গল্পের গোয়েন্দাদের চরিত্র বিশ্লেষণ করলে যে সামাজিক বা মনোবৈজ্ঞানিক বৈচিত্রের সন্ধান পাওয়া যায় তার খোঁজে বাংলা-সাহিত্যের কয়েকজন গোয়েন্দার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এই গ্রন্থে। এঁরা ব্যোমকেস বা ফেলুদা নন। তবে এঁদের খ্যাতিও কিছু কম নয়। বাংলা সাহিত্যের নয় গোয়েন্দা - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়ের দারোগার দপ্তর, হেমেন্দ্রকুমার রায়ের জয়ন্ত-মানিক, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের হুকাকাশি, শিবরাম চক্রবর্তীর কল্কেকাশি, প্রেমেন্দ্র মিত্রের পরাশর বর্মা, সত্যজিৎ রায়ের প্রফেসর শঙ্কু, শ্রীস্বপনকুমারের দীপক চ্যাটার্জী, নারায়ণ সান্যালের পি.কে. বাসু, সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের কর্নেল নীলাদ্রি সরকার - এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য গোয়েন্দার মতোই খুঁজেছেন লেখক।
গবেষক ও প্রাবন্ধিক প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত যে রহস্য-সাহিত্যের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী— এ-কথা পাঠকমাত্রেই জানেন। তাঁর 'সাহিত্যের গোয়েন্দা' (যা বর্তমানে পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত আকারে 'রহস্যগল্পের নায়কেরা' নামে পাওয়া যায়) সুকুমার সেন রচিত ক্লাসিক 'ক্রাইম কাহিনির কালক্রান্তি'-র যথার্থ উত্তরসূরি হিসেবেই প্রশংসিত হয়। তাঁরই ছোটো-ছোটো ন'টি নিবন্ধের সংকলন এই বইটি। 'প্রাক্কথন' অংশটিকে ভূমিকা-জ্ঞানে উপেক্ষা করলে সাংঘাতিক ভুল হবে। কার্যত বাংলা সাহিত্যে রহস্য ও রহস্যভেদীর অবস্থান তথা তাঁদের স্রষ্টাদের ভাবনা নিয়ে এমন একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা মাত্র কয়েক পাতায় পড়ার সুযোগ পাওয়াই দুর্লভ ব্যাপার। এরপর এসেছে প্রবন্ধরা~ ১) দারোগা প্রিয়নাথের দপ্তর ২) ঘুরে গেছে রহস্য কাহিনির মোড়... (জয়ন্ত-মানিক); ৩) জাপানি গোয়েন্দার বঙ্গে আগমন (হুকা-কাশি); ৪) সি এইচ এ এলকে— হাসি চলকে না কলকে? (কল্কেকাশি); ৫) আলোচিত হলেন পরাশর বর্মা; ৬) প্রোফেসর শঙ্কুর গোয়েন্দাগিরি; ৭) বাংলার বন্ড দীপক চ্যাটার্জী; ৮) আইনজ্ঞ রহস্যভেদীর কাঁটা (পি.কে. বাসু, বার-অ্যাট-ল); ৯) পাখি, প্রজাপতি আর হত্যা-রহস্য (কর্নেল নীলাদ্রি সরকার)। এই নাতিদীর্ঘ বইটি বিষয়গত বিচারে যেমন কৌতূহলোদ্দীপক, লেখনীর বিচারে তেমনই সুখপাঠ্য। মাত্র ৯৫ পৃষ্ঠার এই বই শুধুমাত্র বাংলার বেশ কিছু আইকনিক গোয়েন্দার কীর্তিকলাপের সঙ্গেই আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় না। পাশাপাশি রহস্যকাহিনি রচনার ক্ষেত্রে স্থানিক ও কালগত প্রেরণা তথা চাহিদার কথাও স্পষ্ট করে দেয় এই বইটি। যুধাজিৎ দাশগুপ্ত'র নান্দনিক প্রচ্ছদ ও অলংকরণে সমৃদ্ধ বইটি প্রতিক্ষণ পকেট বইয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য বহন করছে। শুধু বইটির মলাটের নাম এবং ভেতরের নাম (বাংলা সাহিত্যের নয় গোয়েন্দা) আলাদা হয়ে যাওয়াটা বড়ো দৃষ্টিকটূ ঠেকল। ওটুকু বাদ দিলে বইটা একেবারে নবরত্নসভা। সুযোগ পেলেই কিনে ফেলুন। ঠকবেন না, গ্যারান্টিড।
সুকুমার সেন 'ক্রাইম কাহিনীর কালক্রান্তি' বলে একটি বই লিখেছিলেন যাতে রহস্য জঁরের বিভিন্ন বইয়ের সুলুকসন্ধান ছিল। সে বই হাতে না পেলেও, হাতে এল গোয়েন্দাচরিত। এ বইয়ের সাবটাইটেল হল: বাংলা সাহিত্যের নয় গোয়েন্দা। শুধু সেই নয় গোয়েন্দাই না, সেই সঙ্গে একটা প্রাককথনও রয়েছে যেটা আমার মত রহস্যভক্তদের কাছে একটা মূল্যবান দলিল হতে পারে। রহস্য কাহিনীর উৎস নিয়ে একটা অত্যন্ত জরুরী আলোচনা করা রয়েছে গোটা প্রাককথন জুড়ে। আলোচনার প্রথম অধ্যায়ের নাম দারোগা প্রিয়নাথের দপ্তর। বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হলে অনেকেই শুরুতে স্লিম্যান সাহেবের প্রসঙ্গ টেনে আনেন, কিন্তু তার আগেও এই পুলিশে কর্মরত ভদ্রলোক নিজের নানা অভিজ্ঞতার কথা লিখে গেছেন বই আকারে। এখানে আলোচনার সঙ্গে রেফারেন্স হিসেবে পাওয়া যায় বাঁকাউল্লার দপ্তর ও ট্যানার সাহেবের কথা। পরবর্তী অধ্যায়: ঘুরে গেছে রহস্য কাহিনীর মোড়। এই অধ্যায়ের বিষয়বস্তু হেমেন্দ্রকুমার রায়ের গোয়েন্দারা। অর্থাৎ জয়ন্ত-মানিক, বিমল-কুমার, ও হেমন্ত। সেই সঙ্গে লেখক হেমেন্দ্রকুমার রায়ের বঙ্গীকরণের প্রতিও আলোকপাত করেছেন। এখানে রেফারেন্স হিসেবে উঠে এসেছে গিরিশচন্দ্র ঘোষের লেখা সেকালের দারোগা কাহিনী, পাঁচকড়ি দে, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্য, ও রোমাঞ্চ পত্রিকার সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের নাম। পূর্বে উল্লিখিত রেফারেন্সের নানা লেখকদের মধ্যে থেকে মনোরঞ্জনবাবুকে নিয়ে পাঠকদের মনোরঞ্জন করাতে লেখক অবতারণা করেছেন তৃতীয় পর্বের: জাপানী গোয়েন্দার বঙ্গে আগমন। আজ্ঞে হ্যাঁ। এই জঁর সম্পর্কে ওয়াকিবহালরা ঠিকই ধরেছেন। হুকাকাশিই বটে ইনি। রামধনু পত্রিকায় ছোটদের জন্য গোয়েন্দা গল্পের প্রয়োজন হওয়ায় ইনি বইয়ের পাতায় এসে হাজির হন। এখানে আর একজন বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত গোয়েন্দার কথা বলা হয়েছে। তাঁর কথায় পরে আসব। আপাতত পরের অধ্যায়ে যাই: সি এইচ এ এলকে - হাসি চলকে না কলকে? কী? হেসে ফেললেন তো? আরও হাসবেন। কারণ এ যে রসরাজ শিব্রাম চক্রবর্তীর সৃষ্টি করা গোয়েন্দা। হুকাকাশির প্যারোডি করে তিনি তৈরি করেছিলেন কামস্কাটকা নিবাসী কল্কেকাশিকে। এখানে আরও কিছু বিদেশি মজার গোয়েন্দা কাহিনী লেখকের রেফারেন্সও পাওয়া যায়: যথাক্রমে: ক্রেগ রাইটস, রেক্স স্টাউট, পি জি উডহাউস। পরবর্তী অধ্যায়: আলোচিত হলেন পরাশর বর্মা। ইনি ব্যর্থ কবি, সফল গোয়েন্দা। পরাশর সংক্রান্ত আলোচনায় উঠে এসেছে পি ডি জেমসের কথা। এতক্ষণ ধরে নিশ্চয়ই ভাবছেন যে ফেলুদা, ব্যোমকেশ, এঁরা কই গেলেন? আসলে এখানে যাঁরা আলোচিত হয়েছেন, তাঁরা খুব একটা বেশি পরিচিত নন বেশিরভাগ পাঠকের কাছেই। তবে লেখক আমাদের সত্যজিৎ সাহিত্য থেকে বঞ্চিত করেননি। তাই পরবর্তী অধ্যায়: প্রফেসর শঙ্কুর গোয়েন্দাগিরি। কী বলছেন? হ্যাঁ, জানি তো উনি বিজ্ঞানী। তবে সময়ে সময়ে উনি গোয়েন্দার ভূমিকাতেও অবতীর্ণ হয়েছেন। সেসব হিসেব দিয়েছেন লেখক এই অধ্যায়ে। মনে পড়ছে, একজন গোয়েন্দার রেফারেন্সের উল্লেখ করলেও তার নাম করিনি? তাঁকে নিয়েই পরের অধ্যায়: বাংলার বন্ড দীপক চ্যাটার্জী। সত্যিই ইনি বাংলার বন্ড। তাঁর নানা কীর্তিকলাপ ও বইয়ের সিরিজের তথ্য পেশ করেছেন প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত তাঁর এই অধ্যায়ে। সেই সঙ্গে রেফারেন্স এসেছে রবার্ট লেসলি বেথামের। এর পর 'আইনজ্ঞ রহস্যভেদীর কাঁটা'র পালা। হ্যাঁ, নারায়ণ সান্যালের সেই চিরবিখ্যাত কাঁটা সিরিজ এই অধ্যায়ে আলোচ্য। পেরি ম্যাসন থেকে অনুপ্রাণিত পি কে বাসুর কাহিনীর মূল আকর্ষণ সেই কোর্টরুম ড্রামা নিয়েও আলোচনা আছে বড় পরিসরে। এবং সর্বশেষ অধ্যায়: পাখি, প্রজাপতি, আর হত্যা রহস্য। 'নেচারিস্ট' কর্ণেল নীলাদ্রি সরকার, জয়ন্ত, ও কে কে হালদার এখানে লাইমলাইটে এসেছেন।
এবার আসি বইয়ের মেকিংয়ে। সম্প্রতি পকেট উপন্যাস বলে একটা কনসেপ্ট চালু হয়েছে। সেই ফরম্যাটের বইয়ের মত এই গোয়েন্দাচরিত। তবে বেশ কিছু বানান-বিভ্রাট চোখে পড়ছে। নীচে তালিকা দিলাম, তবে তার জন্য বইয়ের রস একটুও নষ্ট হয়না। পৃ: ১২ - 'অভিমাত' (অভিমত হত) পৃ: ২৩ - 'হুকাখাশি' (কাশি হত) পৃ: ২৪ - 'হার্ভ বয়েল্ড' (হার্ড হত) পৃ: ৪৩ - 'মনোরঞ্জ' (শেষের 'ন' টা বাদ গেছে) পৃ: ৫১ - 'পেমেন্দ্র' (প্রেমেন্দ্র হত) পৃ: ৫৪, ৫৬, ৫৮ - 'পারশর' (পরাশর হত) পৃ: ৬০ - 'ব্যামযাত্রীর ডায়রী' (ব্যোমযাত্রীর ডায়রী হত) পৃ: ৬২ - 'সুঁকে' (শুঁকে হত) পৃ: ৬৬ - 'রপ্তি' (রন্ডি হত) ঐ - 'কেস্টদা' (কেষ্টদা হত) পৃ: ৭০ - 'দায়ীত্ব' (দায়িত্ব হত) পৃ: ৭১ - ' ঁউচুতলায়' (উঁচুতলায় হত) পৃ: ৭৩ - 'সিংসভাগ' (সিংহভাগ হত) পৃ: ৭৬ - 'মোর্পল' (মার্পল হত) পৃ: ৮৩ - 'ফাস্টবুক' (ফার্স্টবুক হত) পৃ: ৯২ - 'বরফধঝ কচতটপ' (বরকধঝ কচতটপ হত) পৃ: ৯৩ - ক্ষুব্ধ-র পরে হঠাৎই নতুন প্যারাগ্রাফ শুরু হয়েছে 'হয়ে' থেকে।
এই বইটি বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দাকাহিনির আরম্ভ আর তার বিকাশ নিয়ে কিছু প্রবন্ধের সংকলন। বইটি নিয়ে কোন আশা-নিরাশা ছিলো না, বিষয়বস্তু আগ্রহজনক হওয়ায় বিদেশে থাকাকালীন ঢাকার একজন বন্ধুকে অনুরোধ করে কিনিয়ে রাখা, গ্রীষ্মের ছুটিতে পড়বো ভেবে। মোটামুটি দুইটানে, মানে দুইবারের বসায় ৯৫ পৃষ্ঠার বইটি শেষ করে বলবো, সুখপাঠ্য ছিলো।
"বাংলা ভাষায় লেখা গল্প-উপন্যাসে… বিশেষত কিশোর সাহিত্যে অবাঙালি নাম বা পদবী নিয়ে নির্ভেজাল রসিকতা করার প্রবণতা কিছু নতুন নয় ! যেমন, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের রচনায় দেখা যায় কাল্পনিক জাপানি ডাকাত কাগামাছি, বা দুর্ধর্ষ চৈনিক দস্যু ঘচাং ফুঃ, কিংবা পরশুরাম-বিরচিত গল্পে মাড়োয়ারি ব্যবসাদাব গণ্ডেরিরাম বাটপারিয়া, গ্যাঁড়াতলার বিহারী মস্তন গাঁট্টালাল, ধান্দাবাজ ইংরেজি রাজনীতিবিদ স্যর ট্রিকসি টার্নকোট, আইরিশ নেতা ও’হুগিগান প্রভৃতি | তাছাড়া বহু কাহিনিতে এমন অনেক বিদেশি চরিত্র দেখা গিয়েছে, যাদের নাম ঠিক বাস্তবসম্মত বলা চলে না। এসবের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যার নীহাররঞ্জন গুপ্তর কিরীটি রায়ের গল্পের চরিত্র, চিনা যুবক চ্যাং টু, হেমেন্দ্রকুমার রায়ের বার্মিজ ডাকাত ছুন ছিঊ , শরদিন্দু বন্দোপােধায়ের ঐতিহাসিক কাহিনির বৃদ্ধ হুন মােঙ প্রভৃতি নাম। জাপানি নামের একটি বিশেষত্ব হল, অনেক সময়ে দেখা যায় তার এক বা একাধিক অংশের সঙ্গে কোনও প্রচলিত বাংলা শব্দের ধ্বনিগত সাদৃশ্য রয়েছে ৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায়, গত শতাব্দীর আশির দশকে কলকাতার ময়দানে টাকাহাসি নামক এক জাপানি পর্যটকের মানিব্যগ চুরির ঘটনা এক বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্রে ছাপা হয় 'টাকাহাসির টাকা চুরি' শিরোনামে। আবার কলকাতা পুলিশের কয়েকদিনের মধ্যে ওই চুরি যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে দেওয়ার খবরটির একই সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়েছিল 'টাকাহাসির মুখে হাসি’ ৷ জাপানি উচ্চারণে টাকাহাসি যদিও তাকাহাসি, তবুও ‘তাকা'-কে ইংরেজি পন্থায় 'টাকা' করে দেওয়ায় সংবাদ পরিবেশনে কোনও রসহানি তো ঘটেইনি, বরং রসবৃদ্ধিই ঘটেছিল মনে করা যেতে পারে। তা এই জাতীয় কোনও রসের আভাসেই কিশোর পত্রিকার নবীন লেখক তার সৃষ্টি করা জাপানি গোয়েন্দার নাম রেখেছিলেন হুকা-কাশি ৷ অবশ্য জেমস বন্ডের স্টইিলে এই গোয়েন্দার 'মাই নেম ইজ কাশি, হুকা কাশি’ বলে আত্মপরিচয় দেওয়ার কোনও সুযোগ ঘটেনি।"
হুকা-কাশির মতো তুলনামূলকভাবে অপরিচিত গোয়েন্দারাই এই বইতে মুখ্য চরিত্র হিসেবে এসেছেন, ব্যোমকেশ, ফেলুদা বা কাকাবাবুর মতো বিশেষভাবে বর্তমানে জনপ্রিয় গোয়েন্দাচরিত্ররা নন। বাংলা সাহিত্যে 'বাঁকাউল্লার দপ্তর', 'দারোগার দপ্তর' এর আগে, অষ্টাদশ, ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপে সাহিত্যে গোয়েন্দাদের আবির্ভাব নিয়ে হালকা আলোচনা করেছেন লেখক, সংক্ষেপে উঠে এসেছে বিশ্ব সাহিত্যে গোয়েন্দাগল্পের অবস্থা, ইতিহাস প্রবন্ধগুলোতে।
বইটা থেকে পরিচিতি এবং অপরিচিত বেশ কিছু গোয়েন্দা সিরিজের খুঁটিনাটি জানা হয়েছে, লেখকদের পরিচিতিসহ। আগ্রহবোধ করছি বিশেষ করে 'দারোগার দপ্তর' ও 'হুকা-কাশি' সিরিজ পড়বার জন্যে।
PS: ঠিক বইয়ের রিভিউ না, প্রকাশনার রিভিউ, কাজেই প্রাসঙ্গিক -
বইটির ছাপা ও বাঁধাই ভালো, বানান বিভ্রাট মনে হয়েছে লেখকের দোষে - বই, গল্পের নামকরণে, প্রুফরিডিং-এর দোষে আছে একই বাক্যবন্ধের পুনরাবৃত্তি অন্তত ৩ জায়গায়। তাও সাম্প্রতিক বাংলাদেশী প্রকাশনাগুলির এই ত্রুটিগুলো এত বেশি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যে তার থেকে অনেকবেশি আরামদায়ক ছিলো পশ্চিমবঙ্গের এই বইটি পড়তে।
The book is collection of short essays regarding less disscussed (read less famous) detective/ mystery story or novel writers in Bengali. Along with them we have touch of history also. My main problem with thia book is it is full of printing mistake, most of the dates printed are wrong. So though the writer tried to give us information but they are printed mostly incorrect.