ছ’টা কাঠবিড়ালি... গ্রাফিতির মতো, বড়সড় এক রক্তলাল পেণ্টাকল... একটা হাইপোডার্মিক সিরিঞ্জ... ওল্টানো ক্রুশ... গুলি ভরা পিস্তল... মৃত এক তরুণীকে ঘিরে জনা কয়েক আলখেল্লাধারী... জানেন, কী অর্থ এসবের? জবাবটা জানা আছে বলেই রুখে দাঁড়াল তাহিতি অন্য ভুবনের প্রতিনিধি ওই আত্মাখাদকের বিরুদ্ধে, সঙ্গী হলো টনি ডায়েস আর পিটার পারকার। কিন্তু মিস গ্রেভ? একাকী ও মোকাবেলা করবে কী করে অপার্থিব আতঙ্কটার?
ডিউক জনের জন্ম ৩১ জানুয়ারি, ১৯৮৪ সালে। সেবা প্রকাশনীতে প্রথম শুরু হয় ২০১৪ সালে ওয়েস্টার্ন 'সুবর্ণ সমাধি' দিয়ে। এর পর জুল ভার্নের 'দক্ষীনের যাত্রী' আসে ২০১৫ সালে। এর পর তার কাছ থেকে আমরা পেয়েছি উইলিয়াম হাওয়ার্ড, এমিলিও সালগ্যারি, পার্ল এস. বাক, পি. জি ওডহাউস, মিশেল মোরান, মেরাল ওকায়, রবার্ট ই. হাওয়ার্ড সহ অনেক দুর্দান্ত ও বিক্ষাত লেখকদের বইগিুলো। ওয়েস্টার্ন সিরিজের বই ’সূবর্ণ সমাধি’, তিনটি পিশাচ কাহিনী ও হরর কাহিনীর বই, এবং সব শেষে প্রকাশিত হয়েছে মাসুদ রানা সিরিজের সর্বশেষ বই (৪৬৭ তম) ‘শকওয়েভ’, বইটিটে কাজীদার পাশাপাশি সহযোগী লেখক হিসেবে তিনি আছেন।
এটা দারুন ছিলো। আমাকে বলতেই হবে। এই বইটা মূলত দুইটি গল্পের মিলিত একটা বই। অদেখা ভুবন ১ ও ২। দুইটা গল্প তবে দুইটি গল্পেরই মিলনসূত্র একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে বইটার প্রথম পাতা থেকেই বলা যায় বোঝা যাচ্ছিল বইটা বেশ ভালোই হবে পড়তে। হয়েছেও তাই পরতে পরতে ভয়, কিছু একটা ঘটবে বা হবে এরকম পরিস্থিতির বিষয়টা ছিলো পুরো বইজুড়ে। প্রথম ভাগের গল্পে এক পরিবার পুরাতন একটা বাড়িতে উঠে, তবে সে বাড়িটি ছিলো পুরোপুরি অভিশপ্ত এবং এই বাড়িটি ঘিরে মূলত প্রথম ভাগের গল্প এগিয়ে যায়। মানতেই হবে অসাধারণ ছিলো সে গল্প এবং প্রথম ভাগের গল্পের শেষটা আমার ভালো লেগেছিলো বেশি। আর এরপরেই শুরু হয় দ্বিতীয় ভাগের গল্প। এইটাও প্রথম ভাগের তুলনায় কম রোমাঞ্চকর ছিলো না। তবে প্রথম ভাগের গল্পের তুলনায় এই গল্পের সমাপ্তিটা আমার পছন্দ হয়নি। একদম তরুন একটা পরিবার সেই একই বাড়িতে বসবাস করার জন্য উঠেছিলো। যাই হোক ঘটনা দিন দিন এতটাই খারাপ হচ্ছিলো যে বাধ্য হয়ে তারা বাড়িটা ছেড়ে দেয় কিন্তু পিছু ছাড়েনি তাদেরকে অনুসরণ করা অশরীরী কোন এক অপশক্তি। তারা মুক্তি চায় এই বিভীষিকাময় মুহুর্ত থেকে।
ডিউক জন এর হরর সম্পর্কিত আরো বই পড়ার ইচ্ছা পোষন করি। দেখা হবে হয়তো শীঘ্র নিকট ভবিষ্যতে।।