📚 বই নিয়ে আলোচনা
বই - থ্রিলার জার্নাল (৩য় সংখ্যা)
ধরন - ম্যাগাজিন
সম্পাদনা - বীক্ষণ সম্পাদনা সংস্থা
প্রকাশনায় - থ্রিলার পাঠকদের আসর (ফেসবুক গ্রুপ)
পাবলিশিং পার্টনার - বাতিঘর প্রকাশনী
মলাট মূল্য - ১৭০ টাকা
পৃষ্ঠা - ২৫৬
-- প্রথমে ধন্যবাদ গ্রুপের আয়োজকদের এতো সুন্দর একটি উদ্যোগ নেয়ার জন্য। এটার মাধ্যমে আমরা অতি চমৎকার সব দেশী বিদেশী গল্প পড়তে পারছি এবং নতুন নতুন লেখকের সাথেও পরিচিত হতে পারছি। এটা খুবই উত্তম সিদ্ধান্ত।
(আমার এই রিভিউটা একটু বড় হওয়াতে আমি ঠিক করেছি পর্ব করে পোস্ট করবো। আর এটা দুই পর্বে শেষ হবে ইনশা আল্লাহ।)
--এখন প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলি। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে বের করা হয়েছে তাই মানটাও উন্নত থাকবে এমটাই ধারনা করেছিলাম। তবে আমার সেই ধারনা সফল ছিলো ৮০ ভাগ। শতভাগ না হওয়ার কারণ হচ্ছে, এই বইটার পাশাপাশি ভারতীয় ‘অলৌকিক’ বইটা পড়ছিলাম। ঐ বইটাও পেপারব্যাক এবং অনেকটাই একই সাইজের। তবে তাদের কাজের সাথে এটার কিছু অমিল ছিলো। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমার থ্রিলার জার্নাল বইটার প্রচ্ছদটির বইয়ের বাইন্ডিং থেকে খুইয়ে যাচ্ছে। কারণ সেখানকার আঠা শুকিয়ে গেছে বা খুব কম পড়েছে। এছাড়া মোটামুটি ঠিক আছ।
(আমি আমার সাধারণ চোখে বললাম কথা কটা। আমি বিশেষজ্ঞ কেউ না। তাই প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলাটাও বেশি মনে করছি। কিন্তু আমার বইয়ের ক্ষতি দেখলে আমার ভালো লাগে না)
-- এবার হটকেক সমৃদ্ধ গল্পগুলো নিয়ে কিছু বলি। যত্তসব অসাধারণ গল্প 😋
🔹 একনায়কগণ যারা করুণ পরিণতি বরণ করেছিলো / নাজমুস সাকিব -
এটা একটা থ্রিলার সমাচার। পৃথিবীর বেশকিছু ক্ষমতাধর রাষ্ট্র নায়ক মৃত্যু বরণ কেন অনেক করুণ ভাবে। যেমন এ তালিকাতে আছেন বেনিতো মুসোলিনি, নিকোলাই চচেস্কু, মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো ব্যাক্তিরা। কী করে এসব নেতাদের এ হাল হলো তারই সংক্ষিপ্ত কিন্তু সুন্দর ভাবে আলোচনা করেছেন লেখক
🔹 অগোচরা / মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন -
দেশখ্যাত শুটার অলিম্পিকে চান্স পেয়েও অংশগ্রহন করতে পারলো না মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ভাগিনার জন্য। সেই থেকে হতাশায় ভুগতে থাকে সে। তারপরই আস্তে আস্তে চলতে থাকে অন্ধকার এক পথে। তার চোখের সামনে খুলতে থাকে একে একে রাজনীতির অজানা সব অধ্যায় গুলো। যা দেখে সে হতবাক। কিন্তু কে দায়ী এই সম্ভবনাময় ছেলেটির জীবন ধ্বংসের পেছনে? সে কী বের হতে পারবে এই কানাগলি থেকে? অসাধারণ এক ক্রাইম থ্রিলার।
🔹 থৃলার গল্প সংকলন ৪ (পাঠ পর্যালোচনা) / মোঃ সামিউল ইসলাম -
বাতিঘর প্রকাশনী থেকে মোঃ নাজিম উদ্দিন এর সম্পাদনায় ‘থৃলার গল্প সংকলন ১ - ৪ ’ বের হয়। এই পাঠ পর্যালোচনাটি সংকলনের ৪ নম্বর বইয়ের। বইটিতে দেশী মৌলিক থ্রিলার গল্প সহ বিদেশী থ্রিলার গল্প যোগ করা হয়। পাঠ পর্যালোচনা থেকে জানতে পারি যে বিদেশী থেকে আমাদের দেশী লেখকদের মৌলিক গল্প গুলো ছিলো অসাধারণ। ধন্যবাদ তাঁকে সুন্দর আলোচনার জন্য।
🔹 চাওয়া / বাপ্পী খান -
এটা একটি থ্রিলার কাব্য। আমি আসলে কবিতা বুঝি না। কবিতা আমার কাছে বীজগণিতের মতো লাগে। তাই কবিতাটি পড়েছি তবে বুঝিনি। তবে সাধুবাদ জানাই লেখককে। কারণ থ্রিলার নিয়ে কবিতা হয় আমি জানতাম না। এরকম কষ্টসাধ্য কাজ করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ।
🔹 অদ্ভুত গোরস্থান / মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী -
এটা গল্পবাঁক। কিন্তু কী গল্পবাঁক বুঝিনি। তবে গল্পটা অসাধারণ ছিলো। অনেকটা সায়ন্সফিকশনের মতো মনে হলো আমার কাছে।
যাইহোক গল্পটা এরকম, কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের তরুণ প্রফেসর জিব্রান আহমেদ। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ। একদিন বিকালে তার কাছে তারই এক ছাত্রী দেখা করতে আসে। ছাত্রীটি তার বাবার সম্পর্কে কিছু কথা বলেন।ছাত্রীর বাবার অসুবিধার কথা শুনে তিনি তার সাথে দেখা করতে যান। গিয়ে ছাত্রীর বাবার কাছ থেকে অদ্ভুত সব কথা শুনে আসেন।কিন্তু কথা গুলো খুবই চমৎকার এবং যুক্তিগত ছিলো। স্যার পরদিন মেয়েটিকে তার সমাধানও দিয়েদেন। এ ঘটনার দুইমাস পর তিনি জানতে পারেন যে মেয়েটির বাবা মারা যান গত দুইবছর আগে। তাহলে দুইম���স আগে তিনি কার সাথে কথা বলে আসলেন? আর মেয়েটি কেনে তার বাবাকে নিয়ে মিথ্যা বলবে? গল্পটি আমার চমৎকার লাগে।
🔹 দ্বিতীয় আর্টেমিস ফাউলের সাক্ষাৎকার / মূল - ওয়েন কোলফার / অনুবাদ - মোঃ ইমারন হোসেন-
আর্টেমিস ফাউল আমার এখনো পড়া হয়ে উঠেনি। তবে সাক্ষাৎকার পড়ার পর মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি পড়তে যাচ্ছি। ধন্যবাদ অনুবাদককে।
🔹 কার্সেস / মূল-জিম বুচার/ অনুবাদ- অয়ন ইসলাম-
হ্যারি ড্রেসডেন সিরিজের স্পিন অফ গল্প এটি। মূল সিরিজের সাথে এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
যাইহোক গল্পে নায়ক হ্যারি ড্রেসডেন। তিনি যাদুবিদ্যায় পারদর্শী।এটাকে তিনি পেশা হিসেবে নিয়েছেন। এবং বেশ সুনামও অর্জণ করে। তার কাছে সনামধন্য এক বেসবল টিমের কর্তাব্যাক্তি সাহায্যের জন্য আসেন। কারণ তার টিমের উপর এক অভিশাপ আছে। যার জন্য তার টিম প্রতিবার ভালো খেলে ফাইনালে গেলেও হেরে যায়। এখন ড্রেসডেন কী এই টিমের সুনাম ফিরিয়ে আনতে পারবে? গল্পটা তেমন ভালো লাগেনি। তবে গল্পের বর্ননা শৈলী এবং সাবলীল অনুবাদের জন্য সাধারণ গল্পও অসাধারণ হয়ে উঠেছে।
🔹 হার না মানা অন্ধকার, গল্পের পেছনের গল্প / লেখক-বাপ্পী খান -
যেকোনো গল্প লেখার পেছনে লেখকের কিছু না কিছু নিজস্ব গল্প থাকে। সেরকমই গল্পের পেছনের গল্প বললেন লেখক বাপ্পী খান। অনেক কিছুই জানতে পারলাম সেখানে। মজার ব্যাপার হচ্ছে লেখকে আমি নিজেও কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। সেগুলোর উত্তরও সেখানে দেয়া হয়েছে। যা জানতে পারলাম তাতে আমার ধারণাই পালটে গেছে। লেখকের দ্বিতীয় বইয়ের অপেক্ষাতে রইলাম।
🔹 গুয়ায়ু / তানজিরুল ইসলাম -
এখানে একটি মুখোশ নিয়ে কাহিনী। গল্প কথকের মেয়েকে তার কলিগ চীনের একটি মুখোশ উপহার দেন। আর এই মুখোশ পড়েই মেয়েটা যেন কেমন হয়ে গেছে। চঞ্চল একটা মেয়ে কেমন ঝিম মেরে থাকে সবসময়। এখন কথকের সন্দেহ এই মুখোশ পড়েই তার মেয়ের কোনো অনিষ্ট হচ্ছে। কিন্তু সত্যি কী তাই? গল্পটা মোটামুটি ভালো লেগেছে। আর গল্পটির একটা দোষ হচ্ছে অহেতুক বর্ননা করে কাহিনী লম্বা করা হয়েছে। তবে লেকের জন্য শুভকামনা থাকবে। কারণ তার লেখার হাত ভালো।
🔹 ডিটেক্টিভস / চিত্রকর - ওয়াসিফ নূর - শার্লক হোমস, এয়ারকুল পোয়ারো, মিস মার্পল সহ বেশ কিছু বিখ্যাত রহস্যময় গোয়েন্দাদের ছবি এককথায় অসাধারণ এঁকেছেন।
🔹 ডিফেন্স / মূল- লরেন্স ব্লোক / অনুবাদ- ইশরাক অর্ণব -
যেসব কেস অন্য উকিলরা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করে সেখানে সেসব কেসই ‘মার্টিন অ্যারেনগ্রাফ’ নিয়ে থাকেন। এবং সফলও হন। তবে তার জন্য আসামি পক্ষকে গুনতে হয় বিশাল অংকের অর্থ। কিন্তু কীভাবে তিনি একাজ করেন? তার কাছে কেস নিয়ে আসেন আসামির মা। তার ছেলে খুনি বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবু তিনি তার ছেলেকে নিরপরাধ করাতে চান। বা জেল থেকে বের করতে চান। কিন্তু এই কেস কেউ নিতে আগ্রহ দেখায় না। তাই সব শেষে তিনি আসেন মার্টিন অ্যারেনগ্রাপের কাছে। আর উকিলও কেসটা নিয়ে নেন। এই কেস কী ভাবে হ্যান্ডেল করেন উকিল এটাই হচ্ছে আসল মজা।
অনুবাদ বলে মনেই হয়নি। ধন্যবাদ অনুবাদককে।
🔹 আমি / আহসানুল হক রুদ্র -
এই সেগমেন্টা আমার কাছে খুবই চমৎকার লেগেছে। যেখানে একটা গল্পের শুরুটা দেয়া থাকবে, সেখানে আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা সেই শুরুর বাকিটা টেনে নিয়ে যাবে নিজেদের মতো করে। টিপিএ কর্তৃপক্ষ এই সদস্যের গল্পটি পছন্দ করেছেন। আমি মনে করি তারা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গল্পটার আর রিভিউ করলাম না। কারণ গল্পটার রিভিউ করার মতো কিছু খুঁজে পাচ্ছি না আমি। তাই আপনাদের পড়া আমন্ত্রণ রইলো। আশাকরি হতাশ হবেন না।
🔹 দোকানের নাম, তারপর আমাদের ভুবনে স্বাগতম / সালেহ আহমেদ মুবিন
আচ্ছ, আপনি অপরাধ করবেন আবার সেটা নিয়ে কিছু হবে না, কেউ কিছু বলবে না তেমন কী কখনো হয়? নাকি হওয়া উচিৎ? গল্পের কথক একটা দোকানের সন্ধানে আছে। কানা মজিদের পরামর্শে সে এই এলাকাতে আসে। তার নতুন জগৎ দরকার এখন। এই জগতে অনেক সমস্যা তার। সে একটি পলিটিকাল দলে ছাত্র নেতা। নেতার কথা মত অনেক কাজ করেছে। যা তার চোখে তেমন অপরাধ না। কারণ অপরাধ হলে তার দলের মানুষরা অন্তত তাকে বাহবা দিতো না। তবে কিছুদিন আগে তার কলেজের এক ছেলেকে একটু বেশিই মারধর করে ফেছিলো। যার ফলে ছেলেটা তখন মারা যায়। তারপর থেকেই মিডিয়া সহ ছেলেটার সহপাঠীরা উত্তেজিত হয়ে পরে। এসব আর তার আর ভালো লাগছে না। তাই সে ভিতরের জগতের সন্ধান করছে। যে জগৎ সবার সামনেই থাকে কিন্তু সাধারন মানুষ তা দেখে না। পাবে কী সেই জগতের খোঁজ?
সালেহ আহমেদ মুবিন ভাইয়ের ব্যাতিক্রমধর্মী কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপট নিয়ে গল্প লেখাটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। শুভকামনা রইল তাঁর জন্য।
🔹 এইচ পি লাভক্র্যাফটঃ মহাজাগতিক অন্ধকারের রাজপুত্র / লুতফুল কায়সার -
এটা গল্প নয়। এটা গল্পের চাইতেও বেশি কিছু ছিলো। ব্যাতিক্রম ধাঁচের হরর গল্প লেখকের জনক এই লাভক্র্যাফট। তার সংক্ষিপ্ত জীবনি অতি সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। অদ্ভুত ভালো লেগেছে লাভক্র্যাফটের এই সমাচারটি পড়ে।
🔹 ছদ্মবেশ / মূলঃ অ্যালান ব্র্যাডলি / অনুবাদঃ সন্ধ্যাশশী বন্ধু -
শহরের একটি বাড়িতে এক লোক খুন হন। লাশ সনাক্ত করেন মৃতের স্ত্রী। কিন্তু সেই স্ত্রীকে পুলিশ দোষারোপ করতে পারছে না। কারণ কোনো প্রমান নেই। অন্যদিকে হত্যাকান্ডর স্থান থেকে প্রায় দুই মাইল দূরের একটি পার্কে বসে থাকা এক লোকের সাথে অদ্ভুত রকম আলাপ করে যাচ্ছে সরকারি চাকরির ইউনিফর্ম পরিহিত লোকটি। ইউনিফর্ম পরা লোকটিকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি কোনো ছদ্মবেশে আছেন। এবং তার অবজারভেশন ক্ষমতা অসাধারণ। সেই ছদ্মবেশ ধারী লোকটিই শেষে এমন চমক দেখায় যে পার্কের বেঞ্চে আগে থেকে বসে থাকা লোকটি বেশ চমকে যায়। কিন্তু কেন? আর লোকটিই বা কে?
সারা বইতে এই গল্পটা আমার পছন্দের শীর্ষে থাকবে। ধন্যবাদ অনুবাদককে সুন্দর অনুবাদ করার জন্য।
🔹 বো / সৈয়দ আসির হা-মীম বৃন্ত -
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর গতকাল রাতে হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু সন্দেহ করা হচ্ছে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু কেন?
অন্যদিকে সাংবাদিক নীলা চৌধুরীর কাছে অপরিচিত একজন এসে বলে যায়, প্রফেসরকে হিপনোটিজম করে হত্যা করার চেষ্টা করা হতে পারে। নীলা চৌধুরী এই তথ্য অনুসন্ধান করে বিশাল এক ঘটনার মুখোমুখি হন। ঠিক যেমনটা কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে যাওয়ার মতো ব্যপার।
ধন্যবাদ লেখকে সুন্দর গল্পটি লেখার জন্য
🔹 নিঃশব্দ শিকারী (পাঠ পর্যালোচনা) / জাহিদুল ইত্যাদি রাজু -
একটা কথাই বলা যায়, পর্যালোচনাটি পড়ে বইটি এখনি পড়তে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ ভা।
🔹 স্ট্রবেরি স্প্রিং / মূলঃ স্টিফেন কিং / অনুবাদঃ রাফিউল বারী।
প্রতি আট দশ বছর পর পর এখানে স্ট্রবেরি বসন্ত আসে। সেদিন চারপাশের বরফগুলো গলতে থাকে। চারপাশে শীত কমতে থাকে। কিন্তু বাড়তে থাকে কুয়াশা। আর এমনই এক স্ট্রবেরি বসন্তে ঘটে কিছু খুন। পর পর কিছু নারী খুন হতে থাকে। পুলিশ সহ গোয়েন্দারা পর্যন্ত সেই সিরিয়াল খুনিকে ধরতে ব্যর্থ। এই ঘটনাটা এই বছরের বসন্তের আট বছর আগের কথা। আবার ঘুরে আসলো সেইরকম দিন। সেই কুয়াশা। কী হবে এবার?
গল্পটা যথেষ্ট চমৎকার। তবে অনুবাদ আমার পছন্দ হলো না। জানি কেন এমন হলো? মূল বইয়ের লেখাই কী এমন কিনা বুঝতে পারছি না। তবে অনুবাদককে ধন্যবাদ সুন্দর গল্পটি দেয়ার জন্য।
🔹 খুঁত / অনন্যা নাজনীন -
গল্পটা মূলত একটি ধাঁধা ছিলো পাঠকদেন জন্য।
যেমন, ডিবি অফিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কেস ফাইল চুরি যায়। এবং সেই ফাইলটি শত্রুর হাতে চালন করে দেয়। এখন ফাইলটি চুরির আগে যখন সরটি সংগ্রহ করে আনা হয়, তখন সেখানে তিনজন অফিসার ছিলো। মোটামুটি নিশ্চিত তিনজনের একজন এই দুষ্কৃতকারী। কিন্তু সবকিছু উল্টে দিয়ে দোষী সাবস্ত হয় সম্পূর্ণ বিপরীত একজন।
খুব চমৎকার। তবে আমি এই গল্পের খুঁত ধরতে পারলাম না। অপেক্ষায় থাকলাম পরের সংখ্যায় উত্তরের জন্য।
🔹 লেখক সাক্ষাৎকার / সাদাত হোসেন-
বর্তমান পাঠক আলোচিত লেখক সাদাত হোসেনের একটি সুন্দর সাক্ষাৎকার নেন টিপিএ,র সদস্যরা। আর এই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে লেখকের লেখার থ্রিলার লেখার কথা। তার পছন্দ অপছন্দ। প্রিয় লেখক এবং প্রিয় বই সম্পর্কে। এবং সব শেষ তাঁর ভবিষ্যৎ চিন্তা। ভালো লাগলো তাঁর চিন্তা ভাবনা গুলো।
--এছাড়াও দুইটি ধারাবাহিক উপন্যাস ও অনুবাদ গল্প ছিলো। আমি প্রথম থেকে পড়িনি বলে তার আলোচনা করলাম না। তবে পড়ে নিবো খুব দ্রুত।
সবশেষ আবারো ধন্যবাদ ‘থ্রিলার পাঠকদের আসর’ গ্রুপের সকল এডমিন এবং মডারেটস সহ সকল আয়োজকদের। বইটি নিয়ে খুব সুন্দর উপভোগ্য সময় পার করেছি।
ধন্যবাদ।
© মোঃ কামরুল হাসান
📚 বই হোক আপনার, আপনি বইয়ের 📚