Jump to ratings and reviews
Rate this book

আড্ডা দেওয়া নিষেধ

Rate this book
বললে বিশ্বাস করবেন না, ঢাকা শহরের যে এলাকায় আমার বাসা, সেখানে আড্ডা দেওয়া নিষেধ। কথার কথা নয়, একেবারে নিয়ম করে নির্দেশ দেওয়া আছে। রাস্তায় গোটা গোটা কালো অক্ষরে সতর্ক করা আছে, ‘অত্র এলাকায় আড্ডা দেওয়া নিষেধ। অমান্যকারীদের জুতা পেটা করা হইবে।’

কথায় কাজ না হওয়াই স্বাভাবিক। এদেশের প্রায় প্রতিটা দেয়ালেই তো লেখা থাকে, ‘এখানে প্রস্রাব করবেন না।’ সেকথা কী কেউ আদৌ গ্রাহ্য করে? সেজন্য পোস্টারে জলছাপ দিয়ে এক পাটি স্যান্ডেলের ছবি দেওয়া আছে। মোড়ের দোকানদারের কাছে শুনেছি, এই শাস্তি আসলেই দেওয়া হয়। একদল লোকই নাকি আছে যাদের কাজ শাস্তি তামিল করা। এ কারণে এলাকায় চায়ের দোকান আছে কিন্তু বসার কোনো বেঞ্চ নেই। ভাতের হোটেল আছে কিন্তু সেখানেও বড় বড় পোস্টার সাঁটা হুঁশিয়ারি আছে। খেলাধুলার মাঠ আছে কিন্তু একদণ্ড সেখানে দাঁড়িয়ে গল্প করার জো নেই।

88 pages, Hardcover

Published February 1, 2020

2 people are currently reading
55 people want to read

About the author

Niaz Mehedi

15 books20 followers
নিয়াজ মেহেদীর জন্ম রংপুরের বেনীপুর গ্রামে, ২৯ আগস্ট ১৯৮৯ সালে। মা-বাবার জ্যেষ্ঠ সন্তান নিয়াজের হাতেখড়ি পত্রিকার ছোটদের পাতায় লিখে। একসময় লেখালিখি ভুলে গিয়েছিলেন। প্রত্যাবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাঁর অনুজ নাবিল মুহতাসিম ও অগ্রজ লেখক মশিউল আলমের। ২০১৮ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল বিপুলভাবে সমাদৃত। এরপর লিখেছেন উপন্যাস আড্ডা দেওয়া নিষেধ ও ধাঁধার থেকেও জটিল। ছোটগল্পের দুটি বই বিস্ময়ের রাত ও মর্কট মঞ্জিল। তাঁর ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে প্রথম আলো, রহস্য পত্রিকা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, বণিক বার্তা ও কিশোর আলোর পাতায়।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (14%)
4 stars
14 (28%)
3 stars
25 (51%)
2 stars
3 (6%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 21 of 21 reviews
Profile Image for সালমান হক.
Author 66 books1,969 followers
February 23, 2020
বইমেলায় প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে পড়া প্রথম বই। আমি এখন যে রুমটাতে থাকি, সেখানে অপঠিত হাজার খানেক বই প্রতিদিন দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। আমিও সেগুলোর দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি। মাঝে মাঝে নিজেকে বিশ্বাসঘাতক মনে হয়। আড্ডা দেয়া নিষেধ বইমেলা থেকে কিনেছি, অর্থাৎ, নতুন। এই বইটিরও তাই কিছুদিনের মাঝেই অন্য বইগুলোর সাথে দীর্ঘশ্বাস ফেলার কাতারে যোগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু না, তার মুখে একখানা দরাজ হাসি এখন। ঘরের হাজারো বইয়ের ভিড়ে সে আলাদা, তার ভেতরের প্রতিটি অক্ষর পড়া হয়ে গেছে। যে উদ্দেশ্যে তার জন্ম, সে উদ্দেশ্য হাসিল।

নতুন কেনা বইগুলো নাড়াচাড়া করতে ভালো লাগে। পড়ি না পড়ি, উল্টেপাল্টে কয়েকবার করে দেখি। প্রচ্ছদে হাত বুলাই, তারিফ করি প্রচ্ছদশিল্পীর। কিন্তু আড্ডা দেয়া নিষেধ হাতে নিয়ে প্রথম কয়েক প্যারা পড়তে পড়তে কখন যে ১৯ পৃষ্ঠা পর্যন্ত চলে আসলাম... । এটাই বোধহয় লেখকের স্বার্থতা। বেশ অনেকদিন পর এমনটা হলো, মানে বই রাখতেই পরের অধ্যায়গুলোতে কি চলছে সেটা নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু করে দিয়েছিলাম।

বইয়ের কাহিনী নিয়ে আমি কিছু বলবো না, দরকার হলে কাহিনী সংক্ষেপ পড়ে নেবেন। নিয়াজ ভাইয়ের ক্ষুরধার লেখনীর সাথে পরিচয় হয়েছিল তার রচিত ছোট গল্পের বই বিস্ময়ের রাতে। এরকম লেখা দেখলে মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যাই, লেখালেখি ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে। গল্প বলার এই সহজাত ক্ষমতা নিয়ে যারা জন্মে তাদের ঈর্ষা হয় ভীষণ।
Profile Image for Sneha.
56 reviews96 followers
February 16, 2023
৩.৫/৫
কাশবাগ এলাকায় আড্ডা দেওয়া নিষেধ, গ্রামের সবাই এই নিয়ম মেনে চলে, নিয়ম না মানলে শাস্তি দেওয়া হয়। মুরুব্বিদের ধারণা এতে গ্রামের ভালো হচ্ছে, আড্ডা না দেওয়ার কারণে গ্রামে সন্ত্রাসী তৈরি হচ্ছে না, লোকজন মাদকাসক্ত হচ্ছে না বলেও ধারনা রাখেন অনেকে। একটা সময় হঠাৎ করেই গ্রামে আত্মহত্যা বেড়ে যায়। কিন্তু কেনো? এই আড্ডা দেওয়া নিষেধ করার মতো এমন অদ্ভুত নিয়মের পরিবর্তন করতে, এর কারণ খুঁজতে উদগ্রীব হন সাংবাদিক জিশান। খুঁজে পান ছাব্বিশ  বছর আগের কাহিনী। ছাব্বিশ বছর ধরে যে ভুল মানুষ জেনে আসছে, যে নিয়ম  সিন্দাবাদের বুড়োর মতো কাশবাগের মানুষের ঘাড়ে চেপে বসে আছে,  সেই নিয়ম হঠাৎ কীভাবে পরিবর্তন করবে জিশান?
এটাই মূলত এই ছোট বইয়ের গল্প । লেখক এখানে টুকরো টুকরো দু একটা ইতিহাস নিয়েও কথা বলেছেন।
এই বইয়ের  প্রশংসা শুনে আমি একটু বেশি প্রত্যাশা করে ফেলেছিলাম, আশানুরূপ ফল পাই নি, তবে হতাশও হই নি। শেষটায় বেশ নাটকীয় লেগেছে । লেখক গল্পটাকে শুরু থেকে সুন্দর ভাবে টেনে নিয়ে শেষটা একটু তাড়াহুড়ো করেছেন বলে মনে হলো,এই আরকি, এছাড়া বাকিসব ঠিক আছে।
Profile Image for জাহিদ হোসেন.
Author 20 books476 followers
May 12, 2021
হতাশই হলাম। শেষটা পড়ে মনে হলো উত্তম-সুচিত্রা যুগের কোন সিনেমা দেখছি। তবে লেখনী ভালো। সাবলীল, স্বচ্ছন্দ, জড়তাহীন।
Profile Image for Zabir Rafy.
313 reviews10 followers
March 10, 2025
বই: আড্ডা দেওয়া নিষেধ
লেখক: নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনী: মাওলা ব্রাদার্স

রাজধানীর কাশবাগ এলাকায় অদ্ভুত একটা নিয়ম জারি আছে। সেখানে আড্ডা দেয়া নিষেধ। নিয়মটা অদ্ভুত সন্দেহ নেই, কারণ আরও অদ্ভুত। এর সাথে যোগসাজশ আছে দেশভাগের, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র হল ছেড়ে নতুন বাসা খুঁজতে থাকে। এক বন্ধুর মারফত পেয়ে যায় কাশবাগের বাসাটি। পেশায় স্পোর্টস জার্নালিস্ট সে।

কাশবাগের অদ্ভুত নিয়ম জিশান নামের সেই স্পোর্টস জার্নালিস্ট শুরুর দিকে মেনে নিলেও আস্তে আস্তে তার বিদ্রোহী মনে দ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে। আগুন শেষ পর্যন্ত কিভাবে নিভে যায় সেটা জানতে হলে বইটা পড়তে হবে।

পাঠ প্রতিক্রিয়া:

বইটা পড়লেই বোঝা লেখক নিয়াজ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছেন এবং ঢাকা শহরকে আত্নস্থ করেছেন। লেখক একসময় সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন, সেই পেশাগত ছাপও আছে লেখায়।

বইটা পড়ে সামাজিক উপন্যাসিকা মনে হতে পারে। তবে বইটায় ডিস্টোপিয়ান এলিমেন্ট বিদ্যমান।

কাল্পনিক একটা নারকীয় নিয়ম, সেই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তি কিংবা সেই নিয়মের ফলাফল কারো আত্নহত্যা ইত্যাদি বিষয়গুলো বইটায় ডিস্টোপিয়ান ভাইব এনেছে।

কাল্পনিক এক এলাকার কাল্পনিক এক নিয়মের সাথে লেখক দেশভাগ, ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতি, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা, এলাকাভিত্তিক প্রভাবশালী লোকজন এবং মাতব্বরদের দাপট বেশ ভালোভাবেই ব্লেন্ড করেছেন।

লেখকের লেখনি বেশ স্মুথ। ডিস্টোপিয়ান থিমের পাশাপাশি ব্যাচেলর লাইফ, চাকরি জীবন ইত্যাদি নিত্যকার জীবনযাপন বেশ ভালোই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি।

বইটি পড়ার রিকমেন্ডেশন থাকলো।
Profile Image for Salman Sakib Jishan.
274 reviews159 followers
February 24, 2022
যেকোনো মজার মধ্যে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মজা হলো রিলেট করতে পারার মজা। আর এই বইটাতো একদম 'পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই' অবস্থা! মূল ক্যারেক্টারের নামই জিশান। শুরুর অর্ধেক অংশটুকু প্রচুর রিলেট করতে পেরেছি, প্রচুর। প্রায় প্রতি লাইনেই হেসেছি একা একা, মনে হচ্ছিলো আমার গল্পই পড়ছি একটু ঘুরিয়ে, অন্য চরিত্রে... এতোটাই রিলেটেবল ছিলো। সেটা নামের কারণেই নাকি আমার মতো ফাত্রা গোছের ব্যাচেলর ছেলেপেলের লাইফ ব্যাপারটাই এমন শিওর না। আড্ডা আমি প্রচুর এঞ্জয় করি এটা বলাই বাহূল্য। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে কম কথা বলা মানুষ হলেও আড্ডা সবসময়ই ভালো লাগে।
আমার জীবনের অনেকটা অংশ এভাবেই কেটেছে। আমি জানি এখানকার জীবন কেমন হয়। হোস্টেল, হল, মেস, ব্যাচেলর বাসা...প্রায় সব ধরণের ব্যাচেলর বসতিতে আমার থাকার অভিজ্ঞতা আছে এবং এখনও তা চলমান! কবে এই ভাসমান জীবন কাটিয়ে স্থিতু হবো জানা নাই।

বইটা ভালোই লেগেছে, তবে একদম সত্যি বলতে ফিনিশিংটা পড়ে আশাভঙ্গ হয়েছে সত্যি সত্যি। অতিনাটকীয়, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না ধরণের লেগেছে কিছুটা। অবশ্য একটা নভেলা কিংবা বড়গল্প হিসেবে এঞ্জয় করবার মতো যথেষ্ট উপাদান লেখক আমাকে দিয়েছেন। শেষ অংশটুকু মেনে নেয়াই যায়। লেখক নিয়াজ মেহেদীর লেখা আমি আগেও পড়েছি। এতো মজা করে লিখেন লেখক, আর আকর্ষণ করে রাখে তার গল্প, ছোটাই যায়না।
এই বইটা প্রকাশনীতে প্রিন্টআউট, আমি বইমেলায় গিয়ে কিভাবে যেনো প্রকাশনার শেলফ থেকে এক কপি খুঁজে পেয়ে হাতে পায়ে ধরে এনেছি। আরও লেখা পড়তে চাই লেখকের।
Profile Image for Saima  Taher  Shovon.
526 reviews197 followers
January 18, 2025
শুরুটা এতো চমৎকার ছিলো যে ভালো কিছুর বিল্ডাপ হয়ে গেছিলো। হলোনা৷ আফসোস!
Profile Image for শিশির.
6 reviews4 followers
June 24, 2024
প্রথম দিকে গল��প পেড়ে বসার ধরন সাবলিল কিন্তু কাশবাগের ভেতর একটা পূণাঙ্গ চক্কর শেষ হয়ে উঠার আগেই যেন একরকম তাড়াহুড়ো করে লেখক গল্পের ইতি টেনে বসেন। শেষের দিক পড়ে কিছুটা হতাশ হয়েছি।
Profile Image for Imran.
136 reviews7 followers
July 6, 2021
লেখক - নিয়াজ মেহেদী
বই - আড্ডা দেওয়া নিষেধ
প্রকাশনী - মাওলা ব্রাদার্স
মুদ্রিত মুল্য- ২০০ টাকা
প্রকাশকাল- একুশে বইমেলা ২০২০


◾▪️পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ-

নিয়াজ ভাইয়ার বই এর আগে পড়া হয়নি। এই প্রথম এই বইটা দিয়ে ওনার লেখার সাথে পরিচিত হয়েছি।

এই বইটা না পড়লে বুঝতেই পারতাম না ওনার লেখায় কতটা মুগ্ধতা ছড়িয়ে থাকে! এক পৃষ্ঠা পড়ার পর অন্য পৃষ্ঠা পড়ার কি তীব্র আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেছি। একটা সাদামাটা গল্পকে কি সুন্দর ভাবে তিনি বর্ননা দিয়ে শেষ করেছেন না পড়লে বুঝতেই পারতাম না.... এই বইটার নাটক হওয়া উচিত!😊

আচ্ছা ধরুন তো আপনি এমন একটা একালায় বসবাস করছেন যেখানে কোন আড্ডা দেওয়া যাবেনা, গল্প করা যাবেনা, কারো সাথে হাসি মুখে কথাও বালা যাবেনা, কেউ বিপদে পড়লে সাহায্যের জন্যে এগিয়ে যাওয়া যাবেনা, কেউ আত্বহত্যা করলে কোন কারন ও জানা যাবেনা, আর আপনি যদি এসব নিয়ম ভঙ্গ করেন তাহলে আপনাকে শাস্তি স্বরুপ পাঁচবার জুতাপেটা করা হবে।

তা ছাড়া এলাকার মুরব্বীরাও এই আইনের সমর্থন করেন,তারা মনে করেন এই আইনে তাদের একালায় শান্তি বিরাজ করছে, তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারছে। আচ্ছা কতটুকু শান্তি বিরাজ করলে এক মাসে ১৮ জন মানুষ মারা যায়! আদৌ কি এই নিয়মের মাঝে কোন শান্তি বিরাজ করছে? নাকি স্রেফ লোক দেখানো শান্তি?

আচ্ছা আপনার কি মনে হয় আপনি এই অবস্থায় কি সেই এলাকায় থাকতে পারবেন?? পারবেন না.... আর এসব অদ্ভুত আইনের পিছনে লুকিয়ে আছে গভীর রহস্য, আর এসব রহস্য উন্মোচনের কথা জানতে হলে পড়তে হবে এই বইটি।

এছাড়াও এই বিরল ক্যানভাসের স্বল্প আয়তনের উপন্যাসে আপনাকে যা স্পর্শ করবে তা হলো- দেশভাগ, ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বাবরি মসজিদ নিয়ে দাঙ্গার মতো অনেকগুলো সংবেদনশীল ঘটনা।
Profile Image for Payel Nusrat.
89 reviews17 followers
June 8, 2021
আড্ডা দেয়া নিষেধ
এক পাড়ায় অদ্ভুত এক নিয়ম আছে,এখানে আড্ডা দেয়া নিষেধ,কিন্তু কেন??বইয়ের শুরুতে রহস্যের মুড সেট করা খুবই ভালো ছিলো,মাঝের দিকেও খুবই টানটান আলোআঁধারীর মাঝে রহস্য উদঘাটন চলছিলো,পার্শ্ব-চরিত্রের বিল্ডআপেও লেয়ারের দেখা পাওয়া যাচ্ছিলো যেটা উপন্যাসে করা যত সহজ,উপন্যাসিকায় ততোটা সহজ নয় জানি।তবে শুরু এবং মাঝে যতটা হাইপ বিল্ড-আপ হয়েছে,শেষটাও অতোটা টানটান হলে ভালো হতো।শেষের কয়েক পাতা জেনেরিক না হলে ১০ এ অনায়াসে ৮ দেয়া যেতো।

বি.দ্রঃ ৫৩ নং পেজে "ডিম পানি ত্যালানি" নামে একটা জিনিসের রেসিপি দেয়া আছে,ট্রাই করে দেখেছি,it works!!
Profile Image for Adham Alif.
335 reviews81 followers
April 18, 2021
ভালো খারাপ মিলিয়ে চলনসই একটা বই মনে হয়েছে। চরিত্রগুলো কেমন যেন ফুটে উঠেনি। যাদেরকে হিরো না ভিলেন বানাতে চেয়েছিলেন তাদের ব্যাপারগুলোও পরিস্ফুটিত হয়নি। তাছাড়া অনেক জায়গাতেই দুইয়ে দুইয়ে চার মিলাতে পারিনি। তবে তাই বলে পড়তে গিয়ে বিরক্তি চলে আসে ব্যাপারটা তা না। লেখক কিছু ব্যাপারে নজর দিলে ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারবেন।
Profile Image for Ghumraj Tanvir.
253 reviews11 followers
December 20, 2020
ইন্টারেস্টিং গল্প।শেষটা দ্রুত হয়ে গেছে।
আওলাদ মিয়ার ভাবের হোটেল পড়ে লেখকের প্রতি এক্সপেক্টেশন লেভেল বেশি ছিলো।
Profile Image for Ashraf Hossain Parvez.
83 reviews4 followers
March 13, 2020
আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল পড়ার পর নিয়াজ মেহেদীর একরকম ফ্যান হয়ে গেছি। যার ফলে তার দ্বিতীয় বইটিও পড়ে ফেললাম। সত্যিই দারুণ লেগেছে এই বইটি পড়ে। তবে আমার মতে বইটি আরেকটু বড় হলে ভালো হতো।
Profile Image for Ashik Sarwar.
Author 5 books50 followers
March 24, 2020
বইঃ আড্ডা দেওয়া নিষেধ
লেখকঃ নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনীঃ মাওলা ব্রাদার্স
পৃষ্টা সংখ্যাঃ ৮৮

বললে বিশ্বাস করবেন না, ঢাকা শহরের যে এলাকায় আমার বাসা, সেখানে আড্ডা দেওয়া নিষেধ। কথার কথা নয়, একেবারে নিয়ম করে নির্দেশ দেওয়া আছে। রাস্তায় গোটা গোটা কালো অক্ষরে সতর্ক করা আছে, ‘অত্র এলাকায় আড্ডা দেওয়া নিষেধ। অমান্যকারীদের জুতা পেটা করা হইবে।’

কথায় কাজ না হওয়াই স্বাভাবিক। এদেশের প্রায় প্রতিটা দেয়ালেই তো লেখা থাকে, ‘এখানে প্রস্রাব করবেন না।’ সেকথা কী কেউ আদৌ গ্রাহ্য করে? সেজন্য পোস্টারে জলছাপ দিয়ে এক পাটি স্যান্ডেলের ছবি দেওয়া আছে। মোড়ের দোকানদারের কাছে শুনেছি, এই শাস্তি আসলেই দেওয়া হয়। একদল লোকই নাকি আছে যাদের কাজ শাস্তি তামিল করা। এ কারণে এলাকায় চায়ের দোকান আছে কিন্তু বসার কোনো বেঞ্চ নেই। ভাতের হোটেল আছে কিন্তু সেখানেও বড় বড় পোস্টার সাঁটা হুঁশিয়ারি আছে। খেলাধুলার মাঠ আছে কিন্তু একদণ্ড সেখানে দাঁড়িয়ে গল্প করার জো নেই।

পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ

আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেলের মাধ্যমেই লেখক নিয়াজ মেহেদীর লেখনীর সাথে পরিচয়৷ আমি জানতাম তিনি আমায় হতাশ করবেন না৷ ৮৮ পেজের ছোট একটি উপন্যাসিকা গল্পের বুননে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা ধরে রাখতে পেরেছিলেন৷ তবে শেষটায় এসে কেমন জানি মিইয়ে গেল৷ হয়তো এই গল্পটি আর একটু বাড়ানো যেত৷ পাঠক কে ভাবনার জগৎতে ডুবানো যেত৷ তবুও আড্ডা দেওয়া নিষেধ আমায় হতাশ করেনি৷

অনেক সময় সাধারণ জিনিষ গল্পের বলনে পাঠকের কল্প লোকে আলোড়ন সৃষ্টি করে৷ লেখক এই ক্ষেত্রে সফল৷ প্লট বাছাই থেকে শুরু করে শব্দ জালে এর বুনন প্রতিটা প্রক্রিয়ায় ছিল যত্নের ছোঁয়া৷ তবে একটা অভিযোগের জায়গা রয়েই যায়৷ গল্পের নায়কের সাথে নায়িকার সাময়িক বিচ্ছেদের পর হঠাৎ আর্বিভাব চমক নয় মনে হল উড়ে এসে জুড়ে বসলো৷ লেখকের কারেক্টার বিল্ড আপ নিয়ে আরও কাজ করা উচিত ছিল৷ এই গল্পটি তিনি যদি আরও বড় করতেন ক্ষতি কি ছিল৷ গল্পের নতুত্বের কারণে পাঠক গোগ্রাসে গিলতো৷ মানুষ ও মানুষের গল্প থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িকতা নিয়েও ছোট বার্তা পাঠক মহল কে দিতে চেয়েছেন লেখক৷ উগ্রবাদিতা কি ভাবে সমাজ কে গ্রাস করছে গল্পের ছলে যেন সামান্যই বলে গেল৷ সে ক্ষেত্রে তিনি সফল৷

আর একটি ছোট সামাজিক ম্যাসেজ আমাকে কড়া নেড়েছে৷ আমরা মানুষ হিসাবে ক্রমাগত সমাজ বিমুখ হয়ে যাচ্ছি৷ একই সাথে চলা ফিরা আমাদের অথচ পাশের বাড়িতে কি হচ্ছে জানি না৷ বিষণ্ণতার শুরু তো মানুষের সাথে মানুষের আড্ডা আলাপ না করা থেকে৷ নিজের কথা গুলোর ভার নিজে বয়ে বেড়ালে আত্মা কি শুকাবে না?

এত সুন্দর সামাজিক ম্যাসেজ কিন্তু কি নির্দয় ভাবে ৮৮ পেজে শেষ করে ফেললেন৷ এত চমৎকার লেখনী যার তার কাছ থেকে আমরা আরও গুছানো ও বড় লেখা আশা কর���৷ চরিত্র গুলো আরও যত্ন দরকার৷ লেখকের জন্য শুভ কামনা রইলো৷
19 reviews9 followers
Read
March 18, 2022
বইয়ের নাম : আড্ডা দেয়া নিষেধ

কাহিনীর সার : অদ্ভুত এক নিয়ম জারী রয়েছে রাজধানীর কাশবাগ পাড়ায়।এখানে আড্ডা দেয়া নিষেধ।নিয়ম ভাঙলে আছে লঘু-গুরু শাস্তি।
কেন?
এলাকার মুরুব্বীদের বক্তব্য,এতে মাদকের ছড়াছড়ি, বখাটেপনা আর পরকীয়া বন্ধ হয়েছে।সুখ-শান্তি বিরাজ করছে পাড়ায়।
আসলেই কি তাই?
তাহলে ২০ হাজার মানুষের এ পাড়ায় এমন আশংকাজনক হরে বিভিন্ন বয়সের মানুষ আত্মহত্যা করছে কেন?

আর এ উদ্ভট নিয়মের ইতিহাসটাই বা কী?
উত্তর খুঁজতে উৎসুক হলো এলাকার নবাগত এক তরুণ সাংবাদিক।

২৬বছর আগের আন্তঃধর্মীয় প্রেম আর তার জের ধরে নৃশংস খুন।

দেশভাগ।

ষাটের দশকের ছাত্র রাজনীতি।

বাবরি মসজিদের ভাঙন ও সেটাকে কেন্দ্র করে দাঙ্গা।

সম্পত্তির লোভ।

কাহিনীর সময়কাল,বলন শৈলী আর চরিত্রের জীবনদর্শন বা ইনসাইট পাঠককে ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর।

জানার মধ্য ভুল থাকে।দেখার মধ্যেও।কারণ,visual can be deceptive.

ব্যক্তিগত মতামত :

কী?(কন্টেন্ট)

ইউনিক একটা কাহিনী,স্বীকার করতেই হচ্ছে।কাহিনীতে উল্লেখিত সময়কালগুলো আর সে সময়গুলোর মানুষ আর মানুষের জীবনপ্রণালী বেশ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
বিখ্যাত মানুষদের জড়ানো কথাগুলোও চমকে দেয়ার মতো।

সাম্প্রদায়িক সম্পর্কগুলোর পরিণতিগুলো বিদ্রোহী ধরণের কিছু ছিল না,যা সেগুলোকে অতিনাটকীয় হওয়া থেকে রক্ষা করেছে।

কেন?

চরিত্রগুলোর ইনসাইটগুলো বেশ ভালোভাবেই উঠে এসেছে।বিশেষ করে নৈতিক ব্যাপারগুলোর ক্ষেত্রে গল্পের ন্যারেটরকে কিছুটা আড়ষ্ট মনে হয়েছে।চিন্তা ক্ষেত্রেও কেমন একটা ফিল্টারিং ছিল।

কীভাবে?(narrative)

কোনো কোনো সময় কী বলা হচ্ছে ,তারচেয়ে কীভাবে বলা হচ্ছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।
একটা অতি সাধারণ,দৈনন্দিন জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কন্টেন্টও শুধুমাত্র বলন শৈলীর চমৎকারিত্বের বদৌলতে অসাধারণ একটা টান টান লেখায় পরিণত হয়।
এই গল্পটা উত্তম পুরুষে লেখা,যা সুন্দর একটা ন্যারেটিভের প্লাটফর্মকে সুগম করেছে।কিন্তু উপন্যাসের ভূমিকার বলন শৈলী যতটা অ্যাঙ্গেইজিং বা ধরে রাখার মতো টান টান ছিল,মূল গল্পের ন্যারেটিভটা ঠিক ততটা অ্যাঙ্গেইজিং হিসেবে পাইনি আমি।কী জানি,হয়তো ভূমিকাটা পড়ে প্রত্যাশাটা মাত্রাতিরিক্তই বেড়ে গিয়েছিল!

এই গল্পের ক্ষেত্রে আমি কী অর্থাৎ কন্টেন্টকে এগিয়ে রাখবো।
লেখকের নাম : নিয়াজ মেহেদী

লেখক পরিচিতি : ১৯৯১ সালের ২৯ আগস্ট রংপুরে জন্ম নেয়া লেখক নিয়াজ মেহেদীর লেখালেখির শুরুটা স্কুলজীবন থেকে।প্রথম আলো,ইত্তেফাক, কালের কন্ঠ,বণিক বার্তা ও রহস্য-পত্রিকায় তার ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিংয়ের এই এমবিএর প্রথম উপন্যাস “আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল বেরোয় ২০১৮ সালে বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এবং ২০১৯ এ মাওলা ব্রাদার্স থেকে আসে তার ছোটগল্প সংকলন “বিস্ময়ের রাত”। প্রচুর পড়তে এবং লিখতে পছন্দ করা এ লেখকের আগ্রহের বিষয় সাহিত্য-ইতিহাস-ধর্ম-দর্শন-রাজনীতি।
“আড্ডা দেয়া নিষেধ” তার ২য় উপন্যাস।

ঘরানা : উপন্যাস

প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২০

সর্বস্বত্ত : লেখকের

প্রচ্ছদ : পার্থপ্রতিম দাস (সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস প্রচ্ছদ)

ফন্ট : সাধারণ।

ISBN :
বাঁধাই : হার্ডকভার

মুদ্রণস্থান : এম বি প্রিন্টার্স

পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৮৮

অধ্যায় : ১৯

প্রকাশনী : মাওলা ব্রাদার্স

মূল্য : ২০০ টাকা

অনলাইন প্রাপ্তিস্থান : বিবিধ,bibliophile

বইমেলায় পাওয়া যাবে প্যাভিলিয়ন ২৯ এ মাওলা ব্রাদার্সে।

#Happy_Reading
Profile Image for Wazedur Rahman Wazed.
Author 2 books22 followers
August 3, 2021
মনের কথা বলতে না পারলে মানুষের আত্মা শুকিয়ে যায়! – নিয়াজ মেহেদী

গল্পটা খুবই ইন্টারেস্টিং ছিল। অন্তত শুরুটা বেশ ভালোই ছিল। সাধারণ একটা গল্প বলার ছলে লেখকের বিভিন্ন ইতিহাসের অলিগলি ঘুরিয়ে আনার ব্যাপারটা ছিল অত্যন্ত উপভোগ্য! সেইজন্যই গল্পের মধ্যে আলাদা একটা প্রবাহ ছিল। নদী যেমন নিশ্চল হলেও থাকে নিজস্ব একটা স্রোতের ধারা, যা প্রবাহমান। গল্পে এই ভাবটা ছিল দারুণ রকম। গল্প যেখানেই নিয়ে যাক না কেন! গল্পের ছিল নিজস্ব গতি। এজন্যই বই ধরলে শেষ করার একটা আকাঙ্ক্ষা বা ইচ্ছে কাজ করে।

তবে গল্পের প্রথম সুতোর ঢিলটা দিতে গিয়েই লেখক হয়তো একটু বেশিই লাগাম ছেড়ে দিয়েছেন। প্রথম সুতো থেকেই তাই গল্পটা অনুমেয় হয়ে গিয়েছে, অন্তত পড়ে আমার তেমনটাই অনুভূত হয়েছে। যদিও কারণটা ভিন্নভাবে বয়ান করেছেন তিনি। তবে তাও গল্প অনুমেয় হবার পর আসলে গল্পের মজ্জাগত রস অনেকটাই যায় ফিকে হয়ে।

তাছাড়া, গল্পের শেষ ভাগে কিছু ব্যাপার অতিরঞ্জিত মনে হয়েছে। কারণ, একটা কুসংস্কার বা বদ্ধমূল ধারণা কিংবা একটা প্রথা ভেঙ্গে স্রোতের বিপরীতে হাঁটার কষ্ট-গ্লানিটা অত্যন্ত কঠিন। যেখানে কাশবাগের এত কঠোর নিয়মকানুন দেখানো হয়েছে; সেখানে আসলে এত সহজে ব্যাপারটা মেনে নিতে স্বয়ং পাঠকই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগে। আর সবকিছু অতি সরল গতিতে সমাধানের দিকে আগায় যেটা একটু অবাকই লাগে বটে!

শেষভাগে এসে গল্প যেন তার দম হারিয়ে ফেলেছে। ব্যাপারটা মেনে নিতে কষ্টকর যে শেষভাগের গল্পটা অনেকটা ‘তবে তাই হোক’ ঘরানার হয়ে গেছে। অথচ পাঠক ইতিমধ্যেই আশা করে ছিল কতই না অনাকাঙ্খিত ঘটনা শুনতে যাচ্ছে সে। পাঠকের সেই আশায় লেখক দিয়েছেন গুড়েবালি। সবকিছু সহজ করতে গিয়ে অতি সরলতায় গল্প হারিয়েছে তার সৌন্দর্য। শুরু থেকে যে কেউ পড়ে শেষভাগে এসে মনে করবে হয়তো কোন কিশোর গল্প পড়লাম। তবে বলে রাখা ভালো, যদিও গল্পের প্রেক্ষাপটই লেখক অতটা কঠিন করে দেখাননি; সেজন্যই হয়তো ফিকশনে ব্যাপারটা মানিয়ে নেয়ার মতোই।

চরিত্রায়নের ক্ষেত্রে লেখকের মূল সার্থকতা স্বয়ং গল্পকথক। বেশ শক্তপোক্ত আর দারুণ উদ্যমী এক সাংবাদিক। আর পেশার বাইরে বিচার করলে ৮/১০টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের স্বভাবচরিত্র বিশিষ্ট। যেজন্য অতি সহজেই চরিত্রটাকে আপন করে নিতে পারে পাঠক। এই চরিত্রটাকে আমার এতটাই দৃঢ় আর প্রাণবন্ত মনে হয়েছে যে, গল্পের অন্যান্য ঠুনকো ও নড়বড়ে চরিত্রটাকেও টিকিয়ে রাখতে এই প্রধান চরিত্র দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করেছে। এখানে লেখক বাহবা পাবারই যোগ্য!

ইতিহাস, মিথ আর গল্প বলার ছলে লেখকের স্মৃতিচারণ, খাবারের বর্ণনা এবং প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের নিঃসঙ্গতার কথাগুলো সত্যিকার অর্থেই ভাবনার খোরাক যোগায়। গল্পের চালিকাশক্তি হিসেবে এসব ছিল অনেকটাই ফুয়েলের মতো। একটু একটু করে দিয়ে যেন গল্প নামক মেশিনটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন লেখক। বিশেষত নব্বই দশকের নস্টালজিয়া আর নিঃসঙ্গতায় গিলে খাওয়া আমাদের জীবনের বর্ণনা পাঠককে বহুদূর অজানা কোথাও থেকে ঘুরিয়ে আনবে। লেখক এখানেই নিজেকে প্রমাণ করে পাঠকের কাছে। নিয়াজ ভাইয়ের পরবর্তী বইগুলোর জন্য রইলো শুভকামনা।

বই: আড্ডা দেয়া নিষেধ
লেখক: নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনী: মাওলা ব্রাদার্স
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
মলাট মূল্য: ২০০/- টাকা মাত্র
Profile Image for Bookclub By Shoily.
86 reviews9 followers
March 22, 2021
বইটা গতকালই বইমেলা থেকে কিনে আনলাম,কি যেনো ভেবে আজ সকালে এই বইটা নিয়ে বসে পড়লাম। খুবই সুন্দর গুছানো লেখা, লেখার ফ্লোটাও চমৎকার।শুরু করে শেষ ফেলবেন কিছু সময়ের মধ্যেই। অবশ্য মাত্র ৮৭ পৃষ্ঠার বই জলদিই শেষ হবে।তবে এমন নয় যে নিরাশ হবেন, বইটার কাহিনী সাধারণ এবং সুন্দর।অল্প কিছুর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগের ফলে যে নিজস্ব সামাজিকতা ভুলে গিয়েছি আমরা ,সেটাই তুলে ধরেছেন।গল্পে এমন টুইস্ট পাবো আমি ভাবিনি,তাই হয়তো বেশ ভালো লেগেছে।
বইটি যেকেউ প��়ে ভালো অনুভব করবেন।
Profile Image for Zubayer Kamal.
84 reviews20 followers
March 1, 2022
ডিসটোপিয়ান উপন্যাস। বাংলা ভাষায় ডিসটোপিয়ান কাজ খুব কম হয়েছে। যদি ভালো কাজের তালিকা করা হয়, তবে এটা সেই তালিকায় থাকবে।

নিয়াজ মেহেদী চলমান নীরিক্ষা চালিয়ে গেছে তার লেখার উপর। দারুণ!

*** *** ***

Dystopian novels. There has been very little dystopian work in Bengali. If a good job is listed, it will be on that list.

Niaz Mehdi has continued his ongoing scrutiny on his writings. Great!
Profile Image for Koushik Ahammed.
150 reviews12 followers
August 30, 2020
বিষয়বস্তু টা এতো চমৎকার ছিল!!! অথচ গল্পের নায়ক কে ``নায়ক" বানাতে গিয়ে সব কিছু নষ্ট হলো!!!
এই লেখকের পূর্বের বইয়ের সাথে পরিচয় ছিল বলেই হয়তো আশাটা আর একটু বেশি ছিল। সেই জায়গা থেকে হতাশ হলাম।

তবে এক বসায় আগ্রহ জিইয়ে রেখে পড়ে ফেলার মতো বই এইটা....
Profile Image for নূর.
67 reviews
November 16, 2020
৩.৫ স্টার। বইটা বড় হতে পারত।
Profile Image for Moumita Islam.
33 reviews27 followers
April 7, 2021
যত ভাল রিভিউ দেখছিলাম,তত ভাল লাগে নাই । খারাপ ও লাগে নাই ।
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
720 reviews12 followers
April 20, 2020
বইমেলায় সড়ক-বিভাজকে বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে সাঁটানো পোস্টার দেখে বইটা কিনেছি। এমনিতে এরকম করে দেওয়া বিজ্ঞাপনের বই ভালো হয় না। কিন্তু এটা কিনেছি নিচে মাওলা ব্রাদার্সের নাম দেখে। দেখতে চাইলাম, তরুণ লেখকবৃন্দ কেমন লিখছেন।
ভালোই লেগেছে। অন্য লেখকদের মতন কারো অন্ধ অনুকরণের চেষ্টা করেন নি বলেই মনে হলো। 'জোস' 'কুল' ইত্যাদি নবীন শব্দ সফলভাবে প্রয়োগ করেছেন। লেখক অনেক পড়াশোনা করেন, তা বোঝা যায়।
তবে ভাষা নিয়ে, প্রকাশভঙ্গি নিয়ে আরো কাজ করা যেত। যেমন: 'টাইম ইজ় দ্য বেস্ট হিলার' কথাটা আজকের দিনে আর আনকোরা নয়। তবে লেখক চাইলে নতুন করে প্রকাশ করতে পারেন।
আর উপন্যাসের শেষটা ভিন্নতর হতে পারত। একটু শৈল্পিক হতে পারত।
Displaying 1 - 21 of 21 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.