ‘অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়’ বইটা ধ্বসিয়ে দিয়েছে বাঙালি দাদাদের নিয়ন্ত্রিত নাস্তিকতার নামে ইসলাম বিদ্বেষী কুকর্মের ভিত, আর এবছর এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ২.০। আমাদের আসল শত্রু কারা এটা চিনিয়ে দিয়েছেন৷ কে আসল শত্রু আর কে দুঃখিনী মায়ের মতো অবহেলা পাবার পরেও হাত বাড়িয়ে আছে বুকে টেনে নিতে সেটা চিনিয়ে দিয়েছেন।
বইটা একটা কাজের সূচনা মাত্র। এখন বাকি কাজ পাঠকদের। চাই পাঠক পুরুষ হোক কিংবা নারী। পশ্চিমা দেশগুলোর প্রপাগাণ্ডা চালায় ওদের দেশীয় কিছু উচ্ছিষ্টভোজনকারী বুদ্ধিজীবীরা। জাফর ইকবাল বলতে পাগল ছিলাম একটা সময়। ওনার মতো যারা আছে সবার কথাই চোখ বুঁজে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু জাফর ইকবালের ‘জাফর ইকবাল’ হতে আয়েশা ফয়েজের অবদান কতখানি? স্যার কি ভাবেন না যে ওনার মা একজন ক্যারিয়ারিস্ট না হয়ে কারিগর হয়েছিলেন বলেই আমরা ‘দিপু ২’, ‘নন্দিত নরকে’র কারিগরদের পেয়েছি?
সবচেয়ে বেশী যেটা পীড়া দেয় তা হল এই ভাইদের লেখাগুলো আমাদের চেতনায় উজ্জীবিত স্যারেরা পড়েন না৷ পড়লেও সেভাবে মূল্যায়ন করেন না৷ অনেক কথা মাথায় ঘুরঘুর করছে, আঙুলের ডগাও নিশপিশ করছে ট্যাপট্যাপ করে লিখবার জন্য। কিন্তু সব কথা তো লেখা যায় না৷ সবসময় নিয়ামত প্রকাশ করতে নাই।
যদি আমার লেখা এতখানি পড়েই থাকেন, তাহলে বইটাও সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন। এসব বই পড়লে কে দাম দিবেনা৷ চাকরির পরীক্ষায় কোনো সুবিধাও করতে পারবেন না৷ তবে একবুক হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস ঝেড়ে ফেলে উঠে দাঁড়াতে পারবেন।
April 3, 2020
Very well researched, thought provoking, useful book.
Jazakallah <3
Jazakallah <3
June 18, 2020
Very informative. Inspires further studies and reflection.
November 15, 2024
An intriguing book indeed. Definitely an 8.5/10. The writer should create more works like this.
July 22, 2021
যে সব বোনেরা পশ্চিমা নীতির দ্বারা নিজেদের জীবনে শান্তি চান তারা আসলে পশ্চিমার ফাদে পা দিচ্ছেন যে ফাদে অলরেডি পা পিছলে পড়েছে পশ্চিমারা।যেসব থিওরি দিয়ে তারা সুখের সন্ধান দিচ্ছে সেই থিওরিই তারা নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করে ব্যর্থতায় পড়ে যাচ্ছে।শান্তি নিরাপত্তা সম্মান শুধু ইসলামেই আছে। নারীবাদের নামে যে ইজ্জত-নিরাপত্তা-শান্তির সবক দেয়া হচ্ছে সবই ছলনা এবং মিথ্যা।আল্লাহ তা'আলা লেখকের খেদমতকে কবুল করুন।
সকল বোনকে এই কিতাব পড়ার অনুরোধ রইল।
সকল বোনকে এই কিতাব পড়ার অনুরোধ রইল।
January 21, 2023
পশ্চিমা নারীবাদীদের গালে এক মোক্ষম চপোটাঘাত এই বই। এই ক্রান্তিলগ্নে এই ধরনের বই সবার অবশ্যপাঠ্য।
March 21, 2025
বেস্ট, বেস্ট, বেস্ট! চিরযৌবনা। আরো কয়েকবার পড়লেও শেখা, জানা, ভালোলাগা শেষ হবে না। পরে সময় নিয়ে সবিস্তারে রিভিউ লিখবো ইনশা আল্লাহ। আজকে ঘুম দিবো। টাটা, আল্লাহ হাফেজ।
April 21, 2024
চিন্তাজগতের প্রথম কালবৈশাখী
April 15, 2021
আমাদের ইসলাম যা বলেছে মুসলিম হিসাবে তা বিনাবাক্যব্যয়ে মেনে নিতে হবে, এটা আমাদের ইমানের দাবি।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের যে সকল বিধিবিধান প্রয়োজন তা এখানে আছে, কিন্ত আমরা একে অন্যান্য তথাকথিত ধর্মের ন্যায় সামাজিকতায় ও আনুষ্ঠানিকতায় পরিনত করেছি । আর পশ্চিমের ভুয়া লিবারেলিজম ওয়াল্ডভিউকে আপন করে নিয়েছি, কিন্তু ইসলামের যে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পারফেক্ট ওয়াল্ডভিউ আছে তা স্বীকার ই করছি না । এই বইটি পড়ার মাধ্যমে সে সম্পর্কে একটু ধারোণা পাওয়া যাবে।
পশ্চিমা সকল ইজমের মতো ফেমিনিজম ও একটা ফাঁকা বুলি, এটি অন্তঃসারশূন্য, পুঁজিবাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার, এটা অনুধাবনের জন্য এই বইটি একটি ভালো শুরু বলা যায়। ফেমিনিজম বা নারীবাদ যে কারণে পশ্চিমে শুরু হয়েছিলো , সে সব অধিকার ইসলামে আগে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নারী ও পুরুষের সৃষ্টিকর্তা তাদের জন্য কোন কোন কাজ করা ঠিক হবে তা জানেন এবং সে অনুযায়ী তাদের কাজ করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। আত্মসমর্পনকারী হিসাবে আমাদের সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ইসলাম সম্পর্কে সঠিকভাবে না জানার কারণে পশ্চিম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আজ আমাদের মেয়েরা নারীবাদ নামক ইমানবিধ্বংসী জিনিস গ্রহণ করছে। কলেজ ইউনিভার্সিটিতে ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা হাজির করে মুসলিম ছেলে মেয়েদের ভুল পথে পরিচালিত করছে ইসলামবিদ্বেষীরা । বইটি পড়ার মাধ্যমে তাদের ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে জানা যাবে আর সতর্ক হওয়া যাবে । ইসলামে নারীর অধিকার, কাজ, পুরুষের কাজ সম্পর্কে জানা যাবে, ইসলামবিদ্বেষী নারীবাদ থেকে ইমান বাচানো সহজ হয়ে যাবে।
পরিশেষে এটা মনে রাখা উচিত, মুসলিম হওয়ার কারণে "আমরা শুনলাম ও মানলাম " এরকম চিন্তাধারা পোষণ করতে হবে।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের যে সকল বিধিবিধান প্রয়োজন তা এখানে আছে, কিন্ত আমরা একে অন্যান্য তথাকথিত ধর্মের ন্যায় সামাজিকতায় ও আনুষ্ঠানিকতায় পরিনত করেছি । আর পশ্চিমের ভুয়া লিবারেলিজম ওয়াল্ডভিউকে আপন করে নিয়েছি, কিন্তু ইসলামের যে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পারফেক্ট ওয়াল্ডভিউ আছে তা স্বীকার ই করছি না । এই বইটি পড়ার মাধ্যমে সে সম্পর্কে একটু ধারোণা পাওয়া যাবে।
পশ্চিমা সকল ইজমের মতো ফেমিনিজম ও একটা ফাঁকা বুলি, এটি অন্তঃসারশূন্য, পুঁজিবাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার, এটা অনুধাবনের জন্য এই বইটি একটি ভালো শুরু বলা যায়। ফেমিনিজম বা নারীবাদ যে কারণে পশ্চিমে শুরু হয়েছিলো , সে সব অধিকার ইসলামে আগে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নারী ও পুরুষের সৃষ্টিকর্তা তাদের জন্য কোন কোন কাজ করা ঠিক হবে তা জানেন এবং সে অনুযায়ী তাদের কাজ করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। আত্মসমর্পনকারী হিসাবে আমাদের সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ইসলাম সম্পর্কে সঠিকভাবে না জানার কারণে পশ্চিম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আজ আমাদের মেয়েরা নারীবাদ নামক ইমানবিধ্বংসী জিনিস গ্রহণ করছে। কলেজ ইউনিভার্সিটিতে ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা হাজির করে মুসলিম ছেলে মেয়েদের ভুল পথে পরিচালিত করছে ইসলামবিদ্বেষীরা । বইটি পড়ার মাধ্যমে তাদের ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে জানা যাবে আর সতর্ক হওয়া যাবে । ইসলামে নারীর অধিকার, কাজ, পুরুষের কাজ সম্পর্কে জানা যাবে, ইসলামবিদ্বেষী নারীবাদ থেকে ইমান বাচানো সহজ হয়ে যাবে।
পরিশেষে এটা মনে রাখা উচিত, মুসলিম হওয়ার কারণে "আমরা শুনলাম ও মানলাম " এরকম চিন্তাধারা পোষণ করতে হবে।
May 23, 2021
আলহামদুলিল্লাহ, পড়ে শেষ করলাম এই বইটি। আমি রেটিং দেওয়ার যোগ্য কিনা এখনো জানিনা। তারপরও বইটিকে রেটিং দিলাম।
বইটিতে খুব গুছিয়ে নারীবাদীদের বিভিন্ন প্রশ্ন, সংশয়, আর নারীর সত্যিকার অধিকার কী, সে বিষয়গুলো বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী আলোচনা করা হয়েছে। আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। বইটি পড়ে অনেক কিছুই নতুন করে জানলাম।
সবাইকে বইটি নিজ সংগ্রহে রাখার অনুরোধ রইলো।
আসসালামু আলাইকুম
বইটিতে খুব গুছিয়ে নারীবাদীদের বিভিন্ন প্রশ্ন, সংশয়, আর নারীর সত্যিকার অধিকার কী, সে বিষয়গুলো বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী আলোচনা করা হয়েছে। আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। বইটি পড়ে অনেক কিছুই নতুন করে জানলাম।
সবাইকে বইটি নিজ সংগ্রহে রাখার অনুরোধ রইলো।
আসসালামু আলাইকুম
December 8, 2025
নারীরা মানসিক সহায়তার ক্ষমতাধর, পুরুষরা শারীরিক সহায়তার ক্ষমতাধর। একটার জন্য অপরটার বিকল্প নেই, উভয়েরই পরিপূরক ভাবে একে-অপরকে দরকার। মানবজাতির মধ্যে নারী-পুরুষ দুই সৃষ্টির শারীরিক ও মানসিক ভিন্নতা থাকার কারণে তাদের নিজস্ব দায়িত্ব পালনের স্থান-কাল-পাত্রও ভিন্ন। এই কারণে নারী-পুরুষ সমান কখনো হতে পারে না। "সমতা মানে সমরূপতা নয়, বরং স্বতন্ত্রতা ও পার্থক্যের প্রতি সম্মান দেখানো, নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্যকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়ে তার ওপরই সন্তুষ্ট থাকা।" আমরা পশ্চিমাদের দৃষ্টি দিয়ে নারীদের নির্মম ইতিহাস দেখবো না, কারণ মুসলিম সভ্যতায় নারীরা নির্যাতিত হয়নি বরং সোনালী যুগ নারী-পুরুষ সম্মিলিত ভাবে নির্মাণ করেছিল। ইউরোপীয় বিশ্বে যেসব পদ্ধতিতে নারী নির্যাতন করা হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে পরিপূর্ণ ইসলাম কায়েমের আগে যদিও নারীদের আহামরি গুরত্ব দেওয়া হতো কিন্তু তাই বলে ইউরোপীয় বিশ্বের মতো নির্মম পদ্ধতি আবিষ্কার করে-করে নির্যাতনও করা হতো না। ইউরোপীয় পদ্ধতি গুলো যেমন-
• Iron Maiden বানিয়ে খুঁচিয়ে মেরেছ,
• Scold's Bridle মাথায় পড়িয়ে বাজারে হাঁটিয়েছো,
• Breast Ripper দিয়ে নারীদের স্তন ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছো,
• Heretic's Fork লাগিয়ে থুতনি গলা এফোঁড় ওফোঁড় করেছ,
• Wooden horse এর উপর বসিয়ে যোনি ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছো,
• Spanish Boot এর প্যাঁচ কষে কোমল পা নীল করে দিয়েছো,
এরপর ৩০০ বছরে উইচ-হান্টের নামে ৪ থেকে সাড়ে ৬ লাখ নারীকে পুড়িয়ে মেরেছ। সতিদাহ প্রথা, নারীর জন্মকে ব্যর্থতা স্বীকার করে ভ্রুণ হত্যায় কোটি-কোটি নারী পৃথিবীর আলো দেখতে পারেনি এবংকি এখনও পারছে না।
যে সুষ্ঠু পদ্ধতি ও কানুন সোনালী যুগ নির্মাণের ভূমিকা রেখেছিল, সঠিক দৃষ্টান্ত সামনাসামনি থাকার সত্ত্বেও পশ্চিমারা সতন্ত্র রাজনীতি আরম্ভ করে। কারণ সুষ্ঠু পদ্ধতি ও কানুনের অনুকরণ করলে একান্ত রাজত্ব করে বাকিদের ওপর শাসনতন্ত্র পরিচালক করা সম্ভব হয় না। একপক্ষীয় অর্থনীতিতে লাভবান হয়ে বিশ্বব্যবস্থা, বিজ্ঞান ব্যবস্থা, আইনি ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোয় আধিপত্য জমিয়ে নিজস্ব সুবিধাবাদী মতামত প্রদর্শন করে ভুলি শোনানোর বর্বরতা আরোপ করছে।
নারীদের মানসিক সক্ষমতা পুরুষদের চাইতে দক্ষ, সে স্তরে পুরুষরা নারীদের সাথে পারবে না। এমনই অনেক সক্ষমতায় নারীরা পুরুষদের সাথে পারবে না। যেহেতু পুরুষরা শারীরিক সহায়তার ক্ষমতাধর, তাই শারীরিক বিশিষ্টতেই নারীদের সাথে মূল পার্থক্য। যেমন-
• মস্তিষ্ক - ১৩৩৬ গ্রাম(ছেলে), ১১৯৮ গ্রাম(মেয়ে)
• হৃৎপিণ্ড - ৩৬৫ গ্রাম(ছেলে), ৩১২ গ্রাম(মেয়ে)
• লিভার - ১৬৭৭ গ্রাম(ছেলে), ১৪৭৫ গ্রাম(মেয়ে)
• কিডনী দুটো - ৩২২ গ্রাম(ছেলে), ২৭১ গ্রাম(মেয়ে)
• ফুসফুস দুটো - ১২৪৬ গ্রাম(ছেলে), ১০১৩ গ্রাম(মেয়ে)
এছাড়া পরিবেশ-পরিস্থিতিতে নারীদের মুড-সুইং সবচেয়ে বেশি হয়। তাদের হায়েজ অর্থাৎ মাসিক সময় থাকে। পৃথিবীর মাত্র দশ-পার্সেন্ট নারী হায়েজ অবস্থায় যন্ত্রণায় ভুগে না, বাকি নব্বই-পার্সেন্ট নারী হায়েজ অবস্থায় যন্ত্রনার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়।
নারী ও পুরুষের এইসকল সতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণে 'নারী পুরুষ সমান' কখনো হতে পারে না। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের স্থান নারী-পুরুষদের জন্য ভিন্ন-ভিন্ন। আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম আছে "রব্ব", এর অর্থ প্রতিপালক। আরবি সাহিত্যে "রব্ব" শব্দটার স্ত্রীবাচক শব্দ হচ্ছে 'রাব্বাতুন'। আরবি ভাষায় স্ত্রীকে দেওয়া উপাধি হলো 'রাব্বাতুল বাইত'। অর্থাৎ "রব্ব" এর সাদৃশ্যে স্ত্রীবাচক 'রাব্বাতুল' প্রথম শব্দটা এসেছে (সুবহানাল্লাহ)। রাব্বাতুল বাইত - ঘরের প্রতিপালক, মানে যিনি ঘরের বিষয়াদি চালনা-পরিচালনা করেন, দায়িত্ব রাখেন। আল্লাহপাক যেভাবে সারা সৃষ্টিজগৎ দেখভাল করেন, প্রতিপালন-পরিচালনা করেন। নারীও ঘরের দেখভাল করে, পালন ও চালনা করে, সবাইকে ধরে রাখে, ঘরের উন্নতি-শ্রীবৃদ্ধি করে, নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব করে, রাজত্ব করে, 'ঔন'করে। শব্দটার মধ্যে কর্মব্যস্ততা, সৃষ্টিশীলতা, ক্ষমতা, দায়িত্ব, সম্মান-কী নেই।
অন্যদিকে পুরুষরা শারীরিক সহায়তার সক্ষমতা দিয়ে পরিশ্রম করে উপার্জন করবে। তার যেহেতু মানসিক সহায়তার সক্ষমতা দিয়ে ঘরের প্রতিপালক হওয়ার ক্ষমতা নেই, তাই সে আয়-সম্পত্তি পরিবারের মাঝে ইনভেস্ট করবে।
→পুরো বই জুড়ে 'নারী পুরুষ সমান নয়' কেনো? কীভাবে নারীরা পশ্চিমাদের দৃষ্টি দিয়ে তাদের ইতিহাস দেখে নিজস্ব ইতিহাস গুলিয়ে, পশ্চিমাদের অনুসরণ করে নিজেদের আত্মমর্যাদা আসমান থেকে মাটিতে নামিয়ে এনেছে (যেহেতু শিক্ষা ব্যবস্থা পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রণে, তাই ঈমানীরা মুসলিম ইতিহাস জানতে পারে না কারণ পশ্চিমারা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য শুধু শিক্ষাপাঠে যুক্ত করে)... এসকল বিষয় সম্পর্কে বাস্তবধর্মীয় ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উল্লেখ করেছেন লেখক। ধর্মীয় সংস্কৃতি মানলে সুবিধা হবে এরকম তুলনা আনেন'নি লেখক, বাস্তব সাদৃশ্যের সাথে তুলনা করে তার সাথে ইসলামের সাফল্য কিরূপ ছিল তা-মাত্র উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
বিঃদ্রঃ বানানে ভুলক্রটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।
• Iron Maiden বানিয়ে খুঁচিয়ে মেরেছ,
• Scold's Bridle মাথায় পড়িয়ে বাজারে হাঁটিয়েছো,
• Breast Ripper দিয়ে নারীদের স্তন ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছো,
• Heretic's Fork লাগিয়ে থুতনি গলা এফোঁড় ওফোঁড় করেছ,
• Wooden horse এর উপর বসিয়ে যোনি ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছো,
• Spanish Boot এর প্যাঁচ কষে কোমল পা নীল করে দিয়েছো,
এরপর ৩০০ বছরে উইচ-হান্টের নামে ৪ থেকে সাড়ে ৬ লাখ নারীকে পুড়িয়ে মেরেছ। সতিদাহ প্রথা, নারীর জন্মকে ব্যর্থতা স্বীকার করে ভ্রুণ হত্যায় কোটি-কোটি নারী পৃথিবীর আলো দেখতে পারেনি এবংকি এখনও পারছে না।
যে সুষ্ঠু পদ্ধতি ও কানুন সোনালী যুগ নির্মাণের ভূমিকা রেখেছিল, সঠিক দৃষ্টান্ত সামনাসামনি থাকার সত্ত্বেও পশ্চিমারা সতন্ত্র রাজনীতি আরম্ভ করে। কারণ সুষ্ঠু পদ্ধতি ও কানুনের অনুকরণ করলে একান্ত রাজত্ব করে বাকিদের ওপর শাসনতন্ত্র পরিচালক করা সম্ভব হয় না। একপক্ষীয় অর্থনীতিতে লাভবান হয়ে বিশ্বব্যবস্থা, বিজ্ঞান ব্যবস্থা, আইনি ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোয় আধিপত্য জমিয়ে নিজস্ব সুবিধাবাদী মতামত প্রদর্শন করে ভুলি শোনানোর বর্বরতা আরোপ করছে।
নারীদের মানসিক সক্ষমতা পুরুষদের চাইতে দক্ষ, সে স্তরে পুরুষরা নারীদের সাথে পারবে না। এমনই অনেক সক্ষমতায় নারীরা পুরুষদের সাথে পারবে না। যেহেতু পুরুষরা শারীরিক সহায়তার ক্ষমতাধর, তাই শারীরিক বিশিষ্টতেই নারীদের সাথে মূল পার্থক্য। যেমন-
• মস্তিষ্ক - ১৩৩৬ গ্রাম(ছেলে), ১১৯৮ গ্রাম(মেয়ে)
• হৃৎপিণ্ড - ৩৬৫ গ্রাম(ছেলে), ৩১২ গ্রাম(মেয়ে)
• লিভার - ১৬৭৭ গ্রাম(ছেলে), ১৪৭৫ গ্রাম(মেয়ে)
• কিডনী দুটো - ৩২২ গ্রাম(ছেলে), ২৭১ গ্রাম(মেয়ে)
• ফুসফুস দুটো - ১২৪৬ গ্রাম(ছেলে), ১০১৩ গ্রাম(মেয়ে)
এছাড়া পরিবেশ-পরিস্থিতিতে নারীদের মুড-সুইং সবচেয়ে বেশি হয়। তাদের হায়েজ অর্থাৎ মাসিক সময় থাকে। পৃথিবীর মাত্র দশ-পার্সেন্ট নারী হায়েজ অবস্থায় যন্ত্রণায় ভুগে না, বাকি নব্বই-পার্সেন্ট নারী হায়েজ অবস্থায় যন্ত্রনার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়।
নারী ও পুরুষের এইসকল সতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণে 'নারী পুরুষ সমান' কখনো হতে পারে না। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের স্থান নারী-পুরুষদের জন্য ভিন্ন-ভিন্ন। আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম আছে "রব্ব", এর অর্থ প্রতিপালক। আরবি সাহিত্যে "রব্ব" শব্দটার স্ত্রীবাচক শব্দ হচ্ছে 'রাব্বাতুন'। আরবি ভাষায় স্ত্রীকে দেওয়া উপাধি হলো 'রাব্বাতুল বাইত'। অর্থাৎ "রব্ব" এর সাদৃশ্যে স্ত্রীবাচক 'রাব্বাতুল' প্রথম শব্দটা এসেছে (সুবহানাল্লাহ)। রাব্বাতুল বাইত - ঘরের প্রতিপালক, মানে যিনি ঘরের বিষয়াদি চালনা-পরিচালনা করেন, দায়িত্ব রাখেন। আল্লাহপাক যেভাবে সারা সৃষ্টিজগৎ দেখভাল করেন, প্রতিপালন-পরিচালনা করেন। নারীও ঘরের দেখভাল করে, পালন ও চালনা করে, সবাইকে ধরে রাখে, ঘরের উন্নতি-শ্রীবৃদ্ধি করে, নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব করে, রাজত্ব করে, 'ঔন'করে। শব্দটার মধ্যে কর্মব্যস্ততা, সৃষ্টিশীলতা, ক্ষমতা, দায়িত্ব, সম্মান-কী নেই।
অন্যদিকে পুরুষরা শারীরিক সহায়তার সক্ষমতা দিয়ে পরিশ্রম করে উপার্জন করবে। তার যেহেতু মানসিক সহায়তার সক্ষমতা দিয়ে ঘরের প্রতিপালক হওয়ার ক্ষমতা নেই, তাই সে আয়-সম্পত্তি পরিবারের মাঝে ইনভেস্ট করবে।
→পুরো বই জুড়ে 'নারী পুরুষ সমান নয়' কেনো? কীভাবে নারীরা পশ্চিমাদের দৃষ্টি দিয়ে তাদের ইতিহাস দেখে নিজস্ব ইতিহাস গুলিয়ে, পশ্চিমাদের অনুসরণ করে নিজেদের আত্মমর্যাদা আসমান থেকে মাটিতে নামিয়ে এনেছে (যেহেতু শিক্ষা ব্যবস্থা পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রণে, তাই ঈমানীরা মুসলিম ইতিহাস জানতে পারে না কারণ পশ্চিমারা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য শুধু শিক্ষাপাঠে যুক্ত করে)... এসকল বিষয় সম্পর্কে বাস্তবধর্মীয় ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উল্লেখ করেছেন লেখক। ধর্মীয় সংস্কৃতি মানলে সুবিধা হবে এরকম তুলনা আনেন'নি লেখক, বাস্তব সাদৃশ্যের সাথে তুলনা করে তার সাথে ইসলামের সাফল্য কিরূপ ছিল তা-মাত্র উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
বিঃদ্রঃ বানানে ভুলক্রটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।
November 4, 2022
মানুষ শূন্যতার মাঝে বেড়ে ওঠে না। সমাজ, সংস্কৃতি, সময় ও পরিস্থিতি আমাদের চিন্তা, চেতনা, বিশ্বাসকে শুধু প্রভাবিতই করে না, বরং আমাদের পুরো চিন্তার কাঠামোও ঠিক করে দেয় এ ধরনের ফ্যাক্টরগুলো। আমরা পৃথিবীকে দেখতে শিখি একটা নির্দিষ্ট লেন্সের ভেতর দিয়ে, একটা নির্দিষ্ট অ্যাঙ্গেলে। আর যেহেতু ছোটোবেলা থেকেই এই লেন্সের ভেতর থেকে আমরা পৃথিবীকে দেখছি তাই কোথায় লেন্সের শেষ হয় আর কোথায় পৃথিবীর শুরু, সেটা আমরা বুঝে উঠতে পারি না। ব্যাপারটা এভাবে চিন্তা করা যায়— জনবিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপে শৈশব থেকে একসাথে বেড়ে ওঠা একদল কালারব্লাইন্ড মানুষের পৃথিবীর অদ্ভুত সুন্দর নানান রঙের বর্ণালী নিয়ে কোনো ধারণা থাকবে না। কেউ এসে হরেক রকমের উজ্জ্বল রঙের কথা বলা শুরু করলে তারা নির্ঘাত সেই মানুষটাকে পাগল ঠাউরাবে। প্রথম প্রথম তো মানতে চাইবেই না, লম্বা সময় নিয়ে যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে বোঝানোর পরও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব হয়তো পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। কারণ তাদের কাছে এটাই বাস্তবতা। এটাই তাদের কাছে অবিসংবাদিত সত্য।
(ইষৎ পরিমার্জিত)
বইয়ের ভেতরঃ
ডাবল স্টান্ডার্ড বইটা যখন কিনি তখন ধারণাও ছিল না এটা নন-ফিলশন না।এটা মূলত ফিকশনের আলোকে নন-ফিকশন।মেইন চরিত্র হলো তিথি।এই মেয়ের জীবনের বিভিন্ন দিক, তার আশেপাশের বন্ধুবান্ধবদের জীবন, পরিবার,তার হল এবং ভার্সিটি লাইফ এসব কিছুকে উপজীব্য করে লেখক এমন এক গল্প আকারে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতবাদকে লেখক মলাটবদ্ধ করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।অনেকটা উপন্যাসের ধরনে লেখা তবে পুরোপুরি উপন্যাস বলা যাবে না।এই কারণে পাঠক পড়ার সময় একটু সুযোগ পাবেন বলে মনে করছি।এই বইয়ের ভেতরে কি আছে তা বলে দিলে আসলে মজা থাকে না।উনি যা যা আলোচনা করেছে সেটা উনার নিজস্ব বয়ানে না পড়লে উনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন সেটাই বোঝা হবে না।এজন্যোই উপরের অংশটুকু আগে লিখলাম। সূচিপত্র দেখে যদি ইন্টারেস্টিং লাগে তাহলে টিবি আরে রাখতে পারেন।এই বইটা মূলত নারীবাদ টপিক টা নিয়ে লেখা। সেজন্য মেয়েদের জন্য এ বই মাস্ট রিড।
৪ নভেম্বর, ২০২২
(ইষৎ পরিমার্জিত)
বইয়ের ভেতরঃ
ডাবল স্টান্ডার্ড বইটা যখন কিনি তখন ধারণাও ছিল না এটা নন-ফিলশন না।এটা মূলত ফিকশনের আলোকে নন-ফিকশন।মেইন চরিত্র হলো তিথি।এই মেয়ের জীবনের বিভিন্ন দিক, তার আশেপাশের বন্ধুবান্ধবদের জীবন, পরিবার,তার হল এবং ভার্সিটি লাইফ এসব কিছুকে উপজীব্য করে লেখক এমন এক গল্প আকারে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতবাদকে লেখক মলাটবদ্ধ করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।অনেকটা উপন্যাসের ধরনে লেখা তবে পুরোপুরি উপন্যাস বলা যাবে না।এই কারণে পাঠক পড়ার সময় একটু সুযোগ পাবেন বলে মনে করছি।এই বইয়ের ভেতরে কি আছে তা বলে দিলে আসলে মজা থাকে না।উনি যা যা আলোচনা করেছে সেটা উনার নিজস্ব বয়ানে না পড়লে উনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন সেটাই বোঝা হবে না।এজন্যোই উপরের অংশটুকু আগে লিখলাম। সূচিপত্র দেখে যদি ইন্টারেস্টিং লাগে তাহলে টিবি আরে রাখতে পারেন।এই বইটা মূলত নারীবাদ টপিক টা নিয়ে লেখা। সেজন্য মেয়েদের জন্য এ বই মাস্ট রিড।
৪ নভেম্বর, ২০২২
January 7, 2022
ডাবল স্টান্ডার্ড বইয়ের সাকসেসর হিসেবে এ বছর ডাবল স্টান্ডার্ড ২.০ বইটি এসেছে। শক্তি ভাইয়ের বইগুলো বাদবাকি লেখকদের চেয়ে একটু ভিন্ন। তিনি মুক্তমণা, লিবারেল ও পাশ্চাত্য সমাজের ডাবল স্টান্ডার্ডগুলো শুধু তুলে ধরেন নি, তাদের অসচ্ছতা, বস্তুবাদী চিন্তাধারা, নৈতিকতার অভাব, জীবনমান, অর্থনীতি সহ অক্ষমতাগুলো সকল বোধ ও চিন্তার যৌক্তিক ও তথ্যসমৃদ্ধ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তুলে। আর ইসলামকে শুধু ধর্ম হিসেবে নয় বরং একমাত্র দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা রুপে গ্রহণ না করে পাশ্চাত্যকে অন্ধ অনুকরণের ফলস্বরুপ মুসলিমরা যে নিজস্বতা হারানোর এক দগ্ধ কাহিনী উল্লেখ করেছেন।
এবারের বইয়ের মূল বিষয় ছিল নারীবাদ ও পশ্চিমা সমাজের নৈতিকতার চরম মাত্রার অবক্ষয় এবং মুসলিম সভ্যতার ভুলে যাওয়া ইতিহাস। পুঁজিবাদী সমাজ, নারীবাদ নারীমুক্তির বদলে নারীর নারীত্ব চাপা দিয়েছে, মুসলিম সমাজ হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি ও পাশ্চাত্যের এই আদর্শের লেন্স চোখে লাগায়ে বিভ্রান্ত হয়ে নিজেদের ইতিহাস ভুলে গেছে। আর এই সুযোগে এনজিও, মিডিয়া বা যুগের বেগম রোকেয়ার সমাজে নারীবাদের বীজ বোপনের সুযোগ পায়। যার জন্য যার দিকে নারীর সর্বোচ্চ ক্ষমতায়ন!! থাকা সত্ত্বেও সবচেয়ে নিগৃহ, নিপীড়িত তারাই হচ্ছে সব দিক দিয়ে।
সমস্যাগুলো জটিল, সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না সহজে, তবে লেখক বইতে যতটা সম্ভব গল্পাকারে তুলে ধরেছেন। রেনেসাসের পর থেকে সমাজের যে পরিবর্তন ও মানুষ মুসলিম সমাজের পিছিয়ে পড়ার কারণগুলো বইটা পড়লে স্পষ্ট হবে
এবারের বইয়ের মূল বিষয় ছিল নারীবাদ ও পশ্চিমা সমাজের নৈতিকতার চরম মাত্রার অবক্ষয় এবং মুসলিম সভ্যতার ভুলে যাওয়া ইতিহাস। পুঁজিবাদী সমাজ, নারীবাদ নারীমুক্তির বদলে নারীর নারীত্ব চাপা দিয়েছে, মুসলিম সমাজ হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি ও পাশ্চাত্যের এই আদর্শের লেন্স চোখে লাগায়ে বিভ্রান্ত হয়ে নিজেদের ইতিহাস ভুলে গেছে। আর এই সুযোগে এনজিও, মিডিয়া বা যুগের বেগম রোকেয়ার সমাজে নারীবাদের বীজ বোপনের সুযোগ পায়। যার জন্য যার দিকে নারীর সর্বোচ্চ ক্ষমতায়ন!! থাকা সত্ত্বেও সবচেয়ে নিগৃহ, নিপীড়িত তারাই হচ্ছে সব দিক দিয়ে।
সমস্যাগুলো জটিল, সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না সহজে, তবে লেখক বইতে যতটা সম্ভব গল্পাকারে তুলে ধরেছেন। রেনেসাসের পর থেকে সমাজের যে পরিবর্তন ও মানুষ মুসলিম সমাজের পিছিয়ে পড়ার কারণগুলো বইটা পড়লে স্পষ্ট হবে
April 26, 2022
বিশ্বাসীদের অনেকেও বিশ্বাসের অনেক বিষয় ভাবতে কুণ্ঠাবোধ করে।
এই যেমন নারীর ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিকোণ অনেক আধুনিকমনা মুসলিম মনে করে Backward lifestyle of backward life.
তারা নারীকে মুক্ত বিহঙ্গে খুলে দিতে চায়। করতে চায় বাধন হারা। লাগামহীন এক জীবনের দিকে ঠেলে দেয়।
.
আবার অনেক সেকেলে হুজুগটাইপ মুসলিম নারীকে মনে করে তার সেবাদাসী। তার কথার কোন মূল্য নেই, তার মাশোয়ারাই দৃকপাত করতে নেই। কথার এপিট থেকেই ওপিঠ হতেই বেচারীর পিঠ বেয়ে বয়ে যায় প্রহারের বর্ষণ।
.
.
কিন্তু নারীর ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিকোণ কি?
অজ্ঞতা আর অজানার কারণে নারীর ব্যাপারে দুপক্ষেই বাড়াবাড়ি করে।
.
এই নিয়ে ডা. শামসুল আরেফীন গল্পেচলে দেখিয়ে দিয়েছেন ওহীর আলোকে নারীর অবস্থান। সাথে তুলে এনেছেন বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্টও।।
এই যেমন নারীর ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিকোণ অনেক আধুনিকমনা মুসলিম মনে করে Backward lifestyle of backward life.
তারা নারীকে মুক্ত বিহঙ্গে খুলে দিতে চায়। করতে চায় বাধন হারা। লাগামহীন এক জীবনের দিকে ঠেলে দেয়।
.
আবার অনেক সেকেলে হুজুগটাইপ মুসলিম নারীকে মনে করে তার সেবাদাসী। তার কথার কোন মূল্য নেই, তার মাশোয়ারাই দৃকপাত করতে নেই। কথার এপিট থেকেই ওপিঠ হতেই বেচারীর পিঠ বেয়ে বয়ে যায় প্রহারের বর্ষণ।
.
.
কিন্তু নারীর ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিকোণ কি?
অজ্ঞতা আর অজানার কারণে নারীর ব্যাপারে দুপক্ষেই বাড়াবাড়ি করে।
.
এই নিয়ে ডা. শামসুল আরেফীন গল্পেচলে দেখিয়ে দিয়েছেন ওহীর আলোকে নারীর অবস্থান। সাথে তুলে এনেছেন বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্টও।।
May 31, 2022
বর্তমানে আমাদের মা-বোনদেরকে নারীবাদের নামে যেভাবে ব্যবহার করছে তা সত্যিই শিহরণ জাগানোর মত। আর পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুসরণ আমাদের অন্ধ বানিয়ে দিয়েছে। এখান থেকে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া দরকার। বইটিতে যেসকল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্ট যুক্তিভিত্তিক আলোচনা রয়েছে তা আমার আগে জানা ছিল না। পশ্চিমা ভোগবাদী সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও পরকালবিমুখ মানুষদের কু-প্রবৃত্তির বলি হচ্ছে আমাদের মা-বোনরা। তাই সচেতন ব্যক্তিমাত্রই সময় থাকতে এইসকল বিষয় সম্পর্কে সাবধান হতে বাধ্য।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হিদায়াত দান করুন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হিদায়াত দান করুন।
July 6, 2022
টপিকের সাথে টাইটেলটা মানানসই না। এই টপিকে একাডেমিক আলোচনা করার সামর্থ্যও লেখকের আছে বলে বিশ্বাস করি। গল্প বলার ঢঙে পড়লে জিনিসটা বেশ ছাপ রাখে, তবে ইনফর্মেশন মাথায় থাকে না। সে হিসাবে শুরুর দিকে বেশ মজা নিয়ে পড়লেও বারবার পড়তে গেলে একটু বিরক্তি আসতে পারে। ওভারল, দাওয়াতি ম্যাটেরিয়াল হিসেবে অসাধারণ।
August 9, 2024
This is a fascinating book written on women's rights in Islam and criticizes the liberal feminist standpoint on women's rights. It explores Islamic rulings on women's rights, referencing the Quran, sunnah, and various scientific research also providing an understanding of how these teachings are applied in different contexts. The author also critiques various aspects of feminism. This is an important book to read for all, especially for our Muslim sisters.
July 20, 2020
একটু একটু করে পাশ্চাত্য নারীবাদী মনোভাব থেকে ইসলামী নারীবাদে একজনকে প্রবেশ করাতে বইটি অতুলনীয়। লেখকের উপস্থাপনাও বেশ সাবলীল ও সহজবোধ্য। গল্পের আকারে কঠিন কঠিন বিষয়গুলো তুলে ধরায় বইয়ের মূল বক্তব্য আয়ত্বে আনা সহজ হয়েছে।
December 7, 2020
Must Read.
April 25, 2021
আধুনিক যুগের বিশেষ করে মুসলিম নারীদের জন্য একেবারে উপযোগী বই।
নারীরা নতুন করে কিছু হিসেব করতে পারবে।
নারীরা নতুন করে কিছু হিসেব করতে পারবে।
July 28, 2021
নারীদের কাছে ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করে থাকে। এইসব ভুল ধারনার জবাব পেতে পড়া উচিত সকলের।
April 15, 2022
Rating : 5/5
May 8, 2022
ফেমিনাৎসিবাদ ( ফেমিনিজম) উপর প্রাইমারি লেভেলের ,বিশ্লেষণধর্মী, তথ্যবহুল, গল্পের আকারে লিখা সুখপাঠ্য একটি বই। বোনদের জন্য পড়া মাস্ট।
October 5, 2023
রেটিং ৩.৫
July 9, 2026
A masterpiece and a great guiding novel for Muslim women, encompassing an entire lifetime.
September 26, 2026
must recommended for every muslim
June 3, 2026
ডাবল স্ট্যান্ডার্ট হচ্ছে প্রচলিত একটা নীতি যেখানে স্বার্থ চর্চার ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে অন্যায়কে স্বীকার করা হয়, আবার সমর্থনও করা হয়। ইসলামে এ ধরণের নীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই বিষয়টিই ডাঃ শামসুল আরেফীন তাঁর ডাবল স্ট্যান্ডার্ট সিরিজে ছোট ছোট জীবনের গল্পের মাধ্যমে চমৎকারভাবে আমাদের জন্য আলোচনা করেছেন।
ইসলামিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক পশ্চিমা সংস্কৃতির শাসন যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজকে প্রভাবিত করে আসছে। অলিখিত শাসক হিসেবে "স্ব অধীনতার" মতো নানান সুবিধা বান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করছে, দরকার হলে পরিবর্তন করছে। এখানেই ইসলামিক জীবনবোধের সাথে পশ্চিমাবোধের পার্থক্য। ইসলাম স্বার্থান্বেষী কোনো নীতিকে সমর্থন করে না, বরং এটি এমন একটি অকাট্য দলিল যা বৃহদার্থে পরিবর্তনশীল নয় (তবে কুরআন-হাদিসের ভিত্তিতে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার চিন্তাশীল প্রচেষ্টা বা ইজতিহাদ রয়েছে)। ইসলাম ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র অর্থাৎ বিশ্বের সবার জন্য গ্রহণযোগ্য এমন একটি জীবনব্যবস্থা যেখানে দ্বৈত নীতির কোনো স্থান নেই।
ইসলামিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক পশ্চিমা সংস্কৃতির শাসন যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজকে প্রভাবিত করে আসছে। অলিখিত শাসক হিসেবে "স্ব অধীনতার" মতো নানান সুবিধা বান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করছে, দরকার হলে পরিবর্তন করছে। এখানেই ইসলামিক জীবনবোধের সাথে পশ্চিমাবোধের পার্থক্য। ইসলাম স্বার্থান্বেষী কোনো নীতিকে সমর্থন করে না, বরং এটি এমন একটি অকাট্য দলিল যা বৃহদার্থে পরিবর্তনশীল নয় (তবে কুরআন-হাদিসের ভিত্তিতে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার চিন্তাশীল প্রচেষ্টা বা ইজতিহাদ রয়েছে)। ইসলাম ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র অর্থাৎ বিশ্বের সবার জন্য গ্রহণযোগ্য এমন একটি জীবনব্যবস্থা যেখানে দ্বৈত নীতির কোনো স্থান নেই।
Displaying 1 - 29 of 29 reviews



























