Leela Majumdar (Bengali: লীলা মজুমদার Lila Mojumdar) was a Bengali writer. Her first story, Lakkhi chhele, was published in Sandesh in 1922. It was also illustrated by her. The children's magazine in Bengali was founded by her uncle, Upendrakishore Ray Chaudhuri in 1913 and was later edited by her cousin Sukumar Ray for sometime after the death of Upendrakishore in 1915. Together with her nephew Satyajit Ray and her cousin Nalini Das, she edited and wrote for Sandesh throughout her active writing life. Until 1994 she played an active role in the publication of the magazine.
Creative efforts : An incomplete bibliography lists 125 books including a collection of short stories, five books under joint authorship, 9 translated books and 19 edited books. Her first published book was Boddi Nather Bari (1939) but her second compilation Din Dupure (1948) brought her considerable fame From the 1950s, her incomparable children's classics followed. Although humour was her forte, she also wrote detective stories, ghost stories and fantasies.
Her autobiographical sketch 'Pakdandi' provides an insight into her childhood days in Shillong and also her early years at Santiniketan and with All India Radio. Apart from her glittering array of children's literature, she wrote a cookbook, novels for adults (Sreemoti, Cheena Lanthan), and a biography of Rabindranath Tagore. She lectured on Abanindranath Tagore and translated his writings on art into English. She translated Jonathan Swift's Gulliver's Travels and Ernest Hemingway's The Old Man and the Sea into Bengali. Satyajit Ray had thought of filming Podi Pishir Bormi Baksho. Arundhati Devi made it into a film in 1972. Chhaya Devi played the role of the young hero, Khoka's famed aunt Podipishi.
Awards : Holde Pakhir Palok won the state award for children's literature, Bak Badh Pala the Sangeet Natak Akademi Award, Aar Konokhane Rabindra Puraskar. She had also won the Suresh Smriti Puraskar, Vidyasagar Puraskar, Bhubaneswari Medal for lifetime achievement, and Ananda Puraskar. She has been awarded the Deshikottama by Visva Bharati, and honorary D.Litt. by Burdwan, North Bengal and Calcutta Universities.
রিষড়া-শেওড়াফুলির মফস্বলে পুজো উপলক্ষ্যে 'শিশুপাল বধ' নাটক নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রস্তুতি না বলে অবশ্য অপ্রস্তুতিই বলা ভালো। 'শ্রীকৃষ্ণ' পার্ট মনে রাখতে পারে না, তো 'শিশুপাল'কে তার বাবা অঙ্কে গোল্লা পাওয়ার জন্যে কান ধরে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে চলে যাচ্ছে। অথচ দেখো, আমাদের কথক, এই যে চাঁদ বলে ছেলেটা একে একটা ছোট্ট পার্টও কেউ দিচ্ছে না। চাঁদ আসলে কলকাতার ছেলে। পুজোর ছুটি বাবা-মা, ছোটো ভাই নিমকির থেকে দূরে এই মফস্বলের পৈতৃক ভিটেতে কাটাতে এসেছে। এরা তাকে নাটকে না নিক, চাঁদের দিন এখানে মন্দ কাটছে না। এদের বাড়িতেই অথচ এরা জানেও না এরকম একটা গোপন জায়গা সে আবিষ্কার করেছে। নাম দিয়েছে পেরিস্তান। হাঙরমুখো নৌকায় চেপে সেই পেরিস্তানে তার সাথে দেখা করতে আসে চাঁদের বন্ধু বিশু আর বিশুর পোষা কুকুর সিংহ। চাঁদ তাদের সাথে খেলে, গল্প করে, খাবার ভাগ করে খায়, দূরে পুলের উপর দিয়ে মালগাড়ি যাওয়ার শব্দ শোনে – টং লিং, টং লিং, টং লিং...
লীলা মজুমদারের এই ছোট্ট উপন্যাসটির বর্ণনা বলতে গুডরিডসে লেখা – "শিশুতোষ উপন্যাস।" তা সে কথা আক্ষরিক অর্থে ধরলে ঠিকই। আবার এই আমার মতো বড় (বুড়ো?) বয়সে পড়তে বসলে আবছা অথচ সুচারু কিছু পরত চোখে পড়ে। যেমন বিশু আর সিংহ যে আসলে চাঁদ বলে ছেলেটার কল্পনা তা অনুমান করা যায় প্রথম থেকেই। একদম শেষে এসে চাঁদ সেটা নিজের মুখে বলেও দেয়। একটা শিশুর কল্পনার জগতে (অর্থাৎ 'পেরিস্তান'এ) আসলে কী থাকে? আসল দুনিয়ায় তার যা কিছু অপছন্দ, যা কিছু অপ্রাপ্তি সেসবের উত্তর। বিভুদা নামক ছেলেটির কাছে চাঁদ রোজ বুলি (bully) হয় এবং সহ্য করে নেওয়া ছাড়া তার কিছুই করার থাকেনা। কারণ নিয়মিত রোগভোগের কারণে সে শারীরিকভাবে দুর্বল। তার জলে নামা বারণ, বৃষ্টিতে ভেজা বারণ। এসব থেকেই জন্ম বিশু নামক কাল্পনিক বন্ধুর। যে খালি হাতে হাঙর মারে, বাঘের সাথে লড়াই করে, আগ্নেয়গিরির ভিতরে উঁকিঝুঁকি দেয়।
শিশু মনস্তত্ত্ব নিয়ে এরকম বোধ "শিশুতোষ" কেনো সার্বিকভাবে বাংলা উপন্যাসে বিরল। এছাড়া ধরুন, পুরনো বাঙালি শরিকি বাড়ির যে ক্ষমতার সমীকরণ, সেটা আমরা একটা শিশুর চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছি যখন সে বলছে তাকে সবাই এবাড়িতে এজন্যই খাতির করে চলে কারণ বাড়িটা হিসেবমত তার বাবার এবং বাকিরা বাস করছে তার অনুগ্রহে। তারই সাথে মফস্বলে পুজো আসছে এটা এই যে অ্যামেচার নাটকের (প্রায় হাস্যকর) তোড়জোড় দিয়ে ফুটিয়ে তোলা, সরাসরি পুজো নিয়ে পাতার পর পাতা ক্লিশে মোটিফ না লিখে এটা আলাদা করে ভালো লেগেছে।
লীলা মজুমদারের ভাষা নিয়ে নতুন করে কিই বা বলি! এত সহজ ভাষায় এত সুপাঠ্য গদ্য লেখা সম্ভব তা তাঁর কাছ থেকে শেখা উচিত। বাংলা ভাষার নবীন পাঠকদের তো বটেই, বাংলা ভাষার নবীন লেখকদেরও অবশ্যপাঠ্য হওয়া উচিত লীলা মজুমদার সমগ্র। মন ভালো করা, ১০০ পাতার মতো দৈর্ঘ্যের একটা নির্মেদ উপন্যাস। পড়া না থাকলে অবশ্যই পড়ে ফেলুন। খারাপ লাগবে না আশা করি।
লীলা মজুমদারের লেখা 'টং লিং' ১৯৬১ সালের মে মাসে। নবপর্যায়ের সন্দেশ বেরোলে তার প্রথম সংখ্যা থেকেই 'টং লিং' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল যার, বিভিন্ন পাতায় ছবি এঁকেছিলেন স্বয়ং সত্যজিৎ রায়। মূল বইটি হুবহু একই রকম রেখে স্পেশাল এডিশন প্রকাশ করেছে লালমাটি প্রকাশন। পেরিস্তান জায়গাটা বাস্তবে কোথায়? আমরা কি সকলেই এমন একটা জায়গা খুঁজে বেড়াই! অন্যভাবে বললে আমাদের গন্তব্যই হয়তো পেরিস্তান। এখানে পৌঁছাতে কি সবাই পারে? বিষয় ভাবনায় জর্জরিত বাবা-কাকারা কি খোঁজ পায় এই স্থানের? অথচ স্বভাবতই দুর্বল চাঁদের সেখানে নিত্য যাতায়াত। সে খুঁজে পেয়েছে অসীম শক্তিশালী ও সাহসী বন্ধু বিশুকে যে, চাঁদের মত তার বিভুদাকে ভয় পায়না। যার কাছে আছে একটি কুকুরমুখী সিংহ। যেখানে এসবের সাথেই শোনা যায় মালগাড়ির ডাক 'টং লিং টং লিং টং লিং'। নাটকের মধ্যেও কীভাবে এসে পড়ে সেই পেরিস্তান, কালো মাস্টার সকলকে কীভাবে পরিত্রান দেয় তাদের সমস্যা থেকে, তা নিয়েই কাহিনি এগোই এবং সবশেষে বিশু খোঁজ পায় আসল সিংহের, যা তার সমস্ত ভয় কে জয় করেছে, তার সমস্ত একাকীত্বকে দূর করেছে। এই উপন্যাস আট থেকে আশি- সকলেরই ভালো লাগবে বলেই মনে হয়।
পূজার নাটক কলকাতার সাহিত্যের একটা বড় অংশ জুড়ে আছে। এ গল্পের কাহিনীও আবর্তিত হয়েছে মূলত পূজার নাটককে ঘিরে। চাঁদের বন্ধু বিশের কাহিনীটা বুঝতে পারলেও কালামাস্টার যে দাঁড়ি-গোঁফ নিয়ে পলাতক তা আশা করিনি।
Leela Majumdar was a famed author, mostly of children's fiction. She was also the aunt of Satyajit Ray, but her contributions to children's literature gives her an identity of her own. This book (টং লিং) is about childhood, the world of make believe, the world where anything is possible in a child's imagination. It reminded me of my childhood where I used to sit in the box-windows and imagined them to be time machines, which took me to the future or the past! The beautiful illustrations by Satyajit Ray (he was a master of pencil sketches) perfectly complement the crisp writing. The ending provides a closure and explains a lot about the psychology of a child.
সহজ, সরল এবং দারুণ। চাঁদ, বিভু, ছোটকা, বিশে এবং সর্বোপরি কালো মাস্টার যে কখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছিল বইটা পড়তে পড়তে, সেটাই বোধগম্য হল না। লীলা মজুমদার এমনিই এক শক্তিশালী লেখিকা যিনি শিশুদের গহীন হৃদয়ের তল খুব সহজেই খুঁজে পেতেন আর ততোধিক সহজ ভাষার মাধ্যমে লেখায় তুলে ধরতেন। এই বইটিতেও তার কোন পরিবর্তন হয়নি।